<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>result tension Archives - প্রেরণাজীবন</title>
	<atom:link href="https://preronajibon.com/tag/result-tension/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://preronajibon.com/tag/result-tension/</link>
	<description>PreronaJibon</description>
	<lastBuildDate>Mon, 27 May 2019 19:52:29 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2018/12/cropped-Favicn-32x32.png</url>
	<title>result tension Archives - প্রেরণাজীবন</title>
	<link>https://preronajibon.com/tag/result-tension/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>রেজাল্ট নিয়ে হতাশা : এসো জেনে নিই করণীয় ১০ টি বিষয়</title>
		<link>https://preronajibon.com/result-problems-solutions/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/result-problems-solutions/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 27 May 2019 19:20:29 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শিক্ষা ও জীবন]]></category>
		<category><![CDATA[bengali education tips]]></category>
		<category><![CDATA[result tension]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=598</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 6</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>তোমার বন্ধু অরুণাভ কত নম্বর পেয়েছে ? আর তুমি ?একই সঙ্গে তো পড়ছো । ওর ঘাড়ে কি দুটো মাথা ?</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/result-problems-solutions/">রেজাল্ট নিয়ে হতাশা : এসো জেনে নিই করণীয় ১০ টি বিষয়</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 6</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p>তোমার বন্ধু অরুণাভ কত নম্বর পেয়েছে ?  আর তুমি  ?একই সঙ্গে তো পড়ছো । ওর ঘাড়ে কি দুটো মাথা ? এই রেজাল্ট নিয়ে কী করবে তুমি ? না সাইন্স নিতে পারবে ,  না ভালো কোনো সাবজেক্ট নিতে পারবে , না ডাক্তার না ইঞ্জিনিয়ার কিছুই তো হতে পারবে না ।  তোমার জন্য মুখ দেখাতে পারবো না  । </p>



<p>এরপর আর বলার দরকার নেই । ভীষণভাবে মন ভেঙে দেওয়া হল সন্তানের  ছাত্র বা ছাত্রীটির । তার আর কোনো জায়গাই রইলো না যাবার ।<br>কিন্তু আমরা যদি একটু আধুনিক ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখি , তাহলে দেখা যাবে কতগুলি বিষয় যা আমাদের নতুন করে ভাবতে বাধ্য করবে ।</p>



<p>মনে রাখতে হবে সকলেই সমান নয় ; প্রত্যকের দক্ষতার ধরণ ,  অভিরুচি , পারঙ্গমতা আলাদা হতে বাধ্য  । আর এটাই নিয়ম । সমান করতে চাওয়ার এই চেষ্টাই বৃথা ।  হাতের পাঁচটি আঙ্গুল যদি টেনেটুনে সমান করার চেষ্টা করা যায় সেটা ব্যর্থ হতে বাধ্য । তার বদলে যদি প্রতিটি অসমান আঙুলের গুরুত্ব বুঝি , তাহলে দেখবো প্রতিটি ছোটবড় আঙুলের আলাদা আলাদা ভূমিকা আছে ।</p>



<p>যদি সন্তানের আশানুরূপ রেজাল্ট না হয়  , অভিভাবক অভিভাবিকা হিসেবে সমব্যথী হয়ে পাশে দাঁড়াতে হবে ।  মনে রাখা প্রয়োজন অতীতকে আমরা বদলাতে পারি না , যা বদলানো যায় তা হলো ভবিষ্যৎ । তাই পাশ বা ফেল কিংবা চাহিদা অনুরূপ রেজাল্ট না হলেই জীবন শেষ হয়ে যায় না । জীবন একটা দীর্ঘ জার্নি , তাই হতাশ না হয়ে অতীতকে দায়ী না করে , রেজাল্ট খারাপের হতাশা থেকে মুক্তি পেতে ও ছাত্র বা ছাত্রীটির উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে আমরা কয়েকটি পদক্ষেপ নিতে পারি । এখানে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবক সকলের জন্য কয়েকটি বিষয় তুলে আনা হলো ।<br>রেজাল্ট খারাপের হতাশা থেকে বেরিয়ে আসতে  যে বিষয়গুলো অনুধাবন করতে হবে সেগুলি হলো : </p>



<p class="has-text-color has-background has-vivid-red-color has-luminous-vivid-amber-background-color"><strong><u>১. Marks&#8211;ই সব নয় , নম্বরই শেষ কথা বলে না , অসুস্থ প্রতিযোগিতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে : </u></strong></p>



<p>ইংরেজ প্রবর্তীত শিক্ষা ব্যবস্থায় যখন একটা সময় ছিল চাকরি পদের চেয়ে চাকরি প্রার্থীর সংখ্যা বেশি হতে শুরু হল , তখন কাজ চালানোর জন্য নম্বরের ভিত্তিতে নিয়োগ শুরু হয় । সেটা কিছুদিন আগে পর্যন্ত চলে আসছিল । আধুনিক ডিজিটাল যুগ সেখান থেকে অনেকটাই সরে এলেও অভিভাবকদের মানসিকতায় রয়েই গেছে এখনো । বর্তমানে কিন্তু যে কোনো ক্ষেত্রে নিয়োগের জন্য দক্ষতারই মূল্যায়ন করা হয় ।</p>



<p>একটা মানুষের শিক্ষার পরিমাপ শুধু নম্বরই শেষ কথা হতে পারে না  । হয়তো টোটাল নম্বর বা কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে কম নম্বর পেয়েছে , কিন্তু তাই বলে তার জীবনের সব স্বপ্ন ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গেল &#8212; তা কখনোই হতে পারে না । আজকের যুগে এই নম্বরের অসুস্থ প্রতিযোগিতা থেকে সরে এসে দক্ষতা বাড়ানোর দিকেই ফোকাস করতে হবে । </p>



<p class="has-text-color has-background has-vivid-red-color has-luminous-vivid-amber-background-color"><strong><u>২. দক্ষতা তৈরির ( skill development ) দিকে নজর দিতে হবে :</u></strong></p>



<p>আজকের যুগে প্রযুক্তির প্রাধান্য বেশি । তাই যে কোনো চাকরি বা কর্মক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয় skill বা দক্ষতাকে । কে কোন ইউনিভার্সিটি থেকে বা কোন কলেজ থেকে পাস করলো , কত নম্বর পেলো সেগুলি ক্রমশঃ গুরুত্ব হারাচ্ছে । তাই মনে রাখতে হবে প্রথম থেকেই শিক্ষার্থীকে নম্বর সর্বস্ব নয় , একজন দক্ষ যোদ্ধা তৈরি করতে হবে ,  যাতে সে জীবনযুদ্ধে সমস্ত বাধাকে অনায়াসে জয় করতে পারে । দক্ষতা বলতে বোঝায় কোনো কাজ ভালোভাবে করার ক্ষমতা অর্জন ও বাস্তবিক ক্ষেত্রে তাকে সুন্দরভাবে প্রয়োগ করতে পারাকে ।<br> তাই বিভিন্ন কোম্পানিগুলো সর্বদাই সেইরকম কর্মীকে চায় , যে তাদের পক্ষে লাভজনক । ভালো নম্বর পাওয়া ভালো ছাত্রের বিজ্ঞাপন তাদের উদ্দেশ্য নয় । মনে রাখতে হবে একজন ভালো নম্বর প্রাপক যদি দক্ষ না হয় , তাহলে তার চেয়ে  খারাপ রেজাল্ট পাওয়া দক্ষ কর্মীরই জয় হবে সর্বত্র  । এই উদাহরণ আজ চারদিকেই  । তাই আশানুরূপ রেজাল্ট না হলে হতাশা নয় , আগামী দিনে দক্ষ কর্মী করে গড়ে তোলার দিকেই নজর দেওয়া প্রয়োজন । </p>



<p class="has-text-color has-background has-vivid-red-color has-luminous-vivid-amber-background-color"><strong><u>৩. অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা : </u></strong></p>



<p>পৃথিবীর সবচেয়ে সফল ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি বার ব্যর্থ হয়েছিলেন । জীবনে যে কোনো ব্যক্তিই হন না কেন , যদি সফল হয়ে থাকেন , দেখা যাবে তার পেছনে রয়েছে ব্যর্থতার ইতিহাস । তারা সফল এই জন্যই যে , তারা ব্যর্থতাকে ব্যর্থতা বলেন না &#8212; বলেন শিক্ষা । আসলেই ব্যর্থতা বলে কিছু হয় না  । যাকে আমরা ব্যর্থতা বলি তা আসলে আমাদের জীবনের শিক্ষার এক একটা পাঠ মাত্র ।</p>



<p>একটা সময় মানুষের শিক্ষার পরিমাপ করতেই চালু করা হয় এই পরীক্ষা ব্যবস্থা । কিন্তু কালক্রমে দেখা যায় পরীক্ষা কেবল জ্ঞানগত পরিমাপকেই বেশি গুরুত্ব দেয় এবং আর এক অসুস্থ প্রতিযোগিতার সম্মুখীন করে তোলে । তাই রেজাল্ট নিয়ে অসন্তুষ্টি থাকলে তার থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামী দিনে চলার পথে সেই শিক্ষাকে কাজে লাগাতে হবে । আর হ্যাঁ , তবে দেখতে হবে এবং খুঁজে বের করতে হবে নিজের দুর্বলতার দিকগুলিকে ।  সেগুলি চিহ্নিত করে নিয়ে সামনের দিনে সংশোধন করে জীবনের সাফল্য অর্জন করার দিকে এগিয়ে যেতে হবে ।  অভিভাবকদেরও এই ব্যাপারে সাহায্য করতে হবে ।</p>



<p class="has-text-color has-background has-vivid-red-color has-luminous-vivid-amber-background-color"><strong><u>৪. আত্ম বিশ্বাস বৃদ্ধি :</u></strong></p>



<blockquote class="wp-block-quote is-layout-flow wp-block-quote-is-layout-flow"><p>আত্ম বিশ্বাস ছাড়া দ্বিতীয় কোনো বন্ধু নেই । আত্মবিশ্বাসই ভবিষ্যতের উন্নতির প্রথম সোপান  ।</p><cite>স্বামী বিবেকানন্দ </cite></blockquote>



<p>এ কথা সত্যি যে পৃথিবীর সমস্ত সফলতার মূল সূত্রধারই হল মানুষের আত্মবিশ্বাস । এই আত্মবিশ্বাস অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারে  । বার বার ব্যর্থ মানুষ সফল হয়ে তাক লাগিয়ে দিতে পারে । তাই পরীক্ষার ফলাফল মনঃপূত না হলে কখনোই শিক্ষার্থীকে বকাঝকা করে তার আত্মবিশ্বাস ভেঙ্গে দেওয়া উচিত নয় । কেন না আপাতভাবে যে সন্তোষজনক ফল করতে পারে নি , কে বলতে পারে একদিন সে-ই হয়তো চোখ ধাঁধানো সাফল্যে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিতে পারে । তাই ছাত্র-ছাত্রী বা সন্তান যদি পরীক্ষায় আশানুরূপ ফল না করতে পারে , তবে তার পাশে থেকে মনোবল বাড়িয়ে দেওয়া উচিত তার পরবর্তী প্রস্তুতির জন্য  । ভেবে দেখলে খারাপ লাগবে তাদের জন্য ,  যারা Form Fillup টাও করতে পারে নি  । অনেকে আবার নানা কারণে পরীক্ষা ভালো দিতে না পেরে ফেল করেছে । বা অনেকে  কাজের সূত্রে বিদেশে থাকায় পরীক্ষার স্বপ্নটাই অধরা থেকে গেল &#8212;- তাদের তাহলে কী অবস্থা ।</p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter"><img fetchpriority="high" decoding="async" width="643" height="419" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/05/Modern-education-web-development-2.jpg" alt="Modern education web development " class="wp-image-600" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/05/Modern-education-web-development-2.jpg 643w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/05/Modern-education-web-development-2-300x195.jpg 300w" sizes="(max-width: 643px) 100vw, 643px" /></figure></div>



<p class="has-text-color has-background has-vivid-red-color has-luminous-vivid-amber-background-color"><strong><u>৫. যুগোপযোগী বিষয় শিক্ষা : </u></strong></p>



<p>-Result খুব ভালো ? তুমি কি হতে চাও বড় হয়ে  ? ডাক্তার না ইঞ্জিনিয়ার  ? <br> উত্তর এলো &#8211;<br>-আমি <strong>Web Developer</strong>  হতে চাই । প্রশ্নকর্তা আকাশ থেকে পড়ে জিজ্ঞেস করলেন , <br>-সেটা আবার কী জিনিস ?<br>প্রশ্নকর্তার জগৎ অনেকটাই সেকেলে । কাজেই শিক্ষার্থীকে মনে রাখতে হবে যে , এই যুগে কেবল মার্কসের বিষয়টি সাময়িক কিছুদিনের জন্য লোকের মনে থাকে । পরে সবাই ভুলে যায় । নিজের জীবনের পথ নিজেকেই করে নিতে হয় । তাই দক্ষতার সঙ্গে এমন বিষয়গুলি পড়ার বা শেখার চেষ্টা করো , যা আগামী দিনে ব্যাপক হারে প্রয়োজন । ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হতেই পারো , কিন্তু তার সঙ্গে অনেক অনেক আধুনিক আরো কিছু বিষয় আজকাল আসছে ,  যেগুলির কথাও ভাবতে পারো । যেমন  <strong>Web Designing</strong> , <strong>Graphics Designing</strong> , <strong>Animation</strong>, <strong>Camera Technology</strong> , <strong>Cyber Cecurity</strong> , <strong>Video-Audio</strong> সহ অনেক অনেক আধুনিক ও ডিজিটাল বিজনেসের বিভিন্ন পদক্ষেপগুলো  । এইসব ক্ষেত্রে কিন্তু মার্কস নয় দক্ষতাই বড়ো কথা । আর আগামী মানুষের প্রয়োজনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারলে উন্নতির শিখরে পৌঁছতে আর কতক্ষন  তবে দূরদর্শিতা থাকা প্রয়োজন ।</p>



<p class="has-text-color has-background has-vivid-red-color has-luminous-vivid-amber-background-color"><strong><u>৬. আগ্রহের বিষয় অনুসন্ধান করা : </u></strong></p>



<p>সকলেরই কম বেশি আগ্রহের বিষয় থাকে । শিক্ষার্থীর রেজাল্টের পর যে ভুলটা অনেকেই করে থাকি ,  বিষয়ের গুরুত্ব অনুসারে পড়াতে চাই । কোন বিষয়ে চান্স পাওয়া যায়  , আগ্রহ থাক বা না থাক &#8221; ভালো সাবজেক্ট &#8221; ব&#8217;লে তার পেছনে ছোটা শুরু হয়  । এসব ক্ষেত্রে অবশ্যই শিক্ষার্থীর ভালোলাগা বিষয়কেই অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত ।  কারণটা একটাই  , যুগের চাহিদা বা ট্রেন্ড এর চেয়ে বেশি প্রয়োজন হবে শিক্ষার্থীর দক্ষতা । সেক্ষেত্রে আগ্রহ না থাকলে দক্ষতাই গড়ে উঠবে না ।</p>



<p class="has-text-color has-background has-vivid-red-color has-luminous-vivid-amber-background-color"><strong><u>৭. তুলনা বর্জন করা এবং &#8216;তুমি তোমার মতো &#8216; এই বোধ তৈরি করা : </u></strong></p>



<p>পরীক্ষার রেজাল্ট সন্তোষজনক না হলে কখনোই ছাত্র-ছাত্রীকে দোষারোপ করা উচিত নয় । আর মনে রাখতে হবে  অন্যের সঙ্গে কখনোই তুলনা করা উচিত নয় । এতে ভবিষ্যতের সম্ভাবনাটুকু ক্ষতিগ্রস্ত হয় । তাকে অভিভাবক হিসেবে বলা ভালো &#8221;তুমি তোমার মতো । আর রেজাল্ট দিয়ে তোমার পরিমাপ হয় না ।&#8221; আর এটাও বোঝাতে হবে যে , যে যাই করুক না কেন তোমার জীবনের পথ তোমাকেই বেছে নিতে হবে । তাই তুলনা বন্ধ করে শিক্ষার্থীর নিজস্ব প্রতিভাটিকেই কাজে লাগাতে উৎসাহিত করতে হবে ।</p>



<p class="has-text-color has-background has-vivid-red-color has-luminous-vivid-amber-background-color"><strong><u>৮. একজন ভালো মানুষ হবার প্রেরণা : </u></strong></p>



<p>দেশ কী চায় ? দেশ সবার আগে চায় একজন ভালো মানুষ ।  এই ভালো  কথাটির ব্যাখ্যা হাজার রকম হলেও আপাতভাবে বলা যায় ,  মানবিক গুনে ভরা , সমাজের মানুষের পক্ষে কল্যাণকর একজন মানুষ ।  হোক না সে সাধারণ  ; সে যেন জনসংখ্যা না হয়ে  জনসম্পদ হয় । এই জনসম্পদ করেই গড়ে তুলতে হবে আমাদের শিক্ষার্থীদের । তাই নম্বরের অসুস্থ প্রতিযোগিতা নয় , একজন ভালো , সৎ মানুষ করে গড়ে উঠলেই দেশের ও নিজের মঙ্গল ।</p>



<p class="has-text-color has-background has-vivid-red-color has-luminous-vivid-amber-background-color"><strong><u>৯. দোষারোপ নয় , যতটুকু লড়াই করেছে তার জন্য সাবাসি দেওয়া : </u></strong></p>



<p>সন্তানের রেজাল্ট খারাপ হলে কখনোই দোষারোপ নয়  বরং যতটুকু লড়াই করেছে তার জন্য সাবাসি দেওয়া উচিত ।  মানুষ নিজের কৃতকর্মের প্রশংসা পেলে আরো উৎসাহী হয়ে কাজ করে । তাই দোষ দিয়ে আর বারবার ত্রুটিগুলো বলে বলে সন্তানের মাথা খাওয়া উচিত নয় । বোঝাতে হবে যে , যতটাই রেজাল্ট করেছে তা নিজের পরিশ্রমেরই ফসল । পরবর্তী পদক্ষেপে যেন আরো ভালো হয় &#8212; তার জন্যই চেষ্টা করে যেতে হবে ।</p>



<p class="has-text-color has-background has-vivid-red-color has-luminous-vivid-amber-background-color"><strong><u>১০. সব সময় পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি : </u></strong></p>



<p>রেজাল্ট মনঃপূত না হলে শিক্ষার্থী কিন্তু নিজেই হীনমন্যতার শিকার হয় । সেখানে যদি বাবা মা তার জন্য  আরো বেশি বেশি বকাঝকা করেন , তবে তার কী হাল হতে পারে ভেবে দেখার বিষয় । হতাশার চরমে পৌঁছতে পৌঁছতে এমনকি ……….. থাক আর নাই বা বললাম । তবে রেজাল্ট যেমনই হোক না কেন অভিভাবকের উচিত সন্তানের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেওয়া । কারণ ওরা নিজের খারাপ রেজাল্ট থেকে পরবর্তী জীবনে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য অভিভাকবকদের সমর্থন চায় । সেটা না পেলে ভেঙে পড়তে পারে । ভালো করার বদলে উল্টে খারাপই হতে পারে ।</p>



<p>তাহলে আশা রাখছি এই লেখাটি আমাদের জীবনে কাজে লাগবে । আর লেখাটি শেয়ার করো সেইসব মানুষদের যাদের বাড়িতে শিক্ষার্থী বা ছাত্র-ছাত্রী আছে এবং সন্তানদের যারা পড়াশুনা করছে । সকলের জীবনে প্রেরণা জাগাতে প্রেরণাজীবন বদ্ধ পরিকর । আরো প্রেরণাময় ও শিক্ষামূলক বিষয়ের আপডেট পেতে আমাদের <a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজ</a> এ এসো , সঙ্গে থাকো। খুব ভালো থাকবে , সুস্থ থাকবে ।</p>



<p style="text-align:center"><strong><u>This Article Is Written By</u></strong></p>


<div class="tmm tmm_410"><div class="tmm_1_columns tmm_wrap tmm_theme_f"><span class="tmm_two_containers_tablet"></span><div class="tmm_container"><div class="tmm_member" style="border-top:#333333 solid 5px;"><div class="tmm_photo tmm_pic_410_0" style="background: url(https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/03/Kishore-Majumder-Preronajibon.jpg); margin-left: auto; margin-right:auto; background-size:cover !important;"></div><div class="tmm_textblock"><div class="tmm_names"><span class="tmm_fname">Kishore</span> <span class="tmm_lname">Majumder</span></div><div class="tmm_job">Editor &amp; Writer</div><div class="tmm_desc" style="text-align:center"><p><strong>Kishore Majumder is the editor and writer of preronajibon. He is a teacher, poet and songwriter of bengali culture.&nbsp;He is also well-known as a youtuber and reciter of bengali poetry . He likes to inspire others to live a better life.</strong></p></div><div class="tmm_scblock"><a target="_blank" class="tmm_sociallink" href="https://kishoremajumder.com/" title=""><img decoding="async" alt="" src="https://preronajibon.com/wp-content/plugins/team-members/inc/img/links/website.png"/></a><a target="_blank" class="tmm_sociallink" href="https://www.youtube.com/channel/UCkA-6Tb3FepofI0YVBz-tng" title=""><img decoding="async" alt="" src="https://preronajibon.com/wp-content/plugins/team-members/inc/img/links/youtube.png"/></a></div></div></div><div style="clear:both;"></div></div></div></div>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/result-problems-solutions/">রেজাল্ট নিয়ে হতাশা : এসো জেনে নিই করণীয় ১০ টি বিষয়</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/result-problems-solutions/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>

<!--
Performance optimized by W3 Total Cache. Learn more: https://www.boldgrid.com/w3-total-cache/?utm_source=w3tc&utm_medium=footer_comment&utm_campaign=free_plugin

Page Caching using Disk: Enhanced 
Lazy Loading (feed)
Minified using Disk

Served from: preronajibon.com @ 2026-04-23 22:43:36 by W3 Total Cache
-->