প্রেরণাজীবন Archives - প্রেরণাজীবন https://preronajibon.com/tag/প্রেরণাজীবন/ PreronaJibon Sun, 02 Aug 2026 15:55:00 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2018/12/cropped-Favicn-32x32.png প্রেরণাজীবন Archives - প্রেরণাজীবন https://preronajibon.com/tag/প্রেরণাজীবন/ 32 32 ম্যাকিয়াভেলির উক্তি: বাস্তব পৃথিবীতে চতুরতার সঙ্গে বাঁচার এক নির্মম শিক্ষা | Niccolò Machiavelli https://preronajibon.com/niccolo-machiavellis-philosophy-of-life/ https://preronajibon.com/niccolo-machiavellis-philosophy-of-life/#respond Sun, 02 Aug 2026 15:54:56 +0000 https://preronajibon.com/?p=3192 5 Minute Readম্যাকিয়াভেলির উক্তি : বাস্তব পৃথিবীতে চতুরতার সঙ্গে বাঁচার এক নির্মম শিক্ষা ছোটবেলায় আমাদের প্রায় সবার মনের ক্যানভাসেই একটা সহজপাঠ এঁকে

The post ম্যাকিয়াভেলির উক্তি: বাস্তব পৃথিবীতে চতুরতার সঙ্গে বাঁচার এক নির্মম শিক্ষা | Niccolò Machiavelli appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
5 Minute Read

ম্যাকিয়াভেলির উক্তি : বাস্তব পৃথিবীতে চতুরতার সঙ্গে বাঁচার এক নির্মম শিক্ষা

ছোটবেলায় আমাদের প্রায় সবার মনের ক্যানভাসেই একটা সহজপাঠ এঁকে দেওয়া হয়—”ভালো মানুষ হও, সত্য বলো, কাউকে আঘাত কোরো না।” তখন শৈশবের সরল চোখ দুটো দিয়ে মনে হতো, পৃথিবীটা বুঝি ঠিক ততটাই সুন্দর ও ঋজু, যতটা সহজ আমাদের নিষ্পাপ মন। বিশ্বাস ছিল, ভালো থাকলে সবাই ভালোবাসবে, আর সৎ থাকলে দিনশেষে সম্মানটাই প্রাপ্য হবে।

কিন্তু বয়সের সাথে সাথে অভিজ্ঞতার ধূসর আলোয় স্পষ্ট হলো—বাস্তব পৃথিবী কোনো নীতিশিক্ষার গল্পপুস্তক মেনে চলে না। বাস্তব বড়ই নির্মম, বড়ই হিসেবি। এখানে সবাই আপনার শুভাকাঙ্ক্ষী হবে—এমন আশা করাটাই ভুল। আপনার পরোপকার বা সরলতার মূল্য দিতে সবাই শেখে না; বরং বহু ক্ষেত্রে আপনার শালীনতা, নীরবতা আর আন্তরিকতাকে মানুষ ‘দুর্বলতা’ বলেই ধরে নেয়।

আদর্শের এই মরীচিকা ভেঙে যখন বাস্তবের কড়া রোদ এসে গায়ে লাগল, আর এই কঠিন উপলব্ধিটা যত গভীর হতে শুরু করল—ঠিক তখনই আমি নতুন করে নিজেকে আবিষ্কার করলাম নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি (Niccolò Machiavelli)-র পাতাগুলোতে। অনেকেই তাকে ধূর্ততার শিক্ষক বলেন। কেউ বলেন নিষ্ঠুর বাস্তববাদী। কিন্তু তাঁকে পড়তে গিয়ে আমার মনে হয়েছে, তিনি মানুষকে খারাপ হতে শেখাতে চাননি। তিনি শুধু পৃথিবীটাকে যেমন দেখেছেন, তেমনভাবেই লিখেছেন। কোনো সাজসজ্জা ছাড়া।

তাঁর বিখ্যাত বই ‘The Prince’ শুধু রাজনীতি নিয়ে নয়, মানুষের আচরণ, ক্ষমতা, ভয়, সম্পর্ক আর সমাজে টিকে থাকার এক গভীর মনস্তত্ত্ব । আজকের পৃথিবীতে ম্যাকিয়াভেলির অনেক উক্তি শুনতে হয়তো কঠিন লাগে, কিন্তু অদ্ভুতভাবে বাস্তবও লাগে। বিশেষ করে যখন আপনি জীবনে বিশ্বাসঘাতকতা, স্বার্থপরতা বা মানুষের আসল রূপ দেখতে শুরু করেন।

“Everyone sees what you appear to be, few experience what you really are.” এই লাইনটা প্রথমবার পড়ার পর আমার মনে হয়েছিল—এটা যেন আজকের এই Social Media এর যুগের জন্যই লেখা।
মানুষ এখন আপনার বাস্তব জীবন দেখে না, দেখে আপনার presentation। আপনি বাইরে থেকে কেমন দেখাচ্ছেন, কতটা confident, কতটা successful, কতটা strong—মানুষ সেটাই বিচার করে। হয়তো এ কারণেই আমরা অনেক সময় নিজের কষ্টগুলো লুকিয়ে রাখতে শিখে যাই। আগে মনে হতো, সব অনুভূতি সবার সঙ্গে ভাগ করে নিলেই মানুষ আপন হয়ে যায়। এখন বুঝি, সবাই আপনার অনুভূতি বোঝার ক্ষমতা রাখে না। বা তারা সেগুলিকে হাসির খোরাক বানিয়ে ফেলে। কিছু মানুষ আপনার দুর্বলতা বুঝে আপনাকে আগলে রাখে। আবার কিছু মানুষ ঠিক সেই দুর্বলতাকেই একদিন অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে।

“The lion cannot protect himself from traps, and the fox cannot defend himself from wolves.“
ম্যাকিয়াভেলি এখানে সিংহ আর শিয়ালের উদাহরণ দিয়েছেন। সিংহ শক্তিশালী, কিন্তু সব ফাঁদ বুঝতে পারে না। আবার শিয়াল খুব চালাক, কিন্তু শক্তিশালী শত্রুর সামনে অসহায়। এই কথার অর্থ খুব গভীর।

জীবনে শুধু ভালো মানুষ হলেই হবে না, আবার শুধু ধূর্ত হলেও হবে না। দুটো জিনিসের balance দরকার।
অনেক মানুষ আছে যারা এতটাই নরম স্বভাবের যে সবাই তাদের ব্যবহার করে। আবার কিছু মানুষ এত বেশি aggressive যে মানুষ তাদের ভয় পায়, কিন্তু সম্মান করে না।বাস্তব জীবনে টিকে থাকতে হলে কখন নরম হতে হবে আর কখন কঠিন হতে হবে—এই জ্ঞানটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

“Men are driven by two principal impulses, either by love or by fear.”
এই উক্তিটা শুনতে একটু dark লাগে, কিন্তু বাস্তবে চারপাশে তাকালে কথাটা পুরোপুরি মিথ্যা মনে হয় না।
মানুষ হয় ভালোবাসা থেকে কাজ করে, নয়তো ভয় থেকে।

অনেক সম্পর্ক আছে যেগুলো আসলে ভালোবাসার উপর না, প্রয়োজনের উপর দাঁড়িয়ে থাকে। আবার অনেক মানুষ সামনে সম্মান দেখায়, কিন্তু সুযোগ পেলেই পিছনে আঘাত করে।এজন্যই এখন মানুষকে বুঝতে শেখা খুব জরুরি। সবাইকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করা আসলে নিজের ক্ষতি ডেকে আনা। বিশ্বাস অবশ্যই করতে হবে, কিন্তু চোখ বন্ধ করে না।আমি মনে করি, মানুষের কথার চেয়ে তার আচরণ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ কথা সবাই সুন্দর বলতে পারে।

“Never attempt to win by force what can be won by deception.”
এই quote-টা অনেকেই ভুলভাবে নেয়। এখানে “deception” মানেই প্রতারণা না। অনেক সময় এর মানে strategy বা psychological intelligence।

সব যুদ্ধ শক্তি দিয়ে জেতা যায় না। কিছু পরিস্থিতিতে চুপ থাকা, হাসিমুখে এড়িয়ে যাওয়া, বা সঠিক সময়ের জন্য অপেক্ষা করাও এক ধরনের শক্তি। বাস্তব জীবনে দেখা যায়, যারা সবসময় রাগ দিয়ে বা জোর করে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে চায়, তারা শেষ পর্যন্ত সম্পর্ক, সম্মান—দুটোই হারায়। কিন্তু যারা মানুষ বোঝে, timing বোঝে, পরিস্থিতি analyse করতে পারে—তারা কম কথা বলেও অনেক দূর যায়।

“A wise ruler ought never to keep faith when by doing so it would be against his interests.”
এটা সম্ভবত ম্যাকিয়াভেলির সবচেয়ে বিতর্কিত উক্তিগুলোর একটি।

কারণ তিনি এখানে বলছেন, নিজের ক্ষতি হয় এমন জায়গায় অন্ধভাবে loyal থাকা সবসময় বুদ্ধিমানের কাজ না। এখন, এটা শুনে অনেকেই বলবে—তাহলে কি স্বার্থপর হওয়া উচিত? আমি বলব, না। কিন্তু নিজের আত্মসম্মান বিসর্জন দেওয়াও ঠিক না।
যদি কেউ বারবার আপনাকে ব্যবহার করে, অসম্মান করে, অথচ আপনি শুধু “ভালো মানুষ” হওয়ার জন্য সব সহ্য করেন—তাহলে সেটা আর মহত্ত্ব থাকে না, সেটা দুর্বলতায় পরিণত হয়।

ম্যাকিয়াভেলি মূলত মানুষকে emotional blindness থেকে বের হতে বলেছিলেন। সমাজে চতুরতার সঙ্গে বাঁচতে কী শেখা দরকার? শুধু কয়েকটা ছোট্ট অভ্যাস যেটা আপনার personality – কে আরোও বেশি আকর্ষণীয় ও দৃঢ় করবে।

এটা হয়তো কঠিন শোনাবে, কিন্তু বাস্তব।
সবাই আপনার সুখে খুশি হয় না। আবার সবাই আপনার দুঃখেও কষ্ট পায় না। তাই নিজের plan, দুর্বলতা বা personal struggle সবার সামনে খুলে না বলাই ভালো।

মিষ্টি কথায় ভুলিয়ে দেওয়া খুব সহজ, কিন্তু সম্পর্কের বা মানুষের আসল পরিচয় পাওয়া যায় তার কাজে। যে মানুষটি মুখে বড় বড় প্রতিশ্রুতি দেয়, কঠিন সময়ে সে আপনার পাশে না-ও থাকতে পারে। তাই কে আপনার জন্য কী বলছে তা না দেখে, কে আপনার জন্য বাস্তবে কী ভূমিকা রাখছে—সেদিকে নজর দিন। মানুষের কথার চেয়ে তার আচরণ ও কর্মই তার চরিত্রকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে।

অত্যধিক আনন্দ, তীব্র রাগ কিংবা গভীর কষ্টের মুহূর্তে কোনো বড় সিদ্ধান্ত নেবেন না। আবেগের তোড়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত অধিকাংশ সময়ই বাস্তবসম্মত হয় না এবং পরবর্তীতে অনুশোচনার জন্ম দেয়। মাথা যখন গরম বা আবেগপ্লুত থাকবে, তখন সময় নিন, শান্ত হোন এবং ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করে পদক্ষেপ ফেলুন। আবেগ সাময়িক, কিন্তু তার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া সিদ্ধান্তের প্রভাব চিরস্থায়ী হতে পারে।

সব জায়গায় সবাইকে সন্তুষ্ট করার চেষ্টা নিজের ব্যক্তিত্ব ও মানসিক শান্তির জন্য ক্ষতিকর। আপনার সময়, সাধ্য এবং মানসিক সীমানাকে সম্মান জানানো আপনারই দায়িত্ব। অন্যের অনুরোধ যদি আপনার ক্ষতি করে বা আপনাকে অপ্রয়োজনীয় চাপে ফেলে, তবে বিনীত কিন্তু দৃঢ়ভাবে “না” বলতে দ্বিধা করবেন না। স্পষ্ট ‘না’ বলা কোনো অপরাধ নয়, বরং তা আত্মসম্মানের লক্ষণ।

পৃথিবী সাধারণত সেই মানুষকেই মূল্য দেয়, যে নিজেকে মূল্য দিতে জানে। আপনি যদি নিজেকে অবহেলা করেন বা নিজের যোগ্যতাকে ছোট করে দেখেন, তবে সমাজও আপনাকে কম গুরুত্ব দেবে। নিজের আত্মবিশ্বাস, কাজের প্রতি ভালোবাসা এবং নিজের ব্যক্তিত্বকে ধরে রাখুন। যখন আপনি নিজের ক্ষমতার ওপর আস্থা রাখবেন এবং নিজের সীমারেখা তৈরি করবেন, তখন বাকি দুনিয়াও আপনাকে সম্মান জানাতে বাধ্য হবে।

আমার মনে হয়, অনেক ক্ষেত্রেই হয়। কারণ তিনি আদর্শ পৃথিবীর গল্প লেখেননি। তিনি এমন একটা পৃথিবীর কথা বলেছেন, যেখানে মানুষ সবসময় ন্যায়পরায়ণ নয়, সম্পর্ক সবসময় নিঃস্বার্থ নয়, আর ক্ষমতা সবসময় নৈতিকতার পথ ধরে আসে না।
কারণ এখন মানুষ আগের চেয়ে বেশি competitive, বেশি self-centered, আর অনেক বেশি image-conscious। এই সমাজে বেঁচে থাকতে গেলে ভালো হৃদয়ের পাশাপাশি sharp mind-ও দরকার।
তাঁর সব মতের সঙ্গে একমত হওয়া জরুরি নয়।
কিন্তু তাকে পড়ে বাস্তবতা সম্পর্কে একটু বেশি সচেতন হওয়া যায়।

শেষ কথা –

ম্যাকিয়াভেলির দর্শন সবার পছন্দ হবে না। অনেকের কাছে এটা নিষ্ঠুর লাগবে। কিন্তু জীবনের একটা পর্যায়ে এসে অনেক মানুষই বুঝতে পারে—বাস্তবতা সবসময় আবেগ দিয়ে চলে না। ভালো মানুষ হওয়া অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এতটাই সরল হওয়া উচিত না, যাতে মানুষ আপনাকে ব্যবহার করতে শুরু করে।
চতুর হওয়া মানে খারাপ হওয়া না। এর মানে হলো মানুষকে বুঝতে শেখা, নিজেকে রক্ষা করতে শেখা, আর বাস্তব পৃথিবীতে মাথা উঁচু করে টিকে থাকতে শেখা। হয়তো এ কারণেই শত শত বছর পরেও ম্যাকিয়াভেলির উক্তিগুলো মানুষকে ভাবায়। কারণ তার কথাগুলো শুনতে কঠিন হলেও, বাস্তব জীবনের সঙ্গে অদ্ভুতভাবে মিলে যায়।

The post ম্যাকিয়াভেলির উক্তি: বাস্তব পৃথিবীতে চতুরতার সঙ্গে বাঁচার এক নির্মম শিক্ষা | Niccolò Machiavelli appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/niccolo-machiavellis-philosophy-of-life/feed/ 0
সম্মান পাওয়ার ১০ টি সেরা উপায় । সবাই গুরুত্ব দেবে নিয়মগুলি মানলে https://preronajibon.com/10-ways-to-get-respect/ https://preronajibon.com/10-ways-to-get-respect/#respond Mon, 01 May 2023 16:35:39 +0000 https://preronajibon.com/?p=2765 5 Minute Readসম্মান পাওয়ার উপায় সম্মান বা Respect মানুষের সহজাত নয়। মানুষকে তার ব্যক্তিত্ব দিয়ে কর্ম দিয়ে সম্মান অর্জন করতে হয়। আবার

The post সম্মান পাওয়ার ১০ টি সেরা উপায় । সবাই গুরুত্ব দেবে নিয়মগুলি মানলে appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
5 Minute Read

সম্মান পাওয়ার উপায়

“আমার মতে মানুষের সবচেয়ে বড় ক্ষতি হল সম্মানের ক্ষতি। এর থেকে বড় ক্ষতি আর নেই।“
– মহাত্মা গান্ধি

সম্মান বা Respect মানুষের সহজাত নয়। মানুষকে তার ব্যক্তিত্ব দিয়ে কর্ম দিয়ে সম্মান অর্জন করতে হয়। আবার সচেতন মনে কাউকে সম্মান দেওয়াও সংস্কৃতিগতভাবে শেখাতে হয়।

“ধন নয় মান নয়, এতটুকু বাসা / করেছিনু আশা।”
– আশা / রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

এই ধন সম্পদের উর্ধে পৃথিবীতে মানুষ মানুষের কাছে যে জিনিসটি প্রত্যাশা করে তা হল সম্মান। কাজেই পৃথিবীর নশ্বর সম্পদের প্রাচুর্যেও, মানুষের শান্তি নেই। গাছের মতো প্রকৃতির নিয়মে মানুষও নিজেকে ছড়িয়ে দিতে চায় বটে। কিন্তু জৈবিক বিস্তারের ঊর্ধে একমাত্র মানুষই মৃত্যুর পরেও বেঁচে থাকে অন্য মানুষের মনে। জীবনানন্দের ভাষায় বলা যায়-

” মানুষের মৃত্যু হলে তবুও মানব থেকে যায়। “
(‘মানুষের মৃত্যু হলে’ // জীবনানন্দ দাশ)

অর্থাৎ মৃত্যুর পরেও থেকে যাওয়া এ মানব সত্তাটিই হল প্রকৃত সম্মান, যা মানুষ ছাড়া বোধ করি আর কোনো প্রাণীর কাম্য নয়।

বাস্তব সত্য হলেও সকলেই সম্মান পেতে চায়। কিন্তু সকলেই সম্মান লাভ করে না । তাহলে কী এমন আছে যার দ্বারা মানুষের কাছে নিজের সম্মান আদায় করা সম্ভব। ধন ও সম্পদের ঊর্ধ্বে রবীন্দ্রনাথের বলা ওই ‘বাসা’টুকুতে তাই আসন লাভ করা যায় কীভাবে ?
বন্ধুরা আজকের আলোচনায় আমরা অল্প কথায় তুলে ধরছি অপরের কাছে নিজের সম্মান পাবার বা সম্মান বাড়ানোর ১০ টি উপায় সম্পর্কে তাহলে কথা না বাড়িয়ে মূল বিষয় প্রবেশ করা যাক।

সম্মান পাওয়ার উপায়

১. ভালো শ্রোতা হোন :-

‘তুমি মানুষের হাত ধরো/ সে কিছু বলতে চায়’ – কবি বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কবিতার এই উক্তিটি থেকে বোঝাই যায় মানুষ আসলে কিছু বলতে চায়। তাদের কথা শোনার কেউ নেই। আপনি কোনো মানুষের কাছে সম্মান পেতে হলে ভালো করে শুনতে হবে মানুষ আসলে কী বলতে চায়। একজন ভালো শ্রোতা সহজেই অন্যের হৃদয়ের কাছাকাছি চলে আসতে পারেন আর সম্মানের আসনটিও সহজেই লাভ করতে পারেন।

২ .অপরকে সম্মান করুন :-

কথায় বলে সম্মান হল আয়নার মতো, অন্যকে যত সম্মান দেবেন,তাদের কাছেও তত সম্মান ফিরে পাবেন। আপনি যেমন অপরের কাছে একটু সম্মান প্রত্যাশা করেন তেমনি অপরজনও আপনার কাছে সম্মান প্রত্যাশা করবেন এটাই স্বাভাবিক।

৩. ভুল স্বীকার করুন, নিজেকে সংশোধন করেন :-

মানুষ মাত্রই ভুল হয়। আপনারও ভুল হতে পারে স্বীকার করে নিয়ে Sorry বলুন। আর ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেকে আরো উন্নত করে গড়ে তুলুন। ভুল হলে এড়িয়ে না গিয়ে, সরাসরি স্বীকার করার মধ্যে যে সৎ সাহস থাকে এই সৎ সাহসই আপনার সম্মান বাড়িয়ে দেবে। এটা শুধু সম্মানই নয় আপনার নিজের আত্মসম্মানও বাড়িয়ে তুলবে।

৪. যে কথাগুলি বলবেন না :-

মানুষের ব্যবহার বলতে মুখ্যত কথাকেই বোঝায়। সেই কথাকে ঠিকমতো না ব্যবহার করলে একদিকে আপনার ব্যক্তিত্ব যেমন নষ্ট হতে পারে- তেমনি অপরের চোখে আপনার সম্মানও চিরতরে নষ্ট হতে পারে। কাজেই একবার জেনে নিন যে কথাগুলো আপনার Personality ও সম্মানও দুটোই ক্ষতিগ্রস্ত হয় এমন কী কী কথা বলা যাবে না –

ক. এক সেকেন্ড, আসছি। (কথাটি বলতেই এক সেকেন্ড লেগে যায় কাজেই এটা ভিত্তিহীন কথা। দু- মিনিট, পাঁচ মিনিট- সঠিক সময়টুকুই বলবেন।)

খ. আমি অমুক কিনেছি, বা এই করেছি। ( এসব অহংকারী কথা কখনো বলবেন না অন্যের ভেতর থেকে শ্রদ্ধা হারাবেন এসব কথার দ্বারা)

গ. ধুর ভাল্লাগেনা! (বিরক্তিসূচক কথা নেগেটিভ মানসিকতার লক্ষণ এতে লোক আপনাকে এড়িয়ে যেতে থাকবে।)

ঘ. আপনার দ্বারা হবে না বা আপনি পারবেন না। (নেগেটিভ কথা কেউ শুনতে চায় না।)

Read More : কোথায় এবং কেন চুপ থাকা প্রয়োজন ?

৫. অতি বিনয় ত্যাগ করুন :-

বিনয় ভালো। কথায় আছে ‘’বিদ্যা দদাতি বিনয়ং’’ । অর্থাৎ বিদ্যা বিনয় দান করে। কিন্তু অতিরিক্ত কিছুই ভালো নয় । যেমন বিনয় । দেখা যায় যে অতি বিনয়ী স্বাভাব ব্যক্তিত্বের ক্ষতি করে । আত্মবিশ্বাস ধ্বংস করে দেয় । আর সবচেয়ে খারাপ যে বিষয়টি তা হল- অতি বিনয়ের ভাব তোষামুদে স্বভাবের পরিচায়ক । তাই অন্যের কাছে সম্মান পেতে হলে অতি বিনয় ত্যাগ করুন।

৬. Show off করার চেয়ে আন্তরিক হোন :–

এটা নিশ্চয় উদাহরণ দিয়ে বোঝানোর দরকার নেই যে এখনকার দিনে Show off করা একটা ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে । যারা বেশি Show off করে বেড়ায়, মনে রাখবেন তারা দুটো কারণে অন্যের সম্মান হারাতে থাকে –
১। যাই কিছু Show off করা হোক না কেন তা অন্যের ভেতরে ঈর্ষার উদ্রেক করতে পারে।
২। Show off অর্থাৎ বিজ্ঞাপিত করার মানসিকতার মধ্যে একটা অহংকার কাজ করে যা অন্যের চোখে বেশি করে ফুটে ওঠে।
আপনি লোকদেখানো বা Show off থেকে সরে এসে আন্তরিক হয়ে কাজ করুন , মিশুন , এতে দেখবেন আপনার কী আছে বা নেই তা নিয়ে কারো মাথাব্যথা নেই । আপনার ব্যবহার কেমন সেটাই আপনার পরিচয়। আর সেটাই আপনাকে সম্মানের আসনে রাখবে।

“নিজেকে সম্মান করুন। অন্যরা আপনাকে সম্মান করবে।” -কনফুসিয়াস

৭. কথা দিয়ে কথা রাখুন :-

অন্যের চোখে তিনিই সম্মান পান, যিনি কথা দিয়ে কথা রাখেন । এই দুনিয়ায় এখন মেকি Show off , নিজেকে প্রচার করার প্রবণতা যেখানে বেশি সেখানে কথা দিয়ে কথা রাখার মানুষও খুব কমে যাচ্ছে। কারও মনে শ্রদ্ধা জাগাতে হলে আপনি কথা দিয়ে কথা রাখুন । এর ফলে শুধু সম্মানই বাড়বে না আপনার প্রতি বিশ্বাস ও ভরসাও বেড়ে যাবে ।

৮. সর্বদা ইতিবাচক থাকুন :-

একটা বিষয় অনেকেই জানেন না যে , যারা সর্বদা নিজের দুঃখ, কষ্ট, যন্ত্রণার কথা , দেশ-দুনিয়ার দুর্দশার কথা অর্থাৎ নেতিবাচক কথাই সর্বদা গর্ব করে বলতে থাকেন ; মানুষ তাদের এড়িয়ে যেতে চান। কারন তাদের মানুষ অপছন্দ করেন। একটা বিষয় খেয়াল করে দেখবেন , মানুষ ইতিবাচক কথাই শুনতে চায়। যদিও এই বিষয়কেই কাজে লাগায় রাজনৈতিক নেতারা। কিন্তু আপনি যদি অন্যের হৃদয়ে শ্রদ্ধার ও সম্মানের আসন পেতে চান , তাহলে আপনাকে নেগেটিভ কথা বলা বন্ধ করতে হবে । যে কোনো কিছুরই নেগেটিভ ও পজিটিভ দুটো দিকই থাকে । আপনাকে সর্বদা পজিটিভ কথাগুলোই বলতে হবে । এতে সকলের কাছে প্রিয় ও সম্মানের মানুষ হতে সময় লাগবে না আপনার।

Read More : এই ১১ ধরণের মানুষ থেকে সর্বদা দূরে থাকো

৯. কথার পেছনে যুক্তি ও তথ্যের সত্যতা রাখবেন :-

আপনার চারদিকে সর্বদা যারা থাকেন, খেয়াল করে দেখবেন তাদের মধ্যে বিভিন্ন স্বভাবের মানুষ পাবেন। কেউ দেখবেন কিছু না জেনে বুঝেই বিজ্ঞের মতো মন্তব্য করে বসেন । আবার কেউ বুঝুক না বুঝুক দুম করে আবেগের বশে কিছু বলে বসেন । এরা সমাজে সম্মান পান না । খুব কম মানুষই দেখবেন প্রতিটি কথার মধ্যে যুক্তি ও তথ্যের পরিসংখ্যান রাখেন । আর না জানা থাকলে সেই বিষয়ে মন্তব্য করতে যাবেন না । কম কথা বলুন কিন্তু জেনে বুঝে বলুন । দেখবেন সকলের হৃদয়ে সম্মানের আসন আপনার জন্য সাজানো থাকবে।

১০. অপরের সময়ের মূল্য দিন –

আপনি কখনো কি ভেবেছেন , যে আপনার জন্য কারো সময় নষ্ট হচ্ছে ? তাহলে আজই এই বিষয় সম্পর্কে সচেতন হোন – অপরের সময় আপনি কিছুতেই নষ্ট করবেন না। কারণ এই দুনিয়ায় সবচেয়ে মুল্যবান বিষয় হল সময়। কারো যেন এরকম মনে না হয় যে আপনার সঙ্গে কথা বলে শুধু সময়টাই নষ্ট হচ্ছে। আপনি অন্যের সময়ের যেমন মূল্য দেবেন, তেমনি সময়কে কীভাবে কাজে লাগানো যায় সেটা প্রয়োগ করতে জানতেই হবে। মূল্যবান পরামর্শ দিন । জানা কিছু থাকলে অপরের উপকারের জন্য শেয়ার করুন। মোট কথা অপরজন যেন আপনার সঙ্গে থেকে বুঝতে পারেন যে তার সময়টা খুব কাজে লাগলো। অপরের সময়ের মূল্য দিতে পারলেই দেখবেন আপনার প্রতি সকলেরই সম্মান বেড়ে যাবে ।

বন্ধুরা , আশা করি আজকের সম্মান পাওয়ার উপায় আর্টিকেলটি থেকে আমরা অনেক কিছু শিখতে পারলাম। লেখাটি যদি কাজে লেগে থাকে তাহলে আপনার প্রিয়জনকে শেয়ার করে আমাদের কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ করুন। এরকম আরো লেখা পেতে হলে ফেসবুক পেজটি ফলো করে আমাদের সঙ্গে থাকুন আর দুর্দান্ত কোনো লেখার জন্য অপেক্ষা করুন। ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।

The post সম্মান পাওয়ার ১০ টি সেরা উপায় । সবাই গুরুত্ব দেবে নিয়মগুলি মানলে appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/10-ways-to-get-respect/feed/ 0
Emotional Quotes in Bengali | Sad Quotes Bengali | ইমোশনাল উক্তি https://preronajibon.com/emotional-quotes-in-bengali/ https://preronajibon.com/emotional-quotes-in-bengali/#respond Sun, 22 Jan 2023 15:46:30 +0000 https://preronajibon.com/?p=2669 5 Minute Readজীবন গতিশীল নদীর মত । নানা ঢেউ নানা বাঁক তার। কখনো বর্ণময় কখনো বর্ণহীন ফ্যাকাশে । সুখ দুঃখ কষ্ট মানুষের

The post Emotional Quotes in Bengali | Sad Quotes Bengali | ইমোশনাল উক্তি appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
5 Minute Read

জীবন গতিশীল নদীর মত । নানা ঢেউ নানা বাঁক তার। কখনো বর্ণময় কখনো বর্ণহীন ফ্যাকাশে । সুখ দুঃখ কষ্ট মানুষের জীবনসঙ্গী । কোনো কোনো মানুষ ভাবেন তারা যেন দুঃখ লাভ করতেই পৃথিবীতে আসেন । কিন্তু কখনো ভুলে গেলে চলবে না – দুঃখ কষ্ট রাগ যন্ত্রনা জীবনে স্বাভাবিক নিয়মেই আসে । আর সুখ আনন্দ বেদনা এসব নিজেকে অর্জন করতে হয়। কান্না দিয়েই জীবনের শুরুটা হয় । কারণ সেটা কারো হাতে নেই। কিন্তু জীবনের শেষটা নিজের হাতে। হাসি দিয়ে শেষ করতে সকলেই জানে না। দুঃখকে উপলব্ধি করেই দুঃখকে জয় করতে শিখতে হয় । তাই আজ আমরা দুঃখ নিয়ে নানান ধরণের উক্তি তুলে ধরছি। যেগুলো উপলব্ধি করেই জীবনের প্রকৃত স্বরূপ উদঘাটন করা যেতে পারে। তাই আর কথা না বাড়িয়ে চলো দেখে নিই দুঃখ ও কষ্ট নিয়ে বিখ্যাত কিছু উক্তি,বাণী ও স্ট্যাটাস, emotional quotes in bengali ।

Emotional Quotes in Bengali :-

“কষ্ট তোমাকে পরিবর্তন করে না বরং এটা তোমার ভিতরের তুমিটাকে বের করে আনে।”- জন গ্রিন

“কষ্ট পেয়ো না। তুমি যা হারিয়েছ তা কোনো না কোনো ভাবে তোমার কাছে উত্তম কিছু আনবেই।”- রুমি

emotional quotes in bengali

“দুঃখ মানুষের জীবনের একটি ব্যক্তিগত গান, যা মানুষ নিজে ছাড়া অন্য কেউ শোনে না।”-রুদ্র গোস্বামী

“কষ্ট খারাপ কাজের মতো কিছু নয় তবে তা তোমার কাছে থেকে অনেক কিছুই নিয়ে যায়।”-ভেরোনিকা রোথ

“যারা নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকে তারা কখনও অন্যের দুঃখ কষ্টকে উপলদ্ধি করতে পারেনা।”- রেদোয়ান মাসুদ

“পৃথিবীতে কোনো কিছুই চিরস্থায়ী নয় এমনকি আপনার কষ্টও।”- চার্লি চ্যাপলিন

“কষ্টের সবচেয়ে বড় ঔষধ এবং চিকিৎসা হলো ধৈর্য ধারণ করা।”-প্লাউটাস

emotional sad quotes in bengali

“কষ্ট মূলত দুটো জিনিসে এক কিছু হারাতে দুই জীবনকে সেখান থেকে নতুন করে শুরু করতে।”-আন্নে রোইফি

“কষ্ট হচ্ছে দুটি বাগানের মাঝখানের বড় প্রাচীরের মত।”- কাহলিল জিবরান।

“আমাদের সবচেয়ে সুন্দর এবং সবচেয়ে কষ্টের মূহুর্ত গুলো আসে আমাদের পরিপার্শ্বিক সম্পর্ক গুলো থেকে।”- স্টফেন আর কোভে।

Read More : বাংলা রোম্যান্টিক প্রেমের স্ট্যাটাস

“আনন্দের সময় কষ্টের কথা স্মরণ করার মত বড় দুঃখের কিছু হতে পারে না।”-দান্তে আলঘিয়েরি।

“প্রত্যেকটা মানুষের জীবনে আশা আছে, ভালোবাসা আছে, কষ্ট আছে এবং অবশ্যই বিপদও থাকে”-গৌতম মেনন

“প্রতিটা মানুষের এমন কিছু কষ্ট থাকে যা তাকে সর্বদা জাগ্রত রাখে” – স্টিভেন টায়লার।

Bangla Dukkher Ukti

“পৃথিবীর নিয়ম বড় অদ্ভুদ, যাকে তুমি সবচেয়ে বেশী ভালোবাস সেই তোমার দুঃখের কারন হবে ।”-সমরেশ মজুমদার

“রাত যত গভীর তারাগুলো ততই উজ্জ্বল হয় তেমনিভাবে দুঃখ যত বেশি হয় স্রষ্টা ততই নিকটে চলে আসেন।”-ফিয়োডার দস্তোভেস্কি

“জীবনে দুটি দুঃখ আছে। একটি হল তোমার ইচ্ছা অপূর্ন থাকা, অন্যটি হল ইচ্ছা পূর্ণ হলে আরেকটি প্রত্যাশা করা।” -জর্জ বার্নার্ড শ

Emotional Sad Quotes in Bengali :-

“জীবন কখনও সহজ ছিল না বা হবার নয়, শত কষ্টের মাঝে মুখউজ্জ্বল থাকায় সবচেয়ে বড় বিষয়।”-ডার্ক বেনেডিক্ট।

“চিন্তা কখনও কষ্ট ছিনিয়ে নিতে পারে না; বরং আজকের আনন্দ ছিনিয়ে নেয়।”-লিও বাসকাগলিয়া

emotional sad quotes in bengali

“কপালে সুখ লেখা না থাকলে সে কপাল পাথরে ঠুকেও লাভ নেই। এতে কপাল যথেষ্টই ফোলে, কিন্তু ভাগ্য একটুও ফোলে না।”- কাজী নজরুল ইসলাম

“আমি সবসময় নিজেক সুখী ভাবি, কারণ আমি কখনো কারো কাছে কিছু প্রত্যাশা করি না, কারো কাছে কিছু প্রত্যাশা করাটা সবসময়ই দুঃখের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।”– উইলিয়াম শেক্সপিয়র

“সংসারে জ্বালা-যন্ত্রণা এড়াবার প্রধান উপায় হচ্ছে, মনের ভেতর আপন ভুবন সৃষ্টি করে নেওয়া এবং বিপদকালে তার ভেতর ডুব দেওয়া। যে যত বেশি ভুবন সৃষ্টি করতে পারে, যন্ত্রণা এড়াবার ক্ষমতা তার ততই বেশি হয়।”- বারট্রান্ড রাসেল

“যে গিয়েছে তাকে যেতে দাও। কারণ সে কাছে থাকলে শুধু তার খোলসটাই পেতে । জোর করে ভালোবাসা পাওয়া যায় না।”-কিশোর মজুমদার

“ভালোবাসা হল ঘড়ির মত । কখনোই স্থির থাকে না । রূপ বদলাতে থাকে চিরকাল।”- কিশোর মজুমদার

“আমার হাতে অস্ত্র আছে মানে , আমার হৃদয়ে ভালোবাসা কমে গেছে । তোমার হাতের গোলাপও তখন আমার কাছে ছুরির ডগায় মাংস পিণ্ড ছাড়া কিছু নয়।”-কিশোর মজুমদার

Bengali Sad Status | কষ্ট নিয়ে স্ট্যাটাস :-

“সবাই তোমাকে কষ্ট দিবে, তোমাকে শুধু এমন একজন কে খুঁজে নিতে হবে যার দেয়া কষ্ট তুমি সহ্য করতে পারবে।”- হুমায়ূন আহমেদ

“দুঃখ-কষ্ট প্রকাশ করা সহজ কিন্তু বলা ততটাই কঠিন।”-জনি মিশেল।

“একজন আহত ব্যক্তি তার যন্ত্রনা যত সহজে ভুলে যায়, একজন অপমানিত ব্যক্তি তত সহজে অপমান ভোলে না।”-জর্জ লিললো

“প্রতিদিন কিছু ইচ্ছেকে পুড়িয়ে মারি প্রতিদিন কিছু ইচ্ছেকে পাঠাই নির্বাসনে ভালবাসা কি ভীষণ প্রতারক হৃদয় ভেঙেছে যার সেই জানে।-জয় গোস্বামী

“বেদনার পায়ে চুমু খেয়ে বলি এইতো জীবন, এইতো মাধুরী, এইতো অধর ছুঁয়েছে সুখের সুতনু সুনীল রাত!” -রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ

“নরম কাঁদা একবার পুড়ে যদি ইট হয়ে যায়, তারপর যতই পানি ঢালা হোক না কেন, তা আর গলে না বরং শক্তিশালী হয়। মানুষের মনও একই রকম, একবার কষ্ট পেলে এরপর শত আবেগেও তার কোন পরিবর্তন হয় না।”-টার্মস টমাস

“পৃথিবিতে সব চেয়ে অসহায় সে, যে নিজের রাগ,অভিমান, কষ্ট কাউকে দেখাতে পারেনা একটু চিৎকার করে কাঁদতে পারেনা শুধু চোখের জল লুকিয়ে হাসে।” -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

“আমি এমনভাবে পা ফেলি যেন মাটির বুকেও আঘাত না লাগে। আমার তো কারুকে দুঃখ দেবার কথা নয়।” -সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

“কাউকে ভালবেসে তাকে কষ্ট দিলে সে নিজেও কষ্ট পায়।”

“কাউকে ছেড়ে থাকা খুব কষ্টের। কিন্তু তার চেয়েও বেশি কষ্টের হলো আসবেনা জেনেও তার জন্য অপেক্ষা করা।”

“পৃথিবীতে প্রত্যেকটা মানুষের হৃদয়ে ব্যথা আছে শুধু প্রকাশ করার ধরন টা আলাদা।”

“ভালোবাসা শুধুই কাছে পাওয়াকে নয় বরং তার চলে যাওয়ার কষ্টকে বুকে ধারণ করাকেও বোঝায়।”

emotional love quotes in bengali

“কষ্ট চিরস্থায়ীভাবে থাকার কোনো জায়গা নয় বরং এটা জীবনের একটি টানেলের মতো যা আপনাকে অনেকবারই অতিক্রম করতে হবে।”

“একা থাকা কষ্ট পাওয়ার চেয়ে বেশি বেদনাদায়ক!”

“কষ্ট পেতে রাজি আছি যদি কষ্টটা তোমার হয় কারণ আমি তোমায় ভালোবাসি।”

“সব কিছুকেই একটি নির্দিষ্ট সংজ্ঞায় সংজ্ঞায়িত করা যায়, কিন্তু কষ্টকে কোন নির্দিষ্ট সংজ্ঞায় ফেলা যায় না। কারন কষ্ট এমন এক জিনিস যা ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি ভিন্ন হয়।”- রেদোয়ান মাসুদ

Bengali Emotional Quotes – এই লেখাটি কেমন লাগলো তা আমাদের কমেন্টে জানাও। ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করো। এই ধরনের লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকো।

The post Emotional Quotes in Bengali | Sad Quotes Bengali | ইমোশনাল উক্তি appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/emotional-quotes-in-bengali/feed/ 0
নিজেকে নিয়ে উক্তি ।। নিজেকে নিয়ে স্ট্যাটাস ।। Self Quotes Bengali https://preronajibon.com/self-quotes-in-bengali/ https://preronajibon.com/self-quotes-in-bengali/#respond Sun, 27 Nov 2022 15:42:15 +0000 https://preronajibon.com/?p=2645 4 Minute Readমনস্তাত্ত্বিক সিগমুন্ড ফ্রয়েড গবেষণায় উপলব্ধি করেন যে মানুষ সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে নিজেকে। বিজ্ঞানের অপেক্ষিকতাবাদও একই কথাই তুলে ধরতে চেয়েছে। কবির

The post নিজেকে নিয়ে উক্তি ।। নিজেকে নিয়ে স্ট্যাটাস ।। Self Quotes Bengali appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
4 Minute Read

মনস্তাত্ত্বিক সিগমুন্ড ফ্রয়েড গবেষণায় উপলব্ধি করেন যে মানুষ সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে নিজেকে। বিজ্ঞানের অপেক্ষিকতাবাদও একই কথাই তুলে ধরতে চেয়েছে। কবির ভাষায় “আমি নইলে মিথ্যা হত /সন্ধ্যা তারা ওঠা/ মিথ্যা হত কাননে ফুল ফোটা। ” এই বিশ্ব ব্রহ্মান্ড আসলে নিজের উপলব্ধিতেই সত্য । যা কিছুই করি না কেন মানুষ আসলে নিজেকে নিয়েই সবকিছু করে ও ভাবে । তাই এই আসল সত্য উপলব্ধি করে মনীষীগণ কে কী বলেছেন আসুন একবার দেখে নিই । আজ আমরা আলোচনা করবো নিজেকে নিয়ে উক্তি, নিজেকে নিয়ে স্ট্যাটাস, এবং নিজেকে নিয়ে কিছু কথা সম্পর্কে।

নিজেকে নিয়ে উক্তি :-

১.”শুধু নিজেকেই বিশ্বাস করাই উত্তম। কেননা সেখানে অন্যের বিশ্বাসঘাতকতা করার কোন সুযোগ বা ভয় নেই।” -উইলিয়াম পেন

২.”নিজেকে জানতে শুরু কর, যে নিজের সম্পর্কে অধ্যয়ন করে সে নিজের সাফল্যকে খুব সহজেই ধরে ফেলে।” -এন্ড্রি গাইড

৩.”পৃথিবীর সবচেয়ে বড় উপহার হচ্ছে নিজেকে জানতে পারার সৌভাগ্য লাভ করা।“-র‍্যাল্ফ ওয়াল্ডো এমারসন

৪.”নিজেকে জানো, নিজেকে গ্রহণ কর, নিজেকে ভালবাসো – তুমি যেখানেই থাকো বা যাই কর না কেন।“-ইয়ানলা ভানজান্ট

৫.”অন্যকে জানা হল জ্ঞান অর্জন করা আর নিজেকে জানা হল জ্ঞানের প্রদীপকে প্রজ্জ্বলিত করা।“- লাও জু

৬.”নিজেকে জানা হল জ্ঞান অর্জনের প্রথম ধাপ।“-সক্রেটিস

৭.”আমরা জানি যে আমরা কি তবে আমরা জানিনা আমাদের কি হওয়ার ক্ষমতা আছে।“- উইলিয়াম শেক্সপিয়ার

নিজেকে নিয়ে উক্তি

৮.”যে বাইরে তাকায় সে শুধু স্বপ্নই দেখতে থাকে, আর যে নিজের দিকে তাকায় সেই জেগে উঠতে সক্ষম হয়।“-কার্ল জাং

৯.”অন্যদের প্রশংসা অর্জন করা নিঃসন্দেহে অনেক আনন্দের তবে নিজের কাছ থেকে সৎ তারিফ পাওয়া তার থেকে অনেক উচুমানের অনুভূতি।“-রিচেল ই গুডরিচ

১০.”মানুষের আগে নিজেকে জানা উচিত, তারপর পৃথিবী ও সৃষ্টিকর্তাকে জানা আবশ্যক একটা বিষয়।“- পিথাগোরাস

১১.”নিজেকে জানতে শুরু কর, যে নিজের সম্পর্কে অধ্যয়ন করে সে নিজের সাফল্যকে খুব সহজেই ধরে ফেলে।“-এন্ড্রি গাইড

১২.”সব মানুষকেই লক্ষ্য কর, বিশেষ করে নিজেকে সবচেয়ে বেশি।“-বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন

১৩.”এমন কোনো মানুষের সাথে বন্ধুত্ব করার সিদ্ধান্ত নিওনা যদি সে তোমার চেয়ে ভালো কেউ না হয়।”-কনফুসিয়াস

Read More – দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে উক্তি

১৪.”অনুকরন নয়, অনুসরন নয় , নিজেকে খুঁজুন , নিজেকে জানুন , নিজের পথে চলুন।“-ডেল কার্নেগী

১৫.”অন্যকে কখনও নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করো না, নিয়ন্ত্রণ করো কেবল নিজেকে।”- গৌতম বুদ্ধ

১৬.”নিজেকে বদলাও, ভাগ্য নিজেই বদলে যাবে।“- বিখ্যাত পর্তুগিজ প্রবাদ

১৭.”মানুষ তখনই ব্যর্থ হয়, যখন সে নিজের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ভুলে যায়।“- জওহরলাল নেহরু

১৮.”একজন সত্যিকারের বিচারক শুধু অন্যকে বিচার করেনা, অন্যের থেকে বেশি সে নিজেকেই বিচার করে।“-আন্দ্রিজা জরিক

১৯.”যখন তুমি নিজেকে জানো তখন তুমি ক্ষমতাপ্রাপ্ত আর যখন নিজেকে গ্রহণ কর তখন তুমি অপরাজেয়।“-সংগৃহীত

নিজেকে নিয়ে স্ট্যাটাস :-

২০.”যে নিজে ভালভাবে থাকতে পারে না, সে অন্য কাউকে ভালো থাকতে দেয় না।“

২১.”প্রতিদিন একবার নিজের সাথে কথা বলুন, কারণ এটা নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস আরো বাড়িয়ে তোলে।“

২২.”নিজের প্রতি আস্থা রাখো! নিজের যোগ্যতার ওপর ভরসা রাখো! নিজের শক্তির ওপর বিনয়ী হও কিন্তু নিজের প্রতি যথেষ্ঠ বিশ্বাস না থাকলে সফল বা সুখী হতে পারবে না।“

২২.”নিজেকে ভালো রাখার সর্বোৎকৃষ্ট উপায় হলো অল্পেতে সন্তুষ্ট থাকা এবং কারোর কাছে কোন প্রত্যাশা না করা।“

২৩.”নিজেই হও নিজের সব থেকে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী; জীবনযুদ্ধে তবে জয় নিশ্চিত।“

নিজেকে নিয়ে স্ট্যাটাস

২৪.”যে নিজের ভুল সংশোধন করতে পারে না, তার কখনই অন্যের ভুল ধরার যোগ্যতা নেই ।“

নিজেকে নিয়ে কিছু কথা :-

২৫.”তুমি যদি সুখী হতে চাও তাহলে বাইরে সুখ খুঁজতে যেও না । একজনই তোমাকে সুখী করতে পারে , সে হল তুমি নিজে।“-কিশোর মজুমদার

২৬.”উল্লাস মানুষের বাহ্যিক উত্তেজনামাত্র। কিন্তু নিজের ভেতরের উল্লাস আসলে নিজের আত্মবিশ্বাস।“- কিশোর মজুমদার

২৭.”কাউকে কিছু বোঝাতে গেলে শব্দ কম পড়ে যায় । শুধু নিজেকে বোঝাতে গেলে নৈঃশব্দের প্রয়োজন।‘-কিশোর মজুমদার

২৮.”আলোর কাছে তুমি আলো , অন্ধকারের কাছে অন্ধকার। শুধু নিজের কাছেই তুমি আলো-অন্ধকারের উর্ধে এক জীবন্ত সত্তা।“-কিশোর মজুমদার

২৯.”কখনো নিজের প্রতি অবিচার করো না । তাহলে পৃথিবীতে কোথাও সুবিচার পাবে না।“- কিশোর মজুমদার

৩০.”এক পা বাড়াও বন্ধু পাবে । দু পা বাড়াও ভালোবাসা পাবে। জীবনের শেষ পা পর্যন্ত কাউকেই পাবে না । শুধু নিজেকেই পাবে।” – কিশোর মজুমদার

৩১.”জঙ্গলে যেমন পশুরা থাকে তেমনি মনের ভেতরেও রিপুর বাস । তুমি পশুরূপী রিপুকে বাদ দিয়ে ভেতরের ফুল বা মধু কিছুই আশা করতে পারো না।“- কিশোর মজুমদার

Read More – বাংলা রোম্যান্টিক প্রেমের স্ট্যাটাস

৩২.”নিজেকে বদলালে তোমার গোটা পৃথিবীটা বদলে যাবে।”- ফেরদৌসি মঞ্জিরা

৩৩.”নিজের জীবনের খুশির কারণ নিজে হও। অন্যকে খুশির কারণ বানালে, সেও দুঃখ দিয়ে চলে যাবে।“- ফেরদৌসি মঞ্জিরা

নিজেকে নিয়ে কিছু কথা - ফেরদৌসি মঞ্জিরা

৩৪.”দিনে একবার হলেও নিজের সঙ্গে দেখা করো, কথা বলো, জীবনের অনেকে সমস্যার সমাধান সেখানে খুঁজে পাবে।“- ফেরদৌসি মঞ্জিরা

৩৫.”নিজের ভালো মন্দের খোঁজ নিজেকেই রাখতে হবে, কারণ তোমার থেকে বেশি কেউ তোমাকে চেনে না।“- ফেরদৌসি মঞ্জিরা

৩৬.”নিজের ক্ষমতার ওপর কখনও সন্দেহ কর না। তুমি হয়তো জানোই না তুমি কত কিছু করতে সক্ষম।“- ফেরদৌসি মঞ্জিরা

নিজেকে নিয়ে উক্তি – এই লেখাটি কেমন লাগলো তা আমাদের কমেন্টে জানাও। ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করো। এই ধরনের লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকো।

The post নিজেকে নিয়ে উক্তি ।। নিজেকে নিয়ে স্ট্যাটাস ।। Self Quotes Bengali appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/self-quotes-in-bengali/feed/ 0
নীরবতা নিয়ে উক্তি , বাণী , স্ট্যাটাস ও ক্যাপশন https://preronajibon.com/silence-quotes-in-bengali/ https://preronajibon.com/silence-quotes-in-bengali/#respond Mon, 03 Oct 2022 10:43:52 +0000 https://preronajibon.com/?p=2619 4 Minute Readপৃথিবীতে কমিউনিকেশনের যত ভাষা আছে সব ভাষার উপরে হল নীরবতার ভাষা । নীরবতা ক্ষেত্র বিশেষে আলাদা আলাদা ভূমিকা পালন করে

The post নীরবতা নিয়ে উক্তি , বাণী , স্ট্যাটাস ও ক্যাপশন appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
4 Minute Read

পৃথিবীতে কমিউনিকেশনের যত ভাষা আছে সব ভাষার উপরে হল নীরবতার ভাষা । নীরবতা ক্ষেত্র বিশেষে আলাদা আলাদা ভূমিকা পালন করে । কখনো দারুন প্রতিবাদ , কখনো সম্মতি , কখনো উপেক্ষা ইত্যাদি নানা অর্থকে প্রকাশ করে নীরবতা । কাজেই শাব্দিক শিল্প , চিত্র, সংগীত কিংবা মিশ্র শিল্পমাধ্যমগুলি এই নীরবতাকে শিল্পের মর্যাদা দিয়েছে। আসুন আজ জেনে নিই নীরবতা নিয়ে উক্তি, বাণী, স্ট্যাটাস ও ক্যাপশন গুলি।

নীরবতা নিয়ে উক্তি :-

১.”কখনো কখনো তোমাকে কিছুই বলতে হয় না নীরবতাই পুরোটা বলে দেয়।”-রুমি

২.”যে নীরবতাকে বুঝতে পারে না সে তোমার শব্দকেও খুব একটা বুঝতে পারবে না।”-এলবার্ট হাববার্ড

৩.”নীরবতা যখন মিথ্যা তখন নীরব থাকা সহজ হয় না।”- ভিক্টর হুগো

নীরবতা নিয়ে উক্তি

৪.”সবচেয়ে বাজে মিথ্যে গুলো সব সময় নীরবতার দ্বারাই সাধিত নয়।”-রবার্ট লুইস স্টিভেনসন

৫.”মিথ্যা শুধু কথার দ্বারাই নয় বরং নীরবতার দ্বারাও তা করা যায়।”-এড্রিয়েনি রিচ

৬.”নীরবতা হলো এক মহা শক্তির আধার।”-লাও যু

৭.”যখন সত্য নীরবতা দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয় তখন সেই নীরবতা হলো একটি মিথ্যার সমান।”- ইয়েভগেনি
ইয়েভতুসেন্কু

৮.”নীরবতা হলো ক্ষমতার সবচেয়ে বড় অস্ত্র।”-চার্লস ডি গাউলে

৯.”নীরবতা হলো একজন প্রকৃত জ্ঞানীর প্রতিত্তর।”- ইউরোপিডস

নীরবতা নিয়ে বাণী :-

১০.”ভাষা তোমার মনকে সন্তুষ্ট করতে পারে তবে নীরবতা তোমার আত্মাকে প্রশান্ত করবে।”-নিতিন নামডেও

১১.”তোমার নীরবতা কখনোই তোমাকে রক্ষা করতে পারবে না।”-আদুরী লর্ডে

১২.”নীরবতা তখনই কথা বলে যখন ভাষা কথা বলতে পারে না।”-সংগৃহীত

১৩.”একজন ভালো শ্রোতা হতে হলে তোমাকে অবশ্যই নীরবতা কাকে বলে শিখতে হবে।”-উরসুলাক লেগুন

Read More : ইগো নিয়ে উক্তি || Quotes on ego in Bengali

১৪.”নীরবতা একজন ব্যক্তির সত্যিকারের বন্ধু, যে তাকে তার সমস্ত অবাঞ্ছিত কষ্ট থেকে রক্ষা করে।”- সংগৃহীত

১৫.”নীরবতা একজন ব্যক্তির দুর্বলতা নয়, এটি তার আভিজাত্য।”- সংগৃহীত

১৬.”অর্থহীন কথা বলার চেয়ে নীরবতা ভালো।”-পিথাগোরাস

১৭.”নীরবতা কথোপকথনের একটি মহান শিল্প।” – মার্কাস টুলিয়াস সিসেরো

১৮.“নীরবতা হল শেষ জিনিস যা বিশ্ব আমার কাছ থেকে শুনতে পাবে।”- মার্লি ম্যাটলিন

১৯.”নীরবতা আত্মার সতেজতা।” – উইনোনা জুড

২০. “শেষ পর্যন্ত, আমরা আমাদের শত্রুদের কথা নয়, আমাদের বন্ধুদের নীরবতা মনে রাখব।” – মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র

২১.”আমাদের প্রত্যেকের মধ্যেই নীরবতা বিরাজ করছে। মহাবিশ্বের মতো বিশাল নীরবতা। এবং যখন আমরা সেই নীরবতা অনুভব করি, তখন আমরা মনে করি আমরা কে।” – গুনিলা নরিস

২২.”নীরবতা সত্যের জননী।” – বেঞ্জামিন ডিসরাইল

২৩. “নীরবতা কখনও কখনও সেরা উত্তর।” – দালাই লামা

নীরবতা নিয়ে ক্যাপশন :-

২৪.”আপনি যা বলতে যাচ্ছেন তা নীরবতার চেয়ে সুন্দর হলেই মুখ খুলুন।” – স্প্যানিশ প্রবাদ

২৫.”নীরবতাও একটি কথোপকথন।” – রমনা মহর্ষি

২৬.“যখন শব্দগুলি অস্পষ্ট হয়ে যায়, আমি ফটোগ্রাফের সাথে ফোকাস করব। যখন ছবিগুলি অপর্যাপ্ত হয়ে যায়, আমি নীরবতায় সন্তুষ্ট থাকব।” – আনসেল অ্যাডামস

২৬.”যা কিছু তৈরি হয়েছে তা নীরবতা থেকে বেরিয়ে আসে। নীরবতার শূন্যতা থেকে চিন্তার উদ্ভব হয়। শব্দ শূন্যতা থেকে বেরিয়ে আসে। শূন্যতা থেকে তোমার নির্যাস ফুটে উঠেছে। সমস্ত সৃজনশীলতার জন্য কিছু স্থিরতা প্রয়োজন।” – ওয়েইন ডায়ার

২৭.“নীরবতা সুবর্ণ হয় যখন আপনি একটি ভাল উত্তর মনে করতে পারেন না।” – মোহাম্মদ আলী

নীরবতা নিয়ে উক্তি

২৮.“কথা বলার চেয়ে নীরবতা নিরাপদ।” – এপিকটেটাস

২৯.“নীরবতা অনন্তকালের মতো গভীর, বক্তৃতা সময়ের মতো অগভীর।” – টমাস কার্লাইল

৩০.”যে তোমার ভাষার প্রাধান্য দিতে পারে না নীরবতাই তার প্রতি সর্বোত্তম উত্তর।”– সংগৃহীত

নীরবতা নিয়ে স্ট্যাটাস :-

৩১.”নীরবতাকে নিজের দুর্বলতা নয় নিজের শক্তি বানিয়ে ফেলো।”-সংগৃহীত

৩২.”নীরবতা সম্মতির লক্ষণ।”- প্রবাদ

৩৩.”কথা বললেই মিথ্যা বলার সুযোগ থাকে বেশি। অথচ নীরব থাকলে অপ্রত্যাশিত ভাবে সত্যি ফুটে ওঠে।”- সংগৃহীত

৩৪.”জীবনের গভীরতম অনুভূতি গুলো প্রায়ই নীরবে প্রকাশ করা হয়।”- সংগৃহীত

Read More : ১০০ টি মোটিভেশনাল বাংলা উক্তি

৩৫.”এমন নয় যে জ্ঞানী ব্যক্তি কথা বলতে জানেন না, তিনি নীরব থাকেন কারণ তিনি জানেন কোথায় কথা বলতে হবে।”

৩৬.”যদি বলার মতো সুন্দর কিছু না থাকে, তাহলে চুপ থাকাই সবচেয়ে ভালো বিকল্প।”

৩৭.”নীরবতা অনেক কথাই বলে, সেই কথা কান দিয়ে নয় মন দিয়ে শুনতে হয়।”

৩৮.”আমাদের জীবনের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ কথোপকথন নীরবে ঘটে।”

৩৯.”সমাজ যেখানে নীরব থাকা উচিত সেখানে কথা বলে এবং যেখানে কথা বলার প্রয়োজন সেখানে নীরব থাকে।”

৪০.”সব কথার জবাব দিতে নেই। সম্মান বাঁচাতে কখনো কখনো নীরবও থাকতে হয়।”

৪১.”জ্ঞানী লোকেরা সবসময় চুপ থাকে না, কিন্তু তারা জানে কখন চুপ থাকতে হবে।”

৪২.”নীরবতা কথা বলে যখন শব্দ নিজের থেকে চুপ হয়ে যায়।”

নীরবতা নিয়ে কিছু কথা :-

৪৩.”আমি শব্দের চেয়ে নৈঃশব্দের ভাষাকে বেশি বুঝতে চেষ্টা করি । কারণ মানুষ যতটা বলতে পারে , তার চেয়ে না বলা কথার পরিমান শতগুনে বেশি হয়ে থাকে।”- কিশোর মজুমদার

৪৪. “তুমি নীরব মানে এই নয় তুমি নিষ্ক্রিয় । ঝড়ের আগে নিস্তব্ধতা ঝড়ের পূর্বাভাস দেয়।”- ফেরদৌসি মঞ্জিরা

৪৫.”ছবি যেমন নীরব কবিতা, তেমনি নীরবতাও মুখর কবিতার জন্ম দিতে পারে।”- কিশোর মজুমদার

৪৬.”তুমি মেঘের কাছে নীরবতা আশা করবে সে তোমায় কান্না উপহার দেবে । আর যদি গর্জন-মুখরতা চাও – সে তোমায় বজ্র-বিদ্যুৎ দেবে। তাই মুখরতা বা নীরবতা অন্যের কাছে চাইবে না , নিজের কাজে লাগাবে।”- কিশোর মজুমদার

৪৬.”একদিন সব মুখরতাই নীরব হয়ে যাবে । তাই নীরবতাগুলোকে না জমিয়ে মুখর করে রেখে যাও তোমার কর্মের মাধ্যমে।”-কিশোর মজুমদার

নীরবতা নিয়ে উক্তি লেখাটি তোমাদের কেমন লাগলো তা আমাদের কমেন্টে জানাও। এই ধরনের লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকো। আমাদের বিভিন্ন লেখা ভিডিও আকারে দেখতে আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি দেখে নাও।

The post নীরবতা নিয়ে উক্তি , বাণী , স্ট্যাটাস ও ক্যাপশন appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/silence-quotes-in-bengali/feed/ 0
আন্তজার্তিক যোগ দিবস কবে ? যোগ কি ? যোগাসনের উপকারিতা https://preronajibon.com/benefits-of-yoga/ https://preronajibon.com/benefits-of-yoga/#respond Thu, 16 Jun 2022 18:23:54 +0000 https://preronajibon.com/?p=2514 3 Minute Read“Through practice comes Yoga, through Yoga comes knowledge, through knowledge love, and through love bliss.“- Swami Vivekananda ২১শে জুন আন্তর্জাতিক

The post আন্তজার্তিক যোগ দিবস কবে ? যোগ কি ? যোগাসনের উপকারিতা appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
3 Minute Read

“Through practice comes Yoga, through Yoga comes knowledge, through knowledge love, and through love bliss.“- Swami Vivekananda

২১শে জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। সারা বিশ্বেই মহা সমারহে পালিত হয় এই বিশেষ দিন। এই দিনটিকে যোগ দিবস বা বিশ্ব যোগ দিবস বলা হয়। ২০১৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রসংঘে ভাষণ দেওয়ার সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২১ জুন তারিখটিকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস বলে ঘোষণা করার প্রস্তাব দেন। সেই বছরই ১১ ডিসেম্বর রাষ্ট্রসংঘ রাষ্ট্রসংঘ সাধারণ পরিষদ ২১ জুন তারিখটিকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস বলে ঘোষণা করেন। এছাড়া ২১ শে জুন এই দিনটি পালন করার একটি বিশেষ কারণ হ’ল এই তারিখটিতে উত্তর গোলার্ধের দীর্ঘতম দিন হিসেবেও পালন করা হয়। তাই এই বিশেষ দিনের তাৎপর্য রয়েছে। যোগাসনের উপকারিতা ।

আন্তজার্তিক যোগ দিবস থিম :- ২০২২-এর থিমটি হল “Yoga For Humanity”

যোগের তাৎপর্য :-

যোগ শব্দটি সংস্কৃত থেকে এসেছে। যার অর্থ হল ‘যোগ করা’,”নিয়ন্ত্রণ করা”, “যুক্ত করা” বা “ঐক্যবদ্ধ করা”। “যোগ” শব্দটির আক্ষরিক অর্থ তাই “যুক্ত করা”। যোগ-ব্যায়াম হল দেহ এবং চেতনার মিলন।
প্রতিদিনের জীবনে ভারসাম্যপূর্ণ জীবনযাপন বজায় রাখতে সাহায্য করে। শক্তিশালী শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের অন্যতম সহজ কৌশল হল যোগ। মন, শরীর এবং আত্মার সর্বোৎকৃষ্ট সাফল্যের পরিপূর্ণ উপায় হিসাবে ভারতের ঋষিমুনিরা হাজার হাজার বছর আগে এই যোগ উদ্ভাবন করেছেন। তার উল্লেখও পাওয়া যায় ঋক বেদের মতো প্রাচীন পৌরাণিক বইগুলিতে। ভারতে আজও এই প্রথা প্রচলিত আছে। যোগের সারকথা হলো কিছু শারীরিক ব্যায়াম(আসন), সাধারণ বিশ্রামের পদ্ধতি, সাত্ত্বিক আহার, যথার্থ শ্বাস-প্রশ্বাস প্রণালী এবং ইতিবাচক ভাবনার মাধ্যমে যেকোনো মানুষ তার সত্তাকে প্রকৃত উৎকর্ষ পৌঁছে নিয়ে যেতে পারে যেখানে তার মন এবং শরীর দীর্ঘস্থায়ী সুস্বাস্থ্যের জন্য একাকার হয়ে যায়।

যোগের লক্ষ্য :-

” যে নিজের মনের ওপর বিজয় প্রাপ্ত করে তিনি পুরো পৃথিবী জয় করতে পারেন।”
যোগের লক্ষ্য হল আত্মপোলব্ধি যার মাধ্যমে সব ধরনের কষ্টভোগকে পরাস্ত করা যায়। যোগ হল অদম্য ইচ্ছার চাষ। যোগচর্চা আত্মনিয়ন্ত্রন, আত্মবিশ্বাস এবং স্বপ্রভুত্ব বাড়ায়। স্বাধীন বিচার ক্ষমতা বাড়ায়।

যোগাসনের উপকারিতা

যোগাসনের উপকারিতা || যোগ ব্যায়ামের উপকারিতা :-

“শ্বাস যদি অস্থির হয় তবে মনও অস্থি থাকে, কিন্তু যখন শ্বাস-প্রশ্বাস শান্ত থাকে তখন মনও শান্ত থাকে।”- প্রাচীনযোগের নীতি

১. শারীরিক ও মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখে:-
মানুষের শক্তির উৎস দুটি। এই দৈহিক শক্তি, দুই মানসিক শক্তি। এই দৈহিক ও মানসিক শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে যোগাসন।

২. মানসিক চাপ কমায় :- নিয়মিত যোগাসন করলে মানসিক চাপ ও ক্লান্তি ভাব নিয়ন্ত্রণে আসে।

৩. রক্ত সঞ্চালন সঠিকভাবে বজায় রাখে :- যোগাসনের সাহায্যে শরীরে অক্সিজেন ও প্রয়োজনীয় পুষ্টি সঠিকভাবে প্রবেশ করে। তাই রক্ত সঞ্চালন সঠিকভাবে বজায় রাখা যায়। এর ফলে সমস্ত অঙ্গগুলি ঠিক করে কাজ করে ও ত্বকে ঔজ্জ্বল্য আসে।

৪. দৈহিক শক্তি প্রদান :- যথার্থ শ্বাস-প্রশ্বাস প্রক্রিয়ার ফলে পুরো শরীরে অক্সিজেন পৌঁছায় এবং আপনার শরীরের প্রতিটি কোষে জীবনী শক্তির দ্বারা সিঞ্চিত হয় এবং আপনার সর্বকর্মে প্রাণবন্ততা নিয়ে আসে।

৫. শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানির সমস্যা কমাতে সাহায্য করে :- হাঁপানির টান বা শ্বাসকষ্টের সমস্যা থাকলে যোগাসন করার অভ্যাস করুন। এতে ফুসফুসের কার্যকারিতা ধীরে ধীরে সঠিক ছন্দে আসে ও আরাম পাওয়া যায়।

৬. অতিরিক্ত চর্বি কমাতে :- পেটের অতিরিক্ত চর্বি কমাতে যোগাসন অত্যন্ত কার্যকরী পন্থা।

৭.হজমের সমস্যা :- গ্যাস হজমের সমস্যায় ভোগেন অনেকই । আর তার জন্যই প্রয়োজন যোগাসন । নিয়মিত যোগাসনের অভ্যাস (পবনমুক্তাসন) গ্যাস, অম্বল ,হজমের সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা কমিয়ে খিদে বাড়াতে সাহায্য করবে।

Read More : বাড়িতে অবসাদ মুক্ত থাকতে করণীয় ৮ টি বিষয়

৮.পিঠের ব্যাথা কমায় :- যোগাসন পিঠের ব্যথা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিন ৩০মিনিট পিঠ সোজা করে পদ্মাসন করলে খুব শীঘ্রই পিঠের ব্যথার উপশম হয়।

৯. দ্রুত বার্ধক্য কমায় :- যোগাসনের মাধ্যমে শরীরে জমে থাকা টক্সিন বেড়িয়ে যায়, যার ফলে বার্ধক্য
শরীরে চাপ ফেলতে পারে না।

১০. একাগ্রতা বাড়ায় :- শরীর মন ও আত্মার একত্রকরণের মাধ্যমে যোগাসন কোনো একটি বিষয়ের প্রতি একাগ্রতা আনতে সহায়তা করে।

১১.মাসিকের ব্যাথা কমায় :- মেয়েদের পিরিয়ডের সময় ব্যথা নিরাময় করতে সাহায্য করে, নারীদের ডিম্বাশয় ভালো থাকে। ফলে প্রজননক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। এছাড়াও মেনোপজ হওয়ার পর এসব জটিলতা দেখা যায় সেগুলো থেকে মুক্তি দেয়।

১২. পজিটিভিটি দান করে :-
প্রতিদিন যোগ ব্যায়াম অনুশীলন করার ফলে স্নায়ুগুলি সজাগ হয় ও শক্তিপ্রদানকারী হরমোন উৎপন্ন হয়। এর নেতিবাচক মনোভাব, বিষণ্নতা দূর হয়ে জীবনের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিশক্তি তৈরি হয়।

সতর্কতা :-

যোগাসনের সময় ঢিলে ঢালা পোশাক পরা উচিত যাতে যোগাসন আরামদায়ক হয়। এরকম পোশাকে আপনি যোগ ব্যায়ামের যেকোনো ভঙ্গি করতে পারবেন সহজেই। বয়সসীমা নির্বিশেষে যেকোনো বয়সের নারী–পুরুষ যোগাসন করতে পারেন। তবে একা একা অনুশীলন না করে কোনো দক্ষ প্রশিক্ষকের সহায়তা নেওয়া ভালো। শরীরের ওপর অতিরিক্ত জোর দিয়ে অথবা শরীরে ব্যথা নিয়ে যোগাসন করা ঠিক নয়, প্রয়োজনে এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। নিয়ম মেনে গর্ভাবস্থায় যোগব্যায়াম অনুশীলন খুবই উপকারী। তবে অনুশীলনের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

যোগাসন করার সঠিক সময় :-

বিশেষজ্ঞদের মতে, যে সময়ে ব্যায়াম করলে নিজের মন ভাল লাগবে, সে সময়ে করলেই সবচেয়ে ভাল কাজ হয়। সকালে ব্যায়াম করলে দিনটা ভাল ভাবে শুরু হয়। তবে সদগুরু জাগ্গি বাসুদেব বলেন,যোগ সকাল-সন্ধ্যায় অভ্যাস করার জন্য নয়। যোগ হল বিশেষ এক ভাবে বাঁচা। নিজেকে যোগ হয়ে উঠতে হয়। যদি সেটা সকাল-বিকেলের যোগ হয়, তবে বাকি সময়টা জটিলতায় জড়িয়ে থাকা – সেটা যোগ নয়, শুধুই যোগের অভ্যাস।

যোগাসনের উপকারিতা লেখাটি কেমন লাগলো তা আমাদের কমেন্টে জানাও। ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করো। এই ধরনের লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজটি ফল করো।

The post আন্তজার্তিক যোগ দিবস কবে ? যোগ কি ? যোগাসনের উপকারিতা appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/benefits-of-yoga/feed/ 0
বিশ্বাস নিয়ে উক্তি । বিশ্বাস নিয়ে ক্যাপশন । Quotes on Trust https://preronajibon.com/quotes-on-trust/ https://preronajibon.com/quotes-on-trust/#respond Sat, 14 May 2022 19:10:56 +0000 https://preronajibon.com/?p=2483 4 Minute Readবিশ্বাস নিয়ে উক্তি কথায় বলে বিশ্বাসে মিলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর। আসলে দুটো জগৎ পাশাপাশি চলে । একটা প্রকৃতি ও বিজ্ঞানের

The post বিশ্বাস নিয়ে উক্তি । বিশ্বাস নিয়ে ক্যাপশন । Quotes on Trust appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
4 Minute Read

বিশ্বাস নিয়ে উক্তি

কথায় বলে বিশ্বাসে মিলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর। আসলে দুটো জগৎ পাশাপাশি চলে । একটা প্রকৃতি ও বিজ্ঞানের জগৎ। আরেকটা মানসিক জগৎ। এই মানসিক জগতেই আমাদের তৈরি সম্পর্কের জগৎ গড়ে উঠেছে। বিশ্বাস মানুষের উপর মানুষের, প্রকৃতির উপর মানুষের কিংবা সম্পর্কের উপর সম্পর্কের হতে পারে। আমরা সমাজ গড়ে তুলি এই সম্পর্কের উপর ভিত্তি করেই । কাজেই বিশ্বাস এমন এক অদৃশ্য প্রতিক্রিয়া যা জীবনের যাবতীয় সম্পর্ক ও আচরণ বদলে দিতে পারে । বিশ্বাস হল প্রিয়জনের ওপর বিশেষ মানসিক প্রশান্তির নাম । তাই যুগে যুগে মনীষীগণ বিশ্বাস নিয়ে অনেক মূল্যবান কথা বলে গেছেন । আজ আমরা বিশ্বাস নিয়ে তাদের সেইসব উক্তি ও বাণী গুলি দেখে নেবো ।

বিশ্বাস নিয়ে উক্তি || Trust Quotes In Bengali

১.”বিশ্বাস হলো হৃদয়ের সেই জ্ঞান যার জন্য কোনো প্রমাণ লাগে না।” – খালিল জিবরান

২.”যখন তোমার নিজের প্রতি নিজের বিশ্বাস আছে তখন অন্য কাউকে লাগবে না তোমার উপর বিশ্বাস রাখার জন্য।”-অস্কার ওয়াইল্ড

৩.”নিজেকে বিশ্বাস না করা প্রতিটি মানুষের সবথেকে বড় দুর্বলতা।”- জন মিল্টন

বিশ্বাস নিয়ে উক্তি

৪.”সবাইকে বিশ্বাস করা বিপদজনক, আবার কাউকে বিশ্বাস না করা তার থেকেও ভয়ঙ্কর হতে পারে।”-আব্রাহাম লিংকন

৫.”যার নিজের প্রতি বিশ্বাস যত দৃঢ়, তার সফলতা তত নিকটাপন্ন।”-জয় কাগিল

৬.”যদি ভালো বন্ধু এবং ভালো মানুষ হতে চাও, তবে আগে বিশ্বাসী হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলো।”-জেন ওয়ারিলু

৭.”তোমার চিন্তাগুলোকেই সন্দেহ করো তোমার বিশ্বাসকে নয়।”-ডায়েটার উকডর্ফ

Read More : আশা নিয়ে মনীষীদের বিখ্যাত কিছু উক্তি ও বাণীসমূহ

৮.”স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাস সবকিছু পরিবর্তন করে ফেলতে পারে।”-প্রবাদ

৯.”বিশ্বাস কাজকে সহজ নয় বরং কাজকে সম্ভব বানায়।”- বাইবেল

১০.”কখনো কখনো জীবন আপনার মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করবে তখনও বিশ্বাস হারাবেন না।”-স্টিভ জবস

১১.”বিখ্যাত হওয়ার প্রথম পদক্ষেপ হচ্ছে বিশ্বাসী হওয়া।”- ওয়াল্ট হুইটম্যান

১২.”সত্যিকার বিশ্বাস সব সময়ে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে। এর ফলাফল যদিও জাদুর মত, কিন্তু একে সময় নিয়ে গড়ে তুলতে হয়।”-ম্যাক রিচার্ড

১৩.”বিশ্বাস অর্জন করার জন্য তোমাকেও বিশ্বস্ত হতে হবে। এটা ছাড়া আর কোনও পথ নেই।”-এলিন পেরি

বিশ্বাস নিয়ে বাণী

১৪. “আমরা একটা অনিশ্চিত জগতে বাস করি। তুমি এমনি এমনি বলে দিতে পারবে না যে, একজনকে তুমি বিশ্বাস করতে পারো। তাকে এটা অর্জন করতে।”-সি.জে ক্রুজ

১৫.”নিজেকে বিশ্বাস করো। ভয় হলেও নতুন কিছু চেষ্টা করার সময়ে পিছিয়ে যেও না।”-হেলেনা এ্যাঞ্জেল

বিশ্বাস নিয়ে বাণী | বিশ্বাস নিয়ে ক্যাপশন

১৬.”ক্ষমা ও ভালোবাসা অর্জনের চেয়ে বিশ্বাস অর্জন করা কঠিন।”

১৭.”একজন ভালো বন্ধু ও ভালো মানুষ হওয়ার প্রথম শর্ত হল বিশ্বাসী হওয়া।”-জেন প্রেড

১৮.”বিশ্বাস করতে হলে এমন কাউকে বিশ্বাস করো, যার মধ্যে নীতি আছে, যার মুখের কথা ও হাতের কাজ এক।”-জোডি ফ্লেন

১৯.”নিজের ওপর বিশ্বাস রাখার মানেই একজন মানুষ আত্মবিশ্বাসী। সে বিশ্বাস করে নিজের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা তার আছে।”-এরিক পাওয়ারস

২০.”বিশ্বাস অর্জন করতে চাইলে স্পষ্টবাদী হওয়া প্রয়োজন যা মানুষ সহজেই বুঝে নিতে পারে।”

২১.”যদি মনে করো তুমি পারবে, কিংবা মনে কর তুমি পারবেনা , দুই ক্ষেত্রেই তোমার বিশ্বাস সঠিক।”-হেনরি ফোর্ড

২২.”দৃঢ় বিশ্বাস, অনবরত প্রচেষ্টা এবং বিশ্বজয়ী প্রেম-জীবনযুদ্ধ এই হলো মানুষের হাতিয়ার।”-আল্লামা ইকবাল

২৩.”আমি কখনো নিজের বিশ্বাসের জন্য প্রাণ দেব না, কারণ সেটি ভুল হতে পারে।”- বার্ট্রান্ড রাসেল

২৪.”বিশ্বাস জয় লাভের আগেই জয়ের আনন্দ পৌছে দিতে পারে তোমার কাছে।”- রবার্ট এইচ. স্কুলার

২৫.”এমন কাজ করোনা যেন মানুষ তোমার প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলে।”-ম্যাক রিচাড

২৬.”যে নিজের প্রতি বিশ্বাস করতে পারে, সে নিজের জন্য কিছু অর্জন করতে পারে।”-মহাজাতক

বিশ্বাস নিয়ে উক্তি

২৭.“অন্য সব মানুষের চেয়ে বেশি নিজেকে বিশ্বাস করো। তোমার কি করা উচি‌ৎ, তা তোমার চেয়ে ভালো আর কেউ বুঝবে।”-ম্যাট মরিস

২৮.”বিশ্বাস হলো সেটাই যখন আপনি মাথায় রাখেন সৃষ্টিকর্তা যাই করবেন ঠিকই করবেন।”-ম্যাক্স লুকাডো

২৯.”নিজেকে পুরোপুরি বিশ্বাস করতে গেলে প্রথম প্রথম ভয় করবে। কিন্তু জীবনের জন্য এটা খুবই জরুরী।”-জিম ফিলিপস

Read More : প্রতিবাদী উক্তি। প্রতিবাদ নিয়ে বিখ্যাত ব্যক্তিদের উক্তি

৩০.”বিশ্বাস অর্জন করা অবশ্যই এক কঠিন কাজ তবে সেই অর্জিত বিশ্বাস যদি ভেঙে যায় তবে সেটিকে পুনরায় অর্জন করা অধিকতর কঠিন কাজ।”

৩১”.মানুষের প্রতি বিশ্বাস হারানো পাপ।”- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

৩২.”বিশ্বাসের কারণেই আমরা এক পায়ের পর আরেক পা সামনে বাড়াই।”-লেয়ানা ভেনজান্ট

বিশ্বাস নিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাস :-

৩৩.অন্যকে বিশ্বাস করার প্রথম ধাপ হল সর্বপ্রথম নিজেকে বিশ্বাস করা।

৩৪.যে মানুষ বিশ্বাস করতে পারে ,সে অর্জনও করতে পারে ।

৩৫.কাউকে মন থেকে বিশ্বাস করে ঠকে গেলে বিশ্বাসের ওপর ভরসাটাই চলে যায়।

৩৬.মুখে বলা কথা কাজে করে দেখাতে হবে তবেই মানুষের বিশ্বাসভাজন হতে পারবে ।

৩৭.বিশ্বাসী হতে পারা এবং সঠিক মানুষের ওপর বিশ্বাস করতে পারা জীবনের জন্য খুবই জরুরি ।

বিশ্বাস নিয়ে বাণী

৩৮.নিজের হৃদয়ের কথা শুনুন ,কারণ হৃদয় কখনও বিশ্বাসঘাতকতা করে না।

৩৯.কাউকে মিথ্যা বলে খুশী করার চেয়ে সত্যি বলে কাঁদানো ভালো। এতে হয়তো সে একটু কষ্ট পাবে, কিন্তু কখনো বিশ্বাস হারাবে না।

৪০.লবন ছাড়া তরকারি যেমন স্বাদহীন, বিশ্বাস ছাড়া সম্পর্কও তেমন মূল্যহীন।

৪১.যে কাউকে বিশ্বাস করে না, তাকে কেউ বিশ্বাস করে না।

৪২.কাউকে ক্ষমা করে মহৎ হয়ে যাও। কিন্তু দ্বিতীয়বার বিশ্বাস করে বোকা হয়ো না।

৪৩.বিশ্বাস ব্যাপারটা বড়োই অদ্ভুত। মানুষ যা কিছু পায় বিশ্বাস করেই পায়। আর যা কিছু হারায় বিশ্বাসের কারণেই হারায়।

৪৪.কাউকে বিশ্বাস করা যাবে কি না সেটা বোঝার সেরা উপায় হলো, তাকে একবার বিশ্বাস করে দেখা।

৪৫.বিশ্বাস এমন এক ভঙ্গুর জিনিস, যা ভাঙা সহজ, হারানোও সহজ, কিন্তু ফিরে পাওয়াটা জগতের সবচেয়ে কঠিন কাজগুলোর একটি।

বিশ্বাস নিয়ে উক্তি লেখাটি কম লাগলো তা আমাদের কমেন্টে জানাও। ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করো। এই ধরনের লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজটি ফল করো।

The post বিশ্বাস নিয়ে উক্তি । বিশ্বাস নিয়ে ক্যাপশন । Quotes on Trust appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/quotes-on-trust/feed/ 0
মনুষ্যত্ব নিয়ে উক্তি । Bengali Quotes on Humanity https://preronajibon.com/bengali-quotes-on-humanity/ https://preronajibon.com/bengali-quotes-on-humanity/#respond Fri, 08 Apr 2022 19:03:22 +0000 https://preronajibon.com/?p=2448 3 Minute Readপৃথিবীর সমস্ত প্রাণীর উর্ধে মানুষের অস্তিত্ব । এর প্রধান কারণ হল মনুষ্যত্ব । আর এই মনুষ্যত্বই হল মানুষের চিরন্তন সত্য

The post মনুষ্যত্ব নিয়ে উক্তি । Bengali Quotes on Humanity appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
3 Minute Read

পৃথিবীর সমস্ত প্রাণীর উর্ধে মানুষের অস্তিত্ব । এর প্রধান কারণ হল মনুষ্যত্ব । আর এই মনুষ্যত্বই হল মানুষের চিরন্তন সত্য , শিব এবং সুন্দরের ধারক ও বাহক । যুগে যুগে নানা মনীষী মানব সভ্যতার প্রধান হাতিয়ার করতে বলছেন এই মানবিকতা বা মনুষ্যত্বকে। আজ আমাদের সমাজে এই মনুষ্যত্বের বড় প্রয়োজন। আসুন না এক ঝলকে দেখে নি মহান মানুষেরা কীভাবে মনুষ্যত্বকে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন। তাহলে আজ আমরা দেখবো মনুষ্যত্ব নিয়ে কিছু মূল্যবান উক্তি , ফেসবুক স্ট্যাটাস ও মূল্যবান বাণীসমূহ।

মনুষ্যত্ব নিয়ে উক্তি :

১.”মনুষ্যত্বের উপর বিশ্বাস হারাতে হবে না। মনুষ্যত্ব একটি সমুদ্র; সমুদ্রের কয়েক ফোঁটা জল নোংরা হলেও সমুদ্র নোংরা হয় না।”– মহাত্মা গান্ধী

২.’মনুষ্যত্ব (বিবেকের) শিক্ষাটাই চরম শিক্ষা আর সমস্তই তার অধীন।”-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

৩.”মানুষের ধর্ম মনুষ্যত্ব,তাহাকে আর কোনো নাম দেবার দরকার পড়েনা।”-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

মনুষ্যত্ব নিয়ে উক্তি

৪.”আমরা মনুষ্যত্বকে নিরাশ করতে পারি না, যেহেতু আমরা নিজেরা মানুষ।”-আলবার্ট আইনস্টাইন

৫.”পৃথিবী মনুষ্যত্বের দোলনা, কিন্তু মানবজাতি চিরকাল সেই দোলনায় থাকতে পারে না।”-কনস্ট্যান্টিন সিওলকোভস্কি

৬.”মানুষ জন্মগত ভাবে “মানুষ” কিন্তু মনুষ্যত্ব অর্জন একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া।”

৭.”মনুষ্যত্বের মূলে আর একটি প্রকাণ্ড দ্বন্দ্ব আছে ; তাকে বলা যেতে পারে প্রকৃতি এবং আত্মার দ্বন্দ্ব । স্বার্থের দিক এবং পরমার্থের দিক, বন্ধনের দিক এবং মুক্তির দিক , সীমার দিক এবং অনন্তের দিক– এই দুইকে মিলিয়ে চলতে হবে মানুষকে ।”-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

Read More : শিক্ষামূলক ও শিক্ষা সম্পর্কিত বিখ্যাত মনীষীদের বিখ্যাত কিছু উক্তি

৮.”মানুষকে তাদের মানবাধিকার অস্বীকার করা তাদের মনুষ্যত্বকে চ্যালেঞ্জ করা।”-নেলসন ম্যান্ডেলা

৯.”মনুষ্যত্ব রক্ষার জন্য কিছু করতে হবে! একটি উন্নততর বিশ্ব সম্ভব!”- ফিদেল কাস্ত্রো

১০.”তিনটি আবেগ, সহজ কিন্তু অপ্রতিরোধ্যভাবে শক্তিশালী, আমার জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করেছে: প্রেমের আকাঙ্ক্ষা, জ্ঞানের সন্ধান এবং মনুষ্যত্বের প্রতি শ্রদ্ধা।”-বার্ট্রান্ড রাসেল

১১.”মানবজাতির ইতিহাস মনুষ্যত্বের ইতিহাস।”-লুইগি পিরান্দেলো

মনুষ্যত্ব নিয়ে স্ট্যাটাস

১২.”চিন্তা হল বাতাস, জ্ঞান হল পাল, আর মনুষ্যত্ব হল জলযান।”– অগাস্টাস হেয়ার

১৩.”একজন ব্যক্তি তার মানবতাবাদী উদ্বেগের সংকীর্ণ সীমার উপরে সমস্ত মানবতার বিস্তৃত উদ্বেগের উপরে উঠতে না পারতে বাঁচতে শুরু করেননি।”– মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র

১৪.”বিশ্ব মানবতার, এই নেতা নয়, সেই নেতা বা সেই রাজা বা রাজপুত্র বা ধর্মীয় নেতা নয় বিশ্ব মানবতার অন্তর্গত।”– দালাই লামা

১৫.”এক না কোনওভাবে, আমাদের সকলকে এই সমসাময়িক জীবনে আমাদের মানবতার ফুলকে সবচেয়ে ভালভাবে উৎসাহিত করার জন্য এবং নিজেকে নিজেকে উৎসর্গ করতে হবে।”- জোসেফ ক্যাম্পবেল

মনুষ্যত্ব নিয়ে স্ট্যাটাস :

১৬.”মানুষের দুটি সত্তা: একটি জীবসত্তা,অপরটি মানবসত্তা বা মনুষ্যত্ব।”

১৭.”ভালো আর মন্দের পার্থক্য বুঝতে পেরে মানুষ ভালো কাজকে বেছে নেবে নিজের জ্ঞান,বিবেক দ্বারা এটাই হচ্ছে মনুষ্যত্ব।”

১৮.”মনুষ্যত্ব আমাদের পরম দুঃখের ধন,তাহা বীর্যর দ্বারা লভ্য।”

১৯.”মানুষের মনুষ্যত্বের মূল উপাদান আদর,মমতা, বিনয়ী, ক্ষমা, স্নেহ, ভালবাসা, উদারতা, সহযোগিতা, সহমর্মিতা, সততা, ধৈর্য,সহনশীলতা, ইত্যাদি।”

২০.”সকল মানুষের মস্তিষ্কে মনুষ্যত্বের আসল উপাদান থাকে, সেগুলো কঠোর ধ্যান সাধনার মাধ্যমে অর্জন করতে হয়।”

২১.”মনুষ্যত্ব ছাড়া মানুষ মূল্যহীন। মানুষের উচিত মনুষ্যত্ব অর্জনের চর্চা করা, সাধনা করা।”

মনুষ্যত্ব নিয়ে বাণী :

২২.”নৈতিক সাহস মনুষ্যত্বের সর্বোচ্চ প্রকাশ।”-রালপে নাদার

২৩.”অন্যের দুঃখ উপেক্ষা করলে মনুষ্যত্বের বাকি রইল কি।”– মার্গারেট অ্যাটউড

২৪.”মূলত, আমি নষ্ট হয়ে যাওয়া মানব চক্রগুলিকে কাজে লাগিয়ে মনুষ্যত্বকে আবার উজ্জীবিত করে তুলতে চাই।”– লুইস ফন আহন

২৫.”সুখ আধ্যাত্মিক, মনুষ্যত্ব এবং প্রেমের জন্ম। এটা নিঃস্বার্থ; তাই এটি একা থাকতে পারে না, এজন্য সমস্ত মানবজাতিকে এটি ভাগ করতে হবে।”-মেরি বেকার এডি

২৬”ধর্ম এবং মনুষ্যত্ব হল ঈশ্বরের সাথে চিরন্তন কথোপকথন।– ফ্রাঞ্জ ওয়ারফেল

২৭.”স্বার্থপরতা মানব জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ অভিশাপ।”-উইলিয়াম ই গ্ল্যাডস্টোন

২৮.”মানুষের সমস্যা হ’ল তারা কেবল মানুষ।”- বিল ওয়াটারসন

মনুষ্যত্ব নিয়ে উক্তি

২৯.”জীবনের একমাত্র অর্থ হ’ল মানবতার সেবা।”-লিও টলস্টয়

৩০.”ভদ্রতা হল মনুষ্যত্বের ফুল।”-জোসেফ জুবার্ট

আশা করি বন্ধুরা মনুষ্যত্ব নিয়ে উক্তি এই আর্টিকেল তোমাদের ভালো লেগেছে । আমাদের সঙ্গে থেকে ফেসবুক পেজ লাইক করে পড়তে থাকুন এরকম আরো অনেক আর্টিকেল । পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

The post মনুষ্যত্ব নিয়ে উক্তি । Bengali Quotes on Humanity appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/bengali-quotes-on-humanity/feed/ 0
প্রতিবাদী উক্তি। প্রতিবাদ নিয়ে বিখ্যাত ব্যক্তিদের উক্তি https://preronajibon.com/protibadi-ukti/ https://preronajibon.com/protibadi-ukti/#respond Mon, 14 Mar 2022 19:21:28 +0000 https://preronajibon.com/?p=2426 2 Minute Readমনে আছে সেই সাধু পুরুষের কথা, যিনি আঘাতে আহত সাপটিকে বলেছিলেন যে ছোবল মারতে বারণ করেছি , কিন্তু ফোঁস করতে

The post প্রতিবাদী উক্তি। প্রতিবাদ নিয়ে বিখ্যাত ব্যক্তিদের উক্তি appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
2 Minute Read

মনে আছে সেই সাধু পুরুষের কথা, যিনি আঘাতে আহত সাপটিকে বলেছিলেন যে ছোবল মারতে বারণ করেছি , কিন্তু ফোঁস করতে তো বারণ করি নি । অর্থাৎ এই ফোঁস করাই হল অন্যায়ের প্রতিবাদ করা। আলোর সৃষ্টি হয়েছে অন্ধকারের বিপরীতে । মানুষের জীবনের লক্ষই হল অন্ধকার থেকে আলোয় উত্তরণ । আর তাই মানুষ বানিয়েছে সমাজ , দেশ , আইন বা নানারকম নিয়মাবলি । সকল মানুষকে নির্দেশ দেওয়া হয় সেগুলো মেনে চলতে। এই সকল নিয়মাবলির সামাজিক নাম হল ন্যায় । শিক্ষার উদ্দেশ্য হল এই ন্যায়গুলোকে মেনে চলা, যাতে সকলের কল্যাণ হয়। কিন্তু কিছু মানুষ নিজের স্বার্থের জন্য অন্যের স্বার্থের ক্ষতি করে থাকেন । আর অনেক মানুষ সেই অন্যায়কে মুখ বুজে সহ্য করতে থাকেন । আর এর ফলেই অন্যায়ের মাত্রাও বাড়তে থাকে। যুগে যুগে মনীষীরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কথা বলেছেন।

“এবার ফিরাও মোরে” কবিতায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাই লিখেছেন –
” যার ভয়ে তুমি ভীত সে অন্যায় ভীরু তোমা চেয়ে,
যখনি জাগিবে তুমি তখনি সে পলাইবে ধেয়ে ;
“


অর্থাৎ প্রতিবাদ হচ্ছে অস্তিস্ত রক্ষার লড়াই শুধু নয় , নৈতিক কর্তব্যও বটে। তাহলে চলুন আজ আমরা কিছু প্রতিবাদী উক্তি , অন্যায়ের বিরুদ্ধে উক্তি জেনে নিই ।

প্রতিবাদী উক্তি

অন্যায়ের বিরুদ্ধে উক্তি :-

১.”’কখনো অন্যায়, অত্যাচারের জন্য নিজের আওয়াজকে রুখে দিও সত্য ও ন্যায়ের কথা বলতে।“-উইলিয়াম ফকনার

২.”সাধারণত একজন প্রতিবাদীই দোষী হয়ে থাকে যতক্ষণ পর্যন্ত না সে নিজের নিষ্পাপতা প্রমাণ করে।”-লরেন্স যে পিটার

৩.”অনেক সময়ই থাকতে পারে যখন আমরা অন্যায় প্রতিরোধ করার জন্য ক্ষমতাহীন থাকতে পারি তবে কখনোই এমন সময় পার করা উচিত নয় যা প্রতিবাদ ছাড়া যায়।“-এলিয়ে উইসেল

৪.”যে পাপ নীরবেই হয়ে যায় তার জন্য প্রতিবাদ করা উচিত এবং ভীতুদেরকে মানুষের ভেতর থেকে বের করে আনা উচিত।”-এলা হুইলার উইলকক্স

৫.”মহৎ কোন উদ্দেশ্যে ছোট অন্যায় করা যেতে পারে।“-উইলিয়াম শেক্সপিয়র

৬.”যখন অনিয়ম, দুর্নীতি একটা আইন হয়ে যায়, সেই মুহূর্তে প্রতিবাদ করা একটা দায়িত্ব বনে যায়।”-থমাস জেফারসন

৭.“যতক্ষণ না আমাদের পৃথিবীতে দারিদ্র্য, অন্যায় এবং স্থূল বৈষম্য অব্যাহত থাকবে, আমরা কেউই সত্যই বিশ্রাম নিতে পারি না।” – নেলসন ম্যান্ডেলা

৮.”আপনি যেখানে ভুল বা বৈষম্য বা অন্যায় দেখবেন, সেখানে কথা বলুন কারণ এটি আপনার দেশ। এটি আপনার গণতন্ত্র। এটি কে বানান. এটির রক্ষা করুন। এটিকে আগে বাড়ান।” – থুরগড মার্শল

৯.”প্রতিটি সামাজিক অন্যায় কেবল নিষ্ঠুর নয়, এটি অর্থনৈতিক অপচয়ও।” – উইলিয়াম ফেদার

১০.“ন্যায়বিচারে বিলম্ব করা অন্যায়।” – ওয়াল্টার সেভেজ ল্যান্ডর

১১.”অন্যায় কখনও চিরকাল শাসন করে না।” – সেনেকা

১২.”অন্যায় সহ্য করা তুলনামূলকভাবে সহজ; যেটা কঠিন সেটা হলো ন্যায়বিচার।” – এইচ. এল. মেনকেন

১৩.“প্রতিবারই যখন কোনও ব্যক্তি আদর্শের পক্ষে দাঁড়ায় বা অন্যের অনেকের উন্নতি সাধন করে, বা অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করে, তখন সে একটি ছোট্ট প্রত্যাশা প্রেরণ করে।” – রবার্ট এফ কেনেডি

১৪.“অন্যায় করা, অন্যায় ভোগ করার চেয়ে বেশি অপমানজনক।” – প্লেটো

১৫.“এমন অনেক সময় থাকতে পারে যখন আমরা অন্যায় প্রতিরোধে শক্তিহীন থাকি, কিন্তু এমন সময় কখনই জানো না আসে যখন আমরা প্রতিবাদ করতে ব্যর্থ হই।” – এলি উইজেল

১৬.”আমি মনে করি যে লোকেরা তখনই অন্যায়ের কথা চিন্তা করে যখন সেটা তাদের সাথে ঘটে।”-চার্লস বুকোস্কি

১৭.“অন্যায় করার চেয়ে অন্যায় সহ্য করা ভালো।” -রালফ ওয়াল্ডো ইমর্শন

প্রতিবাদী ক্যাপশন :-

১৮.”কোনো অনিয়মকে মেনে নেয়ার চেয়া তার জন্য প্রতিবাদ করাই অধিক শ্রেয়।” – রোজা পার্কস

১৯.”প্রতিবাদ কখনোই গণতন্ত্র নামক ব্যবস্থার বাইরের কিছু নয় বরং গণতন্ত্রের জন্য তা অত্যন্ত জরুরি।” – হাওয়ার্ড জিন

২০.”যদি প্রতিবাদী নিশ্চুপ থাকে এবং কোনো কথা না বলে তবে আদালত তো ভাববেই সে দোষী।”-আমেরিকান প্রবাদ

প্রতিবাদী বাণী :-

২১.”যদি বধিরকে শব্দ শোনাতেই হয় তবে সেই শব্দকে হতে হবে অনেক বেশি উচ্চস্বরের।“-ভগৎ সিং

২২.”তুমি কখনোই দ্বিতীয় আইন ছাড়া প্রথম সংশোধন এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করিতে পারবে না।”

২৩.”আমি এ ব্যাপারে আশাবাদী যে প্রতিবাদ লক্ষ্য মোটেও আবার প্রতিবাদ ডেকে আনা নয়। বরং প্রতিবাদের লক্ষ্য হলো নতুন কিছু এনে পরিবর্তন সাধন করা।“- ডে রে ম্যাকেসন

২৪.”প্রতিবাদ কখনোই শান্তির জন্য বিরক্তিকর নয়। বরং অনিয়ম, দুর্নীতি, ও যুদ্ধ হলো শান্তির জন্য হুমকি।”-ব্রায়ান্ট এইচ ম্যাকগিল

The post প্রতিবাদী উক্তি। প্রতিবাদ নিয়ে বিখ্যাত ব্যক্তিদের উক্তি appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/protibadi-ukti/feed/ 0
জীবন বদলে দেওয়ার ৫ সেকেন্ড রুল । “ The 5 second rule ” Review https://preronajibon.com/the-5-second-rule-book-review/ https://preronajibon.com/the-5-second-rule-book-review/#respond Mon, 14 Feb 2022 15:21:50 +0000 https://preronajibon.com/?p=2395 7 Minute ReadThe 5 Second Rule Book Review in Bengali আমাদের অনেকের ক্ষেত্রেই এমনটা ঘটে থাকে যে কখনো কখনো মনে হয় যে,

The post জীবন বদলে দেওয়ার ৫ সেকেন্ড রুল । “ The 5 second rule ” Review appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
7 Minute Read

The 5 Second Rule Book Review in Bengali

আমাদের অনেকের ক্ষেত্রেই এমনটা ঘটে থাকে যে কখনো কখনো মনে হয় যে, আমি ঠিকমতো সাফল্য পাচ্ছি না । আমার যা যা করার ছিল তা করে উঠতে পাচ্ছি না । কী করে আমি আরো বেশি কর্মক্ষম হবো এবং কী উপায়ে আমার স্বপ্ন ও চাহিদাগুলো পূরণ করে একজন সফল মানুষ হতে পারবো !

আপনার কী মনে হয়েছে যে, কোনো উপায় যদি বের করতে পারতাম যাতে সময়গুলো কাজে লাগিয়ে আমার সব ধ্যান জ্ঞান কাজে লাগিয়ে দিতাম লক্ষ্য পূরণের জন্য। কখনো কী নিজের প্রতি আস্থাটাই কমে যাচ্ছে আপনার ? যদি এমইনটাই হয় তাহলে আপনার জন্য মেল রবিন্স এর ‘The 5 second Rule’ বইটি অপেক্ষা করছে ।

সবসময় আমাদের হাতে সব বই এসে পৌঁছোয় না , আর যখন হাতে পাই তখন পড়ার সুযোগ আর থাকে না । তাহলে উপায় কী ? উপায় আছে । আসুন আমরা এক বৈঠকে ‘দ্য ফাইভ সেকেন্ড রুল ‘ বইটির মূল বিষয়টি খুব সহজে ও সংক্ষেপে বুঝে নিই । দেখুন কত সহজেই একটি বই মানুষের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে ।

সবার আগে আমাদের আলোচনার বিষয়কে কয়েকটি পর্বে ভাগ করে নিই –

‘The 5 Second Rule’ বইটির প্রাথমিক পরিচয় :

২০১৭ সালে আমেরিকায় প্রকাশিত হয় মেল রবিন্স এর লেখা বই “The 5 Second Rule: Transform Your Life, Work, and Confidence with Everyday Courage” । প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্ব বিখ্যাত জনপ্রিয় একটি মোটিভেশনাল ও লাইফ চেঞ্জিং এর বিষয় হয়ে ওঠে বইটি। ৫ টি পর্বে মোট ১৭টি অধ্যায়ে বিন্যস্ত ২৫২ পাতার বইটির মধ্যে লেখক মেল রবিন্স খুব সুন্দরভাবে আলোচনা করেছেন – 5 সেকেন্ড রুল বিষয়টি কী , 5 সেকেন্ড রুল কাদের জন্য , কীসের জন্য আপনি 5 সেকেন্ড রুল ব্যবহার করবেন , কীভাবে 5 সেকেন্ড রুল শুরু করবেন। লেখিকা মেল রবিন্স মূলত এই বই এর মাধ্যমে মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য, প্রোডাক্টিভিটি এসবের উন্নতি করা এবং সময় নষ্ট করা বা অলসতার অভিশাপ থেকে বাঁচাতে চেয়েছেন। কয়েক বছর ধরেই বইটি হাজার হাজার মানুষের জীবনকে বদলে দিয়েছে। আসলে জীবনকে কীভাবে গতিশীল করে উন্নতির শিখরে নিয়ে যেতে পারা যায় , তার শুরুটা কীভাবে করবেন তা গল্পের মতো করে বলা হয়েছে এখানে।

লেখক মেল রবিন্স এর পরিচয় :

সম্পূর্ণ নাম মেলানি রবিন্স । জন্ম অক্টোবর 6, 1968 আমেরিকার কানাসাস সিটিতে। বর্তমানে তিনি একজন আমেরিকান আইনজীবী, টেলিভিশন হোস্ট, লেখক এবং মোটভেশনাল স্পিকার । রবিন্স CNN এর জন্য জর্জ জিমারম্যান ট্রায়াল কভার করার জন্য পরিচিত; তার TEDx বক্তৃতা, How to Screwing Yourself Over; এবং তার বই, The 5 Second Rule এবং The High 5 Habit। এছাড়াও তার একাধিক পডকাস্ট সিরিজ রয়েছে যা অডিবলে হোস্ট করা হয়েছে। তিনি বিষণ্ণতা এবং উদ্বেগে ভুগছিলেন এবং ADD (attention deficit disorder) নামক স্নায়ুঘটিত রোগ ধরা পড়েছে বলে বর্তমানে বিশ্রামরত । ভেবে দেখুন জীবনের ৪০ বছর পার করে একজন মানুষ যদি দেখতে পান যে, এতদিন ধরে যা কিছু গড়ে তুলেছেন – তা চোখের সামনে ধ্বংস হচ্ছে একটু একটু করে – তাহলে কেমন লাগতে পারে ? রেস্টুরেন্ট ব্যবসায় নিজেদের সব টাকা ও সম্পদ বিনিয়োগ করে বিশাল ক্ষতি হবার পর মেল ও তাঁর স্বামী বড়সড় ঋণের জালে জড়িয়ে পড়েছিলেন। তাঁর স্বামী ক্রিস্টোফার রবিন্স যখন প্রতিদিন ভোর বেলা ঘর থেকে টাকার খোঁজে বের হয়ে যেতেন, রবিন্সকে তখন পাওনাদারদের ফোন ও বাড়িতে এসে ধমক দেয়া সামলাতে হত। এক সাক্ষাৎকারে চোখের জল মুছতে মুছতে সেই সময়কার অবস্থার বর্ণনা করেছিলেন মেল রবিন্স। একটা পর্যায়ে তিনি উপলব্ধি করলেন, তিনি আসলে কিছুই করছেন না। জীবন যেমন চলছে, তিনিও তার সাথে গা ভাসিয়ে চলছেন। তাঁর অনেক সময়েই নিজের অবস্থা বদলানোর কথা মাথায় আসত। কিন্তু তিনি শুয়েই থাকতেন, অথবা বসেই থাকতেন – কোনও এ্যাকশন নিতে পারতেন না। এমনভাবে চলতে চলতেই একটা সময়ে তিনি এই ৫ সেকেন্ড রুল আবিষ্কার করলেন। এবং তখন থেকেই তাঁর জীবন বদলে যেতে শুরু করে।

5 সেকেন্ড রুল বিষয়টি কী :

সোজা কথায় বলতে গেলে এটি একটি অতি সাধারণ , গবেষণায় প্রমাণিত চিন্তা করবার পদ্ধতি – যা আমাদের মস্তিষ্ক ও শরীরে তাৎক্ষণিক পরিবর্তন সাধন করে । এই পদ্ধতি আসলে নিজের অলস ও কর্মহীন অভ্যাসের বিরুদ্ধে এমন এক সাহসের সৃষ্টি করে যা আমাদের গতিশীল ও কর্মমুখী করে । অর্থাৎ লক্ষ্য পূরণের দিকে যাত্রা শুরু করে । এখানে প্রসঙ্গত লেখিকার দেওয়া সাহসের সংজ্ঞাটি বলা যেতে পারেঃ- “ভয় পাওয়ার পরও কঠিন কাজটি করার জন্য পদক্ষেপ নেয়াটাই মূলত সাহস। নিজের আইডিয়া শেয়ার করা, সত্যি কথা বলা, অসম্ভব মনে হওয়ার পরও কোনও কাজে হাত দেয়া। এমনকি আরামের ঘুম বাদ দিয়ে সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠতেও সাহস লাগে। ” তবে ৫ সেকেন্ড রুল এর সবচেয়ে মজার দিকটি হল, এই পদ্ধতিটি ভীষণ রকম সহজ। ভাবলে অবাক হবেন, এত সহজে কীভাবে জীবনের বড় বড় সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হয় ; শুধু ৫ থেকে ১ পর্যন্ত গুনেই অনেক বড় বড় সমস্যার সমাধান কীভাবে সম্ভব।

লেখিকা মেল রবিন্স এর মতে, যদি কোনও কাজ করার কথা মনে আসে, তবে সেটা ৫ সেকেন্ড সময়ের মধ্যে শুরু করতে না পারলে, আপনার মস্তিষ্ক আপনাকে সেই কাজ থেকে বিরত রাখতে মনের মধ্যে নানান রকম অজুহাত তৈরি করবে। লেখিকা বলেন, “যদি কোনও জরুরী কাজের কথা মনে হয়, যেটা একটু কঠিন, আপনাকে ৫-৪-৩-২-১ গুনে সাথে সাথে কাজটি করার উদ্দেশ্যে জায়গা ছেড়ে নড়তে হবে – না হলে আপনার মস্তিষ্ক বেশিরভাগ সময়েই আপনাকে থামিয়ে দেবে” । উদাহরণ দিতে গিয়ে রবিন্স ব্যায়াম করার কথা বলেছেন, আপনি জানেন আপনার এখন শরীরচর্চা করা দরকার, কিন্তু আপনার মুড নেই। আপনাকে এই অবস্থায় ৫ থেকে ১ পর্যন্ত গুনতে হবে। তারপর সঙ্গে সঙ্গে যে অবস্থায় আছেন, সেই অবস্থা থেকে সরে গিয়ে শরীরচর্চা অথবা জিমের দিকে হাঁটা শুরু করতে হবে। কোনও রকম চিন্তা করা যাবে না। একবার কাজ শুরু করে দিলে মস্তিষ্ক তখন আর আপনাকে থামাতে চাইবে না, বরং কাজটি সম্পন্ন করার জন্য আপনাকে উদ্দীপ্ত করতে শুরু করে দেবে।

গবেষণায় দেখা যায়, মানুষের মস্তিষ্কের ডিজাইনই এমন যে, সে মানুষকে কষ্টের হাত থেকে বাঁচাতে চায়। কিন্তু অনেক সময়ে কষ্ট না করলে আরও বড় কষ্টের সম্ভাবনা থাকে। সাইকোলজির ভাষায় একে বলে “এ্যাসার্ট কন্ট্রোল”। আপনি যখন সামনে থেকে পেছনে উল্টো গোনা শুরু করবেন আপনার মস্তিষ্ক তখন সেই গোনার কাজে শক্তি ও মনোনিবেশ করতে বাধ্য হবে। এর ফলে অজুহাত সৃষ্টি করার সুযোগই পাবে না। আর এই সুযোগে আপনি কাজ শুরু করে দিতে পারবেন, কোনও রকম ভয় বা দ্বিধা ছাড়া। আমাদের মস্তিষ্কের যে অংশটি ‘ফোকাস’ এর জন্য দায়ী – তাকে বলে ”প্রিফ্রন্টাল করটেক্স” । আমাদের সচেতন কাজগুলো এই অংশ থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়। আপনি যখন বারবার এই ৫ সেকেন্ড রুল ব্যবহার করে কাজ করবেন – তখন ধীরে ধীরে এই অংশটি ৫-৪-৩-২-১ গোনাকেই একটি কমান্ড হিসেবে ধরে নেবে ও কাজে নিযুক্ত করে দেবে।

তবে লেখিকার মতে এটা একদিন-দুদিনেই নাও হতে পারে। কিন্তু হতাশ না হয়ে আপনাকে চেষ্টা করে যেতে হবে । যে কোনও কাজের আগেই ৫-১ গুনে শুরু করুন। এভাবে ধীরে ধীরে এই অভ্যাসটি আপানার মধ্যে স্থায়ী একটি অভ্যাস হয়ে দাঁড়াবে । ৫ থেকে ১ গোনার পর আপনি এ্যাকশন না নিয়ে থাকতেই পারবেন না একটা সময় ।

Read More : জীবন বদলে দেওয়ার মতো ৫-টি বই

কীসের জন্য আপনি 5 সেকেন্ড রুল ব্যবহার করবেন :

লেখিকা মেল রবিন্স বলেন, ৫ সেকেন্ড রুল ব্যবহার করতে হলে আপনাকে ২টি খুব সাধারণ পদক্ষেপ নিতে হবে। যথা –


i) যখনই কোনও প্রয়োজনীয় কাজ করতে হবে, বা কোনও প্রয়োজনীয় কাজ করার সময় হবে – তখনই ৫ থেকে ১ পর্যন্ত গুনুন ।
ii) ৫ থেকে ১ গোনার সঙ্গে সঙ্গে Start বলে কাজ শুরু করে দিন।


উদাহরণ হিসেবে লেখিকা বেশ কিছু কাজের কথা তুলে ধরেছেন, যাতে বিষয়টি সহজ হয়। যেমন –


১। লেখিকা এই 5 সেকেন্ড রুল অভ্যাস রপ্ত করার জন্য প্রথমেই “ওয়েক আপ চ্যালেঞ্জ” এর চর্চা করতে বলেছেন। আপনার ঘুম থেকে ওঠার নির্ধারিত সময়ের ৩০ মিনিট আগে এ্যালার্মটিকে সেট করুন। এ্যালার্ম শোনার সঙ্গে সঙ্গেই ৫ থেকে ১ গুনুন, এবং ১ গোনার সঙ্গে সঙ্গেই বিছানা ছেড়ে এক সেকেন্ডও দেরি না করে উঠে পড়ুন।

২। আপনার হয়তো মানুষের সামনে কথা বলার সাহস কম। কোনো মিটিং বা এই ধরনের জনসমক্ষে বলার মত কথা মাথায় এলেও আপনি বলতে পারেন না। এরকম সময় এলেই মস্তিষ্কের নানা অজুহাত সৃষ্টি করা শুরু হয়। এ ধরণের পরিস্থিতিতে আপনি কোনও দরকারি কথা মাথায় এলেই ৫ থেকে ১ পর্যন্ত গুণেই কথাটি বলে ফেলুন। ১ গোনার পর সরাসরি এ্যাকশনে চলে যান। এক সেকেণ্ডও সময় নষ্ট করবেন না। দেখবেন আপনার কথা বলতে কোনও সমস্যাই হচ্ছে না। অবাক হয়ে যাবেন আপনার সাহস ও আত্মবিশ্বাস দেখে। অবাক হয়ে ভাববেন, আপনি তাহলে এটা পেরেছেন।

৩। যেমন ধরে নিন আপনার ওজন বেড়ে যাচ্ছে। ভালো করেই জানেন যে আপনার প্রতিদিন সকালে ব্যায়াম করা দরকার। কিন্তু অলসতার জন্য সকালে উঠতেই পারছেন না। এক্ষেত্রে ৫ থেকে ১ গোনার সঙ্গে সঙ্গে লাফ দিয়ে উঠেইসোজা এক্সারসাইজ করতে শুরু করুন। একবার এই অভ্যাস হয়ে গেলে আপনার কাছে অলসতাই হার মানবে।

৪। অনেক বড় বড় সম্ভাবনাময় ও প্রতিভাবান মানুষের জীবনকে শেষ করে দিয়েছে এমন কিছু অভ্যাস যেগুলিকে এই 5 সেকেন্ড রুল প্রয়োগ করে দূর করা সম্ভব । যেমন- কাজ ফেলে রাখার অভ্যাস বা ঢিলেমি । আপনার যদি অসাধারণ মেধা , সৃজন ক্ষমতা বা দুর্দান্ত কোনো গুণ এই অভ্যাসের কারণে স্ফুরিত হতে না পারে, তাহলে অসামান্য উপকার পেতে পারেন এই 5 সেকেন্ড রুল প্রয়গের দ্বারা। তাই কাজের কথা ভাবুন আর ৫-৪-৩-২-১ বলে শুরু করে দিন আর দেখুন ম্যাজিক । আপনার মস্তিষ্ক অজুহাত বানানোর সুযোগই পাবে না।

মোটিভেশন ও 5 সেকেন্ড রুল :

আমাদের জীবনে এমন কিছু অভ্যাস থাকে যেগুলি ব্যক্তিত্বের পক্ষে এবং সম্পর্কের পক্ষেও ক্ষতিকারক । সেগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল- সন্দেহ, নীরব থাকা, অ-নিরাপত্তাবোধ , দুশ্চিন্তা, দ্বিধা , সিদ্ধান্তহীনতা, ভয় ইত্যাদি। অর্থাৎ আপনার জীবনের যাবতীয় নেগেটিভ দিকগুলিকে দূর করে জীবনে হয়ে উঠতে পারেন একজন সফল ও সার্থক মানুষ। এই গ্রন্থে 5 সেকেন্ড রুল আলোচনার প্রসঙ্গে লেখা এরকম কিছু মোটিভেশনাল কথা রয়েছে যেগুলি খুব মূল্যবান। এই 5 সেকেন্ড রুল শেখার ও প্রয়োগের পাশাপাশি আপনি আপনার জীবনের অর্থকেও নতুন করে খুঁজে পাবেন সেইসব উক্তির দ্বারা। কয়েকটি উক্তি এখানে তুলে ধরা হল :

১। আপনি নিজে কিন্তু একজনই । এবং আপনার মতো আর একজন কোনোদিনই আসবে না । এটাই আপনার শক্তি।
২। আপনি কি এমন কাউকে খুঁজছেন যে আপনার জীবন বদলে দিতে পারে ? তাহলে আয়নায় দেখুন।
৩। ৫ সেকেণ্ডের মনোবল বদলে দেয় সবকিছু।
৪। আপনি যদি আপনার সকালের কর্মসূচি পরিবর্তন করতে পারেন , তবে সবকিছুই পরিবর্তন করতে পারেন।
৫। হয় আপনি দিনটিকে চালাবেন , না হয় দিনটি আপনাকে চালাবে।
৬। আপনার সকালগুলোর মালিক হোন আপনি।
৭। প্রস্তুত হবার আগেই শুরু করে দিন। তৈরি হতে হবে না এগিয়ে যান।
৮। নিজেকে ক্ষমা করুন।
৯। আপনাকে হয় কোনো একটি উপায় খুঁজে বের করতে হবে , না হয় একটি অজুহাত।
১০। ভয় পাওয়া খারাপ না । এর মানে আপনি সত্যি সত্যি কোনো সাহসী কাজ করতে যাচ্ছেন।
১১। মানুষকে আপনার স্বপ্নের কথা বলবেন না । তাদেরকে দেখান।

তাহলে বন্ধুরা, আজ আমরা শিখলাম ,পড়লাম , জানলাম একটি গুরুত্বপূর্ণ বইয়ের মূল কথাগুলো। আশা করি আজকের লেখাটি খুব কাজে লাগবে জীবনে। ভালো কিছু শেয়ার করার মাধ্যমে তাঁর গুণ আরো বেড়ে যায় । তাই এখুনি এই পোস্টটি শেয়ার করে আপনার প্রিয় কোনো মানুষের জীবনে সত্যি উপকার করতে পারেন। আমাদের (ফেসবুক পেজ) সঙ্গে থাকুন আর এরকম আরও নতুন নতুন বিষয়ে লেখা পড়তে থাকুন।

The post জীবন বদলে দেওয়ার ৫ সেকেন্ড রুল । “ The 5 second rule ” Review appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/the-5-second-rule-book-review/feed/ 0