<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>health tips bangla Archives - প্রেরণাজীবন</title>
	<atom:link href="https://preronajibon.com/tag/health-tips-bangla/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://preronajibon.com/tag/health-tips-bangla/</link>
	<description>PreronaJibon</description>
	<lastBuildDate>Sat, 13 Nov 2021 15:00:25 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2018/12/cropped-Favicn-32x32.png</url>
	<title>health tips bangla Archives - প্রেরণাজীবন</title>
	<link>https://preronajibon.com/tag/health-tips-bangla/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>রসুনের উপকারিতা কি কি । রসুন খাওয়ার সঠিক নিয়ম । Benefits of Garlic</title>
		<link>https://preronajibon.com/benefits-of-garlic/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/benefits-of-garlic/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 13 Nov 2021 14:48:54 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শরীর ও স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[bengali health tips]]></category>
		<category><![CDATA[health tips bangla]]></category>
		<category><![CDATA[কাঁচা রসুনের উপকারিতা]]></category>
		<category><![CDATA[রসুন খাওয়ার উপকারিতা]]></category>
		<category><![CDATA[রসুন খাওয়ার নিয়ম]]></category>
		<category><![CDATA[রসুনের উপকারিতা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=2307</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 6</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>রসুন আমাদের দৈনন্দিন খাবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। প্রতিদিনের রান্নায় কোনো না কোনো খাবারে রসুনের ব্যবহার থাকেই। কিন্তু রসুন শুধু রান্নার</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/benefits-of-garlic/">রসুনের উপকারিতা কি কি । রসুন খাওয়ার সঠিক নিয়ম । Benefits of Garlic</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 6</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p>রসুন আমাদের দৈনন্দিন খাবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। প্রতিদিনের রান্নায় কোনো না কোনো খাবারে রসুনের ব্যবহার থাকেই। কিন্তু রসুন শুধু রান্নার স্বাদই বাড়ায় না,পাশাপাশি বিভিন্ন রোগের দাওয়াই হিসেবেও কাজ করে। এই রসুনে রয়েছে থিয়ামিন, রিবোফ্লাবিন, নায়াসিন,প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড, ফোলেট ও সেলেনিয়াম। সেলেনিয়াম ক্যানসার প্রতিরোধে দারুণ কাজ করে। চোখ ভাল রাখা থেকে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ— নিয়মিত রসুন খেলে শরীরের বহু উপকার হয়।</p>



<p>খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ শতকে চিন ও ভারতে রক্ত পাতলা রাখার জন্য এর প্রচলন ছিল। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক হিপোক্রেটিস একে ব্যবহার করেছিলেন সারভাইকাল ক্যান্সারের চিকিৎসায়৷ লুই পাস্তুর এর অ্যান্টিফাংগাল ও অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল গুণের খবর জানান৷ সময়ের সঙ্গে আরও উপকারের কথা জানা গেছে৷ আধুনিক বিজ্ঞানীরা জানালেন হৃদরোগ প্রতিরোধে এর ভূমিকার কথা। ইউনিভার্সিটি অফ কানেটিকাটের স্কুল অফ মেডিসিন–এর কার্ডিওভাসকুলার রিসার্চ টিমের বিজ্ঞানীদের দাবি, কাঁচা রসুন খেলে হার্ট অনেক বেশি সুস্থ থাকে। রক্তচাপ বশে রাখতেও তার ভূমিকা আছে।</p>



<h2 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">কাঁচা রসুনের উপকারিতা :-</span></strong></h2>



<p>একটি গবেষণাধর্মী সংস্থার জার্নাল অফ এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড ফুড কেমিস্ট্রিতে প্রকাশিত প্রবন্ধে কাঁচা ও শুকনো রসুনের কার্যকরী ভূমিকা বিচার করেছেন বিজ্ঞানীরা। গবেষণাগারে বড় হওয়া দুটি দলের ইঁদুরের মধ্যে এক দলকে বেশ কিছু দিন ধরে খাওয়ানো হয় টাটকা কাঁচা রসুন, আরেক দলকে শুকনো রসুন। এরপর তাদের মধ্যে হালকা হার্ট অ্যাটাক সৃষ্টি করিয়ে তাঁরা দেখেন কোন গ্রুপের ইঁদুর কীভাবে সামলাচ্ছে এর ধাক্কা। হার্ট অ্যাটাকের ফলে অক্সিজেনের অভাবে হার্টের পেশির যে ক্ষতি হয়েছে, দু–দল ইঁদুরই তা সামলেছে প্রায় একই রকম দক্ষতায়। তবে যাঁরা কাঁচা রসুন খেয়েছিল, এই বিপর্যয়ের পরও তাদের হার্টের মূল ধমনি দিয়ে রক্ত সঞ্চালন বেশি ভালোভাবে হয়েছে ও হার্টের মধ্যে এমন কিছু পরিবর্তন ঘটেছিল যাতে চট করে রোগের ধকল সামলে উঠেছে তারা। হিউম্যান ট্রায়াল না হলেও মোটামুটি নিশ্চিত করে বলা যায়, কাঁচা রসুনের যত উপকার, রান্না করার পর সেই গুন ততটা রক্ষিত হয় না ।</p>



<p>রসুনের অসামান্য ভেষজ গুনের কথা ইতিহাসে পাওয়া যায়। ভেষজ গুণের জন্য কাঁচা রসুন বেশি উপকারী। অ্যালিসিন নামক সালফারযুক্ত জৈব যৌগ রসুন এর প্রধান সক্রিয় উপাদান । অ্যালিসিন রসুনের গন্ধ ও বিখ্যাত ভেষজ গুণ দুইয়ের প্রধান কারণ। অ্যালিসিন দেহে কোলেস্টেরল তৈরির উৎসেচক এইচএমজিকোএ রিডাক্টেজ কে বাধা দেয় বলে জানা গিয়েছে। রসুনকে কাটলে অ্যালিনেজ নামে একটি উৎসেচক অ্যালিইন থেকে অ্যালিসিন তৈরি করে। অ্যালিসিন খুবই স্বল্পস্থায়ী। রান্না করলে বা অ্যাসিডের প্রভাবে অ্যালিনেজও নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। তাই রসুন কাটা বা বাটার পর সঙ্গে সঙ্গে খেয়ে না নিলে সে আস্তে আস্তে উবে যায়। কাঁচা রসুনে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টের মাত্রাও বেশি থাকে। পুষ্টিবিদদের মতে,পূর্ণবয়স্কদের ক্ষেত্রে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে দুই কোয়া কাঁচা রসুন খেলে রক্ত সঞ্চালনক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, যার দরুণ রক্ত বাধাগ্রস্ত হয়ে যেসব রোগের সৃষ্টি করে, তা আর হতে পারে না। যৌবন ধরে রাখার ক্ষেত্রে তাই কাঁচা রসুন অতুলনীয়।</p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter size-full"><img fetchpriority="high" decoding="async" width="500" height="500" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/11/Benefits-of-Raw-Garlic.jpg" alt="রসুনের উপকারিতা" class="wp-image-2309" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/11/Benefits-of-Raw-Garlic.jpg 500w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/11/Benefits-of-Raw-Garlic-300x300.jpg 300w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/11/Benefits-of-Raw-Garlic-150x150.jpg 150w" sizes="(max-width: 500px) 100vw, 500px" /></figure></div>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">সেক্সে রসুনের উপকারিতা :-</span></strong></h3>



<p>জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হল শরীরী সম্পর্ক । এই যৌনস্বাস্থ্য ঠিক রাখতে বা যৌবন ধরে রাখতে রসুনের সেবন করা জরুরি। পুরুষের যৌন অক্ষমতার ক্ষেত্রে রসুন খুব ভালো ফল দিয়ে থাকে। রসুনকে &#8216;গরীবের পেনিসিলিন&#8217; বলা হয়। কারণ এটি অ্যান্টিসেপ্টিক হিসাবে কাজ করে আর এটি অতি সহজলভ্য সবজি যা আমারা প্রায় প্রতিনিয়ত খাদ্য হিসাবে গ্রহন করে থকি। আপনার যৌন ইচ্ছা ফিরে আনার ক্ষেত্রে এর ব্যবহার খুবই কার্যকরী। কোন রোগের কারণে বা দুর্ঘটনায় আপনার যৌন ইচ্ছা কমে গেলে এটি আপনাকে তা পুনরায় ফিরে পেতে সাহায্য করবে বলেই বিশ্বাস ।</p>



<p>পুরুষরা যদি কোনও ধরণের যৌন সমস্যায় পড়েন তবে রসুন সেবন করা উচিত। এটি যৌন দুর্বলতা দূর করবে। রসুনকে একটি উত্তেজক মশলা হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এটি যৌন ইচ্ছা এবং স্ট্যামিনা বাড়ায়। আপনি যদি যৌন মিলনের সময় উত্তেজনা, শক্তির অভাব বোধ করে থাকেন তবে আপনার ডায়েটে নিয়মিত রসুন অন্তর্ভুক্ত করুন। রসুন খেলে যৌনাঙ্গে সঠিক রক্ত ​​সঞ্চালন হয়। এটি প্রজনন অঙ্গগুলির স্বাস্থ্যও বজায় রাখে ।</p>



<p>এছাড়া যদি কোন ব্যক্তির যৌন ইচ্ছা খুব বেশি হয় বা তা মাত্রাতিরিক্ত হয় যার অত্যধিক প্রয়োগ তার নার্ভাস সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে এরকম ক্ষেত্রে ও রসুন বেশ কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারে ।</p>



<p>রসুন নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি রিপোর্টে বোঝা যায় রসুন যৌন সক্ষমতা তৈরিতে কত বেশি কার্যকরী। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, প্রতি মিলিলিটার শুক্রাণুতে ২০ মিলিয়নের কম স্পার্ম থাকলে যেকোনো পুরুষ অনুর্বর হতে পারেন। বাজে খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান, অ্যালকোহল, অনিয়ন্ত্রিত জীবন, ব্যায়ামে অনীহা প্রভৃতি কারণে দিন দিন অনুর্বরতা বাড়ছে। এক্ষেত্রে বিশেষ সহায়ক মসলা রসুন। কেননা সুস্থ Semen (বীর্য) তৈরিতে রসুনের জুড়ি মেলা ভার। Semen ঘন ও বেশি পরিমাণ উৎপাদনের জন্য নিয়মিত রসুন খাওয়া উচিত।</p>



<p class="has-text-align-center"><strong>জেনে নিন : <a href="https://preronajibon.com/benefits-of-dargon-fruit/">ড্রাগন ফল কী ? ড্রাগন ফলের উপকারিতা</a></strong></p>



<h3 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading"><strong>রসুন কখন কীভাবে খাবেন ?</strong></h3>



<ul class="wp-block-list"><li>প্রতিদিন নিয়ম করে কয়েক কোয়া কাঁচা রসুন খেলে শরীরের যৌবন দীর্ঘস্থায়ী হয়।</li><li>সকালে খালি পেটে ১-২ কোয়া কাঁচা রসুন চিবিয়ে খেতে পারেন, এতে অবশ্য কিছুটা খেতে অস্বস্তি হলেও কাঁচা চিবিয়ে খেলে ভালো ফল পাওয়া যায়।</li><li>যারা পড়ন্ত যৌবনে চলে গিয়েছেন, তারা প্রতিদিন দু&#8217;কোয়া রসুন খাঁটি গাওয়া ঘি-এ ভেজে মাখন মাখিয়ে খেতে পারেন। তবে খাওয়ার শেষে একটু গরম জল বা দুধ খাওয়া উচিত। এতে ভালো ফল পাবেন।</li><li>যৌবন রক্ষার জন্য রসুন অন্যভাবেও খাওয়া যায়। কাঁচা আমলকির রস ২ বা ১ চামচ নিয়ে তার সঙ্গে এক বা দুই কোয়া রসুন বাটা খাওয়া যায়। এতে স্ত্রী-পুরুষ উভয়ের যৌবন দীর্ঘস্থায়ী হয়।</li></ul>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">ব্রণে রসুনের উপকারিতা :-</span></strong></h3>



<p>মূলত বয়ঃসন্ধিকালীন একটি সমস্যা। তবে বিভিন্ন বয়সে নারী ও পুরুষদের ব্রণের সমস্যা দেখা যেতে পারে। রসুনে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট,অ্যান্টিফাঙ্গাল ,এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমাটরি উপাদান। ব্রণের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া দূর করে এসব উপাদান। এছাড়াও রসুনে থাকা ভিটামিন বি৬,সি,সিলিয়াম,কপার ও জিঙ্ক ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে। এর জন্য কাঁচা রসুনের একটা কোয়া চিবিয়ে খেতে পারলে ভালো।</p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter size-full"><img decoding="async" width="500" height="500" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/11/Garlic-Benefits-Skin.jpg" alt="" class="wp-image-2310" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/11/Garlic-Benefits-Skin.jpg 500w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/11/Garlic-Benefits-Skin-300x300.jpg 300w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/11/Garlic-Benefits-Skin-150x150.jpg 150w" sizes="(max-width: 500px) 100vw, 500px" /></figure></div>



<p class="has-medium-font-size"><strong>সর্তকতা:-</strong></p>



<p>কিন্তু হাইপার-সেন্সিটিভ স্কিনের জন্য এটা খুবই ভয়ংকর সাইড-ইফেক্ট এর কারণ হতে পারে। রসুনে আছে অ্যালিসিন (Allicin) যা অসাবধানতার কারণেই ত্বকে সরাসরি লাগালে চামড়া পুড়ে ফোস্কা পড়ে যেতে পারে। আসলে একেক জনের স্কিনের ভাব একেক রকম। কারো স্কিন খুব সহনশীল, কোনোরকম এক্সপেরিমেন্ট করলেও বিশেষ কিছু ক্ষতি হয় না । আবার কারো স্কিন আবার খুবই সেনসিটিভ। একটু উনিশ-বিশ হলেই ব্রণ উঠে এবং দাগ বসে যায়। খুব বেশি সেনসিটিভ স্কিনে তাই কোন এক্সপেরিমেন্ট না করাই ভালো। খুব বেশি সমস্যা দেখা দিলে স্কিন বিশেষজ্ঞের কাছে পরামর্শ নিতে হবে।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">চুলের জন্য রসুনের উপকারিতা :- </span></strong></h3>



<p>শরীরে পুষ্টি জোগানোর পাশাপাশি রসুন ত্বকের জন্যও বেশ উপকারী। রসুন যেমন চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, তেমনই অতিরিক্ত চুল পড়াও নিয়ন্ত্রণ করে । <br>বিশেষজ্ঞদের মতে চুলের যত্নেও রসুনে রয়েছে কার্যকরী গুণ। রসুনে থাকা জিঙ্ক এবং কপার মাথার তালুর রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে খুশকির সমস্যাও দূর করতে সহায়তা করে। চুল পড়া প্রতিরোধে রসুন অনেকটা ম্যাজিকের মতো কাজ করে। এটি শুধু চুল পড়াই প্রতিরোধ করে না; সেইসঙ্গে মাথার ত্বকের ইনফেকশন ও খুশকি দূর করতেও সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, বিশেষজ্ঞদের মতে রসুন নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে। তাদের মতে, তেলের মতো করে চুলে ও মাথার ত্বকে রসুনের রস লাগালে অনেক দ্রুত নতুন চুল গজায়। রসুনের রসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ এলিসিন যা রক্তে হিমোগ্লোবিন সঞ্চালন বাড়িয়ে দিয়ে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। তবে সেনসিটিভ স্কিনের ক্ষেত্রে এটার ব্যবহার না করাই ভালো। সেক্ষেত্রে হেয়ার স্পেশালিস্ট কিংবা স্কিন স্পেশালিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">রসুনের আচার :- </span></strong></h3>



<p>রসুন আয়ুর্বেদে রজনা নামে পরিচিত। রসুন পেটের সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়। বিভিন্ন রকমের আচারের মধ্যে রসুনের আচার অন্যতম। রসুনের আচার শুধু স্বাদের জন্য নয়, স্বাস্থের জন্যেও বেশ উপকারি। রসুন আমাদের শরীরে প্রাকৃতিক আ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে। কাঁচা রসুন শরীরের জন্য বেশি উপকারী ,তবে অনেকেই কাঁচা রসুন খেতে পারেন না। এজন্য চাইলেই কিন্তু আপনারা আস্ত রসুনের আচার তৈরি করে খেতে পারেন। রসুন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ভাইরাল এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ।</p>



<p class="has-text-align-center"><strong>জেনে নিন : <a href="https://preronajibon.com/benefits-of-honey/">মধু খাওয়ার উপকারিতা</a></strong></p>



<h3 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading"><strong>রসুন খাওয়ার নিয়ম :-</strong></h3>



<p>১. সকালে খালি পেটে রসুন কাঁচা খেতে পারেন যা সবচেয়ে বেশি উপকারী।</p>



<p>২. সেদ্ধ করেও রসুন খেতে পারেন। এটিও উপকারী।</p>



<p>৩.আপনি জলে ভিজিয়ে রেখে রসুনের জল খেতে পারেন এটিও পরীক্ষিত পদ্ধতি।</p>



<p>৪.রসুনের ২-৩টি কোয়া কুচিয়ে নিন। তার সঙ্গে এক টেবিলচামচ মধু মিশিয়ে নিন। প্রতিদিন এই মিশ্রণ খেলে শরীর ফিট ও এনার্জিতে ভরপুর থাকবে।</p>



<p>৫.সকালে খালি পেটে খেতে হবে এমন নয়। বিকেল-দুপুর বা রাতে খেতে পারেন। তবে খালি পেটে খেলে উপকার বেশি পাওয়া যাবে।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">রসুন বেশি খেলে কী হয় ?</span></strong></h3>



<p>রসুন খাওয়ার যেমন অনেক উপকারিতা রয়েছে তেমনি অতিরিক্ত রসুন খেলে হতে পারে ক্ষতি। গবেষকরা বলেন, অতিরিক্ত রসুন খেলে তাতে থাকা ‘অ্যালিসিন’ উপাদান লিভারে বিষক্রিয়া তৈরি করতে পারে। রসুনে সালফার থাকার কারণে পেটে গ্যাস তৈরি হয় এবং এটি থেকে ডায়রিয়া পর্যন্ত হতে পারে। বেশী পরিমাণে খেলে বমিভাব, বুক জ্বালাপোড়া ও পেটে ব্যাথা ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিতে পারে।</p>



<h3 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading"><strong>সকালে খালি</strong> <strong>পেটে খেলে কী হয় ?</strong></h3>



<p>সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এক কোয়া রসুন ঠান্ডা লাগার প্রকোপ কমাতে সাহায্য করে। রসুনে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রক্ত পরিশুদ্ধ রাখতে সাহায্য করে। পুষ্টিবিদদের মতে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে দুই কোয়া রসুন খেলে রক্ত সঞ্চালনক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। রসুনে থাকা সালফার রক্তনালিতে নাইট্রিক অক্সাইড উৎপন্ন করে। এতে তাদের স্থিতিস্থাপকতা বেড়ে রক্তচাপ কমে। একইভাবে রক্তে উপস্থিত শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে রসুন।</p>



<h3 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading"><strong>রসুন কি রোজ খাওয়া উচিত ?</strong></h3>



<p>রসুনের মধ্যে রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। শরীর ভাল রাখা ছাড়াও বিশেষ কিছু রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে রসুনের জুড়ি মেলা ভার। রসুনের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটিরিয়াল এবং অ্যান্টি প্যারাসাইটিক গুণাগুণ। সর্দিকাশি,উচ্চরক্তচাপ,কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত রসুন খেলে তা অনেকটাই কমবে বলে আশা রাখা যায়।</p>



<h3 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading"><strong>রসুন কতটুকু খেলে উপকার পাবেন ?</strong></h3>



<p><br>রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধিতে রসুন ভীষণ কার্যকরী উপাদান। শরীরে টক্সিন বেড় করতে এবং রক্ত পরিষ্কার রাখার কাজ করে রসুন। প্রতিদিন দুই থেকে তিন কোয়া রসুন খেতে পারেন যা উচ্চরক্তচাপ কমানো থেকে থেকে শুরু করে অনেক শারীরিক সমস্যা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে। কথায় বলে অতিরিক্ত কিছুই ভাল নয়। তাই প্রতিদিন দুই থেকে তিন কোয়ার বেশি না খাওয়াই ভালো।</p>



<p>রসুনের উপকারিতা নিয়ে আমাদের লেখাটি কেমন লাগলো তা আমাদের কমেন্ট বক্সে জানাও। ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করো। এই ধরনের লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের <a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজে</a> ও <a href="https://www.youtube.com/channel/UCAKFB41Z5wBB1qMV67Gdziw">ইউটিউব চ্যানেলের</a> সাথে যুক্ত থাকো।</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/benefits-of-garlic/">রসুনের উপকারিতা কি কি । রসুন খাওয়ার সঠিক নিয়ম । Benefits of Garlic</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/benefits-of-garlic/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>জেনে নাও গাজর খাওয়ার কিছু উপকারিতা ও অপকারিতা। Benefits of Carrot</title>
		<link>https://preronajibon.com/benefits-of-carrot/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/benefits-of-carrot/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 27 Nov 2020 10:19:51 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শরীর ও স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[Benefits of Carrot]]></category>
		<category><![CDATA[health tips bangla]]></category>
		<category><![CDATA[গাজর খাওয়ার অপকারিতা]]></category>
		<category><![CDATA[গাজর খাওয়ার উপকারিতা]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলা হেল্থ টিপস]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=1851</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 5</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>গাজর খাওয়ার কিছু উপকারিতা ও অপকারিতা শীতকালে বাজারে অনেক ধরণের সবজি পাওয়া যায়। তার মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় একটি সবজি হল</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/benefits-of-carrot/">জেনে নাও গাজর খাওয়ার কিছু উপকারিতা ও অপকারিতা। Benefits of Carrot</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 5</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p class="has-text-align-center has-medium-font-size"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">গাজর খাওয়ার কিছু উপকারিতা ও অপকারিতা</span></strong></p>



<p>শীতকালে বাজারে অনেক ধরণের সবজি পাওয়া যায়। তার মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় একটি সবজি হল গাজর।গাজরের ইংরেজি নাম ‘ক্যারট’। গ্রিক শব্দ ক্যারট-অন থেকে এই ক্যারট শব্দের উৎপত্তি। গাজর এর বৈজ্ঞানিক নাম Daucus carota। গাজর কে বলা হয় সুপার ফুড। খাদ্য উপাদান গুলোর মধ্যে এটি খুব শক্তিশালী। গাজর প্রায় সব দেশেই পাওয়া যায়। তবে এশিয়া মহাদেশে এর প্রচলন বেশি। কারন পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক গাজরই চীন দেশে উৎপাদিত হয়। </p>



<p>গাজর সাধারণত পাঁচটি বর্ণের হয়ে থাকে &#8211; সাদা, কমলা, বেগুনি, হলুদ ও লাল। গাজর পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি সবজি। এতে রয়েছে ভিটামিন-এ, ভিটামিন-সি, ভিটামিন-কে, এবং ভিটামিন-বি, প্যানটোথেনিক অ্যাসিড, ফোলেট, পটাসিয়াম, আয়রন, প্রচুর পরিমানে ফাইবার এবং বিটা ক্যারোটিন সহ পুষ্টিকর উপাদান যা শরীরে সঠিক পুষ্টির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয়। বিভিন্ন গবেষণায় জানা গিয়েছে, গাজর মানুষের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এখানেই শেষ নয়, ত্বক কে উজ্জ্বল করা থেকে শুরু করে ক্যানসার প্রতিরোধ করা — সব ক্ষেত্রেই উপকারী এটি। গাজর কাঁচা অথবা রান্না দু&#8217;ভাবেই খাওয়া যায়। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন যদি গাজর থেকে সর্বোচ্চ পুষ্টিটা পেতে হয় তবে কাচা গাজর খাওয়াই সর্বোত্তম। তাই গাজরের জুস বানিয়ে খেলেই পাওয়া যাবে গাজরের সর্বোচ্চ পুষ্টি উপাদান। তবে যেকোনো খাদ্য অতিমাত্রায় গ্রহণ করলে দেখা দিতে পারে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। তাই আজ আমরা গাজর খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে যেমন আলোচনা করবো তেমনি থাকবে গাজর এর অপকারিতা নিয়ে কিছু কথা। প্রথমে জানবো গাজরের উপকারিতা সম্পর্কে।</p>



<h2 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">পুষ্টিগুনে সমৃদ্ধ গাজর খাওয়ার কিছু উপকারিতা :-</span></strong></h2>



<figure class="wp-block-table is-style-stripes"><table><tbody><tr><td><strong>ক্যালোরি</strong></td><td><strong>25 Kcal</strong></td></tr><tr><td><strong>কার্বোহাইড্রেট</strong></td><td><strong>৬ গ্রাম</strong></td></tr><tr><td><strong>ফাইবার</strong></td><td><strong>২ গ্রাম</strong></td></tr><tr><td><strong>শর্করা</strong></td><td><strong>৩ গ্রাম</strong></td></tr><tr><td><strong>প্রোটিন</strong></td><td><strong>০.৫ গ্রাম</strong></td></tr></tbody></table><figcaption>Source : WebMd</figcaption></figure>



<p class="has-medium-font-size"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">শরীরের প্রতিদিনের প্রয়োজনের ভিটামিনের অনেকটাই পাওয়া যেতে পারে গাজর থেকে :-</span></strong></p>



<figure class="wp-block-table is-style-stripes"><table><tbody><tr><td class="has-text-align-center" data-align="center"><strong>ভিটামিন</strong></td><td class="has-text-align-center" data-align="center"><strong>নিত্য প্রয়জনের কত %</strong></td></tr><tr><td class="has-text-align-center" data-align="center">Vitamin A</td><td class="has-text-align-center" data-align="center">73%</td></tr><tr><td class="has-text-align-center" data-align="center">Vitamin K</td><td class="has-text-align-center" data-align="center">9%</td></tr><tr><td class="has-text-align-center" data-align="center">Potassium &amp; Fiber</td><td class="has-text-align-center" data-align="center">8%</td></tr><tr><td class="has-text-align-center" data-align="center">Vitamin C</td><td class="has-text-align-center" data-align="center">5%</td></tr><tr><td class="has-text-align-center" data-align="center">Calcium</td><td class="has-text-align-center" data-align="center">2%</td></tr></tbody></table><figcaption>Source : WebMd</figcaption></figure>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">১.দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি করে:- </span></strong></h3>



<p>নিয়মিত গাজর খেলে দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি পায়। গাজরের মধ্যে থাকা বিটা ক্যারোটিন যা লিভারে প্রবেশ করে ভিটামিন এ তে বদলে যায়। এটি পরবর্তী কালে চোখের রেটিনায় পৌঁছে দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। আর আমরা জানি চোখ ভালো রাখতে ভিটামিন এ কতটা কার্যকরী। বিটা ক্যারোটিন দৃষ্টিশক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি চোখের অন্যান্য সমস্যা, দৃষ্টিশক্তি হ্রাস ইত্যাদির মতো সমস্যায় বাধা দেয়। তাই চোখ ভালো রাখতে নিয়মিত গাজর খেতে পারেন।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">২.ক্যান্সার প্রতিরোধ করে: &#8211;</span></strong></h3>



<p> ক্যান্সার প্রতিরোধে গাজরের তুলনা নেই। আমেকিরান জার্নাল অব ক্যানসার রিসার্চ এর মতে, গাজরে থাকা বেশ কিছু উপাদান ক্যান্সারের সম্ভাবনা গুলিকে দূরে রাখে। খাদ্য গ্রহণের পর হজম প্রক্রিয়া শেষে খাদ্যের যে উচ্ছিষ্টাংশগুলো আমাদের শরীরে থেকে যায় সেগুলোকে বলা হয় ফ্রি র্যাডিকেলস বা মৌল। এই ফ্রি র্যাডিকেলস শরীরের কিছু কোষ নষ্ট করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট জাতীয় খাবার এই ধরনের মৌলের বিরুদ্ধে লড়াই করে। ফলে শরীরে ক্যান্সারের কোষ কম উৎপন্ন হয়। গবেষণায় দেখা যায়, প্রতি ১০০ গ্রাম গাজরে ৩৩ শতাংশ ভিটামিন ‘এ’, ৯ শতাংশ ভিটামিন ‘সি’ এবং ৫ শতাংশ ভিটামিন ‘বি-৬’ পাওয়া যায়। এগুলো এক হয়ে ফ্রি র্যাডিকেলসের সঙ্গে লড়াই করে। তাই নিয়মিত গাজর খেলে স্তন ক্যানসার, কোলন ও ফুসফুস ক্যানসারের সম্ভাবনা রুদ্ধ হয়।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৩.ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে: &#8211; </span></strong></h3>



<p>ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে গাজর- এর ভূমিকা অতুলনীয়। গাজর ত্বককে ভেতর থেকে সুস্থ ও সজীব রাখে। কারণ এর মধ্যে রয়েছে বিভমিন &#8216;এ&#8217; , ভিটামিন &#8216;সি&#8217;, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং পটাশিয়ামের মতো খনিজ উপাদান যা ত্বকের সুন্দর করে এবং ত্বকে সূর্যের তাপের কারণে যে সানবার্ন বা ট্যান পরে তা থেকে মুক্ত করতে পারে। এছাড়াও ত্বকের টান টান অবস্থা ধরে রেখে বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে।</p>



<h2 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৪. হার্ট সুস্থ রাখে :- </span></strong></h2>



<p>মানুষের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মধ্যে হার্ট বা হৃদপিণ্ড একটি জরুরী অঙ্গ। আর এই হার্ট সুস্থ রাখতে গাজর গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন, আলফা ক্যারোটিন এবং লুটিন জিজানথেন যা কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।এই উপাদানগুলো রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখার জন্য ধমনীর ওপর কোনো আস্তরণ জমতে বাধা দেয় এবং হার্টকে সুস্থ ও সতেজ রাখে। তাই হার্ট সুস্থ রাখতে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় গাজর রাখতে ভুলবেন না।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৫. হাই ব্লাড প্রেসার কমায়: &#8211; </span></strong></h3>



<p>হাই ব্লাড প্রেসার কমাতে গাজর এর জুড়ি মেলা ভার। গাজরের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম যা হাই ব্লাড প্রেসার কমাতে সাহায্য করে। তাই উচ্চ রক্তচাপ কমাতে এবং শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত এবং পরিমাণ মত গাজর খেতে পারেন।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৬. হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে :- </span></strong></h3>



<p>গাজরে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা মানব শরীরের হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। যারা খাবারে প্রতিদিন বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ খাবার খান তাদের হার্টের বিভিন্ন সমস্যার ঝুঁকি কমে যায়। এর ক্যারোটিনয়েডগুলো হৃৎপিণ্ডের নানা অসুখের ওষুধ হিসেবে কাজ করে। তাই স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে এখন থেকে খাদ্যতালিকায় গাজর যোগ করুন।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৭. হাড় মুজবুত রাখে :-</span></strong></h3>



<p> যারা অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ের সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমূহ সবজি গ্রহণ করা বিশেষ জরুরি। আর গাজরে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়ামসহ নানা খনিজ উপাদান। যা হাড়কে সুস্থ ও মুজবুত রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।</p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter size-large is-resized"><img decoding="async" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2020/11/Carrot-Benefits-1.jpg" alt="" class="wp-image-1859" width="575" height="387" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2020/11/Carrot-Benefits-1.jpg 766w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2020/11/Carrot-Benefits-1-300x202.jpg 300w" sizes="(max-width: 575px) 100vw, 575px" /></figure></div>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৮. লিভার ভালো রাখে :-</span></strong></h3>



<p> শরীরে লিভার অনেক ধরণের হরমোন নির্গত করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গাজরে প্রচুর পরিমাণে দ্রবণীয় ফাইবার থাকে, যেসব ফাইবার পেটকে পরিষ্কার রাখে । পেটে শক্ত কঠিন মল জমতে দেয় না । মলত্যাগের বেগ সৃষ্টি করে লিভার ও কোলনকে পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। যদি প্রতিদিন একটি করে গাজর খাওয়া যায় তাহলে লিভারে বিভিন্ন সমস্যা , ও নানারকম সংক্রমণের হাত থেকে যেমন- হেপাটাইটিস, সিরোসিস ,কোলেস্টেসিস ইত্যাদি থেকে রেহাই পাওয়া যায়। লিভারে জমা পিত্ত এবং শক্ত কঠিন ফ্যাটকে কমাতেও সাহায্য করে গাজর। যারা দেহের অতিরিক্ত ওজন কমাতে চান , তারা গাজরকে আজই খাদ্য তালিকায় আমন্ত্রণ জানান।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৯. দাঁত ভালো রাখে :- </span></strong></h3>



<p>সুস্থ ও পরিষ্কার দাঁত পেতে হলে নিয়মিত গাজর খান। গাজরের মধ্যে থাকা মিনারেলগুলো দাঁতকে সুস্থ ,সুন্দর ,পরিষ্কার ও মুজবুত রাখতে সাহায্য করে।এছাড়া গাজর খাওয়ার সময় আমাদের মুখে ‘সিলভা’ নামক একটি যৌগের নিঃসরণ ঘটে। এই যৌগটি দাঁতের ক্ষয়ের জন্য দায়ী ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়াগুলো ধ্বংস করে মুখের ভেতর অ্যাসিডের ভারসাম্য বজায় রাখে।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">১০. ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে :-</span></strong></h3>



<p> সহজলভ্য সবজি গাজরে একদিকে ক্যালোরি যেমন কম থাকে , তেমনি সুগারের উপাদানও তুলনায় খুব কমই থাকে। আর ডায়াবেটিস রোগীর প্রধান সমস্যা হল সুগার , ফ্যাট আর কোলেস্টরেল । সেক্ষেত্রে গাজরে সুগার কম থাকায় অন্য সবজির থেকে বেশি উপকার করে। গাজরে থাকে বেশি পরিমাণ পটাশিয়াম এবং এমন কিছু খনিজ যা কোলেস্টেরল এবং ব্লাড সুগারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে গাজরের পুষ্টিমূল্য অপরিসীম।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">১১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে :- </span></strong></h3>



<p>গাজরের মধ্যে উপস্থিত ভিটামিন C যা আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে তোলার ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকরী। গাজরের মধ্যে থাকা বিভিন্ন উপাদান শরীরের ক্ষতিকর জীবাণু, ভাইরাস এবং বিভিন্ন ধরনের প্রদাহের বিরুদ্ধে কাজ করে। তাই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে প্রতিদিন এক গ্লাস গাজরের জুস খেতে পারেন।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">১২. গর্ভবতী নারীর ক্ষেত্রে উপকারী :-</span></strong></h3>



<p> গাজরে থাকে প্রচুর ক্যালসিয়াম যা গর্ভাবস্থায় ভ্রূণের হাড়ের বিকাশে সাহায্য করে। এই অবস্থায় মায়ের শরীরের বিশেষ যত্নের প্রয়োজন হয়। কারণ একই শরীরে দুজনের বিকাশ ঘটে । তাই গাজরে থাকা সমস্ত কার্যকর ভিটামিন ও উপাদানগুলো সন্তানের সঙ্গে মায়েরও খেয়াল রাখতে সাহায্য করে । গর্ভাবস্থায় মায়ের রক্তাল্পতা , পেশির খিঁচুনি ধরা, ব্লাড প্রেশার বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যার আশু সমাধান দিতে পারে গাজর ।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">গাজরের অপকারিতা :- </span></strong></h3>



<p>যে কোনো জিনিস খুব কার্যকর হলেও তার সঠিক মাত্রায় প্রয়োগ না হলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে বাধ্য । তাই সঠিক সময় সঠিক পরিমানে গাজর খেতে হবে । মাত্রাতিরিক্ত গাজর খেলে কিছু অপকার হতে পারে । সেগুলি অবশ্যই মনে রাখা দরকার।</p>



<p>১. প্রচন্ড গরমে বেশি পরিমাণে গাজর খেলে অনিদ্রার সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে। উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা যাদের তাদের মাত্রাতিরিক্ত গাজর রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে।</p>



<p>২. অতিরিক্ত গাজর খেলে অল্প বয়সী শিশু যাদের নরম দাঁত বা দুধ দাঁত তাদের দাতের ক্ষয় দ্রুত ঘটার সম্ভাবনা থাকে।</p>



<p>৩. গাজর কিংবা যে কোনো সবজি বা ফল বেশি পরিমানে খেলে বদ হজম , গ্যাস, অম্বল কিংবা ডাইরিয়ার সম্ভাবনা থাকে।</p>



<p>৪. অতিরিক্ত গাজর খাবার ফলে মানুষের অন্ত্রে অতিরিক্ত বিটা ক্যারোটিন জমে যেতে পারে। এই অতিরিক্ত বিটা ক্যারোটিন ক্যান্সারের কারণ হতে পারে।</p>



<p>৫. অন্যান্য খাবারের পরিমানের সঙ্গে সাযুজ্য না রেখে গাজর খেলে শরীরের বিভিন্ন অংশ , বিশেষ করে হাত , পা, গালের চামড়ার রঙ জন্ডিস আক্রান্ত রোগীর মত হলুদ হয়ে যেতে পারে।</p>



<p>৬. অনেকের অ্যালার্জি থাকে গাজরে । তাই তাদের জন্য খুব সতর্ক হয়ে খাদ্য তালিকায় গাজরের ব্যাবহার করতে হবে ।</p>



<p>সবচেয়ে উপকারী জিনিসও অতিরিক্ত ও ভুলভাবে প্রয়োগে ক্ষতি করতে পারে। তাই গাজর এর উপকারিতার কথা মাথায় রেখেই নিওমিত গাজর খাবেন যেমন , তেমনি ভালভাবে জেনে নিয়ে সাবধানতা অবলম্বন করতেও ভুলবেন না । আশা করি আজকের আর্টিকেলটি খুব কাজে লাগবে সকলের । এরকম আরও লেখা পড়তে আমাদের <a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজে</a> লাইক করে সঙ্গে থাকুন। আর কোন কোন বিষয়ে লেখা পড়তে চান , কমেন্ট করে জানান। আর হ্যাঁ , যদি লেখাটি একটুও ভালো লেগে থাকে তাহলে বন্ধুদের শেয়ার করতে ভুলবেন না । ভালো থাকুন , সুস্থ থাকুন । প্রেরণাজীবন আপনার সঙ্গে আছে ও থাকবে। </p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/benefits-of-carrot/">জেনে নাও গাজর খাওয়ার কিছু উপকারিতা ও অপকারিতা। Benefits of Carrot</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/benefits-of-carrot/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মাইগ্রেন কী ? আপনি মাইগ্রেনের সমস্যায় ভুগছেন না তো ? জেনে নিন মাইগ্রেনের ব্যথা দূর করার ঘরোয়া কিছু উপায়</title>
		<link>https://preronajibon.com/what-is-migraine/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/what-is-migraine/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 30 Oct 2020 11:09:39 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শরীর ও স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[bengali health tips]]></category>
		<category><![CDATA[health tips bangla]]></category>
		<category><![CDATA[Migraine]]></category>
		<category><![CDATA[ঘরোয়া কিছু উপায়]]></category>
		<category><![CDATA[মাইগ্রেন কী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=1802</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 4</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>&#8220;আধ-কপালি &#8221; কিংবা &#8216;আধ-কপাল ব্যথা&#8217; কথাটি শুনেছেন ? গ্রামদেশে শব্দটি পরিচিত হলেও ডাক্তারি ভাষায় এর নামটি হল মাইগ্রেন। সাধারণভাবে মাথাব্যথা</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/what-is-migraine/">মাইগ্রেন কী ? আপনি মাইগ্রেনের সমস্যায় ভুগছেন না তো ? জেনে নিন মাইগ্রেনের ব্যথা দূর করার ঘরোয়া কিছু উপায়</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 4</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p>&#8220;আধ-কপালি &#8221; কিংবা &#8216;আধ-কপাল ব্যথা&#8217; কথাটি শুনেছেন ? গ্রামদেশে শব্দটি পরিচিত হলেও ডাক্তারি ভাষায় এর নামটি হল মাইগ্রেন। সাধারণভাবে মাথাব্যথা অনেক প্রকার হতে পারে । তারমধ্যে একপ্রকার হল মাইগ্রেন । এই সমস্যাটি কিন্তু বেশি দিন আগে ধরা পরে নি । আনুমানিক ২০ বছর ধরে মাইগ্রেন বিষয়টি চিকিৎসকদের নজরে আসে। পরিসংখ্যানে দেখা যায় গ্রমের মানুষের থেকে শহরের মানুষের মধ্যে এই মাইগ্রেনের প্রকোপ অনেক বেশি । বিশেষ করে জনবহুল, ধুলোবালিযুক্ত ও দূষিত পরিবেশে এই মাইগ্রেনের প্রকোপ একটু বেশি লক্ষ্য করা যায়। চিকিৎসা বিজ্ঞানে মাইগ্রেনের সর্বসম্মতভাবে নিশ্চিত ব্যখ্যা এখনো দেওয়া যায় নি । তবে মূল যে বিষয়টি তারা স্বীকার করেন তা হল , মাইগ্রেন একধরণে নিউরোভাস্কুলার ডিজঅর্ডার এবং এই ধারণার কারণ এই সমস্যা মস্তিষ্কে সৃষ্টি হয় এবং তারপর ধীর ধীরে রক্তশিরায় ছড়িয়ে যায়।</p>



<h2 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">&#8220;মাইগ্রেন &#8221; শব্দটির উৎসঃ-</span></strong></h2>



<p>&#8220;মাইগ্রেন &#8221; শব্দটির উৎস হল গ্রিক শব্দ &#8216;হেমিক্রানিয়া&#8217; । যার অর্থ &#8220;মাথার একদিকে ব্যথা&#8221; ( হেমি-=অর্ধেক&#8221;, ক্রানিয়ন= &#8220;খুলি&#8221;) । &#8212; এই হেমিক্রানিয়া থেকেই মাইগ্রেন (Migraine) কথাটির সৃষ্টি হয়।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">মাইগ্রেন কাদের হয় :- </span></strong></h3>



<p>গবেষণায় দেখা গেছে ১০ বছর থেকে ৪৫ বছরের মানুষের মধ্যেই সাধারণভাবে মাইগ্রেন এর সমস্যা হয়ে থাকে । পরিসংখ্যানে দেখা গেছে পুরুষ মানুষের থেকে নারীদের মধ্যে মাইগ্রেনের সমস্যা বেশি দেখা যায় । আর গ্রাম বা জনবিরল এলাকার মানুষের থেকে শহর বা জনবহুল এলাকার মানুষের মধ্যে মাইগ্রেনের সমস্যা বেশি হয় ।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">মাইগ্রেনের কারণ :-</span></strong></h3>



<p>চিকিৎসা বিজ্ঞান আজও মাইগ্রেনের সঠিক কারণ আবিষ্কার করতেই পারে নি । কিন্তু উপসর্গভিত্তিক গবেষণা থেকে এর কারণ সম্পর্কে কিছু কিছু সাধারণ বিষয় উঠে এসেছে । সেগুলি হলঃ-</p>



<p><br><strong>১। অতিরিক্ত চিন্তা<br>২। কোলাহল<br>৩। তীব্র আলো<br>৪। উচ্চ শব্দ<br>৫। ধুলোবালি বা ধোঁয়া<br>৬। প্রচণ্ড ঠাণ্ডা বা প্রচণ্ড গরম<br>৭। ঘুম না হওয়া<br>৮। কিছু ওষুধের সাইড ইফেক্ট<br>৯। কিছু কিছু খাবার ( নীচে তালিকা দেওয়া আছে)<br>১০। আরাম বিরামহীন জার্নি ইত্যাদি ।</strong></p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">যে খাবারগুলি মাইগ্রেনের ব্যথাকে বাড়িয়ে দেয় :-</span></strong></h3>



<p>কোনো কোনো খাবার মাইগ্রেনের ব্যথাকে বাড়িয়ে দেয় বলে অনেক ডাক্তার অভিমত প্রকাশ করেছেন। সেগুলি যেমনঃ- পনির, চকোলেট, নানা মাদকদ্রব্য, ঠাণ্ডা পানীয় ইত্যাদি।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">যে পরিবেশ মাইগ্রেনের ব্যথাকে বাড়িয়ে দেয় :-</span></strong> </h3>



<p>প্রচন্ড গরম বা প্রচণ্ড ঠাণ্ডা , কিংবা ভ্যাপসা জলীয় বাষ্পে ভরা পরিবেশ শীতকালের ঠান্ডা বাতাস বা কুয়াশা ইত্যাদি মাইগ্রেনের রোগীর মাথাব্যথার প্রকোপ বাড়িয়ে দিতে পারে। এছারাও ভীরের কোলাহল, শব্দ , তীব্র আলো মাইগ্রেন রুগীর পক্ষে ক্ষতির কারন হয়ে থাকে । উত্তেজনাপূর্ণ খবর , বা হৃদয়ে আঘাত থেকেও মাইগ্রেনের সৃষ্টি হয়ে থাকে বলে ডাক্তারদের অনুমান।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">মাইগ্রেনের লক্ষণ :-</span></strong></h3>



<p>মাইগ্রেনের লক্ষণকে আমরা দুটি ভাগে ভাগ করতে পারি। যথা-<br>পূর্ব লক্ষণ ও পরবর্তী লক্ষণ ।</p>



<p><strong>পূর্ব লক্ষণঃ-</strong></p>



<p>মাইগ্রেন শুরু হবার আগে কিছু কিছু লক্ষণ দেখা যায় বটে । তবে বেশিরভাগ মানুষ সেগুলি বুঝে উঠতেই পারেন না । বিভিন্ন মানুষের মধ্যে বিভিন্ন পূর্ব লক্ষণ দেখা যায় । সেগুলি যেমন &#8211; </p>



<p><strong>১। ঝিমুনি<br>২। বমি বমি ভাব<br>৩। উৎসাহহীনতা<br>৪। খিটখিটে মেজাজ<br>৫। হাই ওঠা<br>৬। ক্ষুধামন্দা<br>৭। অতিরিক্ত পিপাসা ইত্যাদি ।</strong></p>



<p><strong>মাইগ্রেনের পরবর্তী লক্ষণ :-</strong> </p>



<p>মাইগ্রেনের পরবর্তী লক্ষন বলতে বোঝায় মাইগ্রেন শুরু হলে যে লক্ষণগুলি দেখা যায় । সেগুলি ব্যক্তিভেদে আলাদা হলেও , কমন যেটি সেটি হল মাথাব্যথা। পূর্ব লক্ষণগুলির সঙ্গে এছাড়া যে লক্ষ্মণগুলি লক্ষ করা যায় সেগুলি হল : </p>



<p> <strong>১। কপালের অর্ধেক দিক ব্যথা<br>২। মাইগ্রেনের ব্যথা চোখের পেছনে কিংবা ঘাড়ে, কখনো মাথার পেছনে – হতে পারে।<br>৩। অর্ধেক মাথায় ব্যথা<br>৪। বমি বমি ভাব অথবা বমি হওয়া<br>৫। বেশি আলো বা বেশি শব্দ অসহ্য লাগা<br>৬। কথা বলতে অসুবিধা<br>৭। ক্লান্তি ও অবসন্নতা<br>৮। ক্ষুধা মন্দা<br>৯। অতিরিক্ত ঘাম ইত্যাদি ।</strong></p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">মাইগ্রেনের প্রকারভেদ :-</span></strong></h3>



<p>মাইগ্রেন সাধারণভাবে তিন প্রকার হয়। যথা- ক্লাসিক মাইগ্রেন , কমন মাইগ্রেন ও অ্যাটিপিক্যাল মাইগ্রেন। ক্লাসিক মাইগ্রেন হল পূর্ব থেকেই আন্দাজ করা যায় এমন মাইগ্রেন।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">মাইগ্রেন প্রতিরোধে কিছু ঘরোয়া টিপস :-</span></strong></h3>



<p>১. তাজা আঙুরের রস( জল না মিশিয়ে) খেলে মাইগ্রেনের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷<br>২.একটা ভেজা গামছা বা তোয়ালে ৪-৫ মিনিট ফ্রিজে রেখে তারপর ওই ঠান্ডা গামছকে মাথায় ও চোখের উপর কিছুক্ষণ রাখলে ব্যথা থেকে আরাম পাওয়া যেতে পারে।<br>৩. চন্দনকাঠের গুঁড়ো ও অল্প জল মিশিয়ে একটি পেস্ট বানান আর পেস্টটি কপালে মেখে নিন৷ এতে মাইগ্রেনের ব্যথা থেকে আরাম পাওয়া যায়।<br>৪. কোনো অন্ধকার নির্জন ঘরে চোখ বুঁজে শুয়ে থাকলে প্রতিনিয়ত মাথা ব্যথা থেকে অনেকটাই আরাম মিলবে।<br>৫. মাথা ম্যাসাজ করালেও মাইগ্রেনের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷<br>৬. লেবুর রস আর লবন দিয়ে তৈরি শরবৎ খেলে মাইগ্রেনের ব্যথা দ্রুত কমে যায় বলে অনেকেরই অভিজ্ঞতা রয়েছে ।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><br><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">যোগ ব্যায়ামের মাধ্যমে মাইগ্রেনের ব্যথা কমান :-</span></strong></h3>



<p>অনেকেই যোগ ব্যায়ামের মাধ্যমে মাইগ্রেন এর সমস্যা থেকে দূরে থাকেন । তাঁরা বিশ্বাস করেন যোগ ব্যায়ামের ফলে মাইগ্রেইনের আক্রমণের হার যেমন কমায় তেমনি এর যন্ত্রণা ও কমিয়ে আরাম দিতে পারে। এটা প্রমাণিত সত্য যে যোগের মাধ্যমে টেনশন বা মানসিক চাপ কমানো যায়। তাই বলা হয় যোগের মাধ্যমে মাইগ্রেনের সমস্যাও দূরে রাখা সম্ভব । অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের ধারণা অনুসারে বলা যায় মাইগ্রেনের জন্যে কিছু নির্দিষ্ট যোগাসনের নাম , যেমন &#8212; চক্রাসন, অর্ধ-চক্রাসন , অর্ধ-মৎসেন্দ্রাসন ইত্যাদি। এছাড়াও সাতক্রিয়া, কপালভাতি এবং কিছু প্রাণায়ামের প্রক্রিয়া রয়েছে । নিয়মিত ধ্যান করার মাধ্যমেও মাইগ্রেনকে দূরে রাখা সম্ভব।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">প্রচলিত চিকিৎসা :- </span></strong></h3>



<p>১.আপনার মাইগ্রেনের সমস্যা তৈরি হলে অনুমান করে মাথাব্যথার ট্যাবলেট না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন ।<br>২. যে সব খাবার (উপরে বর্ণিত হয়েছে) মাইগ্রেনের ব্যথা বাড়িয়ে দেয় সেসব খাবার এড়িয়ে চলুন।<br>৩. মহিলাদের জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি খাবার ফলে মাইগ্রেনের ব্যথা হয়ে থাকলে, সেই বড়ি খাওয়া বন্ধ করে দেখুন মাইগ্রেনের এর সমস্যা কমছে কিনা। পারলে বিকল্প পদ্ধতি আশ্রয় নিতে পারেন ।<br>৪. ধোঁয়া বা ধুলাবালি বা প্রচন্ড গরম বা শীতের বাতাসের মাঝে বের হতে হলে তবে মাস্ক বা রুমাল ব্যবহার করার অভ্যাস তৈরি করুন ।<br>৫. সর্বোপরি বলতেই হয় যে কোনো রোগের বা সমস্যার জন্য যেমন তাদের কারণটি বের করে সেগুলি থেকে দূরে থাকা বুদ্ধিমানের কাজ । তেমনি উপরে বর্ণিত মাইগ্রেনের কারণগুলো থেকে যতটা সম্ভব দূরে থাকার চেষ্টা করুন ।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">ডাক্তারের পরামর্শে চিকিৎসা:-</span></strong></h3>



<p>সাধারণভাবে ডাক্তারেরা যেসব অসুধগুলি মাইগ্রেনের জন্য দিয়ে থাকেন সেগুলি নীচে দেওয়া হল । মনে রাখবেন এগুলি কীভাবে কতটা পরিমানে খাবেন তা অবশ্যই আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে খাবেন।</p>



<p>১. ট্যাবলেট অ্যাসপিরিন (600&#8211;900mg) যা জলে দ্রবণীয় কিংবা প্যারাসিটামল ট্যাবলেট (পরিমাণমত)<br>২.খুব বমি হলে বমি বন্ধ করার জন্য ওষুধ, যেমন- Metoclopromide(মেটোক্লোপ্রোমাইড) বাজারে যা মোটিলন, নিউট্রামিড ইত্যাদি নামে পরিচিত অথবা প্রোক্লোরপিরাজিন ((prochlorperazine)) বাজারে যা স্টিমিটিল, ভারগন বা প্রম্যাট নামে পাওয়া যায়- এসব চিকিৎসকেরা দিয়ে থাকেন ।<br>৩. সর্বোপরি মনে রাখবেন আপনার অভিজ্ঞতাকে যেন ডাক্তারের সুপরামর্শ শুনে তারপর প্রয়োগ করবেন । আর জানবেন দেশ কাল বয়স ওজন অনুযায়ী ওষুধ আলাদা আলাদা হয়ে থাকে ।</p>



<p>আশা করি বন্ধুরা আজকের বিষয়টি কিছুটা হলেও জীবনে কাজে লাগবে । এরকম আরো নানা আর্টিক্যাল পড়তে আমাদের <a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজ</a> এ লাইক করে সঙ্গে থাকুন । ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন । আপনাদের সঙ্গে প্রেরণাজীবন সবসময় থাকবে ।</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/what-is-migraine/">মাইগ্রেন কী ? আপনি মাইগ্রেনের সমস্যায় ভুগছেন না তো ? জেনে নিন মাইগ্রেনের ব্যথা দূর করার ঘরোয়া কিছু উপায়</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/what-is-migraine/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কর্টিসল হরমোন কী ? এর প্রয়োজনীয়তা ? ক্ষতিকারক দিক ও তা নিয়ন্ত্রনের                                                      উপায়</title>
		<link>https://preronajibon.com/what-is-cortisole-hormone/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/what-is-cortisole-hormone/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 12 Apr 2020 11:16:17 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শরীর ও স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[bengali health tips]]></category>
		<category><![CDATA[health tips bangla]]></category>
		<category><![CDATA[কর্টিসল হরমোন কী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=1310</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 2</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>কর্টিসল হরমোন &#8211; প্রয়োজনীয়তা &#8211; ক্ষতি &#8211; নিয়ন্ত্রনের উপায় কর্টিসল কি ? :- কর্টিসল এড্রেনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত একটি হরমোন</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/what-is-cortisole-hormone/">কর্টিসল হরমোন কী ? এর প্রয়োজনীয়তা ? ক্ষতিকারক দিক ও তা নিয়ন্ত্রনের                                                      উপায়</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 2</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p class="has-text-align-center"><strong><mark>কর্টিসল হরমোন &#8211; প্রয়োজনীয়তা &#8211; ক্ষতি &#8211; নিয়ন্ত্রনের উপায় </mark></strong></p>



<h3 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading"><strong>কর্টিসল কি ? :-</strong></h3>



<p>কর্টিসল এড্রেনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত একটি হরমোন যাকে স্ট্রেস হরমোন বা মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তার হরমোন নামে ডাকা হয়ে থাকে। আমাদের শরীর হুমকি স্বরূপ কিছু অনুভব করলে এড্রেনাল গ্রন্থির উপর চাপ প্রয়োগ করে ফলে কর্টিসল ও এড্রেনালিন হরমোন নিঃসৃত হয়। দেহে কর্টিসল এর মাত্রা বেশি হয়ে গেলে রোগে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি বেড়ে যায়।</p>



<h3 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading"><strong>কর্টিসল হরমোনের প্রয়োজনীয়তা :-</strong></h3>



<p>দেহের অভ্যন্তরে প্রাকৃতিকভাবে কোনো সমস্যা হলে এই হরমোন তৈরি হয়ে স্বাভাবিক ভারসাম্য ঠিক রাখে। এটি জরুরি পরিস্থিতিতে শরীরকে মোকাবেলা করার শক্তি সরবরাহকারী গুরুত্বপূর্ণ একটি হরমোন । এই হরমোন শরীরের মধ্যে বিপাকীয় প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে , রক্তে গ্লুকোজ এর সমতা বজায় রাখে , দেহে কার্বোহাইড্রেড ,ফ্যাট ও প্রোটিন সঠিকভাবে ব্যবহৃত হতে সহযোগিতা করে, বাচ্চা হওয়ার সময় ভ্রূণের বিকাশে সহায়তা করে।</p>



<p class="has-text-align-center"><strong><mark>জেনে রাখুন : <a href="https://preronajibon.com/foods-that-can-boost-immunity/">ইমিউনিটি বৃদ্ধির উপায়</a></mark></strong></p>



<h3 class="has-vivid-red-color has-text-color has-text-align-left wp-block-heading"><strong>কর্টিসল হরমোনের ক্ষতিকারক দিক :-</strong></h3>



<p>কর্টিসল হরমোন অতিমাত্রায় বেড়ে গেলে বা অতিমাত্রায় কমে গেলে দেহে নানাধরণের সমস্যা দেখা দেয়। যেমন &#8211;</p>



<ul class="wp-block-list"><li>ক ) কর্টিসল হরমোনের বৃদ্ধি হলে থাইরয়েড হরমোনের পরিমান কমে। থাইরয়েড হরমোনের অভাবে শরীরে স্ট্রেস তৈরী হয় এবং স্ট্রেসের দুষ্টচক্র চলতে থাকে।</li></ul>



<ul class="wp-block-list"><li>খ ) শরীরে এই হরমোনের মাত্রা বেড়ে গেলে দেহের ওজন ও রক্তচাপ বেড়ে যায়।</li></ul>



<ul class="wp-block-list"><li>গ ) কর্টিসল হরমোনের মাত্রা বেড়ে গেলে হৃদস্পন্দন বেড়ে যায় ফলে হার্টএটাক ও স্ট্রোক হবার ঝুঁকি বেড়ে যায়।</li></ul>



<ul class="wp-block-list"><li>ঘ ) কর্টিসল মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ফলে অস্টিওপরোসিস হতে পারে।</li></ul>



<ul class="wp-block-list"><li>ঙ) কর্টিসল হরমোনের মাত্রা কমে গেলে চর্মরোগ ,হজমে সমস্যা ,রক্তচাপ কমে যাওয়া ইত্যাদি উপসর্গ দেখা যায়।</li></ul>



<ul class="wp-block-list"><li>চ) এছাড়া নারীদের অনিয়মিত মাসিক ,প্রজনন ,যৌনক্ষমতা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া ,মানসিক অবস্থার পরিবর্তন ,স্মরণশক্তি কমে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে।</li></ul>



<h3 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading"><strong>কর্টিসল হরমোনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করার উপায় :-</strong> </h3>



<p>পড়াশুনার চাপ ,কাজের চাপ ,পরিবার বা পারিপার্শ্বিকতার চাপ এ সবকিছুই আমাদের মধ্যে স্ট্রেস তৈরী করে। মানসিক অশান্তিতে এই হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয় যা স্বাস্থ্যের জন্য ধংসাত্বক হতে পারে। তাই কর্টিসল হরমোন এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করার উপায় হলো :</p>



<ul class="wp-block-list"><li>১. গান স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। তাই স্ট্রেস অনুভব করলে পছন্দের গান শুনুন।</li></ul>



<ul class="wp-block-list"><li>২. শরীরচর্চা বা মেডিটেশন স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। কারণ শরীরর্চচার ফলে শরীর সক্রিয় থাকে ফলে মস্তিষ্কে এন্ডোরফিনএর নিঃসরণ বৃদ্ধি পায় এবং স্ট্রেস ও উদ্বিগ্নতা দূর হয়।</li></ul>



<ul class="wp-block-list"><li>৩. Deep Breathing করুন। এর ফলে মস্তিষ্কে বেশি অক্সিজেন পৌঁছবে এবং মস্তিস্ক শিথিল ও শান্ত থাকবে।</li></ul>



<ul class="wp-block-list"><li>৪. প্রানখুলে হাসুন। কারণ হাসি মানুষকে সুখী করে এবং স্ট্রেস হরমোন কমাতে সাহায্য করে।</li></ul>



<ul class="wp-block-list"><li>৫. স্বাস্থ্যকর খাবার খান। বেশি করে জল পান করুন।</li></ul>



<ul class="wp-block-list"><li>৬. অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা থেকে দূরে থাকুন। নতুন কিছু শিখুন জানুন, শখের কাজগুলো করুন।</li></ul>



<p>আমাদের দেওয়া তথ্যগুলি ভালো লেগে থাকলে বাকিদের সাথে শেয়ার করুন। আমাদের সমস্ত লেখার আপডেট পেতে আমাদের <a rel="noreferrer noopener" href="https://www.facebook.com/preronajibon/" target="_blank">ফেসবুক পেজে</a> যুক্ত থাকুন।</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/what-is-cortisole-hormone/">কর্টিসল হরমোন কী ? এর প্রয়োজনীয়তা ? ক্ষতিকারক দিক ও তা নিয়ন্ত্রনের                                                      উপায়</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/what-is-cortisole-hormone/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মানসিক স্বাস্থ্যের সংজ্ঞা, গুরুত্ব এবং তা ভালো রাখার কয়টি উপায়</title>
		<link>https://preronajibon.com/ways-to-improve-mental-health/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/ways-to-improve-mental-health/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 23 Feb 2020 13:52:49 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শরীর ও স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[bengali health tips]]></category>
		<category><![CDATA[health tips bangla]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলা হেল্থ টিপস]]></category>
		<category><![CDATA[মানসিক স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার উপায়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=1182</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 4</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>মানসিক স্বাস্থ্য কি ? :- মানসিক স্বাস্থ্য কী তা বুঝতে হলে আমাদের জানতে হবে স্বাস্থ্য কী ? বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/ways-to-improve-mental-health/">মানসিক স্বাস্থ্যের সংজ্ঞা, গুরুত্ব এবং তা ভালো রাখার কয়টি উপায়</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 4</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<h3 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading"><em>মানসিক স্বাস্থ্য কি ? :-</em></h3>



<p><strong>মানসিক স্বাস্থ্য</strong> কী তা বুঝতে হলে আমাদের জানতে হবে স্বাস্থ্য কী ? <strong>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা</strong> বা <strong>WHO</strong> এর মতে স্বাস্থ্য হল ব্যক্তির শারীরিক , মানসিক এবং সামাজিক এই তিন অবস্থার একটি সুস্থ সমন্বয়। সুতরাং আমরা বলতে পারি ,একজন মানুষের স্বাস্থ্য হল রোগবালাই মুক্ত সুস্থ শরীর ও সেই সঙ্গে ভয় ,হতাশা ,বিষন্নতা ,মানসিক চাপ থেকে মুক্ত মন এবং সমাজের নানাবিধ চ্যালেঞ্জকে গ্রহণ করতে সক্ষম মন। অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে , স্বাস্থ্যের অন্যতম উপাদান হল মনের সুস্থতা বা মানসিক স্বাস্থ্য। মানুষের চিন্তা ,আবেগ ও আচরণ এই তিন মিলেই হল মানসিক স্বাস্থ্য। এককথায় মানসিক স্বাস্থ্য বলতে বোঝায়</p>



<p class="has-text-align-center has-vivid-purple-color has-text-color"> &#8220;<strong> <em>Full and harmonious functioning of whole personality</em></strong> &#8220;.</p>



<p>আমাদের প্রত্যেককেই কোনো না কোনো সময়ে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হতে হয় তা সে কর্মজীবনে হোক বা ব্যক্তিগত জীবনে। অনেক সময় চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হতে গিয়ে আমাদের মানসিক অবসাদ , বিষন্নতার শিকার হতে হয়। আমরা যখন দেখি আমাদের স্বাভাবিক কাজগুলি ব্যাহত হচ্ছে তখনি মানসিক অসুস্থতার প্রশ্নটি সামনে আসে। দেখা যায় যে ,আমরা শারীরিক স্বাস্থ্য নিয়ে যতটা সচেতন, মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে ততটা সচেতনতা দেখাই না। কিন্তু মানসিক স্বাস্থ্য খারাপ থাকলে তা শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর ভীষণ ভাবে প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ শারীরিক স্বাস্থ্য এবং মানসিক স্বাস্থ্য ওতপ্রোত ভাবে জড়িত। </p>



<p><strong>WHO</strong> এর তথ্য থেকে জানা যায় যে প্রায় <strong>৭.৫%</strong> ভারতীয় কোনো না কোনো প্রকার মানসিক সমস্যার শিকার। এদেশে আক্রান্তের পরিমান বিশ্বের মোট আক্রান্তের প্রায় <strong>১৫%</strong>, আরও চিন্তার বিষয় হলো <strong>WHO</strong> এর মতে সঠিক ব্যবস্থা না নিলে আগামী দিনগুলিতে আরও বেশি মানুষ এই মানসিক অবসাদের শিকার হবে। কিন্তু বর্তমানের এই উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থায় কি এর সুরাহা সম্ভব নয় ? যদিও এই সমস্যার সমাধানে চিকিৎসকরা সাহায্য করতেই পারেন, কিন্তু আমাদের দেশে এই বিপুল জনসংখ্যার জন্য রয়েছে মাত্র <strong>৪০০০ থেকে ৪৫০০</strong> সাইক্রাটিস্ট। </p>



<p>মানসিক সমস্যার রূপ গুলি নানা প্রকার। যেমন &#8211; <strong>অবসাদ</strong> , <strong>মানসিক উদ্বিগ্নতা</strong> ,এছাড়াও রয়েছে <strong>স্কিৎজোফ্রেনিয়া</strong> এবং <strong>বাইপোলার সমস্যা</strong>। </p>



<h5 class="has-text-align-center wp-block-heading"><mark><em><strong>মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব :-</strong></em></mark></h5>



<p>সুস্থ ও সুন্দর জীবনের জন্য শরীরকে সুস্থ রাখা যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমনি গুরুত্বপূর্ণ হল মনকে সুস্থ রাখা। ব্যক্তির মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকলে সে &#8211; </p>



<p><strong>ক)</strong> দৈনন্দিন কাজকর্ম সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন করতে পারে। <br> <strong>খ )</strong> বিভিন্ন ধরণের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে পারে।  <br> <strong>গ )</strong> পরিবার ও সমাজের সঙ্গে সঙ্গতি বিধান করে চলতে পারে। স্বাভাবিক ও সুষ্ঠ অভিযোজনে সক্ষম হয়। <br> <strong>ঘ ) </strong>বিভিন্ন বিষয়ে দ্রুত ও সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে। <br> <strong>ঙ )</strong> আরও উৎপাদনশীল হয়ে ওঠে এবং নিজের ও সমাজের উন্নয়নে আরও বেশি ভূমিকা রাখতে পারে।   </p>



<p class="has-text-align-center has-medium-font-size"><strong>-: মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার উপায় :-  </strong></p>



<p>মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে আমরা যা যা করতে পারি &#8211; </p>



<p class="has-vivid-red-color has-text-color has-medium-font-size"><em><strong>১ ) নিজের যত্ন নাও :- </strong></em></p>



<p>মানসিক সুস্থতা ও সুস্থ ভাবাবেগ পেতে নিজের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। অবদমিত আবেগ প্রকাশের ফলে মানসিক চাপ ও জটিলতা কমে যায়। নিজের জন্য কিছুটা সময় আলাদা রাখো , নিজের মনের কথা শোনো ,বই পড়ো গান শোনো। অতীত ও ভবিষ্যৎ ভুলে বর্তমানে থাকার চেষ্টা করো। </p>



<p class="has-vivid-red-color has-text-color has-medium-font-size"><em><strong>২ ) পুষ্টিকর খাদ্যগ্রহণ :-</strong></em></p>



<p> বিভিন্ন গবেষণায় বিজ্ঞানীরা এটাই দেখেছেন যে সুষম ও পুষ্টিকর খাবার কেবল আমাদের শরীরকেই নয় , মনকেও ভালো রাখে। অন্যদিকে অস্বাস্থ্যকর ফ্যাটি খাবার আমাদের বিষন্নতার জন্য মারাত্মক দায়ী।<strong> ভিটামিন</strong> <strong>বি -১২</strong>, <strong>ওমেগা -৩</strong> <strong>ফ্যাটি অ্যাসিড</strong> সমৃদ্ধ খাবার আমাদের মস্তিষ্কের আবেগ নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনগুলোকে চাঙ্গা রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া তাজা ফলমূল ও সবজি একটা বড় ভূমিকা রাখে আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যে।পুষ্টিকর খাবার নিয়মিত খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ফলে শারীরিক ও মানসিক উভয় স্বাস্থ্যই সুস্থ থাকে। </p>



<p class="has-vivid-red-color has-text-color has-medium-font-size"><em><strong>৩) পর্যাপ্ত ঘুম :- </strong></em></p>



<p class="has-normal-font-size">শরীর সুস্থ রাখতে যেমন পর্যাপ্ত ঘুমের বিকল্প নেই তেমনই মনকে সুস্থ রাখতেও ঘুমের কোন বিকল্প নেই। কারণ পর্যাপ্ত ঘুমের  অভাবে আমাদের মেজাজ খিটখিটে হয়ে ওঠে ফলে আমরা ক্লান্তিবোধ করি , কমে যায় কর্মস্পৃহাও। ঘুমের সময় আমাদের শরীর ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলি সারিয়ে তোলে আমাদের মন ও মেজাজকে চাঙ্গা রাখে। তাই মানসিক স্বাস্থ্য সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত বিশ্রাম জরুরি। </p>



<p class="has-text-align-center has-vivid-red-color has-luminous-vivid-amber-background-color has-text-color has-background"><strong>জেনে নিন : <a href="https://preronajibon.com/insomnia-can-cause-these-eight-dangerous-problems/">ঠিকমতো ঘুম না হলে যে ৮ টি মারত্মক সমস্যা হতে পারে</a></strong></p>



<p class="has-vivid-red-color has-text-color has-medium-font-size"><em><strong>৪) নিয়মিত ব্যায়াম :- </strong></em></p>



<p>মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য শারীরিক ব্যায়াম খুবই জরুরি। স্ট্রেস ও বিষন্নতা কাটাতে ব্যায়াম ভীষণ কাজে আসে। ব্যায়ামের ফলে শরীরে স্ফূর্তি আসে , ক্লান্তি ও মানসিক চাপ হ্রাস পায়। তাই মনকে চাঙ্গা রাখতে নিয়মিত ব্যায়াম করার অভ্যেস গড়ে তোলো। </p>



<p class="has-vivid-red-color has-text-color has-medium-font-size"><em><strong>৫) শখের কাজ করো :- </strong></em></p>



<p>নিজের শখের কাজগুলি করতে পারলে মন ভালো থাকে, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়। দুশ্চিন্তা মাথায় আসে না এবং অবদমিত আবেগগুলিও প্রকাশ পায়। যেমন &#8211; বাগান করা , রান্না কিংবা সেলাই করা, নতুন কোনো কিছু শেখা ইত্যাদি। ফলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। </p>



<p class="has-text-align-center has-vivid-red-color has-luminous-vivid-amber-background-color has-text-color has-background"><strong>জেনে নিন : <a href="https://preronajibon.com/5-ways-to-instantly-release-tension/">টেনশন থেকে মুক্তির ৫ টি উপায় </a></strong></p>



<p class="has-vivid-red-color has-text-color has-medium-font-size"><em><strong>৬) নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখো:- </strong></em></p>



<p> নিজের দুর্বলতাগুলো মেনে নিয়ে নিজের ক্ষমতার ওপর বিশ্বাস রাখলে জীবনে এগিয়ে চলার সাহস পাওয়া যায়। আমরা কেউই  নিখুঁত নই। অন্যের সাথে নিজের তুলনা করে নিজের দুর্বলতাগুলো নিয়ে চিন্তা করা বোকামির কাজ। এতে করে হীনমন্যতা ,হতাশা ,বিষন্নতা বৃদ্ধি পায়। তার থেকে নিজের দুর্বলতাগুলো মেনে নিয়ে কিংবা তা দূর করার প্রয়াস করলে নিজের প্রতি বিশ্বাস বাড়বে। </p>



<p></p>



<p class="has-vivid-red-color has-text-color has-medium-font-size"><em><strong>৭) কৃতজ্ঞ থাকা :-</strong></em></p>



<p> সারাদিন কি কি পেয়েছো তার একটা লিস্ট বানাও তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করো। যা পাও নি তা নিয়ে কষ্ট পেও না, যতটুকু পেয়েছো তাতে খুশি থাকার চেষ্টা করো এতে করে মনের ভেতর ইতিবাচকতা জন্ম নেবে।  </p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter size-large"><img loading="lazy" decoding="async" width="758" height="508" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2020/02/Spend-Time-Family.jpg" alt="মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার উপায়" class="wp-image-1186" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2020/02/Spend-Time-Family.jpg 758w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2020/02/Spend-Time-Family-300x201.jpg 300w" sizes="auto, (max-width: 758px) 100vw, 758px" /></figure></div>



<p class="has-vivid-red-color has-text-color has-medium-font-size"><em><strong>৮) প্রিয়জনদের সঙ্গে বেশি করে সময় কাটাও :- </strong></em></p>



<p>প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটালে মন সুস্থ থাকে। নিজেকে ঘরবন্দি রাখলে হতাশা ও দুশ্চিন্তা বাড়তে থাকবে ফলে মানসিক সমস্যার দেখা দিতে পারে। বন্ধুবান্ধব ,পরিবারের সাথে মন খুলে মেশো। একটু হাসি একটু আলিঙ্গন মনকে সুস্থ করে তুলতে দারুন উপযোগী। </p>



<p class="has-vivid-red-color has-text-color has-medium-font-size"><em><strong>৯) সক্রিয় থাকো :- </strong></em></p>



<p>অলস হয়ে বসে থাকলে নানা দুশ্চিন্তা মাথায় ভিড় জমাতে থাকে।  তাই সবসময় কাজের মধ্যে থাকো তাহলে মন এমনিতেই ভালো থাকবে। </p>



<p class="has-vivid-red-color has-text-color has-medium-font-size"><em><strong>১০) ক্ষমা করো : &#8211; </strong></em></p>



<p>দীর্ঘদিন ধরে কারো প্রতি ক্ষোভ জমতে থাকলে মানসিক অসুস্থতার সূত্রপাত হতে পারে। তাই ক্ষমা করে দাও ক্ষমাই পারে মানসিক প্রশান্তি দান করতে। ক্ষমা করো সুস্থ থাকো। </p>



<p>এতক্ষন ধরে যে উপায়গুলো বলা হলো সেগুলো আমাদের হাতে রয়েছে যা অবলম্বন করে আমরা মানসিক ভাবে সুস্থ থাকতে পারি। । কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ মানসিক সমস্যা নিরাময় এর জন্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। শারীরিক ক্ষতি ভালো হলেও মানসিক ক্ষতি সহজে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয় না। আমাদের চারপাশে রোজ কিছু নৃশংস ঘটনা ঘটছে , যারা ভুক্তভোগী তাদের মধ্যে সাংঘাতিক মানসিক চাপ ,ভয় ,বিষন্নতা,হতাশাসহ নানা ধরণের মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। আমাদের উচিত তাদের পাশে থাকা ,তাদের হেয় চোখে না দেখে কিভাবে তারা পুরোপুরি সুস্থ জীবন পেতে পারে তার ব্যবস্থা করা।</p>



<p>আশাকরি মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার উপায় গুলি তোমাদের কাজে লাগবে আর এই ধরনের লেখার আপডেট পেতে নিচের বেল আইকনে ক্লিক করে আমাদের ওয়েবসাইটের সমস্ত নোটিফিকেশন নিজের মোবাইলে পেয়ে যাও। আমাদের সাথে যুক্ত থাকতে আমাদের <a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজটি</a> ফলো করো।</p>



<p class="has-text-align-center"><strong>This Article is Written By &#8211; Ferdousi Manjira (Founder of Preronajibon.com)</strong></p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/ways-to-improve-mental-health/">মানসিক স্বাস্থ্যের সংজ্ঞা, গুরুত্ব এবং তা ভালো রাখার কয়টি উপায়</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/ways-to-improve-mental-health/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আমলকি ও হরিতকির অসাধারণ উপকারিতা</title>
		<link>https://preronajibon.com/health-benefits-of-haritaki-indian-gooseberry/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/health-benefits-of-haritaki-indian-gooseberry/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 20 Jun 2019 11:42:59 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শরীর ও স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[bd health tips]]></category>
		<category><![CDATA[bengali health tips]]></category>
		<category><![CDATA[health tips bangla]]></category>
		<category><![CDATA[আমলকি হরিতকির উপকারিতা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=676</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 4</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>প্রকৃতি তার যে অফুরন্ত ভান্ডার উন্মুক্ত করে রেখেছেন , যার সমস্তই প্রাণী জগতের কল্যান সাধনের উদ্দেশ্যে ৷ প্রকৃতির অপার ফলের</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/health-benefits-of-haritaki-indian-gooseberry/">আমলকি ও হরিতকির অসাধারণ উপকারিতা</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 4</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p>প্রকৃতি তার যে অফুরন্ত ভান্ডার উন্মুক্ত করে রেখেছেন , যার সমস্তই প্রাণী জগতের কল্যান সাধনের উদ্দেশ্যে ৷ প্রকৃতির অপার ফলের সম্ভারে রয়েছে , অসংখ্য প্রজাতির বেঁচে থাকার গল্প ৷ এছাড়া মানুষের জীবনে উন্নত খাদ্য তালিকার পাশাপাশি , ফল একটি গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ৷ আজকের এ আলোচনায় আমরা আমলকি ও হরিতকির উপকারিতা সম্বন্ধে জানব ৷ অর্থাৎ এই দুটো ফলের কী এমন উপাদান রয়েছে , যা খেলে মানব শরীরে মহাষৌধির মতো কাজ করে ৷</p>



<h3 class="wp-block-heading"> কী কী উপাদানে সমৃদ্ধ আমলকি </h3>



<p>আমরা জানি আমলকির মধ্যে
প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি রয়েছে ৷
কিন্তু আমরা অনেকেই জানি
না , ভিটামিন C ছাড়াও ভিটামিন A এবং
ভিটামিন B সিরিজের সমস্ত ভিটামিন আমলকির
মধ্যে বর্তমান ৷ এছাড়া বিভিন্ন
রকম খনিজ উপাদানে ভরপুর
আমলকি ফলটি ৷ যেমন—</p>



<p>আয়রন , পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম , ক্যালসিয়াম ও প্রচুর পরিমানে ফাইবার রয়েছে ৷ যা আমাদের মানব শরীরে প্রবেশ করলে , ঔষধির মতো কাজ করে ৷</p>



<p>আলোচনা প্রসঙ্গে জেনে রাখা ভালো , আমলকিতে যেহেতু প্রচুর ভিটামিন সি থাকে , কিন্তু এই ভিটামিন সি এর পরিমান অন্যান্য ফলের তুলনায় আমলকিতে কতগুণ পরিমানে বেশি থাকে , তা নিচে দেওয়া হল ৷</p>



<p>ক:— পেয়ারার চেয়ে ৩ গুণ
বেশি ৷</p>



<p>খ:— লেবুর চেয়ে ১০ গুন বেশি ।</p>



<p>গ:— কমলার চেয়ে ১৫/২০ গুণ বেশি
।</p>



<p>ঘ:— আপেলের চেয়ে ১২০
গুণ বেশি ।</p>



<p>ঙ:— আমের চেয়ে ২৪
গুণ বেশি ।</p>



<p>চ:— কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ।</p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter"><img loading="lazy" decoding="async" width="308" height="308" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/06/Amla-Health-Benefits.jpg" alt="আমলকির উপকারিতা" class="wp-image-678" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/06/Amla-Health-Benefits.jpg 308w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/06/Amla-Health-Benefits-150x150.jpg 150w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/06/Amla-Health-Benefits-300x300.jpg 300w" sizes="auto, (max-width: 308px) 100vw, 308px" /></figure></div>



<p class="has-text-color has-luminous-vivid-orange-color"><strong>১। আমলকির উপকারিতা :—</strong></p>



<p>সুতরাং আমরা বুঝতেই পারছি , আমলকির মধ্যে যে সমস্ত উপাদান রয়েছে , তা খাওয়ার মাধ্যমে মানব শরীরে প্রবেশ করলে , তার উপকারিতা অপরিসীম ৷ এবার বরং সরাসরি জেনে নিই , আমলকি খেলে আমাদের কী কী উপকার সাধিত হতে পারে ৷</p>



<p><strong>i) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে :—</strong></p>



<p>বিজ্ঞানীদের মতে আমলকিতে সবচেয়ে বেশি পরিমান এন্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে , যা খেলে আমাদের মানব দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা প্রচুর পরিমানে বৃদ্ধি পায় ৷ এছাড়া প্রচুর ভিটামিন সি রয়েছে বলে , ফ্রি রেডিকেলের প্রভাব থেকে মুক্ত রাখে , হাড়কে মজবুত করে ৷</p>



<p><strong>ii) শ্বাস-প্রশ্বাস জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি :—</strong></p>



<p>আমরা জানি আমলকির মধ্যে বিভিন্ন খনিজ উপাদান বর্তমান ৷ যার মধ্যে একটি গুরত্বপূর্ণ উপাদান হল আয়রন ৷ যা আমাদের রক্তে হিমোগ্লোবিন ও শ্বেত কনিকার পরিমান বৃদ্ধিতে ভীষণভাবে সহায়তা করে ৷ ফলে সাধারন সর্দি-কাশি থেকে এজমা এবং ব্রংকাইটিসের মতো শ্বাস প্রশ্বাস জনিত রোগ থেকে শরীরকে মুক্তি দান করতে বিশেষভাবে সক্ষম হল আমলকি ৷</p>



<p><strong>iii) সুন্দর ত্বক ও চুলের জন্য : &#8211;</strong></p>



<p>রোজ সকালে আমলকির রস মধু মিশিয়ে পান করলে , ত্বকের কালো দাগ এবং ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা থেকে তুমি নিস্কৃতি পেতে পার ৷ এছাড়া ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে বিশেষ কার্যকরী আমলকি ৷ এছাড়া নির্দিষ্ট নিয়মে নারকেল তেলে আমলকি মিশিয়ে গরম করে , ঠান্ডা হবার পর নিয়মিত সেই তেল চুলে ব্যবহার করলে , তুমিও সুন্দর চুলের অধিকারী হতে পারো ৷</p>



<p><strong>iv ) হজমে সহায়তা ও কোষ্ঠ্যকাঠিন্য থেকে মুক্তি :-</strong></p>



<p>আমলকিতে যেহেতু প্রচুর পরিমানে ফাইবার থাকে , যা মানব দেহে খাদ্য পরিপাক ও হজমে বিশেষ গুরত্বপূর্ণ ৷ তাই কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের মতো খারাপ রোগ থেকে মানুষকে মুক্ত করতে বিশেষ সক্ষম আমলকি ৷</p>



<p><strong>v) ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে বিশেষ কার্যকরী :- </strong></p>



<p>যারা ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত , তারা নিয়মিত আমলকি খেলে ইন্সুলিনের নির্গমন নিয়ন্ত্রিত হয় এবং রক্তে শর্করার পরিমান কমাতে বিশেষ সহায়তা করে ৷ গবেষণায় দেখা গেছে , ডায়াবেটিসের যে কোনো ঔষধের চেয়ে , আমলকি তিন গুণ বেশি কার্যকরী ভূমিকা পালন করে ৷</p>



<p><strong>২। এছাড়া আমলকির অন্যান্য উপকারিতাগুলো নীচে সংক্ষেপে দেওয়া হল:—</strong></p>



<p>i)&nbsp; আমলকি যকৃতের বিষাক্ততা
দূর করে , হ্নদযন্ত্র ও
ফুসফুসকে শক্তিশালী করে মস্তিস্কের শক্তিবর্ধন
করে ৷</p>



<p>ii ) যাদের
শরীরে অতিরিক্ত মেদের জন্য অতিরিক্ত
ওজন বহন করে , নিয়মিত
আমলকি খাওয়ার মাধ্যমে মেদ
ঝরিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণ করে
আমলকি ৷</p>



<p>iii) আমলকির মধ্যে যে এন্টি অক্সিডেন্ট থাকে , তা মানব দেহে ক্যান্সারের বিরূদ্ধেও লড়াই করতে সক্ষম ৷ </p>



<p>iv) বমি , পেটের ব্যথা ও পাইলসের মতো রোগ নিরাময়ে আমলকি বিশেষ ভূমিকা পালন করতে পারে ৷</p>



<p style="text-align:center" class="has-text-color has-background has-vivid-red-color has-luminous-vivid-amber-background-color"><strong>জেনে নিন : <a href="https://preronajibon.com/ten-benefits-of-kissing/">চুমু খাওয়ার ১০ টি উপকারিতা </a></strong><a href="https://preronajibon.com/ten-benefits-of-kissing/"> </a></p>



<h3 class="wp-block-heading"> কোন কোন উপাদানে সমৃদ্ধ হরিতকি  </h3>



<p>হরতকি বা হরিতকি ফলে প্রচুর পরিমানে পুষ্টিসমৃদ্ধ উপাদান রয়েছে ৷ এটি খেলে শরীরের ক্ষতি একেবারেই নেই , বরং কোন না কোন উপকার তুমি অবশ্যই পাবে ৷ হরিতকিতে সাধারনত ট্যানিন , এমাইনো এসিড , ফ্রুকটোস , বিটা সাইটোস্টেবল প্রভৃতি পুষ্টি সমৃদ্ধ অপাদানে ভরপুর ৷ এবার দেখে নেওয়া যাক , হরিতকির এ সমস্ত উপাদান আমাদের শরীরে কীভাবে উপকারিতা সাধন করে ৷</p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter"><img loading="lazy" decoding="async" width="368" height="357" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/06/Haritaki-Health-Benefits.jpg" alt="হরীতকীর উপকারিতা" class="wp-image-679" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/06/Haritaki-Health-Benefits.jpg 368w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/06/Haritaki-Health-Benefits-300x291.jpg 300w" sizes="auto, (max-width: 368px) 100vw, 368px" /></figure></div>



<p><strong>i) দাঁতের ব্যথা ও গলা ব্যথায় বিশেষ সহায়ক : &#8211;</strong></p>



<p>অনেক সময় সর্দিকাশিতে আমাদের গলা ব্যথা হলে , হরিতকির গুড়ো ইষৎ উষ্ণ জলে মিশিয়ে গারগেল করলে , ব্যথা থেকে অনেকটা উপসম পাওয়া যায় ৷এছাড়া দাঁতের ব্যথা হলে , হরিতকির গুড়ো ব্যথার জায়গায় লাগিয়ে রাখলেও অনেক আরাম পাওয়া যায় ৷</p>



<p><strong>ii) রক্তচাপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা নেয় : &#8211;</strong></p>



<p>নিয়মিত হরিতকি ভেজানো জল অথবা হরিতকির গুড়ো মেশানো জল সকালে রোজ নিয়ম করে খালি পেটে পান করলে , আমাদের শরীরে উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে ৷ অন্ত্রের খিচুনি , হ্নদপিন্ডের অনিয়ম বর্ধক একটি মহাষৌধি হিসেবে কাজ করে ৷ দুর্বল স্নায়ুকে স্বাভাবিক করে তোলে ৷</p>



<p><strong>iii ) কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে :-</strong></p>



<p>হরিতকিতে অ্যানথ্রাইকুইনোন থাকার জন্য , রেচক বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ ৷ ফলে নিয়ম করে হরিতকি ভেজানো জল পান করলে আমাদের কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয় ৷ এছাড়া এলার্জি দূর করতেও সক্ষম হরিতকি মেশানো জল ৷</p>



<p><strong>iv ) দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা নেয় :-</strong></p>



<p>আয়ূর্বেদ শাস্ত্রে বলা হয়েছে , যারা চোখের দৃষ্টিশক্তি জনিত কারনে ভোগে , তাদের নিয়মিত হরিতকি ফল অথবা তার গুড়ো মিশ্রিত জল নিয়মিত পান করা আবশ্যক ৷ফলে চোখের দৃষ্টি সংক্রান্ত সমস্যা থেকে নিস্কৃতি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ৷</p>



<p><strong>v) এছাড়া হরিতকির অন্যান্য উপকারিতাগুলো নিচে দেওয়া হল:—</strong></p>



<p>ক)&nbsp; ঘন
ঘন জলের তেষ্টা ও
বমি অথবা বমি ভাব
হলে , হরিতকি মেশানো জল
পানে , আরোগ্য লাভ হয়
৷</p>



<p>খ) হরিতকি দেহের শক্তি
বৃদ্ধিতে , স্নায়ুকে স্বাভাবিক ও মস্তিস্ককে ঠান্ডা
রাখতে বিশেষ সহায়ক ৷</p>



<p>গ) নিয়মিত হরতকি খেলে
, পেট পরিষ্কার থাকে এবং পেটের
বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্তি
পাওয়া যায় ৷</p>



<p>ঘ) আমাশয় , জন্ডিস , ও গলার স্বরকে ঠিকঠাক রাখতে হরিতকি বিশেষ উপকারী । </p>



<p>ঙ) খাবার রুচি ধরে রাখতেও হরতকির ভূমিকা অনস্বীকার্য ৷ </p>



<p> আমাদের উপমহাদেশীয় দেশগুলোতে প্রায় পাঁচ হাজার বছর ধ&#8217;রে ভেষজ চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রচলন রয়েছে ৷ আর ভেষজ চিকিৎসা বলতে আমলকি ও হরিতকির ভূমিকা অদ্বিতীয় ৷ শুধু কথার কথা নয় , সত্যি সত্যিই আমলকি এবং হরিতকি মানব দেহকে সুস্থ ও স্বাভাবিক রাখতে কতটা প্রাসঙ্গিক , সেটাই ব্যবহারের দ্বারা একমাত্র প্রমাণ ৷ সুতরাং বন্ধুরা আজ থেকেই হরিতকি এবং আমলকি নিয়মিত খাবার চেষ্টা কর , নিজের শরীরকে সুস্থ রাখার চেষ্টা কর , ভালো থেকো । </p>



<p>আমাদের নতুন নতুন বিষয়ে লেখা পড়বার জন্য <a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজ</a> এ সঙ্গে থেকো ।আমলকি ও হরিতকির অসাধারণ উপকারিতা  ৷ </p>



<p style="text-align:center"><strong>This Article Is Submitted By</strong></p>


<div class="tmm tmm_mithun"><div class="tmm_3_columns tmm_wrap tmm_theme_f"><span class="tmm_two_containers_tablet"></span><div class="tmm_container"><div class="tmm_member" style="border-top:#333333 solid 5px;"><div class="tmm_photo tmm_pic_mithun_0" style="background: url(https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/03/Mithun-Roy.jpeg); margin-left: auto; margin-right:auto; background-size:cover !important;"></div><div class="tmm_textblock"><div class="tmm_names"><span class="tmm_fname">Mithun </span> <span class="tmm_lname">Roy</span></div><div class="tmm_job">Writer - Contributor</div><div class="tmm_scblock"></div></div></div><div style="clear:both;"></div></div></div></div>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/health-benefits-of-haritaki-indian-gooseberry/">আমলকি ও হরিতকির অসাধারণ উপকারিতা</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/health-benefits-of-haritaki-indian-gooseberry/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>চুমু খাওয়ার ১০ টি উপকারিতা</title>
		<link>https://preronajibon.com/ten-benefits-of-kissing/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/ten-benefits-of-kissing/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 15 Jun 2019 05:17:42 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[রিলেশনশিপ]]></category>
		<category><![CDATA[benefits of kissing]]></category>
		<category><![CDATA[bengali health tips]]></category>
		<category><![CDATA[health tips bangla]]></category>
		<category><![CDATA[কিস করার উপকারিতা]]></category>
		<category><![CDATA[চুমু খাওয়ার উপকারিতা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=663</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 3</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>সাধারণত আমরা চুমু বা চুম্বন বিষয়টিকে শুধুমাত্র প্রিয়জনের প্রতি ভালোবাসা বা প্রেম প্রকাশের একটা মাধ্যম হিসেবে দেখে থাকি, কিন্তু বর্তমানের</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/ten-benefits-of-kissing/">চুমু খাওয়ার ১০ টি উপকারিতা</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 3</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p>সাধারণত আমরা চুমু বা চুম্বন বিষয়টিকে শুধুমাত্র প্রিয়জনের প্রতি ভালোবাসা বা প্রেম প্রকাশের একটা মাধ্যম হিসেবে দেখে থাকি, কিন্তু বর্তমানের বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা যাচ্ছে যে চুমু খাওয়ার বেশ কয়েকটি স্বাস্থ্যকর উপকারিতা রয়েছে। তাই তোমার প্রিয়জনের সঙ্গে এই বিশেষ কাজটি করার সময় শুধুমাত্র মানসিক আনন্দ ছাড়াও যেসব শারীরিক উপকারগুলো তুমি পাচ্ছ সেগুলি জানতে চটপট নিচের পয়েন্টগুলি দেখে নাও । </p>



<h3 class="wp-block-heading">চুম্বনের বা Kiss করার উপকারিতা </h3>



<p class="has-luminous-vivid-orange-color has-text-color"><strong><span style="text-decoration: underline;">১. মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে : </span></strong></p>



<p>আজকাল প্রতিটি মানুষই কমবেশি মানসিক চাপের শিকার । আধুনিক গবেষণায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যে ,  সামান্য একটা চুমু তোমার এই মানসিক চাপ , হাইপারটেনশন অনেকটাই কমিয়ে আনতে সক্ষম ।</p>



<p class="has-luminous-vivid-orange-color has-text-color"><strong><span style="text-decoration: underline;">২. আত্মবিশ্বাস বাড়ায় :</span></strong></p>



<p>এটা আমরা সবাই জানি যে চুমু প্রিয়জনের প্রতি ভালোবাসা প্রেম ও যত্নের প্রকাশ , তাই প্রিয়জনের কাছ থেকে পাওয়া এই চুমু অনেকক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করে -এ কথা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না । </p>



<p class="has-luminous-vivid-orange-color has-text-color"><strong><span style="text-decoration: underline;">৩. উচ্চ-রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে : </span></strong></p>



<p>চুম্বন হার্টরেট বাড়িয়ে দেয় , যা শরীরে রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি করে এবং তারফলে রক্তচাপ খুব দ্রুত কমে আসে । চুমু খাওয়ার অন্যতম ভালো একটি দিক ।</p>



<p class="has-luminous-vivid-orange-color has-text-color"><strong><span style="text-decoration: underline;">৪. রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে : </span></strong></p>



<p>চুম্বনের মাদ্ধমে যে লালারস বা সালিভার আদানপ্রদান হয় তাতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকাংশে বৃদ্ধি পায়। ২০১৪ সালে <strong>BioMed Central Ltd</strong> এর প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, যে <a href="https://microbiomejournal.biomedcentral.com/articles/10.1186/2049-2618-2-41">বৈজ্ঞানিক গবেষণায়</a> দেখা গেছে যেসমস্ত কাপলরা নিয়মিত কিস করে তাদের স্যালিভা আদানপ্রদানের মাধ্যমে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।  </p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" src="https://media1.tenor.com/images/5c712c9fc3f17b1735a36b8ec65996ba/tenor.gif?itemid=12535181" alt="" width="360" height="300"/></figure></div>



<p class="has-luminous-vivid-orange-color has-text-color"><strong><span style="text-decoration: underline;">৫. ব্যথা কমাতে সাহায্য করে :</span></strong></p>



<p>অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি যে , চুমু দেহে এড্রিনালিন হরমোনের ক্ষরণ ঘটায় , যা দেহের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে । </p>



<p class="has-background" style="background-color:#faf700"><strong>জেনে রাখুন : <a href="https://preronajibon.com/how-a-happy-relationship-makes-you-fat/">Relationship এ আসার পর মানুষ মোটা হয়ে যায় কেন ?</a></strong></p>



<p class="has-luminous-vivid-orange-color has-text-color"><strong><span style="text-decoration: underline;">৬. দাঁতের ক্ষয় কমায় :</span></strong></p>



<p>চুম্বনের সময় লালাগ্রন্থি লালারস ক্ষরণ ঘটায় , যা আমাদের দাঁতের ওপর একটি আস্তরণ সৃষ্টি করে ও খাবার আটকে থাকতে দেয় না , ফলে দাঁতের ক্ষয় কম হয় ।</p>



<p class="has-luminous-vivid-orange-color has-text-color"><strong><span style="text-decoration: underline;">৭. সম্পর্ক সুদৃঢ় করে :</span></strong></p>



<p>কিস করলে আমাদের শরীর <strong>Oxytocin</strong> হরমোন ক্ষরণ ঘটায় , যাকে “<strong>The Love Hormone</strong>” বলে । এর ফলে আমাদের মস্তিষ্কে এক ভালোবাসার অনুভূতি সৃষ্টি হয় এবং সম্পর্ক সুদৃঢ় হয় । </p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter"><img decoding="async" src="https://media1.tenor.com/images/ef9687b36e36605b375b4e9b0cde51db/tenor.gif?itemid=12498627" alt=""/></figure></div>



<p class="has-luminous-vivid-orange-color has-text-color"><strong><span style="text-decoration: underline;">৮. যৌন আকাঙ্ক্ষার বৃদ্ধি ঘটায় :</span></strong></p>



<p>সুস্থ যৌন জীবন শারীরিক সুস্থতার অন্যতম লক্ষণ । চুমু আমাদের শরীরে <strong>Testosterone </strong>নামক সেক্স হরমোনের ক্ষরণ ঘটে যা যৌনতার আকাঙ্ক্ষা বৃদ্ধি করে । </p>



<p class="has-luminous-vivid-orange-color has-text-color"><strong><span style="text-decoration: underline;">৯. মুখের ব্যায়াম : </span></strong></p>



<p>যদিও আমরা হয়তো কখনোই এভাবে ভাবিনা , কিন্তু চুম্বন একপ্রকারের ব্যায়ামও বটে । চুম্বনের সময় মুখের দুই দিক থেকে ত্রিশটির মত মাসেলের ব্যবহার হয়ে থেকে । তাই কিস করলে মুখের ব্যায়াম হয় । সবকটা ব্যায়ামই যদি এরকম মজাদার হতো তাহলে হয়তো আর ব্যায়াম করতে অনিচ্ছুক অলস মানুষ খুঁজে পাওয়া যেত না ।</p>



<p class="has-luminous-vivid-orange-color has-text-color"><strong><span style="text-decoration: underline;">১০. ক্যালোরি বার্ন করে :</span></strong></p>



<p>যেহেতু চুম্বন এক প্রকারের ব্যায়াম , তাই এতে যে ক্যালোরি বার্ন হবে তা খুবই স্বাভাবিক । চুম্বনের সময় প্রতি মিনিটে প্রায় ২ থেকে ২৫ ক্যালোরি পর্যন্ত আমরা বার্ন করি । তাই এরপর থেকে চুমু খাওয়ার সময় ঘড়ির কাটার দিকে নজর রাখবে , আর তোমার ডেইলি ক্যালোরি বার্ন এর টার্গেটের সাথে যোগ করবে ( জাস্ট মজা করলাম )।</p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" src="https://media.tenor.com/images/a1955424aef19b28310e0cd2ac36afc1/tenor.gif" alt="" width="220" height="220"/></figure></div>



<p>আশা করি এই তথ্যগুলো জেনে তোমাদের ভালো লাগলো । আবার চুমু খাওয়ার পেছনে অনেকগুলো নেতিবাচক যুক্তিও কিন্তু পাওয়া গেল । কিন্তু যেমনটা আমরা সকলেই জানি যে &#8221; <strong>Too much of anything is good for nothing</strong> &#8221; , খুব পছন্দের কোনো জিনিস বারবার করলে সেটার থেকে পাওয়া আনন্দ অনেকটাই কমে যায় , তাই সব কিছুরই একটা লিমিট থাকা দরকার ।</p>



<p>লেখাটা যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে পারো , আর না হয় নিজের চুমুর পার্টনারের সাথেই শেয়ার কর । এরকম মজার আপডেট পেতে আমাদের <a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজে</a> যুক্ত থাকো । আপডেট সরাসরি মোবাইলে পেতে পেজের নিচের লাল বেল আইকনে ক্লিক করে পেজটি সাব্স্ক্রাইব করে রাখো । </p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/ten-benefits-of-kissing/">চুমু খাওয়ার ১০ টি উপকারিতা</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/ten-benefits-of-kissing/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>2</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>প্রতিদিন কতটা এবং কীভাবে জল পান করা উচিত ৷</title>
		<link>https://preronajibon.com/how-much-water-you-should-drink-a-day/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/how-much-water-you-should-drink-a-day/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 14 May 2019 06:34:37 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শরীর ও স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[2019]]></category>
		<category><![CDATA[bengali health tips]]></category>
		<category><![CDATA[health tips bangla]]></category>
		<category><![CDATA[helth care bangla]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=567</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 4</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>আমরা সবাই জানি ,জলের আর এক নাম জীবন ৷ কেননা , অনেক কিছু ছাড়াই পৃথিবীতে বেঁচে থাকা সম্ভব ,কিন্তু জল</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/how-much-water-you-should-drink-a-day/">প্রতিদিন কতটা এবং কীভাবে জল পান করা উচিত ৷</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 4</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p>আমরা সবাই জানি ,জলের আর এক নাম জীবন ৷ কেননা , অনেক কিছু ছাড়াই পৃথিবীতে বেঁচে থাকা সম্ভব ,কিন্তু জল ছাড়া অসম্ভব । সাধারণ খাদ্যের যে ছয়টি উপাদান (কার্বহাইড্রেট ,প্রোটিন ,ফ্যাট ,ভিটামিন ,মিনারেল) তারমধ্যে জলও কিন্তু একটি উপাদান হিসেবে স্বীকৃত ৷ সুতরাং আমরা এই জল কীভাবে পান করব , সে বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক৷</p>



<p>এই জল পান নিয়ে আমাদের অনেকের অনেক ভুল ধারণা আছে ৷ আমরা ভাবি হয়তো বেশি বেশি জল পান করলে , আমরা অনেক বেশি সুস্থ থাকব ,ভালো থাকব ৷ কিন্তু এটা সম্পূর্ণই ভূল ধারণা । বরং চলো ,আজ জলপান নিয়ে কিছু সংশয় ও ভুল ধারণার অবসান ঘটাবার চেষ্টা করি ৷</p>



<p style="text-align:center" class="has-text-color has-background has-vivid-red-color has-luminous-vivid-amber-background-color"><strong><u>১.প্রতিদিন ঠিক কতটা জল পান করবে :</u></strong></p>



<p>সরাসরি একটা বিষয় জেনে নেওয়া ভালো , প্রতিদিন (৮—১০) গ্লাস জল আমাদের পান করা উচিত । যার পরিমান হবে (২—২.৫০ লিটার) | সাধারনভাবে জল পানের ক্ষেত্রে চারটি জিনিস কিন্তু মাথায় রাখতে হবে ৷ অর্থাৎ একটি মানুষের জলপান নির্ভর করে চারটি বিষয়ের উপর৷</p>



<ul class="wp-block-list"><li>     i) বয়স ।</li><li>     ii) তার ওজন ৷</li><li>     iii) সারাদিনের কাজকর্ম ৷</li><li>     iv) রোগ-ব্যাধির পরিস্থিতি ৷</li></ul>



<p>যেমন ধরো , একজন সুস্থ ও প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তির ওজন ৭০ কেজি , তিনি প্রতিদিন রোদে কাজ করেন , প্রচুর পরিমানে ঘাম ঝরে৷সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তির রোজ , কমপক্ষে (২.৫০ থেকে ৩ লি:) জলের প্রয়োজন ৷ আর শারীরিক কোনো ব্যাধি ,যেমন কিডনির সমস্যা থাকলে , সেই ব্যক্তিকে ডাক্তারি পরামর্শে জলপান করা আবশ্যক । সেক্ষেত্রে জলপানের পরিমানের তারতম্য হবে ।</p>



<p style="text-align:center" class="has-text-color has-background has-vivid-red-color has-luminous-vivid-amber-background-color"><strong><u>২.কীভাবে বুঝবে , তোমার জলপান সঠিকভাবে হচ্ছে : </u></strong></p>



<p>তোমার শরীরে জলপান প্রয়োজনের তুলনায় কম হচ্ছে অথবা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি হচ্ছে , এই বিষয়টি বোঝার একটি সহজ উপায় রয়েছে ৷ সাধারনত মনে রাখবে মানুষের ইউরিনের রঙ উজ্জ্বল হলুদ (light yellow) হয় ৷ শরীরে জলপানের পরিমান যদি কম হয় , তবে তোমার ইউরিনের রঙ গাঢ় হলুদ হয়ে যাবে(deep yellow) । তবে মনে রাখবে ,অনেক সময় কোনো মেডিসিন নেওয়ার কারণেও ,ইউরিনের রঙ গাঢ় হলুদ হয় ৷ আর যদি জল পানের আধিক্য বেশি মাত্রায় হয় , তবে ঘন ঘন মূত্র ত্যাগ ও মূত্রের রঙ হবে সাধারন জলের মতো । এই সাধারণ বিষয়গুলোর মাধ্যমেই তুমি বুঝবে , তোমার জলপান ঠিকঠাক হচ্ছে কি না । </p>



<p style="text-align:center" class="has-text-color has-background has-vivid-red-color has-luminous-vivid-amber-background-color"><strong><u>৩. কোন কোন সময় জলপান করবে : </u></strong></p>



<p>আমরা বেশিরভাগ মানুষই জানি না , কোন কোন সময় জল পান করা উচিত ৷ আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে একটি দারুন তত্ত্ব রয়েছে । সেখানে বলা হয়েছে , ঘুম থেকে উঠে ব্রাশ করার আগে ,দু-গ্লাস জল পান করা অনিবার্য । কেননা , সারারাত ধরে আমাদের মুখের ভেতর যে &#8216;এনজাইম&#8217; গুলো জমে থাকে ,তা জল পানের মাধ্যমে আমাদের পেটে গেলে ,হজমের জন্য দারুন কার্যকারী ভূমিকা পালন করে ৷ আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে এই &#8216;এনজাইম&#8217; গুলো সোনার চেয়েও মূল্যবান বলা হয়ে থাকে ।</p>



<p>এছাড়া খাবার খাওয়ার অন্তত আধঘন্টা আগে ও পরে ৷ এছাড়া সারাদিনে কিছুক্ষণ পর পর জল পানের মাধ্যমে , দেহের জলের চাহিদা মেটাতে হবে৷</p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter"><img loading="lazy" decoding="async" width="308" height="358" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/05/how-much-water-you-should-drink-in-a-day.jpg" alt="how much water you should drink in a day" class="wp-image-570" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/05/how-much-water-you-should-drink-in-a-day.jpg 308w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/05/how-much-water-you-should-drink-in-a-day-258x300.jpg 258w" sizes="auto, (max-width: 308px) 100vw, 308px" /></figure></div>



<p style="text-align:center" class="has-text-color has-background has-vivid-red-color has-luminous-vivid-amber-background-color"><strong><u>৪.কোন কোন সময় জল পান করবে না :</u></strong></p>



<p>নির্দিষ্ট কতগুলো সময়ে তোমাকে জল পান থেকে একদমই বিরত থাকতে হবে৷</p>



<p><strong><u>i) খাবার সময় :</u></strong><u> </u>কড়াইয়ে রান্না বসানোর পর , যদি কেউ একটু পর পর রান্নায় জল ঢেলে দেয় ,স্বভাবতই সেই রান্না ঠিকঠাকভাবে সেদ্ধ হবে না ৷ ঠিক তেমনি ,খাওয়ার মাঝে যদি একটু একটু জল পান করতে থাকো , তবে পেটের মধ্যে সে খাবার পরিপাক হবার ক্ষেত্রে বাধাপ্রাপ্ত হয় ৷ ফলে গ্যাস ,অম্বল ,ও নানারকম পেটের সমস্যা হতে পারে ৷</p>



<p><u><strong>ii) টয়লেট থেকে আসার পর :</strong></u><strong> </strong>সকালে ঘুম থেকে উঠে টয়লেট থেকে আসার পরেই জল পান না করাই উচিত ।কেননা , সে সময় শরীরের অনেক পেশি একেবারে শিথিল থাকে ৷ ফলে জল পান করলে , সে জল শরীরের কোনো কাজে তেমন লাগে না ৷ ফলে কিছুটা সময় পরেই , ইউরিনের মাধ্যমে সে জল বাইরে বেরিয়ে যাবে । </p>



<p><strong><u>iii)রাতে ঘুমানোর আগে</u> :</strong> রাতে ঘুমানোর আগে ,জল পান না করাই ভালো ৷কেননা , কিছুক্ষণ পর যখন তুমি গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হবে ,হয়তো হঠাৎই জল পান করার ফলে ,ঘুমের মধ্যে ইউরিনের চাপ হতে পারে ৷ ফলে ঘুম ভেঙে গিয়ে , ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে । তাই জল পান শোবার একঘন্টা আগে করাই ভালো ৷</p>



<p style="text-align:center" class="has-text-color has-background has-vivid-red-color has-luminous-vivid-amber-background-color"><strong><u>৫. কীভাবে জলপান শরীরের পক্ষে উপকারী :</u> </strong></p>



<p>এবারে চলো দেখে নেওয়া যাক , কীভাবে তুমি জল পান করবে : </p>



<p><br> i) জল তুমি বোতলে খাও কিংবা গ্লাসে খাও ৷ মনে রাখবে , যখনই তুমি জল পান করবে ,অবশ্যই গ্লাসে বা বোতলে মুখ লাগিয়ে জল পান করবে ৷</p>



<p>ii) যখনই জল পান করবে অবশ্যই বসে জলপান করবে । কারণ , দাঁড়ানো অবস্থায় জল পান করলে অনেকগুলো সমস্যা হবার সম্ভাবনা । কিডনির সমস্যা , নার্ভের সমস্যা থেকে অর্থ্রারাইটিস পর্যন্ত হতে পারে বলে গবেষণায় উঠে এসেছে । আমাদের দাঁড়ানো অবস্থায় জোলশোষক জালিকাগুলি সংকুচিত থাকে , ফলে জলের ক্ষতিকর উপদানগুলিও ভেতরে প্রবেশ করে ক্ষতি সাধন করে । আর দাঁড়িয়ে জলপান করলে জল জোর গতিতে পাকস্থলীতে ধাক্কা মারে এবং পাকস্থলীর পর্দাকে আঘাত করে , পরে যা অনেকগুলি সমস্যার কারণ হতে পারে । </p>



<p>iii) পথ চলতে চলতে যদি বোতলে জল পানের অভ্যাস থাকে , তাহলে আজই বন্ধ করে দাও । পরিবর্তে কোনো নির্দিষ্ট স্থানে বসে ,দুমিনিট সময় নিয়ে শান্তিতে জল পান করো ৷</p>



<p>iv) জল পানের ক্ষেত্রে সবচেয়ে মারাত্মক ও ক্ষতিকারক একটি অভ্যাস হল , অনেকক্ষণ পর জল পান করা ও মাত্রাতিরিক্ত পরিমানে জল পান করা ৷ আমাদের শরীরে জল ধরে রাখার একটি নির্দিষ্ট পরিমাপ রয়েছে ৷ তাই অধিক পরিমান জল পানে ,আমাদের শরীরের রক্তে জলের আধিক্য ঘটে ৷ ফলে রক্তের ইলেকট্রোলাইট সমুহ ,বিশেষত সোডিয়ামের ঘনত্ব কমে যায় । কোষের ভেতর জল ঢোকে এবং কোষ ফুলতে থাকে । একসাথে অধিক জলপানকে বিজ্ঞানের ভাষায় , &#8221;ওয়াটার পয়জনিং&#8221; বলা হয় । </p>



<p style="text-align:center" class="has-text-color has-background has-vivid-red-color has-luminous-vivid-amber-background-color"><strong><u>৬. যুবক-যুবতীদের জন্য বিশেষ টিপস : </u></strong></p>



<p>মনে রাখবে , এডাল্ট বয় থেকেই কিন্তু শরীরে বিভিন্ন রোগ-ব্যাধি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল । বিশেষত বংশগত (heridity) যে সমস্ত রোগ রয়েছে ।কেননা , এই সময় তারা যথেষ্ট বে-হিসেবি-বেপরোয়া-উদাসীন হয় ৷ রাস্তা ঘাটে বের হলেই বন্ধু বান্ধবদের সাথে বিভিন্ন খাবার খাওয়া । পাশাপাশি চা ,কফি , কোলড্রিঙ্ক জাতীয় পানীয় পান করে ৷ একটা কথা মনে রাখবে ,তুমি রোজ দু-লিটার জল পান করছ ,তারসাথে দিনের বিভিন্ন সময় চা , কফি, কোলড্রিঙ্কস পান করছ ৷ এই সবটা মিলে কিন্তু  , তোমার সারাদিনের তরল পানের হিসেব ।</p>



<p style="text-align:center" class="has-text-color has-background has-vivid-red-color has-luminous-vivid-amber-background-color"><strong><u>৭. কী ধরনের জল পান করবে : </u></strong></p>



<p>বাইরে থেকে গরমে এসেই , ফ্রিজের ঠান্ডা জল অথবা শীতকালে গরম জল পান &#8212; এটাই আমরা করে থাকি ৷ কিন্তু সবসময় জল পান করতে হবে , শরীরের তাপমাত্রার চার ডিগ্রী কম তাপমাত্রার জল ৷ অর্থাৎ যাকে বলে &#8220;<strong>রুম টেম্পারেচার</strong>&#8220;৷</p>



<p>সুতরাং জল পানের ক্ষেত্রে এসব বিষয়গুলো নিয়ম করে মেনে চললে , অবশ্যই শরীর ও স্বাস্থ্যে সুদূর প্রসারী ভালো ফল তুমি পাবেই পাবে । মোটকথা তুমি ভালো থাকবে । আমাদের <a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজ</a> এ এস কমেন্ট করে জানাও আরো কোন কোন বিষয় তোমরা জানতে চাও বা কী ধরণের লেখা চাও । সঙ্গে থেকো ।</p>



<p style="text-align:center" class="has-text-color has-background has-very-light-gray-color has-luminous-vivid-orange-background-color"><strong><em><u>This Article is Written By</u></em></strong></p>


<div class="tmm tmm_mithun"><div class="tmm_3_columns tmm_wrap tmm_theme_f"><span class="tmm_two_containers_tablet"></span><div class="tmm_container"><div class="tmm_member" style="border-top:#333333 solid 5px;"><div class="tmm_photo tmm_pic_mithun_0" style="background: url(https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/03/Mithun-Roy.jpeg); margin-left: auto; margin-right:auto; background-size:cover !important;"></div><div class="tmm_textblock"><div class="tmm_names"><span class="tmm_fname">Mithun </span> <span class="tmm_lname">Roy</span></div><div class="tmm_job">Writer - Contributor</div><div class="tmm_scblock"></div></div></div><div style="clear:both;"></div></div></div></div>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/how-much-water-you-should-drink-a-day/">প্রতিদিন কতটা এবং কীভাবে জল পান করা উচিত ৷</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/how-much-water-you-should-drink-a-day/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>3</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>

<!--
Performance optimized by W3 Total Cache. Learn more: https://www.boldgrid.com/w3-total-cache/?utm_source=w3tc&utm_medium=footer_comment&utm_campaign=free_plugin

Page Caching using Disk: Enhanced 
Lazy Loading (feed)
Minified using Disk

Served from: preronajibon.com @ 2026-04-23 21:19:01 by W3 Total Cache
-->