জীবনের লক্ষ্য Archives - প্রেরণাজীবন https://preronajibon.com/category/জীবনের-লক্ষ্য/ PreronaJibon Wed, 02 Sep 2026 17:05:51 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1 https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2018/12/cropped-Favicn-32x32.png জীবনের লক্ষ্য Archives - প্রেরণাজীবন https://preronajibon.com/category/জীবনের-লক্ষ্য/ 32 32 অতিরিক্ত “Sorry” বলা: ভদ্রতা, নাকি নিজের মূল্য কমিয়ে দেওয়ার অভ্যাস ? https://preronajibon.com/are-you-apologizing-for-no-reason/ https://preronajibon.com/are-you-apologizing-for-no-reason/#respond Wed, 02 Sep 2026 17:05:46 +0000 https://preronajibon.com/?p=3196 6 Minute Read“Sorry, একটা কথা বলব?” “Sorry, তোমাকে একটু বিরক্ত করছি।” “Sorry, এত বড় মেসেজ দিলাম।” “Sorry, আমি হয়তো ভুল হতে পারি,

The post অতিরিক্ত “Sorry” বলা: ভদ্রতা, নাকি নিজের মূল্য কমিয়ে দেওয়ার অভ্যাস ? appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
6 Minute Read

“Sorry, একটা কথা বলব?”

“Sorry, তোমাকে একটু বিরক্ত করছি।”

“Sorry, এত বড় মেসেজ দিলাম।”

“Sorry, আমি হয়তো ভুল হতে পারি, কিন্তু…”

ছোট্ট একটি শব্দ—Sorry। আমাদের দৈনন্দিন কথাবার্তায় শব্দটি এতটাই স্বাভাবিক হয়ে গেছে যে, অনেক সময় আমরা খেয়ালও করি না কখন এবং কেন এটি বলছি।

কিন্তু একটু ভেবে দেখুন—সবকিছুর জন্য কি সত্যিই আমাদের ক্ষমা চাওয়ার প্রয়োজন আছে?

কাউকে প্রশ্ন করা, নিজের মতামত প্রকাশ করা, সাহায্য চাওয়া, নিজের জন্য কিছুটা সময় নেওয়া কিংবা কোনো আলোচনায় নিজের বক্তব্য যোগ করা—এসব কি সত্যিই অপরাধ?

সমস্যা “Sorry” শব্দটির মধ্যে নয়। ভুল করলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইতে জানা একটি সুন্দর মানবিক গুণ। সমস্যা শুরু হয় তখন, যখন কোনো ভুল না করেও আমরা এমনভাবে “Sorry” বলতে থাকি, যেন আমাদের কথা, প্রয়োজন কিংবা উপস্থিতিই অন্যের জন্য একটি অসুবিধা।

অতিরিক্ত ক্ষমা চাওয়ার অভ্যাসের পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে।

কেউ হয়তো ছোটবেলা থেকে শিখেছেন—ভালো মানুষ মানেই সব সময় নম্র, বাধ্য এবং অন্যের সুবিধাকে নিজের প্রয়োজনের আগে রাখা। কেউ অন্যকে অসন্তুষ্ট করতে ভয় পান। আবার কারও মনে প্রশ্ন আসে—

“আমার কথায় যদি উনি বিরক্ত হন?”

“আমি কি বেশি কিছু চেয়ে ফেলছি ? ”

“নিজের মতামত দিলে মানুষ আমাকে অহংকারী ভাববে না তো?”

কখনো কখনো “Sorry” একটি verbal reflex বা কথার স্বয়ংক্রিয় অভ্যাসে পরিণত হয়। চিন্তা করার আগেই শব্দটি মুখ থেকে বেরিয়ে আসে।

কেউ আমাদের সঙ্গে ধাক্কা খেলেও আমরা বলি, “Sorry!”

একটি প্রশ্ন করতে গিয়ে বলি, “Sorry to bother you.”

নিজের মতামত প্রকাশের আগেও বলি, “Sorry, but I think…”

এভাবে চলতে চলতে আমাদের কথার মধ্যে অজান্তেই এমন একটি বার্তা ঢুকে যেতে পারে—যেন নিজের বক্তব্য প্রকাশ করার আগে আমাদের অনুমতি নিতে হবে।

গবেষণা কী বলছে ?

মনোবিজ্ঞানী Karina Schumann ও Michael Ross ২০১০ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় নারী ও পুরুষের ক্ষমা চাওয়ার আচরণ পরীক্ষা করেন।

গবেষণাটির প্রথম অংশে ৩৩ জন নারী ও ৩৩ জন পুরুষ অংশগ্রহণকারীকে টানা ১২ দিন দৈনন্দিন ঘটনার ডায়েরি রাখতে বলা হয়। সেখানে তাঁরা লিখতেন—কখন তাঁরা কাউকে কষ্ট দিয়েছেন বা অসুবিধায় ফেলেছেন, কখন অন্য কেউ তাঁদের সঙ্গে এমন আচরণ করেছে এবং সেই ঘটনায় ক্ষমা চাওয়া হয়েছিল কি না।

গবেষণায় নারীরা মোট apology বেশি রিপোর্ট করেছিলেন। কিন্তু তাঁরা ক্ষমা চাওয়ার মতো ঘটনাও বেশি শনাক্ত করেছিলেন। কোনো ঘটনাকে যখন সত্যিই ভুল হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে, তখন সেই ভুলের জন্য নারী ও পুরুষের ক্ষমা চাওয়ার অনুপাতে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য পাওয়া যায়নি।

গবেষণার দ্বিতীয় অংশে অংশগ্রহণকারীদের কিছু কাল্পনিক এবং নিজেদের জীবনের কিছু বাস্তব ঘটনা মূল্যায়ন করতে বলা হয়। সেখানে একই ধরনের ঘটনাকে নারীরা গড়ে পুরুষদের তুলনায় কিছুটা বেশি গুরুতর ও ক্ষমা চাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচনা করেছিলেন।

গবেষকেরা তাই বলেননি যে নারীরা স্বভাবগতভাবে দুর্বল কিংবা পুরুষেরা অহংকারের কারণে ক্ষমা চান না। তাঁদের ফলাফল বরং ইঙ্গিত করে—কোন আচরণকে কতটা গুরুতর ভুল বা offense হিসেবে দেখা হচ্ছে, সেই মানদণ্ডে পার্থক্য থাকতে পারে।

এই গবেষণা আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের সামনে দাঁড় করায় —

আমি কি সত্যিই বেশি ভুল করছি, নাকি অনেক বেশি পরিস্থিতিকে নিজের ভুল বলে ধরে নিচ্ছি?

তবে মনে রাখা দরকার, গবেষণাটি সীমিত সংখ্যক অংশগ্রহণকারীর ওপর পরিচালিত হয়েছিল। তাই এর ফলাফল দিয়ে পৃথিবীর সব নারী বা পুরুষ সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া উচিত নয়।

না। এখানেই বিষয়টি আরও সূক্ষ্ম।

Alison Wood Brooks, Hengchen Dai ও Maurice E. Schweitzer-এর ২০১৪ সালের চারটি গবেষণায় দেখা যায়, নিজের কোনো দায় না থাকা সত্ত্বেও অন্যের অস্বস্তিকর পরিস্থিতির জন্য দুঃখ প্রকাশ করা কখনো কখনো সহানুভূতির সংকেত হতে পারে এবং বক্তার প্রতি বিশ্বাস বাড়াতে পারে।

যেমন, বৃষ্টিতে কেউ ভিজে গেলে বলা—

“I’m sorry you got caught in the rain.”

এখানে বক্তা বৃষ্টির জন্য দায়ী নন। এই “Sorry” অপরাধ স্বীকার নয়; এটি অন্যের কষ্ট বুঝতে পারার ভাষা।

গবেষকেরা একে বলেছেন superfluous apology—এমন একটি দুঃখপ্রকাশ, যেখানে বক্তা ঘটনার জন্য দায়ী নন।

অতএব, প্রতিটি অপ্রয়োজনীয় “Sorry” খারাপ—এমন সিদ্ধান্ত গবেষণা সমর্থন করে না। বরং দুটি বিষয়ের পার্থক্য বোঝা জরুরি—

“আপনার কষ্টের কথা শুনে খুব খারাপ লাগছে।”

Sorry, আমারও একটা মতামত আছে।”

প্রথমটি অন্যের অনুভূতিকে সম্মান করে। দ্বিতীয়টি অকারণে নিজের বক্তব্যকে সংকুচিত করতে পারে।

লক্ষ্য “Sorry” শব্দটি বাদ দেওয়া নয়। লক্ষ্য হলো বোঝা—আমি সহানুভূতি প্রকাশ করছি, নাকি নিজের স্বাভাবিক অধিকারটির জন্য ক্ষমা চাইছি?

Sorry” নয়, কখনো “Thank You” বলুন

অভ্যাসগত apology কমানোর একটি সহজ ও সুন্দর উপায় হলো, উপযুক্ত পরিস্থিতিতে “Sorry”-এর পরিবর্তে “Thank you” ব্যবহার করা।

❌ “Sorry, I’m late.”

✅ “Thank you for waiting.”

তবে দেরির কারণে অন্যের বাস্তব অসুবিধা হয়ে থাকলে বলতে পারেন—

✅ “দেরি হওয়ার জন্য আমি দুঃখিত। অপেক্ষা করার জন্য ধন্যবাদ।”

কেউ আপনার দীর্ঘ মেসেজ পড়েছেন—

❌ “Sorry for the long message.”

✅ “সময় নিয়ে মেসেজটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।”

❌ “Sorry, এতক্ষণ ধরে বলে গেলাম।”

✅ “আমার কথা মন দিয়ে শোনার জন্য ধন্যবাদ।”

এই পরিবর্তনটি ছোট হলেও কথার মানসিক কাঠামো বদলে দেয়।

“Sorry” কথোপকথনের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখে আপনার অপরাধবোধকে। “Thank you” গুরুত্ব দেয় অন্য ব্যক্তির সময়, ধৈর্য ও সহযোগিতাকে।

তবে যেখানে সত্যিই আপনার ভুল হয়েছে, সেখানে শুধু “Thank you” বলে দায় এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়। প্রয়োজনে ক্ষমা ও কৃতজ্ঞতা—দুটিই প্রকাশ করুন।

কথার শুরু থেকে অপ্রয়োজনীয় “Sorry” সরিয়ে দিন

অনেক সময় মূল কথায় যাওয়ার আগেই আমরা নিজের বক্তব্যকে ছোট করে ফেলি।

❌ “Sorry, can I add something?”

✅ “আমি একটি বিষয় যোগ করতে চাই।”

❌ “Sorry, quick question.”

✅ “একটি ছোট প্রশ্ন আছে।”

❌ “Sorry, আমি একমত হতে পারছি না।”

✅ “আমি বিষয়টিকে একটু ভিন্নভাবে দেখছি।”

এখানে লক্ষ্য অভদ্র হওয়া নয়। লক্ষ্য হলো—

Apologetic না হয়েও polite হতে শেখা।

আপনার কণ্ঠস্বর কোমল হতে পারে, ভাষা সম্মানজনক হতে পারে এবং আচরণ বিবেচনাপূর্ণ হতে পারে। কিন্তু প্রতিটি বক্তব্যের আগে নিজেকে ছোট করার প্রয়োজন নেই।

Assertive হওয়া মানে aggressive হওয়া নয়

অনেকে ভাবেন —

“আমি যদি Sorry কম বলি, মানুষ আমাকে অহংকারী ভাববে।”

অথবা—

“নিজের কথা সরাসরি বললে আমি rude হয়ে যাব।”

কিন্তু assertiveness এবং aggression এক বিষয় নয়।

Aggression হলো অন্যের অধিকার বা অনুভূতিকে অগ্রাহ্য করে নিজের কথা চাপিয়ে দেওয়া।

Assertiveness হলো নিজের প্রয়োজন, মতামত ও সীমারেখা স্পষ্টভাবে প্রকাশ করা—একই সঙ্গে অন্যের প্রতিও সম্মান বজায় রাখা।

“আমি এই বিষয়ে একমত নই।”

“এখন আমার পক্ষে কাজটি করা সম্ভব নয়।”

“সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আমার একটু সময় দরকার।”

“আমার কথাটাও সম্পূর্ণ করতে চাই।”

এসব বলার আগে “Sorry” যোগ করা বাধ্যতামূলক নয়।

নিজের মতামতের মূল্য দেওয়া অহংকার নয়। আবার নিজের মতামত প্রকাশ করতে গিয়ে অন্যকে অসম্মান করাও আত্মবিশ্বাস নয়। প্রকৃত আত্মবিশ্বাসের মধ্যে স্পষ্টতা ও সম্মান—দুটিই থাকে।

সত্যিকারের ভুল হলে “Sorry” অবশ্যই বলুন

Over-apologizing কমানোর অর্থ ক্ষমা চাওয়া বন্ধ করে দেওয়া নয়।

আপনি যদি কারও অনুভূতিতে সত্যিই আঘাত করেন, কোনো প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন, নিজের অবহেলায় কারও সময় নষ্ট করেন কিংবা নিজের আচরণের কারণে কাউকে ক্ষতির মুখে ফেলেন—তাহলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Roy J. Lewicki, Beth Polin ও Robert B. Lount-এর ২০১৬ সালের দুটি গবেষণায় কার্যকর apology-এর ছয়টি সম্ভাব্য উপাদান পরীক্ষা করা হয়েছিল—

অনুশোচনা প্রকাশ

কী ভুল হয়েছে তার ব্যাখ্যা

নিজের দায় স্বীকার

ভুলটি আর না করার ইচ্ছা প্রকাশ

ক্ষতি সংশোধনের প্রস্তাব

ক্ষমা প্রার্থনা

গবেষণায় বেশি উপাদান থাকা apology সাধারণত বেশি কার্যকর বলে মূল্যায়িত হয়েছে। বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল নিজের দায় স্বীকার করা এবং ক্ষতি সংশোধনের প্রস্তাব দেওয়া।

শুধু —

Sorry.”

বললেই একটি ভালো apology সম্পূর্ণ হয় না।

বরং বলা যেতে পারে—

“আমি দুঃখিত। ভুলটি আমার ছিল। এর কারণে আপনার সময় নষ্ট হয়েছে, সেটা আমি বুঝতে পারছি। আমি আজই বিষয়টি ঠিক করার ব্যবস্থা করছি।”

এখানে রয়েছে —

ভুল স্বীকার → দায়িত্ব গ্রহণ → ক্ষতি বোঝা → সংশোধনের উদ্যোগ।

নিজের ভুলের সামনে সৎভাবে দাঁড়াতে পারা দুর্বলতা নয়। এটি মানসিক পরিণতিবোধ ও আত্মবিশ্বাসের লক্ষণ।

একটি সহজ অভ্যাস: STOP–CHECK–SPEAK

মুখ থেকে অভ্যাসবশত “Sorry” বেরিয়ে আসতে যাচ্ছে?

এক সেকেন্ড থামুন।

“আমি কি সত্যিই কোনো ভুল করেছি?”

“আমার কারণে কি কেউ কষ্ট বা অসুবিধায় পড়েছেন?”

“নাকি আমি শুধু প্রশ্ন, মতামত বা নিজের প্রয়োজন প্রকাশ করার জন্য ক্ষমা চাইছি?”

উত্তর যদি হয়—হ্যাঁ, আমি ভুল করেছি, তাহলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চান এবং সম্ভব হলে ভুলটি সংশোধন করুন।

উত্তর যদি না হয়, তাহলে “Sorry” বাদ দিয়ে কথাটি সম্মানজনকভাবে বলুন।

❌ “Sorry, একটা প্রশ্ন করব?”

✅ “একটি প্রশ্ন করতে চাই।”

❌ “Sorry, আপনার একটু সময় নেব।”

✅ “আপনার সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কথা বলতে চাই।”

❌ “Sorry, আমি হয়তো ভুল, কিন্তু…”

✅ “আমার পর্যবেক্ষণটি একটু ভিন্ন।”

অর্থাৎ—

প্রয়োজনীয় apology রাখুন, reflex apology কমান।

নিজেকে ছোট না করেও ভদ্র থাকা যায়

অন্যের প্রতি বিবেচনাশীল হওয়া নিঃসন্দেহে সুন্দর গুণ। কিন্তু নিজের অস্তিত্ব, মতামত, সময় ও প্রয়োজনকে সব সময় অন্যের নিচে রাখার নাম kindness নয়।

নিজের জন্য কিছুটা জায়গা চাওয়া selfishness নয়।

প্রশ্ন করা বোকামি নয়।

মতামত দেওয়া অপরাধ নয়।

সম্মানের সঙ্গে “না” বলা অভদ্রতা নয়।

সাহায্য চাওয়া দুর্বলতা নয়।

এবং নিজের স্বাভাবিক জায়গাটুকু নেওয়ার জন্য বারবার ক্ষমা চাওয়ারও প্রয়োজন নেই।

শেষ কথা: “Sorry” শব্দটিকে আবার অর্থপূর্ণ করে তুলুন

লক্ষ্য শুধু কম “Sorry” বলা নয়; লক্ষ্য হলো সঠিক জায়গায় সঠিকভাবে “Sorry” বলা।

প্রতিটি প্রশ্নের আগে নয়।

প্রতিটি মতামতের আগে নয়।

নিজের উপস্থিতির জন্য নয়।

নিজের প্রয়োজনের জন্য নয়।

বরং যখন সত্যিই কাউকে কষ্ট দিয়েছি বা কোনো ভুল করেছি, তখন আমাদের apology যেন হয় সৎ, নির্দিষ্ট এবং দায়িত্বশীল।

আর যখন কোনো ভুল করিনি, তখন মাথা নিচু করে নয়—শান্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজের কথাটি বলি।

ভদ্র হতে হলে নিজেকে ছোট করতে হয় না।

আত্মবিশ্বাসী হতে হলে অন্যকে ছোট করতে হয় না।

আর নিজের জায়গা নেওয়ার জন্য ক্ষমা চাইতে হয় না।

আপনার উপস্থিতির মূল্য আছে।
আপনার কথার মূল্য আছে।
আপনার সময়ের মূল্য আছে।

তাই পরেরবার অভ্যাসবশত মুখে “Sorry…” চলে এলে এক মুহূর্ত থেমে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন —

“আমি কি সত্যিই কোনো ভুল করেছি, নাকি শুধু নিজের জায়গা নেওয়ার জন্য ক্ষমা চাইছি ?”

হয়তো সেই এক মুহূর্তের বিরতিই ধীরে ধীরে আপনার কথা বলার ধরন, আত্মবিশ্বাস এবং নিজের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিতে শুরু করবে।

— একটি ছোট শব্দ সচেতনভাবে ব্যবহার করে নিজের মূল্যকে নতুনভাবে দেখার গল্প।


Schumann, K., & Ross, M. (2010). Why Women Apologize More Than Men: Gender Differences in Thresholds for Perceiving Offensive Behavior. Psychological Science, 21(11), 1649–1655. DOI: 10.1177/0956797610384150

Brooks, A. W., Dai, H., & Schweitzer, M. E. (2014). I’m Sorry About the Rain! Superfluous Apologies Demonstrate Empathic Concern and Increase Trust. Social Psychological and Personality Science, 5(4), 467–474. DOI: 10.1177/1948550613506122

Lewicki, R. J., Polin, B., & Lount, R. B. (2016). An Exploration of the Structure of Effective Apologies. Negotiation and Conflict Management Research, 9(2), 177–196. DOI: 10.34891/9awp-8644

The post অতিরিক্ত “Sorry” বলা: ভদ্রতা, নাকি নিজের মূল্য কমিয়ে দেওয়ার অভ্যাস ? appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/are-you-apologizing-for-no-reason/feed/ 0
২০২৫ সালে অনলাইনে উপার্জনের ১০ টি সেরা পদ্ধতি https://preronajibon.com/10-ways-to-make-money-online-2025-in-bengali/ https://preronajibon.com/10-ways-to-make-money-online-2025-in-bengali/#respond Sat, 08 Feb 2025 17:07:05 +0000 https://preronajibon.com/?p=3054 5 Minute Readহাতে মোবাইল ফোন, অনলাইন অফলাইনে খরচের বাহার হাজার রকমের। কথায় বলে – ‘যা কামাই সব EMI’ । কিন্তু ঘরে বসেই

The post ২০২৫ সালে অনলাইনে উপার্জনের ১০ টি সেরা পদ্ধতি appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
5 Minute Read

হাতে মোবাইল ফোন, অনলাইন অফলাইনে খরচের বাহার হাজার রকমের। কথায় বলে – ‘যা কামাই সব EMI’ । কিন্তু ঘরে বসেই অনলাইনে আয়ের সুযোগকে সকলেই কাজে লাগাতে পারে না। আর এই জন্যই একদল সারাক্ষণ অনলাইনে থাকে কিন্তু সেখানে শুধু ব্যয় করে চলে। সময় ব্যয় , অর্থ ব্যয়, ধৈর্য ব্যয় ইত্যাদি । ভেবে দেখেছেন কি বর্তমান যুগে অনলাইন ইনকাম অনেকের জন্যই আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস হয়ে উঠেছে। ২০২৫ সালে অনলাইন ইনকামের বিভিন্ন মাধ্যম জনপ্রিয়তা পাচ্ছে এবং অনেকেই ঘরে বসে ভালো পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারছেন। চলুন না একবার সংক্ষেপে জেনে নিই, ২০২৫ সালে অনলাইন ইনকামের সেরা মাধ্যমগুলো।

ফ্রিল্যাংসিং এর মাধ্যমে অনলাইনে উপার্জন করুন

ফ্রিল্যান্সিং ইন্ডিয়া, বাংলাদেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় অনলাইন ইনকামের উপায়গুলোর মধ্যে একটি। এর জন্য চাই বিশ্বস্ত ও সহজলভ্য জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম । বর্তমানে বহুল প্রচলিত ও জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মগুলো হলো :
Upwork
Fiverr
Freelancer
Toptal
PeoplePerHour
আপনি আপনার যে কোনো দক্ষতাকে এখানে আয়ের উৎস করে নিতে পারেন সহজেই। যেমন গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ডিজিটাল মার্কেটিং, কন্টেন্ট রাইটিং, ভিডিও এডিটিং, ডাটা এন্ট্রি ইত্যাদি কাজে দক্ষ হলে সহজেই ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে অনলাইনে উপার্জন করুন

সাইড ইনকামের জন্য অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং একটা অনলাইন ইনকামের সোর্স। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বর্তমানে জনপ্রিয় একটি প্যাসিভ উপায়। এতে আপনি বিভিন্ন কোম্পানির প্রোডাক্ট প্রমোট করে কমিশন পেতে পারেন। এই প্রোডাক্টগুলি আপনি আপনার ব্লগ, ওয়েবসাইট, আপনার সোশ্যাল মিডিয়া পেজে বা আপনার ইউটুব চ্যানেলের মাধ্যমে আপনার দর্শকদের সাথে শেয়ার করতে পারেন এবং প্রতিটি সেলের জন্য আপনি সেলস কমিশন পাবেন।জনপ্রিয় অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং প্ল্যাটফর্মগুলো হলো :

Amazon Associates Shopify
FlipKart AffiliateGrammarly
ClickBankHostinger
Commission Junction Etsy
ShareASaleSkill Share
ইউটিউবি ভিডিও বানিয়ে অনলাইনে উপার্জন করুন

যারা ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করতে পছন্দ করেন, তাদের জন্য YouTube হতে পারে অসাধারণ ইনকামের একটি উৎস। ২০২৫ সালে YouTube থেকে ইনকাম করার প্রধান উপায়গুলো :

Google AdSense :

YouTube এ যেকোনো ভিডিও দেখতে হলে আমরা সেই ভিডিওর শুরুতে, মাঝে কিংবা শেষে কিছু বিজ্ঞাপন দেখতে পাই, আপনার তৈরী করা কন্টেন্ট দেখার সময় আপনার ভিউয়ারদেরকে সেই বিজ্ঞাপনগুলি দেখানো হয় এবং এর থেকে আপনি Google AdSense এর মাধ্যমে সেই বিজ্ঞাপনগুলি থেকে আপনি উপার্জন করতে পারবেন।

স্পনসরশিপ (Sponsorships) :

YouTube এ আপনার চ্যানেলে যখন বেশ কিছু ভিউ নিয়মিত আসা শুরু করবে তখন আপনি বিভিন্ন কোম্পানির সাথে পেইড কোলাবোরেশন করতে পারেন, এতে সেই নির্দিষ্ট কোম্পানির কিছু প্রোডাক্ট বা সার্ভিস সম্পর্কে আপনি আপনার ভিউয়ারদেরকে জানাবেন এবং এর বদলে সেই কোম্পানি আপনাকে একটি নির্দিষ্ট অর্থরাশি দেবে। টাকার পরিমান নির্ভর করবে আপনার ভিউয়ার, সাবস্ক্রাইবার ও আপনার তৈরী করা কন্টেন্টের ধরণের ওপর।

চ্যানেল মেম্বারশিপ :

বর্তমানে YouTube থেকে উপার্জনের একটি নব-সংযোজন হলো মেম্বারশিপ। এই পদ্ধতিতে আপনি নির্দিষ্ট কিছু ভিডিও তৈরী করতে পারেন যা শুধুমাত্র আপনার চ্যানেলের মেবামারদের জন্য এক্সক্লুসিভ থাকবে, অর্থাৎ যারা আপনার চ্যানেলের মেম্বারশিপ পারছেন করবে কেবলমাত্র তারাই সেই ভিডিওগুলি দেখতে পারবে। আপনার কন্টেন্ট যদি দর্শকদের মূল্যবান মনেহয় তবে অবশ্যই আপনি এই পদ্ধতিতে যথেষ্ট উপার্জন করতে পারবেন।

Read More : 50/30/20 রুল কি ? আপনার আর্থিক পরিকল্পনায় এর কার্যকারিতা

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং :

আপনি আপনার চ্যানেলে যেকোনো কোম্পানির যেকোনো প্রোডাক্ট এর রিভিউ ভিডিও বানিয়ে দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেন এবং সে প্রোডাক্টগুলির Affiliate Link ভিডিওর ডেস্ক্রিস্টিয়ান বাক্স এ দিতে পারেন। যখনই কেউ সেই লিংকের মাধ্যমে প্রোডাকটি কিনবে তখন সেই বিকৃত মূল্যের একটা অংশ আপনি কমিশন হিসেবে পেয়ে যাবেন।

ব্লগিং এবং কন্টেন্ট রাইটিং এর মাধ্যমে অনলাইনে উপার্জন করুন

আহামরি কোনো পরিশ্রম না করেও ব্লগিং করে Google AdSense, স্পনসরশিপ এবং অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে ইনকাম করা যায়। আপনি যদি ভালো কনটেন্ট লিখতে পারেন, তবে এই মাধ্যমটি খুবই লাভজনক হতে পারে। ব্লগিংয়ের জন্য জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো :

WordPress
Blogger
Medium

Blogging এ মূলত আপনি কোনো একটি বিষয়ের ওপর টেক্সট আকারে কন্টেন্ট তৈরী করেন এবং যদি আপনার লেখা গুগল বা অন্য যেকোনো সার্চ ইঞ্জিনে Rank পায় তবে ভিউয়াররা আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগে সেই সেই কন্টেন্টটি পড়ে। Blogging এ আপনার সেই লেখাটি থেকে উপার্জনের জন্য আপনি আপনার ব্লগ সাইটে Google AdSense এর বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে তার থেকে উপার্জন করতে পারেন কিংবা কোনো এফিলিয়েট প্রোডাক্ট এর লিংক দিয়ে সেখান থেকে কমিশনের মাধ্যমে উপার্জন করতে পারেন।

এবার আসি Blogging করবেন কোথায় ? Blogging আপনি ফ্রি এবং পেইড দুই ভাবেই করতে পারেন। পেইড এর ক্ষেত্রে আপনাকে একটি ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনতে হবে যার ওপর আপনি আপনার ওয়েবসাইটি তৈরী করবেন , তবে চিন্তার কিছু নেই শুরুতেই পয়সা খরচ করতে না চাইলে আপনি Google Sites বা Google Blogger প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করে ফ্রিতেই নিজের Blogging জার্নি শুরু করতে পারেন এবং কাজের ওপর কনফিডেন্স চলে আসার পরে পেইড অপশনের দিকে যেতে পারেন।

ড্রপশিপিং হলো ই-কমার্সের এমন একটি মডেল যেখানে নিজস্ব ইনভেস্টমেন্ট ছাড়াই আপনি ব্যবসা করতে পারেন। Shopify এবং WooCommerce ব্যবহার করে সহজেই ড্রপশিপিং স্টোর চালানো যায়। এই ব্যাপারে বিশদ জানতে হলে গুগল সার্চ করে শিখে নিতে পারেন। পরে কখনো এই বিষয়ে আর্টিক্যাল লেখা যেতে পারে।

ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম মনিটাইজেশন

এ কথা বোঝাতে যাওয়া মানে সময় নষ্ট। কেন না ফেসবুক কিংবা ইন্সট্রাগ্রাম থেকে কীভাবে আয় করা যায় তা ইতোমধ্যেই আপনি জেনে গেছেন। শুধু বলে রাখি কোন কোন গ্রাউন্ডে ইনকাম করা হয়ে থাকে। ২০২৫ সালে ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে ইনকাম করার জনপ্রিয় উপায়গুলো হল :
Facebook In-Stream Ads
Reels Bonus Program
স্পনসরশিপ এবং ব্র্যান্ড ডিল
Facebook Marketplace- এ পণ্য বিক্রি

স্টক ফটোগ্রাফি ও ভিডিও বিক্রি

ফটোগ্রাফি ও ভিডিওগ্রাফিতে যাদের ন্যাক রয়েছে তাদের জন্য এই প্লাটফর্ম। ফটোগ্রাফি ও ভিডিওগ্রাফিতে দক্ষ যারা, তারা Shutterstock, Adobe Stock, iStock-এর মতো প্ল্যাটফর্মে ছবি ও ভিডিও বিক্রি করে আয় করতে পারেন।

যদি আপনার নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে দক্ষতা থাকে, তবে Udemy, Teachable বা Skillshare-এর মতো প্ল্যাটফর্মে অনলাইন কোর্স তৈরি করে ইনকাম করা সম্ভব। এর মধ্যেই এই বিষয়টি খুব জনপ্রিয় হয়ে গেছে। আপনিও শুরু করতে পারেন।

পডকাস্টিং এবং কন্টেন্ট রাইটিং এর মাধ্যমে অনলাইনে উপার্জন করুন

পডকাস্ট এখন দিন দিন অনেক জনপ্রিয় হচ্ছে। আপনি Spotify, Apple Podcasts-এর মতো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে পডকাস্ট চালিয়ে স্পনসরশিপ এবং অ্যাড থেকে ইনকাম করতে পারেন।

ক্রিপ্টোকারেন্সি ও শেয়ার মার্কেট ইনভেস্টমেন্ট

যারা বিনিয়োগে আগ্রহী, তারা ক্রিপ্টোকারেন্সি, ফরেক্স ট্রেডিং, এবং শেয়ার মার্কেট থেকে আয় করতে পারেন। তবে এটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ভালোভাবে জেনে-বুঝে বিনিয়োগ করা উচিত। শেয়ার মার্কেটিং নিয়ে পরে বিস্তারিত আলোচনা করা যেতে পারে।

অবশেষে ২০২৫ সালে অনলাইন ইনকামের অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। তবে যেকোনো মাধ্যম বেছে নেওয়ার আগে সেটি সম্পর্কে ভালোভাবে শিখে নেওয়া জরুরি। ধারাবাহিক পরিশ্রম ও দক্ষতার মাধ্যমে আপনি সহজেই অনলাইন ইনকাম করতে পারেন। সফলতার জন্য ধৈর্য ও কঠোর পরিশ্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের ২০২৫ সালে অনলাইনে উপার্জনের ১০ টি সেরা পদ্ধতি আর্টিক্যালটি ভালো লেগে থাকলে অবশ্যই শেয়ার করে দিন তাদের, যাদের আপনি অন্তর থেকে ভালোবাসেন ও তাদের জীবনে উন্নতির রাস্তা দেখাতে চান। ভালো থাকবেন । আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন আমাদের ফেসবুক পেজে। আজকের আর্টিকেলটি থেকে নির্দিষ্ট কোনো একটি পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত আর্টিকেল পেতে চাইলে তা অবশ্যই আমাদের কমেন্ট বক্সে জানান। ফিরে আসবো এরকমই কোনো ভালো লেখা নিয়ে।

The post ২০২৫ সালে অনলাইনে উপার্জনের ১০ টি সেরা পদ্ধতি appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/10-ways-to-make-money-online-2025-in-bengali/feed/ 0
জীবন নিয়ে অনুপ্রেরণামুলক উক্তি | Inspirational Life Quotes in Bengali https://preronajibon.com/inspirational-life-quotes-bengali/ https://preronajibon.com/inspirational-life-quotes-bengali/#respond Mon, 03 Feb 2025 16:41:56 +0000 https://preronajibon.com/?p=3044 6 Minute Readজীবন নিয়ে উক্তি আমদের জীবন আসলে একটি রহস্যময় যাত্রা, যেখানে সুখ-দুঃখ, সাফল্য-ব্যর্থতা , আশা-নিরাশা মিলে এক মিশ্র সুর তৈরি করে।

The post জীবন নিয়ে অনুপ্রেরণামুলক উক্তি | Inspirational Life Quotes in Bengali appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
6 Minute Read

আমদের জীবন আসলে একটি রহস্যময় যাত্রা, যেখানে সুখ-দুঃখ, সাফল্য-ব্যর্থতা , আশা-নিরাশা মিলে এক মিশ্র সুর তৈরি করে। প্রতিটি মানুষের জীবন ভিন্ন অভিজ্ঞতায় পরিপূর্ণ, আর সেই অভিজ্ঞতার আলোকে আমরা বিভিন্ন জ্ঞানী-গুণী মানুষের উক্তি থেকে অনুপ্রেরণা পাই। জীবন নিয়ে উক্তি কেবল কথার মায়াজাল নয়; এটি জীবনের গভীরতাকে বুঝতে সাহায্য করে এবং মানুষকে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যেতে উদ্বুদ্ধ করে। দেখা যায় বাংলা সাহিত্য থেকে শুরু করে বিশ্বসাহিত্যের পৃষ্ঠাগুলো জীবন নিয়ে অনুপ্রেরণামূলক উক্তিতে সমৃদ্ধ। এই উক্তিগুলো আমাদের চিন্তাভাবনার পরিসরকে প্রসারিত করে এবং জীবনের সমস্যাগুলোর সমাধানে পথ দেখায়। কখনো এই উক্তি আমাদের হতাশার অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরায়, কখনো বা জীবনের প্রকৃত অর্থ খুঁজে পেতে সাহায্য করে।

আজকের আলোচনায় আমরা জীবন নিয়ে বিভিন্ন উক্তি উপস্থাপন করব। এর মাধ্যমে জীবনবোধকে গভীরভাবে উপলব্ধি করা সম্ভব হবে এবং আমাদের দৈনন্দিন জীবনে একটি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে চলার প্রেরণা জোগাবে। আর আশা করবো এই জীবন যেন হয়ে উঠতে পারে ‘প্রেরণাজীবন’ ।

উক্তি ১

জীবন হলো এক অদ্ভুত যাত্রা, যেখানে সুখ এবং দুঃখ একসঙ্গে হাঁটে। এখানে বাস্তবতা মেনে চলা শিখতে হয়, কারণ সময় কারও জন্য অপেক্ষা করে না। যারা জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে গ্রহণ করতে পারে, তারা শান্তি ও সাফল্য অর্জন করে। – প্রেরণাজীবন

উক্তি ২
মানুষের প্রকৃত স্বভাব তার কর্মে প্রতিফলিত হয়। ভালো কাজে নিয়োজিত হলে জীবন আলোকিত হয়, আর মন্দ কাজে প্রবৃত্ত হলে জীবন অন্ধকারে ডুবে যায়। তাই নিজের স্বভাব গঠন করাই হলো প্রকৃত শক্তি। -প্রেরণাজীবন

উক্তি ৩
জীবনকে সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে হলে বাস্তবতা মেনে চলা জরুরি। কল্পনার জগতে ডুবে থাকা মানুষ কখনো প্রকৃত সুখ পায় না। যা আছে তাই নিয়ে সুখী হওয়া জীবনকে সহজ করে তোলে। – প্রেরনাজীবন

উক্তি ৪
মানুষের স্বভাব বদলানো সহজ নয়, কারণ তা ছোট ছোট অভ্যাস দিয়ে তৈরি। কিন্তু ইচ্ছাশক্তি এবং প্রচেষ্টা দিয়ে ভালো অভ্যাস তৈরি করা সম্ভব, যা জীবনকে সুন্দর করে তুলতে পারে।- প্রেরণাজীবন

উক্তি ৫
জীবন মানেই যুদ্ধের ময়দান, যেখানে প্রতিনিয়ত চ্যালেঞ্জ আসে। বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলতে পারলেই প্রকৃত জয়ী হওয়া যায়। সাফল্য হলো ধৈর্য আর পরিশ্রমের ফসল।

উক্তি ৬
মানুষের জীবন এক প্রবাহমান নদীর মতো, যা কখনো শান্ত, আবার কখনো উত্তাল। জীবনকে উপভোগ করতে হলে সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হয়। থেমে গেলে জীবনের সৌন্দর্য হারিয়ে যায়।

উক্তি ৭
মানুষের প্রকৃত রূপ তার সংকটময় মুহূর্তে প্রকাশ পায়। ভালো সময় সবাইকে হাসিখুশি রাখে, কিন্তু কঠিন সময়ে যে দৃঢ় থাকে, সেখানেই প্রকৃত মানুষের স্বভাব প্রতিফলিত হয়।

উক্তি ৮
জীবন এক পরীক্ষার মঞ্চ, যেখানে অভিজ্ঞতা হলো শিক্ষকের ভূমিকা পালন করে। ভুল-ত্রুটি থেকেই মানুষ শিখে বড় হয়। বাস্তবতার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া জীবনকে সাফল্যের পথে নিয়ে যায়।

উক্তি ৯
মানুষ তার স্বভাব দিয়েই বিচারযোগ্য। দয়া, ভালোবাসা আর সৎ কর্ম মানুষকে শ্রেষ্ঠ করে তোলে। যদি স্বভাব ভালো না হয়, তবে জ্ঞান আর অর্থও জীবনের প্রকৃত সাফল্য আনতে পারে না।

উক্তি ১০
জীবন হলো মুহূর্তের সমষ্টি। প্রতিদিন নতুনভাবে বাঁচতে শেখাই মানুষের প্রকৃত দায়িত্ব। অতীতের পিছুটান না রেখে সামনে এগিয়ে যাওয়াই জীবনের সৌন্দর্য।

“জীবন কখনই সহজ নয়। কাজ করতে হবে এবং বাধ্যবাধকতা পূরণ করতে হবে – সত্য, ন্যায়বিচার এবং স্বাধীনতার বাধ্যবাধকতা।”— জন এফ কেনেডি

“প্রতিদিন আমাদের এমন ভাবে কাটানো উচিত, যেন আজ জীবনের শেষ দিন ।”-সেনেকা

“আমার মা সবসময় বলতেন, জীবন একটি চকলেটের বাক্সের মতো। আপনি কখনই জানেন না আপনি কী পেতে চলেছেন।”- ফরেস্ট গাম্প

“জীবন সত্যিই সহজ, কিন্তু পুরুষরা এটিকে জটিল করার জন্য জোর দেয়।”– কনফুসিয়াস

“জীবন চলার পথে বাধা আসতেই পারে তাই বলে থেমে যাওয়ার কোনো অবকাশ নেই। যেখানে বাঁধা আসবে সেখান থেকেই আবার শুরু করতে হবে।”- রেদোয়ান মাসুদ

Read More : Emotional Quotes in Bengali | Sad Quotes Bengali

“জীবন হল সাইকেল চালানোর মত। আপনার ভারসাম্য বজায় রাখতে, আপনাকে অবশ্যই চলতে হবে।”-আলবার্ট আইনস্টাইন

“যদি জীবন ভবিষ্যদ্বাণী করা হয় তবে এটি জীবন থেকে শেষ হয়ে যাবে এবং স্বাদহীন হবে।” – এলেনর রুজভেল্ট

“ভাল বন্ধু, ভাল বই, এবং একটি ঘুমন্ত বিবেক: এটিই আদর্শ জীবন।”- মার্ক টোয়েন

জীবন একটাই, তাই যতটুকু সম্ভব ভালোবাসা এবং সহানুভূতি ছড়াও ।”- মাদার তেরেসা

‘জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- তুমি কিভাবে তাকে অনুভব করো ।”- জিম রোহান

“আমরা যে জীবনটি কাটাচ্ছি, সেটিই আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ ।”— হেলেন কেলার

“জীবন ছোট, কিন্তু এর অর্থ খুঁজে পাওয়ার জন্য প্রতিটি মুহূর্তকেই গুরুত্ব দিতে হবে ।”- অ্যানা ফ্র্যাঙ্ক

“জীবন চলার পথ, থেমে যাওয়ার নয় ।”- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

“আপনার সময় সীমিত, সুতরাং অন্য কারও জীবন-যাপন করতে যেয়ে ওটাকে ব্যয় করবেন না।”-স্টিভ জব্স

“জীবন একটি পর্বত। আপনার লক্ষ্য আপনার পথটি সন্ধান করা, শীর্ষে পৌঁছানো নয়।”-ম্যক্সিম লাগসে

“জীবন যদি ভবিষ্যদ্বাণী করা হয় তবে এটি জীবন থেকে থেমে যাবে এবং স্বাদহীন হবে।”– এলেনর রুজভেল্ট

“যে নিজেকে দমন করতে পারে না, সে নিজের জন্যেও বিপদজনক এবং অন্য সবার জন্যেও।” – থেলিস

“এই মুহুর্তের জন্য আনন্দিত হন। এই মুহুর্তটি আপনার জীবন।”-আমার খায়্যাম

“জীবনের ট্র্যাজেডি হল আমরা খুব তাড়াতাড়ি বুড়ো হয়ে যাই এবং জ্ঞানী খুব দেরিতে।”– বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন

“একজন পেশাদারের মতো নিয়মগুলি শিখুন যাতে আপনি শিল্পীর মতো সেগুলি ভাঙতে পারেন।”- পাবলো পিকাসো

“আপনি যদি ঝড়ের জন্য অপেক্ষা করে আপনার পুরো জীবন ব্যয় করেন তবে আপনি কখনই রোদ উপভোগ করবেন না।”- মরিস ওয়েস্ট

“আপনি যদি জীবনকে ভালোবাসেন তবে সময় নষ্ট করবেন না, কারণ সময়ই জীবন দিয়ে তৈরি।”– ব্রুস লি

“জীবন কঠিন, আপনি যখন বোকা হন তখন তা আরও কঠিন হয়।”-জন ওয়েইনজন

“ভালো বন্ধু, ভালো বই এবং একটি ঘুমন্ত বিবেক: এটি আদর্শ জীবন।”-মার্ক টয়েন

“যেখানে পথ যেতে পারে সেখানে যাবেন না, যেখানে পথ নেই সেখানে যান এবং একটি লেজ ছেড়ে যান।” -রালফ ওয়াল্ডো এমারসন

“জীবনের অনেক ব্যর্থতা এমন লোক যারা হাল ছেড়ে দেওয়ার সময় বুঝতে পারেনি যে তারা সাফল্যের কতটা কাছাকাছি ছিল।”– টমাস এ. এডিসন

“আপনি যদি একটি সুখী জীবনযাপন করতে চান তবে এটিকে একটি লক্ষ্যের সাথে বেঁধে রাখুন, মানুষ বা জিনিসের সাথে নয়।”- আলবার্ট আইনস্টাইন

“আমি যত বেশি সময় বাঁচি, জীবন তত সুন্দর হয়।” -ফ্রাঙ্ক লয়েড রাইট

“আমি আমার জীবনে বারবার ব্যর্থ হয়েছি এবং সে কারণেই আমি সফল হই।”-মাইকেল জর্ডন

“জীবনকে যদি ভালবাসতে চাও, তবে দুঃখকেও আলিঙ্গন করতে হবে।”— ফ্রিডরিখ নীটশে

“জীবনের অর্থ হলো নিজের ভেতরে নিহিত শক্তিকে খুঁজে বের করা ।”- মহাত্মা গান্ধী

“জীবন কোনো প্রতিযোগিতা নয়, জীবন হলো অনুপ্রেরণার উৎস ।”- স্টিফেন কোভি

“জীবন খুব সংক্ষিপ্ত, তাই প্রতিটি দিনকেই উপভোগ কর ।”-অস্কার ওয়াইল্ড

“জীবন হলো সেই ছবি, যা তুমি নিজেই আঁকো ।”- হার্ভে ম্যাককে

“জীবন হলো একটি মুক্তো, একে খুঁজে পেতে প্রচুর অধ্যবসায়ের প্রয়োজন ।”-নেপোলিয়ন বোনাপার্ট

“সুখে থাকাই জীবনের চরম সার্থকতা নয় বরং কাউকে সুখে রাখতে পারাটাই হলো জীবনের সবচেয়ে বড় সার্থকতা।”- সংগ্রহীত

“কিছু মানুষ আমাদের জীবনে আশীর্বাদের মত আসে, আবার কিছু কিছু মানুষ আসে শিক্ষা হয়ে।”

‘জীবন যেখানে থেমে যায়,স্বপ্ন সেখানে শুরু হয়। স্বপ্ন যেখানে থেমে যায়,জীবন সেখানে শুরু হয়।”

“জীবনকে দামি উপহার হিসেবে দেখো ,অভিযোগ করো না, আনন্দ পাবে। ” – কিশোর মজুমদার

“মধ্যবিত্ত হলো একটি অভিশাপের নাম, জন্ম থেকেই যাদের জীবন কাটে মানিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে।”– রেদোয়ান মাসুদ

“জীবনে কোন অনুশোচনা নেই, কেবল পাঠ।”–জেনিফার অ্যানিস্টন

“জীবন হলো ফুলের মত । আর মধু হল ভালো বাসা।”-ভিক্টর হুগো

“জীবনকে এক পেয়ালা চায়ের সাথে তুলনা করা যেতে পারে। যতই তৃপ্তির সাথে আমরা তা পান করি ততই দ্রুত তলার দিকে অগ্রসর হতে থাকি।”-ক্রিনেট

“জীবনে যে অকৃতকার্য হয় নাই, সে কোনদিন সম্পদশালী হতে পারে না।”-সি. এইচ. স্পারজন।

“জীবনের প্রতিটি সিঁড়িতে পা রেখে ওপরে ওঠা উচিত। ডিঙ্গিয়ে উঠলে পড়ে যাবার সম্ভাবনা বেশি।”-হুইটিয়ার

“মানুষের মন যেদিন ক্লান্ত হয় সেদিনই তার মৃত্যু হয়।”-রেদোয়ান মাসুদ

“জীবন দুঃখজনক হবে যদি এটি মজার না হয়।”- স্টিফেন হকিং

“জীবনে কোন অনুশোচনা নেই, কেবল পাঠ।”–জেনিফার অ্যানিস্টন

“জীবন হচ্ছে মৃত্যুর ঘনিষ্ঠ সঙ্গী ।”-এস টি কোলরিজ

“সুখে থাকতে সবাই চায় কিন্তু কিছু মানুষের জীবনে সুখে থাকতে চাওয়াটাই দুঃখের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।”-রেদোয়ান মাসুদ

“জীবন হলো হাসি-কান্নার মিশ্রণ, তাকে আলিঙ্গন করো ।”- জন লেনন

“জীবনের কষ্টগুলোই জীবনের আসল শিক্ষক ।”-টমাস কার্লাইল

“দুঃখ-কষ্ট নিয়েই মানুষের জীবন, কিন্তু দুঃখের পর সুখ আসবে, এটাই ধ্রুব সত্য।”-এডওয়ার্ড ইয়ং

“জীবনে কঠিন সময় আসাটা জরুরী। কঠিন সময়ের কারণেই মানুষ সফলতা উপভোগ করতে পারে ।”- এপিজে আব্দুল কালাম

“আঘাত পাওয়ার ভয়ে কখনো জীবনকে থেমে যেতে দেবেন না ।”- বেবে রুথ

“জীবন মানে ঝড় কেটে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করা নয়, বরং বৃষ্টিতে নাচতে শেখা।”- ভিভিয়ান গ্রিন

“অসহায়কে অবজ্ঞা করা উচিত নয়, কারণ মানুষ মাত্রই জীবনের কোন না কোন সময় অসহায়তার শিকার হবে।”-গোল্ড স্মিথ

“জীবন কখনো থেমে থাকে না, সর্বদা সময়ের স্রোতে ভেসে চলে ।” -জর্জ বার্নার্ড শ

“ভালোবাসাহীন জীবন বোঝা-স্বরুপ। একে বয়ে নিয়ে যাওয়া দুর্বিষহ।” -জর্জ গ্যাবি

The post জীবন নিয়ে অনুপ্রেরণামুলক উক্তি | Inspirational Life Quotes in Bengali appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/inspirational-life-quotes-bengali/feed/ 0
তোমার পাশে সর্বদা এই পাঁচ ধরণের মানুষদের রেখো https://preronajibon.com/surround-yourself-with-these-people/ https://preronajibon.com/surround-yourself-with-these-people/#respond Thu, 02 Sep 2021 18:31:07 +0000 https://preronajibon.com/?p=2250 3 Minute ReadSurround yourself with positive people who believe in your dreams, encourage your ideas, support your ambitions, and bring out the

The post তোমার পাশে সর্বদা এই পাঁচ ধরণের মানুষদের রেখো appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
3 Minute Read

Surround yourself with positive people who believe in your dreams, encourage your ideas, support your ambitions, and bring out the best in you.” -Roy T. Bennett

যে মানুষগুলোর সঙ্গে থাকলে জীবন সফল হবে। কথায় বলে তুমি তাদের সঙ্গে মেশো, যাদের মত হতে চাও। বাবা-মা আত্মীয় তুমি বেছে নিতে পারো না। কিন্তু তোমার বন্ধু ও মেলামেশার সঙ্গী অবশ্যই নির্বাচন করে নিতে পারো। আধুনিক গবেষণায় উঠে এসেছে মানুষ তার চারপাশের সঙ্গীদের দ্বারা অনেকটাই প্রভাবিত হয়। ফলে জীবনের সাফল্য ব্যর্থতা সুখ-দুঃখের জন্য প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দায়ী তোমার সেই সঙ্গীরা- যাদের দ্বারা তুমি প্রভাবিত। তো চলো আজ কথা না বাড়িয়ে জেনে নিই কেমন মানুষের সঙ্গে সব সময় থাকার চেষ্টা করা উচিত।

1.The Inspired (অনুপ্রাণিত) :-

দেখবে অনেক মানুষ আছে অন্যের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয় এবং সর্বদাই তার উৎসাহ বৃদ্ধি পেতে থাকে এইরকম উদ্যমী উৎসাহী বা অনুপ্রাণিত মানুষের সঙ্গে থাকলে তোমার ভেতরের অলস প্রকৃতিটি গা ঝাড়া দিয়ে জেগে উঠবে। উদ্যমী সঙ্গীরা তোমাকে কখনো ঝিমিয়ে পড়তে দেবেনা। কাজেই তুমি এখন থেকে সেইসব মানুষদের সঙ্গে মেলামেশার চেষ্টা করো-যারা নিজেও অনুপ্রাণিত এবং তোমাকেও তোমার কর্মে উৎসাহ যোগাতে থাকবে।

2. The Passionate (উৎসাহী) :-

উৎসাহী মানুষই সবচেয়ে বেশি শিখতে পারে। শিশুরা দেখবে সবকিছুতে হাত লাগাতে চায়- সবকিছুই খুলে দেখতে চায়। যদিও এতে অজান্তে বিপদ আসতে পারে- কিন্তু এই উৎসাহ ব্যাপারটাই তাদের দ্রুত শিখতে সাহায্য করে। যে কোনো শিশুর শিক্ষার প্রধান শর্তই হলো ওই বিষয়ে উৎসাহ। তাই এমন সঙ্গীদের সঙ্গে থাকার চেষ্টা করো যারা কোন না কোন বিষয়ে বিশেষ উৎসাহী। এই উৎসাহ ব্যাপারটা কিন্তু সঞ্চারিত হয়ে যায় চারপাশে। বলা যায়না সেই চারপাশে হয়তো তুমি-ই রয়েছো।

জেনে নাও : এই ১১ ধরণের মানুষ থেকে সর্বদা দূরে থাকো

3. The Grateful (কৃতজ্ঞ) :-

ঈশ্বরের কাছে আমরা সর্বদাই কৃতজ্ঞ। এত সুন্দর পৃথিবী যিনি তৈরি করেছেন,তাকে দেখার ও উপভোগ করার জন্য আমাদের সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু কিছু মানুষ রয়েছে যারা কী পেয়েছে তা না দেখে কী পায় নি তার হিসেব কষতেই ব্যস্ত থাকে। আমার এটা নেই, ওটা নেই, আমার অভাব অনটন ফুরোয় না, জীবনটাই দুঃখে ভরে গেল- ইত্যাদি ইত্যাদি। এরা যেমন ঈশ্বরের প্রতি কৃতজ্ঞ নয়- তেমনি তারা মানুষের উপকারও স্বীকার করে না। কিন্তু যারা কৃতজ্ঞ থাকে তারা কৃতজ্ঞতার দ্বারা বিনয়ী ভাবাপন্ন হয়। আর তুমি তো ভালো করেই জানো ‘ বিদ্যা দদাতি বিনয়ং’ বিখ্যাত এই সংস্কৃত উক্তিটি।

“Surround yourself with really good people. I think that’s an important thing. Because the people you surround yourself are a reflection of you.”-Aaron Rodgers

4.The Motivated (প্রেষণাযুক্ত) :-

মোটিভেশন এর বাংলা পরিভাষা হলো প্রেষণা। অর্থাৎ কোনো কাজে বা বিষয়ে আগ্রহী করে তোলাই হলো মোটিভেশন। আপাতদৃষ্টিতে Passionate, Inspired, Motivated শব্দগুলির বাংলা অর্থ এক মনে হলেও এদের অর্থগুলো আলাদা। যাইহোক না কেন তোমার চারপাশের মানুষ এমন থাকা প্রয়োজন যারা নিজেরা সর্বদা মোটিভেটেড থাকতে পছন্দ করে। এরকম উদ্দীপ্ত মানুষদের সঙ্গী হতে হলে তোমারও তাদেরকে সর্বদাই মোটিভেট করে রাখতে হবে। আর তাদের সঙ্গে থাকতে থাকতে তোমার ডিমোটিভেটেড হবার কোনো চান্সই থাকবে না। জীবনে সফল হতে হলে এই মোটিভেশন খুবই প্রয়োজন। কারণ বর্তমান যুগে চারপাশে সমালোচক ও ডিমোটিভেটেড করার মানুষ খুব বেশি। তাই জীবনে সফল হতে হলে এই মোটিভেটেড ব্যক্তিরা তোমাকে বাড়তি অক্সিজেন দেবে নিশ্চিত।

5. The Open Minded (মুক্ত মানসিকতাযুক্ত) :-

বড় মানুষের মনও বড় হয়ে থাকে কথাটি আংশিক সত্য। সত্যিকারের বড় তারাই যারা মানসিক সংকীর্ণতামুক্ত অর্থাৎ ওপেন মাইন্ডেড মানুষ নতুন কিছু শিখতে ও গ্রহণ করতে পারে। তারা আগে থেকে কট্টরবাদীদের মত সিদ্ধান্ত নিয়ে রাখেন না- তারা বিশ্বাস করেন যত মত তত পথ। অর্থাৎ তুমি তোমার মতামত ও আদর্শকে নির্দ্বিধায় শেয়ার করতে পারবে। তাদের সঙ্গে থাকলে তোমার মনও বড় ও উদার হতে থাকবে। বর্তমান সোশ্যাল মিডিয়া প্রভাবিত যুগে নিশ্চয়ই দেখে থাকবে মানুষ প্রযুক্তির দিক থেকে উন্নত হলেও- অনেকের মনে রয়ে গেছে সেই মধ্যযুগীয় সংকীর্ণতা। হিংসা,ঈর্ষা, পরনিন্দা-পরচর্চা তাদের আলোচনার বিষয় হয়ে যায়। তুমি নিশ্চয়ই ওদের মত সময় অপচয় করার মানুষ নও। কাজেই উদার মনের মানুষের সঙ্গে সময় কাটাও আর তুমিও হয়ে ওঠো আধুনিক উদার স্বপ্নদর্শী এক সফল মানুষ।

বন্ধুরা আজ আমরা আলোচনা করলাম কোন ধরনের মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করবে বা তোমার চারপাশে কি ধরণের মানুষ তুমি রাখার চেষ্টা করবে। লেখাটি ভালো লেগে থাকলে শেয়ার করে দিতে ভুলো না। আমাদের সঙ্গে থাকো ফেসবুক পেজটিকে লাইক করে দিও। ভালো থেকো।

The post তোমার পাশে সর্বদা এই পাঁচ ধরণের মানুষদের রেখো appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/surround-yourself-with-these-people/feed/ 0
কোথায় এবং কেন চুপ থাকা প্রয়োজন ? চুপ থাকার উপকারিতা গুলি কী কী ? https://preronajibon.com/importance-of-silence/ https://preronajibon.com/importance-of-silence/#respond Sun, 13 Jun 2021 06:13:44 +0000 https://preronajibon.com/?p=2138 4 Minute Read” Wise men speak because they have something to say; Fools because they have to say something.“ ~ Plato চুপ

The post কোথায় এবং কেন চুপ থাকা প্রয়োজন ? চুপ থাকার উপকারিতা গুলি কী কী ? appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
4 Minute Read

Wise men speak because they have something to say; Fools because they have to say something. ~ Plato

চুপ থাকার উপকারিতা

অনেকেই বলে যে কথার ওপরেই জগৎ চলে। এই কথা দু’ধরনের হয় একটি হলো শাব্দিক আরেকটি হল নীরব। শাব্দিক কথা আমরা শ্রবণ ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে গ্রহণ করি আর নীরব কথা আমরা পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে গ্রহণ করে আমরা ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়ের(মন)দ্বারা উপলব্ধি করি। কাজেই নীরবতাও একটি ভাষা। ছবি, শিল্প,লেখ্য সাহিত্য ইত্যাদি আসলে নীরব ভাষাই। কাজেই যে কোন ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনে কথা বলা বা শাব্দিক ভাষা প্রয়োগ অনেকগুলি সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। মুখ থেকে যে বাণী একবার নিঃসৃত হয়ে যায়, তা আর ফেরানো সম্ভব হয় না। তাই কখনো কখনো কথা বলা যতটা গুরুত্বপূর্ণ, কথা না বলাটা তার থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। তাহলে আজ আমরা জেনে নেই কোথায় চুপ থাকতে হবে এবং কেন চুপ থাকতে হবে , এবং চুপ থাকার সাতটি উপকারিতা সম্বন্ধে ।

কোথায় চুপ থাকতে হবে এবং কেন চুপ থাকতে হবে :-

১.যখন কেউ তার সমস্যার কথা বলে :- যখন কেউ তার সমস্যার কথা আমাদের বলে, কিংবা তার ভেতরে চলতে থাকা ইমোশনগুলো শেয়ার করে সেই সময় অতি শীঘ্রই রায় না দিয়ে,ঠিক ভুল বিচার না করে তার কথা গুলো চুপ করে মন দিয়ে শুনতে হয়। এই মুহুর্তগুলিতে চুপ থাকাই সামনের জনের জন্য সেরা চিকিৎসা।

২.অর্থহীন বিতর্কিত আলোচনা :- যে কোনো বিতর্কিত আলোচনা থেকে সমস্যার সৃষ্টি হয়। একমাত্র বিতর্কিত প্রতিযোগিতা বা কোনো বিতর্কের সমাধানের দায়িত্বপ্রাপ্ত না হলে বিতর্কে যাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয়। সেক্ষেত্রে চুপ থাকাই শ্রেয়।

৩.সম্পর্ক উন্নতি করতে :- ভালোবাসার মানুষ তার প্রিয়জনকে কিছু বলতে চায় সেক্ষেত্রে এক সঙ্গে কথা না বলে চুপ করে শুনলে সম্পর্কের উন্নতি ঘটে। কেননা খোলাখুলি আলোচনা করতে গিয়ে ব্যবহৃত কোনো কোনো কথাকে ধরেই নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়। তাই সম্পর্কের মধ্যে আলোচনা চলাকালীন বিতর্কের সম্ভাবনা ঘটলে তর্ক করার চেয়ে, চুপ থাকা প্রয়োজন। আগে তার কথাগুলো পুরোটা মন দিয়ে শোনা প্রয়োজন এবং পরে বলবার হলে সেটা বুঝিয়ে বলা উচিত। প্রাক্তন সিনেমার একটি গানের লাইন মনে পড়ে যায় ‘কথার ওপর কেবল কথা সিলিং ছুঁতে চায়।’ এই ক্ষেত্রে একজন চুপ থাকলে সম্পর্ক গাঢ় হয়।

৪. অপরিচিত স্থানে :- বিভিন্ন প্রয়োজনে আমরা অফিস, দোকান, বাজার ইত্যাদি ক্ষেত্রে নানা মানুষের সংস্পর্শে আসি। সে ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় কথা বলে সমস্যার সৃষ্টি করে থাকে – এরকম মানুষের দেখা পাওয়া যায় হামেশাই ; এরকম অভিজ্ঞতা আমাদের সকলেরই আছে । এ সমস্ত ক্ষেত্রে সময় যেমন নষ্ট হয়, তেমনি অনাহুত ঝামেলা ঘাড়ে চাপার সম্ভাবনা থাকে তাই বুদ্ধিমান মানুষ অপ্রয়োজনে কথা না বলে চুপ থাকেন।

৫. অপ্রাসঙ্গিক ক্ষেত্রে :- বিভিন্ন অনুষ্ঠান বা আড্ডায় নানা প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক বিষয় উঠে আসে। বুদ্ধিমান মানুষ প্রাসঙ্গিক বিষয়ে অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেও অপ্রাসঙ্গিক বিষয়গুলি মুচকি হেসে এড়িয়ে যান। এতে মেধা পরিশ্রম যেমন বাচে তেমনি উন্নত পার্সোনালিটি প্রকাশ পায়।

৬.গভীর অধ্যয়নের সময় :- গভীর অধ্যয়ন বলতে কোন একটা বিষয় নিয়ে পড়ালেখা, ভাবা ও তথ্য সংগ্রহ বোঝায়।তাই অধ্যয়নের প্রক্রিয়াটি মনের ভেতর স্নান খাওয়া ভ্রমণ সবসময় চলতে থাকে । এরকম গভীর অধ্যয়ন চলাকালীন অন্য বিষয় আলোচনায় অধ্যয়নের মনোযোগ ব্যাহত হতে পারে তাই বিজ্ঞানী লেখক প্রমুখরা চুপ থাকেন।

৭. প্রতিবাদ করার ক্ষেত্রে :- প্রতিবাদ করা ভাল। তবে পরিস্থিতি বিচার করে। যদি দেখেন কোনও স্থানে আপনাকে অপমানিত হতে হচ্ছে, অথচ আপনার প্রতিবাদ করার মতো পরিস্থিতি নেই। চুপ করে যাবেন। মনে রাখবেন, যুদ্ধে পিছিয়ে আসা মানেই হার নয়। সেটা কৌশল সাজাবার পরিকল্পনাও হতে পারে।

আরও পড়ুন : ৭টি অভ্যাস যেগুলি মানুষের অপছন্দের কারণ

৮. এছাড়াও আরো কয়েকটি ক্ষেত্রে আমাদের চুপ থাকা প্রয়োজন :-
ক। গাড়ি চালানোর সময়
খ। শরীরচর্চার সময়
গ। খাবার সময়
গাড়ি চালানোর সময় আর খাবার সময় কেন চুপ থাকতে হয় সকলেই জানেন । শরীর চর্চার সময় অতিরিক্ত এনার্জি ও অতিরিক্ত অক্সিজেন খরচ হয় । হাঁপাতে হাঁপাতে কথা বললে আরো অতিরিক্ত এনার্জি ও অক্সিজেন এর প্রয়োজন হবে । সেক্ষত্রে ফুসফুস ও হার্ট বিপন্ন হবার সম্ভাবনা থাকে । কাজেই এই কাজগুলো নীরবে করা প্রয়োজন ।

চুপ থাকার উপকারিতা গুলি কী কী ?

১.মন ও মস্তিষ্ক শান্ত হয় :- আমাদের এই অশান্ত পৃথিবীতে অধিকাংশ মানুষের মনই অশান্ত, মনের ভেতর সর্বদা চলতে থাকে দ্বন্দ্ব আর উথাল পাতাল করা অশান্তি। তাই কিছুটা সময় সব কিছু থেকে নিজেকে সরিয়ে নিঃশব্দে আর নিজের সঙ্গে যদি নিস্তরঙ্গ, শান্ত সময় কাটানো যায়,তবে মন নামক সরোবরের জল শান্ত, স্বচ্ছ ,কাঁচের মত হয়ে যায়। অন্তরে শান্তি ফিরে এলে মন ও মস্তিষ্ক শান্ত হয় এবং শরীরও ভালো থাকে। তাই চিকিৎসা বিজ্ঞানে চেঞ্জে যাবার পরামর্শের বিষয়টি প্রচলিত।

২.মস্তিষ্কে নতুন কোষ জন্মায় :- একাধিক গবেষণায় একথা প্রমাণিত হয়েছে প্রতিদিন যদি নিয়ম করে কয়েক মিনিট চুপ থাকা যায় তা গান শোনার থেকেও বেশি স্বস্তি দেয় মানুষের মস্তিষ্ককে। এতে ব্রেন নিজের একাধিক ক্ষতকে সারিয়ে তোলার সুযোগ পায়। এবং নতুন কোষের জন্ম হয় মস্তিষ্কের হিপোকম্পাসে, ফলে আমাদের নতুন কিছু শেখার ক্ষমতা বেড়ে যায় ও স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটে।

৩.জ্ঞানের বিকাশে সহায়তা করে :- কয়েক মিনিটের নীরবতা মানব শরীরে জ্ঞানের বিকাশে সহায়তা করে। ফলে ভাষার দক্ষতা বেড়ে যায়। সারাদিনের ঘটনাগুলো এলোমেলোভাবে মস্তিষ্কে জমা হয় । চুপ থাকার ফলে সেগুলো স্তরে স্তরে সাজাবার সুযোগ ঘটে । আর তখুনি অন্তরদৃষ্টি দ্বারা জ্ঞানলাভ ঘটে ।

৪. মনসংযোগ বাড়ায় :- মনঃসংযোগ বাড়াতে কয়েক মিনিটি চুপ থাকাকে বা নিঃশব্দতাকে সঙ্গী করুন। প্রাণায়াম বা যোগব্যায়ামের মাধ্যমে আপনি কয়েক মিনিট চুপ থাকার অনুশীলন করতে পারেন এতে করে মনোসংযোগ যেমন বাড়বে তেমন বাড়বে আপনার কর্মক্ষমতা।

৫.স্ট্রেস লেবেল কমায় :- যখন দেখবেন আপনার স্ট্রেস লেভেল বাড়ছে, তখনই একটা নিস্তব্ধ জায়গায় চলে যাবেন এবং সেখানে গিয়ে কিছুক্ষণ বসে বড় বড় শ্বাস নেবেন। এমনটা করলে দেখবেন অল্প সময়ের মধ্যেই মানসিক চাপ দূরে পালাবে। প্রসঙ্গত, মাত্রাতিরিক্ত শব্দ মস্তিষ্ককে বিচলিত করে তোলে। ফলে সারা শরীরের উপর বিরূপ প্রভাব পড়ে। অপরদিকে নিঃশব্দতা ব্রেণকে শান্তি প্রদান করে, যা স্ট্রেস লেভেল দূর করার জন্য ভীষণ উপকারী।

৬. সৃজনশীলতা বৃদ্ধি পায় :- চুপ থাকার ফলে মনের শান্ত অবস্থায় মানুষের পঞ্চ ইন্দ্রিয় সঠিকভাবে কাজ করার সুযোগ পায়। লেখক , কবি , চিত্রশিল্পী , কিংবা যে কোনো সৃজনশীল শিল্পীরা চুপ করে ভেবে তাদের শিল্পকে বুঝে নেন । তাই শিশুদেরকেও প্রতিদিন কিছুটা সময় চুপ থাকতে শেখালে তাদের সৃজনশীলতা বৃদ্ধি পায় ।

৭. অনিদ্রার সমস্যা দূর করে :- মানুষের অনিদ্রার কারণ অতিরিক্ত চাপ । শরীর ও মনের উপর যে চাপ জমতে থাকে তাতে মানুষের ব্রেইন নিরন্তর উদ্দীপ্ত ও উদগ্রীব হয়ে পড়ে । আর এতেই অনেকের অনিদ্রার সমস্যা দেখা দেয় । তাই রোজ নিয়ম করে অন্তত দু’ঘন্টা চুপ থাকলে অনিদ্রার সমস্যা থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া যায় বলে আধুনিক গবেষণায় উঠে এসেছে।

চুপ থাকার উপকারিতা নিয়ে আমাদের লেখাটি ভালো লেগে থাকলে কমেন্ট বক্সে আমাদের জানান। এই ধরনের লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন।

The post কোথায় এবং কেন চুপ থাকা প্রয়োজন ? চুপ থাকার উপকারিতা গুলি কী কী ? appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/importance-of-silence/feed/ 0
এই ১১ ধরণের মানুষ থেকে সর্বদা দূরে থাকো। Stay Away From These People https://preronajibon.com/always-stay-away-from-these-people/ https://preronajibon.com/always-stay-away-from-these-people/#respond Tue, 10 Mar 2020 19:11:26 +0000 https://preronajibon.com/?p=1224 4 Minute Readমানুষের জীবনে খুব বেশি প্রভাব ফেলতে পারে তার চারপাশের মানুষ। আর তাই আমাদেরও সতর্ক হওয়া উচিত। আমাদের চারপাশে কয়েক ধরণের

The post এই ১১ ধরণের মানুষ থেকে সর্বদা দূরে থাকো। Stay Away From These People appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
4 Minute Read

মানুষের জীবনে খুব বেশি প্রভাব ফেলতে পারে তার চারপাশের মানুষ। আর তাই আমাদেরও সতর্ক হওয়া উচিত। আমাদের চারপাশে কয়েক ধরণের মানুষ দেখা যায় যারা কোনো না কোনো ভাবে আমাদের মানসিক শক্তি ক্ষয় করে। তাদের সঙ্গে বেশিক্ষন সময় কাটালে তাদের প্রভাব আমাদের ওপর পড়তে থাকে। এসব মানুষ আমাদের ব্রেইনের ম্যাসিভ স্ট্রেসের কারণ। তাদের ব্যবহার ,তাদের কথা বলার ধরণ, তাদের চিন্তাভাবনা করার ক্ষমতা বলে দেয় তারা Energy Sucker না Energy Giver চলো আজ জেনে নেওয়া যাক সেই ধরণের মানুষের বিহ্যাভ আপ্রোচ গুলি যা দেখে তাদের চেনা যাবে –

১) কট্টরবাদী ( Fundamentalist Dogmatic ) :-

যারা কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে কট্টরপন্থী মনোভাব পোষণ করে ,সত্য মিথ্যা যাচাই না করে শুধু ধারণার ওপর ভর করে চলে , তাদের থেকে নিজেকে দূরে রাখো। কখনো কখনো দেখা যায় বন্ধুমহলে কিংবা পরিবারে কোনো একজন একটা বিষয় কে কেন্দ্র করে তার কট্টরবাদিতা প্রমাণ করতে চায় ,সেই সময় তার সঙ্গে তর্কে লিপ্ত না হয়ে সহমত পোষণ করা উচিত। কারণ তুমি যদি তর্ক করা শুরু করো সময় যেমন নষ্ট হবে , তেমনি তাকে বোঝাতে না পেরে তোমার মানসিক শক্তি ক্ষয় হবে। তাই এই ধরণের মানুষ থেকে সর্বদা দূরে থাকো।

২) ভুক্তভোগী মানুষ :-

যারা সর্বদা নিজের দুঃখের গান গেয়ে বেড়ায় , তারা দেখায় যে পৃথিবীর যাবতীয় দুর্ঘটনা শুধু তাদের সাথেই ঘটে। এসব বলে তারা খুব সহজেই সহানুভূতি গ্রাস করে। ফলে আমরাও তাদের সমস্যাগুলো নিজেদের মনে করে সমাধান করতে চেষ্টা করি। এই ধরণের মানুষদের দুঃখও কখনই ঘোচে না , এরা সর্বদা ভিক্টিম মেন্টালিটির হয়ে থাকে। নিজেরা দায়িত্ববোধ এড়িয়ে আজীবন তোমার কাছে সহানুভূতি চাইতে থাকবে। তাই নিজেদের সমস্যা সমাধানে যারা তোমায় ব্যবহার করে , তাদের থেকে সর্বদা দূরে থাকো। যদি তুমি তাদের সাহায্য করতে চাও দূর থেকে করো , কাছে গেলেই তারা তোমায় প্রভাবিত করতে থাকবে।

৩) Negative People :-

কিছু মানুষ রয়েছে যারা ভয় ব্যতীত কোনোদিন সাহস দিতে পারে না। তারা সব কিছুর মধ্যে নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করে থাকে। এরা সব ব্যাপারে অন্যদের নিরুৎসাহিত করে তোলে। এই ধরনের মানুষেদের সঙ্গে যারা বেশিক্ষন থাকে , তারাও নেতিবাচক হয়ে যায়। তাই যারা শুধু ভীত করে দেয় তাদের থেকে সর্বদা দূরে থাকো।

এই ধরণের মানুষ থেকে সর্বদা দূরে থাকো

৪) পরশ্রীকাতর :-

যারা অন্যের ভালো দেখে কাতর হয়ে পড়ে। এই ধরণের মনোভাব হিংসা ও বিদ্বেষাত্মক আচরণ তৈরী করে। বিশেষজ্ঞদের মতে সবচেয়ে বড় স্ট্রেস হলো পরশ্রীকাতরতা। এই ধরণের মানুষের সাথে বেশিক্ষণ সময় কাটালে তাদের ভাবধারা তোমার মধ্যেও সঞ্চারিত হতে থাকবে। তাই তাদের থেকে নিজেকে দূরে রাখো।

৫) গসিপিং :-

বিশাল মনের মানুষেরা চিন্তাভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। গড়পড়তা মানুষেরা ইভেন্ট নিয়ে কথা বলেন। আর ক্ষুদ্র মানসিকতার মানুষ অন্য মানুষকে নিয়ে গসিপ করেন।

এলেনর রুজভেল্ট

অন্যদের দুর্ভাগ্য নিয়ে কিংবা সীমাবদ্ধতা নিয়ে সমালোচনা করে অনেকেই আনন্দ পায়। পরনিন্দা বা পরচর্চা একটি হাসির খোরাক হয়ে দাঁড়িয়েছে। সহকর্মীদের মধ্যে দেখা যায় অবসর সময়ে বসে গসিপ করছে , যা অন্যকে আঘাত দিতেও পারে। এসব গল্পে মশগুল না থেকে তুমি ওই সময়টাকে প্রোডাক্টিভ কোনো কাজে লাগাতে পারো।

৬) নির্দয় বা বদমেজাজী মানুষ :-

যদি কোনো মানুষ খুব সূক্ষ্ম ভাবে তোমার সাথে হিংস্রতা দেখায় তা সে ফিজিক্যালি হোক বা মেন্টালি , তাদের থেকে সর্বদা নিজেদের বাঁচিয়ে রাখা ভালো। বদমেজাজী মানুষেরা নিজের রাগ সর্বদা অন্যের ওপর ঝাড়তে থাকে , তারা অন্যকে দোষীর কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে রাখে। এইসব মানুষদের দূরে রাখা উচিত নইলে তারা আমাদের চিন্তাভাবনার অনেকাংশ দখল করে আমাদের ব্রেন কে ডিসটার্ব মুড এ নিয়ে যাবে।

বদমেজাজী মানুষ

৭) ধান্দাবাজ :-

ধান্দাবাজ মানুষ বন্ধুত্বের আড়ালে তোমার সময় নষ্ট করবে। এসব মানুষ তোমাকে খুব ভালোভাবে জানে , তারা জানে তোমার পছন্দ অপছন্দকে কাজে লাগিয়ে কিভাবে ফায়দা নিতে হয়। তারা প্রথমে তোমাকে জয় করবে , তারপর তোমাকে কাজে লাগিয়ে তার স্বার্থসিদ্ধি করবে । কাজেই এই ধরণের মানুষ চিনে নেওয়া খুব প্রয়োজন।

৮) Confused people :-

এই ধরণের মানুষ কখনো ভীষণ কাজের কথা বলবে , কখনো একদম বেকার জিনিস নিয়ে কথাবার্তায় মশগুল থাকবে। এরা Unpredictable এদের সাথে কথা বলে কখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। তারা কখনো তোমায় clarity দিতে পারবে না। তাই কাজের ক্ষেত্রে তাদের থেকে দূরে থাকাই ভালো।

৯) সবজান্তা :-

যারা সব বিষয়ে ইন্টারেস্ট দেখায় এবং শুধু কথাবার্তায় অন্যকে ডুবিয়ে রাখে ,এদের কাছে সব ধরণের উত্তর তৈরী থাকে। তারা বিচার বিবেচনা না করেই এমন কিছু কথা বলে ফেলে , যা অন্যকে নিরুৎসাহিত করে তোলে। তারা তাদের ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে চায় না , তারা নিজেদেরকেই সঠিক মনে করে। এদের নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য থাকে না। মনে রেখো এরা কখনো কখনো কথার মাধ্যমে তোমায় অপদস্ত করতেও পারে।

জেনে নাও : মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার কয়টি উপায়

১০) অহংকারী :-

যারা ভীষণ অহংকারী তারা নিজেদের নিয়ে একটি মিথ্যা আত্মবিশ্বাসে ডুবে থাকে। তারা নিজেদের খুব বড় মনে করে। অহংকারী মানুষ সব কিছুকেই পারসোনাল চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখে। এইধরণের মানুষ সামনের জনকে কখনই গুরুত্ব দেন না । অহংকারী ব্যক্তিরা কর্মক্ষেত্র নানা গোলযোগ সৃষ্টি করে , এরা নিজেদের যেমন ধ্বংস করে তেমনি এদের চারপাশে যারা থাকে তারাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যতটা পারা যায় তাদের থেকে দূরে থাকা ভালো , কারণ এরা মানসিক শক্তি ক্ষয় করতে ভীষণ পারদর্শী।

১১) Aimless :-

লক্ষ্যহীন মানুষ হাল ছাড়া নৌকার মতো ভাসতে থাকে । জীবনের স্রোত যে কোনোখানেই তাদের নিয়ে ফেলতে পারে । এই ধরনের মানুষ কখনোই সময়ের মূল্য দিতে পারেন না । তারা অন্যদের সময়কেও গুরুত্ব দেয় না । কাজেই এই ধরণের মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করলে সময় যেমন ক্ষতি হবে , তেমনি ক্ষতি হবে তোমার জীবনের লক্ষ্য পূরণের মানসিকতাও । তাই যতটা পারো লক্ষ্যহীন মানুষের সাহচর্য এড়িয়ে চলা প্রয়োজন।

তাহলে বন্ধুরা , নিশ্চয় বুঝে গেছ , কীভাবে এই মানুষদের চিনে নেবে যারা তোমার পক্ষে ক্ষতিকর । লেখাটি কেমন লাগলো ? কমেন্ট বক্সে লিখে জানাও । আমাদের ফেসবুক পেজ-এ চলে এসো এরকম অনেক পোস্ট রয়েছে সেখানে । ভালো লাগলে তোমার বন্ধুদের লেখাটি শেয়ার করে দাও । খুব ভালো থেকো , সুস্থ থেকো।

The post এই ১১ ধরণের মানুষ থেকে সর্বদা দূরে থাকো। Stay Away From These People appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/always-stay-away-from-these-people/feed/ 0
যে পাঁচটি কথা বুদ্ধিমান ব্যক্তিরা কখনোই বলেন না। বুদ্ধিমান মানুষের কথা https://preronajibon.com/five-things-intelligent-people-never-say/ https://preronajibon.com/five-things-intelligent-people-never-say/#respond Thu, 27 Feb 2020 05:08:00 +0000 https://preronajibon.com/?p=1196 3 Minute Readযে পাঁচটি কথা বুদ্ধিমান ব্যক্তিরা কখনোই বলেন না । বুদ্ধিমান মানুষের কথা মানুষের ব্যবহার বা আচরণের সিংহভাগই হল কথা বলা।

The post যে পাঁচটি কথা বুদ্ধিমান ব্যক্তিরা কখনোই বলেন না। বুদ্ধিমান মানুষের কথা appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
3 Minute Read

যে পাঁচটি কথা বুদ্ধিমান ব্যক্তিরা কখনোই বলেন না । বুদ্ধিমান মানুষের কথা

মানুষের ব্যবহার বা আচরণের সিংহভাগই হল কথা বলা। এই কথার জন্য কেউ খুব প্রিয়জন হয় ,আবার কেউ বিরাগভাজন হয়। একজন বুদ্ধিমান মানুষের কথা বলার ধরণ ও ভঙ্গি তাকে আর পাঁচটা মানুষের থেকে একবারে আলাদা করে তোলে। অপরের মধ্যে নিজের জোড়ালো ও উজ্জ্বল ব্যক্তিত্বের চাপ রাখতে যে কথাগুলি বুদ্ধিমান ব্যক্তিরা এড়িয়ে চলে সেগুলো নীচে আলোচনা করা হল। মনে রেখো এই কথাগুলো শুধু কথার কথা নয় – এর গভীর ছায়া তোমার সারাজীবনের ব্যক্তিত্বের মূল্যায়নে প্রভাব ফেলতে পারে। চলো জেনে নেওয়া যাক কোন পাঁচটি কথা বুদ্ধিমান ব্যক্তিরা কখনোই বলেন না। দেখো তো তুমিও তাদের দলে পড় কিনা –

১. I told you before / আমি আগেই বলেছিলাম :-

হা বন্ধুরা , কেউ কোনো কাজে ভুল করলে বা কারো ক্ষতি হলে – আমরা নিজেকে পন্ডিত ও বিজ্ঞ প্রমান করতে প্রায়ই বলে ফেলি – “দেখলে তো আমার কথাই ঠিক – আমি তোমাকে আগেই বলেছিলাম।” নিজেকে জোর করে বিজ্ঞ প্রমান করতে গিয়ে সামনের জনকে যে কতটা আহত করি সেটা ভুলেই যাই। এই কথার অর্থ হলো নিজেকে বড় ভাবা। হয়তো তুমি আগে অনুমান করে বলেছিলে কথাটি – এবং সেটা সত্যি হল। তবু যখন কেউ তোমাকে বলতে এল – সে হয়তো সাহায্যের জন্যই এসেছে আর মনে মনে তোমার অভিজ্ঞতাকে শ্রদ্ধাই করছে ; কিন্তু তুমি আবার সেটা বলে দিয়ে নিজেকে তার কাছে ছোট করে দিচ্ছ তাই এই কথা বলা যাবে না। একজন বুদ্ধিমান ব্যক্তিরা কখনো নিজেকে প্রমান করার চেষ্টা করেন না। এসব বলে নিজেকে নির্বোধ হিসেবে পরিচয় দেওয়া বুদ্ধিমান মানুষের পছন্দ নয়।

জেনে নিন : GOAL SETTING / লক্ষ্য স্থির করার উপায়

২. You always like this :

‘তুমি এরকমই মানুষ’ বা ‘তুমি সবসময় তা -ই করো ‘ :- বন্ধু আরেকটি বুদ্ধিহীন কথা হল ” তুমি তো ওরকম -ই” কিংবা “তুমি সবসময় তা -ই করো।” এই কথার মাধ্যমে বক্তার প্রভাবশালী মনোভাব প্রকাশ পায়। আমরা জানি মানুষ চিরকাল একরকম থাকে না আর একরকমের আচরণ করে না – তবু এরকম কথা বললে সে কোনঠাসা হয়ে যায়। লুকিয়ে সে বক্তার থেকে আত্মরক্ষা করতে চেষ্টা করে এবং সরে যেতে থাকে।

বক্তা হয়তো তার প্রভাব দেখিয়ে কাউকে কোনঠাসা করতে চায় ; কিন্তু এর ফলে ওই মানুষটি ভেতরে ভেতরে তার থেকে দূরে সরে যেতে থাকে ; সেটা খুব দুঃখের বিষয়। বক্তা হয়তো জানতেই পারবে না সেটা।

৩. You must do exactly like l say :-

আমি যেভাবে বলি ঠিক সেভাবেই করো :- আমরা কাউকে কিছু শেখাতে গিয়ে বলে ফেলি আমি যা যা বলছি সেটা ঠিক সেভাবেই করো। – এই ধরণের কথার মাধ্যমে আমরা নিজের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার বড়াই করে ফেলি। যার ফল দীর্ঘমেয়াদি হয়ে থাকে। হ্যাঁ বন্ধুরা , কেউ কোনো কাজ করতে গিয়ে তোমার পরামর্শ নিলে তুমি সেটা বুঝিয়ে দিতে পারো ভালোভাবে – কিন্তু ওই ধরণের কথা বলে ফেলতে নেই। এতে বক্তার গতানুগতিক মানসিকতাই প্রকাশ পাবে। তাছাড়া একটা কাজের অনেক পদ্ধতি থাকতেই পারে। অপরের সৃজনশীলতাকে অস্বীকার করা ঠিক নয়। এই কথা বক্তার চরিত্রের সম্পর্কে যে ধারণা দেয় তা হল – “He is not open to new idea.

বুদ্ধিমান মানুষের কথা

৪. Never Criticize ও তো ঐরকম : –

অনুপস্থিত কোনো ব্যক্তির সম্পর্কে এক কথাতেই সামগ্রিক মূল্যায়ন করতে গিয়ে প্রায়ই বলে ফেলি – ‘ও তো ওইরকমই ‘ বা “ওর স্বভাবই হল তাই।” দেখো বন্ধু , কাউকে চেনা ও জানা খুব কঠিন কাজ। আর এক কথাতেই আমরা তার মূল্যায়ন করতে গিয়ে আসলে বিজ্ঞ সাজতে চাই। কিন্তু বুদ্ধিমান ব্যক্তি কখনো ঐ ধরণের এককথায় মূল্যায়ন করে কথা বলেন না। কারণ ঐ কথার মাধ্যমে কতগুলি বিষয় প্রকাশিত হয় যা বক্তার ব্যক্তিত্বের মান অনেক কমিয়ে দেয়। বক্তার ঈর্ষাবোধ , হীনমন্যতা ও অপশব্দ প্রয়োগ করার স্বভাব প্রকাশিত হয়ে পড়ায় চরিত্রের হীনতাই সূচিত হয়ে পড়ে। তাই এই ধরণের কথাকে অবশ্যই এড়িয়ে চলতে হবে।

৫. Never Be Biased পক্ষপাতদুষ্ট কথা : –

আরেকটি কথা যা বুদ্ধিহীনতা ,ও হীন ব্যক্তিত্বের পরিচয় দেয় তা হল একপাক্ষিক হয়ে কথা বলা। যেমন –

ক ) মেয়েরা ঐরকমই হয়
খ ) সব ছেলেদের ঐএক দোষ

কিংবা অমুক সম্প্রদায়ের লোকেরা ঐরকমই , সব চাকুরীজীবি অমন হয়। এখনকার প্রজন্মের সবাই তাই , বা কখনো কোনো পলিটিক্যাল পার্টিকে অন্ধের মতো অনুসরণ করে সর্বদা তার পক্ষে বলা ইত্যাদি।

এইসব কথাগুলো ভীষণ রকমের বোকা বোকা। মানুষ কখনোই সবাই একরকমের হয় না। এতে বক্তার বুদ্ধিহীন নিম্নমানের মানসিকতাই প্রকাশিত হয়ে পড়ে। তাই কখনো একপাক্ষিক হয়ে দুম করে কোনো কথা বলে ফেলো না যেন। তাছাড়া ঐ ধরণের কথা বিপদেও ফেলতে পারে।

তাহলে আশা করি বন্ধুরা বুঝতে পেরেছো যে এই পাঁচটি কথা কেন বুদ্ধিমান ও ব্যক্তিসম্পন্ন মানুষ এড়িয়ে চলেন।

আশা করি লেখাটি তোমাদের ভালো লাগবে। ভালো লেগে থাকলে শেয়ার করতে ভুলো না কিন্তু। তোমাদের এক একটি শেয়ার আমাদের কাছে উৎসাহের পুরস্কার স্বরূপ। এরকম আরো আরো লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ চলে এসো। আর কোন কোন বিষয়ের ওপর লেখা পড়তে চাও কমেন্ট করে জানাও। খুব ভালো থেকো আর সুস্থ থেকো।

The post যে পাঁচটি কথা বুদ্ধিমান ব্যক্তিরা কখনোই বলেন না। বুদ্ধিমান মানুষের কথা appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/five-things-intelligent-people-never-say/feed/ 0
৭ টি বিষয় যা কাউকে বলা উচিত না https://preronajibon.com/7-things-never-share-with-anyone/ https://preronajibon.com/7-things-never-share-with-anyone/#respond Tue, 03 Dec 2019 18:00:08 +0000 https://preronajibon.com/?p=988 3 Minute Readআমরা অনেক মানুষের সঙ্গে মিশে থাকি, নানা প্রয়োজনে অনেক কথা বলে থাকি। আর বাঙালির প্রিয় আড্ডায় অনেক কিছুই আলোচনার বস্তু

The post ৭ টি বিষয় যা কাউকে বলা উচিত না appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
3 Minute Read

আমরা অনেক মানুষের সঙ্গে মিশে থাকি, নানা প্রয়োজনে অনেক কথা বলে থাকি। আর বাঙালির প্রিয় আড্ডায় অনেক কিছুই আলোচনার বস্তু হয়ে ওঠে। তাই এমন গুরুত্বপূর্ণ ৭ টি বিষয় আলোচনা করা হল যা খুব কাছের মানুষ ছাড়া অপরের কাছে শেয়ার করা উচিত নয়।

১. তোমার লক্ষ্য :-

তোমার গোল বা লক্ষ্য সবাইকে বলো না। এর পেছনে বৈজ্ঞানিক কারণ রয়েছে। একটি গবেষণায় উঠে এসেছে যে কোনো গোল এ পৌঁছানোর পর ‘Endorphins’ নামক হরমোন ক্ষরিত হয়। একে ‘Happines’ হরমোনও বলা হয়। কাউকে নিজের গোল এর ব্যাপারে বললে সেই ‘Endorphins’ হরমোন এর ক্ষরণ ঘটে আর ‘Happy feelings’ আসে। ফলে গোল বা লক্ষ্য পূরণের তাগিদ ভেতর থেকে কমে আসে। তাছাড়া নিজের লক্ষ্য অন্যদের বললে তারা তোমায় নেতিবাচক ভাবনার দ্বারা হতাশ করেও তুলতে পারে।

২. ব্যক্তিগত জীবনদর্শন :-

প্রত্যেক ব্যক্তির নিজস্ব ধর্ম, জীবনদর্শন থাকে। সে বিষয়ে বাইরের কারও সঙ্গে আলোচনা করতে নেই। তার কারণ হল তোমার ব্যক্তিগত জীবন ভাবনা সম্পূর্ণ তোমার নিজস্ব বিষয়। অন্য কেউ তোমার মতো করে ভাবুক এটা কখনোই প্রত্যাশা করা উচিত নয়। কেননা তাদেরও নিজস্ব ভাবনা রয়েছে। সেটা তোমার সঙ্গে না মেলার সম্ভাবনাই বেশি। কাজেই তোমার ব্যক্তিগত ভাবনা অন্যদের শেয়ার করলে দুটি প্রত্যক্ষ সমস্যা আসতে পারে-

(ক) তোমার ভাবনার জন্য অপদস্ত হতে পারো।

(খ) অনর্থক বিতর্কে জড়িয়ে যেতে পারো।

৩. কাউকে সাহায্য করার গল্প :-

হ্যাঁ আরেকটা বিষয় মনে রাখা উচিত যে তুমি কাউকে সাহায্য করেছো সেটা অন্যদের বলতে যাবে না। কারণ কাউকে সাহায্য করা তোমার মহত্ব বা উদারতা। কিন্তু অন্য কাউকে সেটা বললে সেটা তোমার অহংকার বা আত্মগরিমাই প্রকাশ পাবে। এক্ষেত্রে সামনের জনও তোমায় ঈর্ষা করবে। এমনও হতে পারে সে প্রয়োজন না হলেও তোমাকে ঐরকম সাহায্যের আদেশ দিয়ে বসবে। তুমি কাউকে সাহায্য করলে তোমার কৃতিত্ব এমনই প্রকাশ পাবে, তা কখনো বলে বেড়াতে যেও না। এতে তোমার ব্যক্তিত্ব বজায় থাকবে নিশ্চিত।

জেনে রাখুন : সকালের 6টি অভ্যাস যা তোমার জীবন বদলে দেবে

৪. ব্যক্তিগত সম্পত্তি :-

আমি একটা গাড়ি কিনলাম, ফ্ল্যাট কিনলাম, কিংবা একটি দামি ক্যামেরা কিনলাম জানিস ? এ ধরণের কথা অহংকারকেই প্রকাশ করে। মনে রাখবে তোমার সম্পত্তি তোমার ব্যক্তিগত, তার সুবিধা তুমিই ভোগ করবে। অন্যদের সে বিষয়ে বললে সে জেলাসি ফিল করবে। সম্পত্তি লোক দেখানোর জন্য নয়- নিজের ভোগের জন্য। সম্পত্তি নিয়ে অন্যদের বললে ক্ষতি ছাড়া কখনোই লাভ হয় না। জেনে শুনে কেন নিজের ক্ষতি করবে বা শত্রু বৃদ্ধি করবে।

৫. পারিবারিক সমস্যা :-

প্রত্যেকটি পরিবারেই কোন না কোন ড্রামা থাকে। সহজ ভাষায় বলতে গেলে পরিবারই হল জীবন সমস্যার আঁতুড়ঘর। তুমি নিজের পারিবারিক সমস্যার কথা কখনোই অন্যদের বলতে যেও না। মনে রাখবে এই সমস্যার গল্পই অন্যদের গসিপের বিষয় হয়ে উঠবে। পরে বাকি লোকদের সঙ্গে মিশতে গেলেও দেখবে তারা তোমাকে ঐ পারিবারিক সমস্যার নিরিখে কথা বলবে ও তোমার মূল্যায়ন করবে। ভালো ভেবে হয়তো কাউকে পরিবারের সমস্যার বিষয়ে বলেছো- একসময় সেটা বুমেরাংও হয়ে উঠতে পারে।

৫. অপরের গোপন তথ্য :-

অপরের গোপন তথ্য নিয়ে কখনো গসিপে অংশ নেবে না। এতে তোমার চরিত্রের অবক্ষয়ই ঘটতে থাকবে। আর কেউ যদি তোমাকে তার গোপন কথা বলে সেটা অন্যদের বলে দিলে বিশ্বাস ভঙ্গের অপরাধ ঘটতে পারে। আর যার গোপন কথা বলছো সে অন্যদের কাছে হাসির খোরাক হয়ে উঠবে- যার জন্য তুমি দায়ী হয়ে পড়বে। তাই অপরের গোপন তথ্য কখনোই অন্য কাউকে বলতে যাবে না।

৭. অপ্রিয় অতীত :-

প্রত্যেকেরই জীবনের অতীত রয়েছে। অনেকেই দেখবে অতীতচারী। তারা অতীতের ঘটনা আর ভুলগুলি আলোচনা করে আর আপসোস করে। তুমি অতীত থেকে শিক্ষা নেবে- অতীতকে নেবে না। অপ্রিয় কোন অতীত যা নিজের বা আর কারও যাই হোক না কেন – সে বিষয়ে কারো সাঙ্গে আলোচনা করতে যেও না। কারো অপ্রিয় অতীতকে স্মরণ করিয়ে দিলে তার দুঃখ-কষ্টকে উসকে দেওয়া হয়। শুধু অপরের নয় নিজেরও অপ্রিয় অতীত থাকতে পারে। অবশ্যই মনে রাখবে নিজের বা অপরের অপ্রিয় অতীতকে উসকে খুঁচিয়ে ঘা করার মতো ব্যক্তিত্বের অধিকারী তুমি নও- আর কখনোই তা করতে যেও না।

তাহলে বন্ধুরা নিশ্চয়ই বুঝে গেছো যে, সাতটি বিষয় যা অন্যদের বললে ক্ষতি ছাড়া কখনোই লাভ হয় না। এগুলি মনে রেখে চলতে পারলেই তুমি হয়ে উঠবে অনন্য ব্যক্তিত্বের অধিকারী। লেখাটি ভালো লাগলে বন্ধুদের শেয়ার করো আর আমাদের ফেসবুক পেজের সঙ্গে থেকো। আর খুব ভালো থেকো।

This Article Is Written By Kishore Majumder

The post ৭ টি বিষয় যা কাউকে বলা উচিত না appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/7-things-never-share-with-anyone/feed/ 0
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সেরা 30টি উক্তি (উৎস সহ) https://preronajibon.com/rabindra-nath-tagore-quotes/ https://preronajibon.com/rabindra-nath-tagore-quotes/#respond Tue, 27 Aug 2019 11:54:03 +0000 https://preronajibon.com/?p=775 5 Minute Read১. ” প্রেমের দ্বারা চেতনা যে পূর্ণশক্তি লাভ করে সেই পূর্ণতার দ্বারাই সে সীমার মধ্যে অসীমকে, রূপের মধ্যে অপরূপকে দেখতে

The post রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সেরা 30টি উক্তি (উৎস সহ) appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
5 Minute Read

১. ” প্রেমের দ্বারা চেতনা যে পূর্ণশক্তি লাভ করে সেই পূর্ণতার দ্বারাই সে সীমার মধ্যে অসীমকে, রূপের মধ্যে অপরূপকে দেখতে পায়— তাকে নূতন কোথাও যেতে হয় না । ” —– শান্তিনিকেতন ৮, ২৯

২” ভক্তের দাসত্বে স্বাধীনতা আছে , ভক্তের স্বাধীন দাসত্ব তেমনি প্রকৃত — প্রণয় স্বাধীন প্রণয়।” ——আদর্শ প্রেম – ১

৩. ” ফুল যে কেবল বনের মধ্যেই কাজ করছে তা নয়—মানুষের মনের মধ্যেও তার যেটুকু কাজ তা সে বরাবর করে আসছে । ” ——শান্তিনিকেতন ১১, ১৯

৪. ” আমি রূপে তোমায় ভোলাব না , ভালোবাসায় ভোলাব । / আমি হাত দিয়ে দ্বার খুলব না গো , গান দিয়ে দ্বার খোলাব / ভরাব না ভূষণভারে , সাজাব না ফুলের হারে – / প্রেমকে আমার মালা করে গলায় তোমার দোলাব ।
(প্রেম -৯০)

৫. ” মনুষ্যত্বের মূলে আর একটি প্রকাণ্ড দ্বন্দ্ব আছে ; তাকে বলা যেতে পারে প্রকৃতি এবং আত্মার দ্বন্দ্ব । স্বার্থের দিক এবং পরমার্থের দিক , বন্ধনের দিক এবং মুক্তির দিক , সীমার দিক এবং অনন্তের দিক– এই দুইকে মিলিয়ে চলতে হবে মানুষকে ।” ——শান্তিনিকেতন -১১

৬. ” মানুষের বিশ্বজয়ের এই একটা পালা বস্তুজগতে; ভাবের জগতে তার আছে আর-একটা পালা । ব্যাবহারিক বিজ্ঞানে একদিকে তার জয়স্তম্ভ, আর-একদিকে শিল্পে সাহিত্যে ।
—–সাহিত্যের তাৎপর্য

৭. ” প্রেম যাহা দান করে , সেই দান যতই কঠিন হয়, ততই তাহার সার্থকতার আনন্দ নিবিড় হয় ।
—- মনুষ্যত্ব

৮. ” স্বার্থ আমাদের যে-সব প্রয়াসের দিকে ঠেলে নিয়ে যায় তার মূল প্রেরণা দেখি জীবপ্রকৃতিতে; যা আমাদের ত্যাগের দিকে , তপস্যার দিকে নিয়ে যায় তাকেই বলি মনুষ্যত্ব , মানুষের ধর্ম ।
——মানুষের ধর্ম

৯. ” আপনাকে বৃহতে উপলব্ধি করাই সত্য , অহংসীমায় অবরূদ্ধ জানাই অসত্য। ব্যক্তিগত দুঃখ এই অসত্যে-। ” —– মানুষের ধর্ম-২

১০. ” মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে , মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই । এই সূর্যকরে এই পুষ্পিত কাননে জীবন্ত হৃদয় – মাঝে যদি স্থান পাই । ” —- প্রাণ/কড়ি ও কোমল

১১. ” যাহাকে তুমি ভালোবাস তাহাকে ফুল দাও , কাঁটা দিও না ; তোমার হৃদয়-সরোবরের পদ্ম দাও , পঙ্ক দিও না। ” —– মনের বাগানবাড়ি -১

১২. ” প্রেমের ধর্ম এই , সে ছোটোকেও বড়ো করিয়া লয়। আর , আড়ম্বর-প্রিয়তা বড়োকেও ছোটো করিয়া দেখে । এই নিমিত্ত প্রেমের হাতে কাজের আর অন্ত নাই , কিন্তু আড়ম্বরের হাতে কাজ থাকে না । প্রেম শিশুকেও অগ্রাহ্য করে না, বার্ধক্যকে উপেক্ষা করে না , আয়তন মাপিয়া সমাদরের মাত্রা স্থির করে না । ” —— হাতে কলমে -১

১৩. ” রমণীর প্রেমের মধ্যে পরিতৃপ্তি আছে , বিশ্বাস আছে , নিষ্ঠা আছে , কিন্তু পুরুষের প্রেমের মধ্যে যে একটি চির অতৃপ্তিপূর্ণ অনির্বচনীয় সুখ আছে তাহা বোধ করি খুব অল্প রমণী উপভোগ করিয়াছে । ” — স্ত্রী ও পুরুষের প্রেমে বিশেষত্ব

১৪. ” স্ত্রী-পুরুষগত প্রেমের ন্যায় প্রবল শক্তি আর কিছু আছে কি না সন্দেহ । এই শক্তি ষোলো আনা মাত্রায় সমাজের কাজে লাগাইলে মানবসভ্যতা অনেকটা বল পায়। এই শক্তি হইতে বঞ্চিত করিলে সমাজের একটি প্রধান বল অপহরণ করা হয় । ” ——- সমাজে স্ত্রী-পুরুষের প্রেমের প্রভাব ।

১৫. ” ভালোবাসা অর্থে আত্মসমর্পণ করা নহে , ভালোবাসা অর্থে ভাল বাসা , অর্থাৎ অন্যকে ভালো বাসস্থান দেওয়া, অন্যকে মনের সর্ব্বাপেক্ষা ভালো জায়গায় স্থাপন করা । ” ——মনের বাগানবাড়ি -২

১৬. ” মানুষের দেবতা মানুষের মনের মানুষ , জ্ঞানে কর্মে ভাবে যে পরিমাণে সত্য হই সেই পরিমাণেই সেই মনের মানুষকে পাই –অন্তরে বিকার ঘটলে সেই আমার আপন মনের মানুষকে মনের মধ্যে দেখতে পাই নে । মানুষের যত-কিছু দুর্গতি আছে সেই আপন মনের মানুষকে হারিয়ে, তাকে বাইরের উপকরণে খুঁজতে গিয়ে , অর্থাৎ আপনাকেই পর করে দিয়েছে । ” ——- মানুষের ধর্ম ১/১১

১৭. ” মানুষের প্রতি বিশ্বাস হারানো পাপ , সে বিশ্বাস শেষ পর্যন্ত রক্ষা করব । আশা করব, মহাপ্রলয়ের পরে বৈরাগ্যের মেঘমুক্ত আকাশে ইতিহাসের একটি নির্মল আত্মপ্রকাশ হয়তো আরম্ভ হবে এই পূর্বাচলের সূর্যোদয়ের দিগন্ত থেকে । আর-একদিন অপরাজিত মানুষ নিজের জয়যাত্রার অভিযানে সকল বাধা অতিক্রম করে অগ্রসর হবে তার মহৎ মর্যাদা ফিরে পাবার পথে । মনুষ্যত্বের অন্তহীন প্রতিকারহীন পরাভবকে চরম বলে বিশ্বাস করাকে আমি অপমান মনে করি । ” ——- সভ্যতার সংকট

১৮. ” যে পাখির ডানা সুন্দর ও কণ্ঠস্বর মধুর তাকে খাঁচায় বন্দী করে মানুষ গর্ব অনুভব করে; তার সৌন্দর্য সমস্ত অরণ্যভূমির , এ কথা সম্পত্তিলোলুপরা ভুলে যায় । মেয়েদের হৃদয়মাধুর্য ও সেবানৈপুণ্যকে পুরুষ সুদীর্ঘকাল আপন ব্যক্তিগত অধিকারের মধ্যে কড়া পাহারায় বেড়া দিয়ে রেখেছে। মেয়েদের নিজের স্বভাবেই বাঁধন-মানা প্রবণতা আছে , সেইজন্যে এটা সর্বত্রই এত সহজ হয়েছে । ” ——– নারী-২

১৯. ” শুধু বিধাতার সৃষ্টি নহ তুমি নারী—
পুরুষ গড়েছে তোরে সৌন্দর্য সঞ্চারি
আপন অন্তর হতে বসি কবিগণ
সোনার উপমাসূত্রে বুনিছে বসন ।
সঁপিয়া তোমার ’পরে নূতন মহিমা
অমর করিছে শিল্পী তোমার প্রতিমা ।
” —– মানসী

২০. ” প্রেম শান্তিরূপেও আসবে অশান্তিরূপেও আসবে, সুখ হয়েও আসবে দুঃখ হয়েও আসবে–সে যে-কোনো বেশেই আসুক তার মুখের দিকে চেয়ে যেন বলতে পারি তোমাকে চিনেছি , বন্ধু তোমাকে চিনেছি । ” ——- শান্তিনিকেতন -১

২১. ” সোনার চেয়ে আনন্দের দাম বেশি ; ….. প্রতাপের মধ্যে পূর্ণতা নেই , প্রেমের মধ্যেই পূর্ণতা । সেখানে মানুষকে দাস করে রাখবার প্রকাণ্ড আয়োজনে মানুষ নিজেকেই নিজে বন্দী করেছে । ” —— পশ্চিম-যাত্রীর ডায়ারি

২২. ” সহজ মানুষের সত্যটি সামাজিক মানুষের কুয়াশায় ঢেকে রেখে দেয় । অর্থাৎ আমরা নানা অবান্তর তথ্যের অস্বচ্ছতার মধ্যে বাস করি । শিশুর জীবনের যে সত্য তার সঙ্গে অবান্তরের মিশেল নেই । তাই, তার দিকে যখন চেয়ে দেখবার অবকাশ পাই তখন প্রাণলীলার প্রত্যক্ষ স্বরূপটি দেখি ; তাতে সংস্কারভারে পীড়িত চিন্তাক্লিষ্ট মন গভীর তৃপ্তি পায় ।” —— পশ্চিম-যাত্রীর ডায়ারি

২৩. ” সুন্দর আপনি সুন্দর এবং অন্যকে সুন্দর করে । কারণ , সৌন্দর্য্য হৃদয়ে প্রেম জাগ্রত করিয়া দেয় এবং প্রেমই মানুষকে সুন্দর করিয়া তোলে । ” —– সৌন্দর্য্য ও প্রেম

২৪. ” কবিদিগকে আর কিছুই করিতে হইবে না , তাঁহারা কেবল সৌন্দর্য্য ফুটাইতে থাকুন —জগতের সর্ব্ত্র যে সৌন্দর্য্য আছে তাহা তাঁহাদের হৃদয়ের আলোকে পরিস্ফুট ও উজ্জ্বল হইয়া আমাদের চোখে পড়িতে থাকুক , তবেই আমাদের প্রেম জাগিয়া উঠিবে, প্রেম বিশ্বব্যাপী হইয়া পড়িবে । ” —- কবিতা ও তত্ত্ব

২৫. ” জ্ঞানে প্রেমে অনেক প্রভেদ । জ্ঞানে আমাদের ক্ষমতা বাড়ে , প্রেমে আমাদের অধিকার বাড়ে । জ্ঞান শরীরের মত , প্রেম মনের মত । জ্ঞান কুস্তি করিয়া জয়ী হয় , প্রেম সৌন্দর্য্যের দ্বারা জয়ী হয় । জ্ঞানের দ্বারা জানা যায় মাত্র , প্রেমের দ্বারা পাওয়া যায় । জ্ঞানেতেই বৃদ্ধ করিয়া দেয় , প্রেমেতেই যৌবন জিয়াইয়া রাখে । জ্ঞানের অধিকার যাহার উপরে তাহা চঞ্চল , প্রেমের অধিকার যাহার উপরে তাহা ধ্রুব । জ্ঞানীর সুখ আত্মগৌরব-নামক ক্ষমতার সুখ , প্রেমিকের সুখ আত্মবিসর্জ্জন-নামক স্বাধীনতার সুখ । ” ——- জ্ঞান ও প্রেম

২৬. ” পৃথিবীর চারি দিকে দেয়াল , সৌন্দর্য্য তাহার বাতায়ন । পৃথিবীর আর সকলই তাহাদের নিজ নিজ দেহ লইয়া আমাদের চোখের সম্মুখে আড়াল করিয়া দাঁড়ায় , সৌন্দর্য্য তাহা করে না —সৌন্দর্য্যের ভিতর দিয়া আমরা অনন্ত রঙ্গভূমি দেখিতে পাই । ” —— মর্ত্যের বাতায়ন

২৭. ” ছেলে যদি মানুষ করিতে চাই , তবে ছেলেবেলা হইতেই তাহাকে মানুষ করিতে আরম্ভ করিতে হইবে , নতুবা সে ছেলেই থাকিবে , মানুষ হইবে না । শিশুকাল হইতেই কেবল স্মরণশক্তির উপর সমস্ত ভর না দিয়া সঙ্গে সঙ্গে যথা পরিমাণে চিন্তাশক্তি ও কল্পনাশক্তির স্বাধীন পরিচালনার অবসর দিতে হইবে । ” —— শিক্ষার হেরফের

২৮. ” তোর আপন জনে ছাড়বে তোরে ,
তা ব’লে ভাবনা করা চলবে না ।
ও তোর আশালতা পড়বে ছিঁড়ে ,
হয়তো রে ফল ফলবে না ।
আসবে পথে আঁধার নেমে , তাই ব’লেই কি রইবি থেমে–
ও তুই বারে বারে জ্বালবি বাতি ,
হয়তো বাতি জ্বলবে না ।
” —– গান

২৯. ” আগুনকে যে ভয় করে সে আগুনকে ব্যবহার করতে পারে না । ” —— চার অধ্যায়

৩০. ” পৃথিবীতে সকলের চেয়ে বড়ো জিনিস আমরা যাহা কিছু পাই তাহা বিনামূল্যেই পাইয়া থাকি , তাহার জন্য দরদস্তুর করিতে হয় না । মূল্য চুকাইতে হয় না বলিয়াই জিনিসটা যে কত বড়ো তাহা আমরা সম্পূর্ণ বুঝিতেই পারি না ।” ———- পরিচয়/ ভগিনী নিবেদিতা

The post রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সেরা 30টি উক্তি (উৎস সহ) appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/rabindra-nath-tagore-quotes/feed/ 0
The Miracle Morning | সকালের 6টি অভ্যাস যা তোমার জীবন বদলে দেবে https://preronajibon.com/the-miracle-morning-6-morning-habits-that-will-change-your-life/ https://preronajibon.com/the-miracle-morning-6-morning-habits-that-will-change-your-life/#comments Fri, 03 May 2019 16:47:36 +0000 https://preronajibon.com/?p=533 5 Minute Readবন্ধুরা আজ তোমাদের এমন একটি বিষয় বলবো যা তোমাদের জীবন-ভাবনাকে আমূল বদলে ফেলবে । সবার আগে এমন একজন মানুষের কথা

The post The Miracle Morning | সকালের 6টি অভ্যাস যা তোমার জীবন বদলে দেবে appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
5 Minute Read

বন্ধুরা আজ তোমাদের এমন একটি বিষয় বলবো যা তোমাদের জীবন-ভাবনাকে আমূল বদলে ফেলবে ।
সবার আগে এমন একজন মানুষের কথা বলি যিনি মৃত্যুকে জয় করে আজ বিশ্বে একজন বিখ্যাত লেখক, আল্ট্রা ম্যারাথন দৌড়বিদ , মোটিভেশনাল স্পিকার এবং একজন অর্থবান সুখী মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন । তিনি হলেন Hal Elrod . তিনি তার জীবনের সাফল্যের মূল সূত্রটিকে একটি বইতে সকলের জন্য তুলে ধরেছেন , যা পড়ে আজ বিশ্বের লক্ষ লক্ষ মানুষ উপকৃত । বইটির পুরো নাম :

Miracle Morning
6 Morning habits that will transform your life before 8 a.m .

Miracle Morning Book Overview in Bengali

বইটি লেখার পেছনে যে সব কারণ রয়েছে , সেসব তিনি বইতেই ব্যক্ত করেছেন । তিনি ১৯৯৯ সালে একটি গাড়ি দুর্ঘটনায় পড়েন । ভয়ঙ্করভাবে তিনি যখম হন । ডাক্তার তাকে মৃত ব’লে ঘোষণা করেছিলেন । মৃত ঘোষণার ছয় মিনিট পর সাত মিনিটের মাথায় তার হৃৎপিন্ড সচল হয়ে যায় । তার শরীরের ১১টি হাড় ভেঙে গিয়েছিল । বেঁচে ওঠার পর এবার ডাক্তার বলে দিয়েছিলেন যে , বেঁচে থাকলেও তিনি জীবনে আর কখনো উঠে দাঁড়াতে বা নিজের পায়ে চলতে পারবেন না । এর পরেরটা ইতিহাস । এটাই বাস্তব যে দু বছরের মধ্যেই তিনি শুধু উঠেই দাঁড়ালেন না । হয়ে ওঠেন আল্ট্রা ম্যারাথন দৌড়বিদ , আজকের বিখ্যাত লেখক , মোটিভেশনাল স্পিকার , একজন বেস্ট সেলার বইয়ের লেখক । তিনি তাঁর এই সাফল্যের মূল কারণ হিসেবে সকালবেলার 6টি অভ্যাসের কথা বলেছেন ।

তাহলে এসো বন্ধুরা জেনে নিই , এই বইটা হাল কোন কোন 6টি অভ্যাসের কথা বলেছেন । এই 6টি বিষয় মনে রাখার জন্য হাল একটি অ্যাক্রোনিম ব্যবহার করেন , তা হলো S. A. V. E. R. S

এরমধ্যে থাকা এই 6টি অক্ষরের পুরো কথাগুলি হলো :

S = SILENCE
A= AFFIRMATION
V= VISUALIZATION
E= EXERCISE
R= READING
S= SCRIBING

এবার এসো সকালের এই 6টি অভ্যাস কী, কেন এবং কীভাবে সকালকে অলৌকিক সকালে পরিণত করে তা বিস্তারিত জেনে নিই ।

(1) SILENCE :

HAL ELROD বলেন সকালে উঠে সবার আগে যা করতে হবে তা হল Silence Mode এ যাওয়া ।প্রার্থনা বা প্রেয়ার, যোগা , মেডিটেশন- এর মাধ্যমে আমাদের মস্তিষ্কে একটি এমন সুস্থির অবস্থার সৃষ্টি হয় , যাতে কাজ গুলি সঠিকভাবে করার একাগ্রতা অর্জিত হয় । তিনি আগে মনে করতেন যে এই মেডিটেশন বা প্রেয়ার বুঝি ধর্মীয় ব্যাপার কিন্তু অনেক পড়াশুনা করে ও বিশ্বের সফল ব্যক্তিদের অনুসরণ করে হাল বুঝলেন যে , এটি এমন এক মস্তিষ্কের ব্যায়াম যা মানুষকে সফল হবার কার্য-ক্ষমতা দান করে থাকে । আর তাই সফল ব্যক্তিরা আজ এতটা সফল ।

(2)AFFIRMATION :

Affirmation বলতে হাল বুঝিয়েছেন নিজের সঙ্গে কথা বলা । একটি নির্জন স্থানে বা ঘরে নিজের সঙ্গে তিনি কথা বলতে বলেছেন বইটিতে । বিষয়টি সহজ করে বলা যায় সকালে তুমি নিজেকে জিজ্ঞেস করো যে নিজেকে তুমি কেমন স্থানে দেখতে চাও । এবং সেটা কেন চাও । আর সেইসঙ্গে নিজেকে প্রশ্ন করো যে , ওই স্থানে পৌঁছতে তুমি কি কি পদক্ষেপ নিতে পারো । বা তার জন্য তুমি কতটা ত্যাগ করতে পারবে । নিজের কথা বলার এই অভ্যাসটিই বদলে দেবে তোমার সমস্ত ধারণা , কর্মক্ষমতা ও সিদ্ধান্ত নেবার পদ্ধতি ।

(3) VISUALIZATION :

Affirmation এর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে যে কাজটি সেটা হল ভিজুয়ালাইজেশন । ভিজুয়ালাইজেশন বলতে লেখক যা বুঝিয়েছেন তা হল , তুমি যা হতে বা করতে চাইছ কল্পনায় সেটাে দেখার চেষ্টা করো । উদাহরণ হিসেবে ধরো তুমি ভালো বেহালাবাদক হতে চাও । তবে তুমি কল্পনা করো বেহালা ছুঁয়ে দেখছো বা বাজাচ্ছ কিংবা তুমি অনেক ভালো পারফর্ম করছো । যে লক্ষ্যের দিকে এগোচ্ছ তাকে কল্পনার চোখে রোজ সকালেই দেখার চেষ্টা করো । এটা হল তোমার লক্ষ্যে পৌঁছানোর সিঁড়ি ।

(4) EXERCISE :

সফল ব্যক্তিদের সকালের অভ্যাসগুলি পর্যবেক্ষণ করে হাল দেখেন যে , সকালে কিছুক্ষণ শরীর চর্চা করা হলে, শরীরের প্রতিটি অঙ্গের সক্ষমতা যেমন বাড়ে তেমনি মস্তিষ্কে বেশি পরিমাণে অক্সিজেন সরবরাহের ফলে ক্লান্তিহীন ও সুন্দরভাবে কাজ করার জন্য মস্তিষ্ককে তৈরি করে দেয় । যা বাকি সারাদিনটাকেই বদলে দেয় । হাল কিন্তু শরীরচর্চার জন্য কোন জিমে যেতে বলেননি । খালি হাতেই সেসব এক্সারসাইজ করা যায় , সেগুলি করলেই হবে ।

(5) READING :

হাল আরেকটি সুন্দর অভ্যাসের কথা বলেন তা হল –বই পড়া । প্রতিদিন কমপক্ষে 10 পৃষ্ঠা বই পড়ার কথা তিনি বলেছেন । আর তা সকালেই পড়তে হবে । ভেবে দেখো প্রতিদিন 10 পৃষ্ঠা করে পড়লে এক বছরে 3650 পৃষ্ঠা পড়া হবে — যা প্রায় 18 -20টি বইয়ের সমান । সকালে ঘুম থেকে উঠেই মানুষ সাধারণত খবরের কাগজ পড়ে অথবা মোবাইলে , সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যস্ত হয়ে পড়ে , কিন্তু বিশ্বের কোন সফল ব্যক্তি তা করেন না । তবে মনে রাখতে হবে , সকালে পড়ার জন্য অবশ্যই কোনো ভালো শিক্ষামূলক বই বাছাই করতে হবে : আমার পছন্দের তালিকা থেকে সেরকম কিছু বইয়ের নাম তোমাদের জন্য দিয়ে দিলাম ।

“THE MIRACLE MORNING” — HAL ELROD

“THE 5AM CLUB ” — ROBIN SHARMA

“THE MAGIC OF THINKING BIG”— DAVID J. SCHWARTZ

“THE 5 SECOND RULE”— MEL ROBBINS

“THE POWER OF POSITIVE THINKING”— NORMAN VINCENT PEALE

“THE POWER OF HABIT”— CHARLES DUHIGG

(6) SCRIBING :

সবার শেষে হাল যে অভ্যাসটির কথা লিখেছেন তা হলো Scribing বা Writing অর্থাৎ লেখা । কথা হল কি লিখবো ? কেন লিখবো ? হাল এই বিষয়েও একটু ব্যাখ্যা দিয়ে বইটিতে বোঝানোর চেষ্টা করেন । তাঁর মত অনুসারে , লেখার জন্য দুটো পর্যায় ভাগ করে নিতে পারো যেমন প্রথম পর্যায়ে , তুমি জীবনে কী কী শিখেছো , কী কী করেছো , এতদিন যা যা অর্জন করেছো , আর তোমার মধ্যে কী কী বিশেষ ক্ষমতা আছে ইত্যাদি । আর দ্বিতীয় পর্যায়ে লেখো কী কী করতে চাও । আর লক্ষ্যে পৌঁছতে হলে কী কী করতে হবে । আর তার জন্য কী কী পদক্ষেপ নিতে তুমি পারো ।

মনে রেখো , হাল কিন্তু বলেছেন সকাল আটটার মধ্যেই এই কাজ গুলির অভ্যাস করতে হবে এই কাজগুলি করার ক্ষেত্রে যেটা সবচেয়ে বড় বাধা তা হল দেরি করে ঘুম থেকে ওঠা । দেরি করে ঘুম থেকে ওঠার অলসতাকে অবশ্যই ত্যাগ করতে হবে । সকাল আটটার মধ্যেই এই কাজগুলি করার জন্যই তিনি বইটির পুরো নাম রেখেছেন —

– “6 Habits that transform your life before 8 a.m

হাল 30 দিনের একটি অভ্যাস গঠন করার উদাহরণ দেন , তা হলো , একজন ভালো বন্ধু জোগাড় করো যে তোমার সঙ্গে এই কাজগুলি নিজেও করবে । তোমাদের আলোচনায় এই অভ্যাসগুলো আলোচনার বিষয় হিসেবে উঠে আসবে । তাহলে আর বোর লাগবে না, বরং আগ্রহ বাড়তে থাকবে । 30 দিনের মধ্যে তিনি বলেন প্রথম 10 দিন খুব কষ্টকর মনে হবে কিন্তু পরের দশ দিন সাধারণ বা কিছুটা সহজ মনে হবে । আর শেষের দশ দিন ভালো লাগতে শুরু করবে । আর এই ভাবেই গড়ে তুলতে হবে রোজ সকালের 6 টি অভ্যাস যা তোমার জীবন বদলে সাফল্যের পথে এগোতে সাহায্য করবে । সকালের এই অভ্যাস দ্বারাই জীবনে Miracle ঘটে যায় বলেই এই অভ্যাসের নাম দেওয়া হয় Miracle Morning habits

বন্ধুরা , আশা করি এই লেখাটি পড়ে তুমি জীবনে বড় একটা পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে । আমাদের ফেসবুক পেজ এ চলে এসো । খুব ভালো থাকবে । সঙ্গে আমরাও আছি , বুঝলে ।

This Article Is Written By

Kishore Majumder
Editor & Writer

Kishore Majumder is the editor and writer of preronajibon. He is a teacher, poet and songwriter of bengali culture. He is also well-known as a youtuber and reciter of bengali poetry . He likes to inspire others to live a better life.

The post The Miracle Morning | সকালের 6টি অভ্যাস যা তোমার জীবন বদলে দেবে appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/the-miracle-morning-6-morning-habits-that-will-change-your-life/feed/ 1