<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>parenting tips Archives - প্রেরণাজীবন</title>
	<atom:link href="https://preronajibon.com/tag/parenting-tips/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://preronajibon.com/tag/parenting-tips/</link>
	<description>PreronaJibon</description>
	<lastBuildDate>Sun, 12 May 2019 03:50:01 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2018/12/cropped-Favicn-32x32.png</url>
	<title>parenting tips Archives - প্রেরণাজীবন</title>
	<link>https://preronajibon.com/tag/parenting-tips/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>যে ৮টি কথা সন্তানকে বলা যাবে না ।</title>
		<link>https://preronajibon.com/eight-things-you-should-not-tell-your-child/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/eight-things-you-should-not-tell-your-child/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 11 May 2019 18:12:09 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[রিলেশনশিপ]]></category>
		<category><![CDATA[parenting tips]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=560</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 6</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>আজ আপনাদের সাধারণ কয়েকটি কথা বলব , যা আমরা হামেশাই আমাদের সন্তানকে বলে ফেলি । আর সেগুলি যখন সন্তানদের উপর</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/eight-things-you-should-not-tell-your-child/">যে ৮টি কথা সন্তানকে বলা যাবে না ।</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 6</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p>আজ আপনাদের সাধারণ কয়েকটি কথা বলব , যা আমরা হামেশাই আমাদের সন্তানকে বলে ফেলি । আর সেগুলি যখন সন্তানদের উপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলে , তখন আফশোস করি । এর কারণগুলি আমাদের রোজকার কথা,  আচরণ থেকেই অর্জন করে সন্তানেরা ।</p>



<p>যে কথাগুলো খুব গভীরভাবে সন্তানদের উপর প্রভাব ফেলে ,  সেগুলো বলে ফেলার পেছনে থাকে বাবা-মার ধৈর্যহীনতা , অহংকার , ঈর্ষা , অজ্ঞতা ইত্যাদি । অনেকেরই শুনে অভিমান হতে পারে , মনে হতে পারে যে , আমরা এত শিক্ষিত এত জানি । আমাদের সন্তানের প্রতি যা খুশি আচরণ করব । ওরা এমনি ভালো মানুষ হবে । সে হয়ে উঠুক , আমরা সবাই চাই  ।</p>



<p>সবাই নিজের সন্তানকে ভালোবাসি আমরা । সন্তানের জন্য পরিশ্রম করি , তাদের ভবিষ্যৎ ভাবনায় আমরা সর্বদাই চিন্তিত থাকি । আমরা তাদের জন্য প্রচুর অর্থ সম্পত্তির backup  গড়ে দেবার জন্য বাড়তি পরিশ্রমও করে থাকি অনেকে ।  কিন্তু এত চেষ্টা সত্ত্বেও আমরা আতঙ্কে থাকি বাস্তবের কিছু উদাহরণ দেখে । বাবা মা সন্তানের জন্য এত করলেও দেখা যায় সন্তান অনেক সময় বিগড়ে  যায় । বাবা মার কথা শোনে না । এমন অনেক সন্তান বাবা মার থেকে বিচ্ছিন্ন পর্যন্ত হয়ে যায় । এই সম্পর্ক আদালত পর্যন্ত গড়াতেও দেখা যায় ।  তখন অনেক বাবা মা-ই আফশোস করেন যে&#8211; সন্তান আমাদের মানুষ হল না । যদিও এর পেছনে অনেক কারণ থাকে । তবে একজন সন্তানকে যদি শিশু থেকেই ভালোভাবে তৈরি করা যায় তবেই তো দেশের ও নিজের মঙ্গল ।</p>



<p class="has-text-color has-luminous-vivid-orange-color">তাই মনে রাখতে হবে উজ্জ্বল কেরিয়ার-ই শুধু নয় , সন্তানকে একজন ভালো মানুষ ক&#8217;রে গড়ে তোলাও উচিত । এইজন্যই শিশু মনস্তাত্ত্বিক গবেষণায় উঠে এসেছে এমন কিছু কথা যেগুলি শিশু মনে গভীর প্রভাব ফেলে । </p>



<p><strong><u>তাহলে আসুন জেনে নিই এমন ৮ টি কথা যেগুলি কখনই সন্তানকে বলা যাবে না :</u></strong></p>



<p><strong>১. কথা :</strong> তুমি পারবে না / তোমার দ্বারা হবে না / তুমি কোনো কাজ ঠিকমত করতে পারো   না ।<br> <strong>প্রভাব :</strong> আত্মবিশ্বাস ভেঙ্গে যাওয়া ।</p>



<p>&#8212;তুমি কিছু পারো না । কালকেও ওদের বাড়িতে গ্লাসে জলটা পর্যন্ত ভরতে গিয়ে ফেলে দিয়েছ । সেদিন রাকাদের বাড়িতেও……. ইত্যাদি ইত্যাদি । <br> এইভাবে না পারার স-প্রমান তালিকা বাড়তে থাকে । আর এভাবেই সন্তানের আত্মবিশ্বাসটুকু নষ্ট হতে হতে তলানিতে এসে ঠেকে । </p>



<p>বাইরের মানুষ যে যাই বলুক তাদের কথা ততটা প্রভাব ফেলে না , যতটা বাবা-মা বললে প্রভাব ফেলে । তাই এমন কথা কখনোই বলা উচিত নয় যাতে  &#8220;পারবো না &#8221; এই কথাটা সন্তানের মনে দ্রুত বিশ্বাসে পরিণত হয় । এর ফলে ভবিষ্যতে কোনো ঝুঁকি নেবার মতো মানসিকতা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে । তাই কখনোই সন্তানকে বলা যাবে না  &#8212;&#8211;</p>



<p class="has-text-color has-luminous-vivid-orange-color">        ক. তুমি পারবে না &#8212;আমি করে দিচ্ছি । <br>        খ. তোমার দ্বারা হবে না । <br>        গ. তুমি কিচ্ছু পারো না (সঙ্গে আগের না পারার উদাহরণ ) । </p>



<p><strong>২. কথা :</strong> এখন না ,  পড়ে শুনবো &#8211;দেখছো না কাজ করছি , ব্যস্ত । / কতবার বলেছি , ফোনে কথা বলার সময় ডিস্টার্ব করবে না । <br> <strong>প্রভাব :</strong> গুরুত্ব না দেওয়ায় হীনমন্যতা ও ক্ষোভ ।</p>



<p>আধুনিক যন্ত্র-সভ্যতা আমাদের ক্রমশঃ ব্যস্ত করে তুলছে । আমরা হারাচ্ছি আমাদের খোলামেলা পরিবেশে মেলামেশার সুযোগ । সন্তানরাও হারাচ্ছে তাদের সুন্দর শৈশব কাটানোর সুযোগ । যার ফলে একদিকে আমরা একা হয়ে পড়ছি আর নানা ব্যস্ততার অজুহাতে সন্তানদেরও অলক্ষ্যেই করে তুলছি একা ।  মনে রাখতে হবে সন্তানেরা একটা কল্পনা মেশানো বাস্তব  জগতে বাস করে । তাদের একাকীত্ব ও নিরাপত্তাহীনতা থেকে বাঁচাতে হবে । কাজ বা ফোন কোনোটাই সন্তানের থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয় ।   তার কথাই আগে শুনতে হবে । তাকে বুঝিয়ে বলতে হবে &#8220;কাজটা করে নিই &#8221; বা &#8221; ফোনটা সেরে নিই&#8221; ।  তাই  মনে রাখতে হবে জ্ঞানত বা অজ্ঞানত সন্তানকে কখনোই বলবো না &#8212;-</p>



<p class="has-text-color has-luminous-vivid-orange-color">ক. দেখছো না ব্যস্ত । সময় নেই । কাজ করছি । পরে দেখবো ।<br>   খ. দেখছো না বড়রা কথা বলছে । বড়দের কথার মাঝে কথা বলতে নেই । <br>     গ. দেখছো না ফোন করছি । ডিস্টার্ব করো না । </p>



<p><strong>৩. কথা :</strong> তোমার জন্যই এতো খেটে মরছি । কত টাকা খরচ হচ্ছে তোমার পেছনে । তোমার জন্যই আমরা সব কিছু ত্যাগ করছি । <br> <strong>প্রভাব :</strong> খোটা দেওয়ায় বিদ্বেষ জন্মানো । </p>



<p>আমরাই পৃথিবীটাকে ভালোবেসে সুন্দর করে তুলতে সন্তানকে নিয়ে আসি । আর অত্যন্ত যত্নের সঙ্গে তাদের মানুষ করে তুলছি । কিন্তু সন্তান একটু বড় হতেই দেখা যেতে থাকে তাদের নিজস্বতা । পড়াশুনায় কম আগ্রহ , আমাদের চাপিয়ে দেওয়া গান- বাজনা -আর্ট -সাঁতার -ক্যারাটে -ডান্স ইত্যাদি কাজগুলোর প্রতি অবহেলা করতেও দেখা যায় । তখনই খোটা দিই ওই কথাগুলো বলে । <br>এই কথাগুলো মারাত্বক রকম প্রভাব ফেলে সন্তানের মনে । হাসিখুশি সন্তান হয়ে ওঠে হীনমন্যতার শিকার । যা আগে পারতো , করতো &#8212;- মানসিক যন্ত্রণায় দিনে দিনে সেগুলির আরো অবনতি হতে থাকে । তাই কখনোই অর্থ খরচের , ত্যাগ করার  বা পরিশ্রমের খোটা ভুলেও দেওয়া যাবে না । </p>



<p>তাই কখনোই সন্তানদের বলবো না &#8212;&#8211;</p>



<p class="has-text-color has-luminous-vivid-orange-color">      ক. তোমার জন্য কারি কারি টাকা খরচ করছি ।<br>      খ. তোমার জন্য আমরা আমাদের সমস্ত শখ আহ্লাদ বিসর্জন দিয়েছি।<br>      গ.তোমার জন্যই আমরা খেটে মরছি ।</p>



<p><strong>৪. কথা :</strong> পাঁচ মিনিটের মধ্যে এসো বলছি । <br>   <strong>প্রভাব : </strong>আদেশের বশ্যতায় জেদ বেড়ে যাওয়া । </p>



<p>মানুষের একটা স্বভাব হলো <strong>Bossisom</strong> ফলানো । আমি সন্তানের বাবা অথবা মা , আমার কথা শুনবে না এটা মেনে নেওয়া যায় ! আমি টাকা রোজগার করি , সমস্ত খরচ বহন করি আর সন্তান আমারই অবাধ্য হবে ?  ভেবে দেখুন এই কথার মধ্যে কতটা অহংকার আছে । সন্তানও তো একই ভাবে বলতে পারে আমি তোমাদের সন্তান আমি যা চাইবো তাই দিতে হবে । না , সেরকম প্রতিযোগিতায় যাওয়া যাবে না । মনে রাখতে হবে সন্তানের কাছে কখনোই রাজার মতো আদেশ করা চলবে না । এই আদেশ মান্য করতে গিয়ে নিজের ইচ্ছের বিরুদ্ধে কাজ করতে হয় । ফলে ভেতরে ভেতরে ঘৃণা জমতে থাকে । উদাহরণের অভাব নেই । তাই  কড়া শাসনের বা আদেশ দানকারী অভিভাবকত্ব থেকে আজই বেরিয়ে আসুন । যে কথাগুলো বলা যাবে না উদাহরণ হিসেবে তুলে দেওয়া হলো &#8212;&#8211;</p>



<p class="has-text-color has-luminous-vivid-orange-color">    ক. দু মিনিটের মধ্যে চলে এসো বলছি । <br>    খ. পাঁচ মিনিটের মধ্যে দেখি যদি এই কাজটা না হয় তবে মারবো ।<br>    গ. আমি বলছি । তোমাকে করতেই হবে । </p>



<p><strong>৫. কথা :</strong> তুমি ভীষণ অবাধ্য । কোনোদিনও কথা শোনো না । <br>     <strong>প্রভাব : </strong>পরিচিতির সাধারণীকরণ ।</p>



<p>খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় মনে রাখতে হবে &#8221; তুমি ভীষণ অবাধ্য&#8221; , &#8221; তুমি ভীষণ দুস্টু &#8221; , &#8221; তুমি কথা শোনো না &#8221;  এই কথাগুলির অর্থ হলো সে কখনোই কথা শোনে না  বা আজীবন সে দুস্টু । &#8211;এই কথাগুলো হলো সাধারণীকরণ । <br> কথাগুলো একটু বদল করে বলা যায় , &#8220;তুমি না আজ কিন্তু একটু দুস্টুমি করে ফেলেছো &#8221; , &#8221; <strong>তুমি একটুখানি অবাধ্যতা করেছো আজ</strong> &#8221; । <br>   আসলে <strong>NLP (Neuro Linguistic Program ) </strong>তত্ব অনুসারে বলা যায় যে Behaviour  এর জন্য Identity  কে খারাপ বলা যাবে না । দুস্টুমি করতেই পারে এটা তার Behaviour কিন্তু তার জন্য তার Identity দুস্টু বলতে পারি না । এভাবে তার Identity কে খারাপ বললে তার নিজের বিশ্বাস জন্মে যাবে যে সে আদতেই দুস্টু । তখন আর ভালো হবার চেষ্টাও করবে না । কেন না এটাই তার Identity । তাই শিশু কিশোর মনস্তত্ব অনুসারে বলতেই হয় যে , এই ধরণের কথা সন্তানকে বলা যাবে না &#8212;</p>



<p class="has-text-color has-luminous-vivid-orange-color">    ক. তুমি ভীষণ অবাধ্য ।<br>    খ. তুমি ভীষণ দুস্টু । <br>    গ. তুমি কখনোই কথা শোনো না । </p>



<p><strong>৬. কথা :</strong> অমুক কীভাবে পারছে , তুমি কেন পারো না ? <br> পাশের বাড়ির ছাত্র বা তোমার ফ্রেন্ড তো 100 তে 100 পেলো তুমি কেন পারলে না ?          <strong>প্রভাব :</strong> তুলনা করার ক্ষতিকর প্রভাব ।  </p>



<p>আমরা কথায় কথায় কারো না কারো সঙ্গে সন্তানদের তুলনা করে বসি । মনে রাখতে হবে পৃথিবীর প্রত্যেকটা মানুষ আলাদা &#8211; &#8212; তাদের দক্ষতা , রুচি , স্বভাব সব । তাই তুলনা করে আমরা শুধু তাদের ব্যক্তিত্বকেই ছোটো করছি না , তারমধ্যে জাগিয়ে দিচ্ছি হীনমন্যতাবোধও । যার ফলে তৈরি হতে থাকে বিদ্বেষ ও ঈর্ষাবোধও । যে কোনো কাজে ব্যর্থ হলেই তুলনা নয় বরং প্রতিটি ব্যর্থতা থেকে কী কী শিক্ষা পাওয়া যায় তাই বোঝানো ভালো । পরেরবার কীভাবে আরো নিখুঁতভাবে কাজটি করা যায় , তার চেষ্টা করা দরকার । আর এভাবেই সন্তানদের দুঃখ কষ্টের সহচর হওয়া বাবা মায়ের বড় দায়িত্বও বটে । </p>



<p><strong>৭. কথা :</strong> এত খাওয়াচ্ছি , ডাক্তার দেখাচ্ছি তবু চেহারা এমন । /দিন দিন কি বিশ্রী চেহারা বানাচ্ছো ।                                                                                                                                           <strong>প্রভাব :</strong> শরীর নিয়ে সমালোচনার ফলে হীনমন্যতা ।</p>



<p>সন্তানকে সরাসরি কিংবা অন্য অভিভাবক , বন্ধু, আত্মীয় , বা যে কারো সামনেই চেহারা নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করা যাবে না । মনে রাখা দরকার , নিজের সন্তান কেন কোনো মানুষকেই তার সামনে চেহারা নিয়ে সমালোচনা করা উচিত নয় । <br> এর ফলে আপনার সন্তান আপনার সামনে থেকে পালিয়ে বেড়াবে , ঘরকুনো হয়ে উঠবে আর অসামাজিক একটা স্বভাব তৈরি হবে । কারো সঙ্গে মেলামেশা না করলে বাবা মার খুব যন্ত্রনা হয় । ঐদিকে সন্তানও হীনমন্যতার শিকার হয়ে নিজেকে ছোট্ট কারাগারে বন্দি করে ফেলে , যা পরবর্তী বৃহত্তর জীবনে সমস্যা আরো বাড়িয়ে দেয় । <br> তাই এই কথাগুলো এড়িয়ে চলতে হবে &#8212;-</p>



<p class="has-text-color has-luminous-vivid-orange-color">      ক. কী চেহারা হচ্ছে দিন দিন হারগিলা / হাতি একেবারে ।<br>      খ. এত ওষুধ পত্র ফুড গেলানো হচ্ছে কোনো কাজই হয় না । <br>      গ. দিন দিন খুব খারাপ হচ্ছে চেহারা । </p>



<p><strong>৮.  কথা :</strong>  আমরা যদি তোমাদের মতো এত সুযোগ পেতাম না …../ তোমরা না চাইতেই সব পাও , এত সুযোগ সুবিধা , কিন্তু আমাদের সময় …..।<br> <strong>প্রভাব :</strong> নিজের সঙ্গে তুলনায় ঈর্ষা ও বিদ্বেষ । </p>



<p>মনে রাখতে হবে কখনোই নিজের যুগের সঙ্গে সন্তানদের তুলনা করতে নেই । কারণ দুটো যুগের অনেক কিছুই আমূল বদলে গেছে । এই তুলনা অবৈজ্ঞানিক । তাছাড়া বাবা মা যদি নিজের শৈশবের সঙ্গে বার বার তুলনা করেন তাহলে সন্তান বিরক্ত হয় । এর থেকে ভেতরে মানসিক যন্ত্রণার সৃষ্টি হয় । এভাবেই হীনমন্যতা বাড়তে থাকে আর নিজের প্রতি দোষারোপ করে করে আত্মবিশ্বাসটুকু হারাতে বসে । <br> তাই সন্তানকে বলা যাবে না &#8212;-</p>



<p class="has-text-color has-luminous-vivid-orange-color">     ক. আমাদের সময় এই করতাম আর তোমরা  ?<br>     খ .  তোমাদের মতো এত সুযোগ পেলে ……<br>     গ.   আমরা এত ঘণ্টা পড়তাম এত খাটুনি করতাম , আর তোমরা …..। </p>



<p>এই বাক্যগুলো নমুনা মাত্র । মনে রাখা প্রয়োজন এই বাক্যের নমুনাগুলো এক একটা বিষয়কে তুলে ধরেছে । এই সব কথা সন্তানকে বলা  থেকে বিরত হোন , আর হয়ে উঠুন সন্তানের সহমর্মী অভিভাবক-অভিভাবিকা । </p>



<p>আশা করি বন্ধুরা এই লেখাটি খুব কাজে লাগবে জীবনে । <br> আসলে আমরা এরকম অনেক আর্টিকেল পড়ি আর ভুলে যাই । সন্তান মানুষ করা ভীষণ ধৈর্যের কাজ । এত ভালোবাসার সন্তানের জন্য সামান্য কয়েকটি কথা এড়িয়ে চললেই সন্তানের জীবন বদলে যেতে পারে । </p>



<p>লেখাটি পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ । আমাদের <a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজ</a> এ আসুন আর সঙ্গে থাকুন । আপনার সন্তানের সঙ্গে আপনার সম্পর্ক আরো মধুর হয়ে উঠুক আর আপনার সন্তান আদর্শ একজন মানুষ হয়ে উঠুক &#8211;এই কামনা করি । <br>   আর হ্যাঁ , এই লেখাটি শেয়ার করতে ভুলবেন না , কে জানে আপনার মতোই আর কোনো বাবা -মা উপকৃত হতে পারবেন ।</p>



<p style="text-align:center"><strong><u>This Article is Written By </u></strong></p>



<pre class="wp-block-code"><code><div class="tmm tmm_410"><div class="tmm_1_columns tmm_wrap tmm_theme_f"><span class="tmm_two_containers_tablet"></span><div class="tmm_container"><div class="tmm_member" style="border-top:#333333 solid 5px;"><div class="tmm_photo tmm_pic_410_0" style="background: url(https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/03/Kishore-Majumder-Preronajibon.jpg); margin-left: auto; margin-right:auto; background-size:cover !important;"></div><div class="tmm_textblock"><div class="tmm_names"><span class="tmm_fname">Kishore</span> <span class="tmm_lname">Majumder</span></div><div class="tmm_job">Editor &amp; Writer</div><div class="tmm_desc" style="text-align:center"><p><strong>Kishore Majumder is the editor and writer of preronajibon. He is a teacher, poet and songwriter of bengali culture.&nbsp;He is also well-known as a youtuber and reciter of bengali poetry . He likes to inspire others to live a better life.</strong></p></div><div class="tmm_scblock"><a target="_blank" class="tmm_sociallink" href="https://kishoremajumder.com/" title=""><img decoding="async" alt="" src="https://preronajibon.com/wp-content/plugins/team-members/inc/img/links/website.png"/></a><a target="_blank" class="tmm_sociallink" href="https://www.youtube.com/channel/UCkA-6Tb3FepofI0YVBz-tng" title=""><img decoding="async" alt="" src="https://preronajibon.com/wp-content/plugins/team-members/inc/img/links/youtube.png"/></a></div></div></div><div style="clear:both;"></div></div></div></div></code></pre>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/eight-things-you-should-not-tell-your-child/">যে ৮টি কথা সন্তানকে বলা যাবে না ।</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/eight-things-you-should-not-tell-your-child/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>1</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>

<!--
Performance optimized by W3 Total Cache. Learn more: https://www.boldgrid.com/w3-total-cache/?utm_source=w3tc&utm_medium=footer_comment&utm_campaign=free_plugin

Page Caching using Disk: Enhanced 
Lazy Loading (feed)
Minified using Disk

Served from: preronajibon.com @ 2026-06-03 08:48:19 by W3 Total Cache
-->