<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>story Archives - প্রেরণাজীবন</title>
	<atom:link href="https://preronajibon.com/tag/story/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://preronajibon.com/tag/story/</link>
	<description>PreronaJibon</description>
	<lastBuildDate>Mon, 12 Apr 2021 12:06:18 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2018/12/cropped-Favicn-32x32.png</url>
	<title>story Archives - প্রেরণাজীবন</title>
	<link>https://preronajibon.com/tag/story/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>নিজের কর্মদক্ষতা বাড়াতে চাও ?আজই জেনে নাও কর্মদক্ষতা বাড়ানোর ৮ টি অভ্যাস</title>
		<link>https://preronajibon.com/eight-ways-to-improve-your-work-efficiency/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/eight-ways-to-improve-your-work-efficiency/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 27 Feb 2019 13:34:07 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[মোটিভেশন]]></category>
		<category><![CDATA[bangla]]></category>
		<category><![CDATA[bengali]]></category>
		<category><![CDATA[motivational]]></category>
		<category><![CDATA[preronajibon]]></category>
		<category><![CDATA[story]]></category>
		<category><![CDATA[work efficiency]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=306</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 6</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>অ্যালবার্ট আইনস্টাইন বলেছিলেন &#8211; &#8221; আমার মনে হয় আমার মেধার প্রায় শতকরা ২৫ ভাগ আমার জীবনের কাজে লাগাতে পেরেছি ।</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/eight-ways-to-improve-your-work-efficiency/">নিজের কর্মদক্ষতা বাড়াতে চাও ?আজই জেনে নাও কর্মদক্ষতা বাড়ানোর ৮ টি অভ্যাস</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 6</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p>অ্যালবার্ট আইনস্টাইন বলেছিলেন &#8211; &#8221; আমার মনে হয় আমার মেধার প্রায় শতকরা ২৫ ভাগ আমার জীবনের কাজে লাগাতে পেরেছি । &#8221;  উইলিয়াম জেমস মনে করেন মানুষ তার সম্ভবনার কেবলমাত্র শতকরা ১০ থেকে ১২ ভাগ ব্যবহার করেন। বেশিরভাগ মানুষের জীবনেই সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো যে তাদের জীবনের সম্ভাবনা অবশিষ্ট থাকতেই তারা মৃত্যুমুখে পতিত হয়। তারা জীবদ্দশায় যথাযথভাবে বাঁচার চেষ্টা করে না। তাদের ক্ষমতা মরচে ধরে নষ্ট হয়। প্রয়োগের ফলে নষ্ট হয় না । জীবনের সবচেয়ে নিদারুণ আফশোস হল &#8212; &#8221; আমার করা উচিত ছিল কিন্তু করিনি।&#8221;</p>



<p>বেশিরভাগ মানুষ থাকে তাদের সম্ভাবনাময় শৃঙ্খলিত বৃত্তে । তারা জীবনের সহজ কিছু কাজ ছাড়া বেশি জানতে বা শিখতে অনাগ্রহী। আমাদের প্রত্যেকের ভিতরে রয়েছে অসীম কর্মক্ষমতা কিন্তু আমরা সেটা আমাদের ভিতরেই রাখি, কখনো তা বাইরে আনতে চাই না , হয়তো সময় ,সুযোগ, পরিবেশের অভাববোধ করি বা ভয় পাই । কখনো হয়তো নিজের কাছে না পারার হাজারটা অজুহাত খাড়া করে নিজেরই ক্ষতি করতে থাকি অজান্তে । ফলে আমরা পিছিয়ে পড়তে থাকি । কিন্তু যারা জগৎবিখ্যাত তাঁরা তাঁদের প্রতিভাকে ক্ষণে ক্ষণে কাজে লাগাতে থাকেন । তাঁরা প্রতিনিয়ত নিজেদের আরো সমৃদ্ধ করার পিছনে সময় দেন। চলো তাহলে জানা যাক কী কী উপায়ে আমরা আমাদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি করতে পারি&#8212;-</p>



<p><strong>(১)<u>কাজের প্রতি ভালোবাসা :- </u></strong></p>



<p>আমরা অনেকেই অনেক ধরনের পেশার সাথে যুক্ত, হয়তো কেউ স্টুডেন্ট, কেউ চাকুরিজীবী কিংবা কেউ ব্যাবসায়ী ইত্যাদি। কিন্তু কাজের প্রতি নিরুৎসাহের কারনে আমরা আমাদের কর্মদক্ষতা বাড়াতে পারি না । কখনো কখনো কাজগুলো শুধুমাত্র মাস শেষে একটা মোটা টাকা পাওয়া যাবে তার আশায় করা হয় । কিংবা কখনো নামের পেছনে ছুটতে ছুটতে দিনরাত একাকার করে প্রতিযোগিতার খাতায় নিজেদের নাম লেখাই । সেখানে কাজটির প্রতি কতটা ভালোবাসা থাকে সেটা প্রশ্নের মুখে দাঁড় করায় আমাদের । কাজের প্রতি এই ভালোবাসার অভাববোধ থেকেই আসে হতাশা , দুশ্চিন্তা , নতুন কিছু করার প্রতি অনাগ্রহ । তুমি যখন অন্যের ইচ্ছা পূরণের জন্য কাজ বেছে নেবে তখন সেখানে খুশি খুঁজে পাবে না । তাই সর্বপ্রথম নিজের ভালোলাগার কাজটিকে ভালোবাসো এবং বিশ্বাস করো যে তুমি ব্যতিক্রম কিছু করতে সক্ষম । যখন তুমি তোমার ভালোবাসার কাজটি গভীর মনোযোগের সঙ্গে কোনো উদ্দেশ্য পূরনের জন্য করবে তখন সেটা অসাধারণ হয়েই তোমার হাতে ধরা দেবে । ফোর্বস এর সমীক্ষা বলছে,  ৮১ শতাংশ মানুষ তার চাকুরি নিয়ে খুশি নন। এই অখুশি হওয়ার পিছনে হয়তো একশো কারন থাকতে পারে । কিন্তু এই একশো কারনের মধ্যে একটা গুরুত্বপূর্ণ কারন যেটা আমার মনে হয় সেটা হল তারা তাদের ভালোলাগার কাজটিকে বেছে নেয় নি  কিংবা ভালোবেসে তার উপর নতুন কিছু করার কথা ভাবে নি । তাই কর্মদক্ষতা বাড়াতে আমাদের প্রথমেই যেটা করা উচিত তা হলো নিজের ভালোলাগার কাজটিকে বাছাই করা , তারপর সেই কাজটির সঙ্গে নিজের গভীর প্রণয় ঘটানো তাহলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটা শক্তি তৈরি হবে সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য ।</p>



<figure class="wp-block-image"><img fetchpriority="high" decoding="async" width="680" height="466" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/02/Love-your-Work.jpg" alt="Eight ways to improve your work efficiency" class="wp-image-308" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/02/Love-your-Work.jpg 680w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/02/Love-your-Work-300x206.jpg 300w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/02/Love-your-Work-130x90.jpg 130w" sizes="(max-width: 680px) 100vw, 680px" /></figure>



<p><strong><u>(২) অভিজ্ঞতা অর্জন করা :-</u></strong></p>



<p>কর্মদক্ষতা বাড়ানোর সবচেয়ে কার্যকরী উপায় হচ্ছে সফলতার অভিজ্ঞতা অর্জন করা। তুমি যে কাজটা করছ সেই কাজে যারা বিজ্ঞ বা পারদর্শী তাদের কাছ থেকে অভিজ্ঞতা অর্জন করা । বিজ্ঞ বা বিশ্বস্ত ব্যক্তিদের শরনাপন্ন হও, কখনোই ভেবোনা সব উত্তর তোমার কাছে আছে। জেনে নাও কিভাবে তাঁরা সেই জায়গায় পৌঁছেছে যে জায়গায় তুমি পৌঁছাতে চাও । কিভাবে তাঁরা সফলতার প্রতিটি সিঁড়ি বেয়ে ওপড়ের দিকে উঠছে , কীভাবে প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়েও তাঁরা হার না মেনে এগিয়ে গেছে , তাঁদের কাছ থেকে অভিজ্ঞতা গ্রহণ করো । তুমি যদি কোনো কাজে সফলতা পেয়ে থাক সেখানে তুমি কী ধরনের কৌশল ব্যবহার করেছিলে যা তোমাকে ইতোপূর্বে সফল হতে সাহায্য করেছিল তা লিখে রাখ । কারন কোনো কাজে সফল হলে নিজের কর্মদক্ষতার উপর আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায় । যেকোনো সফলতাই আমাদের কর্মদক্ষতার শক্তিকে আরও বাড়িয়ে দেয় ।</p>



<p><strong><u>(৩) তালিকা, পরিকল্পনা,কাজ :-</u></strong></p>



<p>কর্মদক্ষতা বাড়ানোর জন্য সমায়ানুবর্তী  হওয়ার পাশাপাশি আমাদের চারপাশে কাজের সঠিক পরিবেশ তৈরি করা একান্ত প্রয়োজন। </p>



<p><strong>তালিকা:-</strong>  দিনের শুরুতে করনীয় কাজের তালিকাগুলি বানিয়ে ফেল । কাজগুলিকে গুরুত্বের ভিত্তিতে বিন্যস্ত কর । কোনটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ,কোনটি  বিশেষ জরুরী, কোনটি কম গুরুত্বপূর্ণ তার তালিকা বানাও। Prioritize করার ক্ষেত্রে অনেক কার্যকরী একটা পদ্ধতি হলো &#8221; The Eisenhower method&#8221; যা &#8216; Eisenhower matrix বা Eisenhower box নামেও পরিচিত । একটা কথা মনে রেখো অসম্ভব কোনো কাজকে তালিকায় রেখো না ।</p>



<figure class="wp-block-image"><img decoding="async" width="648" height="453" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/02/Eisenhower-Method.jpg" alt="কর্মদক্ষতা বাড়ানোর টি উপায়" class="wp-image-307" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/02/Eisenhower-Method.jpg 648w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/02/Eisenhower-Method-300x210.jpg 300w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/02/Eisenhower-Method-130x90.jpg 130w" sizes="(max-width: 648px) 100vw, 648px" /><figcaption> <br><strong>The Eisenhower Method </strong></figcaption></figure>



<p>&#8221; <a href="https://amzn.to/2SZOkl8">The 7 habits of highly effective people</a>&#8220;&#8212;&#8212; Stephen R. Covey বইটিতে এই সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে ।     [ <a href="https://amzn.to/2SZOkl8">GET THIS BOOK</a> ]



<p><strong>পরিকল্পনা :-</strong></p>



<p>সবসময় হাতের কাছে একটি নোটবুক রাখো । পরিকল্পনা করো কাজটি কখন কিভাবে করবে। তার জন্য একটি বাস্তবসম্মত সময়সীমা নির্ধারণ কর। তবে শুধু নির্ধারণ করলেই যে কাজ হবে তা কিন্তু নয় , সেই সময়সীমা অনুসরণ করে কাজ সম্পাদন করতে পারলেই আসবে সফলতা ।</p>



<p><strong>কাজ :-</strong></p>



<p>যে কাজগুলো কঠিন সে কাজগুলো আগে করার চেষ্টা কর । বলা হয়ে থাকে সকালবেলা মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা সবচেয়ে বেশি থাকে । এইসময় যদি কাজগুলি করে ফেলা যায় তবে হয়তো কঠিন বিষয়টিও আমাদের কাছে সহজ হতে থাকবে । যে কাজগুলি করতে তুমি ভয় পাও সেগুলি একটি নোটবুকে লিখে রাখ । কারন মনোবিজ্ঞানীরা বলে  তালিকায় কাজটি লিখে রাখলে তা সম্পন্ন করার প্রতি মানুষের ইচ্ছাশক্তি বেড়ে যায়।</p>



<p><strong><u>(৪) কমফোর্ট জোন থেকে বেরিয়ে চ্যালেঞ্জিং কাজগুলি করো :- </u></strong></p>



<blockquote class="wp-block-quote is-layout-flow wp-block-quote-is-layout-flow"><p>One can choose to go back toward safety or forward toward growth. Growth must be chosen again and again; fear must be overcome again and again. </p><cite>Abraham Maslow</cite></blockquote>



<p>বিকাশ সর্বদা আমাদের প্রগতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যায় ।আর প্রগতি সর্বদা অগ্রগতির দিকে । আমরা বেশিরভাগ মানুষই একটি নিশ্চিত জীবন খুব ভালোবাসি, অনিশ্চিত জীবন কিংবা চ্যালেঞ্জিং কোনো কিছু আমাদের ভয়-ভীত করে তোলে । গন্ডির বাইরে যাওয়ার ইচ্ছে বেশিরভাগ মানুষেরই থাকে না । আমরা নিজে যে পেশায় থাকি সেটার ভালো মন্দ ছাড়া আর কিছুই ভাবতে পারি না বা ভাবতেও চাই না । যখনই কেউ আমাদের নিজের গন্ডীর বাইরে কিছু দেখায় বা করতে বলে তখনই আমাদের মনে একটা নেতিবাচক চিন্তার উদ্রেক হয় । যা আমরা দেখে বা শুনে অভ্যস্ত নই , সেখানে প্রথম কাজ হলো বুঝতে চেষ্টা করা । মনে রেখো কমফোর্ট জোন সর্বদা আমাদের বৃদ্ধি বা বিকাশের থেকে দূরে রাখে । নতুন কিছু জিনিস শিখতে বা করতে বাধা দেয় । তাই নিজের কর্মদক্ষতা বাড়াতে আজই কমফোর্ট জোন থেকে বেরিয়ে এসো আর তোমার সামনে থাকা নতুন নতুন চ্যালেঞ্জিং কাজগুলি গ্রহন করো । নতুনভাবে ভাবার দক্ষতা অর্জন করো ।</p>



<p style="text-align:center" class="has-text-color has-background has-vivid-red-color has-luminous-vivid-amber-background-color"><strong>জেনে রাখুন : <a href="https://preronajibon.com/10-ways-to-improve-your-personality/">সুন্দর ব্যক্তিত্বের জন্য করণীয় ১০ টি উপায়</a></strong></p>



<p><strong><u>(৫) নিয়মিত বিরতি নাও :- </u></strong></p>



<blockquote class="wp-block-quote is-layout-flow wp-block-quote-is-layout-flow"><p>বিরাম কাজের অঙ্গ একসাথে গাঁথা<br> নয়নের অঙ্গ যেন নয়নের পাতা।</p></blockquote>



<p>কাজের ফাঁকে একটু বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ পেলে বিশ্রাম নিয়ে নাও । কারন অতিরিক্ত কাজের চাপ আমাদের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয় ফলে অনেকসময় বেড়ে যায় বিষাদ । তাই কখনো কাজের ফাঁকে বিরতি নিয়ে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাও । কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে নতুন কোনো জায়গায় ছুটি কাটাও । নতুন জায়গা দেখ, বন্ধুদের সঙ্গে দেখা কর, কথা বলো ফলে বিরতির শেষে নতুন উদ্যমে কাজে মনোনিবেশ করতে পারবে এবং এর থেকে নতুন কিছু শিখে তুমি তোমার কর্মদক্ষতা বাড়াতে পারবে । </p>



<p><strong><u>(৬) অন্যদের সাথে নিজের তুলনা বন্ধ করো :- </u></strong></p>



<blockquote class="wp-block-quote is-layout-flow wp-block-quote-is-layout-flow"><p>Don&#8217;t compare yourself with anyone in this world. If you do so , you are insulting yourself.</p><cite>Bill Gates </cite></blockquote>



<p>তুলনা আমাদের মধ্যে একধরনের হতাশার সৃষ্টি করে , আমাদের আত্মবিশ্বাসে আঘাত হানে , আমরা ডিপ্রেশড্ হয়ে পড়ি , আর ডিপ্রেশন থেকে আসে কাজের প্রতি হতাশা, অনিচ্ছা, অনাগ্রহ ।তাই সবার আগে অন্যদের সাথে নিজের তুলনা বন্ধ করতে হবে এবং নিজেকে নিয়ে ভাবা শুরু করতে হবে । শুরু করতে হবে নিজের কাজটি নিয়ে ভাবতে । তুলনা যদি করতেই হয় , নিজের সঙ্গে নিজের তুলনা করো , কালকের তুমি থেকে আজকের তুমিটার তুলনা করো । আর আগ্রহ এবং আত্মপ্রত্যয়ের সঙ্গে কাজটি করে যেতে হবে তবেই বাড়বে কর্মদক্ষতা । </p>



<p><strong>(৭)দূরদর্শিতা :-</strong></p>



<p>এ কথা আমরা সবাই জানি যে সামনে কিভাবে এগুব, কিভাবে কি করবো &#8212;এই ভাবনাগুলি আমাদের এক অনিশ্চয়তায় ফেলে দেয়। তাই তার থেকে মুক্তি পেতে হলে চাই কাজের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আগাম অনুমান বা দূরদর্শিতা ।  যদি নিজের কর্মদক্ষতা বাড়াতে চাও তবে নিজের দূরদর্শিতার পরিচয় দাও এই ভেবে যে , তুমি তোমার কাজের মাধ্যমে তোমার কতটা উন্নতি দেখতে চাও সেটা ঠিক করো । আর এই কাজের ভবিষ্যৎ কতটা , নিরাপত্তা কতটা যদি আগাম অনুমান করতে পারো তবে তোমার নতুন নতুন কর্মপন্থাও সামনে আসবে । আর এই নতুনত্বই কাজের প্রতি আগ্রহ বাড়িয়ে দেবে । কাজে মজাও আসবে। আর সব কাজই মানুষ ভবিষ্যৎ ভেবেই করে। তাই কর্মদক্ষতা বাড়াতে দূরদর্শী হওয়া দরকার। </p>



<figure class="wp-block-image"><img decoding="async" width="721" height="453" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/02/skill.jpg" alt="Eight ways to improve your work efficiency" class="wp-image-309" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/02/skill.jpg 721w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/02/skill-300x188.jpg 300w" sizes="(max-width: 721px) 100vw, 721px" /></figure>



<p><strong><u>(৮)যোগাযোগ দক্ষতা :-</u></strong></p>



<p>যোগাযোগ দক্ষতা বা communication skill মানুষের ব্যক্তিত্বের একটি বড় গুন । যে কোনো কাজই আমরা করি অন্য মানুষের জন্য , হয় কোনো প্রোডাক্ট বা পরিষেবা সরবরাহ করার জন্য। তাই অন্যদের সঙ্গে নিজের ভালো সম্পর্ক স্থাপিত না হলে সফলতা আসে না । মানুষ কি বলছে তা নয় , বরং মানুষ কি বলতে চাইছে তার প্রতি নজর দেওয়া প্রয়োজন । নিজের কর্মের সাফল্য নির্ভর করে সবার মধ্যে কতটা তা প্রভাবিত করছে তার উপর । তাই সেই বেশি সফল হয় , যার সম্পর্ক স্থাপনের দক্ষতা ভালো। শুধু তাই নয় অন্যদের থেকে অভিজ্ঞতা বা শিক্ষা নিতে হলেও এই দক্ষতার প্রয়োজন  । তাই নিজের যোগাযোগ দক্ষতা বাড়াও তাহলে তোমার কর্মদক্ষতাও বাড়বে ।</p>



<p>যাই হোক বন্ধুরা , আশা করি এই ৮টি টিপস মেনে চলবে আর নিজের কর্মদক্ষতাও বাড়াতে পারবে । খুব ভালো থেকো ।</p>



<p style="text-align:center"><strong><span style="text-decoration: underline;">This Article Is Written By</span></strong><span style="text-decoration: underline;"> </span></p>


<div class="tmm tmm_406"><div class="tmm_1_columns tmm_wrap tmm_theme_f"><span class="tmm_two_containers_tablet"></span><div class="tmm_container"><div class="tmm_member" style="border-top:#333333 solid 5px;"><div class="tmm_photo tmm_pic_406_0" style="background: url(https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2022/12/Ferdousi-Manjira-1.jpg); margin-left: auto; margin-right:auto; background-size:cover !important;"></div><div class="tmm_textblock"><div class="tmm_names"><span class="tmm_fname">Ferdousi </span> <span class="tmm_lname">Manjira</span></div><div class="tmm_job">Founder &amp; Writer</div><div class="tmm_desc" style="text-align:center"><p><strong>Ferdousi manjira is the founder of preronajibon. She loves to write about life solutions.She writes to express her thoughts so that others will be inspired.</strong></p></div><div class="tmm_scblock"><a target="_blank" class="tmm_sociallink" href="https://www.instagram.com/ferdousimanjira/" title=""><img decoding="async" alt="" src="https://preronajibon.com/wp-content/plugins/team-members/inc/img/links/instagram.png"/></a><a target="_blank" class="tmm_sociallink" href="https://twitter.com/manjiraferdousi" title=""><img decoding="async" alt="" src="https://preronajibon.com/wp-content/plugins/team-members/inc/img/links/twitter.png"/></a></div></div></div><div style="clear:both;"></div></div></div></div>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/eight-ways-to-improve-your-work-efficiency/">নিজের কর্মদক্ষতা বাড়াতে চাও ?আজই জেনে নাও কর্মদক্ষতা বাড়ানোর ৮ টি অভ্যাস</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/eight-ways-to-improve-your-work-efficiency/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>1</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শত বাঁধা পেরিয়ে যারা আজ বিজয়ী</title>
		<link>https://preronajibon.com/despite-of-so-many-obstacles-they-are-succssful-today/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/despite-of-so-many-obstacles-they-are-succssful-today/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 11 Jan 2019 15:16:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[মোটিভেশন]]></category>
		<category><![CDATA[motivational]]></category>
		<category><![CDATA[preronajibon]]></category>
		<category><![CDATA[story]]></category>
		<category><![CDATA[জয়ী হবার গল্প]]></category>
		<category><![CDATA[ব্যর্থতার গল্প]]></category>
		<category><![CDATA[সফল মানুষের ব্যর্থতার গল্প]]></category>
		<category><![CDATA[হার না মানার গল্প]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=233</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 6</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>কখনও কখনও ব্যর্থতা আর হতাশা আমাদের এমনভাবে ঘিরে ধরে যে , মনে হয় আর এগোনো সম্ভব নয়। মনে হয় সফল</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/despite-of-so-many-obstacles-they-are-succssful-today/">শত বাঁধা পেরিয়ে যারা আজ বিজয়ী</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 6</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p>কখনও কখনও ব্যর্থতা আর হতাশা আমাদের এমনভাবে ঘিরে ধরে যে , মনে হয় আর এগোনো সম্ভব নয়। মনে হয় সফল হওয়া অসম্ভব। কিন্তু যারা দাঁতে দাঁত চেপে ক্রমাগত তাদের স্বপ্নপূরণের দিকে এগিয়ে যায় , শত বাঁধাও তাদের হার মানাতে পারে না । প্রত্যেকটা ব্যর্থতাকে সিঁড়ি করে তাঁরা এগিয়ে যেতে থাকে তাদের গন্তব্যে । টম ওয়াটসনের ভাষায় ,  &#8221; যদি সফল হতে চাও তবে ব্যর্থতার হার দ্বিগুণ করে দাও।&#8221; ইতিহাস হাতড়ালে দেখা যায় যে , সমস্ত সাফল্যের কাহিনীর পিছনে আছে ব্যর্থতার কাহিনী। কিন্তু সফলতা লাভের পর ব্যর্থতা , মানুষের নজরে পড়ে না । সবাই ভাবে ইশ্ লোকটা কত ভাগ্যবান , ঠিক সময়ে ঠিক জায়গায় ছিল বলেই আজ সফল হয়েছে । গল্পটা কিন্তু উল্টো,বরং শত বাঁধা পেরিয়ে আজ তারা বিজয়ী হতে পেরেছে । প্রতিটি ব্যর্থতা যাদের সাফল্য লাভের জন্য উজ্জীবিত করেছে , পরাস্ত হয়েও যারা পিছিয়ে না পড়ে সামনে এগিয়ে গেছে তাদেরই গল্প আজ বলব তোমাদের ।</p>



<p><strong><u>টমাস আলভা এডিসন </u></strong></p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter"><img loading="lazy" decoding="async" width="234" height="300" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/01/Thomas-722-x-924-234x300.jpg" alt="despite of so many obstacles they are succssful today Preronajibon" class="wp-image-234" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/01/Thomas-722-x-924-234x300.jpg 234w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/01/Thomas-722-x-924.jpg 722w" sizes="auto, (max-width: 234px) 100vw, 234px" /><figcaption>Image Source : Wikipedia</figcaption></figure></div>



<p>একদিন কানে আংশিকভাবে কালা চার বছরের এক বাচ্চা স্কুল থেকে বাড়ি ফিরলো তার মাষ্টারমশাইয়ের দেওয়া একটি ছোট্ট চিঠি নিয়ে । চিঠিটি মাষ্টারমশাই তার মাকে লিখেছিলেন এবং বলেছিলেন এই চিঠিটা যেন তার মা-ই পড়ে । তাতে লেখা ছিল &#8221; আপনার টমি এত বোকা যে তার পক্ষে লেখাপড়া শেখা সম্ভব নয় , তাকে স্কুল থেকে ছাড়িয়ে নিন । টমির মা সেদিন টমিকে কিছু জানায় নি বরং মনে মনে প্রতিজ্ঞা করলেন _&#8221;আমার টমি মোটেই বোকা নয় , আমি তাকে নিজেই পড়াব।&#8221; <br>
সেই টমিই আজ বিখ্যাত টমাস এডিসন নামে পরিচিত । এডিসন মাত্র তিন মাস স্কুলের শিক্ষা লাভ করেছিলেন এবং তিনি ছিলেন আংশিক বধির।</p>



<p>বিশ্বকে আলোকিত করার কারিগর তিনি । বৈদ্যুতিক বাতি সহ গ্রামোফোন,মোশন পিকচার ক্যামেরা এমন অনেক কিছু আবিস্কার করেছেন তিনি, যার নিদর্শন চারপাশে তাকালেই পাওয়া যাবে । কিন্তু এই বিখ্যাত বিজ্ঞানীকেও অনেক হতাশা ও ব্যর্থতার সন্মুখীন হতে হয়েছিল। যখন তিনি বৈদ্যুতিক বাল্ব তৈরির জন্য চেষ্টা করেছিলেন তখন কমবেশি তাকে ১০০০ বার ব্যর্থ হতে হয়েছিল কিন্তু এই ব্যর্থতা তাকে হার মানাতে পারে নি । এই সম্পর্কে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন__</p>



<blockquote class="wp-block-quote is-layout-flow wp-block-quote-is-layout-flow"><p>I don&#8217;t fail 1000 times, the light bulb was an invention with 1000 steps.</p></blockquote>



<p>১৯১৪ সালে ৬৭বছর বয়সে টমাস এডিসনের কয়েক মিলিয়ন ডলারের কারখানা আগুনে বিনিষ্ট হয়ে যায় । কারখানাটির বীমা করা ছিল না। তখন বয়স্ক এডিসন দেখলেন তার জীবনের সমস্ত প্রচেষ্টার ফলশ্রুতি ভষ্মে পরিণত হল । কিন্তু হার মানা তাঁর স্বভাব নেই । তিনি মনে মনে বললেন যে , __ &#8221; বিপর্যয়ের মধ্যে একটা মহৎ শিক্ষা আছে , আমাদের সমস্ত ত্রুটি বিচ্যুতি পুড়ে ছাই হয়ে গেল । ঈশ্বরকে ধন্যবাদ আমরা আবার নতুন করে শুরু করবো । &#8220;<br> টমাস এডিসন ভেঙে পড়তে পারতেন ভাবতে পারতেন তাঁর জীবনের সমস্ত প্রচেষ্টা বিফল হয়ে গেল, তিনি ধ্বংস হয়ে গেলেন ইত্যাদি। কিন্তু তিনি তা ভাবেন নি বরং নেতিবাচক দিকটার মধ্যে ইতিবাচক বিষয়গুলি দেখতে পেলেন এবং পুনরায় শুরু করলেন।</p>



<p><strong><u>কর্নেল হারল্যান্ড ডেভিড স্যান্ডার্স </u></strong></p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/01/Col._Harland_Sanders_Portrait_Commissioned_by_Winston_L._Shelton.jpg" alt="despite of so many obstacles they are succssful today Preronajibon" class="wp-image-235" width="396" height="425" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/01/Col._Harland_Sanders_Portrait_Commissioned_by_Winston_L._Shelton.jpg 359w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/01/Col._Harland_Sanders_Portrait_Commissioned_by_Winston_L._Shelton-280x300.jpg 280w" sizes="auto, (max-width: 396px) 100vw, 396px" /><figcaption>Image Source : Wikimedia</figcaption></figure></div>



<p>হারল্যান্ড স্যান্ডার্স বা কর্নেল স্যান্ডার্স যিনি চির স্মরণীয় হয়ে আছেন &#8221; কেন্টাকি ফ্রাইড চিকেন&#8221; বা &#8216;কে এফ সি &#8216; ফ্রাঞ্চাইজির জন্য। এই মানুষটির জীবনে ছিলো ব্যর্থতা ও হতাশার কালো অন্ধকারে ভরা । একসময় জীবনের সব আশা ছেড়ে দিয়ে স্যান্ডার্স আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নেয় । কিন্তু সে সময় সে ফিরে তাকায় তাঁর জীবনের অর্জন গুলোর দিকে তখন তাঁর মনে হয় জীবনে এখনো তাঁর অনেক কিছু করার বাকি আছে । তিনি জীবনে অনেক হার দেখেছিলেন কিন্তু সেই হার তাকে সাফল্যের পথে এগোতে বাঁধা দিতে পারে নি। তাইতো ৬৫ বছর বয়সে তিনি শুরু করেন এক নতুন অধ্যায়ের। একটি ঝড়ঝড়ে গাড়ি এবং সরকারের সামাজিক সুরক্ষা বিভাগ থেকে দেওয়া ১০০ ডলার নিয়ে তিনি ব্যবসা শুরু করেন। সেই থেকে শুরু হলো তার জীবনের নতুন অধ্যায়। তার মায়ের কাছে শেখা রন্ধন প্রণালী অনুযায়ী কিছু খাবার তিনি ফেরি করতে বের হলেন। কতগুলো বাড়ি ও রেস্তোরাঁ ঘোরার পর তিনি তাঁর প্রথম খদ্দের পেয়েছিলেন? গননা করে দেখা গেছে যে  প্রায় ১০০০ টি ঘোরার পর তিনি তাঁর প্রথম খদ্দের পান । আমরা হলে হয়তো ৫টা কিংবা ১০টা খুব বেশি হলে ১০০টা বাড়ি ঘোরার পর হতাশ হয়ে হাল ছেড়ে দিতাম । বলতাম অনেক চেষ্টা করলাম কিন্তু পারলাম না । কর্নেল স্যান্ডার্স কিন্তু ছিলেন ভিন্ন প্রকৃতির মানুষ। বুড়ো বয়সে এসেও তিনি ব্যর্থতার কাছে হার স্বীকার করেন নি বরং ব্যর্থতাই স্যান্ডার্সের কাছে পরাজয় বরণ করেছে। আজ সারা বিশ্বে KFC একটি ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে । বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ফুড চেইন KFC এর রয়েছে 20,000 শাখা , সারা বিশ্বে ১২৩ টিরও বেশি দেশে । আমরা KFC রেষ্টুরেন্ট গুলোতে যে বৃদ্ধ লোকের ছবি দেখতে পাই সেটি আর কেউ নন , কর্ণেল সান্ডার্স নিজেই ।</p>



<p><strong><u>ওয়াল্ট ডিজনি </u></strong></p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter"><img loading="lazy" decoding="async" width="400" height="600" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/01/Walt_Disney_1946.jpg" alt="despite of so many obstacles they are succssful today Preronajibon" class="wp-image-236" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/01/Walt_Disney_1946.jpg 400w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/01/Walt_Disney_1946-200x300.jpg 200w" sizes="auto, (max-width: 400px) 100vw, 400px" /><figcaption>Image Source : Wikipedia</figcaption></figure></div>



<p>বিখ্যাত কার্টুন ক্যারেক্টার মিকি মাউসের সৃষ্টিকর্তা ওয়াল্ট ডিজনিকে পাড়ি দিতে হয়েছে অনেক দুর্গম পথ । মুখোমুখি হতে হয়েছে কঠোর বাস্তবতার সঙ্গে । তিনি অত্যন্ত গরীব পরিবারে জন্মেছিলেন । ভোর হতে না হতেই সংবাদপত্র নিয়ে ছুটতেন এপাড়া থেকে ওপাড়ায়। তিনি অনেক খবরের কাগজের সম্পাদকের কাছ থেকে প্রত্যাখ্যাত ও হয়েছিলেন। একবার Kanasas City star নামক পত্রিকার সম্পাদক তাঁকে এ পত্রিকার চাকরি থেকে বহিস্কার করেন এই অজুহাতে যে , <br> &#8220;তাঁর  মধ্যে কোন প্রতিভা নেই , তাঁর কল্পনা শক্তির ঘাটতি রয়েছে ।&#8221; <br> ডিজনির শৈশব থেকেই ছবি আঁকার প্রতি অত্যন্ত ঝোঁক দিল। বড় হতে হতে একসময় একজন চিত্রশিল্পী হওয়ার বাসনা তৈরি হয় তাঁর মনে । একবার গির্জার এক পাদ্রী তাঁকে কিছু ব্যঙ্গচিত্র আঁকার ফরমাস করেন । ডিজনি গির্জার কাছে একটা ছোটো চালাঘরে বাসা বেঁধেছিলেন, যেখানে অনেক ইঁদুর ঘোরাফেরা করত ।একটি ইঁদুর দেখে তার ভালো লাগে এবং যেটি শেষপর্যন্ত তাঁর বিখ্যাত &#8216;মিকি মাউস&#8217; এ পরিণত লাভ করে । কিন্তু তাঁর জীবনের যাত্রা পথটা সহজ দিল না ।তাঁর অর্থনৈতিক অবস্থা এতটাই শোচনীয় ছিল যে খাওয়া পড়ার মতো টাকা তাঁর কাছে থাকত না । পরিবেশকরা তাঁর আইডিয়াকে খুব বাজে ভাবে প্রত্যাখ্যাত করত। কিন্তু নিজের আইডিয়ার উপর তাঁর দৃঢ় বিশ্বাস ছিল তাই আর কিছু না ভেবে নিজেই উদ্যোগী হয়ে দুটি কার্টুন ফিল্ম তিনি বানিয়ে ফেলেন । কিন্তু এইসব চালিয়ে যাওয়ার জন্য তাঁর প্রচুর অর্থের প্রয়োজন ছিল । কিন্তু তিনি কখনও ভেঙে পড়েন নি বরং স্বপ্নে উড়ান দেওয়ার জন্য তিনি চেষ্টা চালিয়েছেন অনবরত। অবশেষে মিকি মাউসের প্রদর্শন হয় । মিকি মাউস যা পরবর্তীতে পৃথিবীর ইতিহাসে অন্যতম নিদর্শন হিসাবে জায়গা করে নেয় । ২২ টা পুরষ্কার জয় করে তাঁর এই  ফিল্ম ।মিকি মাউসের মত তাঁর আরেকটি চোখ ধাঁধানো আবিষ্কার হল ডিজনি ল্যান্ড । এটিতে ডিজনি তাঁর কল্পনার জগতকে বাস্তবে রুপদান দিয়েছেন। আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার অ্যানা হেইমে প্রতিষ্ঠিত এ থিম পার্কটির উদ্বোধন হয় ১৯৫৫ সালের ১৭ জুলাই । যেই স্থানটির সৌন্দর্যে অভিভূত হতে হাজার হাজার মানুষ রোজ সেখানে ভিড় করে। ডিজনি অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছেন। বারবার প্রত্যাখ্যাত হয়েও তিনি তাঁর স্বপ্নকে পূরণ করেছেন ।</p>



<p><strong><u>জে-কে-রাউলিং :</u></strong></p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter"><img loading="lazy" decoding="async" width="358" height="450" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/01/J._K._Rowling.jpg" alt="" class="wp-image-239" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/01/J._K._Rowling.jpg 358w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/01/J._K._Rowling-239x300.jpg 239w" sizes="auto, (max-width: 358px) 100vw, 358px" /><figcaption>Image Source : Wikimedia</figcaption></figure></div>



<p>জনপ্রিয় কল্পকাহিনী হ্যারি পটার সিরিজের রচয়িতা জে-কে রাউলিং, যিনি ইতিমধ্যেই তাঁর রচনার মাধ্যমে কোটি কোটি মানুষের মন জয় করেছেন। এই সাফল্য তাঁর দুয়ারে এনে দিয়েছে খ্যাতির মর্যাদা। কিন্তু এই সফলতার পিছনে গল্পটা খুব একটা সুখকর ছিল না । জীবনের নানা বিপর্যয়ের সম্মুখীন হতে হয়েছে তাঁকে । এমন ও অনেক দিন তাকে কাটতে হয়েছিল যখন তাঁর কাছে খাওয়া পড়ার মতো সম্বলটুকু ছিলো না। তবুও তিনি তাঁর স্বপ্নের পেছনে ছুটে গেছেন । বারবার ব্যর্থ হওয়ার পরেও তিনি হাল ছাড়েননি বরং ব্যর্থতাকে বুকে টেনে নিয়েছেন ভালোবেসে । ব্যর্থতাকে প্রেরণার সিঁড়ি হিসাবে ধরে তিনি নিজের স্বপ্নের পেছনে ছুটেছেন ধূমকেতুর তীব্রতায় । ছোটোবেলা থেকেই রাউলিং গল্প পড়তে ও লিখতে ভালোবাসতেন । ইংরেজি নিয়ে পড়ার ইচ্ছে থাকলেও বাবা মার সমর্থন না থাকায় তাঁকে পড়তে হয়েছিল আধুনিক ভাষা নিয়ে কিন্তু শেষমেষ তিনি এই বিষয় নিয়ে পড়েননি। একদিন তিনি ট্রেনে চেপে ম্যানচেস্টার থেকে লন্ডনের পথে যাচ্ছিলেন সেই সময় তার মাথায় আসে হ্যারি পটার গল্পের ধারনা । কিন্তু সেই সময় তাঁর মায়ের মৃত্যুর ঘটনা তাকে শোকাহত করে তোলে । যার প্রভাব পড়ে তাঁর লেখাতেও । ২৭ বছর বয়সে তিনি বিয়ে করেন, তার সংসার জীবন ও ভালো কাটে নি । ফলে বছর খানেকের মধ্যে তাঁর বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে । তখন তাঁর কোলে ছিল ফুটফুটে একটি কন্যা সন্তান। তাকে নিয়ে অনেক কষ্টে তিনি দিন গুজরান করেন । বিষন্নতা ও হতাশা এমন চরম পর্যায়ে পৌঁছায় যে একসময় তিনি আত্মহত্যার চিন্তা করেন । কিন্তু তিনি হার মানেন নি যন্ত্রণার কাছে । দুঃখ ও যন্ত্রণা গুলিকে কাজে লাগিয়ে তিনি এগোতে থাকেন নিজের স্বপ্নের পথে । পুরোনো একটি টাইপরাইটার আর বুকের মাঝে বেঁচে থাকা আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন নিয়ে তিনি আবার লেখালেখি শুরু করেন । দিনের পর দিন লেখালেখি চালিয়ে তিনি তাঁর হ্যারি পটার সিরিজের প্রথম বই &#8220;হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্যা ফিলোসফার্স স্টোন&#8221; বইটি লেখা শেষ করেন । এবার বইটি প্রকাশ করবার পালা । সেখানে রয়েছে আরেক গল্প। তিনি বইটি প্রকাশের জন্য বিভিন্ন প্রকাশকের কাছে পান্ডুলিপি পাঠাতে থাকেন কিন্তু কেউ তাঁর বইটি প্রকাশ করতে রাজী হন নি । প্রায় ১২ জন প্রকাশক তাকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। তাদের ধারণা ছিল এই বই বাজারে চলবে না। শেষ পর্যন্ত ব্লুমসবারি প্রকাশনী তাঁর বইটি ছাপাতে রাজি হয়। প্রথম প্রকাশে বইটির একহাজার কপি ছাপা হয়। যার মধ্যে ৫০০ কপি বই- ই বিক্রি হয় বিভিন্ন স্কুলে , কলেজের লাইব্রেরিতে। বইটি শিশু সাহিত্যের জগতে নিয়ে আসে এক অভিনব বিবর্তন। বইটি প্রকাশের মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যেই জিতে নিয়েছিল সেরা শিশুসাহিত্যের পুরষ্কার।তারপর তাঁকে আর পিছনে ফিরে তাঁকাতে হয়নি।এখন বিশ্বজুড়ে তাঁর লেখা বইগুলো বিক্রি হয়েছে চল্লিশ কোটিরও বেশি।পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে সফল সবচেয়ে ধনী লেখকের কথা বলতে গেলে এখনও তাঁর নামটি উঠে আসে সবার আগে।</p>



<blockquote class="wp-block-quote is-layout-flow wp-block-quote-is-layout-flow"><p>Anything&#8217;s possible if you&#8217;re got enough nerve.</p><cite>J.K Rowling</cite></blockquote>



<p>অর্থাৎ আমরা প্রতিদিনের জীবনে নানা কিছু দেখি এবং শিখি।আমাদের মনে হয় এই সব মহৎ ব্যক্তিদের শতবাধা পেরনোর কাহিনী থেকে শিক্ষা নিয়ে যদি নিজেদের চলার পথকে আরো উদ্যম আরও জেদ নিয়ে লড়াকু মানসিকতা  তৈরি করতে পারি তবে আমরাও হয়ে উঠতে পারি আরেকটি হার না মানা গল্পের স্রষ্টা। এরপর থাকবে আরও কয়েকজন বিখ্যাত মানুষের হার না মানার গল্প। সঙ্গে থাক।</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/despite-of-so-many-obstacles-they-are-succssful-today/">শত বাঁধা পেরিয়ে যারা আজ বিজয়ী</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/despite-of-so-many-obstacles-they-are-succssful-today/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>3</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>একটি প্রেরণামূলক গল্প &#124; Motivational Story &#8211; Preronajibon</title>
		<link>https://preronajibon.com/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%82%e0%a6%b2%e0%a6%95-%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%82%e0%a6%b2%e0%a6%95-%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 05 Dec 2018 10:00:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[মোটিভেশন]]></category>
		<category><![CDATA[motivational]]></category>
		<category><![CDATA[preronajibon]]></category>
		<category><![CDATA[story]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=101</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> &#60; 1</span> <span class="rt-label rt-postfix"></span></span>একটি প্রেরণামূলক গল্প &#124; &#8211; Preronajibon জীবনকে তুমি যা দেবে, জীবনও তোমাকে সেটাই ফিরিয়ে দেবে । চিন্তাধারা আমাদের জীবনে একটি</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%82%e0%a6%b2%e0%a6%95-%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa/">একটি প্রেরণামূলক গল্প | Motivational Story &#8211; Preronajibon</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> &lt; 1</span> <span class="rt-label rt-postfix"></span></span><h2><span style="text-decoration: underline;">একটি প্রেরণামূলক গল্প | &#8211; Preronajibon</span></h2>
<blockquote>
<p>জীবনকে তুমি যা দেবে, জীবনও তোমাকে সেটাই ফিরিয়ে দেবে ।</p>
</blockquote>
<p>চিন্তাধারা আমাদের জীবনে একটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে । চিন্তার গুনমানই জীবনের গুণমানের নির্ধারক । একজন মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি , ব্যবহার এবং প্রকাশভঙ্গি মিলিতভাবে একটি মধুর ব্যক্তিত্বের সৃষ্টি করে ।<br>একটি ছোট গল্প বলি, সেটা আমি হয়তো কোথাও পড়েছি বা শুনেছি &#8211;<br>একটি ছোট্ট ছেলে তার মায়ের ওপর রাগ করে চেঁচিয়ে বলল ,</p>
<blockquote>
<p>&nbsp;আমি তোমাকে ঘৃণা করি । আমি তোমাকে ঘৃণা করি ।</p>
</blockquote>
<p>মায়ের বকুনির ভয়ে সে বাড়ি থেকে দৌড়ে পালিয়ে গেল । একটু দূরে একটি পাহাড় ঘেরা উপত্যকায় গিয়ে সে আবার চেঁচিয়ে বলল ,</p>
<blockquote>
<p>আমি তোমাকে ঘৃণা করি । আমি তোমাকে ঘৃণা করি ।</p>
</blockquote>
<p>ছেলেটি জীবনে এই প্রথম প্রতিধ্বনি শুনল । ভয় পেয়ে সে দৌড়ে মায়ের কাছে ফিরে গিয়ে মাকে বলল ,</p>
<blockquote>
<p>মা পাহাড়ে একটা খারাপ ছেলে , চেঁচিয়ে বলছে , তোমাকে ঘৃণা করি ।</p>
</blockquote>
<p>মা ব্যাপারটা বুঝতে পেরে ছেলেকে নিয়ে উপত্যকায় ফিরে গিয়ে চিৎকার করে বলল ,</p>
<blockquote>
<p>আমি তোমাকে ভালোবাসি , আমি তোমাকে ভালোবাসি ।</p>
</blockquote>
<p>ছোট্ট ছেলেটি ফিরে গিয়ে উচ্চ স্বরে বলল ,</p>
<blockquote>
<p>আমি তোমাকে ভালোবাসি , আমি তোমাকে ভালোবাসি ।</p>
</blockquote>
<p>প্রতিধ্বনি ফিরে এল । ছোট্ট ছেলেটি বুঝতে পারল , আমাদের জীবন প্রতিধনির মত :</p>
<blockquote>
<p>আমরা যা দেই , তাই ফিরে পাই ।</p>
</blockquote>
<p>গল্পটি আমাদের এই শিক্ষা দেয় যে কী করে আমরা জীবনকে রোজ একটু একটু সাজিয়ে আরও সুন্দর করতে পারি । কারন জীবন একটি প্রতিধ্বনির মত, আমরা যা দেই , তাই ফিরে পাই । প্রতিদিনের অল্প অল্প চেষ্টা , পরিবর্তন শেষে গিয়ে সুফল প্রদান করবে । যাতে আমাদের জীবনের মান আরও উন্নত হবে ।</p>
<p style="text-align: center;"><a href="https://preronajibon.com/%e0%a6%b8%e0%a6%a0%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a7%ad-%e0%a6%9f/"><span style="text-decoration: underline;"><strong>পড়ুন : জীবনে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ৭ টি উপায়</strong></span></a></p>
<p></p>
<p></p>
<p></p>


<p style="text-align:center"><a href="https://preronajibon.com/life-changing-30-quotes/"><strong>জীবন বদলে দেওয়ার মতো 30 টি বাণী | Life Changing 30 Bengali Quotes</strong></a></p>



<h2 class="wp-block-heading"></h2>



<h2 class="wp-block-heading"></h2>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%82%e0%a6%b2%e0%a6%95-%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa/">একটি প্রেরণামূলক গল্প | Motivational Story &#8211; Preronajibon</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%82%e0%a6%b2%e0%a6%95-%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>1</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>

<!--
Performance optimized by W3 Total Cache. Learn more: https://www.boldgrid.com/w3-total-cache/?utm_source=w3tc&utm_medium=footer_comment&utm_campaign=free_plugin

Page Caching using Disk: Enhanced 
Lazy Loading (feed)
Minified using Disk

Served from: preronajibon.com @ 2026-04-23 22:43:38 by W3 Total Cache
-->