মোটিভেশন Archives - প্রেরণাজীবন https://preronajibon.com/category/মোটিভেশন/ PreronaJibon Wed, 02 Sep 2026 17:05:51 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1 https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2018/12/cropped-Favicn-32x32.png মোটিভেশন Archives - প্রেরণাজীবন https://preronajibon.com/category/মোটিভেশন/ 32 32 অতিরিক্ত “Sorry” বলা: ভদ্রতা, নাকি নিজের মূল্য কমিয়ে দেওয়ার অভ্যাস ? https://preronajibon.com/are-you-apologizing-for-no-reason/ https://preronajibon.com/are-you-apologizing-for-no-reason/#respond Wed, 02 Sep 2026 17:05:46 +0000 https://preronajibon.com/?p=3196 6 Minute Read“Sorry, একটা কথা বলব?” “Sorry, তোমাকে একটু বিরক্ত করছি।” “Sorry, এত বড় মেসেজ দিলাম।” “Sorry, আমি হয়তো ভুল হতে পারি,

The post অতিরিক্ত “Sorry” বলা: ভদ্রতা, নাকি নিজের মূল্য কমিয়ে দেওয়ার অভ্যাস ? appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
6 Minute Read

“Sorry, একটা কথা বলব?”

“Sorry, তোমাকে একটু বিরক্ত করছি।”

“Sorry, এত বড় মেসেজ দিলাম।”

“Sorry, আমি হয়তো ভুল হতে পারি, কিন্তু…”

ছোট্ট একটি শব্দ—Sorry। আমাদের দৈনন্দিন কথাবার্তায় শব্দটি এতটাই স্বাভাবিক হয়ে গেছে যে, অনেক সময় আমরা খেয়ালও করি না কখন এবং কেন এটি বলছি।

কিন্তু একটু ভেবে দেখুন—সবকিছুর জন্য কি সত্যিই আমাদের ক্ষমা চাওয়ার প্রয়োজন আছে?

কাউকে প্রশ্ন করা, নিজের মতামত প্রকাশ করা, সাহায্য চাওয়া, নিজের জন্য কিছুটা সময় নেওয়া কিংবা কোনো আলোচনায় নিজের বক্তব্য যোগ করা—এসব কি সত্যিই অপরাধ?

সমস্যা “Sorry” শব্দটির মধ্যে নয়। ভুল করলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইতে জানা একটি সুন্দর মানবিক গুণ। সমস্যা শুরু হয় তখন, যখন কোনো ভুল না করেও আমরা এমনভাবে “Sorry” বলতে থাকি, যেন আমাদের কথা, প্রয়োজন কিংবা উপস্থিতিই অন্যের জন্য একটি অসুবিধা।

অতিরিক্ত ক্ষমা চাওয়ার অভ্যাসের পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে।

কেউ হয়তো ছোটবেলা থেকে শিখেছেন—ভালো মানুষ মানেই সব সময় নম্র, বাধ্য এবং অন্যের সুবিধাকে নিজের প্রয়োজনের আগে রাখা। কেউ অন্যকে অসন্তুষ্ট করতে ভয় পান। আবার কারও মনে প্রশ্ন আসে—

“আমার কথায় যদি উনি বিরক্ত হন?”

“আমি কি বেশি কিছু চেয়ে ফেলছি ? ”

“নিজের মতামত দিলে মানুষ আমাকে অহংকারী ভাববে না তো?”

কখনো কখনো “Sorry” একটি verbal reflex বা কথার স্বয়ংক্রিয় অভ্যাসে পরিণত হয়। চিন্তা করার আগেই শব্দটি মুখ থেকে বেরিয়ে আসে।

কেউ আমাদের সঙ্গে ধাক্কা খেলেও আমরা বলি, “Sorry!”

একটি প্রশ্ন করতে গিয়ে বলি, “Sorry to bother you.”

নিজের মতামত প্রকাশের আগেও বলি, “Sorry, but I think…”

এভাবে চলতে চলতে আমাদের কথার মধ্যে অজান্তেই এমন একটি বার্তা ঢুকে যেতে পারে—যেন নিজের বক্তব্য প্রকাশ করার আগে আমাদের অনুমতি নিতে হবে।

গবেষণা কী বলছে ?

মনোবিজ্ঞানী Karina Schumann ও Michael Ross ২০১০ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় নারী ও পুরুষের ক্ষমা চাওয়ার আচরণ পরীক্ষা করেন।

গবেষণাটির প্রথম অংশে ৩৩ জন নারী ও ৩৩ জন পুরুষ অংশগ্রহণকারীকে টানা ১২ দিন দৈনন্দিন ঘটনার ডায়েরি রাখতে বলা হয়। সেখানে তাঁরা লিখতেন—কখন তাঁরা কাউকে কষ্ট দিয়েছেন বা অসুবিধায় ফেলেছেন, কখন অন্য কেউ তাঁদের সঙ্গে এমন আচরণ করেছে এবং সেই ঘটনায় ক্ষমা চাওয়া হয়েছিল কি না।

গবেষণায় নারীরা মোট apology বেশি রিপোর্ট করেছিলেন। কিন্তু তাঁরা ক্ষমা চাওয়ার মতো ঘটনাও বেশি শনাক্ত করেছিলেন। কোনো ঘটনাকে যখন সত্যিই ভুল হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে, তখন সেই ভুলের জন্য নারী ও পুরুষের ক্ষমা চাওয়ার অনুপাতে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য পাওয়া যায়নি।

গবেষণার দ্বিতীয় অংশে অংশগ্রহণকারীদের কিছু কাল্পনিক এবং নিজেদের জীবনের কিছু বাস্তব ঘটনা মূল্যায়ন করতে বলা হয়। সেখানে একই ধরনের ঘটনাকে নারীরা গড়ে পুরুষদের তুলনায় কিছুটা বেশি গুরুতর ও ক্ষমা চাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচনা করেছিলেন।

গবেষকেরা তাই বলেননি যে নারীরা স্বভাবগতভাবে দুর্বল কিংবা পুরুষেরা অহংকারের কারণে ক্ষমা চান না। তাঁদের ফলাফল বরং ইঙ্গিত করে—কোন আচরণকে কতটা গুরুতর ভুল বা offense হিসেবে দেখা হচ্ছে, সেই মানদণ্ডে পার্থক্য থাকতে পারে।

এই গবেষণা আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের সামনে দাঁড় করায় —

আমি কি সত্যিই বেশি ভুল করছি, নাকি অনেক বেশি পরিস্থিতিকে নিজের ভুল বলে ধরে নিচ্ছি?

তবে মনে রাখা দরকার, গবেষণাটি সীমিত সংখ্যক অংশগ্রহণকারীর ওপর পরিচালিত হয়েছিল। তাই এর ফলাফল দিয়ে পৃথিবীর সব নারী বা পুরুষ সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া উচিত নয়।

না। এখানেই বিষয়টি আরও সূক্ষ্ম।

Alison Wood Brooks, Hengchen Dai ও Maurice E. Schweitzer-এর ২০১৪ সালের চারটি গবেষণায় দেখা যায়, নিজের কোনো দায় না থাকা সত্ত্বেও অন্যের অস্বস্তিকর পরিস্থিতির জন্য দুঃখ প্রকাশ করা কখনো কখনো সহানুভূতির সংকেত হতে পারে এবং বক্তার প্রতি বিশ্বাস বাড়াতে পারে।

যেমন, বৃষ্টিতে কেউ ভিজে গেলে বলা—

“I’m sorry you got caught in the rain.”

এখানে বক্তা বৃষ্টির জন্য দায়ী নন। এই “Sorry” অপরাধ স্বীকার নয়; এটি অন্যের কষ্ট বুঝতে পারার ভাষা।

গবেষকেরা একে বলেছেন superfluous apology—এমন একটি দুঃখপ্রকাশ, যেখানে বক্তা ঘটনার জন্য দায়ী নন।

অতএব, প্রতিটি অপ্রয়োজনীয় “Sorry” খারাপ—এমন সিদ্ধান্ত গবেষণা সমর্থন করে না। বরং দুটি বিষয়ের পার্থক্য বোঝা জরুরি—

“আপনার কষ্টের কথা শুনে খুব খারাপ লাগছে।”

Sorry, আমারও একটা মতামত আছে।”

প্রথমটি অন্যের অনুভূতিকে সম্মান করে। দ্বিতীয়টি অকারণে নিজের বক্তব্যকে সংকুচিত করতে পারে।

লক্ষ্য “Sorry” শব্দটি বাদ দেওয়া নয়। লক্ষ্য হলো বোঝা—আমি সহানুভূতি প্রকাশ করছি, নাকি নিজের স্বাভাবিক অধিকারটির জন্য ক্ষমা চাইছি?

Sorry” নয়, কখনো “Thank You” বলুন

অভ্যাসগত apology কমানোর একটি সহজ ও সুন্দর উপায় হলো, উপযুক্ত পরিস্থিতিতে “Sorry”-এর পরিবর্তে “Thank you” ব্যবহার করা।

❌ “Sorry, I’m late.”

✅ “Thank you for waiting.”

তবে দেরির কারণে অন্যের বাস্তব অসুবিধা হয়ে থাকলে বলতে পারেন—

✅ “দেরি হওয়ার জন্য আমি দুঃখিত। অপেক্ষা করার জন্য ধন্যবাদ।”

কেউ আপনার দীর্ঘ মেসেজ পড়েছেন—

❌ “Sorry for the long message.”

✅ “সময় নিয়ে মেসেজটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।”

❌ “Sorry, এতক্ষণ ধরে বলে গেলাম।”

✅ “আমার কথা মন দিয়ে শোনার জন্য ধন্যবাদ।”

এই পরিবর্তনটি ছোট হলেও কথার মানসিক কাঠামো বদলে দেয়।

“Sorry” কথোপকথনের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখে আপনার অপরাধবোধকে। “Thank you” গুরুত্ব দেয় অন্য ব্যক্তির সময়, ধৈর্য ও সহযোগিতাকে।

তবে যেখানে সত্যিই আপনার ভুল হয়েছে, সেখানে শুধু “Thank you” বলে দায় এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়। প্রয়োজনে ক্ষমা ও কৃতজ্ঞতা—দুটিই প্রকাশ করুন।

কথার শুরু থেকে অপ্রয়োজনীয় “Sorry” সরিয়ে দিন

অনেক সময় মূল কথায় যাওয়ার আগেই আমরা নিজের বক্তব্যকে ছোট করে ফেলি।

❌ “Sorry, can I add something?”

✅ “আমি একটি বিষয় যোগ করতে চাই।”

❌ “Sorry, quick question.”

✅ “একটি ছোট প্রশ্ন আছে।”

❌ “Sorry, আমি একমত হতে পারছি না।”

✅ “আমি বিষয়টিকে একটু ভিন্নভাবে দেখছি।”

এখানে লক্ষ্য অভদ্র হওয়া নয়। লক্ষ্য হলো—

Apologetic না হয়েও polite হতে শেখা।

আপনার কণ্ঠস্বর কোমল হতে পারে, ভাষা সম্মানজনক হতে পারে এবং আচরণ বিবেচনাপূর্ণ হতে পারে। কিন্তু প্রতিটি বক্তব্যের আগে নিজেকে ছোট করার প্রয়োজন নেই।

Assertive হওয়া মানে aggressive হওয়া নয়

অনেকে ভাবেন —

“আমি যদি Sorry কম বলি, মানুষ আমাকে অহংকারী ভাববে।”

অথবা—

“নিজের কথা সরাসরি বললে আমি rude হয়ে যাব।”

কিন্তু assertiveness এবং aggression এক বিষয় নয়।

Aggression হলো অন্যের অধিকার বা অনুভূতিকে অগ্রাহ্য করে নিজের কথা চাপিয়ে দেওয়া।

Assertiveness হলো নিজের প্রয়োজন, মতামত ও সীমারেখা স্পষ্টভাবে প্রকাশ করা—একই সঙ্গে অন্যের প্রতিও সম্মান বজায় রাখা।

“আমি এই বিষয়ে একমত নই।”

“এখন আমার পক্ষে কাজটি করা সম্ভব নয়।”

“সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আমার একটু সময় দরকার।”

“আমার কথাটাও সম্পূর্ণ করতে চাই।”

এসব বলার আগে “Sorry” যোগ করা বাধ্যতামূলক নয়।

নিজের মতামতের মূল্য দেওয়া অহংকার নয়। আবার নিজের মতামত প্রকাশ করতে গিয়ে অন্যকে অসম্মান করাও আত্মবিশ্বাস নয়। প্রকৃত আত্মবিশ্বাসের মধ্যে স্পষ্টতা ও সম্মান—দুটিই থাকে।

সত্যিকারের ভুল হলে “Sorry” অবশ্যই বলুন

Over-apologizing কমানোর অর্থ ক্ষমা চাওয়া বন্ধ করে দেওয়া নয়।

আপনি যদি কারও অনুভূতিতে সত্যিই আঘাত করেন, কোনো প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন, নিজের অবহেলায় কারও সময় নষ্ট করেন কিংবা নিজের আচরণের কারণে কাউকে ক্ষতির মুখে ফেলেন—তাহলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Roy J. Lewicki, Beth Polin ও Robert B. Lount-এর ২০১৬ সালের দুটি গবেষণায় কার্যকর apology-এর ছয়টি সম্ভাব্য উপাদান পরীক্ষা করা হয়েছিল—

অনুশোচনা প্রকাশ

কী ভুল হয়েছে তার ব্যাখ্যা

নিজের দায় স্বীকার

ভুলটি আর না করার ইচ্ছা প্রকাশ

ক্ষতি সংশোধনের প্রস্তাব

ক্ষমা প্রার্থনা

গবেষণায় বেশি উপাদান থাকা apology সাধারণত বেশি কার্যকর বলে মূল্যায়িত হয়েছে। বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল নিজের দায় স্বীকার করা এবং ক্ষতি সংশোধনের প্রস্তাব দেওয়া।

শুধু —

Sorry.”

বললেই একটি ভালো apology সম্পূর্ণ হয় না।

বরং বলা যেতে পারে—

“আমি দুঃখিত। ভুলটি আমার ছিল। এর কারণে আপনার সময় নষ্ট হয়েছে, সেটা আমি বুঝতে পারছি। আমি আজই বিষয়টি ঠিক করার ব্যবস্থা করছি।”

এখানে রয়েছে —

ভুল স্বীকার → দায়িত্ব গ্রহণ → ক্ষতি বোঝা → সংশোধনের উদ্যোগ।

নিজের ভুলের সামনে সৎভাবে দাঁড়াতে পারা দুর্বলতা নয়। এটি মানসিক পরিণতিবোধ ও আত্মবিশ্বাসের লক্ষণ।

একটি সহজ অভ্যাস: STOP–CHECK–SPEAK

মুখ থেকে অভ্যাসবশত “Sorry” বেরিয়ে আসতে যাচ্ছে?

এক সেকেন্ড থামুন।

“আমি কি সত্যিই কোনো ভুল করেছি?”

“আমার কারণে কি কেউ কষ্ট বা অসুবিধায় পড়েছেন?”

“নাকি আমি শুধু প্রশ্ন, মতামত বা নিজের প্রয়োজন প্রকাশ করার জন্য ক্ষমা চাইছি?”

উত্তর যদি হয়—হ্যাঁ, আমি ভুল করেছি, তাহলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চান এবং সম্ভব হলে ভুলটি সংশোধন করুন।

উত্তর যদি না হয়, তাহলে “Sorry” বাদ দিয়ে কথাটি সম্মানজনকভাবে বলুন।

❌ “Sorry, একটা প্রশ্ন করব?”

✅ “একটি প্রশ্ন করতে চাই।”

❌ “Sorry, আপনার একটু সময় নেব।”

✅ “আপনার সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কথা বলতে চাই।”

❌ “Sorry, আমি হয়তো ভুল, কিন্তু…”

✅ “আমার পর্যবেক্ষণটি একটু ভিন্ন।”

অর্থাৎ—

প্রয়োজনীয় apology রাখুন, reflex apology কমান।

নিজেকে ছোট না করেও ভদ্র থাকা যায়

অন্যের প্রতি বিবেচনাশীল হওয়া নিঃসন্দেহে সুন্দর গুণ। কিন্তু নিজের অস্তিত্ব, মতামত, সময় ও প্রয়োজনকে সব সময় অন্যের নিচে রাখার নাম kindness নয়।

নিজের জন্য কিছুটা জায়গা চাওয়া selfishness নয়।

প্রশ্ন করা বোকামি নয়।

মতামত দেওয়া অপরাধ নয়।

সম্মানের সঙ্গে “না” বলা অভদ্রতা নয়।

সাহায্য চাওয়া দুর্বলতা নয়।

এবং নিজের স্বাভাবিক জায়গাটুকু নেওয়ার জন্য বারবার ক্ষমা চাওয়ারও প্রয়োজন নেই।

শেষ কথা: “Sorry” শব্দটিকে আবার অর্থপূর্ণ করে তুলুন

লক্ষ্য শুধু কম “Sorry” বলা নয়; লক্ষ্য হলো সঠিক জায়গায় সঠিকভাবে “Sorry” বলা।

প্রতিটি প্রশ্নের আগে নয়।

প্রতিটি মতামতের আগে নয়।

নিজের উপস্থিতির জন্য নয়।

নিজের প্রয়োজনের জন্য নয়।

বরং যখন সত্যিই কাউকে কষ্ট দিয়েছি বা কোনো ভুল করেছি, তখন আমাদের apology যেন হয় সৎ, নির্দিষ্ট এবং দায়িত্বশীল।

আর যখন কোনো ভুল করিনি, তখন মাথা নিচু করে নয়—শান্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজের কথাটি বলি।

ভদ্র হতে হলে নিজেকে ছোট করতে হয় না।

আত্মবিশ্বাসী হতে হলে অন্যকে ছোট করতে হয় না।

আর নিজের জায়গা নেওয়ার জন্য ক্ষমা চাইতে হয় না।

আপনার উপস্থিতির মূল্য আছে।
আপনার কথার মূল্য আছে।
আপনার সময়ের মূল্য আছে।

তাই পরেরবার অভ্যাসবশত মুখে “Sorry…” চলে এলে এক মুহূর্ত থেমে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন —

“আমি কি সত্যিই কোনো ভুল করেছি, নাকি শুধু নিজের জায়গা নেওয়ার জন্য ক্ষমা চাইছি ?”

হয়তো সেই এক মুহূর্তের বিরতিই ধীরে ধীরে আপনার কথা বলার ধরন, আত্মবিশ্বাস এবং নিজের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিতে শুরু করবে।

— একটি ছোট শব্দ সচেতনভাবে ব্যবহার করে নিজের মূল্যকে নতুনভাবে দেখার গল্প।


Schumann, K., & Ross, M. (2010). Why Women Apologize More Than Men: Gender Differences in Thresholds for Perceiving Offensive Behavior. Psychological Science, 21(11), 1649–1655. DOI: 10.1177/0956797610384150

Brooks, A. W., Dai, H., & Schweitzer, M. E. (2014). I’m Sorry About the Rain! Superfluous Apologies Demonstrate Empathic Concern and Increase Trust. Social Psychological and Personality Science, 5(4), 467–474. DOI: 10.1177/1948550613506122

Lewicki, R. J., Polin, B., & Lount, R. B. (2016). An Exploration of the Structure of Effective Apologies. Negotiation and Conflict Management Research, 9(2), 177–196. DOI: 10.34891/9awp-8644

The post অতিরিক্ত “Sorry” বলা: ভদ্রতা, নাকি নিজের মূল্য কমিয়ে দেওয়ার অভ্যাস ? appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/are-you-apologizing-for-no-reason/feed/ 0
ম্যাকিয়াভেলির উক্তি: বাস্তব পৃথিবীতে চতুরতার সঙ্গে বাঁচার এক নির্মম শিক্ষা | Niccolò Machiavelli https://preronajibon.com/niccolo-machiavellis-philosophy-of-life/ https://preronajibon.com/niccolo-machiavellis-philosophy-of-life/#respond Sun, 02 Aug 2026 15:54:56 +0000 https://preronajibon.com/?p=3192 5 Minute Readম্যাকিয়াভেলির উক্তি : বাস্তব পৃথিবীতে চতুরতার সঙ্গে বাঁচার এক নির্মম শিক্ষা ছোটবেলায় আমাদের প্রায় সবার মনের ক্যানভাসেই একটা সহজপাঠ এঁকে

The post ম্যাকিয়াভেলির উক্তি: বাস্তব পৃথিবীতে চতুরতার সঙ্গে বাঁচার এক নির্মম শিক্ষা | Niccolò Machiavelli appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
5 Minute Read

ম্যাকিয়াভেলির উক্তি : বাস্তব পৃথিবীতে চতুরতার সঙ্গে বাঁচার এক নির্মম শিক্ষা

ছোটবেলায় আমাদের প্রায় সবার মনের ক্যানভাসেই একটা সহজপাঠ এঁকে দেওয়া হয়—”ভালো মানুষ হও, সত্য বলো, কাউকে আঘাত কোরো না।” তখন শৈশবের সরল চোখ দুটো দিয়ে মনে হতো, পৃথিবীটা বুঝি ঠিক ততটাই সুন্দর ও ঋজু, যতটা সহজ আমাদের নিষ্পাপ মন। বিশ্বাস ছিল, ভালো থাকলে সবাই ভালোবাসবে, আর সৎ থাকলে দিনশেষে সম্মানটাই প্রাপ্য হবে।

কিন্তু বয়সের সাথে সাথে অভিজ্ঞতার ধূসর আলোয় স্পষ্ট হলো—বাস্তব পৃথিবী কোনো নীতিশিক্ষার গল্পপুস্তক মেনে চলে না। বাস্তব বড়ই নির্মম, বড়ই হিসেবি। এখানে সবাই আপনার শুভাকাঙ্ক্ষী হবে—এমন আশা করাটাই ভুল। আপনার পরোপকার বা সরলতার মূল্য দিতে সবাই শেখে না; বরং বহু ক্ষেত্রে আপনার শালীনতা, নীরবতা আর আন্তরিকতাকে মানুষ ‘দুর্বলতা’ বলেই ধরে নেয়।

আদর্শের এই মরীচিকা ভেঙে যখন বাস্তবের কড়া রোদ এসে গায়ে লাগল, আর এই কঠিন উপলব্ধিটা যত গভীর হতে শুরু করল—ঠিক তখনই আমি নতুন করে নিজেকে আবিষ্কার করলাম নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি (Niccolò Machiavelli)-র পাতাগুলোতে। অনেকেই তাকে ধূর্ততার শিক্ষক বলেন। কেউ বলেন নিষ্ঠুর বাস্তববাদী। কিন্তু তাঁকে পড়তে গিয়ে আমার মনে হয়েছে, তিনি মানুষকে খারাপ হতে শেখাতে চাননি। তিনি শুধু পৃথিবীটাকে যেমন দেখেছেন, তেমনভাবেই লিখেছেন। কোনো সাজসজ্জা ছাড়া।

তাঁর বিখ্যাত বই ‘The Prince’ শুধু রাজনীতি নিয়ে নয়, মানুষের আচরণ, ক্ষমতা, ভয়, সম্পর্ক আর সমাজে টিকে থাকার এক গভীর মনস্তত্ত্ব । আজকের পৃথিবীতে ম্যাকিয়াভেলির অনেক উক্তি শুনতে হয়তো কঠিন লাগে, কিন্তু অদ্ভুতভাবে বাস্তবও লাগে। বিশেষ করে যখন আপনি জীবনে বিশ্বাসঘাতকতা, স্বার্থপরতা বা মানুষের আসল রূপ দেখতে শুরু করেন।

Everyone sees what you appear to be, few experience what you really are.” এই লাইনটা প্রথমবার পড়ার পর আমার মনে হয়েছিল—এটা যেন আজকের এই Social Media এর যুগের জন্যই লেখা।
মানুষ এখন আপনার বাস্তব জীবন দেখে না, দেখে আপনার presentation। আপনি বাইরে থেকে কেমন দেখাচ্ছেন, কতটা confident, কতটা successful, কতটা strong—মানুষ সেটাই বিচার করে। হয়তো এ কারণেই আমরা অনেক সময় নিজের কষ্টগুলো লুকিয়ে রাখতে শিখে যাই। আগে মনে হতো, সব অনুভূতি সবার সঙ্গে ভাগ করে নিলেই মানুষ আপন হয়ে যায়। এখন বুঝি, সবাই আপনার অনুভূতি বোঝার ক্ষমতা রাখে না। বা তারা সেগুলিকে হাসির খোরাক বানিয়ে ফেলে। কিছু মানুষ আপনার দুর্বলতা বুঝে আপনাকে আগলে রাখে। আবার কিছু মানুষ ঠিক সেই দুর্বলতাকেই একদিন অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে।

The lion cannot protect himself from traps, and the fox cannot defend himself from wolves.
ম্যাকিয়াভেলি এখানে সিংহ আর শিয়ালের উদাহরণ দিয়েছেন। সিংহ শক্তিশালী, কিন্তু সব ফাঁদ বুঝতে পারে না। আবার শিয়াল খুব চালাক, কিন্তু শক্তিশালী শত্রুর সামনে অসহায়। এই কথার অর্থ খুব গভীর।

জীবনে শুধু ভালো মানুষ হলেই হবে না, আবার শুধু ধূর্ত হলেও হবে না। দুটো জিনিসের balance দরকার।
অনেক মানুষ আছে যারা এতটাই নরম স্বভাবের যে সবাই তাদের ব্যবহার করে। আবার কিছু মানুষ এত বেশি aggressive যে মানুষ তাদের ভয় পায়, কিন্তু সম্মান করে না।বাস্তব জীবনে টিকে থাকতে হলে কখন নরম হতে হবে আর কখন কঠিন হতে হবে—এই জ্ঞানটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

Men are driven by two principal impulses, either by love or by fear.
এই উক্তিটা শুনতে একটু dark লাগে, কিন্তু বাস্তবে চারপাশে তাকালে কথাটা পুরোপুরি মিথ্যা মনে হয় না।
মানুষ হয় ভালোবাসা থেকে কাজ করে, নয়তো ভয় থেকে।

অনেক সম্পর্ক আছে যেগুলো আসলে ভালোবাসার উপর না, প্রয়োজনের উপর দাঁড়িয়ে থাকে। আবার অনেক মানুষ সামনে সম্মান দেখায়, কিন্তু সুযোগ পেলেই পিছনে আঘাত করে।এজন্যই এখন মানুষকে বুঝতে শেখা খুব জরুরি। সবাইকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করা আসলে নিজের ক্ষতি ডেকে আনা। বিশ্বাস অবশ্যই করতে হবে, কিন্তু চোখ বন্ধ করে না।আমি মনে করি, মানুষের কথার চেয়ে তার আচরণ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ কথা সবাই সুন্দর বলতে পারে।

Never attempt to win by force what can be won by deception.
এই quote-টা অনেকেই ভুলভাবে নেয়। এখানে “deception” মানেই প্রতারণা না। অনেক সময় এর মানে strategy বা psychological intelligence।

সব যুদ্ধ শক্তি দিয়ে জেতা যায় না। কিছু পরিস্থিতিতে চুপ থাকা, হাসিমুখে এড়িয়ে যাওয়া, বা সঠিক সময়ের জন্য অপেক্ষা করাও এক ধরনের শক্তি। বাস্তব জীবনে দেখা যায়, যারা সবসময় রাগ দিয়ে বা জোর করে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে চায়, তারা শেষ পর্যন্ত সম্পর্ক, সম্মান—দুটোই হারায়। কিন্তু যারা মানুষ বোঝে, timing বোঝে, পরিস্থিতি analyse করতে পারে—তারা কম কথা বলেও অনেক দূর যায়।

A wise ruler ought never to keep faith when by doing so it would be against his interests.
এটা সম্ভবত ম্যাকিয়াভেলির সবচেয়ে বিতর্কিত উক্তিগুলোর একটি।

কারণ তিনি এখানে বলছেন, নিজের ক্ষতি হয় এমন জায়গায় অন্ধভাবে loyal থাকা সবসময় বুদ্ধিমানের কাজ না। এখন, এটা শুনে অনেকেই বলবে—তাহলে কি স্বার্থপর হওয়া উচিত? আমি বলব, না। কিন্তু নিজের আত্মসম্মান বিসর্জন দেওয়াও ঠিক না।
যদি কেউ বারবার আপনাকে ব্যবহার করে, অসম্মান করে, অথচ আপনি শুধু “ভালো মানুষ” হওয়ার জন্য সব সহ্য করেন—তাহলে সেটা আর মহত্ত্ব থাকে না, সেটা দুর্বলতায় পরিণত হয়।

ম্যাকিয়াভেলি মূলত মানুষকে emotional blindness থেকে বের হতে বলেছিলেন। সমাজে চতুরতার সঙ্গে বাঁচতে কী শেখা দরকার? শুধু কয়েকটা ছোট্ট অভ্যাস যেটা আপনার personality – কে আরোও বেশি আকর্ষণীয় ও দৃঢ় করবে।

এটা হয়তো কঠিন শোনাবে, কিন্তু বাস্তব।
সবাই আপনার সুখে খুশি হয় না। আবার সবাই আপনার দুঃখেও কষ্ট পায় না। তাই নিজের plan, দুর্বলতা বা personal struggle সবার সামনে খুলে না বলাই ভালো।

মিষ্টি কথায় ভুলিয়ে দেওয়া খুব সহজ, কিন্তু সম্পর্কের বা মানুষের আসল পরিচয় পাওয়া যায় তার কাজে। যে মানুষটি মুখে বড় বড় প্রতিশ্রুতি দেয়, কঠিন সময়ে সে আপনার পাশে না-ও থাকতে পারে। তাই কে আপনার জন্য কী বলছে তা না দেখে, কে আপনার জন্য বাস্তবে কী ভূমিকা রাখছে—সেদিকে নজর দিন। মানুষের কথার চেয়ে তার আচরণ ও কর্মই তার চরিত্রকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে।

অত্যধিক আনন্দ, তীব্র রাগ কিংবা গভীর কষ্টের মুহূর্তে কোনো বড় সিদ্ধান্ত নেবেন না। আবেগের তোড়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত অধিকাংশ সময়ই বাস্তবসম্মত হয় না এবং পরবর্তীতে অনুশোচনার জন্ম দেয়। মাথা যখন গরম বা আবেগপ্লুত থাকবে, তখন সময় নিন, শান্ত হোন এবং ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করে পদক্ষেপ ফেলুন। আবেগ সাময়িক, কিন্তু তার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া সিদ্ধান্তের প্রভাব চিরস্থায়ী হতে পারে।

সব জায়গায় সবাইকে সন্তুষ্ট করার চেষ্টা নিজের ব্যক্তিত্ব ও মানসিক শান্তির জন্য ক্ষতিকর। আপনার সময়, সাধ্য এবং মানসিক সীমানাকে সম্মান জানানো আপনারই দায়িত্ব। অন্যের অনুরোধ যদি আপনার ক্ষতি করে বা আপনাকে অপ্রয়োজনীয় চাপে ফেলে, তবে বিনীত কিন্তু দৃঢ়ভাবে “না” বলতে দ্বিধা করবেন না। স্পষ্ট ‘না’ বলা কোনো অপরাধ নয়, বরং তা আত্মসম্মানের লক্ষণ।

পৃথিবী সাধারণত সেই মানুষকেই মূল্য দেয়, যে নিজেকে মূল্য দিতে জানে। আপনি যদি নিজেকে অবহেলা করেন বা নিজের যোগ্যতাকে ছোট করে দেখেন, তবে সমাজও আপনাকে কম গুরুত্ব দেবে। নিজের আত্মবিশ্বাস, কাজের প্রতি ভালোবাসা এবং নিজের ব্যক্তিত্বকে ধরে রাখুন। যখন আপনি নিজের ক্ষমতার ওপর আস্থা রাখবেন এবং নিজের সীমারেখা তৈরি করবেন, তখন বাকি দুনিয়াও আপনাকে সম্মান জানাতে বাধ্য হবে।

আমার মনে হয়, অনেক ক্ষেত্রেই হয়। কারণ তিনি আদর্শ পৃথিবীর গল্প লেখেননি। তিনি এমন একটা পৃথিবীর কথা বলেছেন, যেখানে মানুষ সবসময় ন্যায়পরায়ণ নয়, সম্পর্ক সবসময় নিঃস্বার্থ নয়, আর ক্ষমতা সবসময় নৈতিকতার পথ ধরে আসে না।
কারণ এখন মানুষ আগের চেয়ে বেশি competitive, বেশি self-centered, আর অনেক বেশি image-conscious। এই সমাজে বেঁচে থাকতে গেলে ভালো হৃদয়ের পাশাপাশি sharp mind-ও দরকার।
তাঁর সব মতের সঙ্গে একমত হওয়া জরুরি নয়।
কিন্তু তাকে পড়ে বাস্তবতা সম্পর্কে একটু বেশি সচেতন হওয়া যায়।

শেষ কথা –

ম্যাকিয়াভেলির দর্শন সবার পছন্দ হবে না। অনেকের কাছে এটা নিষ্ঠুর লাগবে। কিন্তু জীবনের একটা পর্যায়ে এসে অনেক মানুষই বুঝতে পারে—বাস্তবতা সবসময় আবেগ দিয়ে চলে না। ভালো মানুষ হওয়া অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এতটাই সরল হওয়া উচিত না, যাতে মানুষ আপনাকে ব্যবহার করতে শুরু করে।
চতুর হওয়া মানে খারাপ হওয়া না। এর মানে হলো মানুষকে বুঝতে শেখা, নিজেকে রক্ষা করতে শেখা, আর বাস্তব পৃথিবীতে মাথা উঁচু করে টিকে থাকতে শেখা। হয়তো এ কারণেই শত শত বছর পরেও ম্যাকিয়াভেলির উক্তিগুলো মানুষকে ভাবায়। কারণ তার কথাগুলো শুনতে কঠিন হলেও, বাস্তব জীবনের সঙ্গে অদ্ভুতভাবে মিলে যায়।

The post ম্যাকিয়াভেলির উক্তি: বাস্তব পৃথিবীতে চতুরতার সঙ্গে বাঁচার এক নির্মম শিক্ষা | Niccolò Machiavelli appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/niccolo-machiavellis-philosophy-of-life/feed/ 0
খেলা নিয়ে উক্তি। ক্রিকেট ,ফুটবল ও কবাডি খেলা নিয়ে উক্তি। Bengali Quotes on Sports https://preronajibon.com/bengali-quotes-on-sports/ https://preronajibon.com/bengali-quotes-on-sports/#respond Sun, 29 Mar 2026 19:09:37 +0000 https://preronajibon.com/?p=3173 6 Minute Readখেলা শুধু সময় কাটানোর একটি উপায় নয়, এটি জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। খেলার মাধ্যমে আমরা শিখি, বেড়ে উঠি এবং জীবনের

The post খেলা নিয়ে উক্তি। ক্রিকেট ,ফুটবল ও কবাডি খেলা নিয়ে উক্তি। Bengali Quotes on Sports appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
6 Minute Read

খেলা শুধু সময় কাটানোর একটি উপায় নয়, এটি জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। খেলার মাধ্যমে আমরা শিখি, বেড়ে উঠি এবং জীবনের বিভিন্ন চড়াই-উতরাই মোকাবিলা করার শক্তি অর্জন করি। খেলা আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত করে, সামাজিক সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং জীবনের মূল্যবোধ শেখায়। আজ আমরা খেলার সঙ্গে জড়িত মহানখেলোয়াড়দের উক্তিগুলো নিয়ে আলোচনা করব যা আমাদের জীবনকে অনুপ্রাণিত করে,শেখায় এবং জীবনের পথ দেখায়। ক্রিকেট, ফুটবল ও কবাটি খেলা নিয়ে উক্তি:-

“একজন খেলোয়াড়ের খেলাধুলার চর্চা করা ৫০ জন খেলোয়াড়ের খেলার প্রবণতা প্রচার করার চেয়ে অনেক ভালো।”- নুট রকনে

“ক্রীড়া প্রশিক্ষণের পাঁচটি ‘এস’ হল: স্ট্যামিনা, গতি, শক্তি , দক্ষতা এবং মনোবল; কিন্তু এর মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ হল মনোবল।”-কেন ডোহার্টি

Sports Motivation

“একজন ক্রীড়াবিদ পকেটে টাকা নিয়ে দৌড়াতে পারে না । তাকে হৃদয়ে আশা এবং মাথায় স্বপ্ন নিয়ে দৌড়াতে হবে।”-এমিল জাটোপেক

“খেলার মাধ্যমে আমি নিজেকে আবিষ্কার করেছি এবং বিশ্বকে প্রমাণ করেছি যে সফলতা সম্ভব।”-মোহাম্মদ আলী

“খেলা জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় শৃঙ্খলা, দৃঢ়তা এবং কৌশল শেখায়।”-বিল গেটস

“খেলা সমাজের সমস্ত বাধা ভেদ করে এবং মানুষকে একসাথে নিয়ে আসে।” – নেলসন ম্যান্ডেলা

“তুমি যে ক্রীড়াবিদ হয়ে উঠেছো, অনুশীলনের ঘন্টা এবং কোচরা তোমাকে এগিয়ে নিয়ে গেছে, তার পিছনে কোথাও একটা ছোট্ট মেয়ে আছে যে খেলার প্রেমে পড়ে গিয়েছিল এবং কখনও পিছনে ফিরে তাকায়নি… তার জন্য খেলো।”-মিয়া হ্যাম

“খেলা শুধুমাত্র পায়ে খেলা নয়, এটি হৃদয়ে খেলা।”- পেলে

“বুড়ো হয়ে যাওয়ার কারণে আমরা খেলাধুলা থামাই না, বরং খেলাধুলা থামাই বলেই আমরা বুড়ো হয়ে যায়।”— জর্জ বার্নাড শো

“শুধু খেল । আনন্দ কর । খেলাটি উপভোগ কর ।”– মাইকেল জর্ডন
“একজন মানুষের আসল চরিত্র খুঁজে পেতে তার সাথে গলফ খেলুন।”– পি জি ওয়াডহাউস
“খেলার মাঠে হার জিত নিয়ে ভাবিনা, কারণ খেলা মানে তো আনন্দ। আর আনন্দ যেখানে, সেখানেই আমি।”

“জীবনের খেলায় পরাজয় আসলে আরেকটা সুযোগ, নিজেকে নতুন করে চেনার জন্য।”

“মাঠের খেলার মতোই জীবনের খেলায়ও কিছু শট মিস হবেই, তাতে কী? পরের বলটাই তো সুযোগ।”

ক্রিকেট শুধু একটি খেলা নয় – এটি জীবনের পাঠশালা। এই খেলার মহান ব্যক্তিত্বদের উক্তিগুলো আগামী প্রজন্মের জন্য অমূল্য সম্পদ হয়ে থাকবে।

“আমি সবসময় স্বপ্ন দেখতাম যে আমি ক্রিকেট ব্যাট হাতে ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করছি। আমার ক্রিকেটে আসার পেছনে সেটাই ছিলো সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা।”-বিরাট কোহলি

“ক্রিকেট সব কিছু নয়, কোনোভাবেই নয়, কিন্তু আমি কে তার একটা বড় অংশ এটি।”– এমএস ধোনি

Sports Captions in Bengali

“আমার কাছে ক্রিকেট একটি সহজ খেলা। এটা সহজ ভাবেই রাখুন এবং শুধু বাইরে যান এবং খেলুন।”– শেন ওয়ার্ন

“আমি হারতে ঘৃণা করি এবং ক্রিকেট আমার প্রথম ভালোবাসা,একবার যখন আমি মাঠে প্রবেশ করি তখন এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন জোন এবং জেতার ক্ষুধা সবসময় থাকে।” – শচীন টেন্ডুলকার

“ক্রিকেট শুধু খেলা নয়, এটি হলো আবেগ, ভালোবাসা আর জাতীয় গর্বের নাম।”— রেদোয়ান মাসুদ

“একটি বল, একটি ব্যাট, আর ১১ জনের স্বপ্ন—ক্রিকেট মানেই জীবন যুদ্ধ।”— অজ্ঞাত

“ক্রিকেট শেখায় ধৈর্য, দলগত চেতনা এবং সময়মতো আঘাত হানার কৌশল।”— সুনীল গাভাস্কার

Cricket Quotes in Bengali

“জয় শুধু স্কোর বোর্ডে নয়, হৃদয়ের গর্জনেই টের পাওয়া যায়।”— শচীন তেন্ডুলকর

“ক্রিকেট এমন একটি খেলা, যেখানে একটি বল বদলে দিতে পারে পুরো ইতিহাস।”— মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ

“দল যদি এক হয়, জয় তখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র।”— মাশরাফি বিন মর্তুজা

“ক্রিকেটে যেমন প্রতিটি রান গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি জীবনে প্রতিটি সিদ্ধান্ত মূল্যবান।”— রেদোয়ান মাসুদ

“ক্রিকেট মাঠে হেরে গেলেও, সাহসী খেলোয়াড় কখনো হার মানে না।”— মাহেন্দ্র সিং ধোনি

“ক্রিকেট একটি গৌরবময় অনিশ্চয়তার খেলা।”— রিচি বেনো

“ক্রিকেট শুধু জেতার খেলা নয়, কিভাবে খেলা হয় সেটাও গুরুত্বপূর্ণ।”— স্টিভ ওয়া

ক্রিকেট আমার ধর্ম, কপিল দেব আমার ঈশ্বর।” – সচিন তেন্ডুলকার

“আমি কখনো আমার ব্যর্থতা নিয়ে চিন্তা করি না, বরং পরবর্তী ইনিংস নিয়ে ভাবি।” – সচিন তেন্ডুলকার

“প্রক্রিয়ায় বিশ্বাস রাখো, ফলাফল আপনা-আপনি আসবে।” – এমএস ধোনি

“খেলা জিতেছি, হেরেছি – কিন্তু কখনো হাল ছাড়িনি।” – কপিল দেব

“ক্রিকেট একটি অনিশ্চয়তার খেলা। যে কোনো সময় যে কোনো কিছু ঘটতে পারে।” – রাহুল দ্রাবিড়

“আক্রমণাত্মক খেলাই সেরা প্রতিরক্ষা।” – বীরেন্দ্র সেহবাগ

“ক্রিকেট শুধু একটি খেলা নয়, এটি জীবনের মতো।” – স্যার ডন ব্র্যাডম্যান

“প্রতিটি বল একটি নতুন সুযোগ।” – ব্রায়ান লারা

“একাদশ জন একসাথে খেললেই দল, নইলে শুধু এগারোজন খেলোয়াড়।” – ইমরান খান

“চাপের মুহূর্তে যে টিকে থাকে, সে-ই সত্যিকারের চ্যাম্পিয়ন।” – এমএস ধোনি

“হার মানে শেষ নয়, নতুন শুরুর সুযোগ।” – বিরাট কোহলি

“কঠোর পরিশ্রম ভাগ্যকেও হার মানায়।” – সৌরভ গাঙ্গুলী

“খেলো নিজের সেরাটা দিয়ে, ফলাফল চিন্তা করো না। সত্যিকারের জয় সেখানেই।”

“যখন দেশের হয়ে খেলো, তখন আবেগ আর গর্বের মাত্রাটা একেবারে আলাদা।”— সাকিব আল হাসান

“ক্রিকেট মানেই চাপের খেলা, আর ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে সেই চাপ দ্বিগুণ হয়।”— ইমরান খান

“প্রত্যেক সফল ক্রিকেটারের পেছনে রয়েছে ঘন্টার পর ঘন্টা পরিশ্রম, শৃঙ্খলা, আর ব্যর্থতা।”— বিরাট কোহলি

“ক্রিকেটে আমার সুপারহিরো সবসময় আমার ব্যাট।”— বীরেন্দ্র শেবাগ

জীবনটা ঠিক ক্রিকেটের মতো, কখনো বাউন্সার আসে, কখনো ফুলটস। তোমার ব্যাটিংটাই আসল।

ক্রিকেট শুধু খেলা নয়, এটা ইমোশন; ২২ গজের গল্পে লেখা হয় লক্ষ হৃদয়ের স্বপ্ন।

খেলা জিতেছি, হেরেছি – কিন্তু কখনো হাল ছাড়িনি।” – কপিল দেব

“ক্রিকেট একটি অনিশ্চয়তার খেলা। যে কোনো সময় যে কোনো কিছু ঘটতে পারে।” – রাহুল দ্রাবিড়

“আক্রমণাত্মক খেলাই সেরা প্রতিরক্ষা।” – বীরেন্দ্র সেহবাগ

“ক্রিকেট শুধু একটি খেলা নয়, এটি জীবনের মতো।” – স্যার ডন ব্র্যাডম্যান

“প্রতিটি বল একটি নতুন সুযোগ।” – ব্রায়ান লারা

“আমি নিখুঁতবাদী নই, কিন্তু কাজগুলো ভালোভাবে সম্পন্ন হলে আমার ভালো লাগে। তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো, আমি শেখা, উন্নতি করা এবং বিকশিত হওয়ার এক অফুরন্ত তাগিদ অনুভব করি; শুধু কোচ ও সমর্থকদের খুশি করার জন্যই নয়, বরং নিজেকে নিয়েও সন্তুষ্ট থাকার জন্য।” – ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো

“নিজের স্বপ্ন পূরণের জন্য লড়াই করতে হয়। এর জন্য ত্যাগ স্বীকার করতে হয় এবং কঠোর পরিশ্রম করতে হয়।” – লিওনেল মেসি

“পায়ে বল নিয়েই আমি জীবন সম্পর্কে সবকিছু শিখেছি।” – রোনালদিনহো

“ফুটবল হলো ভুলের খেলা। যে দল সবচেয়ে কম ভুল করে, তারাই জেতে।” – ইয়োহান ক্রুইফ

“বিজয় যত কঠিন হয়, জয়ের আনন্দও তত বেশি হয়।”– পেলে

“বিষয়টা শুধু টাকার নয়, বরং মাঠে আপনি কী অর্জন করেন সেটাই আসল।” – রোনালদিনহো

“এর রহস্য হলো নিজের স্বপ্নে বিশ্বাস রাখা; নিজের সম্ভাবনার ওপর বিশ্বাস রাখা যে তুমি তোমার তারকার মতো হতে পারো, অনুসন্ধান চালিয়ে যাও, বিশ্বাস রাখো, এবং নিজের ওপর আস্থা হারিয়ো না।” – নেইমার জুনিয়র

“সাফল্য কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়। এটি কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায়, শেখা, অধ্যয়ন, ত্যাগ এবং সর্বোপরি, যা করছেন বা করতে শিখছেন তার প্রতি ভালোবাসা।” – পেলে

“জীবনের মতোই ফুটবলও উত্থান-পতনে ভরা, এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সামনে এগিয়ে যাওয়া এবং কখনো হাল না ছাড়া।” – দিয়েগো ম্যারাডোনা

“যখন আপনি কোনো স্বপ্নকে সত্যি করছেন, তখন কোনো চাপ থাকে না।”- নেইমার জুনিয়র

“আমি বিশ্বাস করি না যে দক্ষতা প্রশিক্ষকদের ফল ছিল বা কখনো হবে। এটি শিশু এবং বলের মধ্যকার এক গভীর ভালোবাসার ফল।” – রয় কিন

‘আমি জীবনে কখনো ড্র করার জন্য খেলিনি।” – অ্যালেক্স ফার্গুসন

“ফুটবলে ফলাফল এক প্রতারক। আপনি অনেক ভালো খেলতে পারেন, কিন্তু জিততে পারবেন না। ফলাফলের চেয়েও বড়, আরও দীর্ঘস্থায়ী কিছু আছে – এক উত্তরাধিকার।” – জাভি

“ফুটবলে সবচেয়ে বড় তৃপ্তি হলো, যখন প্রতিপক্ষ বলে তুমি পারবে না, তখনও জিতে যাওয়া।” – রবার্ট লেভানডস্কি

“যদি আবেগ দিয়ে না খেলো, তাহলে তুমি ফুটবলই খেলছো না।” – থিয়েরি হেনরি

“জার্সির সামনের ব্যাজের জন্য খেলো, তাহলে তারা পেছনের নামটি মনে রাখবে।” – টনি অ্যাডামস

“আমাকে প্রতিনিয়ত ব্যক্তিবিশেষ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়। জেতার একমাত্র উপায় হলো দলবদ্ধভাবে খেলা।” – পেলে

“যদি তোমার বিশ্বাসই না থাকে যে তুমি এটা করতে পারবে, তাহলে তোমার কোনো সুযোগই নেই।” – আর্সেন ওয়েঙ্গার

“প্রতিটি লাথির পেছনে একটি ভাবনা থাকতে হবে।” – ডেনিস বার্গক্যাম্প

“ফুটবল খেলা হয় মাথা দিয়ে। তোমার পা শুধু খেলার সরঞ্জাম।” – আন্দ্রেয়া পিরলো

“ফুটবল খেলা সহজ, কিন্তু খেলাধুলায় সহজ কিছু নেই। আপনাকে প্রতিদিন বেটার হতে হবে।”-ডিয়েগো ম্যারাডোনা

“আমি আমার প্রতিটি সুযোগকে কাজে লাগাই কারণ আমি জানি যে আগামীকাল কখনও গ্যারান্টিযুক্ত নয়।”-ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো

“আপনি যখন ফুটবল খেলেন, তখন আপনার স্বপ্ন দেখা উচিত। আমি সবসময় বড় লক্ষ্য নিয়ে খেলি।”-লিওনেল মেসি

“ফুটবল খেলা খুবই সহজ, কিন্তু সহজ কিছু খেলা করা অত্যন্ত কঠিন।”-জোহান ক্রুইফ

“কবাডি খেলায় যেখানে একটি শ্বাসই জীবন-মরণের সীমা নির্ধারণ করে, সেখানে সাহস প্রমাণ করা খুবই জরুরি।”

“দলের জন্য ত্যাগ করা, এটাই কবাডির প্রকৃত মন্ত্র।”

“কবাডি খেলায় বিজয় নয়, অধ্যবসায়ই প্রকৃত পুরস্কার।”

“প্রতিটি ট্যাকল, প্রতিটি রেইড, প্রতিটি মুহূর্ত—কবাডি হল

“কবাডি খেলা আমার জীবনের অংশ। এটি শুধু একটি খেলা নয়, এটি আমার অস্তিত্ব।”-রহুল চাহার (ভারতীয় কবাডি খেলোয়াড়)

“কবাডিতে বেঁচে থাকা এবং মরার মধ্যে মাত্র এক শ্বাসের পার্থক্য আছে। এটি একটি কৌশলগত যুদ্ধ।” -অজয় কুমার (ভারতীয় কবাডি তারকা)


“কবাডি খেলায় আপনার শক্তি, গতি এবং মস্তিষ্কের সমন্বয় প্রয়োজন।”- বাহুবলি (ইরানী কবাডি তারকা)

The post খেলা নিয়ে উক্তি। ক্রিকেট ,ফুটবল ও কবাডি খেলা নিয়ে উক্তি। Bengali Quotes on Sports appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/bengali-quotes-on-sports/feed/ 0
অভিজ্ঞতা নিয়ে উক্তি | জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে কিছু উক্তি | Life Experience Quotes https://preronajibon.com/oviggota-niye-ukti/ https://preronajibon.com/oviggota-niye-ukti/#respond Sat, 28 Dec 2024 11:29:57 +0000 https://preronajibon.com/?p=3024 4 Minute Readজীবনের অস্তিত্ব প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা এক বিশেষ অবস্থা। জীবনে জীবনে বিভেদ তার প্রাকৃতিক নির্বাচন দ্বারা গড়ে ওঠা সত্তা। আবার একই

The post অভিজ্ঞতা নিয়ে উক্তি | জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে কিছু উক্তি | Life Experience Quotes appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
4 Minute Read

জীবনের অস্তিত্ব প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা এক বিশেষ অবস্থা। জীবনে জীবনে বিভেদ তার প্রাকৃতিক নির্বাচন দ্বারা গড়ে ওঠা সত্তা। আবার একই প্রজাতি যেমন মানুষ – মানুষে প্রভেদ জীবন ধারণে, প্রকৃতিগতভাবে, ভৌগলিক আর্থসামাজিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

একই পরিবেশ পরিস্থিতিতে থাকা মানুষের মধ্যেও পার্থক্য ঘটে স্বীকৃতি-প্রতিষ্ঠা-সফলতা এসব তার মনে রয়েছে। সামগ্রিক বিচারে দেখা যায় এই পার্থক্যটাই করে দেয় অভিজ্ঞতা।

অভিজ্ঞতা এমন এক সম্পদ যা কখনো বিকল্প পথে অর্জিত হয় না অর্থাৎ অভিজ্ঞতার কোন শর্টকাট নেই তাহলে অভিজ্ঞ মানুষের সংস্পর্শ এক অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের পরোক্ষ পথ একথা স্বীকার করতে হবে। আজ আসুন জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে দারুণ দারুণ কিছু উক্তি জেনে নিই।

জীবন হল অভিজ্ঞতার একটি সিরিজ, যার প্রতিটিই আমাদের বড় করে তোলে, যদিও কখনও কখনও এটি উপলব্ধি করা কঠিন।” – হেনরি ফোর্ড

জ্ঞানের একমাত্র উৎস হল অভিজ্ঞতা।” – আলবার্ট আইনস্টাইন

আপনার জীবনে যা ঘটছে তার জন্য কৃতজ্ঞ থাকুন, কারণ এটা সব একটা অভিজ্ঞতা।” – রয় টি. বেনেট

আমরা একই পথে ভ্রমণ করি, একই বই পড়ি, একই ভাষায় কথা বলি, তবুও আমাদের অভিজ্ঞতা ভিন্ন।” –হেলেন কেলার

সামনের দিকে এগিয়ে যাও, অতীতের অভিজ্ঞতার জন্য কৃতজ্ঞ বোধ করো ৷” – মাইক রোও

প্রতিটি ভুল আমাদের শিক্ষা দেয় । জীবনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অভিজ্ঞতা দান করে৷” – বেকন

সাফল্য একটি ব্যাক্তিগত শব্দ। প্রত্যেকের কাছেই এই শব্দের নিজস্ব সংজ্ঞা আছে। যা আমাদের রুচি, অনুভূতি এবং জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে উদ্ভূত।” – জেসন নাভালো

ভাল সিদ্ধান্ত আসে অভিজ্ঞতা থেকে, এবং অভিজ্ঞতা আসে খারাপ সিদ্ধান্ত থেকে।” – রিটা মে ব্রাউন

জীবনকে ধারাবাহিক শিক্ষার অভিজ্ঞতা হিসেবে দেখুন।” – ডেনিস ওয়েটলি

সাহসী হও। ঝুঁকি নিতে শিখো। অভিজ্ঞতার বিকল্প বলে কিছু নেই৷”– পাওলো কোয়ালহো

অভিজ্ঞতা না হওয়া পর্যন্ত কোন কিছুই বাস্তব হয় না।” – জন কিটস

Read More : আত্মবিশ্বাস নিয়ে উক্তি, স্ট্যাটাস ও ক্যাপশন

অভিজ্ঞতা হল যা একজন ব্যক্তিকে পুরানো ভুল থেকে দূরে থাকতে শিক্ষা দেয়।

অভিজ্ঞতা এমন একটি জিনিস যেটা কেউ তোমাকে বুঝাতে পারবে না৷ জ্ঞানী মানুষেরা তোমাকে পরামর্শ দিতে পারেন কিন্তু যতক্ষণ না তুমি নিজে অভিজ্ঞতাটি অর্জন করছো ততক্ষণ তুমি বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারবে না৷” – এননিম্যাউস

অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতের বোঝা কমানোর জন্য অতীতের একটি পাঠ।” – মাইকেল সেজ

জীবন অভিজ্ঞতার বিষয়… আপনি সবকিছু ধরে রাখতে পারবেন না।” – সারাহ অ্যাডিসন অ্যালেন

ভাল রায় খারাপ অভিজ্ঞতা থেকে আসে। দুর্ভাগ্যবশত, এর বেশিরভাগই আসে খারাপ রায় থেকে।” – জিল শালভিস

আমাদের জ্ঞান হলো অতীতের সঞ্চিত অভিজ্ঞতার সমষ্টি।”– এরিস্টটল

সময় আমাদের জন্য একটি শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতা । এ ব্যাপারে কেউই ছাড় পায় না।”– অ্যাঞ্জেলা অ্যাগ্রানফ

বয়স হিসাব করে অভিজ্ঞতার পরিমাপ করা যায় না৷”– ইরাসমুস

অভিজ্ঞতা একটি ভাল বিদ্যালয়। কিন্তু সেখানে ফি বেশি। – হেইন

সফলতার জন্য তোমাকে সব অভিজ্ঞতাই অর্জন করতে হবে। বেছে বেছে অভিজ্ঞতা অর্জন করা যাবে না৷” – মাইক গাফকা

সৌন্দর্য একদিন তোমাকে ছেড়ে চলে যাবে কিন্তু তোমার অভিজ্ঞতা থেকে যাবে।” – ইংরেজি প্রবাদ

যুদ্ধ এবং শান্তি উভয় ক্ষেত্রেই অভিজ্ঞতা যোগ্য শিক্ষকের ন্যায় আচরণ করে।” – ডাব্লিউ এস ল্যান্ডার

অভিজ্ঞতা কখনো তৈরি করা যায় না, বিভিন্ন কাজের মধ্য দিয়ে একটি অর্জন করা হয়৷” – সংগৃহীত

প্রতিটি ভুল থেকে শিখুন, কারণ প্রতিটি অভিজ্ঞতা বিশেষ করে আপনার করা প্রতিটি ভুল, আপনাকে সঠিক শিক্ষা প্রদান করে এবং আপনার সঠিক ব্যক্তিত্ব পুনর্গঠন করতে সাহায্য করে।

অভিজ্ঞতা হল এমন একটি চেতনা যা একজন ব্যক্তিকে পুরানো ভুলের পরিবর্তে নতুন ভুল করতে দেয় না ।

আমাদের সুন্দর অভিজ্ঞতাগুলোর মধ্যে একটি হলো হাস্যোজ্জ্বল রঙিন মুহূর্ত।

নিজের জীবনকে অভিজ্ঞতা দিয়ে পূর্ণ করুন; পার্থিব জিনিস দিয়ে নয় । বলার মতো গল্প রাখুন, দেখানোর মতো জিনিস নয়।

অভিজ্ঞতা হল একটি নিষ্ঠুর শিক্ষক। এটি পাঠ উপস্থাপনের আগেই পরীক্ষা নেয়।

অভিজ্ঞতা জীবন থেকে সঞ্চয় করতে হয় তা কখনো কাউকে শেখানো যায় না।

আমাদের প্রাপ্ত জ্ঞান হলো অতীতের সঞ্চিত অভিজ্ঞতার সমষ্টি।

অভিজ্ঞতা কখনো গঠন করা যায় না, বিভিন্ন কাজের মধ্য দিয়ে একটি অর্জন করতে হয় ৷

জীবন প্রকৃতির ফসল, আর সার্থক জীবন অভিজ্ঞতার ফসল।”- কিশোর মুজুমদার

অভিজ্ঞ মানুষ ইলেকট্রিসিটির মত – যেকোনো কাজেই শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে।” -কিশোর মজুমদার

আগুনে হাত দেওয়াটাই অভিজ্ঞতা নয় আগুনে পুড়তে দেখাটাও বড় অভিজ্ঞতা।” – ফেরদৌসি মঞ্জিরা

অভিজ্ঞতার কোন শর্টকাট নেই – সময়ের মূল্যেই তাকে অর্জন করতে হয়।” -কিশোর মজুমদার

যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলা করার সবচেয়ে বড় অস্ত্রই হলো অভিজ্ঞতা।” -কিশোর মজুমদার

জীবন একটা অভিজ্ঞতার রঙ্গমঞ্চ।” -ফেরদৌসি মঞ্জিরা

অভিজ্ঞতা হয়তো ভিন্ন মানুষের ভিন্ন ধরনের হয় কিন্তু অভিজ্ঞতার শিক্ষাটা সকলের ক্ষেত্রে একই হয়।”- ফেরদৌসি মঞ্জিরা

অভিজ্ঞতা এমন একটা বিষয় যা আমাদের রোজ নতুন করে গড়ে তুলতে চায় কিন্তু আমরাই পুরোনো জিনিসে নিজেকে আটকে রাখি।”-ফেরদৌসি মঞ্জিরা

অভিজ্ঞতা নিয়ে উক্তি – এই লেখাটি কেমন লাগলো তা আমাদের কমেন্টে জানাও। ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করো। এই ধরনের লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকো।

The post অভিজ্ঞতা নিয়ে উক্তি | জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে কিছু উক্তি | Life Experience Quotes appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/oviggota-niye-ukti/feed/ 0
আত্মবিশ্বাস নিয়ে উক্তি, স্ট্যাটাস ও ক্যাপশন । Self Confidence Quotes Bengali https://preronajibon.com/self-confidence-quotes-bengali/ https://preronajibon.com/self-confidence-quotes-bengali/#respond Sun, 18 Aug 2024 19:07:21 +0000 https://preronajibon.com/?p=2971 4 Minute Readমানুষের জীবনের পথ অনেক লম্বা। সেই পথে কেউ সফল আবার কেউ ব্যর্থ হয়। কিন্তু ব্যর্থতা বলে সত্যিই কি কিছু আছে?

The post আত্মবিশ্বাস নিয়ে উক্তি, স্ট্যাটাস ও ক্যাপশন । Self Confidence Quotes Bengali appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
4 Minute Read

মানুষের জীবনের পথ অনেক লম্বা। সেই পথে কেউ সফল আবার কেউ ব্যর্থ হয়। কিন্তু ব্যর্থতা বলে সত্যিই কি কিছু আছে? নাকি এটা জীবনের একটি সিঁড়ি মাত্র । কথায় বলে বুদ্ধিমানরা ব্যর্থতা থেকেই শিক্ষা নিয়ে সফল হন সেই ব্যর্থতা নিজের বা অন্য কারো হতে পারে। এখন প্রশ্ন হল এর পরেও কেন সকলেই সফলতার মুখ দেখেন না। উত্তর একটাই, সেটা হল আত্মবিশ্বাস। হ্যাঁ মনীষীরা তাই বার বার মুল্যবান কথা বলে গেছেন এই আত্মবিশ্বাস নিয়ে । জীবন সফরে জীবনের সার্থকতা ও সফলতার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কযুক্ত এই আত্মবিশ্বাস। তাহলে চলো আজ দেখে নিই আত্মবিশ্বাস নিয়ে বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গদের উক্তি, বাণী, স্ট্যাটাস, ক্যাপশনগুলো।

সকলের প্রতি বিনয়ী হও, কিন্তু অল্প কয়েকজনের সাথে ঘনিষ্ঠ হও, এবং তাদের আত্মবিশ্বাস দেওয়ার আগে তাদের কয়েকজনকে ভালভাবে পরীক্ষা করা হোক।” – জর্জ ওয়াশিংটন

আত্মবিশ্বাস হলো সর্বদাই আত্মমর্যাদার একটি উচ্চ রাস্তা যা সকলের মাঝে থাকে না।”- ব্রুস লি

আমরা বিশ্বাসের সাথে যা আশা করি তা একটি স্ব-পূর্ণ ভবিষ্যদ্বাণী হয়ে যায়।”- ব্রায়ান ট্রেসি

আত্মবিশ্বাস নিয়ে উক্তি

নিজেকে বিশ্বাস করুন – আপনি যা ভাবেন তার চেয়ে আপনি বেশি জানেন।” – বেঞ্জামিন স্পক

আত্মবিশ্বাস হল জীবনের বাস্তবতা পূরণের প্রত্যক্ষতা এবং সাহস।” – জন ডিউই

আমার প্রতিদিন নিজেকে সবথেকে যে মূল্যবান উপহার দেওয়া সম্ভব তা হলো আত্মবিশ্বাস।” – পূরবী রানীগা

যদি আপনার ভেতরে আত্মবিশ্বাস থাকে তবে আপনার ধৈর্য রয়েছে।” – ইলি নাস্টসে

সর্বদা আমাদের মনে রাখা উচিৎ যে যেখানে আমাদের মন রয়েছে সেখানেই রয়েছে আত্মবিশ্বাস।” – পাওলো কোয়েলহো

দক্ষতা এবং আত্মবিশ্বাস একটি অজেয় সেনাবাহিনী।” – জর্জ হারবার্ট

আত্মবিশ্বাস নিয়ে উক্তি

আত্মবিশ্বাসের সাথে কাজ করা সর্বোত্তম, আপনার এটিতে যতই সামান্য অধিকার থাকুক না কেন।” – লিলিয়ান হেলম্যান

যদি আপনার আত্মবিশ্বাস না থাকে, আপনি সর্বদা জিতে না যাওয়ার অনেক উপায় খুঁজে পাবেন।” – কার্ল লুইস

আপনার সাফল্য আপনার নিজের আত্মবিশ্বাস এবং দৃঢ়তার দ্বারা নির্ধারিত হবে।” – মিশেল ওবামা

আত্মবিশ্বাস নিয়ে স্ট্যাটাস

কোন মানুষের চেহারা নয়, বরং তার আত্মবিশ্বাস আমাদের বলে দেবে যে সে কতটা সুন্দর।” – প্যারিস হিলটন

সাফল্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ চাবিকাঠি হল আত্মবিশ্বাস। আত্মবিশ্বাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ চাবিকাঠি হল প্রস্তুতি।” – আর্থার অ্যাশ

আপনি সবচেয়ে সুন্দর জিনিসটিকে নিজের মধ্যে পড়তে পারেন তাহলো আত্মবিশ্বাস।” – ব্লেক লিভলি

হিংসা তারাই করে যাদের মধ্যে রয়েছে আত্মবিশ্বাসের অভাব।” – জিন ভ্য্যানিয়ার

যখন আত্মবিশ্বাস তার চরম পর্যায়ে পৌঁছে যায় তখন মানুষ বিপদের সম্মুখীন হয়।” – জোহান গ্যোথে

আত্মবিশ্বাস নিয়ে স্ট্যাটাস

আত্মবিশ্বাস হলো মানুষের মধ্যকার দুর্দান্ত উদ্যোগ যা মানুষকে সফলতা্র রাস্তা দেখিয়ে সে দিকে নিয়ে যায়।” – স্যামুয়েল জনসন

আত্মবিশ্বাস আসে হলো যত্নশীলতা থেকে, আর যত্নশীলতা আসে ভালোবাসা থেকে।” – ম্যাক্সিম লাগেজ

কখনোই কোনো গল্পের মাঝে সিমাবদ্ধ রেখোনা, সর্বদা নিজে চেষ্টা করো এবং নিজের আত্মবিশ্বাসকে দৃঢ় রাখতে শেখো।” – জালাল উদ্দিন রুমি।

জীবনে যতই ঝড় আসুক না কেন, নিজের প্রতি থাকা আত্মবিশ্বাসই সমস্ত ঝড়ের মোকাবিলা করতে শিখিয়ে দেয়।

নিজের সম্ভাবনার উপলব্ধি এবং নিজের সামর্থ্যের প্রতি আত্মবিশ্বাসের সাথে, একটি উন্নত বিশ্ব গড়ে তোলা সম্ভব।

সাফল্য তাদেরকেই ধরা দেয় যারা আত্মবিশ্বাসী।

নিজের উপর আত্মবিশ্বাস বাড়াও, দেখবে অন্যকে গুরুত্ব দেওয়ার বাজে অভ্যাস চলে যাবে।

আত্মবিশ্বাস সাফল্যের দিকে নিয়ে যায় এবং সাফল্য আত্মবিশ্বাসের দিকে নিয়ে যায়।

অন্য কারোর চোখে নিজেকে বিচার করার চেয়ে নিজস্ব আত্মবিশ্বাস বজায় রাখা ভালো।

আত্মবিশ্বাস নিয়ে ক্যাপশন

যারা আপনার আত্মসন্মান ও আত্মবিশ্বাসকে আঘাত করে, তাদের থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখুন।

অভিজ্ঞতা যত বৃদ্ধি পাবে, আত্মবিশ্বাসও ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাবে।

জীবন গড়ার ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করার চেষ্টা করে নিজের আত্মবিশ্বাস শক্তি নষ্ট করবেন না।

নিজের উপর আত্মবিশ্বাস হারানো আমাদের বোকামির পরিচয়।

যত তাড়াতাড়ি নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলা যায় তত তাড়াতাড়ি জীবনে বাঁচতে শেখা যায়।

আত্মবিশ্বাস” এমনি এমনি আসে না… অভিজ্ঞতা যত বৃদ্ধি পাবে, আত্মবিশ্বাসও ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাবে..

আত্মবিশ্বাস থাকলে তুমি তোমার ক্ষমতার বাইরের অনেক কাজও খুব সহজে করে নিতে পারবে, কিন্তু আত্মবিশ্বাস না থাকলে তোমার সাধ্যের মধ্যে থাকা কাজগুলোও তোমার কাছে অসম্ভব ঠেকবে…

আত্মবিশ্বাস হল নিজের ক্ষমতা জানা । আর সেই ক্ষমতাই সমস্ত অক্ষমতাকে দূর করতে পারে।

যেদিন তুমি তোমার আত্মবিশ্বাস খুঁজে পাবে , সেদিনটাই তোমার সাফল্যের পথযাত্রার সুচনা করবে।

আত্মবিশ্বাস হল সেই অবস্থা , যা তোমাকে তোমার দক্ষতা প্রয়োগের ক্ষেত্র তৈরি করে দেবে।

Self Confidence Quotes Bengali

লড়াইতে অন্যের কাছে হেরে যাওয়া মানে জীবনের হার নয় , নতুম উদ্যমে প্রস্তুতির একটা ধাপ তৈরির সুযোগ । আত্মবিশ্বাস হারানো মানে নিজের কাছে হেরে যাওয়া । এই হারের কোনো জবাব হয় না। কাজেই আত্মবিশ্বাস হারিও না ।

The post আত্মবিশ্বাস নিয়ে উক্তি, স্ট্যাটাস ও ক্যাপশন । Self Confidence Quotes Bengali appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/self-confidence-quotes-bengali/feed/ 0
আপনার ব্যক্তিত্ব ঠিক কীরকম ? জেনে নিন ব্যক্তিত্বের বিগ ফাইভ তত্ত্ব https://preronajibon.com/five-traits-of-personality-bengali/ https://preronajibon.com/five-traits-of-personality-bengali/#respond Sun, 03 Dec 2023 18:48:23 +0000 https://preronajibon.com/?p=2871 5 Minute Readএকবার কখনো জানতে ইচ্ছে করে না আপনার ব্যক্তিত্ব ঠিক কীরকম ? ব্যক্তিত্বের বিগ ফাইভ থিওরির সাহায্যে সহজেই এটা করে ফেলতে

The post আপনার ব্যক্তিত্ব ঠিক কীরকম ? জেনে নিন ব্যক্তিত্বের বিগ ফাইভ তত্ত্ব appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
5 Minute Read

একবার কখনো জানতে ইচ্ছে করে না আপনার ব্যক্তিত্ব ঠিক কীরকম ? ব্যক্তিত্বের বিগ ফাইভ থিওরির সাহায্যে সহজেই এটা করে ফেলতে পারেন আপনি নিজেই। টাকা-পয়সা-ধন-দৌলত থাকলেই সব হয় না । কিংবা রূপস বা রূপসী হলেই সবাই ভালোবাসে না । তাহলে মানুষ মানুষের মধ্যে কী খোঁজে – যা টাকা পয়সা রূপ যৌবনের উর্ধে। যা মানুষকে মানুষের মনের মধ্যে স্থান করে নিতে সাহায্য করে। আপনি হয়তো বলেবেন – ব্যবহার। ব্যবহারেই মানুষের পরিচয়। কথাটা আংশিক সত্য হলেও পুরোপুরি নয়। এবার জেনে নিন গবেষণায় উঠে আসা আসল তথ্যটি। হ্যাঁ আপনি ঠিকই ধরেছেন মানুষের মধ্যে মানুষ যা খোঁজে তা হল ব্যক্তিত্ব । পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের নিজস্ব বলে যদি কিছু থাকে তা হল ব্যক্তিত্ব। আমাদের আজকের বিষয় হল ব্যক্তিত্বের বিগ ফাইভ তত্ত্ব । এই তত্ত্বটি পড়ে আজ আপনিও নিজের একটি ব্যক্তিত্বের পরীক্ষা কিন্তু করে ফেলতেই পারেন।

এবার তাহলে আসুন জেনে নিই ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে গবেষকেরা কী তত্ত্বের কথা বলেছেন। তাদের মতে প্রথমে আমরা মানুষের ব্যক্তিত্বই খেয়াল করি। কেউ ভালো কেউ মন্দ , কেউ উদার কেউ বিনয়ী , কেউ উত্তেজিত কেউ শান্ত , কেউ শৃঙ্খল কেউ উশৃঙ্খল । এই সমস্ত বৈশিষ্ট্যের নিরিখেই আবিষ্কৃত হয় ব্যক্তিত্বের বিগ ফাইভ তত্ব ( Big Five Theory )

মানুষের ব্যক্তিত্বের বৈশিষ্ট্যকে আলাদা করে চিহ্নিত করার জন্য গবেষকেরা বিগ ফাইভ ( ‘Big Five’) নামে যে পাঁচটি মূল নির্ধারকের কথা বলেছেন তা-ই বিগ ফাইভ ( ‘Big Five’) তত্ব নামে পরিচিত।

বিগ ফাইভ তত্বের প্রথম উৎপত্তি আসলে একদিনে হয় নি। এর মূল অনেক গভীরে প্রথিত। 1800-এর দশকে ফ্রান্সিস গাল্টন আভিধানিক হাইপোথিসিস বলে সমস্ত ব্যক্তিত্বের মধ্যে কতগুলি মানকে নির্দিষ্ট করে চিহ্নিত করার কথা প্রথম প্রস্তাব করেন। 1936 সালে বিশিষ্ট মনোবিজ্ঞানী গর্ডন অলপোর্ট এবং তার সহকর্মী হেনরি ওডবার্ট একটি ইংরেজি অভিধানের মাধ্যমে এবং পৃথক পার্থক্য সম্পর্কিত 18,000 শব্দের একটি তালিকা তৈরি করে এই অনুমানটি দৃঢ় করেছিলেন। এই পদগুলির মধ্যে প্রায় 4,500টি ব্যক্তিত্বের বৈশিষ্ট্যগুলিকে প্রতিফলিত করে।

এরপর 1940-এর দশকে রেমন্ড ক্যাটেল এবং তার সহকর্মীরা তালিকাটিকে শুধুমাত্র 16 টি বৈশিষ্ট্যের একটি সেটের একটি প্রস্তাব পেশ করেন। 1949 সালে ডোনাল্ড ফিস্ক সহ বেশ কিছু অতিরিক্ত পণ্ডিত ক্যাটেলের কাজ বিশ্লেষণ করেছেন এবং তারা সবাই একই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন। আর এখানেই ব্যক্তিত্বের বিগ ফাইভ তত্ত্বের ভিত্তি মজবুত হয়ে ওঠে। ১৯৮১ সালে লুইস গোল্ডবার্গ প্রথম ‘Big five’ এই তত্ত্বকে চিহ্নিত করেন।

এর পরে 1990 এর দশকে মনোবিজ্ঞানীগণ তত্ত্বটি ব্যখ্যা করে মানুষের ব্যক্তিত্বের ভিন্নতার পাঁচটি কারণ এবং দশটি মান চিহ্নিত করেছিল। 2007 সালে, কলিন ডিইয়ং ( ইয়েল ), লেনা সি. কুইল্টি ( সিএএমএইচ ) এবং জর্ডান পিটারসন ( টরন্টো ) এই উপসংহারে এসেছিলেন যে বিগ ফাইভের 10 টি দিক আলাদা জৈবিক স্তর থাকতে পারে। পাঁচটি কারণের প্রতিটি চিহ্নিত মানের দুটির সাথে আলাদা জৈবিক স্তর তুলনামূলকভাবে বিভক্ত। বিগ ফাইভ, ওরফে OCEAN (Openness, Conscientiousness , Extroversion, Agreeableness and Neuroticism) অর্থাৎ উন্মুক্ততা, বিবেক, বহিঃপ্রকাশ, সম্মতি এবং স্নায়বিকতা। এই কারণগুলি এবং মানগুলি নিম্নরূপ:

১। অভিজ্ঞতার জন্য উন্মুক্ততা : (উদ্ভাবক/কৌতূহলী বনাম সামঞ্জস্যপূর্ণ/সতর্ক)
২। বিবেক : (দক্ষ/সংগঠিত বনাম অতিরিক্ত/অযত্নবান )
৩। বহির্মুখিণতা : (উজ্জ্বল বনাম একাকী/সংরক্ষিত)
৪। সম্মতি : (বন্ধুত্বপূর্ণ/সহানুভূতিশীল বনাম সমালোচনামূলক/যৌক্তিক)
৫। স্নায়বিকতা : (সংবেদনশীল/স্নায়বিক বনাম স্থিতিস্থাপক/আত্মবিশ্বাসী)

তাহলে চলুন বিস্তারিত জেনে নিই ব্যক্তিত্বের বিগ ফাইভ তত্ত্ব অনুসারে এই পাঁচটি বিষয় আসলে কী বলছে :-

খুব সহজেই বোঝা যায় এই বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন মানুষ নতুনত্বের খোঁজে থাকে্ন এবং সৃজনশীল কাজকর্মের সঙ্গে যুক্ত থাকতে ভালোবাসেন। নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করেন তারা। এদের কল্পনাশক্তি প্রবল, এবং নতুন কিছু শিখতে তারা বেশ আগ্রহ দেখায় । এরা সাধারণত কৌতূহলী কল্পনাপ্রবণ , শৈল্পিক , অনেক কিছুতে আগ্রহী , উত্তেজনাপূর্ণ বা উচ্ছ্বসিত স্বভাবের হন।

এই বৈশিষ্টের সঙ্গে ইতিবাচক ভাবনার সুন্দর সম্পর্ক আছে। যারা এই বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন মানুষ, তাদের মধ্যে একটি মুখরতা থাকে। এছাড়াও তারা তাদের আশেপাশের লোকজনের সাথে উদার এবং সম্প্রীতির সম্পর্ক বজায় তৈরি করতে পছন্দ করেন। এরা নিজেও খুশি থাকতে এবং অপরকেও খুশি রাখতে ভালোবাসেন। গবেষণাতে দেখা গেছে এই অকপটতার বিপরীতে দুশ্চিন্তা কিংবা এই সংক্রান্ত কোনো মনোবৈজ্ঞানিক ডিজঅর্ডারের সম্পর্ক পাওয়া যায়নি বটে, তবে অকপট মানুষ এর অন্যদিকে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং সতর্ক মানুষের অবস্থান থাকতে পারে বলে গবেষকদের অনুমান।

এই বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন মানুষের মধ্যে দেখা যায় দক্ষ সংগঠক ও শৃঙ্খলাপরায়ণ হবার ক্ষমতা বেশি থাকে। এরা স্ব-শৃঙ্খলাবদ্ধ , কর্তব্যপরায়ণ এবং মনোযোগী হয়ে থাকেন। দেখা গেছে বিবেকবান মানুষেরা সাধারণত সফল হয়। গবেষণাতেও তাদের বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে মেলবন্ধন দেখা গেছে। আবেগপ্রবণতা এরকম মানুষের মধ্যে কম দেখা যায়। লক্ষ্য এবং তা কত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে সেই সম্বন্ধেও তারা সচেতন। এদের মধ্যে দেখা যায় কর্মদক্ষতা, অর্ডার, বা সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্তব্যপরায়ণতা, বা অসতর্কতার অভাব, কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে অর্জন, স্ব-শৃঙ্খলা, ইচ্ছাকৃত এবং নিয়ন্ত্রিত কাজ করার প্রবণতা ইত্যাদি দেখা যায়। এই বৈশিষ্ট্য মানুষের আবেগ নিয়ন্ত্রণ, এবং নির্দেশের স্তরের সাথে সম্পর্কিত। উচ্চ বিবেকসম্পন্নকে প্রায়ই একগুঁয়ে এবং মনোযোগী বলে মনে করা হয়। এরা সবসময় প্রস্তুত, মনোযোগ দিতে রাজি, সময়সূচী অনুসরণ করা , নিখুঁতভাবে কাজ করতে পছন্দ করেন।
এর বিপরীতে যে বৈশিষ্ট্যগুলি লক্ষ্য করা যায় সেগুলি হল – অর্ডার পছন্দ না করা, জগাখিচুড়ি অবস্থা করা, অগোছালো কাজ করা , কোনো জিনিসকে তাদের সঠিক জায়গায় ফিরিয়ে দিতে ভুলে যাওয়া ,দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া ইত্যাদি।

আমরা চারপাশের মানুষের মধ্যে বহির্মুখী ও অন্তর্মুখী এই দুই বিপরীত পার্সোনালিটির মানুষ দেখতে পাই। কেউ Extrovert আবার কেউ Introvert । এই বহির্মুখী স্বভাবের মানুষের মধ্যা সাধারণত যে বৈশিষ্ট্য দেখা যায় সেগুলি হল – চারপাশে মানুষের মধ্যে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করা, আগে থেকে সহজেই কথোপকথন শুরু করা, বিভিন্ন মানুষের সাথে কথা বলা, মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু হতে আমার আপত্তি না থাকা , কোনো দলের প্রাণ হয়ে ওঠা ইত্যাদি।

আবার এর উল্টো দিকে দেখা যায় Introvert বা অন্তর্মুখী স্বভাবের মানুষ সাধারণত বেশি কথা বলে না , নিজেকে ব্যাকগ্রাউন্ডে রাখেন , নিজের দিকে মনোযোগ আকর্ষণ করতে পছন্দ করেন না , অপরিচিতদের চারপাশে নিজেকে শান্ত রাখতে ভালোবাসেন । তাদের সামাজিক সম্পৃক্ততার অভাবকে লাজুকতা বা হতাশা হিসাবে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়; কিন্তু বহিরাগতদের তুলনায় তাদের সামাজিক বিশ্বের বৃহত্তর স্বাধীনতা হিসাবে. ইন্ট্রোভার্টদের কম উদ্দীপনা এবং এক্সট্রাভার্টদের তুলনায় একা বেশি সময় প্রয়োজন। আবার সব এক্সট্রোভার্ট বা বহির্মুখী মানুষ যে অনেক দ্রুত সবার সাথে মিশতে পারে এমনও নয়। কেউ কেউ হয়তো মানুষজনকে ঘিরে থাকতে পছন্দ করে, কিন্তু অপরিচিতদের সাথে শুরুতেই যথেষ্ট আপন বোধ করে না। এদের জন্যও আছে একটি নাম, এবং সেটি হলো অ্যাম্বিভার্ট (Ambivert)।

বিগ ফাইভ তত্ত্বের চতুর্থ তত্ত্বটি হল সম্মতি। এ বৈশিষ্ট্যের মানুষ সাধারণত প্রতিযোগিতার মনোভাব নিয়ে থাকে না। সবার মতামতের ভিত্তিতে চলে এবং মনোমালিন্য এড়িয়ে চলতে ভালোবাসেন। সম্মতিপূর্ণ ব্যক্তিরা বেশি বিশ্বাসী, স্নেহশীল, পরোপকারী এবং সাধারণত অন্যদের তুলনায় বেশি সামাজিক আচরণ প্রদর্শন করে। এই সামাজিক বৈশিষ্ট্যের মানুষ সহানুভূতিশীল, অন্যদের কল্যাণের জন্য উদ্বেগ দেখায়, যখন কেউ বিপদে পড়ে তখন তারাই প্রথমে এগিয়ে যাবার চেষ্টা করে। এদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ যে সব বৈশিষ্ট্যগুলি দেখা যায় সেগুলি হল- এরা আস্থাশীল, বিনয়ী , ক্ষমাশীল, সরল , পরার্থপর ,সৌহার্দ্যপূর্ণ এবং সহনশীল এবং অন্যদের প্রতি সহানুভূতিশীল হন।

এর বিপরীতে অসম্মত বৈশিষ্ট্যের ব্যক্তিরা সাধারণত অন্যদের সাথে মিলিত হওয়ার উপরে নিজের স্বার্থকে স্থান দেন। তারা সাধারণত অন্যদের মঙ্গল নিয়ে উদ্বিগ্ন নন। এদের মধ্যে অন্য লোকেদের জন্য নিজেদের প্রসারিত করার সম্ভাবনা কম দেখা যায় । কখনও কখনও অন্যদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তাদের সংশয় তাদেরকে সন্দেহজনক, বন্ধুত্বহীন এবং অসহযোগী করে তোলে। অসম্মত ব্যক্তিরা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক বা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হন । এরা তাই তর্ক করতে এবং মানুষকে অবিশ্বাস করতে অভ্যস্ত । এরা অন্যদের প্রতি আগ্রহী নন। এরা প্রায়শই অপরকে অপমান করেন , এরা মানুষের সমস্যায় আগ্রহী নন, এরা অন্যদের জন্য উদ্বেগ বোধ করেন না।

এই বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন মানুষের ভেতরে নেতিবাচক অনুভূতি কাজ করে। এরা সাধারণত বিষন্নতায় ভোগেন। বদমেজাজ এবং মানসিক অস্থিরতায় থাকেন। এদের মধ্যে মানসিক ডিজঅর্ডারও পরিলক্ষিত হয়। মুড সুইং, দুশ্চিন্তা, হীনম্মন্যতা, বিরক্তি ইত্যাদি দেখা যায়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায়, সময়ের সাথে এটা ঠিক হয়ে যেতে পারে। এছাড়া এই সমস্যা বেশি দেখা দিলে সাইকোথেরাপি বা কিছু অভ্যাসের মাধ্যমে স্বাভাবিক হওয়া যায়। এই ধরণের মানুষের সাধারণ যে বোইশিষ্ট্যগুলি দেখা যায় তা হল – এরা চাপে পড়ে যান , সামান্য জিনিস সম্পর্কে চিন্তা করা, সহজেই বিরক্ত হওয়া, ঘন ঘন মেজাজ পরিবর্তন হওয়া , নিজেকে ভিক্টিম বা লুজার ভাবা ইত্যাদি।

এর বিপরীতে দেখা যায় চাপ অনুভব না করা , জীবনকে বৃহত্তর ক্ষেত্রে বিচার করা, নিজের মেজাজ নিয়ন্ত্রণে রাখা, সহজে বিরক্তি না দেখানো, নিজেকে বিজয়ী কল্পনা করা ও সর্বদা পজিটিভ থাকা। এদের সকলেই পছন্দ করে থাকেন।

এই ছিল বিগ ফাইভ থিওরির মুল কথা । সকলেই যে একবাক্যে এই বিগ ফাইভ তত্ত্ব স্বীকার করে নেন তা কিন্তু নয়। একজন মানুষ শুধু অকপট কিংবা বহির্মুখী একেবারে এরকম বা ওরকম ঠিক তা হয় না। একজনের মাঝে অনেকগুলো বৈশিষ্ট্য বিভিন্ন মাত্রায় থাকতে পারে। কোনোটা প্রকট, কোনোটা মাঝারি, কোনোটা আবার একদমই কম। তাহলে নিশ্চয়ই এটি পড়ে নিজের একটি ব্যক্তিত্বের পরীক্ষা কিন্তু করে ফেলতে পারেন আপনিও ! এর বিপরীতে ওঠা বিতর্কগুলি বাদ দিলে এই তত্ত্ব আমাদের ব্যক্তিত্বের অনুধাবনে ও উন্নয়নে খুব কাজে লাগে একথা বলাই বাহুল্য। আজকের যুগে নিজের ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে সচেতন হওয়া এবং তা নিয়ে নিরীক্ষা করা বেশ জরুরি। কারণ, এর ফলে নিজেকে তো চেনা যায়ই, এছাড়া এটি সঠিক পেশা বেছে নিতে, অন্যদের সাথে সম্পর্ক স্থাপনে, নিজের শক্তি এবং দুর্বলতা শনাক্ত করতে সাহায্য করে। যার ফলে দ্রুত আমরা বৃহত্তর জগতে নিজের দক্ষতার প্রমাণ দিতে সক্ষম হব ।

আশা করি আমাদের আজকের এই আর্টিকেলটি খুব কাজে লাগবে। আমাদের ফেসবুক পেজে সঙ্গে থাকুন আর এরকম নানা জনপ্রিয় বিষয়ের ওপর আর্টিকেলটি
সংগ্রহ করতে থাকুন । লেখাটি শেয়ার করলে খুব খুশি হব। ভালো থাকবেন।

The post আপনার ব্যক্তিত্ব ঠিক কীরকম ? জেনে নিন ব্যক্তিত্বের বিগ ফাইভ তত্ত্ব appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/five-traits-of-personality-bengali/feed/ 0
স্বামী বিবেকানন্দের বিখ্যাত উক্তি ও বাণী । Swami Vivekananda Quotes in Bengali https://preronajibon.com/swami-vevekananda-quotes-bengali/ https://preronajibon.com/swami-vevekananda-quotes-bengali/#respond Sun, 17 Sep 2023 19:28:51 +0000 https://preronajibon.com/?p=2840 4 Minute Readস্বামী বিবেকানন্দ, ভারতীয় ধর্ম ও দার্শনিক চিন্তার অমূর্ত রত্ন, যার জন্ম ১২ জানুয়ারি ১৮৬৩ সালে হয়েছিল। বিশ্ব সম্মেলনে তিনি নিজের

The post স্বামী বিবেকানন্দের বিখ্যাত উক্তি ও বাণী । Swami Vivekananda Quotes in Bengali appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
4 Minute Read

স্বামী বিবেকানন্দ, ভারতীয় ধর্ম ও দার্শনিক চিন্তার অমূর্ত রত্ন, যার জন্ম ১২ জানুয়ারি ১৮৬৩ সালে হয়েছিল। বিশ্ব সম্মেলনে তিনি নিজের বিখ্যাত ভাষণের মাধ্যমে পৃথিবীজুড়ে ভারতীয় সংস্কৃতি এবং ধর্মের মূল্যবোধ করিয়ে দেন। তার উপদেশ ও দর্শনের আলোকে ভারতীয় জাতির আত্মবিশ্বাস ও সংস্কৃতির মৌলিক প্রশাসন উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। জন্মের ১৬০ বছর অতিক্রান্ত হবার পরেও তার চিন্তাধারার শৃংখলা এখনো প্রতিস্থাপন করে মানুষের হৃদয়ে একটি আদর্শ জাগরুক করে দেয়। চলুন জেনে নেই শিক্ষা, জীবন, সমাজ নিয়ে স্বামী বিবেকানন্দের বিখ্যাত কিছু উক্তি।

স্বামী বিবেকানন্দ অনুপ্রেরণামূলক উক্তি :

“ওঠো , জাগো এবং লক্ষ্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত থেমো না।”

স্বামী বিবেকানন্দের উক্তি

“ওঠো এবং ততক্ষণ অবধি থেমো না, যতক্ষণ না তুমি সফল হচ্ছ ”

‘মনের শক্তি সূর্যের কিরণের মত, যখন এটি এক জায়গায় কেন্দ্রীভূত হয় তখনই এটি চকচক করে ওঠে।’ 

‘ঘৃণার শক্তি অপেক্ষা প্রেমের শক্তি অনেক বেশি শক্তিমান’

“নিজের উপর বিশ্বাস না এলে ঈশ্বরের উপর বিশ্বাস আসে না।”

“ইচ্ছাশক্তিই জগৎ কে পরিচালিত করে থাকে।”

“যে মানুষ বলে তার আর শেখার কিছু নেই, সে আসলে মরতে বসেছে। যত দিন বেঁচে আছো শিখতে থাকো।”

“এমন কাজ করে চলো যে তুমি হাসতে হাসতে মরবে আর জগৎ তোমার জন্য কাঁদবে।”

“যখন আমাদের মধ্যে অহংকার থাকে না,
তখনই আমরা সবথেকে ভালো কাজ করতে পারি,
অপরকে আমাদের ভাবে সবচেয়ে বেশি অভিভূত করতে পারি।”

Read More : এ. পি. জে. আব্দুল কালামের বিখ্যাত উক্তি ও বাণীসমূহ

তোমার মন ও বুদ্ধির মধ্যে যদি কোন বিষয় নিয়ে দন্ধ সৃষ্ঠী হয় তখন নিজের মনের উপর সবসময় ভরসা রাখবে।

প্রতিটা মানুষের মন অনন্ত শক্তিশালী, মনের একাগ্রতাই হল এই শক্তির উন্মুক্তির আসল পথ।”

সুখ বা আনন্দ কে জীবনের পরম লক্ষ্য ভেবো না, জীবনের পরম লক্ষ্য হল জ্ঞান, ভক্তি ও প্রেম যার দ্বারাই তুমি জীবনে সুখ সাছন্দ খুজে পাবে।”

“সফলতা এবং ব্যর্থতা দুটিই আমাদের জীবনের অংশ কিন্তু কেউই চিরস্থায়ী নয়।”

শিক্ষা নিয়ে স্বামী বিবেকানন্দের উক্তি :

শিক্ষার উদ্দেশ্য আমাদের শেখানো কিভাবে চিন্তা করতে হয়, কি ভাবতে হয় তা নয়।

শিক্ষা হল সেই চাবিকাঠি যা স্বাধীনতা ও মুক্তির দরজা খুলে দেয়।

স্বামী বিবেকানন্দের উক্তি

শিক্ষা জীবনের প্রস্তুতি নয়; এটা জীবন নিজেই.

অজ্ঞতা ও কুসংস্কার মোকাবেলায় শিক্ষাই সবচেয়ে বড় অস্ত্র।

একদিনে, যখন আপনি কোনো সমস্যায় পড়বেন না – আপনি নিশ্চিত হতে পারেন যে আপনি ভুল পথে যাত্রা করছেন

” শিক্ষা হলো মানুষের মধ্যে ইতিমধ্যে থাকা উৎকর্ষের প্রকাশ। “

“মহাবিশ্বের সীমাহীন পুস্তকালয় আপনার মনের ভীতর অবস্থিত”

জীবন নিয়ে স্বামী বিবেকানন্দের উক্তি :

“এক দিনে বা এক বছরে সফলতার আশা কোরো না। সবসময় শ্রেষ্ঠ আদর্শকে ধরে থাকো।”

“সেবা করো তাৎপরতার সাথে।
দান করো নির্লিপ্ত ভাবে।
ভালোবাসো নিঃস্বার্থভাবে।
ব্যয় করো বিবেচনার সাথে।
তর্ক করো যুক্তির সাথে।
কথা বলো সংক্ষেপে।”

“জগতে এখন একান্ত প্রয়োজন হল চরিত্র,
জগত এখন তাদের চায় যাদের জীবন প্রেমদীপ্ত ও স্বার্থ শূন্য।”

চরিত্র সম্পর্কে স্বামী বিবেকানন্দের বাণী :-

নিজের উপর বিশ্বাস না এলে … ঈশ্বরের উপর বিশ্বাস আসে না।

জগতে এখন একান্ত প্রয়োজন হল চরিত্র; জগত এখন তাদের চায় – যাদের জীবন প্রেমদীপ্ত ও স্বার্থ শূন্য।

প্রবিত্র ও নিঃস্বার্থ হতে চেষ্টা কোরো, তার মধ্যেই রয়েছে সমস্ত ধর্ম।

ঘৃণার শক্তি অপেক্ষা প্রেমের শক্তি … অনেক বেশি শক্তিমান।

চরিত্র সম্পর্কে স্বামী বিবেকানন্দের বাণী

শুধু বড়ো লোক হয়ো না … বড় মানুষ হও।

ভগবান যদিও সর্বত্র আছে বটে, কিন্তু তাঁকে আমরা জানতে পারি কেবল মানবচরিত্রের মধ্য দিয়ে।

নারীদের নিয়ে স্বামী বিবেকানন্দের উক্তি :-

আমরা স্ত্রীলোককে নিচ, অধম, মহা হেয়, অপবিত্র বলি। তার ফল – আমরা পশু, দাস, উদ্যমহীন, দরিদ্র।

“মেয়েদের উন্নতি করতে পারো ? তবে আশা আছে। নইলে পশু জন্ম ঘুচবে না।”

“জগতে মায়ের স্থান সকলের উপরে, কারণ মাতৃভাবেই সবচেয়ে বেশি নিঃস্বার্থপরতা শিক্ষা ও প্রয়োগ করা হয়।”

“গোলামীর উপর যে সম্পর্কটা দাঁড়িয়ে আছে, সেটা আবার কখনও ভালো হতে পারে? যেখানে মেয়েদের স্বাধীনতা নেই, সে জাত কখনো উন্নতি করতে পারে না।”

“এ দেশের যত আইন কানুন, যত ভালোবাসা, যত স্মৃতি, সমস্ত মেয়েদের দাবিয়ে রাখার জন্য হয়েছে।”

“ভারতীয় নারীদের যে রকম হওয়া উচিত, সীতা তার আদর্শ।”

“একথা সত্য যে, এমন সব স্ত্রী লোক আছেন, যাদের দেখা মাত্র মানুষ অনুভব করে – কে যেন তাকে ঈশ্বরের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। কিন্তু আবার এমন স্ত্রী লোকও আছে, যারা তাকে নরকের দিকে টেনে নিয়ে যায়।”

“জগতের কল্যাণ স্ত্রী জাতির অভ্যুদয় না হলে সম্ভাবনা নেই। এক পক্ষে পক্ষীর উত্থান সম্ভব নয়।”

ধর্ম নিয়ে স্বামী বিবেকানন্দের উক্তি:-

“সবচেয়ে বড় ধর্ম হল নিজের স্বভাবের প্রতি সত্য থাকা, নিজের প্রতি বিশ্বাস করুন।”

“ধর্ম এমন একটি ভাব, যাহা পশুকে মনুষ্যত্বে ও মানুষকে দেবত্বে উন্নীত করে।”

“শক্তি ও সাহসিকতাই ধর্ম। দুর্বলতা ও কাপুরুষতাই পাপ। অপরকে ভালোবাসাই ধর্ম, অপরকে ঘৃণা করাই পাপ।”

“পবিত্র ও নিঃস্বার্থ হতে চেষ্টা করো, তার মধ্যেই রয়েছে সমস্ত ধর্ম।”

ধর্ম নিয়ে স্বামী বিবেকানন্দের উক্তি

“যত বেশি আমরা বাইরে গিয়ে অন্যদের ভালো করবো, আমাদের হৃদয় ততই বিশুদ্ধ হবে এবং ভগবান সেখানে বাস করবেন।”

“প্রার্থনা করা অপেক্ষা প্রাণ খুলিয়া হাসা অনেক ভালো। গান কর। দুঃখের হাত হইতে নিষ্কৃতি লাভ কর।”

“জগতে যদি কিছু পাপ থাকে, তবে দুর্বলতায় সেই পাপ। সকল প্রকার দুর্বলতা ত্যাগ করো…দুর্বলতায় মৃত্যু, দুর্বলতায় পাপ।”

“প্রথমে অন্নের ব্যবস্থা করতে হবে, তারপর ধর্ম।”

“ঈশ্বর ব্যতীত জীবনের উচ্চতর লক্ষ্য আর কী হইতে পারে? ঈশ্বর স্বয়ংই মানুষের সর্বোচ্চ লক্ষ্য, তাঁহাকে দর্শন কর, তাঁহাকে সম্ভোগ কর, ঈশ্বর অপেক্ষা উচ্চতর বস্তু আমরা ধারণাই করিতে পারি না, কারণ ঈশ্বর পূর্ণস্বরূপ।”

“শক্তিই জীবন, দুর্বলতাই মৃত্যু, বিস্তারই জীবন, সংকোচনই মৃত্যু, প্রেমই জীবন, ঘৃণাই মৃত্যু।”

সমাজ নিয়ে স্বামী বিবেকানন্দের উক্তি:-

“সমাজ অপরাধীদের কারণে খারাপ হয় না বরং ভালো মানুষদের নীরবতার কারণে হয়। “

“আমাদের জাতের কোনো ভরসা নেয়, কোনো একটা স্বাধীন চিন্তা – কাহারও মাথায় আসে না , সেই ছেঁড়া কাঁথা নিয়ে টানাটানি।”

“যে অপরকে স্বাধীনতা দিতে প্রস্তুত নয়, সে কখনই স্বাধীনতা পাইবার যোগ্য নহে। দাসেরা শক্তি চায় , অপরকে দাস বানিয়ে রাখার জন্য।”

স্বামী বিবেকানন্দের বিখ্যাত উক্তি ও বাণী এই লেখাটি তোমাদের কেমন লাগলো তা আমাদের কমেন্টে জানাও। ভালো লেগে থাকলে সকলের সাথে শেয়ার করো। আমাদের বিভিন্ন লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজটিকে ফলো করো।

The post স্বামী বিবেকানন্দের বিখ্যাত উক্তি ও বাণী । Swami Vivekananda Quotes in Bengali appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/swami-vevekananda-quotes-bengali/feed/ 0
সম্মান নিয়ে উক্তি ও বিখ্যাত বাণী । Quotes on Respect in Bengali https://preronajibon.com/somman-niye-ukti/ https://preronajibon.com/somman-niye-ukti/#respond Fri, 09 Jun 2023 17:27:02 +0000 https://preronajibon.com/?p=2805 4 Minute Readজীবন তো কিছু সম্পদ আর সম্পর্কের সমষ্টি নয়। এর বাইরেও জীবনের মানে আছে। আর সেই মানেটাই গড়ে দেয় সম্মান। কাজেই

The post সম্মান নিয়ে উক্তি ও বিখ্যাত বাণী । Quotes on Respect in Bengali appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
4 Minute Read

জীবন তো কিছু সম্পদ আর সম্পর্কের সমষ্টি নয়। এর বাইরেও জীবনের মানে আছে। আর সেই মানেটাই গড়ে দেয় সম্মান। কাজেই নিজে সম্মান করতে জানতে হয় আর তাহলেই অপরের কাছে সম্মান লাভ করা যায়। বিশ্বে মানুষ বেঁচে থাকে শুধু জীবদ্দশায় নয়। মৃত্যুর পরেও যা বেঁচে থাকে তা হল সম্মান। আজ আমরা মানুষের সম্মান নিয়ে কিছু সুন্দর সুন্দর উক্তি আপনাদের সামনে তুলে ধরবো। আসুন তাহলে কথা না বাড়িয়ে দেখে নিই বিশ্বের বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ সম্মান নিয়ে কী কী উক্তি ও বাণী বলে গেছেন।

সম্মান নিয়ে উক্তি :-

১.“আমার মতে মানুষের সবচেয়ে বড় ক্ষতি হলো সম্মানের ক্ষতি। এর থেকে বড় ক্ষতি আর নেই।” -মহত্মা গান্ধী

২.“সম্মান অর্জনের জন্য আলাদা কিছু করার প্রয়োজন নেই, শুধু নিজের দায়িত্বগুলো সঠিকভাবে পালন করাই যথেষ্ট।”– পোপ ফ্রান্সিস

৩.“মানুষকে সম্মান দিতে শেখো, এতে করেই নিজেও সম্মান পাবে।” -এরিস্টটল

৪.”প্রতারণা করে কোন কিছু জেতার চেয়ে সম্মানের সাথে হেরে যাওয়াই ভালো।’-সোফোক্লস

৫.“মানুষ তখনই প্রকৃতভাবে বাঁচতে পারে যখন তাকে যথাযথ সম্মান দেওয়া হয়।”-ওভিড

সন্মান নিয়ে উক্তি

৬.“যদি কেউ সম্মান নিয়ে জন্মগ্রহণ করে এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তার সেই সম্মান ধরে রাখতে পারে, তবেই সে সার্থক।”-জন নিভেল

৭.“আমাদের জীবন অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত এবং সীমিত। তাই আমাদের উচিৎ এই ছোট্ট জীবনকে প্রকৃত সম্মান দেওয়া যা সম্ভব আমদের কাজের মাধ্যমে।”-ওসাকা লেভিনহো

৮.”যে শৃঙ্খলা ব্যতিরেকে জীবনযাপন করে সে কোন সম্মান ছাড়াই মারা যায়।“-সক্রেটিস

৯.”যে সম্মান করতে জানে না, সে কিছুই করতে জানে না।”-টেনিসন

১০.”সম্মান ছাড়া সাফল্য অর্থহীন।“-নাচ্ছিম নিকোলাস

১১.”সম্মান অর্জনের জন্য আলাদা কিছু করার প্রয়োজন নেই, শুধু নিজের দায়িত্বগুলো সঠিকভাবে পালন করাই যথেষ্ট।“-পোপ ফ্রান্সিস

Read More : সম্মান পাওয়ার ১০ টি সেরা উপায়

১২.”যে শুধু সম্মান পাওয়ার আশায় কাজ করে সে সবচেয়ে বেশি অসমম্মানিত হয়।“– রেদোয়ান মাসুদ

১৩.”আমরা কোন জাতির কাছ থেকে তাদের সম্মান ছাড়া কিছুই লাভ করি না।“-উইনস্টন চার্চিল

১৪.”তুমি যদি উচ্চ সন্মান লাভ করতে চাও, তবে অধীনস্থ ব্যক্তিকে নিজের মতাে দেখতে অভ্যাস করো। তাকে সামান্য মনে না করিয়া সম্মান করিবে।“-শেখ সাদী

১৫.”জীবন সংক্ষিপ্ত, তাই আমাদের প্রতিটি মুহুর্তকে সম্মান করা উচিত।“-ওরহান পামুক

১৬.তুমি তোমার উপর স্তরের মানুষদের সম্মান করলে তোমার নিম্ন স্তরের মানুষেরাও তোমাকে সম্মান করবে। -সুবর্ণ মুস্তফা

১৭. “সম্মান হলো আপনার আচরণের একটি প্রতীক যা দেখায় আপনি অন্যদের শ্রদ্ধা এবং মর্যাদা করেন।“- ফেরদৌসি মঞ্জিরা

১৮.”সম্মান পাওয়া মানে কারো কাছে গ্রহণযোগ্যতার প্রমাণ দেওয়া। গ্রহণ যোগ্যতা না থাকলে সে সম্মান সম্মান নয় — লোক-দেখানো মাত্র।“-ফেরদৌসি মঞ্জিরা

১৯.”তুমি কারো কাছে সম্মান আশা করতে পারো না, যদি না তুমি তাকে সম্মান করো।“-কিশোর মজুমদার

২০.“সম্মান পেলে গাছতলাতেও ঘর বানানো যায়। আর সম্মান না থাকলে প্রাসাদও বাসযোগ্য নয়।”–কিশোর মজুমদার

২১.“মৃত্যুর পরে সবাই সম্মান করে। বেঁচে থাকতে সম্মান পেলেই আসল মনুষত্বের পরিচয় পাওয়া যায়।”-কিশোর মজুমদার

২২.“সম্মান হল আয়নার মতো। তুমি অন্যকে যতো বেশী সম্মান দেবে, তার থেকে অনেক বেশী সম্মান তুমি তাদের কাছ থেকে ফিরে পাবে।”

২২.“অন্য মানুষের অনুভূতিকে সম্মান করুন। এটি হয়তো আপনার কাছে কিছুই নাও হতে পারে, তবে এটি তাদের কাছে সব কিছু হতে পারে।”

২৩.“সবাইকে সমান সম্মান দিন। সম্মান পাওয়ার আগে সম্মান দেওয়া খুবই জরুরী।”

Read More : দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে উক্তি । দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বিখ্যাত বাণী

২৪.“সম্মান মানুষকে প্রতিষ্ঠা দেয় এবং তাকে অন্যদের সম্মান করতে উৎসাহিত করে।”

২৫.“সম্মান হলো মানুষের মূল্য এবং গরিমা, যা আমাদের সবার সাথে মেনে চলতে হবে।”

২৬.“যে কোন ব্যক্তি সম্মান পাওয়ার অধিকারী, তার অধিকার অন্যকে সম্মান করতে হবে।”

২৭.“সম্মান নির্মাণ করে একটি সৎ সমাজ, যেখানে সবাই একে অপরের মন্দের পরিবর্তে সম্মান করে এবং অন্যদের সম্পর্কে সতর্কতা মেনে চলে।”-ফেরদৌসি মঞ্জিরা

২৮.“সম্মান হলো একটি মানবিক প্রাণের মূল্য ও গরিমা, যা অন্যদের কাছে পেতে হলে আপনাকে প্রথমে অন্যকেই সম্মান করতে হবে।”-ফেরদৌসি মঞ্জিরা

২৯.“সম্মান কখনই হারানো যায়না, এটি আপনার চারিত্রিক মর্যাদা ও ব্যক্তিত্বের প্রতিফলন।”-কিশোর মজুমদার

সম্মান নিয়ে বাণী

৩০.“তাকে কখনো সম্মান করোনা, যে তোমাকে সম্মান করে না। এটাকে অহংকার বলবেন না, এটাকে বলে আত্মসম্মান।”

সম্মান নিয়ে বাণী :-

৩১.”সম্মান তাদের জন্য যারা এটি প্রাপ্য, তাদের জন্য নয় যারা এটি দাবী করে।

৩২.”সম্মান হলো একটি সামাজিক বন্ধুত্ব এবং সংহতির উৎস, যা আমাদের সকলেরই মধ্যে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

৩৩.”হারিয়ে যাওয়া সব কিছু ফিরে পাওয়া গেলেও হারিয়ে যাওয়া সম্মান কখনো ফিরে পাওয়া যায় না।

৩৪”আমাদের এমনভাবে নিজেকে প্রকাশ করতে হবে, যা অন্যদের প্রতি আমাদের সম্মান প্রদর্শন করে।

৩৫.”হারানো সম্পদ ফিরে পাওয়া যায়, কিন্তু হারানো সম্মান খুব কমই ফিরে আসে।”

৩৬.”সম্মান বয়স দেখে নয় আচরণ দেখে করা উচিত।”

৩৭.”সম্পূর্ণ মানবিক সম্পদের অপরিহার্য ভাগ হল সম্মান।”

৩৮.”সবাইকে পরস্পরের সম্মান করা উচিত।”

৩৯.”সম্মান হলো সকল ধর্মের উপদেশের মূল সৌন্দর্য।

৪০.”মানুষের জীবন সংক্ষিপ্ত ; তাই জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে সম্মান করা উচিত।

৪১.”সম্মান ছাড়া মানবজীবন অসম্পূর্ণ থাকে এবং সম্মান এমনই একটি জিনিস যা মানুষকে নিজের যোগ্যতার মাধ্যমে অর্জন করতে হয়।

৪২.”যে ব্যক্তি কারও কদর, সম্মান ও মূল্য দিতে জানে না সেই ব্যক্তির ওপর সময় নষ্ট করা অর্থহীন।

৪৩.”ভালোবাসা হলো সম্মান প্রদর্শনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বহিঃপ্রকাশ।

৪৪.”অন্য মানুষের অনুভূতির সম্মান করুন। এটি আপনার কাছে অর্থহীন হতে পারে , তবে এটি তাদের কাছে অনেক মূল্য রাখে।

৪৫.”মানবজাতির সবচেয়ে বড় ক্ষতি হলো নিজের সম্মানহানি। তার কাছে এর থেকে বড় ক্ষতি আর কিছু নেই।

সন্মান নিয়ে উক্তি – এই লেখাটি তোমাদের কেমন লাগলো তা আমাদের কমেন্টে অবশ্যই জানাও। এই ধরনের লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকো।

The post সম্মান নিয়ে উক্তি ও বিখ্যাত বাণী । Quotes on Respect in Bengali appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/somman-niye-ukti/feed/ 0
সম্মান পাওয়ার ১০ টি সেরা উপায় । সবাই গুরুত্ব দেবে নিয়মগুলি মানলে https://preronajibon.com/10-ways-to-get-respect/ https://preronajibon.com/10-ways-to-get-respect/#respond Mon, 01 May 2023 16:35:39 +0000 https://preronajibon.com/?p=2765 5 Minute Readসম্মান পাওয়ার উপায় সম্মান বা Respect মানুষের সহজাত নয়। মানুষকে তার ব্যক্তিত্ব দিয়ে কর্ম দিয়ে সম্মান অর্জন করতে হয়। আবার

The post সম্মান পাওয়ার ১০ টি সেরা উপায় । সবাই গুরুত্ব দেবে নিয়মগুলি মানলে appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
5 Minute Read

সম্মান পাওয়ার উপায়

আমার মতে মানুষের সবচেয়ে বড় ক্ষতি হল সম্মানের ক্ষতি। এর থেকে বড় ক্ষতি আর নেই।
– মহাত্মা গান্ধি

সম্মান বা Respect মানুষের সহজাত নয়। মানুষকে তার ব্যক্তিত্ব দিয়ে কর্ম দিয়ে সম্মান অর্জন করতে হয়। আবার সচেতন মনে কাউকে সম্মান দেওয়াও সংস্কৃতিগতভাবে শেখাতে হয়।

ধন নয় মান নয়, এতটুকু বাসা / করেছিনু আশা।
– আশা / রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

এই ধন সম্পদের উর্ধে পৃথিবীতে মানুষ মানুষের কাছে যে জিনিসটি প্রত্যাশা করে তা হল সম্মান। কাজেই পৃথিবীর নশ্বর সম্পদের প্রাচুর্যেও, মানুষের শান্তি নেই। গাছের মতো প্রকৃতির নিয়মে মানুষও নিজেকে ছড়িয়ে দিতে চায় বটে। কিন্তু জৈবিক বিস্তারের ঊর্ধে একমাত্র মানুষই মৃত্যুর পরেও বেঁচে থাকে অন্য মানুষের মনে। জীবনানন্দের ভাষায় বলা যায়-

মানুষের মৃত্যু হলে তবুও মানব থেকে যায়।
(‘মানুষের মৃত্যু হলে’ // জীবনানন্দ দাশ)

অর্থাৎ মৃত্যুর পরেও থেকে যাওয়া এ মানব সত্তাটিই হল প্রকৃত সম্মান, যা মানুষ ছাড়া বোধ করি আর কোনো প্রাণীর কাম্য নয়।

বাস্তব সত্য হলেও সকলেই সম্মান পেতে চায়। কিন্তু সকলেই সম্মান লাভ করে না । তাহলে কী এমন আছে যার দ্বারা মানুষের কাছে নিজের সম্মান আদায় করা সম্ভব। ধন ও সম্পদের ঊর্ধ্বে রবীন্দ্রনাথের বলা ওই ‘বাসা’টুকুতে তাই আসন লাভ করা যায় কীভাবে ?
বন্ধুরা আজকের আলোচনায় আমরা অল্প কথায় তুলে ধরছি অপরের কাছে নিজের সম্মান পাবার বা সম্মান বাড়ানোর ১০ টি উপায় সম্পর্কে তাহলে কথা না বাড়িয়ে মূল বিষয় প্রবেশ করা যাক।

সম্মান পাওয়ার উপায়

১. ভালো শ্রোতা হোন :-

‘তুমি মানুষের হাত ধরো/ সে কিছু বলতে চায়’ – কবি বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কবিতার এই উক্তিটি থেকে বোঝাই যায় মানুষ আসলে কিছু বলতে চায়। তাদের কথা শোনার কেউ নেই। আপনি কোনো মানুষের কাছে সম্মান পেতে হলে ভালো করে শুনতে হবে মানুষ আসলে কী বলতে চায়। একজন ভালো শ্রোতা সহজেই অন্যের হৃদয়ের কাছাকাছি চলে আসতে পারেন আর সম্মানের আসনটিও সহজেই লাভ করতে পারেন।

২ .অপরকে সম্মান করুন :-

কথায় বলে সম্মান হল আয়নার মতো, অন্যকে যত সম্মান দেবেন,তাদের কাছেও তত সম্মান ফিরে পাবেন। আপনি যেমন অপরের কাছে একটু সম্মান প্রত্যাশা করেন তেমনি অপরজনও আপনার কাছে সম্মান প্রত্যাশা করবেন এটাই স্বাভাবিক।

৩. ভুল স্বীকার করুন, নিজেকে সংশোধন করেন :-

মানুষ মাত্রই ভুল হয়। আপনারও ভুল হতে পারে স্বীকার করে নিয়ে Sorry বলুন। আর ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেকে আরো উন্নত করে গড়ে তুলুন। ভুল হলে এড়িয়ে না গিয়ে, সরাসরি স্বীকার করার মধ্যে যে সৎ সাহস থাকে এই সৎ সাহসই আপনার সম্মান বাড়িয়ে দেবে। এটা শুধু সম্মানই নয় আপনার নিজের আত্মসম্মানও বাড়িয়ে তুলবে।

৪. যে কথাগুলি বলবেন না :-

মানুষের ব্যবহার বলতে মুখ্যত কথাকেই বোঝায়। সেই কথাকে ঠিকমতো না ব্যবহার করলে একদিকে আপনার ব্যক্তিত্ব যেমন নষ্ট হতে পারে- তেমনি অপরের চোখে আপনার সম্মানও চিরতরে নষ্ট হতে পারে। কাজেই একবার জেনে নিন যে কথাগুলো আপনার Personality ও সম্মানও দুটোই ক্ষতিগ্রস্ত হয় এমন কী কী কথা বলা যাবে না –

ক. এক সেকেন্ড, আসছি। (কথাটি বলতেই এক সেকেন্ড লেগে যায় কাজেই এটা ভিত্তিহীন কথা। দু- মিনিট, পাঁচ মিনিট- সঠিক সময়টুকুই বলবেন।)

খ. আমি অমুক কিনেছি, বা এই করেছি। ( এসব অহংকারী কথা কখনো বলবেন না অন্যের ভেতর থেকে শ্রদ্ধা হারাবেন এসব কথার দ্বারা)

গ. ধুর ভাল্লাগেনা! (বিরক্তিসূচক কথা নেগেটিভ মানসিকতার লক্ষণ এতে লোক আপনাকে এড়িয়ে যেতে থাকবে।)

ঘ. আপনার দ্বারা হবে না বা আপনি পারবেন না। (নেগেটিভ কথা কেউ শুনতে চায় না।)

Read More : কোথায় এবং কেন চুপ থাকা প্রয়োজন ?

৫. অতি বিনয় ত্যাগ করুন :-

বিনয় ভালো। কথায় আছে ‘’বিদ্যা দদাতি বিনয়ং’’ । অর্থাৎ বিদ্যা বিনয় দান করে। কিন্তু অতিরিক্ত কিছুই ভালো নয় । যেমন বিনয় । দেখা যায় যে অতি বিনয়ী স্বাভাব ব্যক্তিত্বের ক্ষতি করে । আত্মবিশ্বাস ধ্বংস করে দেয় । আর সবচেয়ে খারাপ যে বিষয়টি তা হল- অতি বিনয়ের ভাব তোষামুদে স্বভাবের পরিচায়ক । তাই অন্যের কাছে সম্মান পেতে হলে অতি বিনয় ত্যাগ করুন।

৬. Show off করার চেয়ে আন্তরিক হোন :

এটা নিশ্চয় উদাহরণ দিয়ে বোঝানোর দরকার নেই যে এখনকার দিনে Show off করা একটা ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে । যারা বেশি Show off করে বেড়ায়, মনে রাখবেন তারা দুটো কারণে অন্যের সম্মান হারাতে থাকে –
১। যাই কিছু Show off করা হোক না কেন তা অন্যের ভেতরে ঈর্ষার উদ্রেক করতে পারে।
২। Show off অর্থাৎ বিজ্ঞাপিত করার মানসিকতার মধ্যে একটা অহংকার কাজ করে যা অন্যের চোখে বেশি করে ফুটে ওঠে।
আপনি লোকদেখানো বা Show off থেকে সরে এসে আন্তরিক হয়ে কাজ করুন , মিশুন , এতে দেখবেন আপনার কী আছে বা নেই তা নিয়ে কারো মাথাব্যথা নেই । আপনার ব্যবহার কেমন সেটাই আপনার পরিচয়। আর সেটাই আপনাকে সম্মানের আসনে রাখবে।

“নিজেকে সম্মান করুন। অন্যরা আপনাকে সম্মান করবে।” -কনফুসিয়াস

৭. কথা দিয়ে কথা রাখুন :-

অন্যের চোখে তিনিই সম্মান পান, যিনি কথা দিয়ে কথা রাখেন । এই দুনিয়ায় এখন মেকি Show off , নিজেকে প্রচার করার প্রবণতা যেখানে বেশি সেখানে কথা দিয়ে কথা রাখার মানুষও খুব কমে যাচ্ছে। কারও মনে শ্রদ্ধা জাগাতে হলে আপনি কথা দিয়ে কথা রাখুন । এর ফলে শুধু সম্মানই বাড়বে না আপনার প্রতি বিশ্বাস ও ভরসাও বেড়ে যাবে ।

৮. সর্বদা ইতিবাচক থাকুন :-

একটা বিষয় অনেকেই জানেন না যে , যারা সর্বদা নিজের দুঃখ, কষ্ট, যন্ত্রণার কথা , দেশ-দুনিয়ার দুর্দশার কথা অর্থাৎ নেতিবাচক কথাই সর্বদা গর্ব করে বলতে থাকেন ; মানুষ তাদের এড়িয়ে যেতে চান। কারন তাদের মানুষ অপছন্দ করেন। একটা বিষয় খেয়াল করে দেখবেন , মানুষ ইতিবাচক কথাই শুনতে চায়। যদিও এই বিষয়কেই কাজে লাগায় রাজনৈতিক নেতারা। কিন্তু আপনি যদি অন্যের হৃদয়ে শ্রদ্ধার ও সম্মানের আসন পেতে চান , তাহলে আপনাকে নেগেটিভ কথা বলা বন্ধ করতে হবে । যে কোনো কিছুরই নেগেটিভ ও পজিটিভ দুটো দিকই থাকে । আপনাকে সর্বদা পজিটিভ কথাগুলোই বলতে হবে । এতে সকলের কাছে প্রিয় ও সম্মানের মানুষ হতে সময় লাগবে না আপনার।

Read More : এই ১১ ধরণের মানুষ থেকে সর্বদা দূরে থাকো

৯. কথার পেছনে যুক্তি ও তথ্যের সত্যতা রাখবেন :-

আপনার চারদিকে সর্বদা যারা থাকেন, খেয়াল করে দেখবেন তাদের মধ্যে বিভিন্ন স্বভাবের মানুষ পাবেন। কেউ দেখবেন কিছু না জেনে বুঝেই বিজ্ঞের মতো মন্তব্য করে বসেন । আবার কেউ বুঝুক না বুঝুক দুম করে আবেগের বশে কিছু বলে বসেন । এরা সমাজে সম্মান পান না । খুব কম মানুষই দেখবেন প্রতিটি কথার মধ্যে যুক্তি ও তথ্যের পরিসংখ্যান রাখেন । আর না জানা থাকলে সেই বিষয়ে মন্তব্য করতে যাবেন না । কম কথা বলুন কিন্তু জেনে বুঝে বলুন । দেখবেন সকলের হৃদয়ে সম্মানের আসন আপনার জন্য সাজানো থাকবে।

১০. অপরের সময়ের মূল্য দিন –

আপনি কখনো কি ভেবেছেন , যে আপনার জন্য কারো সময় নষ্ট হচ্ছে ? তাহলে আজই এই বিষয় সম্পর্কে সচেতন হোন – অপরের সময় আপনি কিছুতেই নষ্ট করবেন না। কারণ এই দুনিয়ায় সবচেয়ে মুল্যবান বিষয় হল সময়। কারো যেন এরকম মনে না হয় যে আপনার সঙ্গে কথা বলে শুধু সময়টাই নষ্ট হচ্ছে। আপনি অন্যের সময়ের যেমন মূল্য দেবেন, তেমনি সময়কে কীভাবে কাজে লাগানো যায় সেটা প্রয়োগ করতে জানতেই হবে। মূল্যবান পরামর্শ দিন । জানা কিছু থাকলে অপরের উপকারের জন্য শেয়ার করুন। মোট কথা অপরজন যেন আপনার সঙ্গে থেকে বুঝতে পারেন যে তার সময়টা খুব কাজে লাগলো। অপরের সময়ের মূল্য দিতে পারলেই দেখবেন আপনার প্রতি সকলেরই সম্মান বেড়ে যাবে ।

বন্ধুরা , আশা করি আজকের সম্মান পাওয়ার উপায় আর্টিকেলটি থেকে আমরা অনেক কিছু শিখতে পারলাম। লেখাটি যদি কাজে লেগে থাকে তাহলে আপনার প্রিয়জনকে শেয়ার করে আমাদের কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ করুন। এরকম আরো লেখা পেতে হলে ফেসবুক পেজটি ফলো করে আমাদের সঙ্গে থাকুন আর দুর্দান্ত কোনো লেখার জন্য অপেক্ষা করুন। ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।

The post সম্মান পাওয়ার ১০ টি সেরা উপায় । সবাই গুরুত্ব দেবে নিয়মগুলি মানলে appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/10-ways-to-get-respect/feed/ 0
Bengali Quotes by Ferdousi Manjira । ফেরদৌসি মঞ্জিরা বাংলা কোটস https://preronajibon.com/bengali-quotes-by-ferdousi-manjira/ https://preronajibon.com/bengali-quotes-by-ferdousi-manjira/#respond Sun, 09 Apr 2023 11:07:08 +0000 https://preronajibon.com/?p=2731 3 Minute Read”অতি দ্রুত সাফল্য পাওয়া যায় না । আর গেলেও তা বেশিদিন টেকে না। যেটা পেতে অধিক সময় লাগে তার সময়সীমাও

The post Bengali Quotes by Ferdousi Manjira । ফেরদৌসি মঞ্জিরা বাংলা কোটস appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
3 Minute Read

Bengali Motivational Quotes – Ferdousi Manjira


নিজের ক্ষমতার ওপর কখনও সন্দেহ কর না। তুমি হয়তো জানোই না তুমি কত কিছু করতে সক্ষম। “- ফেরদৌসি মঞ্জিরা

”অতি দ্রুত সাফল্য পাওয়া যায় না । আর গেলেও তা বেশিদিন টেকে না। যেটা পেতে অধিক সময় লাগে তার সময়সীমাও বেশি দিন থাকে।”– ফেরদৌসি মঞ্জিরা

”নিজের ভালো মন্দের খোঁজ নিজেকেই রাখতে হবে, কারণ তোমার থেকে বেশি কেউ তোমাকে চেনে না।“– ফেরদৌসি মঞ্জিরা

“যারা ভয় পেয়ে পালিয়ে যায়, সাফল্য তাদের দুয়ারে কখনোই আসেনা।” – ফেরদৌসি মঞ্জিরা

“জীবন স্ক্রিপ্টটেড নয়, যে যেমনটা চাইব ঠিক তেমনটাই হবে। জীবনের গল্পে ওঠাপড়া থাকবেই। তুমি যদি পড়ে গিয়ে উঠতে না শেখ তাহলে তোমার জীবনের গল্পটাও মুখথুবড়ে পড়ে যাবে।”– ফেরদৌসি মঞ্জিরা

“জীবনের মান উঁচু রাখতে হলে অভ্যাসের মানও উঁচু রাখতে হবে।” – ফেরদৌসি মঞ্জিরা

” সমস্যাকে দেখে ভয় পেও না।
সমস্যা আছে বলেই
তোমার জীবনে জেতার সম্ভবনা আছে। ”
– Ferdousi Manjira

” তোমার ভেতর লুকিয়ে থাকা সম্ভবনা গুলিকে খোঁজো।
হয়তো তুমিই সেই যাকে পৃথিবী খুঁজছে। ”
– Ferdousi Manjira

” যদি তুমি খারাপ পরিস্থিতিতেও হাসতে পারো , তবে তুমি জিতে গেছো। ” – Ferdousi Manjira

” নিজেকে কখনও ভয়ের কফিনে বন্দি করো না , কেননা তোমার স্বপ্নগুলো জীবাশ্ম হয়ে যাবে। ” – ফেরদৌসি মঞ্জিরা

Life Quotes Ferdousi Manjira জীবন নিয়ে উক্তি – ফেরদৌসি মঞ্জিরা


” কখনো কখনো আমাদের কাছে অপেক্ষা করা ছাড়া কিছু উপায় থাকে না । শুধু অপেক্ষাই পারে সঠিক উত্তর দিতে।“- ফেরদৌসি মঞ্জিরা

“তুমি নীরব মানে এই নয় তুমি নিষ্ক্রিয় । ঝড়ের আগে নিস্তব্ধতা ঝড়ের পূর্বাভাস দেয়।”– ফেরদৌসি মঞ্জিরা

নিজের জীবনের খুশির কারণ নিজে হও। অন্যকে খুশির কারণ বানালে, সেও দুঃখ দিয়ে চলে যাবে।“- ফেরদৌসি মঞ্জিরা

দিনে একবার হলেও নিজের সঙ্গে দেখা করো, কথা বলো, জীবনের অনেকে সমস্যার সমাধান সেখানে খুঁজে পাবে।“- ফেরদৌসি মঞ্জিরা

ভালোবাসা নিয়ে উক্তি – ফেরদৌসি মঞ্জিরা


অনুভূতির রাজ্যে আমরা সকলই সমান। সেখানে কোনো ভেদাভেদ হয় না।“- ফেরদৌসি মঞ্জিরা

“একটা জিনিস আপনি চাইলেও লুকোতে পারবেন না,সেটা হলো আপনার ভেতরের অনুভূতি।” -ফেরদৌসি মঞ্জিরা

নাই বা আমায় ডাকলে একটু কাছে
নাই বা বাসলে একটুখানি ভালো
হাওয়ার মতো তোমার চারিপাশে
প্রেম জোনাকি ছড়িয়ে দেবো আলো।
“ -ফেরদৌসি মঞ্জিরা

” সব শর্ত সব প্রতিজ্ঞার ঊর্ধে একটু স্বপ্ন ছুঁয়ে থাকার বাসনায় এক গুচ্ছ মন খারাপের মেঘ থেকে বেরিয়ে আসা বিদ্যুতের আলোয় স্নান করে নতুনভাবে মুখোমুখি দুটি হৃদয় যদি কথা বলে তাই তো ভালোবাসা । “ – Ferdousi Manjira

” দুটো মানুষের কথার আড়ালে যে না-বলা কথা ,
সেই কথাতেই যদি দুটো হৃদয় কথা বলে —
সে তবে ভালোবাসা । “
– Ferdousi Manjira

” তোমাকে পাবো , তোমাকে পেতে চাই , ভালোবাসতে চাই
এটা না বলে , দেখো তোমার হৃদয় যদি তার ভালো থাকাটুকু চায় —- বুঝবে সেটাই সত্যি ভালোবাসা । “
– ফেরদৌসি মঞ্জিরা

আমাদের লেখা এই বাংলা কোটসগুলি কেমন লাগলো তা আমাদের কমেন্টে জানাও। এই ধরনের লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকো।

The post Bengali Quotes by Ferdousi Manjira । ফেরদৌসি মঞ্জিরা বাংলা কোটস appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/bengali-quotes-by-ferdousi-manjira/feed/ 0