ভালোবাসার উপায় Archives - প্রেরণাজীবন https://preronajibon.com/tag/ভালোবাসার-উপায়/ PreronaJibon Wed, 07 Jul 2021 11:40:51 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.3 https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2018/12/cropped-Favicn-32x32.png ভালোবাসার উপায় Archives - প্রেরণাজীবন https://preronajibon.com/tag/ভালোবাসার-উপায়/ 32 32 প্ৰিয়জন রাগ করে আছে ? প্রিয়জনের রাগ ভাঙানোর অভিনব ১২টি উপায় https://preronajibon.com/rag-vanganor-upay/ https://preronajibon.com/rag-vanganor-upay/#respond Mon, 08 Feb 2021 18:13:34 +0000 https://preronajibon.com/?p=1943 6 Minute Readপ্রিয়জনের রাগ ভাঙানোর অভিনব ১২টি উপায় ভালোবাসার মাঝে মান অভিমান থাকবেই । মাঝে মাঝে মান অভিমান সম্পর্ককে আরো গাঢ় ও

The post প্ৰিয়জন রাগ করে আছে ? প্রিয়জনের রাগ ভাঙানোর অভিনব ১২টি উপায় appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
6 Minute Read

প্রিয়জনের রাগ ভাঙানোর অভিনব ১২টি উপায়

ভালোবাসার মাঝে মান অভিমান থাকবেই । মাঝে মাঝে মান অভিমান সম্পর্ককে আরো গাঢ় ও গভীর করে তোলে । আবার কখনো রাগ থেকে ক্ষোভ , ক্ষোভ থেকে অভিযোগ , অভিযোগ থেকে ইগো প্রবলেম , আর বুঝতেই তো পারছো ইগো প্রবলেম থেকে কী হতে পারে । না না , সে ভয় পাবার কিছু নেই । কারণ তোমার প্রিয়জনের রাগ অভিমানকে মিষ্টি করে ভেঙে দিয়ে সুন্দর ও রোম্যান্টিক সম্পর্ককে আরো মধুময় করে তুলতে কিছু সুন্দর সুন্দর টিপস নিয়ে এসেছি তোমাদের জন্য। তাহলে কথা না বাড়িয়ে চলো দেখে নিই প্রিয়জনের রাগ ভাঙানোর উপায়গুলো কী কী : –

১. পছন্দের উপহার দেওয়া :-

প্রিয়জন অভিমান করে আছে? অভিমান ভাঙানোর সবচেয়ে সুন্দর উপায় হল প্রিয়জনের পছন্দের উপহার দেওয়া। উপহার পেতে আমরা সকলেই ভালোবাসি। উপহার ছোট বা বড় হয় না। ভালোবেসে দেওয়া সব উপহারই কিন্তু মূল্যবান হয়। তাই তোমার প্রিয়জনের রাগ ভাঙাতে ফুল ,চকোলেট, কার্ড অথবা সে যেটা সব থেকে বেশি পছন্দ করে এরকম কিছু জিনিস দিতে পারো। যা মুহূর্তের মধ্যে তোমার প্রিয়জনের মুখে হাসি ফোটাবে। আর সঙ্গে সঙ্গেই সব রাগ গলে জল হয়ে যাবে।

২. অনেকদিনের কোনো না-পূরণ করা চাহিদা পূরণ করা:-

বললে হয়তো বিশ্বাস হবে না — এটা খুব সত্যি যে, ভালোবাসার মানুষের কাছে অনেক আবদার থাকে , অনেক শখ জমানো থাকে । আর সেগুলি সব শীঘ্রই পূরণ করা সম্ভব হয় না অনেকেরই পক্ষে । যদি কখনো প্রিয় মানুষটির সেরকম কোনো চাওয়া বা জমে থাকা কোনো ইচ্ছে পূরণ করে সারপ্রাইজ দেওয়া যায় ; তাহলে সেই প্রিয়জন তোমার দায়িত্ববোধ সম্পর্কে সন্দেহমুক্ত হবে । আর সেটা রাগ ভাঙানোর পাশাপাশি সম্পর্ককে চিরস্থায়ী করবে । হতে পারে পছন্দের কোনো উপহার , হতে পারে তার প্রিয় কোনো পোশাক , কিংবা ঘুরতে যাওয়া, ভালো কোনো খাবার। দেরি না করে ভেবে ফেলো কোনটি করতে যাচ্ছ প্রিয়জনের রাগ ভাঙানোর জন্য ।

৩. তোমার নিজের পাঁচটি দোষ বলতে বলা , যা শুধরে নিতে চাও:-

এটা এক অভিনব সাইকোলজিক্যাল ট্রিটমেন্ট। যে প্রিয়জন খুব কম রাগে। কিন্তু একবার রাগ করলে দীর্ঘক্ষণ থাকে। কিংবা তোমার প্রিয়জন যদি খুব বেশি রাগ করে থাকে তাহলে এই উপায়টি তোমার জন্য।কি করতে হবে এবার বলি। তোমাকে বলতে হবে “আমি নিজেকে একটু শুধরে নিতে চাই । তাই আমার এমন পাঁচটি দোষ বলো, যেগুলো শুধরে নেওয়া খুব দরকার।” … এরপর তোমার প্রিয়জন একটা করে তোমার দোষ বলবে আর তুমি কাউন্ট করবে। এক একটা দোষ বলবে আর দেখবে তোমার উপর তার রাগগুলো ঝরে পড়বে আর নিজে তোমার প্রতি বেশি অনুরুক্ত হতে থাকবে। এটা আসলে পার্গেশন পদ্ধতি, যা মনোবিদেরা প্রয়োগ করে থাকেন। বিশ্বাস না হয় পরোখ করেই দেখো এর ম্যাজিকটা ।

৪. কোনো পেইন্টিং বা মজার বড় কোনো ছবি এঁকে বা কিনে দেওয়া:-

তোমার প্রিয়জনকে যদি খুব ভালোবাসো , আর সে রাগ করায় তোমার কাজ কর্ম ঘুম উবে যাবার জোগাড়। তোমার হাতে সময় যদি কম থাকে বা তুমি যদি কর্মব্যস্ত হয়ে থাকো, তাহলে তুমি এটা করে দেখতেই পারো। যে কোনো মানুষ এখন বড় পেইন্টিং পছন্দ করেন। তোমার প্রিয়জনকে বড় কোনো ছবি বিশেষ করে তার প্রিয় ফুল, বা স্থান বা সেরকম কিছু এনে উপহার দাও । যাদের আঁকার দক্ষতা আছে তারা নিজের হাতে এঁকেই দিতে পারো। সেটা কিন্তু তার চোখের সামনে দেয়ালে বা কোথাও রাখতে হবে । বার বার তোমার উপহারটি চোখে পড়লে তোমার প্রিয়জন তোমার নানা কথা ভাবতে থাকবে আর অভিমানের মোম গলতে শুরু করবেই করবে ।

৫. কাগজে কলমে চিঠি লিখে দেওয়া:-

এই পদ্ধতি আধুনিক ডিজিটাল যুগের মানুষের জন্য , বিশেষ করে শিক্ষিত যারা, তাদের কাছে খুব কার্যকরী কৌশল। কারণ মুখে যা বলা যায় না, তা অনেক সময় লিখে বোঝানো যায় । আর লেখায় যে গভীরতা থাকে মুখের কথায় তা থাকে না। সেটা নিশ্চয় জানো যে লিখিত কোনো বার্তা না পেলে মৌখিক কথায় কোনো প্রাতিষ্ঠানিক কাজই হয় না।প্রিয়জনের খুব গাঢ় অভিমান কিংবা তোমার উপর কোনো গুরুতর দোষ আরোপিত হয়েছে — বিষয়টা যদি এমন হয়ে থাকে , তাহলে কাগজ কলম নিয়ে বসে যাও চিঠি লিখতে। আর মন প্রাণ উজাড় করে গভীর ভালোবাসায় ভরা চিঠিটি লিখে দাও তোমার প্রিয়জনকে। দেখবে চোখের জলে একসা হয়ে তোমার কাছে ছুটে আসবে তোমার প্রিয়জন ।

৬. হালকাভাবে নয় : গভীর ভাবে Sorry বলা:-

Sorry তো আমরা কথায় কথায় বলে থাকি। শব্দটার বহুল প্রয়োগের ফলে এর গভীর মাহাত্ম্যটাই নষ্ট হয়ে যায় । ফলে প্রিয়জন রাগ করলে শুধু Sorry তে কাজ হয় না । তাই এই Sorry বলার পদ্ধতিটি বদলে নাও । যেমন- ” সেদিনের আচরণের জন্য আমি খুবই মর্মাহত । তোমার ভেতরের ভালো মানুষটাকে আমি সম্মান দিতে পারিনি । আমায় ক্ষমা করে দিও । ” এই ধরণের বাংলা শব্দগুলি আসলে “Sorry ” বা “দুঃখিত” শব্দগুলোর থেকে বেশি গভীরভাবে হৃদয়কে নাড়া দিয়ে থাকে । তুমি তোমার মতো ক’রে গভীরভাবে “Sorry ” বলো । কিন্তু শব্দগুলি বদলে দাও । দেখো কিরকম সুফল পাও ।

৭. লং ড্রাইভ এ যাওয়া:-

ঘুরতে যাওয়া আর লং ড্রাইভে যাওয়া এক নয়। কেননা ঘুরতে যাওয়ার আগে সব ঠিক ঠাক করা থাকে , শুধু যাওয়াটাই বাকি । আর লং ড্রাইভে থাকে অ্যাডভেঞ্চার এর সুযোগ। অর্থাৎ ঘোরার বা ভালোলাগার বিষয়ের খোঁজ করা । কোনোকিছুই ঠিক করা থাকে না সেখানে। আর মজাটাই এখানে। প্রিয়জন খুব রাগ করে আছে ? কথাই বলছে না ? বেশ, তাহলে আয়োজন করো লং ড্রাইভের। যেতে যেতে গুনগুন করে গেয়েই ফেলো না — “এই পথ যদি না শেষ হয় , তবে কেমন হতো …. ” দেখো পরের লাইনটা নিশ্চয় তোমার প্রিয়জন গেয়েই উঠবে । আর তাতেই হবে কেল্লা ফতে। তাও যদি না হয়। তাহলে চলতে থাকো নতুন কোনো টপিকের খোঁজ পেয়ে যাবে নিশ্চয়। সেটা আমি এখান থেকে তো বলে দিতে পারব না । আর না হয় ইউটিউবে গানটি চালিয়ে দাও “চলতে চলতে পথ পেয়েছি তোমায়/ বলতে বলতে মন বলে নি তোমায়।”দেখবে মুখে কুলুপ এঁটে রাখা প্রিয়জনও মুখ ফুটে কথা বলতে শুরু করবে।

৮. প্রিয় স্থানে বেড়াতে যাওয়া:-

এবার আসি বেড়াতে যাওয়া প্রসঙ্গে। প্রিয়জন খুব বেশি রাগ করে আছে ? তোমায় ভুল বুঝে দূরে সরে যাচ্ছে ? বেশ তাহলে সময় বের করে তোমাদের দু’জনের প্রিয় স্থানে বেড়াতে চলে যাও। যে স্থানটি তোমার ভালোবাসার মানুষটির খুব প্রিয় । হয়তো সেখানে তোমাদের ভালোবাসার অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। সেখানে গিয়ে হয়তো একটু নস্টালজিক হয়ে পড়তে পারো দুজনই। হয়তো মাথায় আসতে পারে “ইস! কত বদলে গেছে সে দিনগুলো । কত ভালো ছিলো আগেকার সেই সময় “। মনে হোক তাতে ক্ষতি নেই । এই নস্টালজিয়াকে দু’জন ভাগ করে নাও । গল্প শুরু করো । তবে গল্প থেকে যদি ঝগড়া শুরু হয়ে যায় , তাহলে আমাকে দোষ দিও না যেন । তবে তুমি কিন্তু অভিযোগ ক’রো না নতুন করে । তাকে বলতে দাও । দেখবে রাগ গলে জল হয়ে গেছে ।

প্রিয়জনের রাগ ভাঙানোর উপায়

৯. হাত ধ’রে দীর্ঘক্ষণ নীরবে বসে থাকা:-

তোমরা হয়তো শুনে থাকবে টাচ ট্রিটমেন্ট এর কথা । যাকে বলা হয় TT বা touch therapy এই বিষয়ে বর্তমানে গভীর গবেষণা শুরু হয়েছে । আজ সত্য বলে প্রমাণিত হয়েছে যে , স্পর্শের মাধ্যমে energy-র এবং positivity-র সঞ্চারণ ঘটে । উইকিপিডিয়াতে এ সম্পর্কে স্পষ্ট বলা হয়েছে , “Therapeutic touch (commonly shortened to “TT”), known by some as “non-contact therapeutic touch” (NCTT), is a pseudoscientific energy therapy which practitioners claim promotes healing and reduces pain and anxiety.” অর্থাৎ রেগে থাকা প্রিয়জনের মনের ব্যথা বা উত্তেজনা স্পর্শের মাধ্যমে দূরে সরে যেতে বাধ্য।তাই হাত ধ’রে থাকা শুধু নয় । ভালোবাসার মানুষকে আলিঙ্গন করার মাধ্যমে তার মনের কষ্ট, জমে থাকা রাগ কমে যেতে বাধ্য ।

১০. নিজের ছোটবেলার ভুল করার কোনো মজার গল্প বলা:-

এটি প্রচলিত ও পুরোনো পদ্ধতি । প্রিয়জন রাগ করলে তাকে হাসানোর চেষ্টা করা। এটা তো সত্যি যে তোমার উপর রাগ করে থাকা প্রিয়জন তোমার কথায় সহজে হাসবে না। কিন্তু তুমি যদি তোমার ছোটবেলার মজার কোনো গল্প বলো , যেখানে তুমি বোকামি করেছিলে। আর তার জন্য হাস্যকর কিছু সৃষ্টি হলো। এই ধরণের কথা কোনো বইতে লেখা নেই । তুমি ছাড়া আর কারো কাছে শোনা সম্ভব নয় । সেই কথা মনে দিয়ে শুনবে আর হাসবে । হয়তো তোমাকে আবার বোকা, হাবা, বুদ্ধুরাম ইত্যাদি বলে মজা করবে । আর তখুনি বুঝবে প্রিয়জন তোমার ভালোবাসায় ডুবতে শুরু করেছে । আর রাগ ? কখন হাওয়া হয়ে গেছে তোমরা টেরই পাও নি।

১১. প্রিয়জনকে গুরুত্ব দিয়ে কোনো কাজ শুরু করা:-

ভালোবাসায় রাগ করার একটি প্রধান কারণ কিন্তু ভালোবাসার মানুষটির কাছে গুরুত্ব কম পাওয়া । তোমার প্রিয়জনের যদি এরকম অভিযোগ থাকে যে তুমি তাকে সময় দাও না , পাত্তা দাও নি , বা ছোটো করেছো কারো সামনে । অথবা কিছু ভুলে গেছো কিংবা অন্য কারো প্রতি একটু বেশি মনোযোগ দিচ্ছ ব’লে তার মনে হয়েছে । এরকম কোনো রোগের কারণ হলে তোমার জন্য এই টিপস । তুমি এমন কিছু কাজ করবে যেখানে তোমার ভালোবাসার মানুষটির গুরুত্ব বেশি হয়। যেমন প্রিয় মানুষটির জন্মদিন , ভালো কোনো রেজাল্ট ইত্যাদির জন্য বন্ধুদের বা কাছের আত্মীয়দের নেমন্তন্ন করে খাওয়ানো। সেরকম কোনো টপিক না পেলে প্রিয়জনের হাসিমুখের ছবিটি আর্টিস্টকে দিয়ে আঁকিয়ে নিয়ে এসো। আর ঘরের দেয়ালে টাঙিয়ে দাও । কিংবা মেকআপ আর্টিস্টকে নিয়ে এসো আর তাকে সাজিয়ে নিয়ে বেরিয়ে যাও একদিনের জন্য ফটোশ্যুট করতে । মেয়ে বা ছেলে যে কেউই এখন এটা ভালোই বাসবে আশা করি । দেখবে রাগ কোথায় চলে গেছে ।

১২. প্রিয়জনের ভালো বিষয়গুলোর প্রশংসা করা:-

সব্বাই নিজের প্রশংসা শুনতে ভালোবাসে । আর সব মানুষের মধ্যেই প্রশংসা করার মতো কোনো না কোনো বিষয় থাকবেই । সে যদি তোমার ভালোবাসার মানুষই হয়ে থাকে , তবে তার প্রশংসার বিষয় তোমার থেকে আর কারো জানার কথা নয় । বন্ধু, আত্মীয়দের সামনে তার প্রশংসা করো । ফোনে কথা বলার সময় তাকে নিয়ে গর্ব করো । অথবা সরাসরি বলো যে , “তোমার এই গুনকে আমি শ্রদ্ধা করি । কিংবা তোমার জন্য আমার গর্ব হয় ।” দেখবে তোমার গর্ব করা দেখে তোমার প্রিয়জনের রাগ লা-পতা হয়ে গেছে । মনে রাখবে , ভালোবাসার সম্পর্কগুলো কিন্তু এরকম প্রিয়জনের ভালো কাজের গর্ব করার মাধ্যমে গভীরতা পায় । তাই প্রিয়জনকে গুরুত্ব দিলে তোমার প্রতি তারও শ্রদ্ধা বাড়তেই থাকবে। আর রাগ ? তথৈবচ ।

আশা করি বন্ধুরা , আজ থেকে তোমার প্রিয়জনের রাগ আর বেশিদূর এগোবে না। নিশ্চয় বুঝে নিয়েছো প্রিয়জন রাগ করলে তার রাগ ভাঙানোর জন্য কী কী করতে হবে। এই আর্টিকেল এর লিংকটি Save করে রেখে দিতে পারো । কিংবা বন্ধুকে শেয়ার ক’রে তার বড় উপকার করতে পারো । আর্টিকেলটি কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানাও । আমাদের সঙ্গে থাকতে ফেসবুক পেজে চলে এসো। খুব ভালো থেকো । ভালোবাসার মানুষটিকেও ভালো রেখো।

The post প্ৰিয়জন রাগ করে আছে ? প্রিয়জনের রাগ ভাঙানোর অভিনব ১২টি উপায় appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/rag-vanganor-upay/feed/ 0
অপরকে নিজের প্রতি আকৃষ্ট করার ৭টি টিপস https://preronajibon.com/how-to-attract-people/ https://preronajibon.com/how-to-attract-people/#respond Fri, 22 Nov 2019 19:25:50 +0000 https://preronajibon.com/?p=963 3 Minute Readঅপরকে নিজের প্রতি আকৃষ্ট করার টিপস সকলেই কম বেশি চায় যে অপর সকলেই তার প্রতি আকৃষ্ট হোক , তার কথা

The post অপরকে নিজের প্রতি আকৃষ্ট করার ৭টি টিপস appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
3 Minute Read

অপরকে নিজের প্রতি আকৃষ্ট করার টিপস

সকলেই কম বেশি চায় যে অপর সকলেই তার প্রতি আকৃষ্ট হোক , তার কথা শুনুক তার প্রশংসা করুক। কিন্তু চাইলেই তো হয় না। সঠিক মনস্তত্ব ও আচরণগত জ্ঞান না থাকার ফলে অনেক সময় ঘটে যায় ঠিক তার উল্টো । অর্থাৎ অন্যেরা আকৃষ্ট হবার বদলে হয়ে যায় বীতশ্রদ্ধ । তাহলে বন্ধুরা এসো জেনে নিই সাতটি টিপস যার দ্বারা আমরা সত্যি সত্যিই অপরের হৃদয়ে স্থান করে নিতে পারবো।

১) কথা মন দিয়ে শোনো :-

প্রত্যেকেই চায় তার কথা কেউ মন দিয়ে শুনুক। এই সাইকোলোজিটি যদি তোমার জানা থাকে , তবে তুমি যে কারো ভরসার মানুষ ও প্রিয়জন হয়ে উঠতে পারো। কেউ কথা বললে তার বক্তব্য বিষয়ের প্রতি আগ্রহ দেখাতে হবে। সেও মনের কথা বলতে পেরে তোমার ওপর ভরসা রাখতে শুরু করবে। মানুষ ডাক্তারের কাছে গিয়ে চিকিৎসা শুরুর আগে শুধু কথা বলেই অনেকটা সুস্থ হয়ে যায় – কারণ ডাক্তার নিজের পছন্দের বিষয় বলতে থাকেন না , রোগীর কথা সব শোনেন । তুমিও হয়ে ওঠো আগ্রহী শ্রোতা – আর দেখো ম্যাজিক কী হয় ।

২) সহমত পোষণ করো :-

কারো কথা শোনার সময় দেখবে তার বক্তব্যের সঙ্গে সঙ্গে সে কিছু যুক্তি খাড়া করছে । তোমার মনে হতেই পারে যে, সেই যুক্তিগুলো সঠিক নয়। কিন্তু তুমি যদি তাকে থামিয়ে দিয়ে বিরুদ্ধ মত পোষণ করো তবে প্রথমেই তার বিরাগভাজন হয়ে উঠবে। যদি তুমি তার যুক্তিটা মেনে নিয়ে পরে বুঝিয়ে দাও কোথায় যুক্তিতে ভুল আছে, তাহলে সেও তোমার মতকেই সমর্থন করবে। তোমার মত অন্যদের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই তুমি শুধু তার মতামত নিয়েই কথা বলবে, সে তোমার প্রতি আকৃষ্ট হবেই হবে।

জেনে নাও : চুমু খাওয়ার ১০ টি উপকারিতা

৩) আগ্রহের বিষয়ে কথা বলো :-

দেখবে একজন দোকানদার ক্রেতার আগ্রহকে বোঝার চেষ্টা করে এবং সেই অনুযায়ী জিনিস ক্রেতাকে দেখায়। তেমনটি বক্তার আগ্রহের বিষয় নিয়ে যদি কথা বলো দেখবে সে অনর্গল কথা বলতে থাকবে তার পছন্দের বিষয়ে । তার ভালোলাগা বিষয়ে কথা বলতে পেরে ধীরে ধীরে সেও তোমার প্রতি আকৃষ্ট হতে থাকবে ।

৪) প্রশংসা করো :-

প্রত্যেকটি মানুষের কিছু ভালো দিক আর কিছু মন্দ দিক থাকে। তুমি সামনের মানুষটির ভালো দিক এর প্রশংসা করো। জেনে রাখো প্রতিটি মানুষ -ই নিজের প্রশংসা শুনতে ভালোবাসে। তবে মনে রাখতে হবে প্রশংসা করতে গিয়ে মিথ্যে বলে তাকে তাচ্ছিল্য করা যাবে না।
অপরের কোনো বিষয় তোমার অপছন্দ হতেই পারে। সে ক্ষেত্রে সেটা খুব জরুরি হলে বুঝিয়ে বলতে হবে যে , বিষয়টি ব্যক্তিগতভাবে তোমার পছন্দ নয় কিন্তু তার ক্ষেত্রে সেটা কৃতিত্বের বিষয়। দেখবে প্রশংসা শুনে সে তোমার প্রতি আগ্রহী হবেই।

৫) জানা বিষয় থেকে পরামর্শ নাও :-

বাঙালি চরিত্রের একটা বড় বৈশিষ্ট্য হল অযাচিত পরামর্শ দেয়া। তুমি আগ বাড়িয়ে পরামর্শ না দিয়ে যদি তার জানা বিষয়টি সম্পর্কে তার কাছে কিছু জেনে নাও দেখবে সে আগ্রহী হয়ে তোমাকে পরামর্শ দেবে। যে, যে বিষয় জানে বা ভালোবাসে সে সে বিষয়ে বলতে ও পরামর্শ দিতে ভালোবাসে। তাই সামনের মানুষটির পরামর্শ নাও ,তাতে সে তোমার প্রতি আগ্রহী হবে।

৬) অপ্রিয় বিষয় এড়িয়ে যাও:-

কোনো মানুষের অনেক বিষয়ই অপ্রিয় হতে পারে। হোক না সে কোনো ঘটনা , খাবার বা আলোচ্য বিষয়। তুমি তার মনোভাব জেনে নিয়ে তার অপছন্দের বিষয়ে যদি কথা না তোলো সে তোমার প্রতি ইতিবাচক মনোভাব নেবে। তাই কথা বলার সময় অপরের অপছন্দের বিষয় এড়িয়ে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

৭) সর্বদা ইতিবাচক থাকো :-

সর্বদা মুখে হাসি রাখবে আর ইতিবাচক মনোভাবের পরিচয় দেবে। প্রতিটি মানুষই সেইসব মানুষকে বেশি পছন্দ করে যারা ইতিবাচক মনোভাবের অধিকারি। ঠিক উল্টোভাবে দেখবে যারা সর্বদা নেগেটিভ কথা বলে বা হতাশা সঞ্চারিত করে তাদের কেউ পছন্দ করে না । তাই নিজেকে পজিটিভ রাখো আর অপরের মধ্যে সেই মানসিকতা ছড়িয়ে দাও। দেখবে ম্যাজিকের মতই তুমি সবার প্রিয় ব্যক্তি হয়ে উঠেছো ।

অপরকে নিজের প্রতি আকৃষ্ট করার টিপস

তাহলে বন্ধুরা আশা করি এই সাতটি টিপস মাথায় রেখে অপরের সঙ্গে মিশবে আর তাদের প্রিয়পাত্র হয়ে উঠতে পারবে তুমি। লেখাটি বিন্দুমাত্রও যদি ভালো লেগে থাকে তবে বন্ধুদের শেয়ার করো। আমাদের ফেসবুক পেজ এর সঙ্গে থেকো। খুব ভালো থাকবে এই আশা রাখি।

This Article Is Written By – Kishore Majumder

The post অপরকে নিজের প্রতি আকৃষ্ট করার ৭টি টিপস appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/how-to-attract-people/feed/ 0