<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>অনুপ্রেরণামূলক গল্প Archives - প্রেরণাজীবন</title>
	<atom:link href="https://preronajibon.com/tag/%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%A3%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%82%E0%A6%B2%E0%A6%95-%E0%A6%97%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://preronajibon.com/tag/অনুপ্রেরণামূলক-গল্প/</link>
	<description>PreronaJibon</description>
	<lastBuildDate>Thu, 19 Nov 2020 09:57:02 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2018/12/cropped-Favicn-32x32.png</url>
	<title>অনুপ্রেরণামূলক গল্প Archives - প্রেরণাজীবন</title>
	<link>https://preronajibon.com/tag/অনুপ্রেরণামূলক-গল্প/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>৩ টি শিক্ষণীয় গল্প যা জীবনে অনুপ্রেরণা জাগাবে। Bengali Motivational Stor</title>
		<link>https://preronajibon.com/bengali-motivational-story/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/bengali-motivational-story/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 19 Nov 2020 09:56:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[মোটিভেশন]]></category>
		<category><![CDATA[bengali motivational]]></category>
		<category><![CDATA[bengali motivational story]]></category>
		<category><![CDATA[অনুপ্রেরণামূলক গল্প]]></category>
		<category><![CDATA[জীবন বদলানোর গল্প]]></category>
		<category><![CDATA[প্রেরণামূলক গল্প]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলা মোটিভেশনাল গল্প]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষণীয় গল্প]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=1831</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 4</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>মনে আছে বিষ্ণু শর্মার কথা ? যিনি অবাধ্য রাজপুত্রদের শিক্ষার জন্য অসামান্য সব গল্প সৃষ্টি করেছিলেন । তিনি আসলে মানব</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/bengali-motivational-story/">৩ টি শিক্ষণীয় গল্প যা জীবনে অনুপ্রেরণা জাগাবে। Bengali Motivational Stor</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 4</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p>মনে আছে বিষ্ণু শর্মার কথা ? যিনি অবাধ্য রাজপুত্রদের শিক্ষার জন্য অসামান্য সব গল্প সৃষ্টি করেছিলেন । তিনি আসলে মানব মনের ভেতরে লুকিয়ে থাকা গল্পভুক এক কল্পনাশক্তিকে আবিষ্কার করেছিলেন । শুধুমাত্র গল্পের মাধ্যমেই রাজপুত্ররা নিজেদের ভুল বুঝতে পেরেছিলেন । আর তার ফলেই তারা তাদের জীবনকে বদলে সফল মানুষ হবার জন্য আগ্রহী হয়েছিলেন । এ কথা চিরন্তন সত্য যে , কিছু কিছু গল্প মানুষের জীবনে বিরাট পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে । আজ সেরকমই তিনটি জীবন বদলে দেবার মত বহু পরিচিত তিনটি গল্প ও সেগুলি থেকে যে শিক্ষা পাওয়া যায় , তা নীচে আলোচনা করা হল ।</p>



<h2 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#000000" class="tadv-color">প্রথম গল্প:-</span></strong></h2>



<p><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color"><strong>&#8220;The struggle of life is one of our greatest blessings. It makes us patient, sensitive, and Godlike. It teaches us that although the world is full of suffering, it is also full of the overcoming of it.&#8221; -Helen Keller</strong></span></p>



<p>জীবনবিজ্ঞানের এক শিক্ষক তার ছাত্রদের শেখাচ্ছিলেন, শুঁয়োপোকা প্রজাপতিতে কীভাবে রূপান্তরিত হয়। তিনি ছাত্রদের বললেন যে পরবর্তী দু&#8217;ঘন্টার মধ্যে শুঁয়োপোকা থেকে প্রজাপতি বেরিয়ে আসবে কিন্তু কেউ তাড়াহুড়ো করে প্রজাপতিকে গুটি থেকে বের করার চেষ্টা করবে না। এই বলে তিনি ক্লাস থেকে চলে গেলেন। ছাত্ররা গুটির দিকে তাকিয়ে অপেক্ষা করতে লাগলো। প্রজাপতি গুটি থেকে বের হওয়ার জন্য নড়েচড়ে চেষ্টা করেছিল। একটি ছাত্র দয়াপরবশে শিক্ষকের উপদেশ অমান্য করে গুটি ভেঙে প্রজাপতিকে বাইরে আসতে সাহায্য করল। ফলে প্রজাপতিকে বাইরে আসার জন্য আর বেশি চেষ্টা করতে হল না কিন্তু অল্প পরেই প্রজাপতিটি মারা গেল।</p>



<p>শিক্ষক ফিরে এলে অন্য ছাত্ররা ঘটনাটি তাকে জানল। তিনি ব্যাখ্যা করে বোঝালেন যে প্রজাপতিটিকে সাহায্য করতে গিয়ে ওই ছাত্রটি প্রজাপতিকে মেরে ফেলেছে। কারণ প্রাকৃতিক নিয়মে গুটি থেকে বেরনোর সময় তাকে যে সংগ্রাম করতে হয় তার ফলে প্রজাপতির ডানা দুটি বেড়ে ওঠে এবং শক্ত হয়। বালকটি প্রজাপ্রতিকে সংগ্রাম করতে না দিয়ে তাকে বাঁচবার শক্তি সংগ্রহ করতে দেয়নি। ফলে প্রজাপতিটি মারা গেল।</p>



<p><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color"><strong>গল্পটি থেকে আমরা যে শিক্ষা পাই :</strong>&#8211;</span></p>



<p><strong>১. জীবনযুদ্ধে লড়াই করার শিক্ষাই হচ্ছে জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা ।<br>২. নিজের জীবনী শক্তি নিজেকেই অর্জন করতে হয় ।<br>৩. কাউকে সাহায্য করা ভালো , কিন্তু সাহায্যের নামে তার আত্মশক্তিকে দুর্বল করা ভালো নয় । (প্রসঙ্গত বলে রাখি , অনেক বাবা মা অভিজ্ঞতার অভাবে , বেশি আদর দিয়ে সন্তানের এই আত্মশক্তিকেই দুর্বল করে ফেলেন ।)<br>৪. সময়ের সঠিক ব্যবহার , ধৈর্য আর প্রকৃতির উপর ভরসা রাখা প্রয়োজন ।</strong></p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>দ্বিতীয় গল্প:-</strong></h3>



<p><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color"><strong>&#8220;Never judge someone without knowing the whole story.You may think you understand, but you don&#8217;t.&#8221;</strong></span></p>



<p>একজন মহিলার একটি পোষা বেঁজি ছিল। বেঁজিটি খুব বিশ্বস্ত ছিলো। একদিন মহিলাটি তার শিশুকে বেঁজিটির তত্বাবধানে রেখে বাইরে গেল। মহিলাটি বাড়ি থেকে বের হওয়ার কিছুক্ষন পর একটি কিং কোবরা সাপ বাড়িতে ঢুকলো। শিশুটি সাপ দেখে ভয়ে কাঁদতে লাগলো। বেঁজিটি সাপটির উপর ঝাপিয়ে পড়লো। অনেকক্ষন লড়াই করার পর সাপটি মারা গেল। বেঁজিটি রক্তাক্ত মুখ নিয়ে বাড়ির গেটের সামনে মহিলাটির জন্য অপেক্ষা করতে লাগলো । যখন মহিলাটি বাড়িতে আসে তখন বেঁজিটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পেল। মহিলাটি ভাবলো বেঁজিটি হয়তো তার শিশুকে কামড়েছে। তিনি হাতের সামনে একটি জলের পাত্র দিয়ে আঘাত করে বেঁজিটিকে মেরে ফেললেন । কিন্তু তিনি যখন ভিতরে প্রবেশ করলেন তখন দেখতে পেলেন, শিশুটির পাঁশে একটি মৃত কিং কোবরা সাপ পড়ে আছে। তখন তিনি নিজের ভুল বুঝতে পারলেন। কিন্তু ততক্ষনে যা হবার হয়ে গেছে। মৃত বেঁজিটির জন্য চোখের জল ফেলা ছাড়া তার কিছুই করার ছিল না।</p>



<p><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">এই গল্পটির থেকে কী শিক্ষা পাই:-</span><br>১. আমরা অনেক সময় দ্রূত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি এবং ধারণার উপর কাজ করি, এটা করা ঠিক নয় ।<br>২. চোখে দেখা মাত্রই বা কারো মুখে শোনা মাত্রই কোনো বিরাট সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয় ।<br>৩. কাউকে চট করে বিশ্বাস বা অবিশ্বাস করতে নেই ।</strong></p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong>তৃতীয় গল্প:</strong></h3>



<p><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color"><strong>“The price of success is hard work, dedication to the job at hand, and the determination that whether we win or lose, we have applied the best of ourselves to the task at hand.”- Vince Lombardi</strong></span></p>



<p>একজন বয়স্ক রাজমিস্ত্রী তার কাজ থেকে অবসর নিতে চাইলো। তাই সে তার মালিকের কাছে গিয়ে বললো, ‘বস, আমি এই বাড়ি বানানোর কাজ থেকে অবসর নিয়ে আমার স্ত্রী ও ছেলেমেয়েদের সাথে সময় কাটাতে চাই।’<br>তার মালিক এতে কিছুটা দুঃখ পেল কারণ সে ছিলো সবচেয়ে দক্ষ ও কর্মঠ রাজমিস্ত্রী। সে বললো,‘ঠিক আছে, কিন্তু তুমি কি চলে যাওয়ার আগে আর একটি মাত্র বাড়ি বানাতে আমাদের সাহায্য করবে?’ বয়স্ক রাজমিস্ত্রী এই প্রস্তাবে সানন্দে রাজী হয়ে গেল। কিন্তু কাজ শুরু করার পর দেখা গেল তার মন সেখানে ছিল না এবং সে সবসময় তার অবসরের কথা ভেবে অন্যমনস্ক থাকতো। সবসময় সে বাড়ির চিন্তা করতো। তাই এর আগে যত কাজ সে করেছিলো এই কাজটাই তার করা সবচেয়ে খারাপ কাজ হয়ে গেল।<br>যখন সে বাড়িটি তৈরী করা শেষ করলো তখন তার মালিক বাড়িটি দেখতে এলো এবং বৃদ্ধের হাতে বাড়ির চাবি দিয়ে বললো, ‘এটা এখন থেকে তোমার বাড়ি, তোমার প্রতি আমার উপহার।’<br>এই কথা শুনে বৃ্দ্ধ আফসোস করে উঠলো!<br>সে মনে মনে ভাবলো, ‘হায় হায়! যদি আমি শুধু একবার জানতাম যে আমি আমার নিজের বাড়ি তৈরী করছি! তাহলে এটা আমার জীবনে করা সবচেয়ে ভাল কাজ হতো!’</p>



<p>বাস্তবেও আমরা প্রতিটা দিন আমাদের জীবনকে এই বাড়ির মতই তৈরী করে চলেছি। কিন্তু আমরা প্রায়ই তা ভুলে যাই। আর তাই সব কাজে আমাদের ভালটার চেয়ে অনেক কম চেষ্টাটা করি, অনেক কম পরিশ্রমটা দেই। আমরা যদি আজ এই সত্যটা উপলব্ধি করতে পারি তবে আমরা হয়তো আমাদের সেরা পরিশ্রমটাই দিতে পারবো। আমরা আমাদের জীবনের ফেলে আসা দিনে ফিরে যেতে পারি না, আপনার জীবনের সেই রাজমিস্ত্রীটি আপনিই, যে প্রতিদিন ইট, কাঠ, পেরেক দিয়ে আপনার জীবনটাকে গড়ে তুলছেন। আপনার আজকের কাজ, চেষ্টা, পরিশ্রম আগামী দিনের সেই বাড়িটা তৈরী করবেন যেখানে আপনি থাকবেন। তাই আজই যত্নবান হোন!</p>



<p><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">গল্পটি থেকে আমরা কী শিখতে পারি :-</span></strong></p>



<p><strong><span style="color:#000000" class="tadv-color">১. ফাঁকি দিলে নিজেকেই ঠকানো হয় ।<br>২. কোনো কাজকেই ছোটো করে দেখা উচিত নয় ।<br>৩. সমস্ত কাজে ধৈর্য্য রাখা উচিত ।<br>৪. প্রতিটি কাজে নিজের সেরাটুকু দেওয়ার চেষ্টা করা উচিত ।<br>৫. মৃত্যু ছাড়া জীবনের কোনো অবসর নেই । তাই সক্ষম থাকা পর্যন্ত কাজ করে যাওয়া উচিত ।</span></strong></p>



<p>লেখাটি ভালো লেগে থাকলে আমাদের কমেন্টে জানাও। এই ধরনের আপডেট পেতে আমাদের <a href="https://www.facebook.com/preronajibon/" target="_blank" rel="noreferrer noopener">ফেসবুক পেজটিকে</a> ফলো করতে পারো।</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/bengali-motivational-story/">৩ টি শিক্ষণীয় গল্প যা জীবনে অনুপ্রেরণা জাগাবে। Bengali Motivational Stor</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/bengali-motivational-story/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>1</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ভয়ের থেকে মুক্তি পেতে করনীয় কিছু উপায়। Overcome Your Fear</title>
		<link>https://preronajibon.com/ways-to-overcome-your-fear/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/ways-to-overcome-your-fear/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 29 Jan 2020 17:31:11 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[মোটিভেশন]]></category>
		<category><![CDATA[bengali life tips]]></category>
		<category><![CDATA[bengali motivational]]></category>
		<category><![CDATA[অনুপ্রেরণামূলক গল্প]]></category>
		<category><![CDATA[ভয়ের থেকে মুক্তি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=1099</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 3</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>ভয় থেকে মুক্তির উপায় মানুষের এক বিশেষ অনুভূতি হলো ভয়। ভয় দু&#8217;রকমের হতে পারে &#8211; এক বাহ্যিক ভয়, দুই মানসিক</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/ways-to-overcome-your-fear/">ভয়ের থেকে মুক্তি পেতে করনীয় কিছু উপায়। Overcome Your Fear</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 3</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p class="has-text-color has-text-align-center has-medium-font-size has-vivid-red-color"><strong><mark>ভয় থেকে মুক্তির উপায়</mark></strong></p>



<p>মানুষের এক বিশেষ অনুভূতি হলো ভয়। ভয় দু&#8217;রকমের হতে পারে &#8211; এক বাহ্যিক ভয়, দুই মানসিক ভয়।  প্রথম ভয়ের উৎস হলো বাইরের কোনো বাস্তবিক ঘটনা। এই ভয় অনেকক্ষেত্রেই থাকা প্রয়োজন।  যেমন আগুন, বিদ্যুৎ, বজ্রপাত, উষ্ণতা, সাপ ইত্যাদি। এই ভয় মানুষকে সাবধান ও সুরক্ষিত রাখে। ভবিষ্যতের সাম্ভাব্য বিপদ থেকে বাঁচিয়ে রাখে । দ্বিতীয় ভয় হলো কোনো কাজ করার ভয়। যে ভয় মানুষকে সাফল্য অর্জন করতে বাধা দেয়। আজ আমরা এই মানসিক ভয় থেকে মুক্তির কতগুলি উপায় তুলে ধরছি। </p>



<h5 class="wp-block-heading"><em><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color"><strong>১. ডাইরী লেখ :-</strong></span></em></h5>



<p>প্রথমত তুমি তোমার ভয়ের সঠিক কারণটি খুঁজে বের করো। একটু ভেবে দেখো আদৌ সেখানে ভয় পাওয়ার মতো কোনো বিষয় আছে নাকি অহেতুক দুঃশ্চিন্তা করে তুমি তোমার ভয়টা বাড়িয়ে তুলছো। তোমার ভয়ের কারণগুলো ঠিক কি ,সেটা এক দুই করে ডাইরিতে লিখে ফেল। কিছুটা সময় নিয়ে বিষয়গুলো সম্পর্কে ভাবো। নিজেকে সঠিক প্রশ্ন করো। এর থেকে উত্তরণের সঠিক উপায় কী হতে পারে সেই বিষয়ে কৌতূহলী হয়ে ওঠো। নিজের ভয় কে জানার চেষ্টা করো। এরপর এর থেকে বেরোনোর জন্য তুমি নিজে কী কী করতে পারো তার একটা তালিকা বানাও। </p>



<h5 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading"><em><strong>২. সমস্যার মুখোমুখি হও :-</strong></em></h5>



<p><strong>&#8220;</strong><em>If we can really understand the problem, the answer will come out of it, because the answer is not separate from the problem.</em><strong>&#8220;</strong>&#8211; <strong>Jiddu Krishnamurti</strong></p>



<p>জীবনের কঠিন থেকে কঠিনতর পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার চেষ্টা করো। এই জীবনে যখন তখন যে কোনো ঘটনা ঘটতে পারে আমাদের সঙ্গে । সেই সময় মানসিক প্রস্তুতিই আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। নিজেকে বলো যেকোনো পরিস্থিতির জন্য আমি প্রস্তুত। জীবন মানেই সমস্যা থাকবে। দূর থেকে ছোটো সমস্যাও অনেক বড়ো মনে হয় , তাই সমস্যা দেখে ভয়ে পালিয়ে যেও না &#8211; তার মুখোমুখি হওয়ার চেষ্টা করো। জেনে রেখো সমস্যার ভেতর সমাধান লুকিয়ে আছে।</p>



<p class="has-text-color has-text-align-center has-vivid-red-color"><strong><a href="https://preronajibon.com/learn-to-fight-with-your-fear/"><mark>ভয়কে জয় করতে চাও ? তাহলে তার মুখোমুখি হতে শেখো</mark></a></strong></p>



<h5 class="wp-block-heading"><em><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color"><strong>৩. ভুল বিশ্বাস থেকে বেরিয়ে এসো :- </strong></span></em></h5>



<p>কিছু কিছু বিশ্বাস আমরা অচেতন ভাবে মেনে চলি। সমাজ ,পরিবার যখন কোনো একটি বিষয়কে প্রাধান্য দেয় তখন সেটাকেই আমরা ধ্রুব সত্য হিসেবে মেনে চলি। কখনো তার ওপর প্রশ্ন তুলি না। অনেক সময় মেনে নিতে না পারায় আমাদের ভেতর দ্বন্দ্ব তৈরী হয়। ভয় দুঃশ্চিন্তা বাড়তেই থাকে। হয়তো ছোট থাকতেই কেউ তোমায় বলে দিয়েছিলো তুমি খুউব ভীতু ,তুমি খুব বোকা ,তুমি জীবনে কিছু করতে পারবে না , তোমার দ্বারা কাজটি করা অসম্ভব , হয়তো ছোট থাকতে তোমার কথায় তোমার ক্লাসফ্রেন্ডরা  তোমায় নিয়ে খুব হাসিঠাট্টা করেছিল ,এই কথাগুলোই অবচেতন মনে গেঁথে যাওয়ার ফলে তুমি আজ ভুল বিশ্বাস নিয়ে চলছো। ফলে তুমি সাহস করে এগিয়ে যেতে ভয় পাচ্ছ। একবার নিজেকে প্রশ্ন করো এগুলোর কি কোনো সত্যতা আছে ? এসব বিশ্বাস থেকে বেরিয়ে এস কারণ এসব বিশ্বাসই তোমার ভয়ের মূল কারণ।</p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter size-large"><img decoding="async" src="https://media1.tenor.com/images/e9d9d40eef4ab994670c08524e35bbdb/tenor.gif?itemid=5393841" alt=""/></figure></div>



<h5 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading"><em><strong>৪. ভয়কে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নাও :-</strong></em></h5>



<p>ভয় এর মধ্যে একটা আলাদা সৌন্দর্য আছে। ভয় তোমাকে কাজ করার জন্য উৎসাহী করতে পারে। যে জিনিসটা করতে তুমি ভয় পাও সেটাকেই চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করে কাজটি করার চেষ্টা করো। দেখবে ধীরে ধীরে সেটার প্রতি ভয় দূর হচ্ছে।</p>



<h5 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading"><em><strong>৫. পজিটিভ এটিটিউড  :-</strong></em></h5>



<p>&#8216; আমি পারবো &#8216;এই বাক্যটি কিন্তু আমাদের ভীতি অনেকটাই কমিয়ে দেয়। নিজেকে অভয় দান করো। কাঙ্ক্ষিত  ফল না এলেও কখনো হার মেনে ভয় পেয়ো না কারণ কোনো পরাজয়ই স্থায়ী নয়। </p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter size-large is-resized"><img fetchpriority="high" decoding="async" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2020/01/Reading.jpg" alt="ভয় থেকে মুক্তির উপায়" class="wp-image-1100" width="564" height="376" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2020/01/Reading.jpg 752w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2020/01/Reading-300x200.jpg 300w" sizes="(max-width: 564px) 100vw, 564px" /></figure></div>



<h5 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading"><em><strong>৬. বই পড়ো :-</strong></em></h5>



<p>বই মানুষের এক বিশ্বস্ত সঙ্গী।  বই পড়া অভ্যাস করলে দেখা যায় আমরা বই এর ভেতরে এক জগতে প্রবেশ করি। তাৎক্ষণিকভাবে ভয়ের বিষয়টি থেকে চিন্তাভাবনা দূরে সরে যায়। আর দীর্ঘ মেয়াদি ভয় দূর করতেও বইয়ের গুরুত্ব রয়েছে। বিভিন্ন মনীষীর বাণী , জীবনী , ও নানা তত্ত্ব আমাদের ভয়ের। ….. ও কারন সম্পর্কে জ্ঞান দান করে। ফলে মনের মধ্যে জমে থাকা অকারণ ভয়ের অন্ধকার দূর হয়ে যায়।</p>



<p class="has-text-color has-background has-text-align-center has-vivid-red-color has-luminous-vivid-amber-background-color"><strong>জেনে নিন : <a href="https://preronajibon.com/benefits-of-reading-book/">বই পড়ব কেন ? বই পড়ার প্রয়োজনীয়তা কী ?</a></strong></p>



<h5 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading"><em><strong>৭. প্রিয়জনের সঙ্গে শেয়ার করা :-</strong></em></h5>



<p>শিশুরা যেমন ভয়ের বিষয়গুলি বাবা মাকে শেয়ার করে একটি সান্ত্বনা লাভ করে থাকে। তেমনি কোনো মানসিক ভয়ের বিষয় প্রিয়জনকে শেয়ার করা, তার ভালো পরামর্শ ও সাহস দান তোমাকে ভয় কাটাতে সাহায্য করবে। এছাড়া খুব বেশি ভয় যদি অসুস্থতার কারণ হয় তবে অবশ্যই মানসিক চিকিৎসকের কাছে পরামর্শ নাও। </p>



<p>লেখাটি কেমন লাগলো তা কমেন্ট বক্সে আমাদের জানাও। এই ধরনের লেখার আপডেট নিয়মিত পেতে আমাদের <a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজ</a> টি লাইক করে আমাদের সাথে যুক্ত থাকো।</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/ways-to-overcome-your-fear/">ভয়ের থেকে মুক্তি পেতে করনীয় কিছু উপায়। Overcome Your Fear</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/ways-to-overcome-your-fear/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>1</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ভয়কে জয় করতে চাও ? তাহলে তার মুখোমুখি হতে শেখো</title>
		<link>https://preronajibon.com/learn-to-fight-with-your-fear/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/learn-to-fight-with-your-fear/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 26 Jan 2020 09:56:10 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[মোটিভেশন]]></category>
		<category><![CDATA[bengali life tips]]></category>
		<category><![CDATA[bengali motivational]]></category>
		<category><![CDATA[অনুপ্রেরণামূলক গল্প]]></category>
		<category><![CDATA[ভয়কে জয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=1094</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 2</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>&#8221; THE BEST WAY TO SOLVE A PROBLEM IS TO FACE IT &#8220; অনেক সময় ছোট্ট একটা গল্প থেকে আমরা</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/learn-to-fight-with-your-fear/">ভয়কে জয় করতে চাও ? তাহলে তার মুখোমুখি হতে শেখো</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 2</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p class="has-text-align-center"><strong><em><span style="color:#ff6900" class="tadv-color">&#8221; THE BEST WAY TO SOLVE A PROBLEM IS TO FACE IT &#8220;</span></em></strong></p>



<p>অনেক সময় ছোট্ট একটা গল্প থেকে আমরা বৃহৎ কিছু শিখতে পারি । আজ আমরা সেরকমই একটা গল্প শুনবো যা আমাদের ভয়কে জয় করতে শেখাবে। গল্পের শেষ পর্যন্ত থেকো বন্ধুরা ।</p>



<p>একটি গ্রামের সকল গ্রামবাসীর মনে খুব দুঃখ ছিল। কারণ ওই গ্রামের শেষে একটি পাহাড়ের গুহায় থাকত এক রাক্ষস। বিশাল আকৃতির সে রাক্ষস শর্ত রেখেছিল প্রত্যেক পূর্ণিমায় গ্রামের সবচেয়ে শক্তিশালী যুবককে তার কাছে পাঠাতে হবে। রাক্ষসের সঙ্গে যদি সে হেরে যায় তবে সে ওই রাক্ষসের আহারে পরিণত হবে। আর তা না হলে গ্রাম শুদ্ধ মেরে ফেলবে। </p>



<p>খুব দুঃখ কষ্টে দু তিন সপ্তাহ পর যখনই পূর্ণিমা কাছে আসে সকলের মনেই আতঙ্ক ছড়ায়। এবার আরেকজন নবীন যুবকের পালা। গ্রামের মোড়লই ঠিক করে দেন ঐ পূর্ণিমায় কে যাবে রাক্ষসের পেটে। তাদের বিশ্বাস ছিল এতো বড় রাক্ষসের সঙ্গে একজন যুবক কখনোই লড়তে পারবে না &#8211; অর্থাৎ সে রাক্ষসের আহারেই পরিণত হবে। এই ভয় আর আতঙ্কের ফলে তরুণ যুবকেরাও বিনা যুদ্ধে রাক্ষসের আহারে পরিণত হতে লাগলো। </p>



<p>সেদিন ছিল পূর্ণিমা। গ্রামে কান্নার রোল উঠল আজ আবার একজন যুবকের পালা। এমন সময় জোৎস্না মাখা রাতে সেই গ্রামে একজন সাহসী যোদ্ধা ঘোড়ায় চড়ে গ্রামে প্রবেশ করলো। সে কান্নার কারণ জানতে চাইলে গ্রামবাসী সব খুলে বলল। সব শুনে সেই যোদ্ধা গ্রামের মোড়লকে অনুরোধ জানায় &#8221; <strong>আমি কি আজ যুদ্ধ করতে পারি ? </strong>&#8220;- মোড়ল যোদ্ধার সাহস দেখে খুবই খুশি হলেন এবং পরক্ষণই বিমর্ষ হয়ে পড়েন এই ভেবে একজন অজ্ঞাত মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া ঠিক হল কিনা। </p>



<p>সেই ঘোড়সওয়ার যোদ্ধা খুব দ্রুত ঘোড়া ছুটিয়ে দিলেন সেই পাহাড়ের দিকে কিছুক্ষন যাবার পর দূর থেকে দেখতে পেলেন প্রায় ত্রিশ ফুট দীর্ঘ উঁচু এক রাক্ষস মূর্তিকে। সাহস করে ঘোড়ার গতি বাড়িয়ে দিলেন &#8211; এক হাতে ধারালো তলোয়ার নিয়ে ছুটতে ছুটতে দেখলেন রাক্ষসের বিরাট মূর্তি ছোট হয়ে গেছে প্রায় ২০ ফুট। যতই এগুতে লাগলেন দেখলেন রাক্ষসের বিরাট মূর্তি ক্রমশ ছোট হতে লাগলো। যেই একদম সামনে উপস্থিত হলেন দেখলেন সে বিশাল রাক্ষস আদৌ নয় &#8211; সে আসলে ৫ ফিট উচ্চতার একটা বুনিপ মাত্র। তাকে কোনো সুযোগ না দিয়ে তরবারির আঘাতে ধর থেকে মাথাটা আলাদা করে দিয়েই গ্রামের পথ ধরলেন। </p>



<p>বন্ধুরা এখানে আমরা দেখতে পাই গ্রামের মানুষ যা পারে নি সাহসী যোদ্ধা এক মুহূর্তে তা পারলেন। কি করে পারলেন ? সেটা বুঝতে হলে আগে জানতে হবে গ্রামের মানুষ কেন পারে নি ? একটাই কারণে পারে নি সেটা হল ভয়। এই ভয়ই অনেক মানুষকে জীবনে কোনো বাধাকে অতিক্রম করতে দেয় না। দূর থেকে যেসব সমস্যাকে অনেক বড় মনে হয় &#8211; সাহসের সঙ্গে তার মোকাবেলা করতে গেলেই দেখা যাবে যে সেটা ওই রাক্ষসের মতোই ক্রমশ ছোটো হতে শুরু করেছে। </p>



<p>মানুষের জীবনেও একটি বড় বাধা হল ভয় &#8211; এই ভয়ের কারণেই অনেক মানুষ তার জীবনে সফল হতে পারে না। পরীক্ষার্থীর কাছে ফেল করার ভয় , ব্যবসায়ীর কাছে লোকসানের ভয় , চাকুরী প্রার্থীর কাছে অ -মনোনীত হবার ভয় , কোনো বাধাকে জয় করবার ভয় মানুষকে তার কাঙ্খিত লক্ষে পৌঁছতেই দেয় না। বাকি জীবন তারা ঐ একই জায়গায় পড়ে থাকেন আর কপালের দোহাই দিয়ে আফসোস করেন শেষ বয়েসে &#8211; &#8216; <strong>ইস</strong> &#8216;- আর &#8216; <strong>যদি</strong> &#8216; ই তাদের সম্বল হয়ে দাঁড়ায়।</p>



<p> লেখাটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করো। আর এইধরনের লেখার আপডেট পেতে আমাদের&nbsp;<a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজে</a>&nbsp;যুক্ত থাকো। </p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/learn-to-fight-with-your-fear/">ভয়কে জয় করতে চাও ? তাহলে তার মুখোমুখি হতে শেখো</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/learn-to-fight-with-your-fear/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>জীবন বদলে দেওয়ার মতো মোটিভেশনাল বাংলা গল্প</title>
		<link>https://preronajibon.com/life-changing-bengali-motivational-story/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/life-changing-bengali-motivational-story/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 10 Jun 2019 12:35:31 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[মোটিভেশন]]></category>
		<category><![CDATA[bengali motivational story]]></category>
		<category><![CDATA[Charles Kettering Quotes]]></category>
		<category><![CDATA[Charles Kettering Story]]></category>
		<category><![CDATA[অনুপ্রেরণামূলক গল্প]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=646</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 6</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>জীবন বদলে দেওয়ার মতো মোটিভেশনাল বাংলা গল্প ৷৷১৷৷ &#8216;আজ&#8217;-ই একমাত্র সত্য অনেকদিন আগের কথা । একটা সময় ছিল যখন মোটর</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/life-changing-bengali-motivational-story/">জীবন বদলে দেওয়ার মতো মোটিভেশনাল বাংলা গল্প</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 6</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<h4 class="has-text-align-center wp-block-heading"><u>জীবন বদলে দেওয়ার মতো মোটিভেশনাল বাংলা গল্প</u></h4>



<p class="has-text-align-center">৷৷১৷৷
</p>



<p class="has-text-color has-text-align-center has-luminous-vivid-orange-color"><strong><u>&#8216;আজ&#8217;-ই একমাত্র সত্য </u></strong></p>



<p>অনেকদিন আগের কথা । একটা সময় ছিল যখন মোটর গাড়ি স্টার্ট করতে হতো&nbsp; ইংরেজি&nbsp; Z অক্ষরের মতো একটা হ্যান্ডেল দিয়ে । অনেক পরিশ্রম , শক্তি ও সময় ব্যায় ক&#8217;রে গাড়িগুলো স্টার্ট করতে হতো । অর্থাৎ সেই সময় যে কোনো গাড়ি স্টার্ট করা ছিল একটা রীতিমতো হুজ্জতির ব্যাপার । </p>



<p>একজন তরুণ যুবক যিনি ছিলেন &#8216;জেনারেল মোটর্স রিসার্চ কর্পোরেশনের &#8216; ভাইস প্রেসিডেন্ট । তিনি বন্ধুদের বললেন যে একটা ছোট্ট চাবি দিয়ে গাড়িগুলো স্টার্ট করা যেতে পারে । কিন্তু বন্ধুরা হেসে উড়িয়ে দিলেন তার কথাটি । এবং যারা শুনলেন সকলেই বললেন যে , অসম্ভব কল্পনা তার । আর তার খেয়ালি কল্পনার জন্য মজাও করতে ছাড়লেন না । বললেন যে , &#8220;<strong>একটা ছোট্ট চাবি দিয়ে এত বড় মোটর গাড়িকে স্টার্ট করা সম্ভব নয়</strong> ।&#8221; কিন্তু আজ আমরা জানি যে এটাও সম্ভব হয়েছে । এখন একটা ছোট্ট চাবি দিয়ে অর্থাৎ সেল্ফ স্টার্টারের মাধ্যমে গাড়ি স্টার্ট করা যায় । </p>



<p class="has-text-align-center">কীভাবে এটা সম্ভব হলো ? এবার সে বিষয়ে বলা যাক। </p>



<p>তার নাম <strong>চার্লস ফ্রাঙ্কলিন ক্যাটারিং</strong> ( <strong>Charles Franklin Kettering</strong>) । সংক্ষেপে চার্লস এফ ক্যাটারিং নামেই পরিচিত আজ । যিনি এই অসাধ্য সাধন করতে পেরেছিলেন । তিনি যখন গাড়ির সেল্ফ স্টার্ট এর আবিষ্কারের স্বপ্ন দেখতেন । তখন তার এই স্বপ্ন পূরণের জন্য প্রয়োজন ছিল প্রচুর সময় এবং পরিশ্রম । বাধ্য হয়েই তিনি চাকরিটি ছেড়ে দেন । যে কোনো গবেষণার জন্য অর্থেরও প্রয়োজন । চাকরি না থাকায় তাঁর অর্থের অভাব দেখা দিল । তাঁর ব্যাংক ব্যালান্স ফুরোতে লাগলো । একটা সময় সবই ফুরিয়ে গেল । তখনও চার্লস ক্যাটারিং সফল হতে পারলেন না । একটার পর একটা প্রচেষ্টা ব্যর্থ হতে লাগলো । গবেষণা চালিয়ে যাবার জন্য আরো পয়সার প্রয়োজন হতে লাগলো । হতাশ হয়ে কাজ বন্ধ করে দেবেন , নাকি কাজ চালিয়ে যাবেন । তিনি জমি জমা গয়না ইত্যাদি বিক্রি করতে লাগলেন । একটা সময় সেসবও ফুরিয়ে গেল । শেষ সম্বল রইলো পৈতৃক সম্পত্তি চাষের খেত আর বসত বাড়িটি । পৈতৃক সম্পত্তি আর ফিরে পাওয়া যায় না , তাই তিনি বসত বাড়িটি বিক্রি করে দিলেন । আর ক্ষেতের এক ধারে কুঁড়ে ঘর বানিয়ে স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে বাস করতে লাগলেন । </p>



<p>গভীর গবেষণায় তিনি এতই নিমগ্ন যে , আত্মীয় বন্ধুদের থেকে বিচ্ছিন্ন হতে লাগলেন । তার উপর বন্ধু , আত্মীয় সকলেই তার স্ত্রীকে বললেন যে তিনি কেন এত পাগলামি মেনে নিচ্ছেন ? সন্তানদের ভবিষ্যৎ নেই ? </p>



<p>কিন্তু তাঁর স্ত্রী বললেন যে তারা তো কষ্ট করছেনই , কিন্তু ক্যাটারিং সাহেব নিজে যে এত পরিশ্রম করছেন নিজের শরীরের দিকে তাকানোর পর্যন্তও অবসর নেই -এটাই তাকে বেশি চিন্তায় রাখছে । অর্থাৎ তার স্ত্রী স্বামীর কাজকে, তার অধ্যবসায়কে সমর্থনই করছেন । </p>



<figure class="wp-block-image"><img decoding="async" width="758" height="358" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/06/Charles-Kettering-Quotes-Believe-Act.jpg" alt="Charles Kettering Quotes Believe &amp; Act" class="wp-image-647" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/06/Charles-Kettering-Quotes-Believe-Act.jpg 758w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/06/Charles-Kettering-Quotes-Believe-Act-300x142.jpg 300w" sizes="(max-width: 758px) 100vw, 758px" /></figure>



<p>এত কিছু সত্ত্বেও চার্লস ক্যাটারিং কিন্তু বিশ্বাসে অটল ছিলেন যে , তিনি একদিন সফল হবেন । দীর্ঘ কয়েক বছর পর অবশেষে তাঁর স্বপ্ন সফল হলো । তিনি যেদিন সেল্ফ স্টার্টের প্রদর্শন করেন , সে দিন সকলেই অবাক । সমস্ত মোটর শিল্পের লোকেরা তার টেকনিক কিনে নিতে লাগলেন আর দেখতে দেখতে তিনি অনেক অর্থের মালিক হয়ে উঠলেন । </p>



<p>বিশ্বের
বিখ্যাত সব পত্র পত্রিকা
তাঁকে ঘিরে ধ&#8217;রে
তাঁর সাফল্যের কারণ জানতে চাইলো
। &#8221; অনেক অনেক বাধার
পরেও নিজের লক্ষ্য পূরণ
করেই ছাড়লেন , আপনার এতো ধৈর্যের
উৎস কী ? &#8221; </p>



<p>এর উত্তর দেওয়ার জন্য ক্যাটারিং সাংবাদিককে তাঁর সেই কুঁড়ে ঘরে নিয়ে গেলেন , আর ঘরের সমস্ত জিনিসের মাঝে থেকে একটা ছোট্ট পাথর বের করে দেখালেন আর বললেন , &#8221; <strong>এটাই আমার সাফল্যের উৎস</strong> &#8220;। </p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter is-resized"><img decoding="async" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/06/Charles-Kettering-Quotes-min.jpg" alt="Charles Kettering Quotes" class="wp-image-659" width="500" height="500" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/06/Charles-Kettering-Quotes-min.jpg 800w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/06/Charles-Kettering-Quotes-min-150x150.jpg 150w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/06/Charles-Kettering-Quotes-min-300x300.jpg 300w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/06/Charles-Kettering-Quotes-min-768x768.jpg 768w" sizes="(max-width: 500px) 100vw, 500px" /></figure></div>



<p>দেখা গেল সেই পাথরে লেখা ছিল একটি ছোট্ট কথা &#8220;আজ&#8221; । তিনি বললেন &#8221; এই &#8216;আজ&#8217;ই আমার সফলতার উৎস । কারণ গতকাল মানুষের জীবনে হতাশা এনে দেয় , আগামী কাল এনে দেয় অলসতা । তাই আজই একমাত্র সত্য । আর তাই দেখুন আজ আমি সফল । &#8221; </p>



<p class="has-text-color has-vivid-red-color"><strong>তাহলে বন্ধুরা , দেখো এই গল্প থেকে আমরা যে শিক্ষাগুলি নিতে পারি সেগুলি হলো : </strong></p>



<p>১। যারা
&#8216;আজ&#8217; নিয়ে বাঁচে তারাই
সফল হয় ।</p>



<p>২। দুনিয়ার
সমস্ত কাজ আসলে &#8216;আজ&#8217;ই সম্পন্ন হয়
। </p>



<p>৩। তাই
বর্তমানকে নিয়ে বাঁচাই সাফল্যের
মূল সূত্র ।</p>



<p>৪। এখন
নয়তো কক্ষণো নয় ।</p>



<p>৫। প্রতিটি সময়ই মূল্যবান । তাই সময়ের সঠিক ব্যবহার করা উচিত । </p>



<p class="has-text-color has-text-align-center has-vivid-red-color"><strong><a href="https://preronajibon.com/life-changing-30-motivational-bengali-quotes/">আরও পড়ুন :  30 Bengali Motivational Quotes</a></strong></p>



<p class="has-text-align-center">৷৷২৷৷</p>



<p class="has-text-color has-text-align-center has-luminous-vivid-orange-color"><strong><u>যদি </u></strong></p>



<figure class="wp-block-image"><img loading="lazy" decoding="async" width="758" height="358" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/06/Bengali-Motivational-Story-of-two-friends.jpg" alt="Bengali Motivational Story of two friends" class="wp-image-648" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/06/Bengali-Motivational-Story-of-two-friends.jpg 758w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/06/Bengali-Motivational-Story-of-two-friends-300x142.jpg 300w" sizes="auto, (max-width: 758px) 100vw, 758px" /></figure>



<p>একটা গ্রামে পিন্টু আর
মিন্টু নামে দুই যুবক
বাস করত । তারা
দুজনেই বেকার । দিনমজুরের
কাজ ছাড়া গ্রামে আর
কোনো কাজই তারা দেখছে
না । এইদিকে
নব বিবাহিতা স্ত্রী নিয়ে দুজনের
একই রকম পারিবারিক অবস্থা
। ভিন্ন মানসিকতার
হলেও দুজনের একটাই সাধারণ
সমস্যা , আর সেটা হলো
কী করে টাকা রোজগার
করা যায় । </p>



<p>এই সব ভাবতে ভাবতে পিন্টুর মাথায় একটা বুদ্ধি খেলে গেল । সে মিন্টুকে বলল দুজনে মিলে যদি একটা মহিষ কেনা যায় , তাহলে কেমন হবে । মহিষের দুধ বিক্রি ক&#8217;রে কিছু টাকা পাওয়া যাবে । আর মহিষের বাচ্চাও হবে , ফলে মহিষের সংখ্যা বাড়তে থাকবে । দুধও বেশি বেশি হবে । আর এভাবে দুজনই একদিন অনেক টাকার মালিক হয়ে যাবে । মহিষের সংখ্যা যখন বাড়বে , তখন অনেক লোক রাখবে দেখাশুনার জন্য &#8212;-এভাবে দুজনই একদিন ধনী হয়ে উঠবে । </p>



<p>&nbsp; এভাবে পিন্টু তার
ভাবনার কথা মিন্টুকে জানায়
। এই প্রস্তাবটি
মিন্টুরও খুব ভালো লাগে
। সেও প্রস্তাবে
রাজী হয়ে যায় ।
তারা দুজনে কথা পাক্কা
করে ফেলে । খুব
আনন্দ আর উদ্দীপনা নিয়ে
দুজনেই বাড়ি যায় ।
দুজনেই তাদের এই উদ্যোগের
কথা নিজের স্ত্রীকে জানায়
। </p>



<p>পিন্টুর স্ত্রী সব শুনে খুব আনন্দের সঙ্গে তার গয়না খুলে স্বামীর হাতে দিয়ে বলল &#8221; খুব ভালো পরিকল্পনা , আমার গয়না বিক্রি করে মহিষ কেনো । যখন বেশি বেশি রোজগার হবে , গয়না কিনতে আর কতক্ষন । &#8221; স্ত্রীর কথায় গর্বিত হয় পিন্টু ।</p>



<p>ঐদিকে
মিন্টু তার পরিকল্পনার কথা
স্ত্রীকে জানালে তার স্ত্রী
বলে , &#8221; দেখো একে তো
আমাদের কিছুই নেই ।
খালি কয়েকটা মাত্র গয়না
সম্বল । আর
তা বিক্রি করে মহিষ
কিনবে । কিন্তু
যদি মহিষ মরে যায়
&#8230;..&#8221; </p>



<p>মিন্টুর মনেও খটকা লাগে । মনে হয় তার স্ত্রী ঠিকই বলছে । কারণ মহিষ যদি মরে যায় ,&nbsp; একমাত্র সম্বল গয়নাগাটিও যাবে &#8212; মহিষও যাবে । এত ঝুঁকি নেওয়াটা ভুল হবে । </p>



<p>পরের দিন দুই বন্ধুর
দেখা হলে মিন্টু বলে
&#8221; ভাই পিন্টু , মহিষ যদি মরে
তাহলে&#8230;. ? &#8220;</p>



<p>পিন্টু
বলে , &#8221; এসব বাজে কথা
ভাবছিস কেন ? কেনার আগেই
মহিষ মরার কথা ভাবছিস
? আর মহিষ কোন কারণেই
বা মরতে যাবে ? &#8221; </p>



<p>মিন্টু
একই সুরে হতাশ জবাব
দেয় , &#8221; তা তো বুঝলাম
যে মহিষ মরবে না
। কিন্তু ধর
, যদি মরে ? তাহলে কী
হবে ? &#8220;</p>



<p>পিন্টু
অত্যন্ত স্নেহ ভ&#8217;রে
জবাব দেয় , &#8220;তোর &#8216;তাহলে&#8217;র
জবাব আমার কাছে নেই
। &#8221; </p>



<p>মিন্টু
বলে &#8221; এই তাহলে&#8217;র
জবাব আমার কাছে আছে
। আমরা বরবাদ
হয়ে যাবো । সব
হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যাবো
। &#8220;</p>



<p>অত্যন্ত
বেদনাহত হয়ে পিন্টু বলে
, &#8221; কিন্তু তুই কেন বার
বার ভাবছিস যে মহিষটা
মরে যাবে &#8230;..একটু অন্যভাবে ভেবে
দেখ , মহিষটা দুধ দেবে
। আমরা বিক্রি
করবো । প্রথমে
পয়সাগুলো জমাবো । তারপর
আরও মহিষ কিনবো ।
অনেক পয়সা হবে যখন
, তখন অনেক গয়না কেনা
যাবে , বাড়িও বানানো যাবে
। এভাবে দুধের
বড় ব্যবসায়ী হয়ে উঠব দুজন
। &#8221; </p>



<p>কিন্তু
মিন্টুর ওই এক বুলি
এক জিকির &#8221; ব্যবসা টাকা বাড়ি
গয়না সব হবে তখনই
, যখন মহিষটা বেঁচে থাকবে
। &#8221; </p>



<p>এরপর অনেক বোঝানোর পরেও
মিন্টু তোতাপাখির মতো বলতে থাকে
মহিষ মরার কথা ।
</p>



<p>পিন্টু আর বোঝাতে পারে না&nbsp;&nbsp; শুধু বলে , &#8221; দেখ মিন্টু , ঐরকম ভাবলে তুই কোনোদিনও কোনো কাজ করতে পারবি না । এই ধরণের ভাবনা ঠিক নয় । কারণ তুই আগে অন্ধকার দিকটাই দেখছিস । &#8221;  এইভাবে দুই বন্ধুর তর্কের পর কয়েকদিন গেল । পিন্টু একাই একটা দুগ্ধবতী মহিষ কিনে ফেলে । সে এখন আর দিন মজুরের কাজে যায় না । সকাল থেকে সন্ধ্যা মহিষের দেখাশুনা করে , দুধ দোয় । প্রথম কিছুদিন দুধের গ্রাহক খুঁজতে , মহিষের পরিচর্যা করতে কষ্ট হয়েছিল । ধীরে ধীরে পিন্টু এই কাজগুলোতে দক্ষ হয়ে উঠতে লাগলো । </p>



<p>আর দিনমজুরের কাজের শেষে মিন্টু রোজ তার কাছে আসতো , আর পিন্টুর সংঘর্ষ করার , পরিশ্রমের বিষয়টি দেখতো । আর ভাবতো তাদের দিনমজুরের জীবন কত ভালো ছিল । রোজ সকালে কাজে যেত আর বিকেলে ফিরে এসে সন্ধ্যায় কাজ কর্মহীন আড্ডা দিতে পারত । এখন পিন্টুর জীবনে আড্ডা দেবার অবসর নেই । তার উপর এত ঝুঁকি নিয়ে কেন যে মহিষ কিনলো ।&nbsp; যদি মরেই যায় । সবই যাবে তার । </p>



<p>আর ঐ দিকে&nbsp; কালো মহিষের মধ্যেই জীবনের আলো দেখতে পায় পিন্টু । সে দ্বিগুন উৎসাহে কাজ করতে লাগলো । এটা ঠিক যে তার কাছে এখন অবসর নেই । কিন্তু সুন্দর ভবিষ্যতের কল্পনায় সময় নষ্ট করতে সে রাজি নয় । </p>



<p>এইভাবে দিন যায় । আস্তে আস্তে তার গ্রাহক বাড়তে থাকে । মহিষ বাড়তে থাকে । কাজের লোকও বাড়তে থাকে । মহিষও তার মরে নি ।অন্যদিকে মিন্টু মহিষের মরার কথা ভাবে আর একইভাবে দিনমজুরের কাজ করে যায় ।&nbsp; পিন্টু ধনী হতে থাকে ক্রমশঃ । </p>



<p class="has-text-color has-vivid-red-color"><strong>বন্ধুরা , এই গল্পের ভেতরের বিষয়টিকে যদি আমরা বুঝতে পারি , তাহলে আমাদের জীবনে পদক্ষেপ নেবার শিক্ষাটি অর্জন করতে পারবো । এসো খুব কম কথায় দেখে নেই আমরা সেসব : </strong></p>



<p>১. কিন্তু , যদি , তবে ইত্যাদির
জালে আটকে পড়তে নেই
।</p>



<p>২. নেতিবাচক ভাবনা কখনোই মাথায়
আনতে নেই । </p>



<p>৩. পজিটিভ ভাবনাই পারে জীবনে সাফল্য এনে দিতে ।  </p>



<p>৪. নো রিস্ক নো গেইন । ঝুঁকি নিতে পারলেই জীবনে সাফল্য আসবে ।  </p>



<p>&nbsp;ভালো থেকো বন্ধুরা , এইরকম ভালো কিছু গল্প এখানে আরো পোস্ট করা হবে । আমাদের <a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজ</a>-এ এসো আর সঙ্গে থেকো ।</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/life-changing-bengali-motivational-story/">জীবন বদলে দেওয়ার মতো মোটিভেশনাল বাংলা গল্প</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/life-changing-bengali-motivational-story/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>3</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>

<!--
Performance optimized by W3 Total Cache. Learn more: https://www.boldgrid.com/w3-total-cache/?utm_source=w3tc&utm_medium=footer_comment&utm_campaign=free_plugin

Page Caching using Disk: Enhanced 
Lazy Loading (feed)
Minified using Disk

Served from: preronajibon.com @ 2026-04-04 19:19:57 by W3 Total Cache
-->