<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Student Zone Archives - প্রেরণাজীবন</title>
	<atom:link href="https://preronajibon.com/category/student-zone/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://preronajibon.com/category/student-zone/</link>
	<description>PreronaJibon</description>
	<lastBuildDate>Mon, 19 Aug 2019 11:06:56 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2018/12/cropped-Favicn-32x32.png</url>
	<title>Student Zone Archives - প্রেরণাজীবন</title>
	<link>https://preronajibon.com/category/student-zone/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>কাজী নজরুল ইসলাম &#8211; একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও সংগীতকার</title>
		<link>https://preronajibon.com/kazi-najrul-islam-lifestory/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/kazi-najrul-islam-lifestory/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 19 Aug 2019 11:06:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Student Zone]]></category>
		<category><![CDATA[bengali essey]]></category>
		<category><![CDATA[কাজী নজরুল ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[কাজী নজরুল ইসলামের জীবনী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=767</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 3</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>কাজী নজরুল ইসলাম &#8211; এক বিস্ময়কর প্রতিভা কাজী নজরুল ইসলাম একাধারে ছিলেন অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও দার্শনিক;</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/kazi-najrul-islam-lifestory/">কাজী নজরুল ইসলাম &#8211; একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও সংগীতকার</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 3</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p style="text-align:center"><strong><span style="text-decoration: underline;">কাজী নজরুল ইসলাম &#8211; এক বিস্ময়কর প্রতিভা </span></strong></p>



<p>কাজী নজরুল ইসলাম একাধারে ছিলেন অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও দার্শনিক; যিনি বাংলা সাহিত্যে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। তিনি বাংলা সাহিত্যে, সংস্কৃতির ক্ষেত্রে অন্যতম শ্রেষ্ঠ  ব্যাক্তিত্ব হিসেবে বিখ্যাত। তিনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি ছিলেন। তাঁর কবিতা ও গান পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ দুই বাংলাতেই সমাদৃত। তাঁর কবিতায় বিদ্রোহীতার পরিচয় থাকায় তিনি &#8220;বিদ্রোহী&#8221; কবি নামে আখ্যায়িত।</p>



<p>এক দরিদ্র মুসলিম পরিবারে নজরুল -এর জন্মগ্রহণ হয়। তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা ছিল ধর্মীয়। এক মসজিদে মুয়াজ্জিন হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। বিভিন্ন থিয়েটার দলের সাথে কাজ করতে গিয়ে তিনি নাটক, কবিতা এবং সাহিত্য সম্মন্ধে জ্ঞান লাভ করেন। ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কাজ করার পর তিনি পেশা হিসাবে সাংবাদিকতাকে বেছে নেন। এসময় তিনি থাকতেন কোলকাতাতেই। এসময় তিনি প্রত্যক্ষ সংগ্রামে অবতীর্ণ হন ব্রিটিশ রাজ্যের বিরুদ্ধে। বিদ্রোহী এবং ভাগর গানের যত কবিতা; ধূমকেতুর মতো সাময়িকী প্রকাশ করেন। জেলে বন্দী হলে পরে লেখেন রাজবন্দীর জবানবন্দী, এই সবে সাম্রাজ্যবাদের বিরোধিতা ছিল সুস্পষ্ট। তাঁর সাহিত্যকর্মে ভালোবাসা, যুক্তি এবং বিদ্রোহ প্রাধান্য পেয়েছে। তিনি ধর্মীয় ভেদের বিরুদ্ধেও লিখেছেন। উপন্যাস, নাটক, ছোটোগল্প লিখলেও তিনি বিশেষত কবি হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। তিনি নতুন ধারার জন্ম দেন বাংলা কাব্যে। এটি হল গজল তথা ইসলামি সংগীত এর সাথে তিনি শ্যামা সংগীত ও হিন্দু ভক্তিগীতিও রচনা করেন। তিনি প্রায় ৩০০০ গান রচনা এবং অধিকাংশ গানে সুরারোপ করেছেন যেগুলো নজরুল গীতি নামে পরিচিত। মধ্য বয়সে তিনি আক্রান্ত হন পিকস ডিজিজে। বাংলাদেশ সরকারের আমন্ত্রণে তিনি সপরিবারে ঢাকা আসেন ১৯৭২ সালে। এখানেই তাঁকে মৃত্যুবরণ করতে হয়।</p>



<h3 class="wp-block-heading">জন্ম ও প্রাথমিক জীবন :-</h3>



<p> কাজী নজরুল ইসলাম ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। কাজী ফকির আহমেদের দ্বিতীয় স্ত্রী জাহেদা খাতুনের ষষ্ঠ সন্তান তিনি। তাঁর ডাক নাম ছিল &#8216;দুখুমিয়া&#8217;। গ্রামের মসজিদে মুয়াজ্জিনের কাজ করেন তিনি। ১৯০৮ সালে তাঁর পিতার মৃত্যু হয়, তখন তাঁর বয়স মাত্র ৯ বছর। বাবার মৃত্যুর পর অভাব অনটনের কারনে তাঁর শিক্ষা জীবন ব্যাহত হয়। নজরুল মক্তব থেকে নিন্ম মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে উক্ত মক্তবেই শুরু করেন শিক্ষকতা। হাজী পালোয়ানের কবরের সেবক এবং মসজিদের আথান দাতা হিসাবে কাজ শুরু করেন।</p>



<h3 class="wp-block-heading">সৈনিক জীবন:- </h3>



<p>১৯১৭ সালের শেষদিকে নজরুল যোগ দেন সেনাবাহিনীতে। প্রথমে কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামে এবং পরে নওশেয়ার থান প্রশিক্ষণের জন্য তিনি সেনাবাহিনীতে ছিলেন ১৯১৭ সালের শেষভাগ -১৯২০ খ্রিঃ পর্যন্ত। তিনি ৪৯ বেঙ্গল রেজিমেন্টের সাধারণ সৈনিক কর্পোয়াল থেকে কোয়ার্টার মাস্টার হাবিলদার পর্যন্ত হয়েছিলেন। সৈনিক থাকা অবস্থায় তিনি প্রথম অংশ নেন বিশ্বযুদ্ধে। ১৯২০ খ্রিস্টাব্দে যুদ্ধ শেষ হলে বেঙ্গল রেজিমেন্ট ভেঙ্গে দেওয়া হয়। এরপর তিনি সৈনিক জীবন ত্যাগ করে কলকাতায় ফিরে আসেন।</p>



<h3 class="wp-block-heading">কাজী নজরুল ইসলামের কৃতিত্ত্ব :-</h3>



<p>কাজী নজরুল ইসলাম অসংখ্য কবিতা ও গান রচনা করে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল- অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশী, সাম্যবাদী, সর্বহারা, ইত্যাদি। অন্যদিকে উপন্যাস, ছোটোগল্প ও প্রবন্ধ রচনায়ও তাঁর কৃতিত্ব কম নয়। তাঁর লেখা বাঁধনহারা, মৃত্যুক্ষুধা, ব্যাথার দান, রিক্তের বেদন প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। অপর দিকে নজরুল ছিলেন বাংলা গজল গানের স্রষ্টা।<br> অগ্নিবীণা কাব্যের কয়েকটি বিখ্যাত কবিতা হল &#8212;<br> &#8220;প্রলয়োল্লাস&#8221; , &#8216; আগমনী&#8217; , &#8216; খেয়াপারের তরণী &#8216; , &#8216; শাত-ইল্-আরব &#8216; , &#8216; বিদ্রোহী &#8216;, &#8216;কামাল পাশা &#8216; ইত্যাদি। <br> সাম্যবাদী কাব্যের &#8220;নারী&#8221; কবিতায় নারী-পুরুষের সময়ের মূল মন্ত্রটি ধ্বনিত হয়েছে : </p>



<blockquote class="wp-block-quote is-layout-flow wp-block-quote-is-layout-flow"><p>বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর <br>অর্ধেক তার করিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর।</p></blockquote>



<p>যাবতীয় অন্যায় শোষণের বিরুদ্ধে তার তীব্র প্রতিবাদ &#8220;<strong>বিদ্রোহী</strong>&#8221; কবিতায় প্রকাশ পেয়েছে-</p>



<blockquote class="wp-block-quote is-layout-flow wp-block-quote-is-layout-flow"><p><br>     আমি চির বিদ্রোহী বীর                                                                                              বিশ্ব ছাড়ায়ে উঠিয়াছি একা চির উন্নত শির !</p></blockquote>



<p><br>  সংগীতের জগতে বাঙালির হৃদয়ের আসনে চিরস্থায়ী আসন নজরুলের । তাঁর গানগুলি নজরুলগীতি নামে অভিহিত । প্রেম , প্রকৃতি , পূজা , ভক্তিরস , বিদেশি সুর , গজল , রাগ , হাসি দেশাত্মবোধ , সম্প্রীতি সমস্ত বিষয়েই নজরুল ইসলাম গান রচনা করে মুগ্ধ করে রেখেছেন আপামর বাঙালিকে । &#8220;নয়ন ভরা জল গো তোমার&#8221; , &#8220;শুকনো পাতার নূপুর পায়ে&#8221; , &#8221; জাতের নামে বজ্জাতি সব &#8220;<br> &#8221; অরুনকান্তি কে গো যোগী &#8220;, &#8221; অঞ্জলি লহ মোর সঙ্গীতে &#8221; &#8220;গুল বাগিচায় বুলবুলি তুই&#8221;  ইত্যাদি আরো অনেক অমর গানগুলি সর্বদা হৃদয়ে বাজে ।</p>



<h3 class="wp-block-heading">অসুস্থতা :-  </h3>



<p>নজরুল বেতারে কাজ করেছিলেন , এমন সময় তিনি খুব অসুস্থ হয়ে পড়েন ১৯৪২ সালে। তাঁর অসুস্থতা সম্পর্কে ভালোভাবে জানা যায় ১৯৪২ সালের জুলাই মাসে। তার পরে তাঁকে মূলত হোমিওপ্যাথিক এবং আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা করা হয়। এতেও তেমন তিনি সুস্থ হয়ে উঠেননি। ১৯৪২ সালে তিনি হারিয়ে ফেলেন মানসিক ভারসাম্য। ১৯৫২ সালে রাঁচির এক মানসিক হাসপাতালে কবিকে এবং কবি পত্নীকে পাঠানো হয়। এরপর ১৯৫৩ সালের মে মাসে তাঁকে লন্ডনে পাঠানো হয়। লন্ডনে যাওয়ার পর বেশ কয়েকজন চিকিৎসক তাঁর চিকিৎসা শুরু করেন। রাসেল সেইনের মতে নজরুলের রোগটি ছিল দুরারোগ্য বলতে গেলে অসম্ভব ছিল আরোগ্য করা। ১৯৫৩ সালে ৯ ডিসেম্বর কবিকে পরীক্ষা করানো হয়। এর থেকে জানা যায় যে, কবি  পিকস ডিজিজ নামে একটি সমস্যায় ভুগছেন। শেষপর্যন্ত নজরুলকে ইউরোপ থেকে দেশে ফিরে আসতে হয়। </p>



<p style="text-align:center" class="has-text-color has-background has-vivid-red-color has-luminous-vivid-amber-background-color"><strong>আরও পড়ুন : <a href="https://preronajibon.com/begum-rokeya-biography-in-bangla/">বেগম রোকেয়া &#8211; নারীমুক্তি আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ</a></strong></p>



<h3 class="wp-block-heading">বাংলাদেশে আগমন ও প্রয়াণ:- </h3>



<p>১৯৭১ খ্রিঃ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বিজয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ নামে একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ১৯৭২ সালে ভারত সরকারের আদেশে নজরুলকে বাংলাদেশে আনা হয়। কবির বাকি জীবনটা বাংলাদেশেই কেটেছিল। এরপর যথেষ্ট চিকিৎসা সত্ত্বেও কবির কোন উন্নতি ঘটে নি। ১৯৭৪ সালে কবির সবচেয়ে ছোটো ছেলে কাজী অনিরুদ্ধ মৃত্যুবরণ করেন। ১৯৭৬ সালে তাঁর স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটতে শুরু করে । এরপর কবির মহাপ্রয়াণের পর দুই বাংলার মানুষ শোকস্তব্ধ ও মুহ্যমান হয়ে পড়ে । তিনি বাঙালি-হৃদয়ে চির ভাস্বর এক নক্ষত্র &#8212; কাজী নজরুল ইসলাম ।</p>



<p> লেখাটি ভালো লাগলে সকলের সাথে শেয়ার কর। এরকম লেখার আপডেট পেতে আমাদের <a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজের</a> সাথে যুক্ত থাকো। </p>


<div class="tmm tmm_haseena-parveen"><div class="tmm_1_columns tmm_wrap tmm_theme_f"><span class="tmm_two_containers_tablet"></span><div class="tmm_container"><div class="tmm_member" style="border-top:#333333 solid 5px;"><div class="tmm_photo tmm_pic_haseena-parveen_0" style="background: url(https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/08/Haseena-Parveen.jpeg); margin-left: auto; margin-right:auto; background-size:cover !important;"></div><div class="tmm_textblock"><div class="tmm_names"><span class="tmm_fname">হাসিনা</span> <span class="tmm_lname">পারভিন</span></div><div class="tmm_job">Contributor</div><div class="tmm_desc" style="text-align:center"><p style="text-align: center">পরিচয়- দ্বাদশ শ্রেণীতে পাঠরতা ছাত্রী।<br>ভালোলাগে - বই পড়তে, গান শিখতে, নাচ করতে।<br>ভবিষ্যতের স্বপ্ন - ক্ষুধার্ত মানুষের পাশে থাকতে, গরীব-দরিদ্র মানুষের হাতে হাত মেলাতে, সঠিক পথ দেখাতে, সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে থাকা।</p></div><div class="tmm_scblock"></div></div></div><div style="clear:both;"></div></div></div></div>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/kazi-najrul-islam-lifestory/">কাজী নজরুল ইসলাম &#8211; একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও সংগীতকার</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/kazi-najrul-islam-lifestory/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বেগম রোকেয়া : নারীমুক্তি আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ</title>
		<link>https://preronajibon.com/begum-rokeya-biography-in-bangla/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/begum-rokeya-biography-in-bangla/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 11 Aug 2019 05:14:21 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Student Zone]]></category>
		<category><![CDATA[begum rokeya biography]]></category>
		<category><![CDATA[জীবনী]]></category>
		<category><![CDATA[বেগম রোকেয়া]]></category>
		<category><![CDATA[রচনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=749</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 3</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন “এক ডানায় ভর করে পাখি উড়তে পারে না।” স্বামী বিবেকানন্দের এই উক্তি যে কতটা সত্য তার সর্বোৎকৃষ্ট</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/begum-rokeya-biography-in-bangla/">বেগম রোকেয়া : নারীমুক্তি আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 3</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p>স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন “<strong>এক ডানায় ভর করে পাখি উড়তে পারে না।</strong>” স্বামী বিবেকানন্দের এই উক্তি যে কতটা সত্য তার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হল- বেগম রোকেয়া। মুসলিম সমাজে নারীমুক্তি আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ ছিলেন বেগম রোকেয়া। ছেলেবেলা থেকেই তিনি রক্ষণশীল পরিবারে মুসলিম মেয়েদের পর্দার ঘেরাটোপের মধ্যে জীবন-যাপনের অসহনীয় কষ্টের সাথে পরিচিত ছিলেন। তিনি তাঁর লেখার মধ্যে দিয়ে আজীবন পর্দা প্রথা এবং মুসলমান নারী মহলের কষ্টের অনেক দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছেন। এছাড়া নারী শিক্ষার প্রসারের জন্য তিনি বিদ্যালয় স্থাপন করে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখেছেন।</p>



<p><strong>জন্ম ও বংশ পরিচয় :-</strong> এই মহীয়সী নারী বেগম রোকেয়া জন্ম গ্রহণ করেন বর্তমান বাংলাদেশের রংপুর জেলার উপজেলা মিঠাপুকুরের পায়রাবন্দ গ্রামে, ১৮৮০ খ্রীঃ। তাঁর পিতা ছিলেন জহিরুদ্দিন মহম্মদ আবু আলি সাবের এবং মাতা রাহাতুন্নেসা সাবেরা চৌধুরানী। রোকেয়ারা পাঁচ ভাই-বোন ছিলেন।</p>



<p><strong>তৎকালীন সমাজ :-</strong> বেগম রোকেয়ার পিতা ছিলেন আরবি, ফারসি, উর্দু, বাংলা, ইংরেজি প্রভৃতি ভাষায় পারদর্শী। তা সত্ত্বেও তিনি মেয়েদের শিক্ষার ব্যাপারে অত্যন্ত রক্ষণশীল ছিলেন। বেগম রোকেয়ার সমকালে পরপুরুষের কাছে মুসলিম নারীর মুখদর্শন ছিল সমাজ বিরুদ্ধ কাজ এবং পাপ। কাজেই অন্তঃপুরে চিকের অন্তরালে ও বাইরে বোরখার ঘেরাটোপে নিজেকে প্রায় সম্পূর্ণ ঢেকে ফেলতে হত। তিনি পাঁচ বছর বয়সে তাঁর মা রাহাতুন্নেসার সাথে কলকাতায় এসে একজন মেম শিক্ষিকার কাছে বিদ্যাচর্চার সুযোগ পান কিন্তু তৎকালীন সমাজ এবং তাঁর আত্মীয়-পরিজনদের ভ্রূকুটির  জন্য সেটিও বন্ধ করে দেওয়া হয়।</p>



<p><strong>শিক্ষা জীবন :- </strong>বাবার ভয়ে এবং সামাজিক কটুকথার ভয়ে তিনি বাড়ির বাইরে পা রাখতে পারেন নি। তবে তিনি তাঁর বড় দাদা ইব্রাহীম এবং দিদি করিমুন্নেসার প্রেরণা এবং সহযোগিতায় বাংলা ইংরেজি শিক্ষালাভ এবং সাহিত্যচর্চা করতে পেরেছিলেন। পরবর্তীতে তাঁর বিবাহের পর স্বামীর কাছেও তিনি ইংরেজি শেখেন।</p>



<p><strong>বিবাহিত জীবন :-</strong> ১৮৯৮ সালে মাত্র ১৬ বছর বয়সে বিহারের ভাগলপুর নিবাসী উর্দুভাষী সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন –এর সঙ্গে বেগম রোকেয়ার বিবাহ হয়। সাখাওয়াত হোসেন ছিলেন একজন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট। তদুপরি তিনি সমাজ সচেতন, কুসংস্কার মুক্ত ও প্রগতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি সম্পন্ন মানুষ ছিলেন। স্বামীর সহযোগিতায় ও আগ্রহে বেগম রোকেয়া দেশি-বিদেশি লেখকদের রচনার সঙ্গে নিবিড় ভাবে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পান। তিনি লেখাপড়ায় ও সাহিত্যচর্চায় নিজেকে আরও ব্যাপৃত করেন। বেগম রোকেয়া দুই কন্যার জননী ছিলেন। ইতিপূর্বে ১৯০৯ সালের ৩ মে সাখাওয়াত হোসেন মারা যান। বেগম রোকেয়া মাত্র ২৯ বছর বয়সে বিধবা হন।</p>



<p style="text-align:center" class="has-text-color has-background has-vivid-red-color has-luminous-vivid-amber-background-color"><strong><a href="https://preronajibon.com/life-story-and-famous-quotes-of-a-p-j-abdul-kalam/">জেনে রাখুন : ডঃ এ. পি. জে. আবদুল কালামের জীবন সংগ্রাম ও সফলতার কয়েকটি বাণী</a></strong></p>



<p><strong>সাহিত্যচর্চার সূচনা :-</strong> সাখাওয়াত হোসেনের অনুপ্রেরণায় তিনি ১৯০২ সালে ‘পিপাসা’ নামে একটি বাংলা গল্প লিখে সাহিত্য জগতের গন্ডিতে পা রাখেন। এরপর একে একে লিখে যান ‘মতিচূর’ –এর প্রবন্ধ গুলো এবং ‘সুলতানার স্বপ্ন’ –এর মতো নারীবাদী বিজ্ঞান কল্পকাহিনী।</p>



<p><strong>সাহিত্যকীর্তি :-</strong> বাংলা এবং ইংরেজি উভয় ভাষাতেই তিনি পারদর্শিতা হয়ে সাহিত্যচর্চা করেছিলেন। রোকেয়া তাঁর নারীবাদী চিন্তাধারার প্রকাশ ঘটিয়েছিলেন ‘মতিচূর’ (১৯০৪ খ্রীঃ প্রথম খণ্ড এবং ১৯২২ দ্বিতীয় খন্ডে), -এ। এছাড়াও তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকীর্তি এবং সৃজনশীল রচনার উদাহরণ হল- ‘সুলতানার স্বপ্ন’ (১৯০৫ খ্রীঃ), ‘পদ্মরাগ’ (১৯২৪ খ্রীঃ) ইত্যাদি। ইংরেজিতে লিখেছেন ‘Sultana’s Dream’। যাকে বিশ্বের মাইলফলক হিসেবে ধরা হয়। গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হওয়ার আগে তাঁর লেখাগুলি ‘নবনূর’, ‘সওগাত’ ইত্যাদি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল।</p>



<p><strong>সাহিত্য রচনার উদ্দেশ্য :- </strong>দেশের কল্যাণসাধন এবং নারী স্বাধীনতার মঙ্গলকার্যে রোকেয়া ছিলেন নিবেদিত প্রাণ। তাঁর প্রবন্ধ, গল্পের মধ্যে দিয়ে তিনি নারীশিক্ষার প্রয়োজনীয়তা আর লিঙ্গ সমতার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেছেন। হাস্যরস আর ব্যঙ্গ-বিদ্রূপের সাহায্যে পিতৃতান্ত্রিক সমাজে নারীর অবস্থান তিনি ফুটিয়ে তুলেছেন। তাঁর রচনার মাধ্যমে তিনি সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টির ব্যাপারে ও ধর্মের নামে নারীর প্রতি অবিচার রোধ করার চেষ্টা করেছেন। তিনি বলেছেন- “শিক্ষা আর পছন্দানুযায়ী পেশা নির্বাচনের সুযোগ ছাড়া নারী মুক্তি সম্ভব নয়।” রোকেয়া অলঙ্কারকে দাসত্বের প্রতীক বলেছেন এবং তিনি নারীদের অলঙ্কার ত্যাগ করে আত্মসম্মান বোধে উজ্জীবিত হয়ে আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক স্বাধীনতা অর্জনে সচেষ্ট হতে আহ্বান জানিয়েছেন।</p>



<p><strong>সাংগঠনিক কর্মকান্ড :- </strong>১৯০৯ সালের ১ অক্টোবর তিনি ভাগলপুরে স্বামীর প্রদত্ত অর্থে ‘সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল’ স্থাপন করেন। কিন্তু স্বামীর মৃত্যু ও পারিবারিক কারণে কলকাতায় চলে আসেন। কলকাতায় আসার পর ১৯১১ সালের ৫ মার্চ মাত্র ৮ জন ছাত্রী নিয়ে স্থাপন করেন ‘সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল’। বর্তমানে এই বিদ্যালয় পশ্চিমবঙ্গের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ বালিকা বিদ্যালয়। এরপর ১৯১৬ সালে তিনি ‘নিখিলবঙ্গ মহিলা সমিতি’ বা ‘আঞ্জুমন-ই খাওয়াতীনে ইসলাম’ নামে মহিলা সমিতি প্রতিষ্ঠা করেন।</p>



<p><strong>স্মৃতি ও সম্মাননা :- </strong>বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘রংপুর বিশ্ববিদ্যালয়’কে ‘নারী জাগরণের অগ্রদূত’ হিসেবে স্মরণে রেখে ‘বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়’ নাম দেন। এছাড়াও নারী সমাজে বিশেষ অবদানের জন্য তাঁকে চিরস্মরণীয় করে রাখার উদ্দেশ্যে ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে’র ছাত্রীদের আবাসনের নামকরণ করা হয় ‘রোকেয়া হল’।</p>



<p>১৯৩২ খ্রীঃ ৯ ডিসেম্বর বেগম রোকেয়ার জীবনাবসান হয়। মৃত্যুর পূর্ব সময়েও তিনি ‘নারীর অধিকার’ নামে প্রবন্ধাংশ লিখেছিলেন। তাঁর কবর উত্তর কলকাতার সোদপুরে অবস্থিত, যা পরবর্তীতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের অধ্যাপক অমলেন্দু আবিষ্কার করেন। মানব কল্যাণকর কাজ ও স্ত্রী শিক্ষা প্রসারের জন্য তিনি যে মহান কীর্তি রেখে গেছেন, তাতেই তিনি অমরত্ব অর্জন করেছেন। দেশবাসীর হৃদয়ে তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।</p>



<p>লেখাটি ভালো লাগলে সকলের সাথে শেয়ার কর। এরকম লেখার আপডেট পেতে আমাদের <a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজের</a> সাথে যুক্ত থাকো। </p>



<p style="text-align:center"><strong><span style="text-decoration: underline;">This Article Is Written By </span></strong></p>


<div class="tmm tmm_rahena-parveen"><div class="tmm_3_columns tmm_wrap tmm_theme_f"><span class="tmm_two_containers_tablet"></span><div class="tmm_container"><div class="tmm_member" style="border-top:#333333 solid 5px;"><div class="tmm_photo tmm_pic_rahena-parveen_0" style="background: url(https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/08/Rahena-Parveen.jpeg); margin-left: auto; margin-right:auto; background-size:cover !important;"></div><div class="tmm_textblock"><div class="tmm_names"><span class="tmm_fname">রাহেনা </span> <span class="tmm_lname">পারভীন </span></div><div class="tmm_desc" style="text-align:center"><p style="text-align: center">দ্বাদশ শ্রেণীতে পাঠরতা ছাত্রী<br>ভালো লাগে বই পড়তে , গান শুনতে , অভিনয় করতে ।<br>ভবিষ্যতে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর স্বপ্ন । পিছিয়ে-পড়া নারী সমাজের মধ্যে চেতনার জাগরণ ঘটতে দেখার বাসনা ।</p></div><div class="tmm_scblock"></div></div></div><div style="clear:both;"></div></div></div></div>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/begum-rokeya-biography-in-bangla/">বেগম রোকেয়া : নারীমুক্তি আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/begum-rokeya-biography-in-bangla/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>

<!--
Performance optimized by W3 Total Cache. Learn more: https://www.boldgrid.com/w3-total-cache/?utm_source=w3tc&utm_medium=footer_comment&utm_campaign=free_plugin

Page Caching using Disk: Enhanced 
Lazy Loading (feed)
Minified using Disk

Served from: preronajibon.com @ 2026-04-04 18:39:45 by W3 Total Cache
-->