<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>tips Archives - প্রেরণাজীবন</title>
	<atom:link href="https://preronajibon.com/tag/tips/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://preronajibon.com/tag/tips/</link>
	<description>PreronaJibon</description>
	<lastBuildDate>Mon, 04 Mar 2019 10:38:35 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2018/12/cropped-Favicn-32x32.png</url>
	<title>tips Archives - প্রেরণাজীবন</title>
	<link>https://preronajibon.com/tag/tips/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>মস্তিষ্ককে চনমনে রাখবে যে ৮টি খাবার</title>
		<link>https://preronajibon.com/eight-foods-for-active-brain/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/eight-foods-for-active-brain/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 03 Mar 2019 19:36:08 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শরীর ও স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[health]]></category>
		<category><![CDATA[preronajibon]]></category>
		<category><![CDATA[tips]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=318</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 5</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>এই বিশ্বে মানুষই সকল প্রাণীর উপর নিজের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে তার মস্তিষ্কর জন্য । সত্যি ভেবে দেখো তো আমাদের ব্রেইন</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/eight-foods-for-active-brain/">মস্তিষ্ককে চনমনে রাখবে যে ৮টি খাবার</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 5</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p>এই বিশ্বে মানুষই সকল প্রাণীর উপর নিজের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে তার মস্তিষ্কর জন্য । সত্যি ভেবে দেখো তো আমাদের ব্রেইন বা  মস্তিষ্ক সারাদিন কত কাজ করে । দেখতে পাই না বটে , কিন্তু সমস্ত কাজই কিন্তু পরিচালিত হয় এই মস্তিষ্কর দ্বারা । আর এটা ভেবে দেখো তো আমরা এই মস্তিষ্কর জন্য কী কী যত্ন নিই ? ভেবে পাচ্ছ না তো ! বুঝিয়ে বলি । আমাদের শরীরের সমস্ত শক্তি উৎস হল খাবার । তাহলে দেখ আমরা যে সব খাবারে মস্তিষ্কর গঠন মজবুত হবে , যা যা খাবারে মস্তিষ্কর নানা উপাদানগুলো সতেজ রাখার বিভিন্ন উপাদান পাব &#8212; সেইসব খাবার কি প্রতিদিনের তালিকায় রাখি ?</p>



<p>এই বিশ্বের সবচেয়ে বুদ্ধিমান প্রাণী হল মানুষ। মানুষ প্রকৃতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে নিজের অস্তিস্ত্ব বজায় রেখেছে মস্তিষ্কের জোরেই। সমুদ্র থেকে মহাকাশ , এভারেস্ট থেকে আমাজন সব স্থানেই মানুষের আধিপত্য একমাত্র মস্তিষ্কের জোরেই। মানুষ মানুষকে দাম দেয় এই মাথার জন্যই । আর মানুষের এই মাথা বা এর মূল উপাদান মস্তিষ্কের উর্বরতার উৎস হল আমাদের বিভিন্ন খাবারগুলি। তাই দেখা যায় যত মানুষ তার মাথার কাজও নানারকম। মানুষ প্রত্যেকেই এক একজন সৃজনশীল ব্যক্তি। বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের মত বিষয়গুলিও এই মস্তিষ্কের মধ্যেই ধরা দেয়।<br> আর মানুষ কিনা এই মস্তিষ্ককে তার উপযুক্ত যত্ন না করে অবহেলায় তার অমর্যদা করছে। তাই খুব জানা প্রয়োজন যেসব খাবার আমাদের এই মস্তিষ্ককে  সতেজ বা সুস্থ রাখবে ।</p>



<p>বার্লিনের পুষ্টিবিজ্ঞানের গবেষক জানিয়েছেন , চকোলেট, স্ন্যাকস , মিষ্টিজাতীয় খাবারের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ছে ক্রমশঃ । যা মস্তিষ্কের পক্ষে মোটেও ভালো নয় । কারণ এইসব খাবারের গ্লুকোজ খুব দ্রুত রক্তে মিশে যায় আর মস্তিষ্ককে দ্রুত উত্তেজিত করে । সাময়িক ভাবে মনে হতে পারে ভালোই তো হচ্ছে । কিন্তু গ্লুকোজের কার্যকারিতা শেষ হয়ে গেলেই আবার দ্রুত মস্তিস্ক নিস্তেজ হয়ে পড়ে । ফলে একটা হতাশা বা নিঃস্পৃহতা চলে আসে । যদি এই চনমনে ভাবটি দীর্ঘস্থায়ী করতে হয় তবে মিশ্রকার্বহাইড্রেড , ভিটামিন এ, বি, সি , ই (  A,B,C,E ) এবং কিছু খনিজসমৃদ্ধ খাবারের প্রয়োজন । বিশেষভাবে প্রয়োজন আন্টি অক্সিডেন্ট , ওমেগা থ্রি ,  ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ খাবার । তো বন্ধুরা এস জেনে নিই প্রতিদিনের সহজলভ্য কোন কোন খাবার খেলেই আমাদের মস্তিস্ককে তরতাজা ও সুস্থ থাকবে।</p>



<p><strong>১. ডিম :  </strong></p>



<figure class="wp-block-image"><img fetchpriority="high" decoding="async" width="568" height="381" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/03/Egg-Eight-Foods-For-Active-Brain.jpg" alt="" class="wp-image-319" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/03/Egg-Eight-Foods-For-Active-Brain.jpg 568w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/03/Egg-Eight-Foods-For-Active-Brain-300x201.jpg 300w" sizes="(max-width: 568px) 100vw, 568px" /></figure>



<p>American Journal of Clinical Nutrition এ প্রকাশিত একটি গবেষণামূলক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে প্রতিদিন খাদ্যতালিকায় অন্ততঃ একটি করে ডিম রাখলে শরীরে উপকারী উপাদানগুলোর মাত্রা বাড়তে থাকে আর ব্রেইন সেলগুলিকে শক্তিশালী করে তোলে । ডিমের ভেতরে থাকা কলিন, Docosahexonic acid শরীরে যোগ হলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ে। এছাড়াও ফ্যাটি এসিড , Vitamin A , B12 , selenium সহ বিভিন্ন প্রোটিন উপাদান দারুন মস্তিস্কর জন্য খুব কার্যকরী । বয়স 6+  হলেই সপ্তাহে 6টি করে ডিম খাওয়া যেতে পারে। ডিম এককথায় ……</p>



<p>   * স্মৃতিশক্তি বাড়ায়      * বুদ্ধির তীক্ষ্ণতা বাড়ায় । </p>



<p><strong>২. মাছ :</strong></p>



<p>মাছ বাঙালির কতটা প্রিয় &#8212; সে কথা বলাই বাহুল্য। বিভিন্ন সহজলভ্য  মাছ কিংবা বিশেষ করে সামুদ্রিক মাছে থাকা ওমেগা থ্রি , ফ্যাটি এসিড , ফসফরাস সহ নানা খনিজ  মস্তিষ্কের গঠগত উপাদান গঠন করে । নতুন সেল তৈরি করতে সাহায়তা করে। মাছ বেশি খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে। </p>



<p><strong>৩.দুধ :</strong></p>



<p>&#8220;দুধ না খেলে হবে না ভালো ছেলে &#8220;&#8212; এই চেনা বিজ্ঞাপনের সূত্রেই বলা যায় সুষম খাদ্যের তালিকায় দুধ ১নম্বরে আছে। NDTV  তে প্রকাশিত এক গবেষণার ফলাফলে বলা হয়েছে দুধ প্রাপ্ত বয়স্কদের মস্তিষ্কের কাজকে তরান্বিত করে। দুধে থাকা glutathione নামক আন্টি অক্সিডেন্ট মানুষের ট্রেস বা হতাশাকে প্রতিহত করে । এছাড়া দুধ স্মৃতিশক্তিও বাড়িয়ে দেয় । তাছাড়া নানা পুষ্টিগুণ সম্পন্ন দুধ ক্ষুধা দূর করে মাথাকে অযথা অন্যমনস্ক <br> হওয়ার থেকে রক্ষা করে। </p>



<p><strong>৪.শাক  (পুঁই, পালং,  লাল শাক) :</strong> </p>



<p>পালং পুঁই শাকের মতো সহজলভ্য শাকগুলির মধ্যে প্রচুর পরিমান আন্টি অক্সিডেন্ট থাকে যা মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা আর স্মৃতিশক্তি দুটোই বৃদ্ধি করে। ভিটামিন ও বেশ কিছু মিনারেল পাওয়া যায় এইসব শাকে যেগুলি অন্যান্য কাজ তো করেই মানুষের মস্তিষ্কের গঠনগত কোষের কার্যক্ষমতাও বাড়াতে পারে। অনেকে মনে করেন পালং এবং পুঁই শাক মহিলাদের ক্ষেত্রে খুব ভালো কার্যকরী।  ভিটামিন সি  পড়াশুনা মনে রাখার মতো স্মৃতিধারকের কাজে উন্নতি ঘটায়, ভিটামিন ই ডোপামিন হরমোনের ক্ষেত্রে কাজ করে যা মস্তিষ্কে তথ্য প্রবাহে দ্রুততা আনে। লাল শাকে থাকা বিটা ক্যারোটিন স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমায় । </p>



<p><strong>৫.স্যালাড (গাজর, টমেটো) :</strong> </p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter"><img decoding="async" width="524" height="380" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/03/Salad-Eight-Foods-For-Active-Brain.jpg" alt="" class="wp-image-320" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/03/Salad-Eight-Foods-For-Active-Brain.jpg 524w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/03/Salad-Eight-Foods-For-Active-Brain-300x218.jpg 300w" sizes="(max-width: 524px) 100vw, 524px" /></figure></div>



<p>গাজরে থাকে উচ্চমাত্রার লুটিওনিন , যা স্মৃতিক্ষয় রোধ করে। inflammation  বা প্রদাহ তো কমায়ই উপরন্তু মস্তিষ্কের স্মৃতিধারক কোষকে সজীব করে রাখে। স্যালাড এর সঙ্গে যদি টমেটো রাখা যায় তাহলে খুব ভালো। টমেটোতে থাকা পটাসিয়াম রক্ত চলাচলকে স্বাভাবিক করে। ফলে স্ট্রোক এর সম্ভাবনা কমে। গ্লুটামিক এসিড মানুষকে সুস্থ স্বাভাবিক থাকতে সাহায্য করে। একটা বড় গুন হলো রান্না করলেও টমেটোর পুষ্টিগুণ কমে না । </p>



<p><strong>৬.লেবু: </strong></p>



<p>ফল হলেও লেবুর আলাদা গুরুত্বের কথা কেউ অস্বীকার করতে পারে না। লেবুর রসে অনেকটা পটাসিয়াম থাকে , যা বিষণ্ণতা ও উৎকণ্ঠা দূর করে। আর শরীরকে ও মনকে চনমনে রাখতে এর তুলনা নেই। লেবুর ও অন্যান্য উপকারিতার কথা তো সকলেরই জানা। পড়াশুনায় ক্লান্ত হয়ে গেলে একটু ঠান্ডা ও স্নিগ্ধ বিশ্রাম দিতে হলে একটু লেবু জল খেয়ে নাও। এতে মস্তিষ্ক ঠান্ডা থাকবে সেইসঙ্গে পড়াও বেশি মনে থাকবে। </p>



<p><strong>৭. ফল (স্ট্রবেরি , কালোজাম , কলা, কাঠবাদাম): </strong></p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter"><img decoding="async" width="544" height="381" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/03/Strawberry-Eight-Foods-For-Active-Brain.jpg" alt="" class="wp-image-321" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/03/Strawberry-Eight-Foods-For-Active-Brain.jpg 544w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/03/Strawberry-Eight-Foods-For-Active-Brain-300x210.jpg 300w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/03/Strawberry-Eight-Foods-For-Active-Brain-130x90.jpg 130w" sizes="(max-width: 544px) 100vw, 544px" /></figure></div>



<p>কলা একটি জনপ্রিয় ও সহজলভ্য ফল। কলায় থাকা প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে  ।তাই মানুষের ব্রেইন  সতেজ রাখতে কলার জুড়ি নেই । লেবুজাতীয় ফলে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি।  ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল গুলি আমাদের শরীরকে যেমন তরতাজা রাখে তেমনি সক্রিয় রাখে মস্তিস্ককেও। অবসাদ দূর করে মাথা ঠান্ডা রাখতে এইসব ফলগুলির জুড়ি নেই। স্ট্রবেরি ,কালোজাম সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছুই নেই। Alzheimer সমৃদ্ধ স্ট্রবেরি ব্রেন এর রোগ প্রতিরোধ করে ও কোষের ক্ষয় রোধ করে। কাঠবাদাম-এ থাকা ওমেগা থ্রি মস্তিষ্কের স্বাভাবিকতা বজায় রাখে আর স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমায়। </p>



<p><strong>৮. গ্রীন টি : </strong></p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/03/Tea-Eight-Foods-For-Active-Brain-300x201.jpg" alt="" class="wp-image-322" width="529" height="353"/></figure></div>



<p>চা খাওয়া নিয়ে মানুষের মধ্যে অনেক ধরনের মতভেদ রয়েছে কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে গ্রিন টি খেলে চায়ের যত উপকারিতা সেগুলো মানুষ পেয়ে থাকে ।  গ্রীন টি তে থাকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট , যা মানুষের শরীরকে এবং মস্তিষ্ককে তরতাজা রাখে এছাড়াও মস্তিষ্কের কোষের ক্ষয় থেকে রক্ষা করে  গ্রীন টি।  মস্তিষ্কের উদ্বেগ কমাতে গ্রীন টি-তে  থাকা এল থিয়ামিন মুখ্য ভূমিকা পালন করে । এছাড়া গবেষণায় প্রমাণিত যারা নিয়মিত  <br>গ্রীন টি পান করে তাদের মস্তিষ্কের সৃজনশীলতা,  যারা পান করে না তাদের তুলনায় বেশি থাকে । যদি খুব তাজা ও চনমনে রাখতে চাও মস্তিষ্ককে, তাহলে নিয়মিত দিনে এক দু বার গ্রীন টি খাওয়া অভ্যাস করো।  ।</p>



<p>বন্ধুরা , কারো বিশেষ কোনো সমস্যা থাকলে কোনো খাবারে এলার্জি থাকলে অবশ্যই তোমার ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে নেবে। আর এইসব খাবারে মস্তিষ্ক ভালো রাখবে আমাদের বিশ্বাস। আরো অনেক খাবার রয়েছে যেগুলো  নিয়ে বিস্তর গবেষণা চলছে,  এক্ষুনি নিশ্চয় করে সব বলা যাচ্ছে না , তাই যতটুকু বলা হলো মেনে চলো । আর খুঊঊঊব ভালো থেকো, খুশি থাকো ।</p>



<p></p>



<p><strong>পোস্টটি কেমন লাগল তা অবশ্যই কমেন্টে আমাদের জানাও। ভালো লেগে থাকলে শেয়ার বাটন এ ক্লিক করে বন্ধুদের সাথে শেয়ার কর। </strong></p>



<p></p>



<p> <br><em><a href="https://www.freepik.com" target="_blank" rel="noreferrer noopener" aria-label=" (opens in a new tab)">Vectors&nbsp;graphics designed by Freepik</a></em><a href="https://www.freepik.com" target="_blank" rel="noreferrer noopener" aria-label=" (opens in a new tab)"> </a><strong><a href="https://www.freepik.com" target="_blank" rel="noreferrer noopener" aria-label=" (opens in a new tab)"> </a></strong></p>



<p><br></p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/eight-foods-for-active-brain/">মস্তিষ্ককে চনমনে রাখবে যে ৮টি খাবার</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/eight-foods-for-active-brain/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পড়া পারে না হতাশ &#8212;-এমন ছাত্র-ছাত্রীর জন্য করণীয় তিনটি বিষয়</title>
		<link>https://preronajibon.com/study-tips-for-weak-students/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/study-tips-for-weak-students/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 20 Feb 2019 15:55:04 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শিক্ষা ও জীবন]]></category>
		<category><![CDATA[exam]]></category>
		<category><![CDATA[study tips]]></category>
		<category><![CDATA[tips]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=302</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 4</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>ভোর পাঁচটায় রাস্তায় বেরিয়ে দেখা হয় একটি ছেলের। ছেলে না বলে ছাত্র বলাই ভালো । ভোরে দেখা হতো বলে বন্ধুত্বের</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/study-tips-for-weak-students/">পড়া পারে না হতাশ &#8212;-এমন ছাত্র-ছাত্রীর জন্য করণীয় তিনটি বিষয়</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 4</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p>ভোর পাঁচটায় রাস্তায় বেরিয়ে দেখা হয় একটি ছেলের। ছেলে না বলে ছাত্র বলাই ভালো । ভোরে দেখা হতো বলে বন্ধুত্বের একটা সুযোগ ছিলই ।তাই ক্রমে আলাপ জমালাম। আলাপসূত্রে তার সাধারণ পরিচয় জানার পাশাপাশি একটি বিষয় আমকে খুব ভাবিয়েছে তা হলো ওর হতাশা। একজন ছাত্রের জীবনে একমাত্র তপস্যা বলতে আমরা বুঝতাম অধ্যয়নকে বা সোজা সাপ্টা ভাষায় বলা যায় পড়াশুনাই একটি ছাত্র বা ছাত্রীর প্রধান কাজ। কিন্তু বর্তমান যুগে মানুষ তার জীবনের প্রতিভার অভিমুখ অনুসারে বিষয়গুলিকে প্রধান -অপ্রধান ধরে নেয়।  যেমন একজন ছাত্র যার খুব ভালো দক্ষতা আছে গানে এবং তারও স্বপ্ন গায়ক হবার ; তাই সচেতন বাবা মা তার গানের চর্চাকে প্রধান তপস্যা ধরে পড়াশুনা নিয়মিত চর্চার একটি বিষয় হিসেবে রেখেছেন । কোনো ব্যাপার নেই তাতে । কিন্তু আমার ঐ ভোরবেলার বন্ধুটার কথা প্রসঙ্গে একথা কেন বললাম। কারনটি হলো ওর সেরকম কোনো hobby নেই।পড়াশুনাই একমাত্র কাজ । কিন্তু সমস্যাটি হলো সে ভালো পড়া পারে না। Result ও ভালো করতে পারে না। ক্লাসেও  শিক্ষক ও ছাত্রদের অবহেলার শিকার ।বাবা মা তাকে উঠতে বসতে কথা শোনায় পড়া না পারার জন্য ।</p>



<p>আমি ঐ বন্ধুটির সঙ্গে মিশে জানতে পারলাম তার হতাশার বিষয়টি। আমার মতে তার হতাশার মূল যে লক্ষণ আর কারণ বলে মনে হল সেগুলি তুলে ধরলাম।  </p>



<p><strong>হতাশার বহিঃপ্রকাশ :- </strong>  </p>



<p>কয়েকটি বিষয় যেগুলি ওর মনে বাঘের থাবার মতো আঁচড় কেটে রেখেছে । ফলে ও পালানোর পথ খুঁজছে বাবা মা , বিদ্যালয়, বন্ধু , আত্মীয় স্বজন এমনকি জীবন থেকেও । তার সঙ্গে কথা বলে যে যে বিষয়গুলি ওর সমস্যার প্রধান বিষয় সেগুলি উদ্ধার করে দেখা গেল মোটামুটি এইরকম &#8212;-</p>



<p>i)  স্কুলে যেতে ভালো লাগে না । </p>



<p>ii) বাবা-মা প্রতিনিয়ত পড়ার চাপ দেয় যা অসহ্য ।</p>



<p>iii) নিজের সমস্যা ও মনের অবস্থা বলার মতো বন্ধুর অভাব ।</p>



<p>iv)  আত্মীয়দের বাড়ি বা কোনো অনুষ্ঠানে সমবেত পরিচিত জনদের মাঝখানে ভালো ভালো result এর ছাত্রের তুলনায় অস্বস্তি লাগে ।</p>



<p>v) প্রতিবেশিদের কাছে নাকি বাবা মা মাথা নীচু করে থাকে তারই জন্য &#8212;-এটা মেনে নেওয়া কষ্টকর ।</p>



<p>Vi) school এ শিক্ষকদের কাছে  বারংবার অপমানিত হতে হয় । </p>



<p>vii) সহপাঠীরদের কাছেও একই অবস্থা হয় ।</p>



<p>viii) সর্বোপরি নিজের খুব ইচ্ছা ভালো পড়া করবে । কিন্তু কিছুতেই মূল সমস্যা বুঝে নিতে পারছে না ।</p>



<p>ix) পড়তে বসে সমস্ত ভাবনা চিন্তাগুলিই পড়তে দেয় না, জ্বালাতন করে ।</p>



<p>x) নিজের জীবনের প্রতি ঘৃণা জন্মায় , পালানোর মানসিকতা । সবার আড়ালে থাকার বাসনা আরো কোণঠাসা করে তোলে তাকে ।</p>



<p>আর ভাবতে গিয়ে যা বোঝা গেল,  সে হিসেবে দেখা যায়<br>হতাশার যেসব মূল  কারণ:-</p>



<p>এইসব হতাশার প্রতিফলন মাত্র । আমরা যদি এর মূল কারনগুলি খুঁজে দেখি তাহলে দেখবো কিছু জীবনের সত্য উঠে এসেছে । বিষয়টিকে আমরা যদি বিশ্লেষণ করতে যাই তবে দেখা যাবে তার হতাশার কারণগুলো। </p>



<p><strong>খুব সংক্ষেপে ছাত্র বন্ধুটির হতাশার কারনগুলি হলো :</strong></p>



<p>i) পূর্বের পড়ার gap গুলি জমে ওঠেছে ।</p>



<p>ii) পিতা-মাতার অত্যধিক চাপ এবং শাসনের ভয় ছাত্রটিকে সমস্যা আড়াল করতে শিখিয়েছে ।</p>



<p>iii) উপযুক্ত খোলামেলা পরিবেশের অভাব যা ছাত্রটিকে সাময়িক বিষয় নির্ভর করে তুলেছে &#8211; নিজের ও ভবিষ্যতের ভালোটা বোঝার সুযোগ দেয় নি ।</p>



<p>iv) ভালো শিক্ষক শিক্ষিকার সুনজর থেকে বঞ্চিত হয়েছে ; ফলে কোনো সমস্যা ও না পড়া বিষয়গুলির বোঝা ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্কের বাইরে স্থাপন করেছে তাকে ।</p>



<p>v) বাবা মা আত্মীয় স্বজন সকলের কথায় কথায় তুলনার অভ্যাস তাকে কোনঠাসা করেছে এমনকি মানসিক যন্ত্রণার জন্মদিয়েছে যা  &#8212; পড়তে মন বসায় বাধার সৃষ্টি করেছে ।</p>



<p>vi ) খুব সহানুভূতিপূর্ণ আচরণের অভাব। পারা বিষয়গুলির উপযুক্ত প্রশংসা ও হাতধরে শেখানোর লোক এবং আগ্রহী করে তোলার মতো উপাদানের অভাব রয়েছে ।</p>



<p>vii) হতাশা দূর করার মতো পরিকল্পিত পদক্ষেপ গ্রহণের অভাব। এতে বাবা-মা, শিক্ষক, সহপাঠী বন্ধু সকলের ভূমিকা আছে ।</p>



<p>যদিও বিষয়টি দীর্ঘ আলোচনার দাবী রাখে। তবুও যদি খু-উ-ব কম কথায় বলা যায় তবে এইভাবে বলতে পরি ।<br>
                       পড়া না পারা হতাশা ছাত্রের জন্য তিনটা ক্ষেত্রে মূল সমাধান রয়েছে।  । এই তিনটি ক্ষেত্র হল &#8211; অভিভাবক বা বাবা-মা, শিক্ষক বা শিক্ষিকা এবং সহপাঠী কোনো বন্ধু । </p>



<p>প্রধান তিনটি করণীয় : </p>



<p><strong>১। অভিভাবক ( বাবা মা) কী করে হতাশা দূর করতে পারে :- </strong></p>



<p>একজন শিশু বড় হতে থাকে অভিভাবকের তত্বাবধানে। কাজেই বাবা মা বা অভিভাবকের ভূমিকা বলে শেষ করা যাবে না। সন্তানের হতাশা দূর করতে তাকে সবার আগে যে বিষয়গুলির উপর নজর দিতে হবে : </p>



<p>i)  বন্ধুর মত মন খুলে কথা বলতে হবে। <br>
ii) সন্তানের পড়া না পারার বিষয়টি মন দিয়ে শুনতে হবে এবং আশু সমাধানের ভাবনা যৌথ ভাবে ভাবতে হবে। <br>
iii) সন্তানকে কখনই বকা বা অবজ্ঞা করা যাবে না। <br>
iv)যতটা সম্ভব সাহায্য করা যেমন , পড়া বোঝানো , কারো সাহায্য নিতে বলা ইত্যাদি করতে হবে। <br>
v)প্রয়োজনে বিদ্যালয় শিক্ষকের সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি খুলে বলে পরামর্শ নিতে হবে। <br>
Vi) অবশ্যই অন্যের সঙ্গে তুলনা বন্ধ করতে হবে। </p>



<p><strong>২। শিক্ষক-শিক্ষিকা-সহপাঠী কী করতে পারে :- </strong></p>



<p><br> বাবা মার পরই শিক্ষার্থী শিক্ষককে স্থান দেয়। তাই শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উচিত  অন্যের সঙ্গে তুলনা বন্ধ করা । সেই সঙ্গে ছাত্র বা ছাত্রীটি যে বিষয়ে ভালো পারে , তার প্রশংসা করে উৎসাহিত করা।   বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা যিনি ঐ শ্রেণিতে পড়ান বিশেষ করে তারা পড়া না পারা ছাত্র বা ছাত্রীটির কাছে এমন ব্যবহার করবেন যাতে তার কাছে ছাত্র বা ছাত্রীটি  নিজের সমস্যা খুলে বলতে পারে। সব শুনে তিনি সহজভাবে বুঝিয়ে দেবেন।  আর কঠিন বা না বোঝা বিষয়গুলি সহপাঠী বন্ধুর কাছে বুঝে নেবার মতো সঙ্গী শিখনের ব্যবস্থা করে দিতে পারেন। সুপরামর্শের সঙ্গে ছাত্র-ছাত্রীটির আত্মবিশ্বাস জাগাতে চেষ্টা করবেন। </p>



<p><strong>৩।হতাশ ছাত্র বা ছাত্রী নিজে নিজে কী কী করতে পারে :- </strong></p>



<p>আর হতাশ বন্ধুর প্রতি বলি , পড়া না পারা কঠিন মনে হওয়া বিষয়ের না-বোঝা অধ্যায়গুলি চিহ্নিত করে একটু সময় নিয়ে পড়ো , লেখো , বোঝার চেষ্টা করো। আগেই বলেছি শিক্ষক-শিক্ষিকা বা সহপাঠীর কাছে কঠিন বিষয়গুলি একটু আলোচনা করো। পড়া মনে রাখার কৌশলগুলি রপ্ত করে পড়ো ।আর কয়েকটি কথা সর্বদা মনে রাখবে-</p>



<p>i) পৃথিবীতে সবাই সমান নয় ।</p>



<p>ii) শুধুমাত্র পড়াশুনাতেই ভালো হলে সব ভালো হয় এমনটা নয় ।</p>



<p>iii) এমন অনেক মানুষ আছেন যারা পৃথিবীতে বিখ্যাত তাঁরাও পড়াশুনায় খুব খারাপ ছিলেন ।</p>



<p>iv) তোমার ভিতরে বিশেষ সম্ভাবনার বীজ রয়েছে । সেটাকে যত্ন কর । </p>



<p>v) ভালো মানুষ হও- সেটাই দেশ সমাজ চায় &#8211; শুধু ভালো রেজাল্ট নয় ।</p>



<p>vi) যখন হতাশা জাগবে গান শোনো , ভালো বই পড়ো আবৃত্তি করো , ছবি আঁকো বা তোমার ভালোলাগা কোনো সৃজনশীল (creative) কাজ করো ।</p>



<p>vii) মনে রেখো তুমি সফল হবার কল্পনা করো , ব্যার্থতার ভয় রাখবেই না ।</p>



<p>viii) একবার পারো নি তো কী হয়েছে পরেরবার পারবেই -এটাকেই বিশ্বাস করে পড়া করো ।</p>



<p>ix) তুমি পারবে &#8211; পারবেই নিজেকে আত্মবিশ্বাসের শক্তি দাও ।</p>



<p>x) ভালো বন্ধু তৈরি করো &#8211; যে তোমায় বোঝে &#8211; উপহাস করে না &#8211; তার সঙ্গে প্রাণখুলে সব বলো ।</p>



<p>xi) ব্যঙ্গ,ঠাট্টা , অপমান শুনে যাও কখনো নিজেকে ছোট ভেবো না , এসবের প্রয়োজন আছে &#8211; কারন অন্ধকারই আলোর চাহিদা তৈরি করে ।</p>



<p>আর বন্ধু যারা পড়া না পারার জন্য হতাশ তারাও একদিন নিজের পায়ে দাঁড়াবেই। মোটামুটি যতটা সম্ভব ভালো রেজাল্ট করো আর জীবনের লক্ষ্য স্থির করো &#8211; ভালো মানুষ হবার স্বপ্ন দেখো &#8211; যাতে একটা দেশের -একটা সমাজের কাছে মূল্যবান মানুষ হিসেবে পরিণত হও তুমি । ভালো থেকো ।</p>



<p></p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/study-tips-for-weak-students/">পড়া পারে না হতাশ &#8212;-এমন ছাত্র-ছাত্রীর জন্য করণীয় তিনটি বিষয়</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/study-tips-for-weak-students/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সামনে পরীক্ষা কী যে করব !  জেনে নাও করণীয় পাঁচটি টিপস</title>
		<link>https://preronajibon.com/five-tips-for-exam-preperation/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/five-tips-for-exam-preperation/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 02 Feb 2019 07:58:14 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শিক্ষা ও জীবন]]></category>
		<category><![CDATA[exam]]></category>
		<category><![CDATA[study]]></category>
		<category><![CDATA[tension]]></category>
		<category><![CDATA[tips]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=265</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 3</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>পরীক্ষা তো পরীক্ষাই,এত পড়া,রাতে ঘুম হয় না,একটা চাপা টেনশন । সমস্যাগুলোকে যদি এভাবে বলা যায় , দেখোতো তোমাদেরও কি এইরকম</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/five-tips-for-exam-preperation/">সামনে পরীক্ষা কী যে করব !  জেনে নাও করণীয় পাঁচটি টিপস</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 3</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p>পরীক্ষা তো পরীক্ষাই,এত পড়া,রাতে ঘুম হয় না,একটা চাপা টেনশন । সমস্যাগুলোকে যদি এভাবে বলা যায় , দেখোতো তোমাদেরও কি এইরকম অবস্থা হচ্ছে নাকি &#8212;</p>



<p> i) পড়া মনে থাকছে না, কেবলই মনে হচ্ছে যদি পরীক্ষার সময় ভুলে যাই কী হবে ?</p>



<p><br> ii) কী পড়ব, কীভাবে পড়ব বুঝে উঠতে পারছি না। </p>



<p><br> iii) বেশি ঘুম পাচ্ছে, পড়তে বসলেই ঘুম পায়।</p>



<p><br> Iv) ঘুম আসে না চিন্তায়, মাথা ব্যাথা করে ।</p>



<p><br> v)  কোনো একটা Subject এ দূর্বল। ভয় ঐ বিষয়টাকে নিয়েই। </p>



<p><br> vi) কোনো চ্যাপ্টার কিছুতেই মাথায় ঢোকে না &#8211; মুখস্থও থাকে না ।</p>



<p><br> vii) পড়া ভালো তৈরি হয়নি তবুও পড়ায় মন বসছে না।</p>



<p><br> viii) নানান শারীরিক সমস্যা পরীক্ষার প্রস্তুতিতে ব্যাঘাত ঘটেছে ।</p>



<p><br> ix) বিয়ে, অনুষ্ঠান , পূজা ইত্যাদি, মাইকের শব্দ, আত্মীয়-স্বজন নানা ডিষ্টার্ব। <br></p>



<p> &#8212;&#8212; সমস্যাগুলি যদি মোটামুটি এই রকম হয় তবে ধারাবাহিক ভাবে কিছু টিপস দেওয়া হলো। এগুলি যদি মেনে চলতে পারো উপকৃত হবে আশা করা যায়।</p>



<h3 class="wp-block-heading">১. <u>পড়া মনে থাকে না বা ভুলে যাবার ভয়</u> :-</h3>



<p><strong>(ক)</strong> পড়ার বিষয়গুলি ছবি কল্পনা করে পড়ো। কারণ আমাদের মস্তিষ্ক সবকিছু ছবি দিয়ে ধরে রাখে। </p>



<p><strong>(খ)</strong> পড়াগুলি দেখে দেখেই লেখো বা যতটা সম্ভব লিখে লিখে পড়। </p>



<p><strong>(গ)</strong> concept tree বানিয়ে পড়ো :-  পড়ার অধ্যায়গুলো কে কয়েকটি অংশে ভাগ করে নিয়ে পড়া। একটি গাছে যেমন ডাল-পালা পাতা থাকে , তেমনি কোনো অধ্যায়কে গাছ ধরে তার প্রতিটি পাতার অংশগুলোর সারমর্ম লিখে নিয়ে পড়লে বেশি মনে থাকে। এই পদ্ধতির নাম concept tree।</p>



<p><strong>(ঘ)</strong> নিমনিক:- নিমনিক হলো কতগুলো ছক বা ছন্দের মাধ্যমে পড়াকে সাজিয়ে নেওয়ার পদ্ধতি। এই কৌশল ব্যবহার করে যে কোনো কঠিন পড়াও মনে থাকে । আমাদের মস্তিষ্ক অগোছালো কিছু মনে রাখতে পারে না । তাই এই পদ্ধতি সুদূরপ্রসারী ফল দেয় ।</p>



<p><strong>(ঙ)</strong> হালকা মিউজিক বা পরিচিত গান low volume এ চালিয়ে পড়ো। এই মিউজিক এর ফলে মনোযোগ বাড়ে &#8211; এটা গবেষণায় প্রমাণিত । মিউজিক একটি এমন প্রাচীর তৈরি করে যা বাইরের ডিস্টার্বিং বিষয় থেকে রক্ষা করে ।</p>



<p><strong>(চ)</strong> রঙিন পেন দিয়ে পয়েন্টগুলি লেখ। গুরত্বপূর্ন পড়াগুলি underline বা highlight করে রাখো বেশি মনে থাকবে । কেননা আমাদের ব্রেইন রঙচঙে উজ্বল জিনিস বেশি মনে রাখে। </p>



<figure class="wp-block-image"><img loading="lazy" decoding="async" width="612" height="416" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/02/exam-preperation.jpg" alt="" class="wp-image-266" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/02/exam-preperation.jpg 612w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/02/exam-preperation-300x204.jpg 300w" sizes="auto, (max-width: 612px) 100vw, 612px" /></figure>



<h3 class="wp-block-heading">২. <u>কী পড়বে কীভাবে পড়বে</u> :- </h3>



<p>(ক) সাজেশন অনুসারে প্রশ্নগুলির তালিকা বানাও ।</p>



<p>(খ) মুখস্থ নয় বুঝে বুঝে পড়ার চেষ্টা করো। </p>



<p>(গ) কম তৈরি হওয়া পড়াগুলির প্রশ্নগুলি চিহ্নিত করো ।</p>



<p>(ঘ) সকালে ঘুম থেকে উঠে কম পড়া হয়েছে বা তৈরি না হওয়া পড়াগুলি আগে পড়ো ।</p>



<p>(ঙ) পরীক্ষার কয়দিন বাকি &#8211; একটা রুটিন তৈরি করে পড়ো । </p>



<figure class="wp-block-image"><img loading="lazy" decoding="async" width="684" height="476" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/02/exam-reading.jpg" alt="" class="wp-image-267" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/02/exam-reading.jpg 684w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/02/exam-reading-300x209.jpg 300w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/02/exam-reading-392x272.jpg 392w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/02/exam-reading-130x90.jpg 130w" sizes="auto, (max-width: 684px) 100vw, 684px" /></figure>



<h3 class="wp-block-heading">৩.<u>পড়তে বসলেই ঘুম পায় /ঘুম আসে না চিন্তায়</u>: &#8211;</h3>



<p>(ক) ঘুম শরীরের স্বাভাবিক ক্রিয়া । ঘুম পেলে ঘুমিয়ে নেবে । জোর করে জাগলে ক্ষতি হবে । </p>



<p>(খ) Deep ঘুমের প্রয়োজন । Deep ঘুম হলে শরীর ঝরঝরে লাগবে । Deep ঘুমের জন্য হালকা exercise করো । </p>



<p>(গ) রিচ্ খাবার বা বেশি মশালা যুক্ত খাবার যেমন  মাংস ইত্যাদি কম খাবে । এসবে ঘুম বেশি পায় আর মাত্রারিক্ত খেলে পেটের সমস্যাও আসতে পারে  ।</p>



<p>(ঘ) পড়তে বসলে আগে ভালোলাগা কোনো পড়া দশমিনিট পড়ে নাও । এতে মনোযোগ আসবে আর ঘুম কম পাবে । </p>



<p>ঙ) ঘুম পেলে লেখা শুরু করো ।</p>



<h3 class="wp-block-heading">৪. <u>কোনো বিষয়ে দুর্বল হলে</u> : &#8211;</h3>



<p>(ক) মনে রাখার বিষয়ে কখনো দুর্বল কেউ হয় না- হয় তার ভাবনা আর আত্মবিশ্বাসে দুর্বল।</p>



<p>(খ) যদি মনে হয় কোনো বিষয়টি বা চ্যাপ্টারপটি কম পড়া হয়েছে বা মাথায় ঢুকছে না, এক্ষুণি বন্ধুকে contact করো,সময় বের করে একটু আলোচনা করে নাও ঐ বিষয়টি &#8211; দেখবে সহজ হয়ে গেছে ।</p>



<p>(গ) তুমি পারবে মনকে শক্তি দাও। তাহলে বেশি মনে থাকবে এবং বেশি বুঝতে পারবে।</p>



<figure class="wp-block-image"><img loading="lazy" decoding="async" width="661" height="459" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/02/exam-preperation-tips.jpg" alt="" class="wp-image-268" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/02/exam-preperation-tips.jpg 661w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/02/exam-preperation-tips-300x208.jpg 300w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/02/exam-preperation-tips-392x272.jpg 392w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/02/exam-preperation-tips-130x90.jpg 130w" sizes="auto, (max-width: 661px) 100vw, 661px" /></figure>



<h3 class="wp-block-heading">৫.<u>অন্যান্য যে বিষয়গুলি করবে</u> : &#8211;</h3>



<p><strong>(ক)</strong> চোখ বন্ধ করে সফল এবং ভালো নম্বর পাওয়া মার্কশিটটি কল্পনা করো । তাহলে দেখবে পড়ার প্রতি আগ্রহ জন্মাবে । </p>



<p><strong>(খ)</strong> নানা শারীরিক সমস্যা থাকলে পরীক্ষার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নাও , এবং বাড়ির বড়দের পরামর্শ অনুযায়ী নিজের পরিচর্যা করো । </p>



<p><strong>(গ)</strong> বাইরের সমস্যা স্বাভাবিক ব্যাপার, আসতেই পারে । যদি নানা উপদ্রব তোমার পড়ার ক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি করে বাবা মাকে জানাও সেটা; তারাই ব্যবস্থা নেবেন ।</p>



<p><strong>(ঘ)</strong> সকালে, সন্ধ্যায় বেশি পড়বে এই সময় মানুষের ব্রেইন বেশি active থাকে ।</p>



<p><strong>(ঙ)</strong> মেডিটেশন বা একটু যোগ সাধনা করার চেষ্টা করো -এতে মস্তিষ্ক সুস্থ ও স্বাভাবিক থাকে ।পড়া বেশি মনে থাকবে ।</p>



<p>সর্বোপরি মনে রাখাবে অন্যরা কি করছে সে বিষয়ে নয়, নিজে কি করছ, কি করবে সেটার দিকে ধ্যান দেবে । কারন পরীক্ষা হল জীবনের একটা সিঁড়ি,তোমাকে সামনে  আরো সামনে এগিয়ে যেতে হবে । ভালো থেকো।</p>



<p>লেখাটি কেমন লাগল তা আমাদের কমেন্টবক্সে জানান। আর এরকম আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজটি ফলো করুন।<strong> </strong><a href="https://www.facebook.com/preronajibon/"><strong>[FOLLOW US ON FACEBOOK]</strong></a></p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/five-tips-for-exam-preperation/">সামনে পরীক্ষা কী যে করব !  জেনে নাও করণীয় পাঁচটি টিপস</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/five-tips-for-exam-preperation/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>6</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>New Year কে Happy New Year বানাও : 4 টি টিপস</title>
		<link>https://preronajibon.com/make-this-year-a-happy-new-year/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/make-this-year-a-happy-new-year/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 29 Dec 2018 10:02:41 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[মোটিভেশন]]></category>
		<category><![CDATA[Happy new year]]></category>
		<category><![CDATA[preronajibon]]></category>
		<category><![CDATA[tips]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=200</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 3</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>আমাদের জীবনে কত কত New year এলো গেল । কিন্তু সেটা happy কিনা তা নির্ভর করে আমাদের activity-র উপর। কিন্তু</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/make-this-year-a-happy-new-year/">New Year কে Happy New Year বানাও : 4 টি টিপস</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 3</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p>আমাদের জীবনে কত কত New year  এলো গেল । কিন্তু সেটা  happy কিনা তা নির্ভর করে আমাদের activity-র উপর। কিন্তু আশা সব্বাই করি, যে নতুন বছর আসবে ভালো ভালো সুখ সমৃদ্ধি আর সাফল্য নিয়ে। এটা শুনতে ও বলতে ভালো লাগে । কিন্তু যদি আমরা প্রতিটি new year কে একটু সাজিয়ে নেই কিছু পরিকল্পনা দিয়ে , তাহলে <strong>New Year</strong> আমাদের জীবনে সত্যি সত্যি <strong>happy new year</strong> হয়ে উঠবে।</p>



<p>তো চলো বন্ধুরা আমরা try  করে দেখি কিভাবে<strong> new yea</strong>r  কে <strong>Happy New Year</strong> এ পরিণত করা যায়।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><u><strong>১.</strong> <strong>কিছু স্বভাব ত্যাগ করা :</strong></u> </h3>



<p>কথায় আছে রোজ কিছু শিখব রোজ দোষ ঝাড়ব । কিন্তু এমন কিছু স্বভাব , নেশা , অভ্যাস রয়েছে , যেগুলি একদিনে যেমন গড়ে ওঠে না , তেমনি একদিনে ত্যাগ করাও হয়ে ওঠে না । বন্ধুরা এস এই নতুন বছরে পা দেবার আগেই কিছু এরকম বিষয় খুঁজে বের করি , যা যা আমার ত্যাগ করা প্রয়োজন বা ত্যাগ করলে সম্মান বাড়বে । উদাহরণ হিসেবে বলতে পারি &#8212;&#8212;&#8212;&#8212;- 1. সিগারেট 2. পান 3. খৈনি ইত্যাদি তামাক জাতীয় নেশা 4. মাদকাসক্তি বা অন্য কোনো নেশা 5. অকারণ রাত জাগা। 6. মোবাইলে অতিরিক্ত গেম খেলা 7. কোনো অভ্যাস যেমন পরনিন্দা-পরচর্চা , অতিরিক্ত টিভি দেখা ইত্যাদি 8. কোনো স্বভাব যেমন কথা বলার বিশেষ ভঙ্গি , হাত পা নাড়ার বৈশিষ্ট্য যেগুলো ব্যক্তিত্বের পক্ষে ঊন । এইসব ছাড়াও তোমাদের কোনো বিষয় যা তোমাকে উন্নত হতে দিচ্ছে না …. নতুন বছরের আগেই প্রতিজ্ঞা করো যে 1st জানুয়ারি থেকেই তা ত্যাগ করবে । মনে রেখো কষ্ট করে 21 দিন তোমায় মানতেই হবে । 21 দিন পর ওটা মানুষের অভ্যাসে পরিণত হয় । এটা আমাদের কথা নয় আচরণবিদদের গবেষণালব্ধ সত্য। যদি এই ত্যাগ তোমার সাফল্য এনে দেয় , যা আগে ভেবেছ , কিন্তু করতে পারো নি নতুন বছরে পারবে বলেই আমাদের বিশ্বাস । দেখবে New Year তোমার কাছে সত্যি Happy New Year হয়ে উঠবে ।</p>



<p>&#8230;..</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><u>২. কিছু নতুন plan করা :</u></strong> </h3>



<p>Plan বা পরিকল্পনা মানুষের ভবিষ্যৎ রচনা করে। । তাই তুমি জীবনে যেসব স্বপ্ন দেখেছ যেগুলো সবগুলো এক বছরে হয়তো পূরণ হবে না । কিন্তু নিশ্চয় তারজন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করেছ। প্রেরণা-জীবনের পরবর্তী Article-এ এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা থাকছে। তাই তুমি ভেবে নাও এই বছরের শেষে নিজেকে কোথায় দেখতে চাও । মনে রাখাবে মাউন্ট এভারেস্ট এর চূড়ায় যারা ওঠে তারাও প্রতিটি পদক্ষেপকে সমান গুরুত্ব দেয়। তা নাহলে লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না । তাই এটা আগে তোমাকেই ঠিক করতে হবে যে নতুন বছরে কি কি কর্ম পরিকল্পনা গ্রহণ করছ। কারণ পরিকল্পনার দ্বারাই সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যায়। তাই নতুন বছরের প্রবেশ দ্বারে এটা ভালোভাবে লিখে নাও । আর নিজেকে বলো যে তুমি New Yearকে Happy New Year করতে যাচ্ছ ।</p>



<p>&#8230;..</p>



<figure class="wp-block-image"><img loading="lazy" decoding="async" width="820" height="755" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2018/12/Happy-New-Year-Preronajibon.jpg" alt="Happy New Year - Preronajibon" class="wp-image-211" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2018/12/Happy-New-Year-Preronajibon.jpg 820w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2018/12/Happy-New-Year-Preronajibon-300x276.jpg 300w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2018/12/Happy-New-Year-Preronajibon-768x707.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 820px) 100vw, 820px" /></figure>



<h3 class="wp-block-heading"><u><strong>৩.</strong> <strong>নিজেকে উন্নত করার আরেকটা ধাপ :</strong></u> </h3>



<p>নতুন বছরে কোনো নতুন শিক্ষা গ্রহন করার মাধ্যমে ব্যক্তিত্বকে ও জীবনযাত্রাকে আরো অনেক গ্রহণযোগ্য ও উন্নত করার একটা প্ল্যান বানাও। কেননা এই দুনিয়ায় তুমি স্রষ্টার তৈরি unique একটি ক্ষমতা বিশেষ। তোমার প্রয়োজন আছে অনেকের জন্য , দেশের জন্য এই পৃথিবীর জন্য । কাজেই তোমার গ্রহণযোগ্যতা আরো বাড়াতে চেষ্টা করো । কয়েকটি বিষয়ে নজর দাও । যেমন&#8212; পারসোনালিটি , ফিন্যান্স , হেলথ , এডুকেশন, রিলেশনশিপ ইত্যাদি। আর দেখবে বছরের শুরুতে মুখে না বলে কাজেই New Year টা Happy New Year হয়ে উঠছে।</p>



<p style="text-align:center"><strong><a href="https://preronajibon.com/who-is-santa-claus-the-history-of-santa-claus/">পড়ুন : কে এই স্যান্টাক্লজ ? জানুন স্যান্টাক্লজের ইতিহাস।</a></strong></p>



<figure class="wp-block-image"><img loading="lazy" decoding="async" width="618" height="442" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2018/12/Helping-Hand-Preronajibon.jpg" alt="" class="wp-image-218" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2018/12/Helping-Hand-Preronajibon.jpg 618w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2018/12/Helping-Hand-Preronajibon-300x215.jpg 300w" sizes="auto, (max-width: 618px) 100vw, 618px" /></figure>



<h3 class="wp-block-heading"><u><strong>৪.</strong> <strong>মানুষের জন্য কিছু করা: </strong></u></h3>



<p>মানুষ মানুুষের জন্যে জীবন জীবনের জন্যে । ভেবে দেখো তুমি এই পৃথিবীতে কত কত সুযোগ সুবিধা পাচ্ছ । সকালের খাবার থেকে সারাদিনের সমস্ত কিছুই কোনো না কোনো মানুষ তোমায় এনে বা বানিয়ে দিচ্ছে । এই জীবনই চলছে অপরের সহযোগিতায় । আর অনেক মানুষ আছে যারা এই সব সুযোগ পায় না । মানুষ হিসেবে যদি সেইসব মানুষের পাশে একটু দাঁড়ানো যায় , বলো এতে কি কোনো ক্ষতি আছে ? আর একটা সত্য হল খুশি ভাগ করলে খুশি বাড়ে । যদি তোমার খুশি কে সেইসব মানুষের সঙ্গে ভাগ করে নাও যাদের জীবনে কোন খুশি নেই , তাহলে দেখবে নতুন বছর তোমার খুশি দ্বিগুন করে দিচ্ছে । তাই নতুন বছরে একটা নতুন ভাবনা নাও যাতে , অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে New Year কে Happy New Year করে তোলা যায়।</p>



<p>&#8230;..</p>



<p>তাই বন্ধুরা মনে রাখবে , নতুন বছর মানে শুধু তারিখ বদল নয় , একটা বছর বয়স বেড়ে যাওয়া নয় ,   Facebook  আর Whatsapp এ সুন্দর সুন্দর পোস্ট দেয়া নয় । নতুন বছর মানে খারাপ কিছু ত্যাগ করা , ভালো নতুন কিছু গ্রহণ করা , জীবনের পরিকল্পনা করা , সাফল্যের দিকে একটা ধাপ এগিয়ে যাওয়া , আর খুশিগুলিকে ছড়িয়ে দিয়ে জীবন কে এত সুন্দর করে তোলা,  যাতে মনে হয় &#8212; &#8221; আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে &#8212;&#8212;&#8221; খুব ভালো থেকো সব্বাই । আর শোনো আসছে  New Year  তোমার জীবনে হচ্ছে &#8212;&#8212; </p>



<p style="text-align:center"><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/17.0.2/72x72/1f490.png" alt="💐" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/17.0.2/72x72/1f490.png" alt="💐" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/17.0.2/72x72/1f490.png" alt="💐" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> <strong>HAPPY NEW YEAR</strong> <img src="https://s.w.org/images/core/emoji/17.0.2/72x72/1f490.png" alt="💐" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/17.0.2/72x72/1f490.png" alt="💐" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/17.0.2/72x72/1f490.png" alt="💐" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /></p>



<p style="text-align:center"><img src="https://s.w.org/images/core/emoji/17.0.2/72x72/1f490.png" alt="💐" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /> <strong>     2019</strong>     <img src="https://s.w.org/images/core/emoji/17.0.2/72x72/1f490.png" alt="💐" class="wp-smiley" style="height: 1em; max-height: 1em;" /></p>



<p></p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/make-this-year-a-happy-new-year/">New Year কে Happy New Year বানাও : 4 টি টিপস</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/make-this-year-a-happy-new-year/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>

<!--
Performance optimized by W3 Total Cache. Learn more: https://www.boldgrid.com/w3-total-cache/?utm_source=w3tc&utm_medium=footer_comment&utm_campaign=free_plugin

Page Caching using Disk: Enhanced 
Lazy Loading (feed)
Minified using Disk

Served from: preronajibon.com @ 2026-04-23 21:14:36 by W3 Total Cache
-->