<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>মানসিক স্বাস্থ্য Archives - প্রেরণাজীবন</title>
	<atom:link href="https://preronajibon.com/tag/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://preronajibon.com/tag/মানসিক-স্বাস্থ্য/</link>
	<description>PreronaJibon</description>
	<lastBuildDate>Wed, 07 Jul 2021 11:59:05 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2018/12/cropped-Favicn-32x32.png</url>
	<title>মানসিক স্বাস্থ্য Archives - প্রেরণাজীবন</title>
	<link>https://preronajibon.com/tag/মানসিক-স্বাস্থ্য/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>ইম্পোস্টার সিনড্রোম কী ? আপনি এই সমস্যায় ভুগছেন না তো ?</title>
		<link>https://preronajibon.com/imposter-syndrome-solutions/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/imposter-syndrome-solutions/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 12 Oct 2020 18:12:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শরীর ও স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[bengali health tips]]></category>
		<category><![CDATA[health tips bengali]]></category>
		<category><![CDATA[Imposter Syndrome Bengali]]></category>
		<category><![CDATA[ইম্পোস্টার সিনড্রোম]]></category>
		<category><![CDATA[মানসিক স্বাস্থ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=1744</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 4</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>ইম্পোস্টার সিনড্রোম কী ? আপনি এই সমস্যায় ভুগছেন না তো ? আপনি কি আপনার পাওয়া সব অর্জনগুলোকে সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখছেন</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/imposter-syndrome-solutions/">ইম্পোস্টার সিনড্রোম কী ? আপনি এই সমস্যায় ভুগছেন না তো ?</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 4</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p class="has-text-align-center has-medium-font-size"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">ইম্পোস্টার সিনড্রোম কী ? আপনি এই সমস্যায় ভুগছেন না তো ?</span></strong></p>



<p>আপনি কি আপনার পাওয়া সব অর্জনগুলোকে সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখছেন এবং নিজেকে ঐ সব অর্জনের জন্য অযোগ্য বলে মনে করছেন ? আপনার অর্জনের পেছনে আপনার পরিশ্রম , আপনার মেধাকে বড় করে না দেখে আপনি কি সর্বদা ভাগ্যেরই জয়গান গাইতে থাকেন, আর এই কারণেই নিজেকে একজন প্রতারক বা ছলনাকারী বলে মনে হয় আপনার ? আপনার কি সর্বদা মনে হয় কেউ আপনার মুখোশ টা খুলে দেবে , আপনার আসল পরিচয় টা সকলের সামনে বের করে আনবে ? যদি সর্বদা এই অনুভূতিগুলি আপনাকে ঘিরে রাখে, তাহলে আশঙ্কা রয়েছে আপনি ইম্পোস্টার সিনড্রোম এর মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন।</p>



<h2 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">ইম্পোস্টার সিনড্রোম কী ?</span></strong></h2>



<p><strong>ইম্পোস্টার</strong> (<strong>Imposter</strong>) মানে হল <strong>ছদ্মবেশী, ভন্ড ও প্রতারক</strong>। আর <strong>সিনড্রোম</strong> (<strong>Syndrome</strong>) মানে হল লক্ষণ। অর্থাৎ ইম্পোস্টার সিনড্রোম হল এমন এক ধরণের মানসিক অবস্থা যেখানে মানুষ তার নিজের অর্জন , সাফল্য, যোগ্যতা ও খ্যাতিকে সন্দেহের চোখে দেখে এবং নিজেকে অযোগ্য বলে মনে করে। এবং তার মনে হতে থাকে নিছকই ভাগ্যগুনে সে এখানে অবস্থান করছে। এবং সে যে যোগ্য নয় এই বিষয়টি সকলের সামনে ক্রমশ প্রকাশ পেয়ে যাচ্ছে বা যাবে। এই মানসিক অবস্থার নাম <strong>ইম্পোস্টার সিনড্রোম</strong>।</p>



<p>১৯৭৮ সালে <strong>Dr. Pauline R. Clance</strong> এবং <strong>Dr. Suzanne A. Imes</strong> তাঁদের প্রবন্ধে <strong>(The Impostor Phenomenon in High Achieving Women: Dynamics and Therapeutic Intervention)</strong></p>



<p><strong>ইম্পোস্টার সিনড্রোম</strong> নিয়ে সর্বপ্রথম আলোচনা করেন। তাঁরা বলেন, অনেক সাফল্য পাওয়া নারীদের মধ্যে এটি দেখা যায়। তাঁরা মূলত সেসব নারীদের নিয়েই গবেষণা করেন।</p>



<p>পরে অবশ্য, বিভিন্ন রিসার্চ থেকে জানা যায় যে, শুধুমাত্র নারী না, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে এই ইম্পোস্টার সিনড্রোমের মধ্যে দিয়ে যায়।</p>



<p>&#8220;দ্য সিক্রেট থটস অব সাক্সেসফুল উইমেন&#8217; বইয়ের লেখক ভ্যালেরি ইয়াং একজন ইম্পোস্টার সিনড্রোম বিশেষজ্ঞ। ইম্পোস্টার সিনড্রোমে আক্রান্ত ব্যক্তিদের আচরণে কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য তিনি খুঁজে পেয়েছেন:</p>



<p><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">১.পারফেকশনিস্ট : (The Perfectionist)</span></strong></p>



<p>পারফেকশনিস্ট মানুষজন তাদের কাজেকর্মে সবকিছুতেই নিঁখুত হতে চেষ্টা করেন। ৯৯% শতাংশ সফল হলেও তারা নিজেকে ব্যর্থ মনে করেন। এবং নিজেদের দোষারোপ করে তাদের কর্মদক্ষতা সম্পর্কে সন্দিহান প্রকাশ করতে থাকেন। কারণ ১০০% পারফেকশন না থাকলে সেই সাফল্যকে তারা সাফল্য হিসেবে মানতে চান না।</p>



<p><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">২.সহজাত প্রতিভাবান(The Natural Genius ) :</span></strong></p>



<p>কিছু মানুষ আছে যারা জন্ম থেকেই প্রতিভাবান। এমন ন্যাচারালি জিনিয়াস মানুষজনের মধ্যে মাঝে মাঝে একটা ধারণা জন্মায় যে, কোনো কাজ তারা একবারের চেষ্টাতেই পারবেন। কোনো কাজে তাদের বেশি পরিশ্রম দিতে হবে না। কিন্তু কোনো কাজে তারা যদি সেটা করতে না পারেন বা অন্য কথায়, যদি তারা কোনও কিছু আয়ত্ত করতে দীর্ঘ সময় নেয় তবে তারা লজ্জা বোধ করেন । তাহলে তাদের মধ্যে ইম্পোস্টার সিনড্রোম দেখা দেয়।</p>



<p><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৩. সুপারম্যান বা সুপারওম্যান: ( The Superman/Superwoman)</span></strong></p>



<p>এই টাইপের ব্যক্তিরা নিজেদেরকে জীবনের সকল ক্ষেত্রেই সফল দেখতে বদ্ধপরিকর। আশেপাশের মানুষদের থেকে তারা সর্বদা একধাপ বেশি পরিশ্রম করতে চান শুধু এ কারণে যে তাদেরকে প্রমাণ করতেই হবে, তারা অযোগ্য নন। একজন ইম্পোস্টার নই আমি- শুধু এ ধারণাটি প্রতীয়মান করার জন্য তারা সবসময় নিজেদের উপর চাপ তৈরি করতে থাকেন।</p>



<p><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৪. The Soloist: (একাকী মননের ব্যক্তি)</span></strong></p>



<p>&#8220;আমার কারো সাহায্যের দরকার নেই আমি সব নিজেই করতে পারবো।&#8221;এই ধরণের স্বাধীনচিন্তা থাকা ভালো। পরনির্ভর না হয়ে নিজের প্রতি দায়িত্ব নেওয়া। কিন্তু যদি কেউ সর্বদা অন্যের সাহায্যকে প্রত্যাখ্যান করে সর্বদা একলা চলো নীতিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ থাকেন এইভেবে যে, কারো কাছে সাহায্য চাইলে তাকে অন্যেরা প্রতারক বা ব্যর্থ মনে করতে পারে। এই ভয়ে সে নিজেকে সাহায্য চাওয়া থেকে বঞ্চিত রাখেন তবে বিষয়টি ইম্পোস্টার সিনড্রোম এর ইঙ্গিত দেয়।</p>



<p><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৫.বিশেষজ্ঞ (The Expert) :</span></strong></p>



<p>বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিরা যেকোনো কাজে হাত দেওয়ার আগে সে সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করে থাকেন। আর তারা মনে করেন একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে তাদের সকল তথ্য ও জ্ঞান অর্জন করতেই হবে। কর্মক্ষেত্রে বা কোনো মিটিং চলাকালীন তারা কোনো রকম প্রশ্ন করেন না। কারণ তাদের ভেতর ভয় কাজ করে, তারা ভাবে যদি ঐ প্রশ্ন তাকে অন্যদের সামনে অপ্রস্তুত অবস্থায় ফেলে দেয় বা সবাই তাকে বোকা মনে করেন</p>



<p>গবেষণায় জানা যায় ৭০শতাংশ মানুষ কোনো না কোনো সময় ইম্পোস্টার সিনড্রোম এ ভোগেন। বিভিন্ন ক্ষেত্রে বা নানান পেশার মানুষ যেমন মায়া অ্যাঞ্জেলো, মিশেল ওবামা ,অস্কার জয়ী অভিনেতা টম হাংকস<br>বা পেনেলোপ এই বিখ্যাত মানুষগুলোও এই ইম্পোস্টার সিনড্রোম এ ভুগেছেন।</p>



<p>মায়া অ্যাঞ্জেলো, পুরষ্কার প্রাপ্ত লেখক একবার তার ১১ তম বই প্রকাশের পরে বলেছিলেন যে প্রতিবার তিনি অন্য একটি লেখার জন্য নিজেকে ভাববেন: &#8220;আহ-ওহ, তারা এখন উপলব্ধি করবে। আমি প্রত্যেকের উপর একটি খেলা চালিয়েছি ।&#8221;</p>



<p>টম হাংকস এক রেডিও সাক্ষাতকারে বলেছেন-<br>&#8220;আমি কী করেছি সেটা বিষয় নয়। বিষয়টা হলো কিভাবে এখানে এলাম। যখন মনে হয় আসলে আমি একজন প্রতারক এবং এটিই সব কিছু নিয়ে যায় আমার কাছ থেকে।&#8221;</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">ইম্পোস্টার সিনড্রোম কাটিয়ে ওঠার কয়েকটি উপায় :</span></strong></h3>



<p>১. নিজের প্রতি সহানুভূতিশীল হন। আপনি একা নন। আপনার অনুভুতিগুলো প্রিয়জনদের সাথে শেয়ার করুন। আমাদের মধ্যে অনেকেই এই সমস্যার সম্মুখীন।</p>



<p>২.নিজের কাজকে নিজে স্বীকৃতি দিন। তাহলে নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস বাড়বে।</p>



<p>৩.নিজের অর্জন ও যোগ্যতার একটি তালিকা তৈরি করুন। ভাগ্যই আপনার সব অর্জনের মূলে কিন্তু যখন কাগজে আপনার অর্জন গুলি লিখবেন তখন মনে হবে এ চিন্তা হাস্যকর।</p>



<p>৪.যারা পারফেকশনিস্ট তাদের একটা ভালো দিক হল যে, তারা কোনো কাজ অতি যত্ন সহকারে করতে চান এবং নিখুঁত করে তুলতে নিয়মিত পরিশ্রম করেন । কিন্তু তাদের মনে রাখতে হবে যে , এই কাজের জন্য একেবারে যন্ত্রের মতো অমানবিক ভাবে খাটলে চলবে না । রুটিনের বাঁধা ধরা নিয়মের বাইরে একটু রিলাক্স ভাবে কাজ করবে হবে । আর কাজে কোনো ভুল হলে নিজেকে ক্ষমা করতে হবে ।</p>



<p>৫. সাফল্যের সঙ্গে ব্যর্থতাকেও মেনে নিতে শিখুন । কারণ সাফল্যের সিঁড়িই হল ব্যর্থতা ।</p>



<p>৬. নিজেকে নিজে মূল্যায়ণের আগে অন্যের ফিডব্যাক গ্রহণ করুন । কারণ অন্যের চোখে দেখা নিজেকে বেশি বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় ।</p>



<p>৭. সকলেই আলাদা আলাদা ক্ষমতা সম্পন্ন । তাই অন্যের সঙ্গে তুলনা না করে নিজের পূর্বের কাজের সঙ্গে বর্তমান কাজের দক্ষতার তুলনা করুন ।</p>



<p>সর্বশেষে একটি কথা মনে রাখবেন , আপনার জীবনের একটি মহান উদ্যেশ্য রয়েছে । আপনার জীবনে আপনিই সেরা । আর আপনি নিজেকে যতটা ভাবেন , তার চেয়েও বেশি ক্ষমতা আপনার আছে । নিজেকে আপনি যতটুকু স্মার্ট মনে করেন , তার চেয়ে অনেক বেশি স্মার্ট আপনি । আর যতটুকু কৃতিত্ব নিজেকে দিয়ে থাকেন তার চেয়ে অনেকগুন বেশি কৃতিত্ব ধারণের অধিকার আপনার রয়েছে । তাই এই কথাগুলো আপনি নিজেকে বারবার স্মরণ করিয়ে দিতে ভুলবেন না । মনে রাখবেন আপনার চেয়ে আপন কেউ নেই আপনার , যে আপনাকে উজ্জীবিত করে তুলতে পারে।</p>



<p>আশা করি ইম্পোস্টের সিনড্রোম নিয়ে আমাদের লেখাটি আপনাদের ভালো লাগবে। ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করো। এই ধরনের লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের <a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজটিতে</a> যুক্ত থাকো।</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/imposter-syndrome-solutions/">ইম্পোস্টার সিনড্রোম কী ? আপনি এই সমস্যায় ভুগছেন না তো ?</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/imposter-syndrome-solutions/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মানসিক স্বাস্থ্যের সংজ্ঞা, গুরুত্ব এবং তা ভালো রাখার কয়টি উপায়</title>
		<link>https://preronajibon.com/ways-to-improve-mental-health/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/ways-to-improve-mental-health/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 23 Feb 2020 13:52:49 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শরীর ও স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[bengali health tips]]></category>
		<category><![CDATA[health tips bangla]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলা হেল্থ টিপস]]></category>
		<category><![CDATA[মানসিক স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার উপায়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=1182</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 4</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>মানসিক স্বাস্থ্য কি ? :- মানসিক স্বাস্থ্য কী তা বুঝতে হলে আমাদের জানতে হবে স্বাস্থ্য কী ? বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/ways-to-improve-mental-health/">মানসিক স্বাস্থ্যের সংজ্ঞা, গুরুত্ব এবং তা ভালো রাখার কয়টি উপায়</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 4</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<h3 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading"><em>মানসিক স্বাস্থ্য কি ? :-</em></h3>



<p><strong>মানসিক স্বাস্থ্য</strong> কী তা বুঝতে হলে আমাদের জানতে হবে স্বাস্থ্য কী ? <strong>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা</strong> বা <strong>WHO</strong> এর মতে স্বাস্থ্য হল ব্যক্তির শারীরিক , মানসিক এবং সামাজিক এই তিন অবস্থার একটি সুস্থ সমন্বয়। সুতরাং আমরা বলতে পারি ,একজন মানুষের স্বাস্থ্য হল রোগবালাই মুক্ত সুস্থ শরীর ও সেই সঙ্গে ভয় ,হতাশা ,বিষন্নতা ,মানসিক চাপ থেকে মুক্ত মন এবং সমাজের নানাবিধ চ্যালেঞ্জকে গ্রহণ করতে সক্ষম মন। অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে , স্বাস্থ্যের অন্যতম উপাদান হল মনের সুস্থতা বা মানসিক স্বাস্থ্য। মানুষের চিন্তা ,আবেগ ও আচরণ এই তিন মিলেই হল মানসিক স্বাস্থ্য। এককথায় মানসিক স্বাস্থ্য বলতে বোঝায়</p>



<p class="has-text-align-center has-vivid-purple-color has-text-color"> &#8220;<strong> <em>Full and harmonious functioning of whole personality</em></strong> &#8220;.</p>



<p>আমাদের প্রত্যেককেই কোনো না কোনো সময়ে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হতে হয় তা সে কর্মজীবনে হোক বা ব্যক্তিগত জীবনে। অনেক সময় চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হতে গিয়ে আমাদের মানসিক অবসাদ , বিষন্নতার শিকার হতে হয়। আমরা যখন দেখি আমাদের স্বাভাবিক কাজগুলি ব্যাহত হচ্ছে তখনি মানসিক অসুস্থতার প্রশ্নটি সামনে আসে। দেখা যায় যে ,আমরা শারীরিক স্বাস্থ্য নিয়ে যতটা সচেতন, মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে ততটা সচেতনতা দেখাই না। কিন্তু মানসিক স্বাস্থ্য খারাপ থাকলে তা শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর ভীষণ ভাবে প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ শারীরিক স্বাস্থ্য এবং মানসিক স্বাস্থ্য ওতপ্রোত ভাবে জড়িত। </p>



<p><strong>WHO</strong> এর তথ্য থেকে জানা যায় যে প্রায় <strong>৭.৫%</strong> ভারতীয় কোনো না কোনো প্রকার মানসিক সমস্যার শিকার। এদেশে আক্রান্তের পরিমান বিশ্বের মোট আক্রান্তের প্রায় <strong>১৫%</strong>, আরও চিন্তার বিষয় হলো <strong>WHO</strong> এর মতে সঠিক ব্যবস্থা না নিলে আগামী দিনগুলিতে আরও বেশি মানুষ এই মানসিক অবসাদের শিকার হবে। কিন্তু বর্তমানের এই উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থায় কি এর সুরাহা সম্ভব নয় ? যদিও এই সমস্যার সমাধানে চিকিৎসকরা সাহায্য করতেই পারেন, কিন্তু আমাদের দেশে এই বিপুল জনসংখ্যার জন্য রয়েছে মাত্র <strong>৪০০০ থেকে ৪৫০০</strong> সাইক্রাটিস্ট। </p>



<p>মানসিক সমস্যার রূপ গুলি নানা প্রকার। যেমন &#8211; <strong>অবসাদ</strong> , <strong>মানসিক উদ্বিগ্নতা</strong> ,এছাড়াও রয়েছে <strong>স্কিৎজোফ্রেনিয়া</strong> এবং <strong>বাইপোলার সমস্যা</strong>। </p>



<h5 class="has-text-align-center wp-block-heading"><mark><em><strong>মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব :-</strong></em></mark></h5>



<p>সুস্থ ও সুন্দর জীবনের জন্য শরীরকে সুস্থ রাখা যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমনি গুরুত্বপূর্ণ হল মনকে সুস্থ রাখা। ব্যক্তির মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকলে সে &#8211; </p>



<p><strong>ক)</strong> দৈনন্দিন কাজকর্ম সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন করতে পারে। <br> <strong>খ )</strong> বিভিন্ন ধরণের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে পারে।  <br> <strong>গ )</strong> পরিবার ও সমাজের সঙ্গে সঙ্গতি বিধান করে চলতে পারে। স্বাভাবিক ও সুষ্ঠ অভিযোজনে সক্ষম হয়। <br> <strong>ঘ ) </strong>বিভিন্ন বিষয়ে দ্রুত ও সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে। <br> <strong>ঙ )</strong> আরও উৎপাদনশীল হয়ে ওঠে এবং নিজের ও সমাজের উন্নয়নে আরও বেশি ভূমিকা রাখতে পারে।   </p>



<p class="has-text-align-center has-medium-font-size"><strong>-: মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার উপায় :-  </strong></p>



<p>মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে আমরা যা যা করতে পারি &#8211; </p>



<p class="has-vivid-red-color has-text-color has-medium-font-size"><em><strong>১ ) নিজের যত্ন নাও :- </strong></em></p>



<p>মানসিক সুস্থতা ও সুস্থ ভাবাবেগ পেতে নিজের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। অবদমিত আবেগ প্রকাশের ফলে মানসিক চাপ ও জটিলতা কমে যায়। নিজের জন্য কিছুটা সময় আলাদা রাখো , নিজের মনের কথা শোনো ,বই পড়ো গান শোনো। অতীত ও ভবিষ্যৎ ভুলে বর্তমানে থাকার চেষ্টা করো। </p>



<p class="has-vivid-red-color has-text-color has-medium-font-size"><em><strong>২ ) পুষ্টিকর খাদ্যগ্রহণ :-</strong></em></p>



<p> বিভিন্ন গবেষণায় বিজ্ঞানীরা এটাই দেখেছেন যে সুষম ও পুষ্টিকর খাবার কেবল আমাদের শরীরকেই নয় , মনকেও ভালো রাখে। অন্যদিকে অস্বাস্থ্যকর ফ্যাটি খাবার আমাদের বিষন্নতার জন্য মারাত্মক দায়ী।<strong> ভিটামিন</strong> <strong>বি -১২</strong>, <strong>ওমেগা -৩</strong> <strong>ফ্যাটি অ্যাসিড</strong> সমৃদ্ধ খাবার আমাদের মস্তিষ্কের আবেগ নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনগুলোকে চাঙ্গা রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া তাজা ফলমূল ও সবজি একটা বড় ভূমিকা রাখে আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যে।পুষ্টিকর খাবার নিয়মিত খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ফলে শারীরিক ও মানসিক উভয় স্বাস্থ্যই সুস্থ থাকে। </p>



<p class="has-vivid-red-color has-text-color has-medium-font-size"><em><strong>৩) পর্যাপ্ত ঘুম :- </strong></em></p>



<p class="has-normal-font-size">শরীর সুস্থ রাখতে যেমন পর্যাপ্ত ঘুমের বিকল্প নেই তেমনই মনকে সুস্থ রাখতেও ঘুমের কোন বিকল্প নেই। কারণ পর্যাপ্ত ঘুমের  অভাবে আমাদের মেজাজ খিটখিটে হয়ে ওঠে ফলে আমরা ক্লান্তিবোধ করি , কমে যায় কর্মস্পৃহাও। ঘুমের সময় আমাদের শরীর ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলি সারিয়ে তোলে আমাদের মন ও মেজাজকে চাঙ্গা রাখে। তাই মানসিক স্বাস্থ্য সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত বিশ্রাম জরুরি। </p>



<p class="has-text-align-center has-vivid-red-color has-luminous-vivid-amber-background-color has-text-color has-background"><strong>জেনে নিন : <a href="https://preronajibon.com/insomnia-can-cause-these-eight-dangerous-problems/">ঠিকমতো ঘুম না হলে যে ৮ টি মারত্মক সমস্যা হতে পারে</a></strong></p>



<p class="has-vivid-red-color has-text-color has-medium-font-size"><em><strong>৪) নিয়মিত ব্যায়াম :- </strong></em></p>



<p>মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য শারীরিক ব্যায়াম খুবই জরুরি। স্ট্রেস ও বিষন্নতা কাটাতে ব্যায়াম ভীষণ কাজে আসে। ব্যায়ামের ফলে শরীরে স্ফূর্তি আসে , ক্লান্তি ও মানসিক চাপ হ্রাস পায়। তাই মনকে চাঙ্গা রাখতে নিয়মিত ব্যায়াম করার অভ্যেস গড়ে তোলো। </p>



<p class="has-vivid-red-color has-text-color has-medium-font-size"><em><strong>৫) শখের কাজ করো :- </strong></em></p>



<p>নিজের শখের কাজগুলি করতে পারলে মন ভালো থাকে, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়। দুশ্চিন্তা মাথায় আসে না এবং অবদমিত আবেগগুলিও প্রকাশ পায়। যেমন &#8211; বাগান করা , রান্না কিংবা সেলাই করা, নতুন কোনো কিছু শেখা ইত্যাদি। ফলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। </p>



<p class="has-text-align-center has-vivid-red-color has-luminous-vivid-amber-background-color has-text-color has-background"><strong>জেনে নিন : <a href="https://preronajibon.com/5-ways-to-instantly-release-tension/">টেনশন থেকে মুক্তির ৫ টি উপায় </a></strong></p>



<p class="has-vivid-red-color has-text-color has-medium-font-size"><em><strong>৬) নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখো:- </strong></em></p>



<p> নিজের দুর্বলতাগুলো মেনে নিয়ে নিজের ক্ষমতার ওপর বিশ্বাস রাখলে জীবনে এগিয়ে চলার সাহস পাওয়া যায়। আমরা কেউই  নিখুঁত নই। অন্যের সাথে নিজের তুলনা করে নিজের দুর্বলতাগুলো নিয়ে চিন্তা করা বোকামির কাজ। এতে করে হীনমন্যতা ,হতাশা ,বিষন্নতা বৃদ্ধি পায়। তার থেকে নিজের দুর্বলতাগুলো মেনে নিয়ে কিংবা তা দূর করার প্রয়াস করলে নিজের প্রতি বিশ্বাস বাড়বে। </p>



<p></p>



<p class="has-vivid-red-color has-text-color has-medium-font-size"><em><strong>৭) কৃতজ্ঞ থাকা :-</strong></em></p>



<p> সারাদিন কি কি পেয়েছো তার একটা লিস্ট বানাও তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করো। যা পাও নি তা নিয়ে কষ্ট পেও না, যতটুকু পেয়েছো তাতে খুশি থাকার চেষ্টা করো এতে করে মনের ভেতর ইতিবাচকতা জন্ম নেবে।  </p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter size-large"><img fetchpriority="high" decoding="async" width="758" height="508" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2020/02/Spend-Time-Family.jpg" alt="মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার উপায়" class="wp-image-1186" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2020/02/Spend-Time-Family.jpg 758w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2020/02/Spend-Time-Family-300x201.jpg 300w" sizes="(max-width: 758px) 100vw, 758px" /></figure></div>



<p class="has-vivid-red-color has-text-color has-medium-font-size"><em><strong>৮) প্রিয়জনদের সঙ্গে বেশি করে সময় কাটাও :- </strong></em></p>



<p>প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটালে মন সুস্থ থাকে। নিজেকে ঘরবন্দি রাখলে হতাশা ও দুশ্চিন্তা বাড়তে থাকবে ফলে মানসিক সমস্যার দেখা দিতে পারে। বন্ধুবান্ধব ,পরিবারের সাথে মন খুলে মেশো। একটু হাসি একটু আলিঙ্গন মনকে সুস্থ করে তুলতে দারুন উপযোগী। </p>



<p class="has-vivid-red-color has-text-color has-medium-font-size"><em><strong>৯) সক্রিয় থাকো :- </strong></em></p>



<p>অলস হয়ে বসে থাকলে নানা দুশ্চিন্তা মাথায় ভিড় জমাতে থাকে।  তাই সবসময় কাজের মধ্যে থাকো তাহলে মন এমনিতেই ভালো থাকবে। </p>



<p class="has-vivid-red-color has-text-color has-medium-font-size"><em><strong>১০) ক্ষমা করো : &#8211; </strong></em></p>



<p>দীর্ঘদিন ধরে কারো প্রতি ক্ষোভ জমতে থাকলে মানসিক অসুস্থতার সূত্রপাত হতে পারে। তাই ক্ষমা করে দাও ক্ষমাই পারে মানসিক প্রশান্তি দান করতে। ক্ষমা করো সুস্থ থাকো। </p>



<p>এতক্ষন ধরে যে উপায়গুলো বলা হলো সেগুলো আমাদের হাতে রয়েছে যা অবলম্বন করে আমরা মানসিক ভাবে সুস্থ থাকতে পারি। । কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ মানসিক সমস্যা নিরাময় এর জন্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। শারীরিক ক্ষতি ভালো হলেও মানসিক ক্ষতি সহজে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয় না। আমাদের চারপাশে রোজ কিছু নৃশংস ঘটনা ঘটছে , যারা ভুক্তভোগী তাদের মধ্যে সাংঘাতিক মানসিক চাপ ,ভয় ,বিষন্নতা,হতাশাসহ নানা ধরণের মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। আমাদের উচিত তাদের পাশে থাকা ,তাদের হেয় চোখে না দেখে কিভাবে তারা পুরোপুরি সুস্থ জীবন পেতে পারে তার ব্যবস্থা করা।</p>



<p>আশাকরি মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার উপায় গুলি তোমাদের কাজে লাগবে আর এই ধরনের লেখার আপডেট পেতে নিচের বেল আইকনে ক্লিক করে আমাদের ওয়েবসাইটের সমস্ত নোটিফিকেশন নিজের মোবাইলে পেয়ে যাও। আমাদের সাথে যুক্ত থাকতে আমাদের <a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজটি</a> ফলো করো।</p>



<p class="has-text-align-center"><strong>This Article is Written By &#8211; Ferdousi Manjira (Founder of Preronajibon.com)</strong></p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/ways-to-improve-mental-health/">মানসিক স্বাস্থ্যের সংজ্ঞা, গুরুত্ব এবং তা ভালো রাখার কয়টি উপায়</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/ways-to-improve-mental-health/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>

<!--
Performance optimized by W3 Total Cache. Learn more: https://www.boldgrid.com/w3-total-cache/?utm_source=w3tc&utm_medium=footer_comment&utm_campaign=free_plugin

Page Caching using Disk: Enhanced 
Lazy Loading (feed)
Minified using Disk

Served from: preronajibon.com @ 2026-04-09 13:58:03 by W3 Total Cache
-->