<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>bengali life tips Archives - প্রেরণাজীবন</title>
	<atom:link href="https://preronajibon.com/tag/bengali-life-tips/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://preronajibon.com/tag/bengali-life-tips/</link>
	<description>PreronaJibon</description>
	<lastBuildDate>Sun, 03 Dec 2023 18:52:36 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2018/12/cropped-Favicn-32x32.png</url>
	<title>bengali life tips Archives - প্রেরণাজীবন</title>
	<link>https://preronajibon.com/tag/bengali-life-tips/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>আপনার ব্যক্তিত্ব ঠিক কীরকম ? জেনে নিন ব্যক্তিত্বের বিগ ফাইভ তত্ত্ব</title>
		<link>https://preronajibon.com/five-traits-of-personality-bengali/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/five-traits-of-personality-bengali/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 03 Dec 2023 18:48:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[মোটিভেশন]]></category>
		<category><![CDATA[bengali life tips]]></category>
		<category><![CDATA[Bengali motivation]]></category>
		<category><![CDATA[Five Traits of personality]]></category>
		<category><![CDATA[বিগ ফাইভ তত্ব কী]]></category>
		<category><![CDATA[ব্যক্তিত্ব টিপস]]></category>
		<category><![CDATA[ব্যক্তিত্বের বিগ ফাইভ তত্ত্ব]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=2871</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 5</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>একবার কখনো জানতে ইচ্ছে করে না আপনার ব্যক্তিত্ব ঠিক কীরকম ? ব্যক্তিত্বের বিগ ফাইভ থিওরির সাহায্যে সহজেই এটা করে ফেলতে</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/five-traits-of-personality-bengali/">আপনার ব্যক্তিত্ব ঠিক কীরকম ? জেনে নিন ব্যক্তিত্বের বিগ ফাইভ তত্ত্ব</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 5</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p>একবার কখনো জানতে ইচ্ছে করে না আপনার ব্যক্তিত্ব ঠিক কীরকম ? ব্যক্তিত্বের বিগ ফাইভ থিওরির সাহায্যে সহজেই এটা করে ফেলতে পারেন আপনি নিজেই। টাকা-পয়সা-ধন-দৌলত থাকলেই সব হয় না । কিংবা রূপস বা রূপসী হলেই সবাই ভালোবাসে না । তাহলে মানুষ মানুষের মধ্যে কী খোঁজে &#8211; যা টাকা পয়সা রূপ যৌবনের উর্ধে। যা মানুষকে মানুষের মনের মধ্যে স্থান করে নিতে সাহায্য করে। আপনি হয়তো বলেবেন &#8211; ব্যবহার। ব্যবহারেই মানুষের পরিচয়। কথাটা আংশিক সত্য হলেও পুরোপুরি নয়। এবার জেনে নিন গবেষণায় উঠে আসা আসল তথ্যটি। হ্যাঁ আপনি ঠিকই ধরেছেন মানুষের মধ্যে মানুষ যা খোঁজে তা হল ব্যক্তিত্ব । পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের নিজস্ব বলে যদি কিছু থাকে তা হল ব্যক্তিত্ব। আমাদের আজকের বিষয় হল ব্যক্তিত্বের বিগ ফাইভ তত্ত্ব । এই তত্ত্বটি পড়ে আজ আপনিও নিজের একটি ব্যক্তিত্বের পরীক্ষা কিন্তু করে ফেলতেই পারেন।</p>



<p>এবার তাহলে আসুন জেনে নিই ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে গবেষকেরা কী তত্ত্বের কথা বলেছেন। তাদের মতে প্রথমে আমরা মানুষের ব্যক্তিত্বই খেয়াল করি। কেউ ভালো কেউ মন্দ , কেউ উদার কেউ বিনয়ী , কেউ উত্তেজিত কেউ শান্ত , কেউ শৃঙ্খল কেউ উশৃঙ্খল । এই সমস্ত বৈশিষ্ট্যের নিরিখেই আবিষ্কৃত হয় ব্যক্তিত্বের বিগ ফাইভ তত্ব ( Big Five Theory )</p>



<h2 class="wp-block-heading has-vivid-red-color has-text-color has-link-color wp-elements-90488293d3c07206d2c0d9f6fc91a3c5"><strong>বিগ ফাইভ তত্ব আসলে কী ?</strong></h2>



<p>মানুষের ব্যক্তিত্বের বৈশিষ্ট্যকে আলাদা করে চিহ্নিত করার জন্য গবেষকেরা বিগ ফাইভ ( ‘Big Five’) নামে যে পাঁচটি মূল নির্ধারকের কথা বলেছেন তা-ই বিগ ফাইভ ( ‘Big Five’) তত্ব নামে পরিচিত।</p>



<h3 class="wp-block-heading has-vivid-red-color has-text-color has-link-color wp-elements-218e498d161f022a3ea60b03d67c4c4b"><strong>বিগ ফাইভ মডেলের উৎপত্তিঃ-</strong></h3>



<p>বিগ ফাইভ তত্বের প্রথম উৎপত্তি আসলে একদিনে হয় নি। এর মূল অনেক গভীরে প্রথিত। 1800-এর দশকে ফ্রান্সিস গাল্টন আভিধানিক হাইপোথিসিস বলে সমস্ত ব্যক্তিত্বের মধ্যে কতগুলি মানকে নির্দিষ্ট করে চিহ্নিত করার কথা প্রথম প্রস্তাব করেন। 1936 সালে বিশিষ্ট মনোবিজ্ঞানী গর্ডন অলপোর্ট এবং তার সহকর্মী হেনরি ওডবার্ট একটি ইংরেজি অভিধানের মাধ্যমে এবং পৃথক পার্থক্য সম্পর্কিত 18,000 শব্দের একটি তালিকা তৈরি করে এই অনুমানটি দৃঢ় করেছিলেন। এই পদগুলির মধ্যে প্রায় 4,500টি ব্যক্তিত্বের বৈশিষ্ট্যগুলিকে প্রতিফলিত করে।</p>



<p>এরপর 1940-এর দশকে রেমন্ড ক্যাটেল এবং তার সহকর্মীরা তালিকাটিকে শুধুমাত্র 16 টি বৈশিষ্ট্যের একটি সেটের একটি প্রস্তাব পেশ করেন। 1949 সালে ডোনাল্ড ফিস্ক সহ বেশ কিছু অতিরিক্ত পণ্ডিত ক্যাটেলের কাজ বিশ্লেষণ করেছেন এবং তারা সবাই একই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন। আর এখানেই ব্যক্তিত্বের বিগ ফাইভ তত্ত্বের ভিত্তি মজবুত হয়ে ওঠে। ১৯৮১ সালে লুইস গোল্ডবার্গ প্রথম ‘<strong>Big five</strong>’ এই তত্ত্বকে চিহ্নিত করেন।</p>



<h3 class="wp-block-heading has-vivid-red-color has-text-color has-link-color wp-elements-c2a26d4edd48c3df00f2744a56cf21ee"><strong>বিগ ফাইভ তত্ত্বটি দেখে নিই একবার :</strong></h3>



<p>এর পরে 1990 এর দশকে মনোবিজ্ঞানীগণ তত্ত্বটি ব্যখ্যা করে মানুষের ব্যক্তিত্বের ভিন্নতার পাঁচটি কারণ এবং দশটি মান চিহ্নিত করেছিল। 2007 সালে, কলিন ডিইয়ং ( ইয়েল ), লেনা সি. কুইল্টি ( সিএএমএইচ ) এবং জর্ডান পিটারসন ( টরন্টো ) এই উপসংহারে এসেছিলেন যে বিগ ফাইভের 10 টি দিক আলাদা জৈবিক স্তর থাকতে পারে। পাঁচটি কারণের প্রতিটি চিহ্নিত মানের দুটির সাথে আলাদা জৈবিক স্তর তুলনামূলকভাবে বিভক্ত। বিগ ফাইভ, ওরফে OCEAN (Openness, Conscientiousness , Extroversion, Agreeableness and Neuroticism) অর্থাৎ উন্মুক্ততা, বিবেক, বহিঃপ্রকাশ, সম্মতি এবং স্নায়বিকতা। এই কারণগুলি এবং মানগুলি নিম্নরূপ:</p>



<p>১। অভিজ্ঞতার জন্য উন্মুক্ততা : (উদ্ভাবক/কৌতূহলী বনাম সামঞ্জস্যপূর্ণ/সতর্ক)<br>২। বিবেক : (দক্ষ/সংগঠিত বনাম অতিরিক্ত/অযত্নবান )<br>৩। বহির্মুখিণতা : (উজ্জ্বল বনাম একাকী/সংরক্ষিত)<br>৪। সম্মতি : (বন্ধুত্বপূর্ণ/সহানুভূতিশীল বনাম সমালোচনামূলক/যৌক্তিক)<br>৫। স্নায়বিকতা : (সংবেদনশীল/স্নায়বিক বনাম স্থিতিস্থাপক/আত্মবিশ্বাসী)</p>



<figure class="wp-block-image size-full"><img fetchpriority="high" decoding="async" width="800" height="445" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2023/12/Big-Five-Theory-Bangla.webp" alt="" class="wp-image-2874" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2023/12/Big-Five-Theory-Bangla.webp 800w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2023/12/Big-Five-Theory-Bangla-300x167.webp 300w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2023/12/Big-Five-Theory-Bangla-768x427.webp 768w" sizes="(max-width: 800px) 100vw, 800px" /></figure>



<p>তাহলে চলুন বিস্তারিত জেনে নিই ব্যক্তিত্বের বিগ ফাইভ তত্ত্ব অনুসারে এই পাঁচটি বিষয় আসলে কী বলছে :-</p>



<h3 class="wp-block-heading has-vivid-red-color has-text-color has-link-color wp-elements-8ad86a9f8d54c6f690793c6843dfb983"><strong>১) অকপটতা (Openness to Experience) :-</strong></h3>



<p>খুব সহজেই বোঝা যায় এই বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন মানুষ নতুনত্বের খোঁজে থাকে্ন এবং সৃজনশীল কাজকর্মের সঙ্গে যুক্ত থাকতে ভালোবাসেন। নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করেন তারা। এদের কল্পনাশক্তি প্রবল, এবং নতুন কিছু শিখতে তারা বেশ আগ্রহ দেখায় । এরা সাধারণত কৌতূহলী কল্পনাপ্রবণ , শৈল্পিক , অনেক কিছুতে আগ্রহী , উত্তেজনাপূর্ণ বা উচ্ছ্বসিত স্বভাবের হন।</p>



<p>এই বৈশিষ্টের সঙ্গে ইতিবাচক ভাবনার সুন্দর সম্পর্ক আছে। যারা এই বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন মানুষ, তাদের মধ্যে একটি মুখরতা থাকে। এছাড়াও তারা তাদের আশেপাশের লোকজনের সাথে উদার এবং সম্প্রীতির সম্পর্ক বজায় তৈরি করতে পছন্দ করেন। এরা নিজেও খুশি থাকতে এবং অপরকেও খুশি রাখতে ভালোবাসেন। গবেষণাতে দেখা গেছে এই অকপটতার বিপরীতে দুশ্চিন্তা কিংবা এই সংক্রান্ত কোনো মনোবৈজ্ঞানিক ডিজঅর্ডারের সম্পর্ক পাওয়া যায়নি বটে, তবে অকপট মানুষ এর অন্যদিকে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং সতর্ক মানুষের অবস্থান থাকতে পারে বলে গবেষকদের অনুমান।</p>



<h3 class="wp-block-heading has-vivid-red-color has-text-color has-link-color wp-elements-3ed7e93491b3e6704f60e9c52120ec85"><strong>২) বিবেক (Conscientiousness) :-</strong></h3>



<p>এই বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন মানুষের মধ্যে দেখা যায় দক্ষ সংগঠক ও শৃঙ্খলাপরায়ণ হবার ক্ষমতা বেশি থাকে। এরা স্ব-শৃঙ্খলাবদ্ধ , কর্তব্যপরায়ণ এবং মনোযোগী হয়ে থাকেন। দেখা গেছে বিবেকবান মানুষেরা সাধারণত সফল হয়। গবেষণাতেও তাদের বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে মেলবন্ধন দেখা গেছে। আবেগপ্রবণতা এরকম মানুষের মধ্যে কম দেখা যায়। লক্ষ্য এবং তা কত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে সেই সম্বন্ধেও তারা সচেতন। এদের মধ্যে দেখা যায় কর্মদক্ষতা, অর্ডার, বা সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্তব্যপরায়ণতা, বা অসতর্কতার অভাব, কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে অর্জন, স্ব-শৃঙ্খলা, ইচ্ছাকৃত এবং নিয়ন্ত্রিত কাজ করার প্রবণতা ইত্যাদি দেখা যায়। এই বৈশিষ্ট্য মানুষের আবেগ নিয়ন্ত্রণ, এবং নির্দেশের স্তরের সাথে সম্পর্কিত। উচ্চ বিবেকসম্পন্নকে প্রায়ই একগুঁয়ে এবং মনোযোগী বলে মনে করা হয়। এরা সবসময় প্রস্তুত, মনোযোগ দিতে রাজি, সময়সূচী অনুসরণ করা , নিখুঁতভাবে কাজ করতে পছন্দ করেন।<br>এর বিপরীতে যে বৈশিষ্ট্যগুলি লক্ষ্য করা যায় সেগুলি হল &#8211; অর্ডার পছন্দ না করা, জগাখিচুড়ি অবস্থা করা, অগোছালো কাজ করা , কোনো জিনিসকে তাদের সঠিক জায়গায় ফিরিয়ে দিতে ভুলে যাওয়া ,দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া ইত্যাদি।</p>



<h3 class="wp-block-heading has-vivid-red-color has-text-color has-link-color wp-elements-a832d2fa29da7b54751c95f468cd3692"><strong>৩) বর্হিমুখীতা (Extroversion) :-</strong></h3>



<p>আমরা চারপাশের মানুষের মধ্যে বহির্মুখী ও অন্তর্মুখী এই দুই বিপরীত পার্সোনালিটির মানুষ দেখতে পাই। কেউ Extrovert আবার কেউ Introvert । এই বহির্মুখী স্বভাবের মানুষের মধ্যা সাধারণত যে বৈশিষ্ট্য দেখা যায় সেগুলি হল &#8211; চারপাশে মানুষের মধ্যে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করা, আগে থেকে সহজেই কথোপকথন শুরু করা, বিভিন্ন মানুষের সাথে কথা বলা, মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু হতে আমার আপত্তি না থাকা , কোনো দলের প্রাণ হয়ে ওঠা ইত্যাদি।</p>



<p>আবার এর উল্টো দিকে দেখা যায় Introvert বা অন্তর্মুখী স্বভাবের মানুষ সাধারণত বেশি কথা বলে না , নিজেকে ব্যাকগ্রাউন্ডে রাখেন , নিজের দিকে মনোযোগ আকর্ষণ করতে পছন্দ করেন না , অপরিচিতদের চারপাশে নিজেকে শান্ত রাখতে ভালোবাসেন । তাদের সামাজিক সম্পৃক্ততার অভাবকে লাজুকতা বা হতাশা হিসাবে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়; কিন্তু বহিরাগতদের তুলনায় তাদের সামাজিক বিশ্বের বৃহত্তর স্বাধীনতা হিসাবে. ইন্ট্রোভার্টদের কম উদ্দীপনা এবং এক্সট্রাভার্টদের তুলনায় একা বেশি সময় প্রয়োজন। আবার সব এক্সট্রোভার্ট বা বহির্মুখী মানুষ যে অনেক দ্রুত সবার সাথে মিশতে পারে এমনও নয়। কেউ কেউ হয়তো মানুষজনকে ঘিরে থাকতে পছন্দ করে, কিন্তু অপরিচিতদের সাথে শুরুতেই যথেষ্ট আপন বোধ করে না। এদের জন্যও আছে একটি নাম, এবং সেটি হলো অ্যাম্বিভার্ট (Ambivert)।</p>



<h3 class="wp-block-heading has-vivid-red-color has-text-color has-link-color wp-elements-56cb8fb4194e19dc5a05a71150af9dfa"><strong>৪) সম্মতি (Agreeableness) :-</strong></h3>



<p>বিগ ফাইভ তত্ত্বের চতুর্থ তত্ত্বটি হল সম্মতি। এ বৈশিষ্ট্যের মানুষ সাধারণত প্রতিযোগিতার মনোভাব নিয়ে থাকে না। সবার মতামতের ভিত্তিতে চলে এবং মনোমালিন্য এড়িয়ে চলতে ভালোবাসেন। সম্মতিপূর্ণ ব্যক্তিরা বেশি বিশ্বাসী, স্নেহশীল, পরোপকারী এবং সাধারণত অন্যদের তুলনায় বেশি সামাজিক আচরণ প্রদর্শন করে। এই সামাজিক বৈশিষ্ট্যের মানুষ সহানুভূতিশীল, অন্যদের কল্যাণের জন্য উদ্বেগ দেখায়, যখন কেউ বিপদে পড়ে তখন তারাই প্রথমে এগিয়ে যাবার চেষ্টা করে। এদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ যে সব বৈশিষ্ট্যগুলি দেখা যায় সেগুলি হল- এরা আস্থাশীল, বিনয়ী , ক্ষমাশীল, সরল , পরার্থপর ,সৌহার্দ্যপূর্ণ এবং সহনশীল এবং অন্যদের প্রতি সহানুভূতিশীল হন।</p>



<p>এর বিপরীতে অসম্মত বৈশিষ্ট্যের ব্যক্তিরা সাধারণত অন্যদের সাথে মিলিত হওয়ার উপরে নিজের স্বার্থকে স্থান দেন। তারা সাধারণত অন্যদের মঙ্গল নিয়ে উদ্বিগ্ন নন। এদের মধ্যে অন্য লোকেদের জন্য নিজেদের প্রসারিত করার সম্ভাবনা কম দেখা যায় । কখনও কখনও অন্যদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তাদের সংশয় তাদেরকে সন্দেহজনক, বন্ধুত্বহীন এবং অসহযোগী করে তোলে। অসম্মত ব্যক্তিরা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক বা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হন । এরা তাই তর্ক করতে এবং মানুষকে অবিশ্বাস করতে অভ্যস্ত । এরা অন্যদের প্রতি আগ্রহী নন। এরা প্রায়শই অপরকে অপমান করেন , এরা মানুষের সমস্যায় আগ্রহী নন, এরা অন্যদের জন্য উদ্বেগ বোধ করেন না।</p>



<h3 class="wp-block-heading has-vivid-red-color has-text-color has-link-color wp-elements-4e2d06eb3560275ce850db7dd0165240"><strong>৫) স্নায়বিকতা (Neuroticism) :-</strong></h3>



<p>এই বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন মানুষের ভেতরে নেতিবাচক অনুভূতি কাজ করে। এরা সাধারণত বিষন্নতায় ভোগেন। বদমেজাজ এবং মানসিক অস্থিরতায় থাকেন। এদের মধ্যে মানসিক ডিজঅর্ডারও পরিলক্ষিত হয়। মুড সুইং, দুশ্চিন্তা, হীনম্মন্যতা, বিরক্তি ইত্যাদি দেখা যায়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায়, সময়ের সাথে এটা ঠিক হয়ে যেতে পারে। এছাড়া এই সমস্যা বেশি দেখা দিলে সাইকোথেরাপি বা কিছু অভ্যাসের মাধ্যমে স্বাভাবিক হওয়া যায়। এই ধরণের মানুষের সাধারণ যে বোইশিষ্ট্যগুলি দেখা যায় তা হল &#8211; এরা চাপে পড়ে যান , সামান্য জিনিস সম্পর্কে চিন্তা করা, সহজেই বিরক্ত হওয়া, ঘন ঘন মেজাজ পরিবর্তন হওয়া , নিজেকে ভিক্টিম বা লুজার ভাবা ইত্যাদি।</p>



<p>এর বিপরীতে দেখা যায় চাপ অনুভব না করা , জীবনকে বৃহত্তর ক্ষেত্রে বিচার করা, নিজের মেজাজ নিয়ন্ত্রণে রাখা, সহজে বিরক্তি না দেখানো, নিজেকে বিজয়ী কল্পনা করা ও সর্বদা পজিটিভ থাকা। এদের সকলেই পছন্দ করে থাকেন।</p>



<p>এই ছিল বিগ ফাইভ থিওরির মুল কথা । সকলেই যে একবাক্যে এই বিগ ফাইভ তত্ত্ব স্বীকার করে নেন তা কিন্তু নয়। একজন মানুষ শুধু অকপট কিংবা বহির্মুখী একেবারে এরকম বা ওরকম ঠিক তা হয় না। একজনের মাঝে অনেকগুলো বৈশিষ্ট্য বিভিন্ন মাত্রায় থাকতে পারে। কোনোটা প্রকট, কোনোটা মাঝারি, কোনোটা আবার একদমই কম। তাহলে নিশ্চয়ই এটি পড়ে নিজের একটি ব্যক্তিত্বের পরীক্ষা কিন্তু করে ফেলতে পারেন আপনিও ! এর বিপরীতে ওঠা বিতর্কগুলি বাদ দিলে এই তত্ত্ব আমাদের ব্যক্তিত্বের অনুধাবনে ও উন্নয়নে খুব কাজে লাগে একথা বলাই বাহুল্য। আজকের যুগে নিজের ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে সচেতন হওয়া এবং তা নিয়ে নিরীক্ষা করা বেশ জরুরি। কারণ, এর ফলে নিজেকে তো চেনা যায়ই, এছাড়া এটি সঠিক পেশা বেছে নিতে, অন্যদের সাথে সম্পর্ক স্থাপনে, নিজের শক্তি এবং দুর্বলতা শনাক্ত করতে সাহায্য করে। যার ফলে দ্রুত আমরা বৃহত্তর জগতে নিজের দক্ষতার প্রমাণ দিতে সক্ষম হব ।</p>



<p>আশা করি আমাদের আজকের এই আর্টিকেলটি খুব কাজে লাগবে। আমাদের <a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজে</a> সঙ্গে থাকুন আর এরকম নানা জনপ্রিয় বিষয়ের ওপর আর্টিকেলটি<br>সংগ্রহ করতে থাকুন । লেখাটি শেয়ার করলে খুব খুশি হব। ভালো থাকবেন।</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/five-traits-of-personality-bengali/">আপনার ব্যক্তিত্ব ঠিক কীরকম ? জেনে নিন ব্যক্তিত্বের বিগ ফাইভ তত্ত্ব</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/five-traits-of-personality-bengali/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নিউরোপ্লাস্টিসিটি কি ? মস্তিষ্কের সুগঠনে নিউরোপ্লাস্টিসিটির ভূমিকা</title>
		<link>https://preronajibon.com/what-is-neuroplasticity/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/what-is-neuroplasticity/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 27 Nov 2021 19:06:18 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শরীর ও স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[bengali life tips]]></category>
		<category><![CDATA[Neuroplasticity examples]]></category>
		<category><![CDATA[Neuroplasticity exercises]]></category>
		<category><![CDATA[Neuroplasticity facts]]></category>
		<category><![CDATA[Neuroplasticity theory]]></category>
		<category><![CDATA[preronajibon]]></category>
		<category><![CDATA[নিউরোপ্লাস্টিসিটি কি]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রেন প্লাস্টিসিটি কি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=2317</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 5</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>Neuroplasticity বা নিউরোপ্লাস্টিসিটি কি ? ছোটবেলা থেকে আমাদের অনেককেই শুনতে হয়েছে তোমাকে দিয়ে এটা হবে না। তুমি এটা পারবে না।</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/what-is-neuroplasticity/">নিউরোপ্লাস্টিসিটি কি ? মস্তিষ্কের সুগঠনে নিউরোপ্লাস্টিসিটির ভূমিকা</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 5</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<div class="wp-block-uagb-advanced-heading uagb-block-21ae0cbd"><h2 class="uagb-heading-text"> <strong>Neuroplasticity বা নিউরোপ্লাস্টিসিটি কি ? </strong></h2><div class="uagb-separator-wrap"><div class="uagb-separator"></div></div><p class="uagb-desc-text"></p></div>



<p>ছোটবেলা থেকে আমাদের অনেককেই শুনতে হয়েছে তোমাকে দিয়ে এটা হবে না। তুমি এটা পারবে না। তোমার মাথায় বুদ্ধি নেই, কিংবা তুমি কিছু শিখতে পারবে না ইত্যাদি ইত্যাদি। আর আমাদের মধ্যে অনেকেই সেই কথাগুলোকে ধ্রুব সত্য ভেবে নিয়ে নিজেকে বার বার বলে এসেছে সত্যিই আমাকে দিয়ে কিছু হবে না। আমার মাথায় অন্যের মত বুদ্ধি নেই। আসলে কি বিষয়টা তাই? না আসলে এটা সত্য নয়। মস্তিক আমাদের পারিপার্শ্বিক পরিবেশের উদ্দীপনা আর আমাদের কাজেরই ফল। মস্তিক অনেকটা প্লাস্টিকের মতো। আমরা চাইলে একে আমাদের মন মতো যেকোনো রূপ দিতে পারি। যেকোনো বয়সে মস্তিষ্কের পরিবর্তন হয়ে খাপ খাইয়ে নেওয়ার ক্ষমতাকে বলা হয় ব্রেইন প্লাস্টিসিটি। আমাদের মস্তিষ্ক শত শত কোটি নিউরন দিয়ে গঠিত। আর এই নিউরনগুলো একে-অপরের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে তথ্য আদান-প্রদান করে থাকে, যার ফলে আমরা স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারি। আমাদের মস্তিষ্কে যে ‘নিউরোনাল সংযোগ’ রয়েছে, প্রতিনিয়ত তার পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও পুনর্গঠন চলতে থাকে। এই প্রক্রিয়াকে বলে নিউরোপ্লাস্টিসিটি।</p>



<p>আগে স্নায়ুবিজ্ঞানীরা মনে করতেন, এই নিউরোপ্লাস্টিসিটির বিকাশ ঘটে শুধু শৈশবে। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, এর অনেক কিছু প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায়ও ঘটে থাকে। কেউ যদি দীর্ঘদিন যাবৎ মানসিক চাপের মধ্যে থাকেন, তাহলে এই নিউরোপ্লাস্টিসিটি ব্যাহত হয়।</p>



<p>যেকোনো কিছু শিখতে এবং নতুন অভ্যাস গঠন করতে সাহায্য করে নিউরোপ্লাস্টিসিটি। আমরা যখন নতুন কিছু শিখতে যাই, তখন আমাদের মস্তিষ্কে বেশ কিছু রাসায়নিক উপাদানের ক্ষরণ হয় এবং মস্তিষ্কে একটি সাময়িক পরিবর্তন সাধনের মাধ্যমে সেটা শর্ট টার্ম মেমোরিতে পরিণত হয়। আবার সেটিকে বারবার পুনরাবৃত্তি করলে, নতুন নিউরাল কানেকশন তৈরি হয়ে মস্তিষ্কে স্থায়ী পরিবর্তন সাধন করে সেটা লং টার্ম মেমরিতে পরিণত হয়। তাই কোনোকিছু শিখতে চাইলে বা নতুন অভ্যাস গঠন করতে চাইলে, আমাদের বেশি করে সেটি অনুশীলন করতে হয়। এটি আমাদের খারাপ অভ্যাসের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। আমরা যদি দীর্ঘদিন ধরে কোনো অনিয়ম করে থাকি, খারাপ কোনো কাজ করে থাকি বা মাদক গ্রহণ করে থাকি, তবে তার জন্যও আমাদের মস্তিষ্কে পরিবর্তন সাধিত হয় এবং নেতিবাচক প্লাস্টিসিটি তৈরি হয়।</p>



<p>নিউরোপ্লাস্টিসিটির দ্বারা আমরা চাইলেই আমাদের মস্তিষ্ককে আমাদের নিজের মতো করে গড়ে নিতে পারি। এজন্য প্রয়োজন শুধু চর্চা করা। আমাদের মস্তিষ্ক কেমন হবে, তা সম্পূর্ণ আমাদের কাজের উপর নির্ভর করে। আমরা যদি আমাদের দৈনন্দিন স্বভাবের উপর একে ছেড়ে দিই, তবে তা আমাদের দৈনন্দিন স্বভাবগুলো নিয়েই বেড়ে উঠবে। আবার আমরা চাইলেই আমাদের মনমতো একটি মস্তিষ্ক গড়ে তুলতে পারি। নিউরোপ্লাস্টিসিটি বজায় রাখার জন্য আমাদের কোনো না কোনো কাজের মধ্যে থাকা জরুরি। সে জন্য কিছু অভ্যাস গড়ে তোলা খুবই জরুরি।</p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter size-full"><img decoding="async" width="640" height="426" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/11/Neuroplasticity-Facts-Benga.jpg" alt="" class="wp-image-2327" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/11/Neuroplasticity-Facts-Benga.jpg 640w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/11/Neuroplasticity-Facts-Benga-300x200.jpg 300w" sizes="(max-width: 640px) 100vw, 640px" /></figure></div>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">১. নতুন কিছু শেখা :-</span></strong></h3>



<p>গবেষণায় জানা গিয়েছে, আমরা যতদিন নতুন নতুন জিনিস শিখতে থাকি, ততদিন আমাদের মস্তিষ্কও পরিবর্তন হতে থাকে। যেমন:-ভিন্ন ভাষা শেখা,ছবি আঁকা, সাঁতার, সাইকেল চালানো, গাড়ি চালানো, নাচ, গান শেখা, মিউজিক তৈরি করা ইত্যাদি নিউরোপ্লাস্টিসিটি এবং মস্তিষ্কের উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">২. শারীরিক ব্যায়াম :- </span></strong></h3>



<p>প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ মিনিটের ব্যায়াম নিউরোপ্লাস্টিসিটিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। শারীরিক ব্যায়াম বিভিন্ন ব্রেইন কেমিক্যালের মাত্রা বৃদ্ধি করে যা নতুন নিউরন ও নিউরাল কানেকশন গঠনে সাহায্য করে এবং সিন্যাপ্স কানেকশনগুলো মুছে যাওয়া থেকে রোধ করে। হাঁটা চলাও শরীরের পক্ষে একটি সহজ ও কার্যকর ব্যায়াম। এটি নিউরন কানেকশনগুলোকে তরতাজা রাখে।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৩.পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ :- </span></strong></h3>



<p>পুষ্টিকর উপাদান আমাদের নিউরন এবং নিউরোট্রান্সমিটার গড়তে সাহায্য করে, সেগুলো নিয়মিত খাওয়ার মাধ্যমে আমরা আমাদের নিউরোপ্লাস্টিসিটি বৃদ্ধি করতে পারি। যেমন-ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড, বিশেষ করে DHA (docosahexaenoic acid), মস্তিষ্কের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, ভিটামিন-ডি এবং ভিটামিন-ই,ডার্ক চকলেট, বাদাম,তেলের বীজ,মাছ বিশেষ করে সামুদ্রিক মাছ,ম্যাগনেসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম থিওনেট ইত্যাদি।</p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter size-full"><img decoding="async" width="640" height="426" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/11/Sleeping-Benefits-Neuroplas.jpg" alt="" class="wp-image-2326" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/11/Sleeping-Benefits-Neuroplas.jpg 640w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/11/Sleeping-Benefits-Neuroplas-300x200.jpg 300w" sizes="(max-width: 640px) 100vw, 640px" /></figure></div>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৪.পর্যাপ্ত ঘুম :- </span></strong></h3>



<p>দৈনিক পাঁচ ঘন্টার কম ঘুম হলে মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে পড়ে।আর দশ ঘন্টার বেশি ঘুম হলে মস্তিষ্ক সজাগ হওয়ার সময় পায় না। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন। নিউরোপ্লাস্টিসিটির ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত ঘুম বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৫. মেডিটেশন :- </span></strong></h3>



<p>মস্তিষ্ককে শান্ত রাখা একটি যথেষ্ট কঠিন কাজ। গবেষণা থেকে জানা যায়, মেডিটেশনের সময় মস্তিষ্ক এমন কিছু কেমিক্যাল ক্ষরণ করে যা মস্তিষ্কের কোষ বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে, মনোযোগ বৃদ্ধি করে, নিউরাল কানেকশনগুলোকে শক্তিশালী করে। অর্থাৎ মস্তিষ্কের উন্নতিসাধনে মেডিটেশন যথেষ্ট গুরুত্ববাহী।</p>



<p class="has-text-align-center">জেনে নাও : <a href="https://preronajibon.com/8-ways-not-to-be-depressed/">বাড়িতে অবসাদ মুক্ত থাকতে করণীয় ৮ টি বিষয়</a></p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৬. সু-অভ্যাস গড়ে তোলা :-</span></strong></h3>



<p>আমরা প্রত্যেকেই চাই আমাদের খারাপ অভ্যাসগুলো মুছে ফেলে সু-অভ্যাস গড়ে তুলতে। কিন্তু ব্যাপারটা অতটাও সহজ নয়। আমরা চাইলেই আমাদের অভ্যাসগুলোকে বদলে দিতে পারি না। আমাদের খারাপ অভ্যাসগুলোও নিউরোপ্লাস্টিসিটিরই ফসল। কিন্তু দুটি সহজ উপায় অবলম্বন করে সহজেই আমরা নতুন সু-অভ্যাস গড়ে ফেলতে পারি আমাদের সুপার পাওয়ার নিউরোপ্লাস্টিসিটি ব্যবহার করে। যেকোন নুতন অভ্যাস বা সুঅভ্যাস গড়ে তুলতে হলে ছোট ছোট পদক্ষেপ দিয়ে শুরু করা। যখন আপনি অভ্যাসটি তৈরি করতে থাকবেন, চেইন ব্রেক করবেন না। প্রতিদিন চেষ্টা করতে হবে কাজটি একটু হলেও করার। এতে করে নতুন সিন্যাপ্স কানেকশন তৈরি হবে এবং ধীরে ধীরে আমরা কাজটিতে অভ্যস্ত হয়ে উঠবো।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৭. নেতিবাচক চিন্তা পরিহার :- </span></strong></h3>



<p>যেকোন ঘটনার দুটি দিক থাকে একটি ইতিবাচক অন্যটি নেতিবাচক। কিন্তু দেখা যায় আমরা বেশির ভাগ সময় নেতিবাচক চিন্তা ও ধারণাগুলোকে লালন-পালন করে বেড়াই। আর এটা নিউরোপ্লাস্টিসিটির ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাই যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার নেতিবাচক দিকের ওপর মনোযোগ না দিয়ে, বরং সেই ঘটনা থেকে আমরা কী কী শিক্ষা গ্রহণ করতে পারি,তা নিয়ে আমাদের ভাবা উচিত। সেখানে যদি কোনো অর্জন থাকে, তা যত ছোটই হোক না কেন, সেটির জন্য নিজেদের পুরস্কৃত করা প্রয়োজন। এর ফলে আমাদের আত্মবিশ্বাস ও আত্মমর্যাদা বাড়বে।</p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter size-full"><img loading="lazy" decoding="async" width="640" height="426" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/11/Reading-Facts-Neuroplastici.jpg" alt="" class="wp-image-2328" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/11/Reading-Facts-Neuroplastici.jpg 640w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/11/Reading-Facts-Neuroplastici-300x200.jpg 300w" sizes="auto, (max-width: 640px) 100vw, 640px" /></figure></div>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৮. বই পড়া ও লেখালেখি :- </span></strong></h3>



<p>বই মানুষের প্রকৃত বন্ধু ব&#8217;লে নিউরনের ক্ষেত্রেও সেই বন্ধুত্বের ভূমিকাই পালন করে বই। তাই সময় করে প্রতিদিন কিছুটা সময় অন্তত বই পড়ুন। বই পড়া ও লেখালেখির মাধ্যমে মস্তিষ্কে নিউরনের সংযোগ পুনর্গঠিত হয়ে ওঠে; আজ একথা প্রমানিত সত্য।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color"><strong>৯. খুশি থাকুন :- </strong></span></h3>



<p>একটি সুস্থ ও সুন্দর জীবন গঠনে নিউরোপ্লাস্টিসিটি যুগান্তকারী ভূমিকা রাখতে সক্ষম। যেহেতু আমাদের বুদ্ধিমত্তা বদলাতে পারে, তার সাথে সাথে আমরা আমাদের আবেগ এবং অন্যান্য অনুভূতিগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি। আমরা চাইলেই খুশি থাকা শিখতে পারি। রোজ এমন তিনটি বিষয় বা ঘটনা লেখা জরুরি যার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। কাউকে ইতিবাচক কিছু বলুন বা লিখে পাঠান। বিগত ২৪ ঘন্টার মধ্যে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনাটি লিখুন। ছোট ছোট জিনিসের মধ্যে খুশি খুঁজুন। এতে আপনার মন ও মস্তিষ্কের উন্নয়ন ঘটবে।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">১০. মানসিক চাপ ব্যবস্থাপনা :-</span></strong></h3>



<p>মানসিক চাপ বিষয়টি আজ খুব পরিচিত বিষয়। দীর্ঘদিন ধ&#8217;রে মানসিক চাপের মধ্যে থাকলে নিউরোপ্লাস্টিসিটি প্রতিহত হতে থাকে । তাই মানসিক চাপের সঠিক নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে মস্তিষ্ককে সচল রাখুন এবং জীবনকে সুন্দর ও উপভোগ্য করে গড়ে তুলুন। মানসিক চাপ ব্যবস্থাপনার অনেক ধরনের উপায় রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো নিজেকে সময় দেওয়া। প্রতিদিন নিয়ম করে অন্ততপক্ষে পাঁচ মিনিট হলেও নিজেকে সময় দিন। নিজের পছন্দের কাজগুলি না করতে পারার ফলেই মানসিক চাপের জন্ম হয়। সেই সময়টাতে নিজের পছন্দের কাজগুলি মন খুলে করতে থাকুন আর জীবনের জরা ব্যাধিকে দূরে রেখে হয়ে উঠুন চিরসবুজ।</p>



<p>নিউরোপ্লাস্টিসিটি নিয়ে আমাদের লেখাটি কেমন লাগলো তা আমাদের কমেন্টে জানান। ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন । এই ধরনের লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের <a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজ</a> ও <a href="https://www.youtube.com/channel/UCAKFB41Z5wBB1qMV67Gdziw">ইউটিউব চ্যানেলের</a> সাথে যুক্ত থাকুন।</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/what-is-neuroplasticity/">নিউরোপ্লাস্টিসিটি কি ? মস্তিষ্কের সুগঠনে নিউরোপ্লাস্টিসিটির ভূমিকা</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/what-is-neuroplasticity/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ঈগলের মানসিকতা । The Eagle Attitude । Bengali Motivational Story</title>
		<link>https://preronajibon.com/the-eagle-attitude/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/the-eagle-attitude/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 03 Nov 2021 19:29:45 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[মোটিভেশন]]></category>
		<category><![CDATA[bengali life tips]]></category>
		<category><![CDATA[bengali motivational]]></category>
		<category><![CDATA[Eagle Attitute]]></category>
		<category><![CDATA[Eagle Life]]></category>
		<category><![CDATA[Eagle Niti]]></category>
		<category><![CDATA[Life Lesson from Eagle]]></category>
		<category><![CDATA[preronajibon]]></category>
		<category><![CDATA[ঈগল নীতি]]></category>
		<category><![CDATA[ঈগলের মানসিকতা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=2296</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 2</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>ঈগলের মানসিকতা । The Eagle Attitude পশুদের রাজা যেমন সিংহকে বলাহয় ঠিক তেমনি পাখিদের রাজা হলো ঈগল। সিংহকে যেমন তার</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/the-eagle-attitude/">ঈগলের মানসিকতা । The Eagle Attitude । Bengali Motivational Story</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 2</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<h2 class="has-text-align-center wp-block-heading"><span style="color:#ff0303" class="tadv-color"><strong><span style="background-color:#fef212" class="tadv-background-color">ঈগলের মানসিকতা । The Eagle Attitude</span></strong></span></h2>



<p>পশুদের রাজা যেমন সিংহকে বলাহয় ঠিক তেমনি পাখিদের রাজা হলো ঈগল। সিংহকে যেমন তার মধ্যে থাকা বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্যের জন্য এই তকমা দেওয়া হয়েছে ঠিক তেমনই ঈগল পাখির মধ্যেও রয়েছে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য যা একে বাকি পাখিদের থেকে ওপরের স্থানে রাখে। আজকের আলোচনায় আমরা জানবো ঈগলের মানসিকতা সেই সমস্ত বৈশিষ্ট্য এবং এর থেকে আমরা কি কি জীবনের শিক্ষা পাই।</p>



<div class="wp-block-uagb-inline-notice uagb-inline_notice__outer-wrap uagb-inline_notice__align-left uagb-block-6f809279"><h3 class="uagb-notice-title"> <strong>১. একা চলার ক্ষমতা : </strong></h3><div class="uagb-notice-text"><p>ঈগল অন্য পাখিদের মতন দল বেঁধে ওড়েনা। তারা একা বা নিজের প্রজাতির সাথেই আকাশের উচ্চতায় ওড়ে যেখানে অন্য পাখিরা পৌঁছতে পারেনা। অর্থাৎ নিজের লক্ষ্যকে উঁচু রাখো এবং সেখানে পৌঁছনোর জন্য দল ছেড়ে একা চলতে শেখো , অথবা একমাত্র তাদেরই সাথে নাও যারা তোমার মতন দৃষ্টিভঙ্গি রাখে এবং যাদের লক্ষ্য একই ।</p></div></div>



<p class="has-text-align-center"><strong>জেনে নাও : <a href="https://preronajibon.com/life-changing-30-motivational-bengali-quotes/">Life Changing 30 Bengali Quotes</a></strong></p>



<div class="wp-block-uagb-inline-notice uagb-inline_notice__outer-wrap uagb-inline_notice__align-left uagb-block-e7a52004"><h3 class="uagb-notice-title"> <strong>২. লক্ষ্য স্থির রাখো : </strong></h3><div class="uagb-notice-text"><p>ঈগল পাখি অনেক উচ্চতায় উড়লেও নিজের লক্ষ্যে অবিচল থাকে। ঈগল কয়েক কিলোমিটার দূরত্ব থেকেও নিজের শিকারের প্রতি ধৈর্যের সাথে তীক্ষ্ন নজর রাখে এবং সঠিক সময়ে নিজের শিকারের ওপর আক্রমণ করে তা অর্জন করে। অর্থাৎ এর থেকে আমরা এটাই শিখতে পারি যে ধৈর্যের সাথে পর্যবেক্ষণের পরে নিজের লক্ষ্য নির্ধারণ করো এবং তার ওপর অবিচল থাকো। ততক্ষন হাল ছেড়ো না যতক্ষণ না তুমি সেটাকে অর্জন করছো ।</p></div></div>



<div class="wp-block-uagb-inline-notice uagb-inline_notice__outer-wrap uagb-inline_notice__align-left uagb-block-bb2aa1a2"><h3 class="uagb-notice-title"> <strong>৩. বিপদের সম্মুখীন হতে শেখো : </strong></h3><div class="uagb-notice-text"><p>অন্য পাখিদের বিপরীত ঈগল ঝড় ঝঞ্ঝা দেখে ভয় পায়না। তারা ঝড়ের সময় অন্য পাখিদের মতন আশ্রয় খুঁজে বেড়ায় না। ঈগল ঝড় পছন্দ করে কারন ঝড়ের হওয়ার তীব্রতাকে কাজে লাগিয়ে  তারা ঝড়ের ওপরে উড়তে পারে এবং তাদের ডানাকে আরাম দিতে পারে , এর ফলে ঈগল আরও শক্তিশালী হয়। অর্থাৎ যেকোনো বিপদ দেখে পালিয়ে না গিয়ে আমাদের উচিত তার সম্মুখীন হওয়া এবং লড়াই করা। প্রতিটি বিপদ আমাদের কোনো না কোনো জীবন শিক্ষা দিয়ে যায় যা পরবর্তীতে আমাদের আরও শক্তিশালী করে তোলে।</p></div></div>



<p class="has-text-align-center"><strong>জেনে নাও : <a href="https://preronajibon.com/motivational-bangla-status/">মোটিভেশনাল বাংলা স্ট্যাটাস</a></strong></p>



<div class="wp-block-uagb-inline-notice uagb-inline_notice__outer-wrap uagb-inline_notice__align-left uagb-block-275d7815"><h3 class="uagb-notice-title"><strong>৪. সম্পর্কের প্রতি দায়িত্ববান হও :</strong></h3><div class="uagb-notice-text"><p>ঈগল নিজের জন্য সঙ্গী খোঁজার আগে তার যোগ্যতা এবং তার প্রতি সঙ্গীর অঙ্গীকারের পরীক্ষা নেয়। অর্থাৎ জীবনে যেকোনো সম্পর্কে যাওয়ার আগে দেখে নাও যে সেই ব্যক্তির সাথে তোমার দৃষ্টিভঙ্গি মেলে কিনা এবং সে তোমার এবং তোমার জীবনের লক্ষ্যের প্রতি কতটা অঙ্গীকারবদ্ধ।</p></div></div>



<div class="wp-block-uagb-inline-notice uagb-inline_notice__outer-wrap uagb-inline_notice__align-left uagb-block-a4b51149"><h3 class="uagb-notice-title"><strong>৫. নিজেকে পুনরুজ্জীবিত করতে শেখো :</strong></h3><div class="uagb-notice-text"><p>জীবনের প্রায় ৪০ বছর অতিক্রম করার পরে ঈগল পাখির শরীর জীর্ণ হয়ে পরে , তখন তাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হয় &#8211; এক, নিজের এই দুর্বলতাকে স্বীকার করে নিয়ে মৃত্যুর পথ বেঁচে নেওয়া , অথবা দুই , বেদনাদায়ক পদ্ধতিতে নিজেকে পুনরুজ্জীবিত করে জীবনের আরও ৩০ টি বছর উপভোগ করা। এই পদ্ধতিতে ঈগলকে নিজের পাখনা নিজেকে টেনে ছিড়তে হয় এবং নিজের ঠোঁট নিজেকে ভাঙতে হয়। এই পদ্ধতিতে প্রায় ৫ থেকে ৬ মাস সময় লাগে। এর পর ঈগলের শরীরে নতুন পাখনা ও ঠোঁট আসে যা তাকে আগের মতন শক্তিশালী ও শিকারে পারদর্শী করে তোলে। অর্থাৎ ত্যাগ ছাড়া সফলতা পাওয়া সম্ভব নয়, নিজের লক্ষ্যে পৌঁছতে আমাদের অনেকসময় কঠিন সময় অতিক্রম করতে হয় , কিন্তু যে শেষ অবধি হাল না ছেড়ে ধৈর্য নিয়ে সইতে পারবে &#8211; সাফল্য তার কাছে ধরা দেবেই।</p></div></div>



<p>ঈগলের মানসিকতা নিয়ে আমাদের লেখাটি কেমন লাগলো তা আমাদের কমেন্ট বক্সে জানাও। ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করো। এই ধরনের লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের <a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজে</a> ও <a href="https://www.youtube.com/channel/UCAKFB41Z5wBB1qMV67Gdziw">ইউটিউব চ্যানেলের</a> সাথে যুক্ত থাকো।</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/the-eagle-attitude/">ঈগলের মানসিকতা । The Eagle Attitude । Bengali Motivational Story</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/the-eagle-attitude/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>তোমার পাশে সর্বদা এই পাঁচ ধরণের মানুষদের রেখো</title>
		<link>https://preronajibon.com/surround-yourself-with-these-people/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/surround-yourself-with-these-people/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 02 Sep 2021 18:31:07 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জীবনের লক্ষ্য]]></category>
		<category><![CDATA[bengali life tips]]></category>
		<category><![CDATA[preronajibon]]></category>
		<category><![CDATA[জীবন সমস্যার সমাধান]]></category>
		<category><![CDATA[প্রেরণাজীবন]]></category>
		<category><![CDATA[লক্ষ্য অর্জনের উপায়]]></category>
		<category><![CDATA[সঠিক বন্ধু নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[সঠিক সিদ্ধান্ত নেবার উপায়]]></category>
		<category><![CDATA[সফল মানুষদের অভ্যাস]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=2250</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 3</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>Surround yourself with positive people who believe in your dreams, encourage your ideas, support your ambitions, and bring out the</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/surround-yourself-with-these-people/">তোমার পাশে সর্বদা এই পাঁচ ধরণের মানুষদের রেখো</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 3</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p class="has-text-align-center"><strong><em>Surround yourself with positive people who believe in your dreams, encourage your ideas, support your ambitions, and bring out the best in you.&#8221;</em></strong> -Roy T. Bennett</p>



<p>যে মানুষগুলোর সঙ্গে থাকলে জীবন সফল হবে। কথায় বলে তুমি তাদের সঙ্গে মেশো, যাদের মত হতে চাও। বাবা-মা আত্মীয় তুমি বেছে নিতে পারো না। কিন্তু তোমার বন্ধু ও মেলামেশার সঙ্গী অবশ্যই নির্বাচন করে নিতে পারো। আধুনিক গবেষণায় উঠে এসেছে মানুষ তার চারপাশের সঙ্গীদের দ্বারা অনেকটাই প্রভাবিত হয়। ফলে জীবনের সাফল্য ব্যর্থতা সুখ-দুঃখের জন্য প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দায়ী তোমার সেই সঙ্গীরা- যাদের দ্বারা তুমি প্রভাবিত। তো চলো আজ কথা না বাড়িয়ে জেনে নিই কেমন মানুষের সঙ্গে সব সময় থাকার চেষ্টা করা উচিত।</p>



<h2 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">1.The Inspired (অনুপ্রাণিত) :- </span></strong></h2>



<p>দেখবে অনেক মানুষ আছে অন্যের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয় এবং সর্বদাই তার উৎসাহ বৃদ্ধি পেতে থাকে এইরকম উদ্যমী উৎসাহী বা অনুপ্রাণিত মানুষের সঙ্গে থাকলে তোমার ভেতরের অলস প্রকৃতিটি গা ঝাড়া দিয়ে জেগে উঠবে। উদ্যমী সঙ্গীরা তোমাকে কখনো ঝিমিয়ে পড়তে দেবেনা। কাজেই তুমি এখন থেকে সেইসব মানুষদের সঙ্গে মেলামেশার চেষ্টা করো-যারা নিজেও অনুপ্রাণিত এবং তোমাকেও তোমার কর্মে উৎসাহ যোগাতে থাকবে।</p>



<h3 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading"><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color"><strong>2.</strong> <strong>The Passionate (উৎসাহী) :- </strong></span></h3>



<p>উৎসাহী মানুষই সবচেয়ে বেশি শিখতে পারে। শিশুরা দেখবে সবকিছুতে হাত লাগাতে চায়- সবকিছুই খুলে দেখতে চায়। যদিও এতে অজান্তে বিপদ আসতে পারে- কিন্তু এই উৎসাহ ব্যাপারটাই তাদের দ্রুত শিখতে সাহায্য করে। যে কোনো শিশুর শিক্ষার প্রধান শর্তই হলো ওই বিষয়ে উৎসাহ। তাই এমন সঙ্গীদের সঙ্গে থাকার চেষ্টা করো যারা কোন না কোন বিষয়ে বিশেষ উৎসাহী। এই উৎসাহ ব্যাপারটা কিন্তু সঞ্চারিত হয়ে যায় চারপাশে। বলা যায়না সেই চারপাশে হয়তো তুমি-ই রয়েছো।</p>



<p class="has-text-align-center"><strong>জেনে নাও : <a href="https://preronajibon.com/always-stay-away-from-these-people/">এই ১১ ধরণের মানুষ থেকে সর্বদা দূরে থাকো</a></strong></p>



<h3 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading"><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color"><strong>3.</strong> <strong>The Grateful (কৃতজ্ঞ) :- </strong></span></h3>



<p>ঈশ্বরের কাছে আমরা সর্বদাই কৃতজ্ঞ। এত সুন্দর পৃথিবী যিনি তৈরি করেছেন,তাকে দেখার ও উপভোগ করার জন্য আমাদের সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু কিছু মানুষ রয়েছে যারা কী পেয়েছে তা না দেখে কী পায় নি তার হিসেব কষতেই ব্যস্ত থাকে। আমার এটা নেই, ওটা নেই, আমার অভাব অনটন ফুরোয় না, জীবনটাই দুঃখে ভরে গেল- ইত্যাদি ইত্যাদি। এরা যেমন ঈশ্বরের প্রতি কৃতজ্ঞ নয়- তেমনি তারা মানুষের উপকারও স্বীকার করে না। কিন্তু যারা কৃতজ্ঞ থাকে তারা কৃতজ্ঞতার দ্বারা বিনয়ী ভাবাপন্ন হয়। আর তুমি তো ভালো করেই জানো &#8216; বিদ্যা দদাতি বিনয়ং&#8217; বিখ্যাত এই সংস্কৃত উক্তিটি।</p>



<p class="has-text-align-center"><strong>&#8220;Surround yourself with really good people. I think that&#8217;s an important thing. Because the people you surround yourself are a reflection of you.&#8221;</strong>-Aaron Rodgers</p>



<h3 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading"><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color"><strong>4.The Motivated (প্রেষণাযুক্ত) </strong>:- </span></h3>



<p>মোটিভেশন এর বাংলা পরিভাষা হলো প্রেষণা। অর্থাৎ কোনো কাজে বা বিষয়ে আগ্রহী করে তোলাই হলো মোটিভেশন। আপাতদৃষ্টিতে Passionate, Inspired, Motivated শব্দগুলির বাংলা অর্থ এক মনে হলেও এদের অর্থগুলো আলাদা। যাইহোক না কেন তোমার চারপাশের মানুষ এমন থাকা প্রয়োজন যারা নিজেরা সর্বদা মোটিভেটেড থাকতে পছন্দ করে। এরকম উদ্দীপ্ত মানুষদের সঙ্গী হতে হলে তোমারও তাদেরকে সর্বদাই মোটিভেট করে রাখতে হবে। আর তাদের সঙ্গে থাকতে থাকতে তোমার ডিমোটিভেটেড হবার কোনো চান্সই থাকবে না। জীবনে সফল হতে হলে এই মোটিভেশন খুবই প্রয়োজন। কারণ বর্তমান যুগে চারপাশে সমালোচক ও ডিমোটিভেটেড করার মানুষ খুব বেশি। তাই জীবনে সফল হতে হলে এই মোটিভেটেড ব্যক্তিরা তোমাকে বাড়তি অক্সিজেন দেবে নিশ্চিত।</p>



<h3 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading"><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color"><strong>5.</strong> <strong>The Open Minded (মুক্ত মানসিকতাযুক্ত) :-</strong></span></h3>



<p>বড় মানুষের মনও বড় হয়ে থাকে কথাটি আংশিক সত্য। সত্যিকারের বড় তারাই যারা মানসিক সংকীর্ণতামুক্ত অর্থাৎ ওপেন মাইন্ডেড মানুষ নতুন কিছু শিখতে ও গ্রহণ করতে পারে। তারা আগে থেকে কট্টরবাদীদের মত সিদ্ধান্ত নিয়ে রাখেন না- তারা বিশ্বাস করেন যত মত তত পথ। অর্থাৎ তুমি তোমার মতামত ও আদর্শকে নির্দ্বিধায় শেয়ার করতে পারবে। তাদের সঙ্গে থাকলে তোমার মনও বড় ও উদার হতে থাকবে। বর্তমান সোশ্যাল মিডিয়া প্রভাবিত যুগে নিশ্চয়ই দেখে থাকবে মানুষ প্রযুক্তির দিক থেকে উন্নত হলেও- অনেকের মনে রয়ে গেছে সেই মধ্যযুগীয় সংকীর্ণতা। হিংসা,ঈর্ষা, পরনিন্দা-পরচর্চা তাদের আলোচনার বিষয় হয়ে যায়। তুমি নিশ্চয়ই ওদের মত সময় অপচয় করার মানুষ নও। কাজেই উদার মনের মানুষের সঙ্গে সময় কাটাও আর তুমিও হয়ে ওঠো আধুনিক উদার স্বপ্নদর্শী এক সফল মানুষ।</p>



<p>বন্ধুরা আজ আমরা আলোচনা করলাম কোন ধরনের মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করবে বা তোমার চারপাশে কি ধরণের মানুষ তুমি রাখার চেষ্টা করবে। লেখাটি ভালো লেগে থাকলে শেয়ার করে দিতে ভুলো না। আমাদের সঙ্গে থাকো&nbsp;<a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজটিকে</a>&nbsp;লাইক করে দিও। ভালো থেকো।</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/surround-yourself-with-these-people/">তোমার পাশে সর্বদা এই পাঁচ ধরণের মানুষদের রেখো</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/surround-yourself-with-these-people/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মধ্যবিত্ত সংসারে অর্থ সঞ্চয়ের আটটি কার্যকর টিপস</title>
		<link>https://preronajibon.com/eight-savings-tips-for-middle-class/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/eight-savings-tips-for-middle-class/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 10 May 2020 10:06:33 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শিক্ষা ও জীবন]]></category>
		<category><![CDATA[bengali life tips]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থ সঞ্চয়ের উপায়]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থ সঞ্চয়ের টিপস]]></category>
		<category><![CDATA[দৈনন্দিনের টিপস]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যবিত্ত সংসার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=1381</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 3</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>মধ্যবিত্ত সংসারে অর্থ সঞ্চয়ের টিপস মানুষের জীবনে দুটি দিক সবচেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তার করে। অনেক সময় এই দুটি বিষয়ের বৈপরীত্য</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/eight-savings-tips-for-middle-class/">মধ্যবিত্ত সংসারে অর্থ সঞ্চয়ের আটটি কার্যকর টিপস</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 3</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p class="has-text-align-center has-medium-font-size"><strong><span style="background-color:#fcb900" class="tadv-background-color">মধ্যবিত্ত সংসারে অর্থ সঞ্চয়ের টিপস</span></strong></p>



<p>মানুষের জীবনে দুটি দিক সবচেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তার করে। অনেক সময় এই দুটি বিষয়ের বৈপরীত্য মনে দ্বন্দ্বেরও সৃষ্টি করে থাকে। সেই দুটি বিষয় হল &#8211; একটি আর্থিক অন্যটি পরমার্থিক।</p>



<p><br>বাস্তবিক জগতে খেয়ে পরে বাঁচতে হলে অর্থের প্রয়োজন। কিন্তু আবার অর্থের উর্ধে মানবতা , গৌরব , জাতীয়তা , আত্মসম্মান ইত্যাদি জীবনের মহৎ বৈশিষ্ট্যগুলি হল পরমার্থিক বিষয়। শিক্ষিত ও মধ্যবিত্ত পরিবারে এই পরমার্থিক বিষয়ে নম্বর বেশি দিতে গিয়ে অনেক সময় অর্থনীতির ভরাডুবি ঘটে যায়, আবার অনেকেই অর্থের প্রতি নজর বেশি দেন বলে তার স্বাভাবিক গুণগুলির অভাব সকলের কাছে ধরা পড়ে। তাই সংসারের পরিকল্পনায় কীভাবে সুন্দর ভাবে অর্থ সঞ্চয় বাড়ানো যায় তার আটটি টিপস নিয়ে আজ আলোচনা করব &#8211;</p>



<h2 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading"><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color"><strong>১. খরচের হিসেবে রাখুন ( কাকেইব ):-</strong> </span></h2>



<p>জাপানে মহিলারা সংসার চালানোর জন্য একটি বিশেষ পদ্ধতি অবলম্বন করে থাকেন এবং তা সন্তানদের শিখিয়েও দেন। সেটা হল &#8211; Kakeibo । কাকেইব হল জাপানি মহিলাদের বিশেষ লেজার খাতা। যার মধ্যে সংসারের খরচকে সুসংবদ্ধভাবে করার পরিকল্পনা থেকে। আর্থিক আয় অনুসারে প্রত্যেকের কাকেইব আলাদা আলাদা হয়ে থাকে। তাই আমাদের মধ্যবিত্ত মানুষের হিসেবের নিরিখে আমরা বলতে পারি &#8211; কোনো ডিজিটাল অ্যাপ নয় &#8211; সাধারণ নোট বুকে চারটি ভাগে তালিকা করতে হবে &#8211; অত্যবশ্যকীয় , শিক্ষা , বিনোদন ও অন্যান্য।</p>



<p><br>তারপর সাপ্তাহিক বা মাসিক হিসেবে খরচের প্রস্তুতি নিতে হবে। মনে রাখতে হবে কাকেইব একটি পারিবারিক পরিকল্পনা মাত্র। সেটা প্রত্যেকের প্রয়োজনীয় খরচটুকু করার শিক্ষা দেয়।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">২. Clear fixed Expenses :- </span></strong></h3>



<p>নিশ্চিত খরচের স্বচ্ছ তালিকা প্রস্তুত : সংসারের খরচ নিয়ে আমাদের রোজগেরে মানুষের মাথাব্যথার শেষ নেই। অপরিকল্পিত খরচ করি আর অন্যদিকে সংসারের জন্য এই করি , ঐ করি বলে খোটা দিতেও ছাড়ি না। সময় বয়ে যাচ্ছে সময়ের মতো। যদি আমরা প্রতিটি সময়ের বিচারে বেঁচে থাকার ও সুস্থ থাকার মূল প্রয়োজনীয় খরচের তালিকা বানাই এবং সেই হিসেবে খরচ করি &#8211; একশো শতাংশ গ্যারান্টি দেয়া যাবে কিছুটা হলেও বাজে খরচ কমবে।<br>আরেকটি বিষয় মধ্যবিত্ত পরিবারে ঋণ থাকবে না &#8211; তা কি হয়। যাদের loan বা সুদযুক্ত ঋণ রয়েছে তারা কিন্তু সুদযুক্ত ঋণকে আগে শোধ করবেন। কেন না ব্যাঙ্ক ঋণ কিন্তু প্রতিটা দিনের ওপর সুদ হিসেবে করে থাকে।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৩. List before shopping (তালিকা বানিয়ে বাজার) :-</span></strong> </h3>



<p>মাসের রোজগারের সঙ্গে শপিং এর সম্পর্ক আছেই। যারা শপিং করেন তাদের কিন্তু দুটো কাজ করতে হবে &#8211;<br><em><strong>ক ) Compulsive Shopping ও Impulsive Shopping সম্পর্কে জানতে হবে।<br>খ ) তালিকা বানিয়ে বাজার করতে হবে।</strong></em></p>



<p>মানুষের মস্তিষ্কের ওপর গবেষণা করেই কিন্তু শপিং মলগুলোর পসরা সাজানো হয়। তাই প্রয়োজনীয় খরচের চেয়ে আবেগপ্রবণ খরচ কমাতে পারলেই অনেকটা কেল্লা ফতে। হাস্যকর হলেও আরেকটি বিষয় গবেষকরা জানিয়েছেন shopping করতে যাবার আগে ভরপেট খেয়ে যান। কারণ ভর পেটে নাকি impulsive(আবেগ প্রবণ) খরচের ইচ্ছা কমে যায়।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৪. Shop with cash :- </span></strong></h3>



<p>খরচ কমাতে আধুনিক ডিজিটাল সুবিধাগুলি শিখে রাখুন কিন্তু ব্যবহার করুন সনাতন কয়েকটি বিষয়। তারমধ্যে Cash Payment অন্যতম &#8211; এমনটাই Home Savings Advisory thought &#8211; এর কথায় উঠে আসছে।</p>



<p><br>হাত থেকে ক্যাশ পে করলে একটা লস বা হারানোর অনুভূতি আসে। অনেক কোটিপতি মানুষও সাধারণ খরচ ক্যাশ -এই করে থাকেন তাদের বিশেষ অৰ্থনৈতিক ভাবনা থেকেই। ক্রেডিট কার্ড , ডেবিট কার্ড &#8211; এ কেবল নিত্য প্রয়োজনীয় Pay গুলো করে shopping cash এই করা তাই লাভজনক।</p>



<p><br>ক্যাশ পেমেন্ট বা নগদ কেনাকাটার পর খুচরো টাকাগুলো গৃহে নির্দিষ্ট সঞ্চয় ভাণ্ডারে রাখুন। দেখবেন অনেক জরুরি খরচ ওখান থেকেই করে ফেলতে পারছেন।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৫. Review your paid subscription :-</span></strong> </h3>



<p>নিয়মিত রিচার্জ বা সাবস্ক্রিপশনগুলো নিয়ে পর্যালোচনা করুন। কারণ তিল তিল করেই তাল হয়। আমার দরকার 1GB ডেটা আমি 3GB রিচার্জ করছি নিয়মিত। সেখানে একশো দেড়শো টাকা বেশি নিয়মিত খরচ করছি। জিমে যাচ্ছেন না কিন্তু ফিস দিয়ে যাচ্ছেন। একই কথা টিভি কিংবা ডিজিটাল অনেক বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।</p>



<h3 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৬. Whatsapp Group তৈরী :- </span></strong></h3>



<p>পরিবারের সদস্যদের নিয়ে একটি Whatsaap Group তৈরী করুন। প্রত্যেকেই সেখানে কী কী খরচ করছেন তা লিখে রাখুন। এভাবে দেখবেন অপ্রয়োজনীয় খরচের বিষয়টি যেমন উঠে আসবে তেমনি &#8211; &#8221; এত টাকা কী করো ?&#8221; &#8211; এই প্রশ্নটি আর শুনতে হবে না আপনাকে , আজই তাই খুলে ফেলুন Group টি।</p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter size-large"><img loading="lazy" decoding="async" width="500" height="333" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2020/05/Savings-Tips.jpg" alt="" class="wp-image-1384" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2020/05/Savings-Tips.jpg 500w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2020/05/Savings-Tips-300x200.jpg 300w" sizes="auto, (max-width: 500px) 100vw, 500px" /></figure></div>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৭. 24hr and 30days Rule :- </span></strong></h3>



<p>তালিকা বানিয়ে শপিং -এ যাবার পরও আমরা কিছু পণ্য দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ি। সেক্ষেত্রে Home Science এর আলোচকগণ 24 hours /30 days rules এর কথা বলেছেন। 50% sale বা ঐ জাতীয় &#8216; অফার &#8216; দেখে 24hours rules ব্যবহার করতে হবে। মানে পরেরদিন কেনা যাবে সিদ্ধান্ত নিন। আর বড় বাজেটের জিনিসগুলো টিভি ফ্রিজ ইত্যাদির ক্ষেত্রে 30 days পিছিয়ে দিন। মানুষের ভেতরে কিছু conditioning ঘটে থাকে যা 24 hours /30 days পর চিন্তা ভাবনা বদলে যায়। নিশ্চয় এই অভিজ্ঞতা আপনারও হয়েছে।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color"><strong>৮. ছোট ছোট বিনিয়োগ, লম্বা সময় :- </strong></span></h3>



<p>আলোচনার শুরুতে সঞ্চয়ের কথা বলা হলেও ছয়টি টিপস শুধু বাজে বা অপ্রয়োজনীয় খরচ কমানোর কথা বলা হয়েছে। হ্যাঁ বন্ধু একটা কথাই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বলা হয়ে থাকে। সঞ্চয় বাড়ানো মানেই বাজে খরচ কমানো। এরপরে কথা থাকে যা , তা হল বিনিয়োগ বা সঞ্চয়ের উপায়। মধ্যবিত্ত পরিবারে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হল ছোট ছোট বিনিয়োগ কিন্তু লম্বা সময়ের। কোথায় ,কীভাবে এসব এখানে আলোচ্য নয়। আপনি খরচ বাঁচিয়ে উদ্বৃত্ত টাকা বুদ্ধিমতো সঞ্চয় করতেই পারবেন বলে আশা রাখছি। আধুনিক বিজ্ঞাপনের ভোগপণ্যের যুগে নিজেকে আমরা কতটা সংযত রাখতে পারছি &#8211; সেটাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।</p>



<p>আশা করি বন্ধু লেখাটি পড়ে কিছুটা হলেও কাজে লাগবে। সবাই স্বাস্থ্য বিধি মেনে সুস্থ থাকুন , এই কামনা করি। আর হ্যাঁ আমাদের <a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজটি</a> লাইক করে পাশে থাকুন। আসছি নতুন কোনো বিষয় নিয়ে পরে আবার। ভালো থাকুন।</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/eight-savings-tips-for-middle-class/">মধ্যবিত্ত সংসারে অর্থ সঞ্চয়ের আটটি কার্যকর টিপস</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/eight-savings-tips-for-middle-class/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>2</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>প্রকৃত সম্মান অর্জন করার ৭টি উপায়। Ways to Gain Respect</title>
		<link>https://preronajibon.com/7-ways-to-gain-respect/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/7-ways-to-gain-respect/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 15 Mar 2020 19:06:29 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শিক্ষা ও জীবন]]></category>
		<category><![CDATA[bengali life tips]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=1239</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 3</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>প্রকৃত সম্মান অর্জন করার ৭টি উপায় This Article is written by Kishore Majumder সম্মান বলতে কী বোঝায় ? যখন আমরা</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/7-ways-to-gain-respect/">প্রকৃত সম্মান অর্জন করার ৭টি উপায়। Ways to Gain Respect</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 3</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p class="has-text-align-center has-medium-font-size"><strong><mark>প্রকৃত সম্মান অর্জন করার ৭টি উপায়</mark></strong></p>



<p class="has-text-align-center">This Article is written by Kishore Majumder</p>



<p>সম্মান বলতে কী বোঝায় ? যখন আমরা কোনো ব্যক্তির  মধ্যে থাকা গুণাবলি, বিশ্বাস,দক্ষতা প্রভৃতির জন্য তাকে শ্রদ্ধা করি ; কিংবা পদাধিকার বলে যাদের কথা বক্তব্য, নির্দেশ শ্রদ্ধার সঙ্গে উপলব্ধি করি তখন বলা হয় ঐ ব্যক্তিকে সম্মান দেওয়া হল। এছাড়াও যখন কারো অভিজ্ঞতার জন্য তাকে বিশেষ ভাবে গুরুত্ব দিয়ে থাকি তাহলে বলা হয় তাকে সম্মান দেওয়া হল , তার মানে এই যে নয় যে নির্গুণ ব্যক্তিকে অবজ্ঞা করা উচিত। মানুষ হিসেবে কারো প্রতি সদ্ব্যবহার করার মানবিক আচরণই হল সম্মান দেওয়া। </p>



<p class="has-vivid-red-color has-text-color"><strong><em>সম্মান দু &#8216;ধরণের হতে পারে &#8211; </em></strong></p>



<p><strong>ক। পদাধিকারে অর্জিত <br>খ। গুণাবলির দ্বারা অর্জিত </strong></p>



<p>পেশাগত বা সামাজিক কাজের দায়িত্ব সম্পর্কিত বিষয়ে লাভ করা সম্মান সামনাসামনি করে থাকে  বটে কিন্তু পদ গেলেই তা কমে যেতে পারে। তাই পদবলে অর্জিত সম্মান স্থায়ী নাও হতে পারে। তাই এখানে ব্যক্তিত্ব ও গুন্ দ্বারা অর্জিত সম্মানের কথাই আলোচনা করা হবে। কারণ আচরণ ,ব্যবহার ,ব্যক্তিত্ব কিংবা গুন্ দ্বারা অর্জিত আন্তরিক সম্মান জোর করে আদায় করা যায় না এটা আসে হৃদয় থেকে তাহলে এসো বন্ধু জেনে নেই কোন ৭টি বিষয় সেই সম্মান লাভের মূল চাবিকাঠি &#8211;</p>



<p class="has-vivid-red-color has-text-color"><strong><em>১. Do what you say / কথা রাখা :- </em></strong></p>



<p>বন্ধুরা , নিশ্চয় জানো যে চারপাশের মানুষের মধ্যে থাকা সকলেই সম্মান পায় না। তার কারণ একটাই সম্মান অর্জন করতে হয়। এটাও মানুষের বিশেষ দক্ষতা। তার মধ্যে প্রধান বিষয় হল কথা দিয়ে কথা রাখা। যেমন &#8211; &#8216; সন্ধ্যায় তোকে ফোন করবো &#8216;,&#8217; আমি আপনার এই কাজটা কালকের মধ্যে করে দেব &#8216;, &#8216; ঠিক আছে আমি ভেবে তোকে জানাবো &#8216;- দেখ বন্ধুরা এই কথাগুলো বলার পর বেশিরভাগ বক্তাই কথা রাখেন  না , ফলে তারা সম্মানলাভের অধিকার থেকে বঞ্চিত হন। </p>



<p class="has-vivid-red-color has-text-color"><strong><em>২. Clear opinion : ধারণার স্বচ্ছতা :- </em></strong></p>



<p>কোনো বিষয় সম্পর্কে সে দেশ , কাল ,রাজনীতি , কিংবা পেশাদারিত্বের কোনো বিষয় &#8211; সেটা সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা পোষণ করা প্রয়োজন। &#8216; দু নৌকায় পা &#8216; দিলে আন্তরিক সম্মান লাভ করা যায় না। নিজের অবস্থান স্পষ্ট করা দরকার। আসলে শ্রোতা কিংবা সামনের জন তোমার সম্পর্কে সঠিক ধারণা পোষণ করলেই তুমি সম্মান পাবে। </p>



<p class="has-vivid-red-color has-text-color"><strong><em>৩.  Speak only when needed : প্রয়োজনে কথা বলা :- </em></strong></p>



<p>মনীষীদের উক্তিতেই রয়েছে &#8211; &#8221; যে যত কম কথা বলে , তার ইজ্জত ততই সুরক্ষিত থাকে। &#8220;- এর থেকেই বোঝা যায় প্রয়োজনহীন কথা যেমন বিপদ বাড়ায় তেমনি সম্মানও  কমাতে থাকে। তবে চোখের সামনে কোনো অন্যায় বা অপ্রীতিকর বিষয় অস্বস্তির কারণ হলে অবশ্যই বলা উচিত। কেন না প্রতিবাদহীন মানুষও সম্মান পান না। তবে মনে রাখতে হবে নিজের ও অপরের সম্মান বজায় রেখেই প্রয়োজনীয় কথা বলতে হবে। </p>



<p class="has-vivid-red-color has-text-color"><strong><em>৪. Respect yourself : নিজেকে সম্মান করা :- </em></strong></p>



<p>যে নিজেকে সম্মান দেয় না সে কারো কাছেই সম্মান পেতে পারে না। প্রত্যেকটি মানুষের নিজস্ব ব্যক্তিত্ব ,ইচ্ছা ,রুচি ,শখ ,ভালোলাগা ,খারাপলাগা থাকে , তাই নিজের আন্তরিক বিষয়গুলিকে সম্মান দিয়েই কাজ করা উচিত। আত্মসম্মানবোধ না থাকলে যেমন ব্যক্তিত্ব গঠিত হয় না ,তেমনি ব্যক্তিত্ব না থাকলে কারো কাছে সম্মান পাওয়া যায় না। এখানে মনে রাখতে হবে &#8211; সম্মান পাবার জন্য কৃত্রিম লোক দেখানো ব্যক্তিত্ব কখনোই স্থায়ী হয় না। তুমি যা &#8211; তাই থাকো ,আর নিজেকে শ্রদ্ধা করো &#8211; সম্মান তবে পাবেই। </p>



<p class="has-vivid-red-color has-text-color"><strong><em>৫. Give your best / সেরাটা দাও :- </em></strong></p>



<p>প্রত্যেক মানুষের কাজ করার ক্ষমতা ও পদ্ধতি আলাদা আলাদা। কিন্তু তবু দেখো সকলের সমবেত চেষ্টায় কত সুন্দরভাবে পৃথিবীটা চলছে। উল্টোদিকে দেখ তোমার চারপাশে অনেক মানুষ রয়েছে যারা নিজেদের কথা না রাখা স্বভাব কিংবা , কাজ যথাযথ না করতে পারার জন্য অপরের কাছে বীতশ্রদ্ধ হন। তাই যখন যাই করো না কেন নিজের সেরাটা দেবার চেষ্টা করো। -আর সেটা আন্তরিকভাবেই করো। </p>



<p class="has-text-align-center has-vivid-red-color has-luminous-vivid-amber-background-color has-text-color has-background"><strong>আরও পড়ুন : <a href="https://preronajibon.com/10-ways-to-stay-happy/">সবসময় খুশি থাকার ১০ টি উপায় </a></strong></p>



<p class="has-vivid-red-color has-text-color"><strong><em>৬. Respect others : সম্মান দেওয়া :- </em></strong></p>



<p>নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু বলেছিলেন &#8211; &#8221; কাউকে ভালোবাসা না দিলে বিনিময়ে যেমন ভালোবাসা পাওয়া যায় না ; তেমনি নিজে মানুষ না হলে অপরকে মানুষ করা যায় না। &#8221;  <br> কথাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পৃথিবীর প্রতিটা মানুষ সম্মান লাভের অধিকারী , এবং সম্মান প্রত্যাশা করে সবাই। তাই যে কোনো ব্যক্তিকেই তার যোগ্য সম্মান দেওয়া প্রয়োজন। দর্শকের ভিড়ে মিশে গিয়ে এমন কাউকে গালিগালাজ বা অসম্মান করতে যেওনা। কারণ সেই ভিডিও ফুটেজ বা মানুষের ভেতরে থাকা দৃশ্যের স্মৃতিটি তোমার ভবিষ্যৎ সম্মান কেড়ে নিতে পারে। তাই সবসময় মনে রাখবে মানুষকে তার প্রাপ্য সম্মানটুকু দিতে হবে। তা সে যেই বর্গের মানুষ হোক না কেন। </p>



<p class="has-vivid-red-color has-text-color"><strong><em>৭. নিরপেক্ষতা :- </em></strong></p>



<p>জাতি , ধর্ম ,বর্ণ প্রভৃতি  সামাজিক বৈষম্যের উর্ধে মানসিকতা থাকতে হবে। অনেক সম্পদশালী ব্যক্তি , সম্মানীয় উপাধিধারী ব্যক্তি,  কৌলিক পদবি , দেহ সৌষ্ঠব প্রভৃতি দেখে বাড়তি সম্মান না জানিয়ে মানুষের যথাযোগ্য প্রাপ্য সম্মান দেওয়া প্রয়োজন। নিরপেক্ষ মানসিকতা তোমাকে অন্যদের চোখে শ্রদ্ধার্হ করে তুলবে নিঃসন্দেহে। </p>



<p>আশা করি বন্ধুরা নিশ্চয় বুঝে গেছ সম্মানলাভের সাতটি মূল বিষয়।  লেখাটি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করে দাও। এরকম আর কী কী বিষয় সম্পর্কে  লেখা চাও তা আমাদের কমেন্ট করে জানাও। আর হ্যাঁ আমাদের <a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজ</a> &#8211; এ ফলো করতে ভুলে যেও না যেন। খুব ভালো থেকো সুস্থ থেকো।</p>



<p class="has-text-align-center"><strong>This Article Is Written By </strong></p>


<div class="tmm tmm_410"><div class="tmm_1_columns tmm_wrap tmm_theme_f"><span class="tmm_two_containers_tablet"></span><div class="tmm_container"><div class="tmm_member" style="border-top:#333333 solid 5px;"><div class="tmm_photo tmm_pic_410_0" style="background: url(https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2019/03/Kishore-Majumder-Preronajibon.jpg); margin-left: auto; margin-right:auto; background-size:cover !important;"></div><div class="tmm_textblock"><div class="tmm_names"><span class="tmm_fname">Kishore</span> <span class="tmm_lname">Majumder</span></div><div class="tmm_job">Editor &amp; Writer</div><div class="tmm_desc" style="text-align:center"><p><strong>Kishore Majumder is the editor and writer of preronajibon. He is a teacher, poet and songwriter of bengali culture.&nbsp;He is also well-known as a youtuber and reciter of bengali poetry . He likes to inspire others to live a better life.</strong></p></div><div class="tmm_scblock"><a target="_blank" class="tmm_sociallink" href="https://kishoremajumder.com/" title=""><img decoding="async" alt="" src="https://preronajibon.com/wp-content/plugins/team-members/inc/img/links/website.png"/></a><a target="_blank" class="tmm_sociallink" href="https://www.youtube.com/channel/UCkA-6Tb3FepofI0YVBz-tng" title=""><img decoding="async" alt="" src="https://preronajibon.com/wp-content/plugins/team-members/inc/img/links/youtube.png"/></a></div></div></div><div style="clear:both;"></div></div></div></div>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/7-ways-to-gain-respect/">প্রকৃত সম্মান অর্জন করার ৭টি উপায়। Ways to Gain Respect</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/7-ways-to-gain-respect/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মানুষের জীবনে ৭টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। 7 Important Things in Life</title>
		<link>https://preronajibon.com/7-important-things-of-life/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/7-important-things-of-life/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 15 Mar 2020 10:29:41 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শিক্ষা ও জীবন]]></category>
		<category><![CDATA[bengali life tips]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=1233</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 4</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>১. সুস্থ সম্পর্ক :- সুখী হবার পেছনে আসল কারণ কি সেই উত্তর খুঁজতে ১৯৩৮ সালে ২৬৮ জন হার্ভাড শিক্ষার্থীদের নিয়ে</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/7-important-things-of-life/">মানুষের জীবনে ৭টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। 7 Important Things in Life</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 4</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p class="has-text-color has-medium-font-size has-vivid-red-color"><em><strong>১. সুস্থ সম্পর্ক :-</strong></em></p>



<p>সুখী হবার পেছনে আসল কারণ কি সেই উত্তর খুঁজতে ১৯৩৮ সালে ২৬৮ জন হার্ভাড শিক্ষার্থীদের নিয়ে শুরু হয় একটি গবেষণা। ৭৫ বছর ধরে গবেষণা করেছে হার্বার্ট বিশ্ববিদ্যালয়। এই গবেষণার মাধ্যমে কিছু বিষয় উঠে এসেছে গবেষকের কাছে। তাদের দাবি ,মূলত ভালো সম্পর্কই মানুষকে ভালো ও সুস্থ রাখে,জীবনে সাফল্য এনে দেয়। </p>



<p>একটি সম্পর্ক গড়ে তুলতে অনেক কাঠখড় পড়াতে হয় অথচ সামান্য ভুল বোঝাবুঝিতে তা ভেঙে খানখান হয়ে যায়। যার ফলে মানুষের জীবনে চরম অশান্তির পরিবেশ সৃষ্টি হয়। তাই যেকোনো সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে প্রয়োজন যত্ন। পরিচর্চায় সম্পর্ক শুধু সুন্দরই থাকে না ,তৈরী হয় আস্থা , ভরসা ও বিশ্বাস। ভালো সম্পর্ক হলো সম্মান ,সততা ও স্নেহের মিশেল। তাই শত ব্যস্ততার মাঝেও প্রিয়জনের প্রতি যত্নবান হওয়াটাই সুস্থ ও সুন্দর সম্পর্কের গৃহ নির্মাণ করে।</p>



<p class="has-text-color has-medium-font-size has-vivid-red-color"><em><strong>২. পরিবার :-</strong></em></p>



<p>সমাজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল পরিবার। পারিবারিক একাত্মতা জীবনকে সুন্দর ও অর্থবহ করে তোলে। ব্যক্তির বিকাশ ,মানসিকতা , ভালোবাসা , রাগ ইত্যাদি অনেক কিছুতেই পরিবার প্রভাবকের ভূমিকা পালন করে। সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা যায় , পরিবারের সঙ্গে খারাপ সম্পর্ক থাকলে তা ব্যক্তির স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে। তেমনি অন্যদিকে সমাজবিজ্ঞানী ও স্বাস্থ্য &#8211; গবেষকদের মতে পারিবারিক ও সামাজিক একাত্মতা একজন মানুষকে সুস্থ সুখী ও সফল জীবনের পথে চালিত করে। </p>



<figure class="wp-block-image size-large"><img loading="lazy" decoding="async" width="758" height="508" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2020/02/Spend-Time-Family.jpg" alt="মানুষের জীবনে ৭টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়" class="wp-image-1186" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2020/02/Spend-Time-Family.jpg 758w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2020/02/Spend-Time-Family-300x201.jpg 300w" sizes="auto, (max-width: 758px) 100vw, 758px" /></figure>



<p>যে সব পরিবারে বাবা মা ও সন্তানদের মাঝে উষ্ণ সম্পর্ক সেখানে যেকোনো বিপদের মোকাবেলা করা অতি সহজ। পরিবারের সকলে মিলে একসঙ্গে সুন্দর মুহূর্ত কাটানো , একে অপররে প্রতি অভিযোগ না করে প্রেরণা জোগানো , মনোযোগী হওয়া , যেকোনো বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা করা ইত্যাদি অভ্যাসগুলো পারিবারিক বন্ধনকে মজবুত করে। বিজ্ঞানীদের মতে পারিবারিক সম্প্রীতির সঙ্গে মানুষের দীর্ঘায়ু অর্জনের সম্পর্কটা একাধিক গবেষনায় প্রমাণিত। </p>



<p class="has-text-color has-medium-font-size has-vivid-red-color"><strong><em>৩. বন্ধু :-</em></strong></p>



<p>অনেক সময় একজন ভালো বন্ধূ পরিবার কিংবা কাছের কোনো আত্মীয় থেকে অনেক বেশি দায়িত্ব পালন করে। বিষন্নতা , একাকিত্ব , ক্লান্তি দূর করে নিরানন্দ জীবনে আনন্দের জোয়ার যোগ করতে বন্ধুর জুড়ি নেই। বন্ধু র বন্ধন একই মুদ্রার এপিট -ওপিট। যে কথাগুলো পৃথিবীর অন্য কারো কাছে বলা যায় না সেই কথাগুলো অবলীলায় বলে ফেলা যায় বন্ধুকে। বন্ধুত্বের সম্পর্ক বিশ্বাস আর নির্ভরতার সম্পর্ক। তবে বন্ধু নির্বাচনে একটু সচেতন থাকা জরুরি। </p>



<p>&#8221; <strong><em>হাত বাড়ালেই বন্ধু পাওয়া যায় না , বাড়ালেই হাত বন্ধু সবাই হয় না।</em></strong> &#8221; </p>



<p>তবে  ভুল মানুষকে না বুঝে বন্ধুত্ব বানিয়ে ফেলা ঠিক নয়। বন্ধুত্বের জন্য প্রয়োজন বিশ্বাস ,সততা ও মানসিকতার মিল। যদি তোমার জীবনে এরকম  বন্ধু পেয়ে থাকো যার কোনো স্বার্থ নেই , যার জন্য তুমিও সব কিছু করতে পারো তবে তাকে কখনো ছেড়ো না কাছে রেখো।</p>



<p class="has-text-color has-medium-font-size has-vivid-red-color"><strong><em>৪. স্বাস্থ্য :-</em></strong></p>



<p> &#8221; <em><strong>He , who has health , has hope ; and he who has hope , has everything &#8220;- Thomas Carlyle.</strong></em> &#8220;</p>



<p><br>  মানুষ সুখ -শান্তি ও আনন্দের প্রত্যাশা করে। বলা হয়ে থাকে স্বাস্থ্য মানুষের পরম সম্পদ। স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। স্বাস্থ্য বলতে শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক এই তিনটি অবস্থার সুষম অবস্থাকে বোঝায়। স্বাস্থ্য ভালো না থাকলে মানুষের চিন্তাশক্তি ও স্মৃতিশক্তি লোপ পায়। ভগ্ন বা রুগ্ন শরীর যার ,তার পক্ষে সুখ ও সন্তোষ লাভ করা অসম্ভব। একজন ব্যক্তি যতই সম্পদশালী ,প্রভাবশালী হোক না কেন সে যদি স্বাস্থ্যবান না হন ,তাহলে সে জীবনের আনন্দ উপভোগ করতে পারবে না। আর্থিক সম্পদের পেছনে ছুটতে গিয়ে আমরা শরীর নামক সম্পদটির যত্ন নিতে ভুলে যাই। তাই শরীরের যত্ন নেওয়া আর সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়া জরুরি। কারণ সুস্বাস্থ্যের অধিকারী একজন ব্যক্তি পরিবারের আনন্দের উৎস এবং সমাজ ও দেশের সম্পদ। </p>



<p class="has-text-color has-medium-font-size has-vivid-red-color"><strong><em>৫. প্যাশন :-  </em></strong></p>



<p>&#8221; <strong><em>There is no passion to be found playing small &#8211; in settling for a life that is less than the one you are capable of living .</em></strong>&#8221; &#8211; Nelson Mandela </p>



<p>&#8221; <strong><em>প্যাশন হচ্ছে একধরণের শক্তি। সেই ক্ষমতাকে অনুভব করার চেষ্টা করুন , যা আপনাকে উদ্দীপ্ত করে থাকে। </em></strong>&#8220;- অপরাহ উইনফ্রে </p>



<p>জীবনে সাফল্য অর্জন করতে হলে নিজের প্যাশন খুঁজে বের করা জরুরি। যে কাজটি তোমার কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি করে , জীবনে সামনে এগিয়ে  যাওয়ার অনুপ্রেরণা দেয়, যে কাজটির জন্য সব কিছু ত্যাগ করার মানসিকতা থাকে ,যা কখনোই বিরক্তিকর লাগে না তাই সেটিই হল প্যাশন। প্যাশন প্রত্যেকের কাছে ভিন্ন হতে পারে। তোমার প্যাশন খুঁজে পেতে তুমি হয়তো অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে পারো। কিন্তু হাল ছেড়ে না। নিজের ছোট ছোট ভালোলাগার বিষয় গুলোকে গুরুত্ব দাও।পছন্দের বিষয় গুলির তালিকা বানাও। দরকার হলে অনুকরণীয় ব্যক্তির পরামর্শ নাও। হতাশ না হয়ে প্রতিটি মিনিট প্রতিটি দিন প্যাশন নিয়ে নিজেকে এগিয়ে নিয়ে যাও। প্যাশনই তোমার আত্মাকে শ্রেষ্ট কিছুর দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। </p>



<p class="has-text-color has-medium-font-size has-vivid-red-color"><strong><em>৬. ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি :-   </em></strong></p>



<p>যে কোনো জিনিসের ভালো খারাপ নির্ভর দৃষ্টিভঙ্গির ওপর। বলা হয় &#8211; দৃষ্টিভঙ্গির বদল ঘটালে সব বদলে যায়। মানুষ মনোভাবের পরিবর্তন ঘটিয়ে তার জীবনযাত্রার পরিবর্তন ঘটাতে পারে। ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি হচ্ছে একটি দর্শন যা প্রতিটি অবস্থা ,পরিস্থিতি বা ঘটনা থেকে আশাবাদী দিক চিন্তা করতে পরামর্শ দেয় এবং এই দিক নিয়ে সাফল্য অর্জনের পথে পরিচালিত হতে তারা দেয়। আমাদের জীবনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। নিয়মিত ইতিবাচক শব্দ ব্যবহার করো , ইতিবাচক মনোভাবাপন্ন ব্যক্তির সাথে বেশি সময় কাটাও ,পার্সোনালিটি ডেভেলপমেন্টর ওপর লেখা বই গুলো ইতিবাচক মনোভাব তৈরিতে ভীষণ কার্যকরী। </p>



<p class="has-text-color has-medium-font-size has-vivid-red-color"><strong><em>৭. সম্পদ : &#8211; </em></strong></p>



<p>বেঁচে থাকার মৌলিক তিনটি উপাদান হল &#8211; অন্ন-বস্ত্র- বাসস্থান । আর এই তিনটি উপাদান জোগার করতেই প্রয়োজন টাকা পয়সা বা ধন সম্পদের । গভীরভাবে বিচার করলে দেখা যাবে সম্পদ দুই প্রকার । যথা &#8211; আর্থিক সম্পদ ও পরমার্থিক সম্পদ । টাকা পয়সা ইত্যাদি আর্থিক সম্পদ । অর্থাৎ যেগুলো হারালে আবার জোগাড় করা যায় । আর পরমার্থিক সম্পদ হল &#8211; প্রেম,  ভালোবাসা , মায়া মমতা, ব্যক্তিত্ব , পরিবারের সঙ্গে সুসম্পর্ক , পরিবারের মানুষগুলি । তাই আর্থিক সম্পদ সৃষ্টির উদ্যেশ্যে হওয়া উচিত পরমার্থিক সম্পদকে রক্ষা করা । আর্থিক সম্পদ বৃদ্ধির জন্য সময়কে কাজে লাগাতে হবে । মনে রেখো সময় আর সুযোগের সঠিক ব্যবহারই তোমার আর্থিক সম্পদ তৈরি করতে সাহায্য করবে ।</p>



<p> লেখাটি কেমন লাগলো ? কমেন্ট বক্সে লিখে জানাও । আমাদের <a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজ</a>-এ চলে এসো এরকম অনেক পোস্ট রয়েছে সেখানে । ভালো লাগলে তোমার বন্ধুদের লেখাটি শেয়ার করে দাও । খুব ভালো থেকো , সুস্থ থেকো। </p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/7-important-things-of-life/">মানুষের জীবনে ৭টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। 7 Important Things in Life</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/7-important-things-of-life/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>এই ১১ ধরণের মানুষ থেকে সর্বদা দূরে থাকো। Stay Away From These People</title>
		<link>https://preronajibon.com/always-stay-away-from-these-people/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/always-stay-away-from-these-people/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 10 Mar 2020 19:11:26 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জীবনের লক্ষ্য]]></category>
		<category><![CDATA[bengali education tips]]></category>
		<category><![CDATA[bengali life hacks]]></category>
		<category><![CDATA[bengali life tips]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=1224</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 4</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>মানুষের জীবনে খুব বেশি প্রভাব ফেলতে পারে তার চারপাশের মানুষ। আর তাই আমাদেরও সতর্ক হওয়া উচিত। আমাদের চারপাশে কয়েক ধরণের</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/always-stay-away-from-these-people/">এই ১১ ধরণের মানুষ থেকে সর্বদা দূরে থাকো। Stay Away From These People</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 4</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p>মানুষের জীবনে খুব বেশি প্রভাব ফেলতে পারে তার চারপাশের মানুষ। আর তাই আমাদেরও সতর্ক হওয়া উচিত। আমাদের চারপাশে কয়েক ধরণের মানুষ দেখা যায় যারা কোনো না কোনো ভাবে আমাদের মানসিক শক্তি ক্ষয় করে। তাদের সঙ্গে বেশিক্ষন সময় কাটালে তাদের প্রভাব আমাদের ওপর পড়তে থাকে। এসব মানুষ আমাদের ব্রেইনের ম্যাসিভ স্ট্রেসের কারণ। তাদের ব্যবহার ,তাদের কথা বলার ধরণ, তাদের চিন্তাভাবনা করার ক্ষমতা বলে দেয় তারা <strong>Energy Sucker</strong> না <strong>Energy Giver</strong>  চলো আজ জেনে নেওয়া যাক সেই ধরণের মানুষের  বিহ্যাভ আপ্রোচ গুলি যা দেখে তাদের চেনা যাবে &#8211;</p>



<p class="has-text-color has-medium-font-size has-vivid-red-color"><strong><em>১) কট্টরবাদী ( Fundamentalist Dogmatic ) :-</em> </strong></p>



<p>যারা কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে কট্টরপন্থী মনোভাব পোষণ করে ,সত্য মিথ্যা যাচাই না করে শুধু ধারণার ওপর ভর করে চলে , তাদের থেকে নিজেকে দূরে রাখো। কখনো কখনো দেখা যায় বন্ধুমহলে কিংবা পরিবারে কোনো একজন একটা বিষয় কে কেন্দ্র করে তার কট্টরবাদিতা প্রমাণ করতে চায় ,সেই সময় তার সঙ্গে তর্কে লিপ্ত না হয়ে সহমত পোষণ করা উচিত। কারণ তুমি যদি তর্ক করা শুরু করো সময় যেমন নষ্ট হবে , তেমনি তাকে বোঝাতে না পেরে তোমার মানসিক শক্তি ক্ষয় হবে। তাই এই ধরণের মানুষ থেকে সর্বদা  দূরে থাকো। </p>



<p class="has-text-color has-medium-font-size has-vivid-red-color"><strong><em>২) ভুক্তভোগী মানুষ :-</em></strong></p>



<p>যারা সর্বদা নিজের দুঃখের গান গেয়ে বেড়ায় , তারা দেখায় যে পৃথিবীর যাবতীয় দুর্ঘটনা শুধু তাদের সাথেই  ঘটে। এসব বলে তারা খুব সহজেই সহানুভূতি গ্রাস করে। ফলে আমরাও তাদের সমস্যাগুলো নিজেদের মনে করে সমাধান করতে চেষ্টা করি। এই ধরণের মানুষদের দুঃখও কখনই ঘোচে না , এরা সর্বদা ভিক্টিম মেন্টালিটির হয়ে থাকে। নিজেরা দায়িত্ববোধ এড়িয়ে আজীবন তোমার কাছে সহানুভূতি চাইতে থাকবে। তাই নিজেদের সমস্যা সমাধানে যারা তোমায় ব্যবহার করে , তাদের থেকে সর্বদা দূরে থাকো। যদি তুমি তাদের সাহায্য করতে চাও দূর থেকে করো , কাছে গেলেই তারা তোমায় প্রভাবিত করতে থাকবে। </p>



<p class="has-text-color has-medium-font-size has-vivid-red-color"><strong><em>৩) Negative People :-</em></strong></p>



<p>কিছু মানুষ রয়েছে যারা ভয় ব্যতীত কোনোদিন সাহস দিতে পারে না। তারা সব কিছুর মধ্যে নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করে থাকে। এরা সব ব্যাপারে অন্যদের নিরুৎসাহিত করে তোলে। এই ধরনের মানুষেদের  সঙ্গে যারা বেশিক্ষন থাকে , তারাও নেতিবাচক হয়ে যায়। তাই যারা শুধু ভীত করে দেয় তাদের থেকে সর্বদা দূরে থাকো। </p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter size-large"><img loading="lazy" decoding="async" width="500" height="500" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2020/03/Negative-People.jpg" alt="এই ধরণের মানুষ থেকে সর্বদা দূরে থাকো" class="wp-image-1227" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2020/03/Negative-People.jpg 500w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2020/03/Negative-People-300x300.jpg 300w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2020/03/Negative-People-150x150.jpg 150w" sizes="auto, (max-width: 500px) 100vw, 500px" /></figure></div>



<p class="has-text-color has-medium-font-size has-vivid-red-color"><strong><em>৪) পরশ্রীকাতর  :- </em></strong></p>



<p>যারা অন্যের ভালো দেখে কাতর হয়ে পড়ে। এই ধরণের মনোভাব হিংসা ও বিদ্বেষাত্মক আচরণ তৈরী করে। বিশেষজ্ঞদের মতে সবচেয়ে বড় স্ট্রেস হলো পরশ্রীকাতরতা। এই ধরণের মানুষের সাথে বেশিক্ষণ সময় কাটালে তাদের ভাবধারা তোমার মধ্যেও সঞ্চারিত হতে থাকবে।  তাই তাদের থেকে নিজেকে দূরে রাখো। </p>



<p class="has-text-color has-medium-font-size has-vivid-red-color"><strong><em>৫) গসিপিং  :- </em></strong></p>



<blockquote class="wp-block-quote is-layout-flow wp-block-quote-is-layout-flow"><p>বিশাল মনের মানুষেরা চিন্তাভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। গড়পড়তা মানুষেরা ইভেন্ট নিয়ে কথা বলেন। আর ক্ষুদ্র মানসিকতার মানুষ অন্য মানুষকে নিয়ে গসিপ করেন।</p><cite>এলেনর রুজভেল্ট</cite></blockquote>



<p>অন্যদের দুর্ভাগ্য নিয়ে কিংবা সীমাবদ্ধতা নিয়ে সমালোচনা করে অনেকেই আনন্দ পায়। পরনিন্দা বা পরচর্চা একটি হাসির খোরাক হয়ে দাঁড়িয়েছে। সহকর্মীদের মধ্যে দেখা যায় অবসর সময়ে বসে গসিপ করছে , যা অন্যকে আঘাত দিতেও পারে। এসব গল্পে মশগুল না থেকে তুমি ওই সময়টাকে প্রোডাক্টিভ কোনো কাজে লাগাতে পারো।</p>



<p class="has-text-color has-medium-font-size has-vivid-red-color"><strong><em>৬) নির্দয় বা বদমেজাজী মানুষ :-</em></strong></p>



<p>যদি কোনো মানুষ খুব সূক্ষ্ম ভাবে তোমার সাথে হিংস্রতা দেখায় তা সে ফিজিক্যালি হোক বা মেন্টালি , তাদের থেকে সর্বদা নিজেদের বাঁচিয়ে রাখা ভালো। বদমেজাজী মানুষেরা নিজের রাগ সর্বদা অন্যের ওপর ঝাড়তে থাকে , তারা অন্যকে দোষীর কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে রাখে। এইসব মানুষদের দূরে রাখা উচিত নইলে তারা আমাদের চিন্তাভাবনার অনেকাংশ দখল করে আমাদের ব্রেন কে ডিসটার্ব মুড এ নিয়ে যাবে। </p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter size-large"><img loading="lazy" decoding="async" width="500" height="500" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2020/03/Angry-People.jpg" alt="বদমেজাজী মানুষ" class="wp-image-1228" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2020/03/Angry-People.jpg 500w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2020/03/Angry-People-300x300.jpg 300w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2020/03/Angry-People-150x150.jpg 150w" sizes="auto, (max-width: 500px) 100vw, 500px" /></figure></div>



<p class="has-text-color has-medium-font-size has-vivid-red-color"><strong><em>৭) ধান্দাবাজ :- </em></strong></p>



<p>ধান্দাবাজ মানুষ বন্ধুত্বের আড়ালে তোমার সময় নষ্ট করবে। এসব মানুষ তোমাকে খুব ভালোভাবে জানে , তারা জানে তোমার পছন্দ অপছন্দকে কাজে লাগিয়ে কিভাবে ফায়দা নিতে হয়। তারা প্রথমে তোমাকে জয় করবে , তারপর তোমাকে কাজে লাগিয়ে তার স্বার্থসিদ্ধি করবে । কাজেই এই ধরণের মানুষ চিনে নেওয়া খুব প্রয়োজন।</p>



<p class="has-text-color has-medium-font-size has-vivid-red-color"><strong><em>৮) Confused people :-</em></strong></p>



<p>এই ধরণের মানুষ কখনো ভীষণ কাজের কথা বলবে , কখনো একদম বেকার জিনিস নিয়ে কথাবার্তায় মশগুল থাকবে। এরা  Unpredictable এদের সাথে কথা বলে কখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। তারা কখনো তোমায় clarity দিতে পারবে না। তাই কাজের ক্ষেত্রে তাদের থেকে দূরে থাকাই ভালো। </p>



<p class="has-text-color has-medium-font-size has-vivid-red-color"><strong><em>৯) সবজান্তা :-</em></strong></p>



<p>যারা সব বিষয়ে ইন্টারেস্ট দেখায় এবং শুধু কথাবার্তায় অন্যকে ডুবিয়ে রাখে ,এদের কাছে সব ধরণের উত্তর তৈরী থাকে। তারা বিচার বিবেচনা না করেই এমন কিছু কথা বলে ফেলে , যা অন্যকে নিরুৎসাহিত করে তোলে। তারা তাদের ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে চায় না , তারা নিজেদেরকেই সঠিক মনে করে। এদের নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য থাকে না। মনে রেখো এরা কখনো কখনো কথার মাধ্যমে তোমায় অপদস্ত করতেও পারে।</p>



<p class="has-text-color has-background has-text-align-center has-vivid-red-color has-luminous-vivid-amber-background-color"><strong>জেনে নাও : <a href="https://preronajibon.com/ways-to-improve-mental-health/">মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার কয়টি উপায়</a></strong></p>



<p class="has-text-color has-medium-font-size has-vivid-red-color"><strong><em>১০)  অহংকারী :-</em></strong></p>



<p>যারা ভীষণ অহংকারী তারা নিজেদের নিয়ে একটি মিথ্যা আত্মবিশ্বাসে ডুবে থাকে। তারা নিজেদের খুব বড় মনে করে। অহংকারী মানুষ সব কিছুকেই পারসোনাল চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখে। এইধরণের মানুষ সামনের জনকে কখনই গুরুত্ব দেন না । অহংকারী ব্যক্তিরা কর্মক্ষেত্র নানা গোলযোগ সৃষ্টি করে , এরা  নিজেদের যেমন ধ্বংস করে তেমনি এদের চারপাশে যারা থাকে তারাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যতটা পারা যায় তাদের থেকে দূরে থাকা ভালো , কারণ এরা মানসিক শক্তি ক্ষয় করতে ভীষণ পারদর্শী। </p>



<p class="has-text-color has-medium-font-size has-vivid-red-color"><strong><em>১১) Aimless :- </em></strong></p>



<p>লক্ষ্যহীন মানুষ হাল ছাড়া নৌকার মতো ভাসতে থাকে । জীবনের স্রোত যে কোনোখানেই তাদের নিয়ে ফেলতে পারে । এই ধরনের মানুষ কখনোই সময়ের মূল্য দিতে পারেন না । তারা অন্যদের সময়কেও গুরুত্ব দেয় না । কাজেই এই ধরণের মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করলে সময় যেমন ক্ষতি হবে , তেমনি ক্ষতি হবে তোমার জীবনের লক্ষ্য পূরণের মানসিকতাও । তাই যতটা পারো লক্ষ্যহীন মানুষের সাহচর্য এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। </p>



<p>তাহলে বন্ধুরা , নিশ্চয় বুঝে গেছ , কীভাবে এই মানুষদের চিনে নেবে যারা তোমার পক্ষে ক্ষতিকর । লেখাটি কেমন লাগলো ? কমেন্ট বক্সে লিখে জানাও । আমাদের <a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজ</a>-এ চলে এসো এরকম অনেক পোস্ট রয়েছে সেখানে । ভালো লাগলে তোমার বন্ধুদের লেখাটি শেয়ার করে দাও । খুব ভালো থেকো , সুস্থ থেকো।</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/always-stay-away-from-these-people/">এই ১১ ধরণের মানুষ থেকে সর্বদা দূরে থাকো। Stay Away From These People</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/always-stay-away-from-these-people/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>যে পাঁচটি কথা বুদ্ধিমান ব্যক্তিরা কখনোই বলেন না। বুদ্ধিমান মানুষের কথা</title>
		<link>https://preronajibon.com/five-things-intelligent-people-never-say/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/five-things-intelligent-people-never-say/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 27 Feb 2020 05:08:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জীবনের লক্ষ্য]]></category>
		<category><![CDATA[bengali life tips]]></category>
		<category><![CDATA[bengali motivational]]></category>
		<category><![CDATA[বুদ্ধিমান মানুষের কথা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=1196</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 3</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>যে পাঁচটি কথা বুদ্ধিমান ব্যক্তিরা কখনোই বলেন না । বুদ্ধিমান মানুষের কথা মানুষের ব্যবহার বা আচরণের সিংহভাগই হল কথা বলা।</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/five-things-intelligent-people-never-say/">যে পাঁচটি কথা বুদ্ধিমান ব্যক্তিরা কখনোই বলেন না। বুদ্ধিমান মানুষের কথা</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 3</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p class="has-text-align-center"><mark><strong>যে পাঁচটি কথা বুদ্ধিমান ব্যক্তিরা কখনোই বলেন না</strong> <strong>। বুদ্ধিমান মানুষের কথা </strong></mark></p>



<p>মানুষের ব্যবহার বা আচরণের  সিংহভাগই হল কথা বলা। এই কথার জন্য কেউ খুব প্রিয়জন হয় ,আবার কেউ বিরাগভাজন হয়। একজন বুদ্ধিমান মানুষের কথা বলার ধরণ ও ভঙ্গি তাকে আর পাঁচটা মানুষের থেকে একবারে আলাদা করে তোলে। অপরের মধ্যে নিজের জোড়ালো ও উজ্জ্বল ব্যক্তিত্বের চাপ রাখতে যে কথাগুলি বুদ্ধিমান ব্যক্তিরা এড়িয়ে চলে সেগুলো নীচে আলোচনা করা হল। মনে রেখো এই কথাগুলো শুধু কথার কথা নয় &#8211; এর গভীর ছায়া তোমার সারাজীবনের ব্যক্তিত্বের মূল্যায়নে প্রভাব ফেলতে পারে। চলো জেনে নেওয়া যাক কোন পাঁচটি কথা বুদ্ধিমান ব্যক্তিরা কখনোই বলেন না। দেখো তো তুমিও তাদের দলে পড় কিনা &#8211;</p>



<p class="has-text-color has-medium-font-size has-vivid-red-color"><strong>১. I told you before / আমি আগেই বলেছিলাম :-</strong></p>



<p>হা বন্ধুরা , কেউ কোনো কাজে ভুল করলে বা কারো ক্ষতি হলে &#8211; আমরা নিজেকে পন্ডিত ও বিজ্ঞ প্রমান করতে প্রায়ই বলে ফেলি &#8211; &#8220;দেখলে তো আমার কথাই ঠিক &#8211; আমি তোমাকে আগেই বলেছিলাম।&#8221;  নিজেকে জোর করে বিজ্ঞ প্রমান করতে গিয়ে সামনের জনকে যে কতটা আহত করি সেটা ভুলেই যাই। এই কথার অর্থ হলো নিজেকে বড় ভাবা। হয়তো তুমি আগে অনুমান করে বলেছিলে কথাটি &#8211; এবং সেটা সত্যি হল। তবু যখন কেউ তোমাকে বলতে এল &#8211; সে হয়তো সাহায্যের জন্যই এসেছে আর মনে মনে তোমার অভিজ্ঞতাকে শ্রদ্ধাই করছে ; কিন্তু তুমি আবার সেটা বলে দিয়ে নিজেকে তার কাছে ছোট করে দিচ্ছ তাই এই কথা বলা যাবে না। একজন বুদ্ধিমান ব্যক্তিরা কখনো নিজেকে প্রমান করার চেষ্টা করেন না। এসব বলে নিজেকে নির্বোধ হিসেবে পরিচয় দেওয়া বুদ্ধিমান মানুষের পছন্দ নয়।</p>



<p class="has-text-color has-background has-text-align-center has-vivid-red-color has-luminous-vivid-amber-background-color"><strong>জেনে নিন : <a href="https://preronajibon.com/goal-setting-for-life/">GOAL SETTING / লক্ষ্য স্থির করার উপায়</a></strong></p>



<p class="has-text-color has-medium-font-size has-vivid-red-color"><strong>২. You always like this :</strong>&#8211;</p>



<p>&#8216;তুমি এরকমই মানুষ&#8217; বা &#8216;তুমি সবসময় তা -ই করো &#8216; :- বন্ধু আরেকটি বুদ্ধিহীন কথা হল &#8221; তুমি তো ওরকম -ই&#8221;  কিংবা &#8220;তুমি সবসময় তা -ই করো।&#8221; এই কথার মাধ্যমে বক্তার প্রভাবশালী মনোভাব প্রকাশ পায়। আমরা জানি মানুষ চিরকাল একরকম থাকে না আর একরকমের আচরণ করে না &#8211; তবু এরকম কথা বললে সে কোনঠাসা হয়ে যায়।   লুকিয়ে সে বক্তার থেকে আত্মরক্ষা করতে চেষ্টা করে এবং সরে যেতে থাকে। </p>



<p>বক্তা হয়তো তার প্রভাব দেখিয়ে কাউকে কোনঠাসা করতে চায় ; কিন্তু এর ফলে ওই মানুষটি ভেতরে ভেতরে তার থেকে দূরে সরে যেতে থাকে ; সেটা খুব দুঃখের বিষয়। বক্তা হয়তো জানতেই পারবে না সেটা। </p>



<p class="has-text-color has-medium-font-size has-vivid-red-color"><strong>৩. You must do exactly like l say :-</strong></p>



<p>আমি যেভাবে বলি ঠিক সেভাবেই করো :- আমরা কাউকে কিছু শেখাতে গিয়ে বলে ফেলি আমি যা যা বলছি সেটা ঠিক সেভাবেই করো। &#8211; এই ধরণের কথার মাধ্যমে আমরা নিজের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার বড়াই করে ফেলি। যার ফল দীর্ঘমেয়াদি হয়ে থাকে। হ্যাঁ বন্ধুরা , কেউ কোনো কাজ করতে গিয়ে তোমার পরামর্শ নিলে তুমি সেটা বুঝিয়ে দিতে পারো ভালোভাবে &#8211; কিন্তু ওই ধরণের কথা বলে ফেলতে নেই। এতে বক্তার গতানুগতিক মানসিকতাই প্রকাশ পাবে। তাছাড়া একটা কাজের অনেক পদ্ধতি থাকতেই পারে। অপরের সৃজনশীলতাকে অস্বীকার করা ঠিক নয়। এই কথা বক্তার চরিত্রের সম্পর্কে যে ধারণা দেয় তা হল &#8211; &#8220;<em><strong>He is not open to new idea.</strong></em>&#8220;</p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter size-large"><img loading="lazy" decoding="async" width="383" height="275" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2020/02/Quarrel-People.jpg" alt="বুদ্ধিমান মানুষের কথা" class="wp-image-1199" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2020/02/Quarrel-People.jpg 383w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2020/02/Quarrel-People-300x215.jpg 300w" sizes="auto, (max-width: 383px) 100vw, 383px" /></figure></div>



<p class="has-text-color has-medium-font-size has-vivid-red-color"><strong>৪. Never Criticize ও তো ঐরকম : &#8211;</strong></p>



<p>অনুপস্থিত কোনো ব্যক্তির সম্পর্কে এক কথাতেই সামগ্রিক মূল্যায়ন করতে গিয়ে প্রায়ই বলে ফেলি &#8211; &#8216;ও তো ওইরকমই &#8216; বা &#8220;ওর স্বভাবই হল তাই।&#8221; দেখো বন্ধু , কাউকে চেনা ও জানা খুব কঠিন কাজ। আর এক কথাতেই আমরা তার মূল্যায়ন করতে গিয়ে আসলে বিজ্ঞ সাজতে চাই। কিন্তু বুদ্ধিমান ব্যক্তি কখনো ঐ ধরণের এককথায় মূল্যায়ন করে কথা বলেন না। কারণ ঐ কথার মাধ্যমে কতগুলি বিষয় প্রকাশিত হয় যা বক্তার ব্যক্তিত্বের মান অনেক কমিয়ে দেয়। বক্তার ঈর্ষাবোধ , হীনমন্যতা ও অপশব্দ প্রয়োগ করার স্বভাব প্রকাশিত হয়ে পড়ায় চরিত্রের হীনতাই সূচিত হয়ে পড়ে। তাই এই ধরণের কথাকে অবশ্যই এড়িয়ে চলতে হবে। </p>



<p class="has-text-color has-medium-font-size has-vivid-red-color"><strong>৫. Never Be Biased পক্ষপাতদুষ্ট কথা</strong> <strong>: &#8211;</strong></p>



<p>আরেকটি কথা যা বুদ্ধিহীনতা ,ও হীন ব্যক্তিত্বের পরিচয় দেয় তা হল একপাক্ষিক হয়ে কথা বলা। যেমন &#8211;</p>



<p><strong>ক ) মেয়েরা ঐরকমই হয় <br>খ ) সব ছেলেদের ঐএক দোষ </strong></p>



<p>কিংবা অমুক সম্প্রদায়ের লোকেরা ঐরকমই , সব চাকুরীজীবি অমন হয়। এখনকার প্রজন্মের সবাই তাই , বা কখনো কোনো পলিটিক্যাল পার্টিকে অন্ধের মতো অনুসরণ করে সর্বদা তার পক্ষে বলা ইত্যাদি। </p>



<p>এইসব কথাগুলো ভীষণ রকমের বোকা বোকা। মানুষ কখনোই সবাই একরকমের হয় না। এতে বক্তার বুদ্ধিহীন নিম্নমানের মানসিকতাই প্রকাশিত হয়ে পড়ে। তাই কখনো একপাক্ষিক হয়ে দুম করে কোনো কথা বলে ফেলো না যেন। তাছাড়া ঐ ধরণের কথা বিপদেও ফেলতে পারে। </p>



<p>তাহলে আশা করি বন্ধুরা বুঝতে পেরেছো যে এই পাঁচটি কথা কেন বুদ্ধিমান ও ব্যক্তিসম্পন্ন মানুষ এড়িয়ে চলেন। </p>



<p>আশা করি লেখাটি তোমাদের ভালো লাগবে। ভালো লেগে থাকলে শেয়ার করতে ভুলো না কিন্তু। তোমাদের এক একটি শেয়ার আমাদের কাছে উৎসাহের পুরস্কার স্বরূপ। এরকম আরো আরো লেখা পেতে আমাদের <a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজ</a> এ চলে এসো। আর কোন কোন বিষয়ের ওপর লেখা পড়তে চাও কমেন্ট করে জানাও। খুব ভালো থেকো আর সুস্থ থেকো।</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/five-things-intelligent-people-never-say/">যে পাঁচটি কথা বুদ্ধিমান ব্যক্তিরা কখনোই বলেন না। বুদ্ধিমান মানুষের কথা</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/five-things-intelligent-people-never-say/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ভালোবাসার সম্পর্ককে রোমান্টিক ও দীর্ঘস্থায়ী করার ৭ টি  অভ্যাস</title>
		<link>https://preronajibon.com/7-habits-for-a-long-lasting-relationshi/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/7-habits-for-a-long-lasting-relationshi/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 01 Feb 2020 09:41:31 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[রিলেশনশিপ]]></category>
		<category><![CDATA[bengali life tips]]></category>
		<category><![CDATA[bengali love quotes]]></category>
		<category><![CDATA[ভালোবাসার উক্তি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=1108</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 4</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>শুরুতে সুন্দর রোমান্টিক সম্পর্ক এবং কিছুদিন পর শুরু হতে থাকে মতবিরোধ , জীবন থেকে হারিয়ে যেতে থাকে ১৪ই ফেব্রুয়ারির ভালোবাসার</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/7-habits-for-a-long-lasting-relationshi/">ভালোবাসার সম্পর্ককে রোমান্টিক ও দীর্ঘস্থায়ী করার ৭ টি  অভ্যাস</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 4</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p>শুরুতে সুন্দর রোমান্টিক সম্পর্ক এবং কিছুদিন পর শুরু হতে থাকে মতবিরোধ , জীবন থেকে হারিয়ে যেতে থাকে <strong>১৪ই ফেব্রুয়ারির </strong>ভালোবাসার উপহারের মাধুর্য &#8212; এমনটা হামেশাই শোনা যায় ।  আর বাঙালি জীবনে দাম্পত্য সম্পর্কের ওপর ব্যঙ্গ , কৌতূক , টিটকারির শেষ নেই । এরই মধ্যে সবকিছু উপেক্ষা করে অনেক সুখী দম্পতি সম্পর্কের অর্ধ শতরান সম্পূর্ণ করে জীবনের কাছ থেকে জিতে নেন শ্রেষ্ঠ উপহারটি । ১৯৩৮ সালে শুরু করা হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির দীর্ঘতম গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে সুখী থাকার জন্য শুধু টাকা নয় , চাই সুন্দর একটা রিলেশনশিপ। </p>



<p>তাহলে বন্ধুরা , মনে রাখতে হবে , ভালোবাসার সম্পর্ককে চিরন্তন মধুর রাখতে হলে চাই প্রিয়জনের প্রতি যত্নবান হওয়া । শুধু দামি উপহার নয় , প্রতিদিনের ছোট ছোট বিষয়গুলিই পারে সুন্দর রোমান্টিক সম্পর্ককে দীর্ঘস্থায়ী করে এক সুখী জীবনের অংশীদার করে তুলতে । এসো বন্ধু জেনে নিই </p>



<h5 class="has-text-align-center wp-block-heading"><mark>ভালোবাসার সম্পর্ককে রোমান্টিক ও দীর্ঘস্থায়ী করার 7 টি  অভ্যাস &#8211;</mark></h5>



<h5 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading">১। খোলামেলা আলোচনা :-</h5>



<p>এটা সকলের জানা উচিত যে কারো কাছে সে-ই সবচেয়ে কাছের মানুষ হতে পারে , যে ভালো মন্দ যে কোনো বিষয়ে কথা মন দিয়ে শোনে । যে কখনো <strong>judgemental</strong> হয় না , প্রতিদিনের ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলি মন দিয়েই শুনে থাকে । সে ঘটনা মজার বা দুঃখের , লজ্জার বা যন্ত্রণার যাই হোক না কেন । যে কোনো মানুষই নিজের ভেতরের জমে থাকা কথাগুলো প্রিয়জনের কাছে বলেই শান্তিলাভ করে থাকে । তাই ভালোবাসার উপহারের সঙ্গে এমন একটা &#8220;তুমি &#8221; উপহার দাও , যে তুমিটা প্রিয়জনের কথা মন দিয়ে শুনবে। দেখবে সেই তুমিই প্রিয়জনের কাছে শ্রেষ্ঠ উপহার হয়ে উঠেছ। </p>



<h5 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading">২। পরস্পরের আগ্রহের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া :-</h5>



<p>যত মানুষ তত মতধারা । প্রত্যেকের পছন্দের বিষয়গুলিও আলাদা আলাদা হতে বাধ্য। প্রত্যেকেই নিজের নিজের পছন্দের বিষয়েই কথা বলতে বেশি ভালোবাসে । তাই ভালোবাসার সম্পর্ককে সুন্দর করতে হলে ভালোবাসার মানুষটির পছন্দের বিষয়টিও জানতে হবে । টিভি রিমোট নিয়ে কাড়াকাড়ি নয় , বরং একে অপরের পছন্দকে প্রাধান্য দিলে নিজের পছন্দও প্রাধান্য পেয়ে যাবে । আর কারো মুভি দেখা ভালো লাগে কারো খেলা দেখা , এই ধরণের বিষয়ে ভালোবাসার সম্পর্ককেই বেশি গুরুত্ব দিতে হবে । আর দুজনের আলোচনায় পছন্দের একটা কমন গ্রাউন্ড বা দুজনেরই প্রিয় এমন বিষয়ের সন্ধান করতে হবে , যেখানে বেশিক্ষন দুজনে কাটানো সম্ভব হয় । আর মাঝে মাঝে অপরের পছন্দের রান্না করে খাওয়ানো বা মুভি দেখানো  দারুন সারপ্রাইজও হতে পারে।</p>



<h5 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading">৩। কৃতজ্ঞ থাকা :-</h5>



<p>প্রতিটি ভালোবাসার সম্পর্কে একে অপরের জন্য কিছু করার থাকে ; সময় দেওয়া , উপহার দেওয়া  ,কাজে সাহায্য করা ইত্যাদি । যাই হোক ভালোবাসার সম্পর্ক ততই মধুর থাকবে , দুজন দুজনের প্রতি যতটা কৃতজ্ঞ বা <strong> thankful </strong>থাকবে । ছোট ছোট বিষয়ের উপরেও ধ্যান দিতে হবে । সম্পর্কে আবদ্ব হবার পর থেকেই একে অপরের জীবনে মিশে যেতে থাকে । সেখানে  উভয়ে উভয়ের প্রতি যে কৃতজ্ঞতাবোধ তা কথায়ও প্রকাশ করা প্রয়োজন ।  প্রতিটি কাজের সঙ্গে থ্যাংক ইউ , নাইস , দারুন ব্যাপার , খুব ভালো করেছো  এই কথাগুলো যেমন পজিটিভিটি ছড়াবে তেমনি সম্পর্কের বন্ধনকেও দৃঢ় করে দুজনের জীবনকে সুখী করে তুলবে। </p>



<h5 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading">৪। প্রশংসা করা :- </h5>



<p>পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ নিজের প্রশংসা শুনতে ভালোবাসে । তেমনি তোমার ভালোবাসার মানুষটারও নিশ্চই এমন কিছু গুন্ আছে যেগুলির প্রশংসা সে পেতেই পারে । কোনো ভুল করলে বকা ঝকা না করে তাকে পজিটিভ ভাবে বোঝাতে হবে । আর যে কোনো কাজে প্রশংসার মাধ্যমে উৎসাহিত করতে হবে । আর কোনো নতুন নতুন পোশাকে কেমন মানাচ্ছে সেইসব খেয়াল করতে হবে আর প্রশংসা সূচক উক্তি ব্যবহার করতে হবে । যে কোনো সম্পর্কে কাজের বিচার নয় প্রশংসাই সম্পর্ককে আরো গভীর ও মধুময় করে তুলতে পারে ।</p>



<h5 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading">৫। ছোট ছোট বিষয়ে নজর দেওয়া :- </h5>



<p>ভালোবাসার সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে হলে খুব বড় বড় বিষয় নয় , বরং সামান্য ও ছোট ছোট বিষয়ে নজর দেওয়া প্রয়োজন বলে মনস্তাত্বিকগণ মত  প্রকাশ করেছেন । ছোট ছোট বিষয় বলতে সব কাজে ভুল ধরা আর খুঁত খুঁত করা নয় , খুশির উদ্রেককারী  বিষয়গুলির কথাই এখানে বলছি । যেমন মাঝে মাঝে চাবি রিং , বই , কলম , ফুল , চুলের ক্লিপ , ইত্যাদি  ছোট ছোট উপহার দেওয়া যেতে পারে । সারা বছরে একদিন খুব দামি একটা উপহারের চেয়ে প্রতিদিনের অল্প অল্প সময় ও ভালোবাসার মুহূর্তগুলিই রোমান্টিক  সম্পর্ককে বজায় রাখে বলেই আধুনিক মনোস্তাত্বিকদের ধারণা।</p>



<h5 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading">৬। পরস্পরের অনুভূতিকে বোঝা :- </h5>



<p>ভালোবাসার সম্পর্ককে ভালো রাখার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল পরস্পরের অনুভূতিকে বোঝা । দুঃখ , কষ্ট , মান-অভিমান , ঈর্ষা , অনুরাগ এইসব একে অপরের অনুভূতিকে যদি নাই বুঝতে পারে তাহলে সে সম্পর্ক মেকি বা নকল । সত্যিকারের ভালোবাসার সম্পর্কে পরস্পর পরস্পরের অনুভূতিকে বুঝতেই হবে । আর সেই অনুভূতি বুঝেই তার সঙ্গে ব্যবহার করা প্রয়োজন । দুঃখের সময় মজা না করে পাশে থাকা , অভিমানের সময় একটু বেশি আদর করা ইত্যাদি বজায় রাখতে হবে।</p>



<h5 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading">৭। রাতের শেষ কথাগুলো যেন ঝগড়ার বা বিতর্কের না হয় :-</h5>



<p>যদি তোমাদের ভালোবাসার সুন্দর সম্পর্ক চির মধুর রাখতে চাও তবে আজই কথা বলে ঠিক করে নাও যে , সারাদিনের কোনো বিতর্ক , মতবিরোধ বা ঝগড়ার বিষয় রাতে শোবার সময় আলোচনা করবে না ।  দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রায়ই শোনা যায় অভাব অনটন , মেয়ের বিয়ে , ছেলের পড়া ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনায় ঘুম কাবার হয়ে যায় । মনে রাখতেই হবে রাতের দুঃখ কষ্ট কিন্তু পরের আরেকটা কষ্টের দিন তৈরি করবে । তাই রাতের শেষ সময়টুকু ভালোবাসার সুন্দর আলোচনায় সম্পন্ন হলে পরের দিনটাও সুন্দর একটা &#8221; শুরু&#8221; কে উপহার দেবে।</p>



<p>বন্ধুরা , বুঝতে পারলে নিশ্চয় শুধু টাকা থাকলেই সুখী হওয়া যায় না । দামি দামি উপহারের চেয়েও প্রিয়জনের প্রতি একটু যত্ন , একটু সান্নিধ্য সম্পর্ককে দীর্ঘমেয়াদি ও সুখী করে তুলতে পারে । আশা করি এই লেখাটি তোমার জীবনে কাজে লাগবে । তবে হ্যাঁ তোমার প্রিয়জনকে এই লেখাটি পড়াতে ভুলো না কিন্তু । আর সবাইকে শেয়ার করে দাও লেখাটি , কারণ তোমার বন্ধুরাও উপকৃত হতে পারে এর থেকে । আমাদের <a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজে</a> সঙ্গে থেকো । খুব সুন্দর ও সুখী সম্পর্কের বন্ধনে ভালো থেকো।  </p>



<p class="has-text-align-center"><strong>This Article Is Written By</strong> &#8211; <strong>Kishore Majumder</strong></p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/7-habits-for-a-long-lasting-relationshi/">ভালোবাসার সম্পর্ককে রোমান্টিক ও দীর্ঘস্থায়ী করার ৭ টি  অভ্যাস</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/7-habits-for-a-long-lasting-relationshi/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>

<!--
Performance optimized by W3 Total Cache. Learn more: https://www.boldgrid.com/w3-total-cache/?utm_source=w3tc&utm_medium=footer_comment&utm_campaign=free_plugin

Page Caching using Disk: Enhanced 
Lazy Loading (feed)
Minified using Disk

Served from: preronajibon.com @ 2026-04-23 19:56:24 by W3 Total Cache
-->