<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>বই পড়ার গুরুত্ব Archives - প্রেরণাজীবন</title>
	<atom:link href="https://preronajibon.com/tag/%E0%A6%AC%E0%A6%87-%E0%A6%AA%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://preronajibon.com/tag/বই-পড়ার-গুরুত্ব/</link>
	<description>PreronaJibon</description>
	<lastBuildDate>Wed, 25 Mar 2020 08:03:10 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2018/12/cropped-Favicn-32x32.png</url>
	<title>বই পড়ার গুরুত্ব Archives - প্রেরণাজীবন</title>
	<link>https://preronajibon.com/tag/বই-পড়ার-গুরুত্ব/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>বই পড়ব কেন ? বই পড়ার প্রয়োজনীয়তা কী ? Importace of Reading Books</title>
		<link>https://preronajibon.com/benefits-of-reading-book/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/benefits-of-reading-book/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 24 May 2019 14:41:35 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শিক্ষা ও জীবন]]></category>
		<category><![CDATA[health benefits]]></category>
		<category><![CDATA[reading books]]></category>
		<category><![CDATA[বই পড়া রচনা]]></category>
		<category><![CDATA[বই পড়ার উপকারিতা]]></category>
		<category><![CDATA[বই পড়ার গুরুত্ব]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=592</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 6</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>বই পড়ার প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব। &#8220;Reading is to the mind what exercise is to the body &#8221; &#8211; Joseph Addison</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/benefits-of-reading-book/">বই পড়ব কেন ? বই পড়ার প্রয়োজনীয়তা কী ? Importace of Reading Books</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 6</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p class="has-text-align-center"><strong><mark>বই পড়ার প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব।</mark></strong></p>



<p class="has-text-align-center">&#8220;<strong>Reading is to the mind what exercise is to the body</strong> &#8221; </p>



<p class="has-text-align-center">&#8211; Joseph Addison</p>



<p>এই কথাটি বলে গিয়েছেন ৩০০ বছর পূর্বে । আর বর্তমান মডার্ন সায়েন্স গবেষণার দ্বারা এই কথাটির সত্যতা প্রমাণ করেছে । ব্যায়াম যেমন আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখে তেমনি বই পড়ার মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের মনকে সুস্থ ও আনন্দিত রাখতে পারি । একটি ভালো বই মানুষের মনশ্চক্ষু যেমন খুলে দেয় তেমনি জ্ঞান ও বুদ্ধিকে প্রসারিত ও বিকশিত করে মনের ভিতরে আলো জ্বালাতে সাহায্য করে । </p>



<p>বই-ই হচ্ছে মানুষের শ্রেষ্ঠ সম্পদ । যার সাথে পার্থিব কোনো সম্পদের তুলনা হতে পারে না । একদিন হয়তো পার্থিব সব সম্পদ বিনষ্ট হয়ে যাবে , কিন্তু একটি ভালো বই থেকে প্রাপ্ত জ্ঞান কখনও নিঃশেষ হবে না , তা চিরকাল হৃদয়ে জ্ঞানের প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখবে । </p>



<p>আমাদের মধ্যে হয়তো অনেকেরই জানা আছে , আজ যারা সফলতার চরম শীর্ষে পৌঁছেছে তাঁরা সকলেই কতটা বই পড়তে আগ্রহী । জীবনে চরম সফল হওয়া সত্ত্বেও তারা বই পড়া থেকে নিজেদের বঞ্চিত রাখে না । বই পড়ার মধ্য দিয়ে তারা রোজ নিজেকে সমৃদ্ধ করে তোলেন । Warren Buffett তাঁর পেশা জীবনের শুরুতেই প্রতিদিন ৬০০-১০০০ পৃষ্ঠা নিয়মিত পড়তেন । তিনি বলেন &#8211;</p>



<p>&#8221; <strong>Read 500 pages like this everyday . That&#8217;s how knowledge works . It builds up , like compound interest. All of you can do it , but I guarantee not many of you will.</strong>&#8220;</p>



<p>Bill Gates প্রতিবছর ৫০টি বই শেষ করেন । Mark Cuban প্রতিদিন ৩ ঘন্টার বেশি বই পড়েন। Elon musk রকেট সায়েন্সের বিদ্যা বই পড়ার মাধ্যমে অর্জন করেছেন ।</p>



<p>একটা বই শুধু তথ্য দেয় না , প্রশ্ন দেয় এবং নতুন করে চিন্তা করতে শেখায় । বই কেন পড়ব ? বই পড়ার প্রয়োজনীয়তা ঠিক কী ? শারীরিক ও মানসিক ভাবে সুস্থ থাকতে বই আমাদের কতটা সাহায্য করে এসো জেনে নেওয়া যাক &#8212;</p>



<figure class="wp-block-image"><img fetchpriority="high" decoding="async" width="758" height="358" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/05/Health-benifits-of-reading-book.jpg" alt="Health benifits of reading book" class="wp-image-594" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/05/Health-benifits-of-reading-book.jpg 758w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/05/Health-benifits-of-reading-book-300x142.jpg 300w" sizes="(max-width: 758px) 100vw, 758px" /></figure>



<p><strong>১)</strong> <strong>জ্ঞান বৃদ্ধি করে :-</strong>  বই পড়ার মাধ্যমে আমাদের জ্ঞানের পরিধি ব্যাপকভাবে বিস্তৃতি লাভ করে । যত বেশি বই পড়া যাবে , তত বেশি জ্ঞান বৃদ্ধি পাবে । বইয়ের ভেতরে থাকে অজানা তথ্যের খাজানা । যখন আমরা বই পড়বো তখন বইটির ভিতরে থাকা নানা ধরনের তথ্যের সাথে পরিচিতি লাভ করতে পারব । হোক সেটি ফিকশন কিংবা ননফিকশন , বই-ই পারে একজন মানুুষকে যথার্থ জ্ঞানী বানাতে । আর জ্ঞান সবসময় একজন মানুষকে সমৃদ্ধ করে । </p>



<p><strong>২) মানসিক উদ্দীপনা তৈরি করে :- </strong>   একটি গবেষণায় দেখা গেছে বই পড়ার অভ্যাস মানুষকে &#8221;  <a href="https://www.alz.org/alzheimers-dementia/what-is-dementia">Dementia</a> এবং <a href="https://en.wikipedia.org/wiki/Alzheimer%27s_disease">Alzheimer&#8217;s</a>&#8221; নামে দুটি রোগ প্রতিরোধ করতে  সাহায্য করে । বই পড়ার ফলে মানুষের মস্তিষ্কে যে উদ্দীপনা ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয় তা মানুষের মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে । মানুষের শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মতো মস্তিষ্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ । শরীর সুস্থ রাখতে আমরা যেমন ব্যায়াম করি তেমনি মস্তিষ্ককে সবল ও কর্মচঞ্চল রাখতে বই পড়া বিশেষ জরুরী ।</p>



<p><strong>৩) মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে :- </strong>  ২০০৯ সালে United kingdom এর Sussex ইউনিভার্সিটির বৈজ্ঞানিকরা হার্ট রেট ও মাসেল টেনশন মনিটরিংয়ের মাধ্যমে পরীক্ষা করে দেখেন যে , কিছু কিছু কাজ আমাদের মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে । তারা লক্ষ্য করেন যে মাত্র ছয় মিনিটের জন্য বই পড়লে স্ট্রেস লেভেল ৬৮% পর্যন্ত কমে যায় , যা হাঁটা (৪২%), কফি পান (৫৪%) বা গান শোনার (৬১%) থেকে অনেকটা বেশি কার্যকর । বই পড়ার মধ্যে পুরোপুরি ডুবে যাওয়ার ফলে যে বিষয়গুলি আমাদের অমনোযোগী করে বা স্ট্রেস লেভেল বাড়িয়ে দেয় তা অনেকটাই কমে  যায় । কারন বই পড়ার মধ্য দিয়ে আমরা এক মূহুর্তে কোনো এক অজানা জগতে পৌঁছাতে পারি । যা আমাদের প্রতিদিনের বাস্তবতা , সমাজ সংসারের নানা দুঃখ কষ্ট থেকে একটু হলেও রেহাই দেয় , ফলে আমাদের মানসিক চাপ অনেকটাই কমে যায় । </p>



<p><strong>৪) অন্যের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা গ্রহণ :- </strong>  যিনি বই লেখেন তিনি তাঁর বইয়ের প্রতিটি পাতায় তাঁর দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার কথা ব্যক্ত করেন লেখার মাধ্যমে , তাঁর সেই জ্ঞানের আলোয় আমরা আলোকিত হয়ে নিজেকে সমৃদ্ধ করার সুযোগ পেয়ে থাকি । তুমি কি নেপোলিয়ন হিলের লেখা &#8221; থিন্ক অ্যান্ড গ্রো রিচ &#8221; বইটি পড়েছো ? বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা ২৩৮ জানো কী লেখকের বইটি লিখতে কত সময় লেগেছে ? নানা গবেষণা করে বইটি শেষ করতে লেখকের ২০ বছর সময় লেগেছে । একজন মানুষের স্বাভাবিক বইপড়ার গতি যদি ২৫০ wpm হয় তাহলে বইটি পড়ে শেষ করতে ৬ ঘন্টা লাগবে । তাহলে তুমি ভাবো কুড়ি বছরের অভিজ্ঞতা তুমি ৬ ঘন্টায় জানতে পারছ । তাহলে ভেবে দেখো বই পড়া কেন জরুরী ? একটি বইতে লেখক তাঁর জীবনের উত্থান ও পতন দুটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন । তুমি তাদের গল্প থেকে শিক্ষা নিতে পারো এবং কোন পথে গেলে তুমি সফল হবে তা জানতে পারো । বই নতুনভাবে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে ও মস্তিষ্ককে চিন্তা করতে উপযোগী করে গড়ে তোলে । </p>



<p>&#8221; <strong><em>The art of reading is in great part that of acquiring a better understanding of life from ones encounter with it in a book .</em></strong>&#8220;</p>



<p> &#8211; Andre maurois </p>



<p><strong>৫) কল্পনা শক্তি বৃদ্ধি করে :-</strong> যতবেশি বই তুমি পড়বে ততবেশী কল্পনা শক্তি তোমার বৃদ্ধি পাবে । কারন বইয়ের ভেতরে যে জগতের বর্ণনা থাকে আমরা বই পড়ার মধ্যে দিয়ে সেই জগতটির সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে পারি । কখনো কখনো বই আমাদের একটি ছোট্ট ভ্যাকেশনে নিয়ে যায় । কারন পড়ার মাধ্যমে আমরা পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে যেতে পারি । বই-এই ভিতরে থাকা নতুন জগতের নতুন চিত্র , নতুন বর্ণনা নতুন নতুন ভাবে উপলব্ধি করতে পারি । ফলে আমাদের মনন জগতের কল্পনা শক্তি বৃদ্ধি পেতে শুরু করে ।</p>



<p class="has-text-color has-background has-text-align-center has-vivid-red-color has-luminous-vivid-amber-background-color"><strong>জেনে নাও : <a href="https://preronajibon.com/life-changing-five-books-review/">জীবন বদলে দেওয়ার মতো ৫-টি বই</a></strong></p>



<p><strong>৬) স্মরণ শক্তির বৃদ্ধি ঘটে :- </strong> আমরা যখন কোনো বই পড়ি তখন বইয়ের ভিতরে থাকা অগনিত তথ্যগুলি মনে রাখতে হয় । যেমন ধরো- কোনো উপন্যাস , তা সেটা প্রেমেরই হোক বা ঐতিহাসিক কিংবা রাজনৈতিক কিংবা গোয়েন্দা সিরিজ অথবা কারো অটোবায়োগ্রাফি তোমাকে কিন্তু সেই উপন্যাস কিংবা গল্পের চরিত্রের নাম , ইতিহাস , স্থান , উপন্যাসের উদ্দেশ্য , প্লট , উপকাহিনি , সবটাই মনে রাখতে হয় । নাহলে পড়ার মজা আসে না । যখন আমরা এইসব তথ্য মনে রাখার কাজ করি তখন আমাদের মস্তিষ্কের অনেক exercise হয় যার ফলে memory power বৃদ্ধি পায় । এছাড়াও বই আমাদের মস্তিষ্কের নতুন নতুন কানেকশন তৈরি করে , ফলে আমাদের নতুন করে জানার আগ্রহ , মনে রাখার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ।</p>



<p><strong>৭) শব্দভাণ্ডার বৃদ্ধি :-</strong> দেশি বিদেশি বিভিন্ন ভাষার বই পড়লে আমাদের ঝুলিতে নতুন নতুন শব্দের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে । লেখক যখন বই লেখেন তিনি অনেক বিষয় নিয়ে গবেষণা করে থাকেন , শব্দ নিয়েও তাঁর গবেষণা কম থাকে না । আর আমরা বইপড়ার মাধ্যমে সেই শব্দগুলি সহজেই শিখে নিতে পারি । ফলে কথা বলার সময় সেই শব্দগুলি ব্যবহার ক&#8217;রে আমরা আমাদের বাচনভঙ্গিকে স্পষ্ট , সুন্দর ও তাৎপর্যমন্ডিত করতে পারি । আর যে ব্যক্তি অনেক বই পড়ে থাকেন তিনি খুব সহজেই অন্যের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে পারেন । এতে ব্যক্তিজীবন উন্নত হয় এবং আত্মবিশ্বাসও বেড়ে যায় । নতুন ভাষা শিখতেও বই পড়া আবশ্যক ।</p>



<p>&#8221; <strong>A book is like a garden carried in the pocket</strong> &#8221; </p>



<p> &#8211; Chinese proverb</p>



<p><strong>৮) লেখনী শক্তি বৃদ্ধি:- </strong>  নিয়মিত বই পড়ার ফলে আমাদের ভাবনাকে প্রকাশ করার ক্ষমতা বেড়ে যায় । সুন্দর কথা বলার মতো বেড়ে যায় লেখনীর দক্ষতাও । বিভিন্ন লেখকের লেখার বিভিন্ন শৈলীর সঙ্গে পরিচিতি ঘটার ফলে নিজস্ব লেখনী শক্তিও তার স্বাতন্ত্র্য খুঁজে পায় । </p>



<p><strong>৯) Critical thinking বৃদ্ধি করে :-</strong>  বই পড়ার আর একটি উপকারিতা হলো এর মাধ্যমে আমাদের critical thinking develop হয় । ধরো তুমি কোন গোয়েন্দা উপন্যাস কিংবা রহস্যজনক গল্প পড়ছো , গল্পটি শেষ করার আগেই তুমি রহস্যের উন্মোচন করতে পারছো । এতে তোমার মস্তিষ্ক আরও তেজী হয় , আর তোমার চিন্তা ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায় । </p>



<p><strong>১০) একাগ্রতা বৃদ্ধি করে ও মানসিক প্রশান্তি দান করে :-</strong> রোজ নিয়ম করে বই পড়লে বেড়ে যায় একাগ্রতা শক্তি &#8212; আধুনিক গবেষণায় এমনটাই উঠে এসেছে । ক্রমাগত ভার্চুয়াল জগতে বিচরণ করার ফলে আমাদের মনোযোগ যেমন কমতে থাকে তেমনি বাড়তে থাকে মাল্টিটাষ্কিং -এর অভ্যাস । যার ফলে আমাদের স্ট্রেস লেভেল বেড়ে যায় আর প্রোডাক্টিভিটি কমে যায় । কিন্তু যখন আমরা কোনো একটি গল্প বই পড়ি তখন আমাদের মনোযোগ সেই বইয়ের ভিতরে থাকা পৃথিবীটার সঙ্গে যুক্ত হয় । ফলে বই পড়ার অভ্যাস আমাদের একাগ্রতা শক্তি বৃদ্ধি করে । </p>



<p>আবার যখন আমরা আমাদের পছন্দের বইগুলি পড়ি তখন আমরা অনেক শান্ত ও প্রশান্তি অনুভব করি । বিশেষ করে আধ্যাত্মিক বই পড়লে আমাদের মনে প্রশান্তি আসে । গবেষণায় দেখা গেছে আধ্যাত্মিক বই পড়লে রক্তচাপ কমে যায় অনেকটাই । আবার আমরা যখন হতাশায় লিপ্ত থাকি তখন একটি self help book আমাদের বাঁচার নতুন রাস্তা দেখায় । </p>



<p><strong>১১) সহানুভূতি বোধ :-  </strong>  বই পড়ার মাধ্যমে তৈরি হয় এক সহানুভূতিপূর্ণ মানসিকতা । ২০১৩ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশ কিছু স্বেচ্ছাসেবকদের ওপর বই পড়া নিয়ে গবেষণা করা হয়েছে । তাদের মধ্যে ফিকশন , ননফিকশন ও সাধারণ কিছু বই পড়তে দেওয়া হয় । ৫-টি পরীক্ষার মধ্যে দেখা যায় যারা কল্প সাহিত্য নিয়ে পড়েছে তারা ভালো ফল করেছে কিছু কাজে , যেমন কীভাবে অভিনয় করবে বা মুখের অভিব্যক্তি কী রকম হবে তা ব্যক্ত করা । এরথেকে বোঝা যায় তাদের মধ্যে অন্যের মানসিক চাপ অনুভব করার ক্ষমতা রয়েছে , যাকে বৈজ্ঞানিকরা বলেন &#8221; Theory of mind&#8221; । এখানে প্রমাণিত হয় যে কল্পনা নির্ভর বই পড়ার মাধ্যমে চরিত্রের সঙ্গে সুখ দুঃখ অনুভূতির একাত্মবোধ গড়ে ওঠে । বাস্তব জীবনেও এইসমস্ত মানুষ অনেক বেশি সহানুভূতিপ্রবণ হৃদয়ের হয়ে থাকেন । </p>



<p><strong>১২) আত্মসম্মান বোধ তৈরি করে :-</strong>  বই পড়ে মানুষ সমাজের কাছে ভালোমন্দ মানবিক গুনগুলির মূল্য বুঝতে শেখে , তাই নিজের এমন একটা আত্মসম্মান বোধ তৈরি হয় যেটা অন্যভাবে এতটা হতে পারে না । নিজের প্রতি সম্মান না জানাতে পারলে অন্যকে সন্মান জানাতে শেখা যায় না । </p>



<p>&#8221;  <strong>Books are the mirrors of the soul .</strong>&#8220;- Virginia Woolf</p>



<p><strong>১৩) সংলাপ দক্ষতা :-</strong> একথা বলাই বাহুল্য যে শব্দভাণ্ডার ও শব্দের সঠিক প্রয়োগ বই পড়ে ভালো শেখা যায় । আর বাস্তব জীবনেও সেগুলোর যথাস্থানে প্রয়োগের মাধ্যমে বা কারো সাথে কথোপকথনে ব্যবহারের ফলে সুন্দর যোগাযোগের দক্ষতা যেমন বাড়ে , তেমনি বাড়তে পারে অপরের কথার সঙ্গে তাল মিলিয়ে যুক্তিসই কথা বলার দক্ষতাও । </p>



<p><strong>১৪) ভালো ঘুমাতে সাহায্য করে :-</strong> অনেকেরই সমস্যা শোনা যায় যে , ঘুম আসে না । আবার ঘুমের আগে শোয়ার সময় মোবাইল ফোনে , কিংবা ল্যাপটপে সময় কাটানোর ফলে কমতে থাকে গাঢ় ঘুমের সম্ভাবনাও ।  তাই গবেষণায় উঠে এসেছে যদি ঘুমানোর আগে একটি ভালো বই পড়া যায় তাহলে মস্তিষ্ককের কোষগুলি শান্তভাবে কল্পনার রাজ্যে বিচরণ করে , ফলে খুব তাড়াতাড়ি ঘুম চলে আসে । আর মস্তিষ্কে প্রশান্তির ফলে গাঢ় ঘুম হবার প্রবণতাও তৈরি হয় । রাত্রে সোশ্যাল মিডিয়ার এডিকশন থেকে বাঁচতে বই পড়া একটি অন্যতম পন্থাও হতে পারে । </p>



<p>&#8220;<strong>Whenever you read a good book , somewhere in the world a door opens to allow in more light .</strong>&#8220;- Vera Nazarian</p>



<p>তাহলে এসো বন্ধুরা , আমরা এবার কিছু বই সংগ্রহ করে জীবনের সঙ্গে জুড়ে নিয়ে একটা বড়সড় বদল আনি ।  ছাত্র ছাত্রীদের এই লেখাটি বই পড়ার প্রয়োজনীয়তা রচনা , বই পড়া প্রবন্ধ রচনা , বই পড়ার গুরুত্ব রচনা ইত্যাদিতেও সাহায্য করবে বলে আসা রাখি। বই পড়ার প্রয়োজনীয়তা পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলো না যেন । খুব ভালো থেকো , সুস্থ থেকো ।</p>



<p class="has-text-align-center"><strong><span style="text-decoration: underline;">This Article Is Written By</span></strong></p>


<div class="tmm tmm_406"><div class="tmm_1_columns tmm_wrap tmm_theme_f"><span class="tmm_two_containers_tablet"></span><div class="tmm_container"><div class="tmm_member" style="border-top:#333333 solid 5px;"><div class="tmm_photo tmm_pic_406_0" style="background: url(https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2022/12/Ferdousi-Manjira-1.jpg); margin-left: auto; margin-right:auto; background-size:cover !important;"></div><div class="tmm_textblock"><div class="tmm_names"><span class="tmm_fname">Ferdousi </span> <span class="tmm_lname">Manjira</span></div><div class="tmm_job">Founder &amp; Writer</div><div class="tmm_desc" style="text-align:center"><p><strong>Ferdousi manjira is the founder of preronajibon. She loves to write about life solutions.She writes to express her thoughts so that others will be inspired.</strong></p></div><div class="tmm_scblock"><a target="_blank" class="tmm_sociallink" href="https://www.instagram.com/ferdousimanjira/" title=""><img decoding="async" alt="" src="https://preronajibon.com/wp-content/plugins/team-members/inc/img/links/instagram.png"/></a><a target="_blank" class="tmm_sociallink" href="https://twitter.com/manjiraferdousi" title=""><img decoding="async" alt="" src="https://preronajibon.com/wp-content/plugins/team-members/inc/img/links/twitter.png"/></a></div></div></div><div style="clear:both;"></div></div></div></div>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/benefits-of-reading-book/">বই পড়ব কেন ? বই পড়ার প্রয়োজনীয়তা কী ? Importace of Reading Books</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/benefits-of-reading-book/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>1</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>

<!--
Performance optimized by W3 Total Cache. Learn more: https://www.boldgrid.com/w3-total-cache/?utm_source=w3tc&utm_medium=footer_comment&utm_campaign=free_plugin

Page Caching using Disk: Enhanced 
Lazy Loading (feed)
Minified using Disk

Served from: preronajibon.com @ 2026-04-23 22:46:35 by W3 Total Cache
-->