শরীর ও স্বাস্থ্য Archives - প্রেরণাজীবন https://preronajibon.com/category/শরীর-ও-স্বাস্থ্য/ PreronaJibon Fri, 14 Feb 2025 17:48:10 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1 https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2018/12/cropped-Favicn-32x32.png শরীর ও স্বাস্থ্য Archives - প্রেরণাজীবন https://preronajibon.com/category/শরীর-ও-স্বাস্থ্য/ 32 32 ওজন বেড়ে যাচ্ছে না তো ? ওজন কমানোর ১০টি সহজ কৌশল https://preronajibon.com/10-ways-to-reduce-weight/ https://preronajibon.com/10-ways-to-reduce-weight/#respond Fri, 14 Feb 2025 17:48:09 +0000 https://preronajibon.com/?p=3136 2 Minute Readওজন কমানো অনেকের কাছেই চ্যালেঞ্জিং মনে হতে পারে, তবে কিছু সহজ কৌশল অনুসরণ করলে এটি সহজ হয়ে যায়। এখানে ১০টি

The post ওজন বেড়ে যাচ্ছে না তো ? ওজন কমানোর ১০টি সহজ কৌশল appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
2 Minute Read

ওজন কমানো অনেকের কাছেই চ্যালেঞ্জিং মনে হতে পারে, তবে কিছু সহজ কৌশল অনুসরণ করলে এটি সহজ হয়ে যায়। এখানে ১০টি কার্যকর কৌশল দেওয়া হলো, যা আপনাকে সুস্থভাবে ওজন কমাতে সাহায্য করবে।

খাবারের আগে এক গ্লাস জল পান করলে ক্ষুধা কমে যায় এবং অতিরিক্ত খাওয়া এড়ানো যায়। এছাড়া পর্যাপ্ত জল পান শরীরের বিপাক ক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।

ফাস্ট ফুড ও প্রক্রিয়াজাত খাবারে অতিরিক্ত ক্যালোরি এবং ক্ষতিকর উপাদান থাকে, যা ওজন বৃদ্ধির প্রধান কারণ হতে পারে। তাই এসব খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো।

নিয়মিত হাঁটা, দৌড়ানো, সাইক্লিং বা জিমে ব্যায়াম করলে শরীরের ফ্যাট বার্ন হয় এবং ওজন কমাতে সহায়ক হয়।

প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার যেমন—ডিম, মাছ, মুরগি, বাদাম ও ডাল আপনাকে দীর্ঘ সময় ক্ষুধামুক্ত রাখতে সাহায্য করে এবং পেশি গঠনে সহায়তা করে।

পরিশোধিত শর্করা এড়িয়ে কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ করুন, যেমন—বাদামি চাল, ওটস, শাকসবজি ইত্যাদি। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে।

প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করা জরুরি, কারণ পর্যাপ্ত ঘুম না হলে ক্ষুধা বাড়ে এবং মেটাবলিজম কমে যায়।

অস্বাস্থ্যকর স্ন্যাকসের পরিবর্তে ফল, বাদাম, দই বা ডার্ক চকলেট খেলে শরীর সুস্থ থাকবে এবং অপ্রয়োজনীয় ক্যালোরি গ্রহণ কমবে।

খাবার ধীরে ধীরে চিবিয়ে খেলে পরিপূর্ণতা অনুভূত হয় এবং অতিরিক্ত খাওয়া থেকে বিরত থাকা যায়।

অতিরিক্ত মানসিক চাপ থাকলে কর্টিসল হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়, যা ওজন বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে। মেডিটেশন, যোগব্যায়াম এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া সাহায্য করতে পারে।

নিয়মিত ওজন মাপা আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে, কারণ এটি আপনাকে সচেতন রাখে এবং পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে সাহায্য করে।
ওজন কমানো কোনো কঠিন কাজ নয়, যদি সঠিক অভ্যাস তৈরি করা যায়। ধৈর্য, নিয়মিত ব্যায়াম এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে আপনি সহজেই আপনার কাঙ্ক্ষিত ওজন অর্জন করতে পারেন।

The post ওজন বেড়ে যাচ্ছে না তো ? ওজন কমানোর ১০টি সহজ কৌশল appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/10-ways-to-reduce-weight/feed/ 0
শীতে সর্দি-কাশি রোধে ঘরোয়া প্রতিকার । প্রস্তুত থাকুন এই শীতে https://preronajibon.com/shite-sordi-kashi-protirodher-ghoroya-upay/ https://preronajibon.com/shite-sordi-kashi-protirodher-ghoroya-upay/#respond Wed, 08 Jan 2025 16:52:06 +0000 https://preronajibon.com/?p=3038 2 Minute Readপ্রতি বছর শীত এলেই এক কমন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় কম বেশি সকলেরই। শীতকালে ঠাণ্ডা-কাশি খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। বাড়িতে

The post শীতে সর্দি-কাশি রোধে ঘরোয়া প্রতিকার । প্রস্তুত থাকুন এই শীতে appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
2 Minute Read

প্রতি বছর শীত এলেই এক কমন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় কম বেশি সকলেরই। শীতকালে ঠাণ্ডা-কাশি খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। বাড়িতে ছোট শিশু থাকলে তো এই সমস্যা একেবারেই সাধারণ । সব সময় তো আর ডাক্তারের কাছে যাওয়া সম্ভব নয়। তাই আজ আমরা জানবো ওষুধের উপর নির্ভর না করে কিছু ঘরোয়া উপায়ে কীভাবে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।


এখানে আসুন দেখে নিই সেই কয়েকটি কার্যকরী ঘরোয়া প্রতিকার :

একটি পাত্রে গরম জল নিয়ে তার থেকে বাষ্প গ্রহণ করুন। এর মধ্যে যদি সম্ভব হয় তবে ইউক্যালিপটাস তেল যোগ করলে আরও ভালো ফল পাওয়া যায়। এটি নাক বন্ধের সমস্যা দূর করে এবং শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক করে। এখন ভেপার নেবার সহজলভ্য মেশিনও অনলাইনে কিনে নিতে পারেন। এটি খুব সাধারণ অথচ ভীষণ কার্যকরী একটি ঘরোয়া টিপস।

আদ্দি কাল থেকে সকলেই জানেন যে তুলসীপাতার কী গুনাগুন। তুলসী পাতা ও গোলমরিচ দিয়ে তৈরি চা ঠাণ্ডা-কাশির জন্য খুবই উপকারী। এটি শ্লেষ্মা কমিয়ে আরাম দেয়। অলসতা ত্যাগ করে এটা করে দেখুন তো একবার।

ডাক্তারের প্রয়োজন নেই যে কেউই জানেন লবন জলের গার্গলের কথা। হালকা গরম জলে লবণ মিশিয়ে গার্গল করলে গলা ব্যথা কমে এবং সর্দি পরিষ্কার হয়। এটি ঠাণ্ডা-কাশির জন্য একটি প্রাচীন ও পরীক্ষিত পদ্ধতি। অতি সহজ অথচ কার্যকর উপায়।

Read More : খেজুরের উপকারিতা ও অপকারিতা । Health Benefits of Dates

গরম কফি, গরম জল, আদা-লেবুর চা বা তুলসী পাতা দিয়ে তৈরি ভেষজ চা ঠাণ্ডা-কাশি দূর করতে সাহায্য করে। এটি গলা পরিষ্কার করে এবং সর্দি থেকে মুক্তি দেয়। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে এই পদ্ধতিগুলি ব্যবহার করুন অবশ্যই ফল পাবেন।

কাশির প্রতিষেধক হিসেবে রসুনের নাম এসে যায়। রসুনের গুঁড়ো মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেলে ঠাণ্ডা-কাশি দ্রুত সেরে যায়। রসুনে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। শীতের মধ্যে আরামে থাকতে হলে এটা প্রয়োগ করতেই পারেন।

মা মাসিরা বলে থাকেন এই পদ্ধতির কথা। আদার রস ও মধু মিশিয়ে দিনে ২-৩ বার খেলে গলার ব্যথা কমে এবং কাশি নিয়ন্ত্রণে থাকে। এটি প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল হিসেবে কাজ করে।

অনেকেই জানেন না শীতকালে শরীরে জলের ঘাটতি হলে সর্দি-কাশি বেড়ে যায়। শীতকালে বাতাস থাকে শুষ্ক তাই শরীর থেকে জলে কমে বাতাসে মিশতে থাকে। চর্ম যেমন শুষ্ক হয়ে যায় তেমনি গলার নরম অংশের মিউকাস জাতীয় স্থানগুলি শুকিয়ে কাশির সৃষ্টি করে থাকে। তাই নিয়মিত পর্যাপ্ত জল পান করলে কাশির হাত থেকে অনেক রেহাই পাওয়া যায়। । এই সহজ ঘরোয়া প্রতিকারগুলো নিয়মিত মেনে চললে সর্দি-কাশি থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। তবে মনে রাখবেন সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে ভুলবেন না।

আশা করি বন্ধুরা শীতে সর্দি-কাশি রোধে ঘরোয়া প্রতিকার নিয়ে আজকের আর্টিকেল থেকে শীতে সর্দি কাশি রোধে ঘরোয়া প্রতিকার সম্পর্কে জানলাম । আমাদের সঙ্গে থেকে ফেসবুক পেজ লাইক করে পড়তে থাকুন এরকম আরো অনেক আর্টিকেল । পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

The post শীতে সর্দি-কাশি রোধে ঘরোয়া প্রতিকার । প্রস্তুত থাকুন এই শীতে appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/shite-sordi-kashi-protirodher-ghoroya-upay/feed/ 0
Chia Seeds in Bengali। চিয়া বীজ। উপকারিতা ও খাওয়ার পদ্ধতি https://preronajibon.com/benefits-of-chia-seeds/ https://preronajibon.com/benefits-of-chia-seeds/#respond Tue, 23 May 2023 04:48:31 +0000 https://preronajibon.com/?p=2784 3 Minute Readচিয়া বীজ (Chia Seeds) সাম্প্রতিক বছরগুলিতে একটি জনপ্রিয় সুপারফুড হয়ে উঠেছে, তাদের অসংখ্য স্বাস্থ্য উপকারিতা এবং রান্নায় বহুমুখীতার জন্য। ইতিহাস

The post Chia Seeds in Bengali। চিয়া বীজ। উপকারিতা ও খাওয়ার পদ্ধতি appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
3 Minute Read

চিয়া বীজ (Chia Seeds) সাম্প্রতিক বছরগুলিতে একটি জনপ্রিয় সুপারফুড হয়ে উঠেছে, তাদের অসংখ্য স্বাস্থ্য উপকারিতা এবং রান্নায় বহুমুখীতার জন্য। ইতিহাস খুঁজলে দেখা যায় এটি মেক্সিকো এবং গুয়াতেমালার স্থানীয়, চিয়া বীজ অ্যাজটেক এবং মায়ান জনগোষ্ঠীর খাদ্যের একটি প্রধান উপাদান ছিল, যারা বিশ্বাস করত যে এই বীজ তাদের শক্তি এবং সহনশীলতা প্রদান করে। বর্তমানে, চিয়া বীজকে প্রোটিন, ফাইবার এবং ওমেগা -3 ফ্যাটি অ্যাসিডের একটি অন্যতম উৎস হিসাবে ব্যবহার করা হয়। আজকের এই লেখাটির মাধ্যমে আমরা চিয়া বীজের স্বাস্থ্য উপকারিতা এবং সেগুলিকে আপনার ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করার উপায়গুলি নিয়ে আলোচনা করবো। Chia seeds in Bengali = চিয়া বীজ।

চিয়া বীজের উৎস :

চিয়া বীজ পাওয়া যায় সালভিয়া হিস্পানিকা নামক একপ্রকার গাছের থেকে, এটি জেরোফাইট প্রজাতির বা মরুভূমির গাছ এবং এটি পুদিনা বা মিন্ট পরিবারের সদস্য। সালভিয়া হিস্পানিকা মেক্সিকো এবং গুয়াতেমালার স্থানীয় একটি উদ্ভিদ, তবে এটি দক্ষিণ আমেরিকা এবং অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হয়।

চিয়া বীজের উপকারিতা

১. পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ :

চিয়া বীজ ফাইবার, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং ম্যাগনেসিয়াম সহ অনেক প্রয়োজনীয় পুষ্টির একটি ভাল উৎস। এগুলি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ, যা আমাদের শরীরের দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণের চাহিদা মেটাতে সাহায্য করে এবং রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

২. হার্টকে সুস্থ রাখে :

চিয়া বীজে অধিকতর ওমেগা-3 ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে যা হৃদয় স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। চিয়া বীজের ব্যবহারহৃদয় রোগ এবং উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে। চিয়া বীজে থাকা ওমেগা-3 ফ্যাটি অ্যাসিড কোলেস্টরল লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

৩. ওজন কমাতে সাহায্য করে :

চিয়া বীজের বহুমুখী গুনের একটি হলো ওজন কমাতে সাহায্য। চিয়া বীজে Mucilage নামক এক বিশেষ ধরনের ফাইবার রয়েছে যা পাকস্থলীতে খাদ্যকে বেশি সময় ধরে রাখতে সাহায্য করে ফলে এক মানুষের অত্যাধিক খাদ্যের চাহিদা নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং ফলস্বরূপ ওজন কমাতে সাহায্য করে।

৪. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য :

একজন ডায়াবেটিক রুগীকে নিজের রোজকার খাবারের প্রতি খুবই সতর্ক থাকতে হয় কারন এর সরাসরি প্রভাব তাদের ব্লাড সুগার লেভেলে দেখা যায়। ডায়াবেটিক রুগীরা একটি ব্যালান্স ডায়েটের জন্য চিয়া বীজের ব্যবহার করতে পারেন। চিয়া বীজ Anti-Inflamatory প্রকৃতির হওয়ায় এটি রক্তে অত্যাধিক গ্লুকোজের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

Read More : শশা খাওয়ার উপকারিতা । Benefits of Cucumber

৫. পাচনতন্ত্রকে সুস্থ রাখে :

সুস্থ পাচনতন্ত্র স্বাস্থ্যকর জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চিয়া বীজে পর্যাপ্ত পরিমানে ফাইবার থাকে যা আমাদের আমাদের পাচনতন্ত্রকে পরিষ্কার রাখে যা আমাদের বিভিন্ন প্রকার রোগ ব্যাধি থেকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করে।

চিয়া বীজ খাবার বিভিন্ন পদ্ধতি :

চিয়া পুডিং :

চিয়া বীজ খাবার একটি অন্যতম জনপ্রিয় পদ্ধতি হল চিয়া পুডিং। আপনার পছন্দমত দুধের সাথে চিয়া বীজকে ভালোভাবে মিশিয়ে কিছুটা সময়ের জন্য ফ্রিজে রেখে দিন এবং দেখুন কম সুন্দর ঘন পুডিং তৌরি হয়। এরপর এর সাথে আপনি পছন্দ মতন কাটা ফল বা সিরাপ যুক্ত করে খেতে পারেন। চিয়া পুডিং একটি সন্তোষজনক প্রাতঃরাশ বা জলখাবার বিকল্প প্রদান করে যা ফাইবার, স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ।

Chia Seeds in Bengali

চিয়া স্মুদি :

চিয়া বীজ যোগ করে আপনার স্মুদির পুষ্টির মান বাড়ান। ব্লেন্ড করার আগে আপনার পছন্দের স্মুদিতে এক চামচ চিয়া বীজ ছড়িয়ে দিন। চিয়া বীজ জল শোষণ করে করে একটি জিলির আকার ধারণ করে যা স্মুদিকে ঘন এবং ফাইলিং বানাতে সাহায্য করে। আপনার স্বাস্থকর স্মুদির উপকার আরও কয়েক গুন্ বাড়িয়ে তোলে চিয়া বীজে থাকা উপকারী ফাইবার। একটি রিফ্রেশিং এবং পুষ্টি-সমৃদ্ধ স্মুদি তৈরি করতে ফল, শাকসবজি এবং আপনার পছন্দের দুধ বা দই ব্যবহার করে বিভিন্ন স্বাদের সংমিশ্রণ নিয়ে পরীক্ষা করুন।

ওপরে উল্লেখ করা পদ্ধতি দুটি চিয়া বীজ খাওয়ার দুটি জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত পদ্ধতি হলেও এছাড়াও বিভিন্ন ভাবে চিয়া বীজ খাওয়া হয়ে থাকে। আপনারা আপনাদের পছন্দ মতন অন্যান্য পদ্ধতি গুলি ট্রাই করে দেখতেই পারেন।

Chia Seeds in Bengali এই লেখাটি আপনাদের কেমন লাগলো তা আমাদের কমেন্টে অবশ্যি জানান। এই ধরনের লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজটিতে যুক্ত থাকুন।

The post Chia Seeds in Bengali। চিয়া বীজ। উপকারিতা ও খাওয়ার পদ্ধতি appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/benefits-of-chia-seeds/feed/ 0
হরমোন কী ? হরমোনের কাজ, মানুষের শারীরিক ও মানসিক গঠন নিয়ন্ত্রণে হরমোনের ভুমিকা https://preronajibon.com/what-is-hormone/ https://preronajibon.com/what-is-hormone/#respond Mon, 18 Jul 2022 18:53:37 +0000 https://preronajibon.com/?p=2531 5 Minute Readমানুষের জীবনে প্রাকৃতিক উপাদানের সঙ্গে সঙ্গে এমন কিছু জৈবনিক উপাদানের বড় ভূমিকা থাকে । যার মধ্যে অন্যতম হল হরমোন ।

The post হরমোন কী ? হরমোনের কাজ, মানুষের শারীরিক ও মানসিক গঠন নিয়ন্ত্রণে হরমোনের ভুমিকা appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
5 Minute Read

মানুষের জীবনে প্রাকৃতিক উপাদানের সঙ্গে সঙ্গে এমন কিছু জৈবনিক উপাদানের বড় ভূমিকা থাকে । যার মধ্যে অন্যতম হল হরমোন । তাই আজ আমরা এই হরমোন বিষয়ে কতগুলো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনা করবো।

হরমোন কী ?

মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত হরমোন শরীরে কাজ করে। হরমোন ছাড়া আমরা প্রাণবন্ত থাকতে পারব না। হরমোন কথার অর্থ হল ‘জাগ্রত করা’বা ‘উত্তেজিত করা’। হরমোন প্রথম আবিষ্কৃত হয় ১৯০২ সালে। সেটি ছিল সিক্রেটিন হরমোন। ১৯০৫ সালের জুন মাসে ইউনিভার্সিটি কলেজ অফ লন্ডনের শরীরবিদ্যার অধ্যাপক আরনেস্ট স্টারলিং সর্বপ্রথম ‘হরমোন’ শব্দটি তার লেকচারে ব্যবহার করেন। গ্রিক ‘hormōn’ শব্দ থেকেই এই শব্দের উৎপত্তি।

হরমোন হলো আমাদের শরীরে থাকা এক রাসায়নিক দূত। আমাদের দেহের নির্দিষ্ট কিছু অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিগুলোতে তৈরি হয় এই হরমোন। এই অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিগুলো তাদের নিজেদের মধ্যেই হরমোন তৈরি করে রক্তে নিঃসরণ করে। রক্তের মাধ্যমেই হরমোন পরিবাহিত হয়ে উৎপত্তিস্থল থেকে অনেক দূরেও তার কাজটি করতে পারে। হরমোনের তারতম্যের প্রভাবে শরীরে নানারকমের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।
ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের মতে, হরমোন শুধু শারীরিক বিকাশ ঘটায় না, আমাদের আচরণ ও অনুভূতিও হরমোনের ওপর নির্ভরশীল। আমাদের ভালো লাগা, ভালোবাসা, উত্তেজনা কিংবা মন খারাপের জন্যও দায়ী অনেক হরমোন। ডোপামিন, সেরাটোনিন আর অক্সিটোসিন এর মধ্যে অন্যতম। প্রতিটি মানুষের মধ্যে হরমোনের মাত্রা আলাদা। যার কারণে প্রতিটি মানুষের আচরণ একে অপরের থেকে বেশ আলাদা দেখা যায়। এবার আলোচনা করবো যে হরমোনগুলো মানুষের শারীরিক ও মানসিক গঠন নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে সেই সম্পর্কে।

ডোপামিন হরমোন :-

ডোপামিন হল একটি হরমোন এবং ক্যাটেকোলামাইন ও ফেনাথ্যালামিন পরিবারের একটি নিউরো ট্রান্সমিটার। যা মানব মস্তিষ্ক ও শরীরে বহুসংখ্যক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রাকৃতিকভাবেই এটি মানব শরীরে উৎপন্ন হয়। আমাদের সার্বিক মুড(mood) বা মনের ভাবকে নিয়ন্ত্রণ করে ডোপামিন। ডোপামিন মোটিভেশন, মনঃসংযোগ, ইমপালসিভিটি বাড়ায়। আবেগ বা উত্তেজনায় আমরা কিভাবে সাড়া দেব, তাও ডোপামিন নিয়ন্ত্রণ করে। ডোপামিনকে কখনো ‘feel-good’ হরমোন বলা হয়। কোনো কাজের প্রত্যাশামাফিক ফল পাওয়ার পরে আমাদের যে চরম আনন্দের অনুভূতি হয় তার জন্য দায়ী ডোপামিন। কোনো কাজে সফলতা অর্জনের পরে এই ডোপামিন নিঃসরণ অনেকটা মানসিক পুরষ্কারের মতোই কাজ করে। ডোপামিনেরই অনুপ্রেরণায় আমরা ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিজেকে নিযুক্ত করতে পারি। মস্তিষ্কে ডোপামিনের মাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় কম হলে সেই ব্যক্তি নিদ্রাহীনতা, অবসাদ বা পার্কিনসন্স ডিজিজে ভুগতে পারেন। আবার অপরদিকে ডোপামিন দরকারি মাত্রার চেয়ে বেশি হলে তা স্কিটজোফ্রেনিয়ার মত কঠিন মানসিক ব্যাধির কারণ হতে পারে।

হরমোন কী ?

অক্সিটোসিন হরমোন :-

‘Love hormone’ হিসেবে পরিচিত অক্সিটোসিন হরমোনটি প্রেমে পড়া এবং শরীরে ভালোবাসার শিহরণ জাগিয়ে তুলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এই হরমোন মানুষের মনকে খুশি রাখে। শরীরে বিভিন্ন ইতিবাচক লক্ষণ ফুটে ওঠে এই হরমোনের প্রভাবেই। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা অনুযায়ী পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত অক্সিটোসিন হরমোনের কারণেই মানুষের মনে প্রেম, কামনা, বাসনা, আবেগ ইত্যাদি ক্রিয়াশীল হয়। সন্তান এবং বাবা-মায়ের মধ্যে বন্ধন তৈরি করে এই হরমোন। বন্ধন তৈরি করে ভালোবাসার মানুষের সঙ্গেও। শরীর ও মনে ইতিবাচক অনুভূতি আনতেও এই হরমোন বিশেষ ভূমিকা পালন করে । মানে এক কথায় অক্সিটোসিন হল মানুষকে সুখী রাখার একটি দারুণ মাধ্যম। এছাড়াও গর্ভাবস্থায় শেষের পর্যায়ে জরায়ুর সংকোচন ঘটিয়ে সন্তান প্রসবের সহায়তা করে এবং স্তনগ্রন্থের বৃদ্ধি ও দুগ্ধ নিঃসরণে এর ভূমিকা রয়েছে। প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটালে ও অপরের প্রতি সদয় হলে শরীরে অক্সিটোসিন বাড়ে।

Read More : খেজুরের উপকারিতা ও অপকারিতা

সেরোটোনিন হরমোন : –

সেরোটোনিন বা ৫-হাইড্রক্সিট্রিপ্টামিন হল মস্তিষ্কের স্নায়ুকে সংযোগকারী একটি নিউরোট্রান্সমিটার। রক্তনালিকায় রক্ত প্রবাহে এটি সাহায্য করে। এটি হরমোন নয়, এটি একটি মনোএমাইন। অনেক উদ্ভিদ এবং ছত্রাকে সেরোটোনিন পাওয়া যায়। মস্তিষ্কে এটি একরকম কাজ করে, শরীরের অন্য জায়গায় আরেক কাজ করে। প্রধান কাজ অন্ত্রে, বাকি কাজ মস্তিষ্কে। সেরোটোনিনের প্রধান কাজ সমূহের একটি হচ্ছে পরিপাকে সাহায্য করা। এটি মানুষের ক্ষেত্রে ভাল থাকার অনুভূতি প্রদান করে। তাই একে অনেকসময় সুখানুভূতির হরমোন বলা হয়। সেরোটোনিন মানুষের মধ্যে আবেগ, আনন্দ অনুভূতি নিয়ন্ত্রণ করে। পাশাপাশি চিন্তা, মানসিক ক্লান্তি কমায়। এছাড়া পড়াশোনা, স্মৃতিশক্তির সঙ্গেও এই হরমোনটির নাম জড়িত। এই হরমোন আমাদের মনকে শান্ত রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেরোটোনিনের নেতিবাচক প্রভাব খুব বেশি। সেরোটোনিনের মাত্রার হেরফের হলে হাল ছেড়ে দেওয়া, অপরাধবোধে ভোগা, আত্মহত্যার প্রবণতা ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দেয় । মস্তিষ্কে বেশি মাত্রায় সেরোটোনিন বেড়ে গেলে যৌন আকাঙ্ক্ষা কমে যায়। প্রাকৃতিক উপায়ে সেরোটোনিন বাড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো, প্রতিদিন শরীরচর্চা করা।

ইস্ট্রোজেন হরমোন

ইস্ট্রোজেন হরমোন :-

ইস্ট্রোজেন হরমোন হল মহিলাদের শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি হরমোন। নারী ও পুরুষ উভয়ের শরীরেই এই হরমোন থাকলেও নারীদের প্রজনন বয়সে এটি উচ্চমাত্রায় থাকে। তাই ইস্ট্রোজেনকে বলা হয় ‘নারী হরমোন’। মূলত ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন এই দুই হরমোন মহিলাদের সুস্বাস্থ্যের জন্য বিশেষভাবে প্রয়োজনীয়। তাই এই দুই হরমোনের মাত্রার তারতম্য ঘটলে নানা সমস্যা দেখা যায়। ইস্ট্রোজেন হরমোন প্রেগন্যান্সি থেকে শুরু করে পিরিয়ডস, এমনকী কোলেস্টেরল পর্যন্ত নিয়ন্ত্রিত করে। নারীর মেনোপজ (মাসিক চক্র স্থায়ীভাবে বন্ধ) হলে ইস্ট্রোজেন কমে যায়। যাদের মেনোপজ হতে যাচ্ছে তাদের ইস্ট্রোজেনও কমতে থাকে। একারণে এসময় নারীদের খিটখিটে আচরণ বেড়ে যায়। মহিলা ক্লান্ত বোধ করে, খিটেখিটে বা অধৈর্য হয়ে ওঠে। অতিরিক্ত মাত্রায় ইস্ট্রোজেন হরমোন নিঃসরণের ফলে নারী শরীরে নানারকম সমস্যা দেখা দেয়। যেমন, মুড সুইং, স্তনে ফিব্রোসিস্টিক লাম্প,ঘুমের সমস্যা, চুল পড়া, সারাক্ষণ ক্লান্ত লাগা,অনিয়মিত পিরিয়ডস ,যৌন ইচ্ছা কমে যাওয়া, ওজন বেড়ে যাওয়া, পিএমএস বা পিরিয়ড পূর্ববর্তী উপসর্গ বেড়ে যাওয়া, ইত্যাদি।

প্রোজেস্টেরন হরমোন :-

প্রোজেস্টেরন হচ্ছে এমন এক ধরনের যৌন (সেক্স) হরমোন যা রজঃচক্র, গর্ভধারণ ও ভ্রূণীয় বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মহিলাদের শরীরে প্রোজেস্টেরন হরমোন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রোজেস্টেরনের প্রধান কাজ হচ্ছে গর্ভাবস্থার জন্য জরায়ু প্রস্তুত করা। মহিলাদের স্তনের বিকাশের জন্য প্রজেস্টেরন হরমোন প্রয়োজনীয় স্তনে দুগ্ধ উৎপাদনকারী গ্রন্থি গুলির বিকাশকে উৎসাহিত করে। এটি শরীরে ইস্ট্রোজেনের পরিমাণও নিয়ন্ত্রণ করে। মহিলাদের শরীরে প্রোজেস্টেরন হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই হরমোন ভালোভাবে ঘুমাতে, দুশ্চিন্তা ও অস্থিরতা এড়াতে এবং মেজাজের আগ্রাসী ওঠানামা প্রতিরোধে বিশেষভাবে সাহায্য করে।

Read More : রসুনের উপকারিতা কি কি । রসুন খাওয়ার সঠিক নিয়ম

টেস্টোস্টেরন হরমোন

টেস্টোস্টেরন হরমোন:-

টেস্টোস্টেরন হরমোন হল সেক্স হরমোন (Sex Hormone)। এই হরমোন নারী, পুরুষ উভয় শরীরেই থাকে। যদিও এই হরমোন পুরুষ শরীরেই বেশি থাকে। নারীর শরীরে এই হরমোন থাকে খুবই কম মাত্রায়। আর পুরুষের শরীরে এই হরমোন নানা কাজে ব্যবহৃত হয়। এটি পুরুষের প্রাইমারী এবং সেকেন্ডারি যৌন বৈশিষ্ট্যগুলোর বিকাশে সাহায্য করে। এটি প্রধান পুরুষ হরমোন যা শুক্রাশয়ের লিডিগ কোষ (Leydig Cell) থেকে উৎপন্ন হয়। এবং বাকি ৫% টেস্টোস্টেরন অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি থেকে উৎপন্ন হয় । টেস্টোস্টেরন শরীরে কমে যাওয়ার কারণে অ্যান্ড্রোপজ হয়। পুরুষদের চুলের গঠন, পেশির গঠন, গলার আওয়াজ সবই নিয়ন্ত্রিত হয় টেস্টোস্টেরন হরমোনের দ্বারা। টেস্টোস্টেরন হরমোনের অভাবে পুরুষের যৌন চাহিদা কমে যাওয়া, মানসিক পরিবর্তন, বিষণ্ণতা, বাড়তি ওজন, অবসাদ, ঘুমের সমস্যা, শারীরিক দুর্বলতা ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দেয়।

মেডিক্যাল সাইন্স এর ভাষায় যাই বলুক না কেন , আমরা সাধারণ বুদ্ধিতেও এই হরমোনের গুরুত্ব উপলব্ধি করতে পারি । হরমোনবিদ্যা বা এন্ডোক্রিনোলোজি আজ অনেক উন্নততর গবেষণায় মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনার জন্য হরমোন এর কার্যকলাপের উপর আলোকপাত করেছে । তাই বলা হয় মানুষ যদি আচরণ,খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া দ্বারা হরমোনের ভূমিকাকে বুঝতে পারে তবে জীবনকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে তোলা যাবে সহজেই।

তাহলে বন্ধুরা , আশা করি আজ হরমোন কী , হরমোনের কাজ, মানুষের শারীরিক ও মানসিক গঠন নিয়ন্ত্রণে হরমোনের ভূমিকার কথা ভালোভাবে জানতে পারলাম । লেখাটি ভালো লেগে থাকলে অবশ্যই বন্ধুদের শেয়ার করবেন । এরকম আরো আর্টিক্যাল পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজটি লাইক করে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যান ।

The post হরমোন কী ? হরমোনের কাজ, মানুষের শারীরিক ও মানসিক গঠন নিয়ন্ত্রণে হরমোনের ভুমিকা appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/what-is-hormone/feed/ 0
ট্রাইগ্লিসারাইড কী , ট্রাইগ্লিসারাইড এর লক্ষণ, কমানোর উপায় ও ব্যায়াম https://preronajibon.com/what-is-triglyceride/ https://preronajibon.com/what-is-triglyceride/#respond Sun, 03 Jul 2022 18:17:08 +0000 https://preronajibon.com/?p=2523 3 Minute Readট্রাইগ্লিসারাইড কী :- ট্রাইগ্লিসারাইড হলঃ এক ধরনের চর্বি (লিপিড) যা আপনার রক্তে পাওয়া যায়। খাদ্যতালিকার অধিকাংশ চর্বিজাতীয় পদার্থগুলিই হল ট্রাইগ্লিসারাইড,

The post ট্রাইগ্লিসারাইড কী , ট্রাইগ্লিসারাইড এর লক্ষণ, কমানোর উপায় ও ব্যায়াম appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
3 Minute Read

ট্রাইগ্লিসারাইড কী :-

ট্রাইগ্লিসারাইড হলঃ এক ধরনের চর্বি (লিপিড) যা আপনার রক্তে পাওয়া যায়। খাদ্যতালিকার অধিকাংশ চর্বিজাতীয় পদার্থগুলিই হল ট্রাইগ্লিসারাইড, যেগুলি প্রাথমিকভাবে ফ্যাট বা চর্বি কোষে জমা হয় এবং পরে মুক্ত হয়ে রক্তপ্রবাহের মাধ্যমে শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। রক্তপ্রবাহে ট্রাইগ্লিসারাইডের উচ্চমাত্রা, যা হাইপারট্রাইগ্লিসারাইডিমিয়া নামেও পরিচিত, শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকারক হতে পারে।

ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা :-

স্বাভাবিক সীমা- নিম্ন ঝুঁকি — প্রতি ডেসিলিটারে ১৫০ মিলিগ্রামের কম (mg/dL), বা প্রতি লিটারে ১.৭০ মিলিমোলের কম (mmol/L)

স্বাভাবিক সীমার চেয়ে সামান্য বেশি — ১৫০ থেকে ১৯৯ mg/dL (১.৭০ – ২.২৫ mmol/L)

উচ্চ — ২০০ থেকে ৪৯৯ mg/dL (২.২৬ – ৫.৬৫ mmol/L)

অতি উচ্চ বা ঝুঁকিপূর্ণ— ৫০০ mg/dL বা তার বেশি (৫.৬৫ mmol / L বা তার বেশি)

ট্রাইগ্লিসারাইড কীভাবে নির্ণয় করা হয় ?

আপনার রক্ত প্রবাহে উচ্চ ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা শনাক্ত করার জন্য লিপিড প্রোফাইল পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হয়। ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা উপবাসের পরে রক্তে ট্রাইগ্লিসেরাইডের মাত্রা পরীক্ষা করা হয়। আহারের পরে রক্তে ট্রাইগ্লিসেরাইডের মাত্রা সাময়িকভাবে বেশি থাকে।

American Heart Association হৃৎপিণ্ডের সুস্বাস্থ্য রক্ষার্থে রক্তে ট্রাইগ্লিসেরাইডের মাত্রা ১০০ মিগ্রা/ডেসিলিটার (১.১ মিলিমোল/লিটার) বা তার কম রাখতে সুপারিশ করেছে।

ট্রাইগ্লিসারাইড বেশি হলে কী হয় ?

রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বেড়ে গেলে প্যানক্রিয়াটাইটিস,স্ট্রোক, ফ্যাটি লিভার ইত্যাদি হতে পারে।

ট্রাইগ্লিসারাইড এর প্রধান লক্ষণ বা ট্রাইগ্লিসারাইডের উপসর্গগুলি কি কি ?

সাধারণত উচ্চ মাত্রার ট্রাইগ্লিসারাইডের নির্দিষ্ট কোনও উপসর্গ থাকে না। কিন্তু ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা যদি স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায় তবে তা রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। যেমন:-

আর্টেরিওস্কেলেরোসিস – রক্তবাহক ধমনিগুলিকে সংকীর্ণ এবং কঠিন করে তোলে।
করোনারি হার্ট ডিজিজ – হৃৎপিন্ডের রক্তবাহক ধমনীগুলিকে কঠিন এবং সংকীর্ণ করে তোলে।
স্ট্রোক – মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। হার্ট, ব্রেনে যে কোনও ধরনের স্ট্রোকের মূলে থাকতে পারে রক্তনালিতে অতিরিক্ত ট্রাইগ্লিসারাইডের জমে যাওয়া।
প্যানক্রিয়াটাইটিস – যেটি গুরুতর পেটে ব্যথার কারণ হয়।
কিডনি – কিডনির ক্ষতিও হতে পারে।

Read More : খেজুরের উপকারিতা ও অপকারিতা

ট্রাইগ্লিসারাইড কেন বাড়ে ?

স্যাচুরেটেড ফ্যাট, ট্রান্স ফ্যাট, মিষ্টি জাতীয় খাবার প্রক্রিয়াজাত খাবার, ফাস্ট ফুড, ধূমপান, অ্যালকোহল, শরীরচর্চায় অনীহা, মানসিক চাপ, ডায়াবিটিস, কিডনির অসুখ ইত্যাদি ট্রাইগ্লিসারাইডকে বাড়িয়ে দেয় অনেকটা। ট্রাইগ্লিসারাইড বেশি হওয়া মানে ধরে নিতে হবে শরীর ঠিক মতো তার শক্তিক্ষয় বা শক্তিসঞ্চয় করছে না।

ট্রাইগ্লিসারাইড ও কোলেস্টেরল এর মধ্যে পার্থক্য :-

ট্রাইগ্লিসারাইড এবং কোলেস্টেরল উভয়েই লিপিড, কিন্তু ভিন্ন প্রকৃতির যা রক্তে প্রবাহমান থাকে। উভয়েই শরীরে তৈরি হতে পারে।
ট্রাইগ্লিসারাইড ও কোলেস্টেরল দুটোই অনেকটা বেশি হয়ে গেলে দুটোই আলাদা ভাবে হৃদযন্ত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ট্রাইগ্লিসারাইড এবং কোলেস্টেরল এর মধ্যে প্রধান পার্থক্য হল ট্রাইগ্লিসারাইড অব্যবহৃত ক্যালোরি সঞ্চয় করে এবং আপনার শরীরকে শক্তি সরবরাহ করে আর কোলেস্টেরল কোষ এবং নির্দিষ্ট হরমোন তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।

কি কি কারণে ট্রাইগ্লিসারাইড হতে পারে ?

হাই ট্রাইগ্লিসারাইড বিভিন্ন রোগের কারণে হতে পারে।
দৈনিক ক্যালরি খরচের তুলনায় ক্যালরি গ্রহনের পরিমান বেশি হলে।
টাইপ-২ ডায়াবেটিস বা প্রি-ডায়াবেটিস
হাই ব্লাড প্রেসার
ওবেসিটি
কিডনি রোগ
প্রচুর মদ্যপান
থাইরয়েড হরমনের পরিমান কমে যাওয়া,
কিছু জেনেটিক অবস্থা যা ফ্যাট থেকে শক্তি তৈরিতে বাধা দেয়। এছাড়া সুনির্দিষ্ট কিছু ঔষধ সেবনের কারণে হতে পারে, যেমন-বিটা ব্লকার,ডায়রিউটিকস ইস্ট্রোজেন,জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি, স্টেরয়েড, ইত্যাদি।

ট্রাইগ্লিসারাইড কী

ট্রাইগ্লিসারাইড কমানোর উপায় :-

১. প্রচুর পরিমাণে শাক সবজি খেতে হবে :- সবজি এবং ফলমূল শরীরের জন্য উপকারী। রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমাতে খাদ্যতালিকায় প্রতিদিন প্রচুর সবুজ ও রঙিন শাকসবজি এবং তাজা মৌসুমি ফলমূল রাখতে হবে।

২. চিনি কম খান – অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। যারা নিয়মিত চিনি ও মিষ্টিযুক্ত পানীয় গ্রহণ করেন তাদের উচ্চ ট্রাইগ্লিসারাইড হওয়ার সম্ভাবনা ৫০ শতাংশ বেশি অন্যদের তুলনায়।

৩. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন – আপনি যখন আপনার শরীরের প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ক্যালরি গ্রহণ করেন তখন আপনার শরীর সেই ক্যালরিগুলোকে ট্রাইগ্লিসারাইডে পরিণত করে এবং চর্বি কোষগুলোকে সঞ্চয় করে। অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণ কমিয়ে ও শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রেখে রক্তের ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমানো একটি কার্যকর উপায়।

৪. স্বাস্থ্যকর ফ্যাট বেছে নিন :- কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইড কমানোর সহজ উপায় হচ্ছে সম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত এবং অতিরিক্ত কোলেস্টেরলযুক্ত খাবার পরিহার করা। সম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত খাবার যেমন রেডমিট (গরু, ছাগল বা এই জাতীয় প্রাণীর মাংস)কম খান। তার পরিবর্তে অসম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করা উচিত, যেমন- সয়াবিন তেল, সূর্যমুখী তেল, জলপাইয়ের তেল, মাছ ইত্যাদি।

৫. অ্যালকোহল পান এড়িয়ে চলুন :- অ্যালকোহলে ক্যালোরি এবং চিনি বেশি থাকে এবং ট্রাইগ্লিসারাইডের উপর বিশেষভাবে শক্তিশালী প্রভাব ফেলে। আপনার যদি গুরুতর হাইপারট্রাইগ্লিসারাইডেমিয়া থাকে তবে অ্যালকোহল পান করা এড়িয়ে চলুন।

৬. ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন :-
গবেষকেরা বলেছেন, ওমেগা–৩ রক্তে ট্রাইগ্লসারাইডের পরিমাণ এবং রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা কমায়। খাদ্যতালিকায় প্রতিদিন বাদাম রাখতে হবে। বাদামে প্রচুর ওমেগা-৩ এবং মনো আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে সাহায্য করে। সামুদ্রিক মাছের তেলেও প্রচুর ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। তাই এই তেল শরীরের জন্য ভাল।

৭. ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে নিয়মিত ব্যায়াম করুন :- নিয়মিত ব্যায়াম রক্তের ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে ভীষণ কার্যকরী। দিনে পঁয়ত্রিশ মিনিট জোরে টানা হাঁটুন। এ ছাড়া সাইক্লিং, সাঁতার, সিঁড়ি বেয়ে ওঠানামাও ভাল। যদি ব্যায়ামাগারে যাওয়ার অভ্যাস থাকে কিংবা ঘরে ব্যায়ামের উপকরণ থাকে তবে ১৫ মিনিটের ধীর গতির শরীরচর্চায় কোলেস্টেরল কমানো সম্ভব। কোলেস্টেরলে থাকা ট্রাইগ্লিসারাইড দেহে শক্তি হিসেবে খরচ হয়। ব্যায়াম করলে ট্রাগ্লিসারাইড খরচ হয় ফলে এর মাত্রা কমে।

ট্রাইগ্লিসারাইড কী লেখাটি কেমন লাগলো তা আমাদের কমেন্টে জানাও। ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করো। এই ধরনের লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজটি ফল করো।

The post ট্রাইগ্লিসারাইড কী , ট্রাইগ্লিসারাইড এর লক্ষণ, কমানোর উপায় ও ব্যায়াম appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/what-is-triglyceride/feed/ 0
আন্তজার্তিক যোগ দিবস কবে ? যোগ কি ? যোগাসনের উপকারিতা https://preronajibon.com/benefits-of-yoga/ https://preronajibon.com/benefits-of-yoga/#respond Thu, 16 Jun 2022 18:23:54 +0000 https://preronajibon.com/?p=2514 3 Minute Read“Through practice comes Yoga, through Yoga comes knowledge, through knowledge love, and through love bliss.“- Swami Vivekananda ২১শে জুন আন্তর্জাতিক

The post আন্তজার্তিক যোগ দিবস কবে ? যোগ কি ? যোগাসনের উপকারিতা appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
3 Minute Read

Through practice comes Yoga, through Yoga comes knowledge, through knowledge love, and through love bliss.“- Swami Vivekananda

২১শে জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। সারা বিশ্বেই মহা সমারহে পালিত হয় এই বিশেষ দিন। এই দিনটিকে যোগ দিবস বা বিশ্ব যোগ দিবস বলা হয়। ২০১৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রসংঘে ভাষণ দেওয়ার সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২১ জুন তারিখটিকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস বলে ঘোষণা করার প্রস্তাব দেন। সেই বছরই ১১ ডিসেম্বর রাষ্ট্রসংঘ রাষ্ট্রসংঘ সাধারণ পরিষদ ২১ জুন তারিখটিকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস বলে ঘোষণা করেন। এছাড়া ২১ শে জুন এই দিনটি পালন করার একটি বিশেষ কারণ হ’ল এই তারিখটিতে উত্তর গোলার্ধের দীর্ঘতম দিন হিসেবেও পালন করা হয়। তাই এই বিশেষ দিনের তাৎপর্য রয়েছে। যোগাসনের উপকারিতা ।

আন্তজার্তিক যোগ দিবস থিম :- ২০২২-এর থিমটি হল “Yoga For Humanity”

যোগের তাৎপর্য :-

যোগ শব্দটি সংস্কৃত থেকে এসেছে। যার অর্থ হল ‘যোগ করা’,”নিয়ন্ত্রণ করা”, “যুক্ত করা” বা “ঐক্যবদ্ধ করা”। “যোগ” শব্দটির আক্ষরিক অর্থ তাই “যুক্ত করা”। যোগ-ব্যায়াম হল দেহ এবং চেতনার মিলন।
প্রতিদিনের জীবনে ভারসাম্যপূর্ণ জীবনযাপন বজায় রাখতে সাহায্য করে। শক্তিশালী শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের অন্যতম সহজ কৌশল হল যোগ। মন, শরীর এবং আত্মার সর্বোৎকৃষ্ট সাফল্যের পরিপূর্ণ উপায় হিসাবে ভারতের ঋষিমুনিরা হাজার হাজার বছর আগে এই যোগ উদ্ভাবন করেছেন। তার উল্লেখও পাওয়া যায় ঋক বেদের মতো প্রাচীন পৌরাণিক বইগুলিতে। ভারতে আজও এই প্রথা প্রচলিত আছে। যোগের সারকথা হলো কিছু শারীরিক ব্যায়াম(আসন), সাধারণ বিশ্রামের পদ্ধতি, সাত্ত্বিক আহার, যথার্থ শ্বাস-প্রশ্বাস প্রণালী এবং ইতিবাচক ভাবনার মাধ্যমে যেকোনো মানুষ তার সত্তাকে প্রকৃত উৎকর্ষ পৌঁছে নিয়ে যেতে পারে যেখানে তার মন এবং শরীর দীর্ঘস্থায়ী সুস্বাস্থ্যের জন্য একাকার হয়ে যায়।

যোগের লক্ষ্য :-

” যে নিজের মনের ওপর বিজয় প্রাপ্ত করে তিনি পুরো পৃথিবী জয় করতে পারেন।”
যোগের লক্ষ্য হল আত্মপোলব্ধি যার মাধ্যমে সব ধরনের কষ্টভোগকে পরাস্ত করা যায়। যোগ হল অদম্য ইচ্ছার চাষ। যোগচর্চা আত্মনিয়ন্ত্রন, আত্মবিশ্বাস এবং স্বপ্রভুত্ব বাড়ায়। স্বাধীন বিচার ক্ষমতা বাড়ায়।

যোগাসনের উপকারিতা

যোগাসনের উপকারিতা || যোগ ব্যায়ামের উপকারিতা :-

“শ্বাস যদি অস্থির হয় তবে মনও অস্থি থাকে, কিন্তু যখন শ্বাস-প্রশ্বাস শান্ত থাকে তখন মনও শান্ত থাকে।”- প্রাচীনযোগের নীতি

১. শারীরিক ও মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখে:-
মানুষের শক্তির উৎস দুটি। এই দৈহিক শক্তি, দুই মানসিক শক্তি। এই দৈহিক ও মানসিক শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে যোগাসন।

২. মানসিক চাপ কমায় :- নিয়মিত যোগাসন করলে মানসিক চাপ ও ক্লান্তি ভাব নিয়ন্ত্রণে আসে।

৩. রক্ত সঞ্চালন সঠিকভাবে বজায় রাখে :- যোগাসনের সাহায্যে শরীরে অক্সিজেন ও প্রয়োজনীয় পুষ্টি সঠিকভাবে প্রবেশ করে। তাই রক্ত সঞ্চালন সঠিকভাবে বজায় রাখা যায়। এর ফলে সমস্ত অঙ্গগুলি ঠিক করে কাজ করে ও ত্বকে ঔজ্জ্বল্য আসে।

৪. দৈহিক শক্তি প্রদান :- যথার্থ শ্বাস-প্রশ্বাস প্রক্রিয়ার ফলে পুরো শরীরে অক্সিজেন পৌঁছায় এবং আপনার শরীরের প্রতিটি কোষে জীবনী শক্তির দ্বারা সিঞ্চিত হয় এবং আপনার সর্বকর্মে প্রাণবন্ততা নিয়ে আসে।

৫. শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানির সমস্যা কমাতে সাহায্য করে :- হাঁপানির টান বা শ্বাসকষ্টের সমস্যা থাকলে যোগাসন করার অভ্যাস করুন। এতে ফুসফুসের কার্যকারিতা ধীরে ধীরে সঠিক ছন্দে আসে ও আরাম পাওয়া যায়।

৬. অতিরিক্ত চর্বি কমাতে :- পেটের অতিরিক্ত চর্বি কমাতে যোগাসন অত্যন্ত কার্যকরী পন্থা।

৭.হজমের সমস্যা :- গ্যাস হজমের সমস্যায় ভোগেন অনেকই । আর তার জন্যই প্রয়োজন যোগাসন । নিয়মিত যোগাসনের অভ্যাস (পবনমুক্তাসন) গ্যাস, অম্বল ,হজমের সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা কমিয়ে খিদে বাড়াতে সাহায্য করবে।

Read More : বাড়িতে অবসাদ মুক্ত থাকতে করণীয় ৮ টি বিষয়

৮.পিঠের ব্যাথা কমায় :- যোগাসন পিঠের ব্যথা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিন ৩০মিনিট পিঠ সোজা করে পদ্মাসন করলে খুব শীঘ্রই পিঠের ব্যথার উপশম হয়।

৯. দ্রুত বার্ধক্য কমায় :- যোগাসনের মাধ্যমে শরীরে জমে থাকা টক্সিন বেড়িয়ে যায়, যার ফলে বার্ধক্য
শরীরে চাপ ফেলতে পারে না।

১০. একাগ্রতা বাড়ায় :- শরীর মন ও আত্মার একত্রকরণের মাধ্যমে যোগাসন কোনো একটি বিষয়ের প্রতি একাগ্রতা আনতে সহায়তা করে।

১১.মাসিকের ব্যাথা কমায় :- মেয়েদের পিরিয়ডের সময় ব্যথা নিরাময় করতে সাহায্য করে, নারীদের ডিম্বাশয় ভালো থাকে। ফলে প্রজননক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। এছাড়াও মেনোপজ হওয়ার পর এসব জটিলতা দেখা যায় সেগুলো থেকে মুক্তি দেয়।

১২. পজিটিভিটি দান করে :-
প্রতিদিন যোগ ব্যায়াম অনুশীলন করার ফলে স্নায়ুগুলি সজাগ হয় ও শক্তিপ্রদানকারী হরমোন উৎপন্ন হয়। এর নেতিবাচক মনোভাব, বিষণ্নতা দূর হয়ে জীবনের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিশক্তি তৈরি হয়।

সতর্কতা :-

যোগাসনের সময় ঢিলে ঢালা পোশাক পরা উচিত যাতে যোগাসন আরামদায়ক হয়। এরকম পোশাকে আপনি যোগ ব্যায়ামের যেকোনো ভঙ্গি করতে পারবেন সহজেই। বয়সসীমা নির্বিশেষে যেকোনো বয়সের নারী–পুরুষ যোগাসন করতে পারেন। তবে একা একা অনুশীলন না করে কোনো দক্ষ প্রশিক্ষকের সহায়তা নেওয়া ভালো। শরীরের ওপর অতিরিক্ত জোর দিয়ে অথবা শরীরে ব্যথা নিয়ে যোগাসন করা ঠিক নয়, প্রয়োজনে এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। নিয়ম মেনে গর্ভাবস্থায় যোগব্যায়াম অনুশীলন খুবই উপকারী। তবে অনুশীলনের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

যোগাসন করার সঠিক সময় :-

বিশেষজ্ঞদের মতে, যে সময়ে ব্যায়াম করলে নিজের মন ভাল লাগবে, সে সময়ে করলেই সবচেয়ে ভাল কাজ হয়। সকালে ব্যায়াম করলে দিনটা ভাল ভাবে শুরু হয়। তবে সদগুরু জাগ্গি বাসুদেব বলেন,যোগ সকাল-সন্ধ্যায় অভ্যাস করার জন্য নয়। যোগ হল বিশেষ এক ভাবে বাঁচা। নিজেকে যোগ হয়ে উঠতে হয়। যদি সেটা সকাল-বিকেলের যোগ হয়, তবে বাকি সময়টা জটিলতায় জড়িয়ে থাকা – সেটা যোগ নয়, শুধুই যোগের অভ্যাস।

যোগাসনের উপকারিতা লেখাটি কেমন লাগলো তা আমাদের কমেন্টে জানাও। ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করো। এই ধরনের লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজটি ফল করো।

The post আন্তজার্তিক যোগ দিবস কবে ? যোগ কি ? যোগাসনের উপকারিতা appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/benefits-of-yoga/feed/ 0
শশা খাওয়ার উপকারিতা । Benefits of Cucumber https://preronajibon.com/benefits-of-cucumber/ https://preronajibon.com/benefits-of-cucumber/#respond Mon, 16 May 2022 16:31:59 +0000 https://preronajibon.com/?p=2496 < 1 শশা খাওয়ার উপকারিতা আমাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকার খুবই পরিচিত একটি নাম হলো শশা। যদিও শশাকে আমাদেও মধ্যে অধিকাংশ লোকেই একটি

The post শশা খাওয়ার উপকারিতা । Benefits of Cucumber appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
< 1

শশা খাওয়ার উপকারিতা

আমাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকার খুবই পরিচিত একটি নাম হলো শশা। যদিও শশাকে আমাদেও মধ্যে অধিকাংশ লোকেই একটি সবজি হিসেবে জানি কিন্তু বাস্তবে এটি একটি ফল, আর অধিকাংশ ফলের মতই শশাতেও রয়েছে বিভিন্ন পুষ্টিকর দিক। মূলত গ্রীষ্মকালীন সবজি হলেও বর্তমানে বাজারে সারাবছরই শশা পাওয়া যায়। আজকের আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করবো শশা খাওয়ার বিভিন্ন উপকারী দিক। এস জেনে নেই শশা খাওয়ার উপকারিতা ।

১. শরীরে জলের চাহিদা মেটায় :

শশায় প্রায় ৯৫% জল। শশা নিয়মিত খেলে তা আমাদের শরীরে প্রয়োজনীয় জলের ঘাটতি মেটাতে সাহায্য করে।

২. ওজন কমাতে সাহায্য করে :

যেহেতু শশায় খুবই কম পরিমান ক্যালোরি থাকে তাই এই ফলটি ওজন কমাতে কার্যকর।

৩. ডায়বেটিসে উপকারী :

বিভিন্ন পরীক্ষায় দেখাগেছে যে শশা ব্লাড সুগার লেভেল কন্ট্রোল করতে এবং এর থেকে হওয়া বিভিন্ন সমস্যা প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে.

৪. ভিটামিন ও মিনারেলের চাহিদা মেটে :

শশায় থাকে Vitamin K, Vitamin C, Potassium, Magnesium, Manganese যা আমাদের দেহের দৈনন্দিন প্রয়োজনের অনেকটাই পূরণ করতে সক্ষম।

৫. এন্টিঅক্সিডেন্ট :

শশায় পর্যাপ্ত পরিমানে এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা আমাদের দেহের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সহায়ক।

৬. হজমে সহায়তা :

শশা একটি আঁশ বা ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার যা নিয়মিত খেলে আমাদের দেহের ফাইবারের চাহিদা মেটায় , হজমে সহায়তা করে এবং কোষ্টকাঠিন্য দূর করে।

৭. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে :

ফাইবার ও মিনারেল সমৃদ্ধ খাঁর হওয়ায় শশা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কার্জর ভূমিকা পালন করে।

শশা খাওয়ার উপকারিতা লেখাটি কম লাগলো তা আমাদের কমেন্টে জানাও। ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করো। এই ধরনের লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজটি ফল করো।

The post শশা খাওয়ার উপকারিতা । Benefits of Cucumber appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/benefits-of-cucumber/feed/ 0
খেজুরের উপকারিতা ও অপকারিতা । Health Benefits of Dates https://preronajibon.com/health-benefits-of-dates/ https://preronajibon.com/health-benefits-of-dates/#respond Sun, 03 Apr 2022 16:28:06 +0000 https://preronajibon.com/?p=2440 5 Minute Readবিভিন্ন ফলের গুনাগুন সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি । প্রচলিত ফলের মধ্যে বিশেষ গুণ সম্পন্ন ফল হচ্ছে খেজুর। কম বেশি সকলেই

The post খেজুরের উপকারিতা ও অপকারিতা । Health Benefits of Dates appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
5 Minute Read

বিভিন্ন ফলের গুনাগুন সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি । প্রচলিত ফলের মধ্যে বিশেষ গুণ সম্পন্ন ফল হচ্ছে খেজুর। কম বেশি সকলেই খেজুর খেতে ভালোবাসেন। সুস্বাদু এই ফলের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরণের উপকারী উপাদান । আশ্চর্যজনকভাবে এর উপকারী উপাদানের জন্য প্রাচীনকাল থেকেই এর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। আসুন তাহলে কথা না বাড়িয়ে জেনে নিই খেজুরের উপকারিতা :-

খেজুরের ১০টি উপকারিতা :-

১। কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে :-

খেজুরে থাকা নানান কার্যকরী উপাদান ও ফাইবার কোষ্টকাঠিন্য দূর করে । যদি প্রতিদিন চার-পাঁচটি করে খেজুর নিয়ম করে খান, তাহলে অপনার কোষ্টকাঠিন্য তিন সপ্তাহের মধ্যেই অনেকটা কমে যাবে ।

২। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় :-

খেজুরে থাকে ডায়াটারি ফাইবার । এই ফাইবার নানা ধরণের রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাছাড়া নিয়মিত খেজুর খেতে পারলে LDL জাতীয় খারাপ কোলেস্টোরল মাত্রা দ্রুত হারে কমতে থাকব । খেজুরে থাকা প্রচুর মাত্রায় প্রাকৃতির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রোগ-ব্যাধিকে দূরে সরিয়ে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়ায় ও স্থায়িত্ব দান করে ।

৩। ক্যান্সার প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় :-

ক্যান্সার এক ভয়ংকর ব্যাধি আমরা সকলেই জানি । কিন্তু গবেষণায় জানা যায় প্রাকৃতিক ভাবেই এই মারণ ব্যাধির হাত থেকে বাঁচার জন্য প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব । তার অন্যতম উপায় হল বিশেষ কিছু খাবার গ্রহণ । খেজুর সেই তালিকায় অন্যতম । নিয়মিত খেজুর খেলে ক্যানসারের বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলা যায় ।

৪। রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ করে :-

রক্তশূন্যতা বা রক্তাল্পতা দূর করতে খেজুরের জুড়ি মেলা ভার । এই শুকনো ফলটিতে থাকে প্রচুর পরিমাণ আয়রন । আর রক্তের হিমোগ্লোবিন এর প্রধান উপাদান হল আয়রন। খেজুরে থাকা আয়রন রক্তের হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি করে রক্তাল্পতা দূর করে ।

৫। শরীরে শক্তির যোগান দেয় :-

পরিশ্রমী মানুষের শরীরে শক্তির প্রয়োজন । খেজুরে থাকা কার্বহাইড্রেড , প্রোটিন, আয়রন, ক্যালসিয়াম , ফসফরাস ও নানারকম ভিটামিন একদিকে যেমন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় , অন্যদিকে শক্তির যোগান দিয়ে দুর্বলতাকে দূর করে একটা ফ্রেশ আমেজ নিয়ে আসে।

Read More : রসুনের উপকারিতা কি কি

৬। দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে :-

চোখের রেটিনার সঠিক গঠনের জন্য ভিটামিন এ এর পাশাপাশি লিউটিন সহ আরো কিছু কার্যকর উপাদান প্রয়োজন। যেগুলি আপনি অতি সহজেই খেজুরের মধ্যে মজুত পেয়ে যাবেন। রাতকানা রোগ সহ উন্নত দৃষ্টিশক্তি ধরে রাখতে অবশ্যই খেজুরের উপর আস্থা রাখতে পারেন ।

৭। হাড় সুস্থ ও মজবুত রাখে :-

খেজুরে থাকে অনেকগুলি কার্যকরী উপাদান । হাড় সুস্থ ও মজবুত রাখতে ও খেজুরের উপকারিতা অসামান্য । এতে ভিটামিন, প্রোটিন, ক্যালসিয়ামও প্রচুর পরিমাণে সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ও ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। এই সকল মিনারেল বা খনিজ পদার্থ হাড়ের সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে । তাই আট থেকে আশি সকলেরই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় খেজুর রাখা প্রয়োজন।

৮। স্নায়ুতন্ত্রের কর্মক্ষমতা বাড়ায় :-

আমাদের স্নায়ুতন্ত্র প্রতিনিয়ত ক্রিয়াশীল থাকে । সংবেদন বহন ও উত্তেজনায় সাড়া দেওয়ার কাজটি করে স্নায়ুতন্ত্র । এই স্নায়ুতন্ত্র গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় মিনারেল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যাবে খেজুরের মধ্যে । নিয়মিত খেজুর খেলে অলস ভাব যেমন দূর হবে , তেমনি চনমনে এক যৌবনী শক্তিলাভ করা যাবে ।

৯। উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে :-

খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম । যা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে । তাই যাদের হাই প্রেসারের সমস্যা আছে প্রতিদিন ৩-৫ টি করে খেজুর খেলে যতেষ্ট উপকার পেয়ে যাবেন।

১০। ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ায় :-

খেজুরে থাকা এন্টিঅক্সিডেন্ট, ক্যালসিয়াম, আয়রন , ভিটামিন সমূহ মানুষের ত্বককে বুড়িয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। উজ্জ্বল টানটান স্কিনের অধিকারী হতে চাইলে রোজ সকালে তিন, চারটি খেজুর খান । খেজুরের অসাধারণ গুনের জন্য আপনি নিশ্চই খেজুরের ভক্ত হয়ে উঠবেন।

খেজুরের অপকারিতা বা সাবধানতা :-

খেজুর খাবার আগে কয়েকটি বিষয়ে সতর্ক থাকা উচিত। শরীরে পটাশিয়াম বেশি থাকলে , কিংবা হাই ব্লাড সুগার থাকলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খেজুর খাবেন । পেটের অসুখ বা ডায়রিয়া থাকলে খেজুর এড়িয়ে যান।

খেজুরের উপকারিতা

খেজুর খাবার নিয়ম :-

১। রাতে জলে ভিজিয়ে রেখে সকালে ৪/৫ টি খেজুর খান ।
২। রাতে শোবার আগে একগ্লাস দুধের সঙ্গে খেজুর খেলে রক্ত বৃদ্ধি পায় ও রক্তাল্পতা দূর হয়।
৩। খাবার পরে ফলাহার হিসেবে ৪/৫টা খেজুর খেতে পারেন।
৪। টিফিন হিসেবে খেজুর রাখুন । একটা দুটো করে কয়েকবারে খাবেন ।
৫। ওজন কমাতে হলে ভাত খাবার ১৫ মিনিট আগে ৪/৫টা খেজুর খেয়ে নিন ।
৬। এছাড়া যে কোনো সময় খেজুর খেতে পারেন। তবে মনে রাখতে হবে একদিন অতি ভোজন নয়। নিয়মিত, অল্প করে খান এতে বেশি উপকার পাবেন।
৭। বাজারজাত খেজুরে ফাঙ্গাস ব্যাকটেরিয়া বা নোংরা থাকতে পারে। তাই চেষ্টা করুন ভালো জলে ধুয়ে নিতে।

খেজুর কীভাবে কিনবেন / কীভাবে বাছাই করবেন ভালো খেজুর :-

আমাদের দেশে শুকনো ভালো খেজুর প্রায় উৎপন্ন হয় না বললেই হয় । তাই নির্ভর করতে হয় বাইরের আমদানি করা খেজুরের উপর । তাই আসুন এবার আমরা জেনে নেই খেজুর কেনার ব্যাপারে কোন কোন দিকে নজর রাখতে হবে:-

i) খোলা খেজুর কিনবেন না । মশা মাছি সহ নানা ছত্রাক এতে রোগ জীবাণু ছড়িয়ে থাকে।
ii) প্যাকেটজাত খেজুর কেনার সময় প্যাকেটের গায়ে লেখা দেখবেন যেন যতটা সম্ভব কারেন্ট আমদানি করা হয়।
iii) প্যাকেটের গায়ে কোনো ছেঁড়া ফাটা আছে কিনা ভালো করে দেখুন ।
iv) অনেকদিনের প্যাকেট দোকানদার গছিয়ে দিতে চাইছে কি না বুঝে নিন । ট্রান্সফারেন্ট প্লাস্টিক বা জারের ভেতরের খেজুরের কোয়ালিটি দেখে নিন ।
v) অনেক প্রজাতির খেজুর আছে । পছন্দের খেজুর কিনুন । কিন্তু খেজুর ফ্রেশ আছে কি না দেখুন। সাদা ফাঙ্গাস, কিংবা পোকা ধরে নি এটা নিশ্চিত করুন ।
vi) ফ্রেশ খেজুর কিনুন আর ঘরে বা ফ্রিজে সংরক্ষিত রাখুন । বেশিদিন খোলা প্যাকেটে ফেলে রাখবেন না।

Read More : ড্রাগন ফল কী ? ড্রাগন ফলের উপকারিতা

খেজুরের রসের উপকারিতা :-

একটা ধাঁধা খুব প্রচলিত ছিল ” বাড়িতে আছে কাঠের গাই/ বছর বছর দুধ খাই। ” এর উত্তর হল খেজুর গাছের রস। দুধের মত সাদা না হলেও কিন্তু উপকারের দিক থেকে দুধের সঙ্গে তুলনা হতেই পারে। শহরাঞ্চলে প্রায় দুষ্প্রাপ্য হতে চলা খেজুরের রস যদিও গ্রাম বাংলার এখনো পাওয়া যায় । আসুন এবার জেনে নিই খেজুরের রসের উপকারিতাগুলি :-

১। ডাবের জলের মতোই খেজুর গাছের রস এনার্জি ড্রিংকস হিসেবে কাজ করে। খেজুর রসে শর্করা বা ফ্রুক্টোজ ও গ্লুকোজ থাকে প্রায় ১৪-২১%। এই শর্করার সঙ্গে প্রচুর খনিজ লবণ ও মিনারেল থাকে। তাই বলা যায় যেকোন কৃত্রিম এনার্জি ড্রিংকস এর চাইতে বেশি ভালো ও স্বাস্থ্যকর। এক গ্লাস খেজুরের রস পান করলে নিমিষেই এনার্জি পাওয়া যায় সেইসঙ্গে ফ্রেশ একটা আমেজ অনুভূত হয়।
২। খেজুরের মতোই এনিমিয়া বা রক্তাল্পতা দূর করার মত আয়রন সহ বেশ কিছু মিনারেল খেজুর রসে পাওয়া যায়।
৩। খেজুরের রসে সোডিয়াম ও পটাশিয়াম থাকে বলে পেশির দৃঢ়তা বৃদ্ধি করে।
৪। খেজুরের রসে থাকা ম্যাগনেসিয়াম ক্লান্তি বা অবসন্ন ভাব দূর করে।
৫। খেজুরের রসে থাকা ফাইবার কোষ্টকাঠিন্য দূর করে।
৬। বাড়তি মেদ ঝরিয়ে ওজন কমাতে সাহায্য করে ।
৭। উৎসেচকের ক্ষরণ সঠিক মাত্রায় করে হজমে সাহায্য করে।
৮। খেজুরের রস ক্ষুধামন্দা দূর করে।

খেজুরের রস কখন , কতটা খাবেন , কখন খাবেন না :-

১। খেজুরের রস খুব সকাল বা ভোরবেলায় খাওয়া ভালো।
২। বেলা বাড়তে থাকলে এতে ফারমেন্টেশন বা গাঁজন প্রক্রিয়া হতে থাকে। এতে রসের স্বাদ নষ্ট হয় এবং অম্লতা বাড়ে। দিনের আলোতে গাঁজন বেশি হয়। তাই দিনের বেলা খেজুরের রস এড়িয়ে যাওয়াই ভালো ।
৩। একজন সুস্থ সবল মানুষ এক বা দুই গ্লাস রস খেতে পারেন । অভ্যাস না থাকলে হঠাৎ বেশি খেতে যাবেন না ।
৪। ব্লাড সুগার থাকলে খেজুরের রস এড়িয়ে যাওয়াই ভালো । এছাড়া ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খেতে পারেন।
৫। ভালো করে জেনে নিন রস ভালভাবে শুকিয়ে ছিল কিনা । বাদুড় জাতীয় প্রাণী এতে নানা রোগ ছড়াতে পারে ।
৬। খুব ঠান্ডা ক্ষতি করতে পারে তাই চেষ্টা করুন হালকা গরম করে খেজুরের রস খাওয়া যেতে পারে।

খেজুরের গুড়ের উপকারিতা :-

বাঙালির পিঠে পায়েস , মুড়ি বা রুটির সঙ্গে খেজুরের গুড়ের সম্পর্ক অনেকটা বন্ধুর মত। শীত আসার সঙ্গে সঙ্গেই বাঙালি উৎসুক হয়ে থাকে খেজুরের গুড়ের জন্য। নলেন গুড়ের সন্দেশ কিংবা খেজুর গুড়ের মিষ্টি আমাদের খুব প্রিয়। গবেষকরা গুড়ের উপকারিতা সম্পর্কে অনেক কিছুই বলেছেন সত্য । কিন্তু খেজুরের গুড় সম্পর্কে একটু স্পেশাল কিছু উপকারিতার কথা বলেছেন । আসুন তাহলে কথা না বাড়িয়ে জেনে নিই খেজুরের গুড়ের উপকারিতাগুলি :-

১। শরীরে আয়রনের ঘাটতি পূরণ করে রক্তাল্পতা দূর করে খেজুরের গুড়।
২। খেজুরের গুড়ে থাকা ফাইবার কোষ্টকাঠিন্য দূর করে ।
৩। ‌পিএমএস সমস্যা বা প্রিমেনস্ট্রুয়াল সিনড্রোম এ অনেক মহিলারা ভোগেন। প্রতিদিন নিয়ম করে অল্প পরিমাণ গুড় খেলে শরীরে হরমোনের সমতা বজায় থাকে ও এই সমস্যার থেকে দূরে থাকা যায়।
৪। উৎসেচকের ক্রিয়া নিয়ন্ত্রন করে হজমের শক্তি বাড়িয়ে দেয়।
৫। খেজুরের গুড় সর্দি, কাশি, ভাইরাল ফিবারের হাত থেকে রক্ষা করে ও শরীর গরম ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে ।
৬। হাড়ের সমস্যা , গাঁটে ব্যাথা ইত্যাদি সমস্যা থেকে আরাম দেয় খেজুর গুড়।
৭। বাড়তি মেদ ঝরিয়ে ওজন কমাতে সাহায্য করে খেজুরের গুড়।
৮। শরীরের টক্সিক উপাদান বাইরে বের করে শরীরকে সুস্থ সবল ফুরফুরে রাখতে খেজুর গুড় কার্যকরী ।

আশা করি বন্ধুরা খেজুরের উপকারিতা নিয়ে আজকের আর্টিকেল থেকে খেজুর, খেজুরের রস ও খেজুরের গুড়ের উপিকারিতা সম্পর্কে জানলাম । আমাদের সঙ্গে থেকে ফেসবুক পেজ লাইক করে পড়তে থাকুন এরকম আরো অনেক আর্টিকেল । পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

The post খেজুরের উপকারিতা ও অপকারিতা । Health Benefits of Dates appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/health-benefits-of-dates/feed/ 0
মেথির উপকারিতা ও অপকারিতা । Fenugreek (Methi) benefits & side effects https://preronajibon.com/benefits-side-effects-of-fenugreek/ https://preronajibon.com/benefits-side-effects-of-fenugreek/#respond Mon, 07 Mar 2022 18:05:24 +0000 https://preronajibon.com/?p=2422 4 Minute Readমেথি কী ? মেথি একটি বর্ষজীবী গাছ। মেথির বৈজ্ঞানিক নাম ”Trigonella foeunum-graecum”। মেথির বৈজ্ঞানিক প্রতিশব্দ ” Fenugreek”। মেথি মৌসুমি গাছ

The post মেথির উপকারিতা ও অপকারিতা । Fenugreek (Methi) benefits & side effects appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
4 Minute Read

মেথি কী ?

মেথি একটি বর্ষজীবী গাছ। মেথির বৈজ্ঞানিক নাম ”Trigonella foeunum-graecum”। মেথির বৈজ্ঞানিক প্রতিশব্দ ” Fenugreek”। মেথি মৌসুমি গাছ হিসেবে পরিচিত। মেথি শাক গ্রাম বাংলায় শাক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। একাধিক গবেষণা থেকে জানা গেছে, দূষিত পরিবেশ এবং ভেজাল খাবারের রাজ্যে সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে মেথির ভূমিকা অনস্বীকার্য। রান্নাঘরে মসলা হিসেবও মেথির ব্যবহার প্রাচীন যুগ থেকে চলে আসছে। এছাড়াও যুগ যুগ ধরে কবিরাজী, ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ক্ষেত্রে মেথির নানাবিধ ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে।

মেথির পুষ্টিগুণ :- প্রাকৃতিক উপাদানটির মধ্যে রয়েছে ৩৫.৫ ক্যালরি, ৬.৪ গ্রাম প্রোটিন, ০.৭ গ্রাম ফ্যাট, ২.৭ গ্রাম ফাইবার এবং ৩.৭ মিলিগ্রাম আয়রন। এছাড়াও রয়েছে ম্যাঙ্গানিজ, কপার, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস এবং ভিটামিন বি৬-এর মতো পুষ্টিকর উপাদান, যা নানা দিক দিয়ে শরীর গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

মেথির উপকারিতা ও অপকারিতা :-

মেথিকে কী বলা উচিত , বা মেথির পরিচয় কী ? উত্তরে বলা চলে মসলা, খাবার, পথ্য—তিনটিই হিসেবে মেথি পরিচিত। স্বাদে তেতো হলেও পুষ্টিগুণে ভরপুর বলে অনেকেই মেথিকে সুপার ফুডও বলে অভিহিত করে থাকেন। মেথি অবশ্যই উপকারী এবং অতিরিক্ত ব্যবহার যদিও ক্ষতিকারক হতে পারে। তাহলে কথা না বাড়িয়ে আসুন আমরা জেনে নেই মেথির উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে।

১. ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে মেথির উপকারিতা –

ডায়াবেটিকে নিয়ন্ত্রন করতে চাইলে মেথি আপনার জন্য অমৃত স্বরূপ হতে পারে। মেথিতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ফাইবার ও বিভিন্ন রকমের উপাদান যা রক্তে শর্করার মাত্রা কমিয়ে এনে ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ডায়াবেটিক রোগীরা প্রতিদিন ৫ থেকে ৫০গ্রাম মেথি সেবন করুন। মেথিতে থাকা ফাইবার আপনার শরীরের সুগার ও কার্বোহাইড্রেট এর মাত্রা শোষণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

২. ওজন কমাতে মেথির উপকারিতা :-

মেথিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইবার যা ওজন কমানোর জন্য খুবই কার্যকর। এছাড়াও এতে রয়েছে ভিটামিন,ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম সহ বিভিন্ন উপাদান যা শরীরেকে সুস্থ রাখতেও সাহায্য করে। সকালে খালি পেটে মেথি ভেজানো জল খেতে পারলে তা দ্রুত ওজন কমাতে সহায়ক হবে।

৩. কোলেস্টেরল কমাতে মেথি :-

মেথিতে রয়েছে স্টেরিওডাল সেপোনিনস নামক একধরনের উপাদান যা শরীরের কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। মেথি শরীরের লিপো প্রোটিন বা ব্যাড প্রোটিন কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও মেথিতে উপস্থিত গ্লেকটোম্যানন নামক উপাদানটি হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

Read More : সকালে উঠে খালি পেটে এই ছয়টি খাবারে মিলবে উপকারিতা

৪. ক্যান্সার প্রতিরোধে মেথি :-

মেথিতে উপস্থিত ট্রাইগ্লিসেরাইড ইস্ট্রোজেন গ্রহণকারী মডিউলেটারের কাজ করে এবং ব্রেস্ট ক্যান্সার সৃষ্টিকারী কোষগুলোকে উদ্দীপিত করে একটা সময় পুরোপুরি নষ্ট করে দেয়। এছাড়া গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে মেথির ব্যবহার করবার ফলে ক্যান্সার হবার আশঙ্কা কমেছে।ক্যান্সারের হাত থেকে মুক্তি পেতে ডাক্তারেরা রান্নায় মেথির ব্যবহারের কথা বলছেন।

৫. হজমে সহায়ক :-

মেথিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা দেহের ক্ষতিকারক উপাদানগুলোকে দেহ থেকে বের করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি অন্ত্রের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এছাড়া বুকে বা পেটের ওপরের দিকে এসিডের প্রদাহ থেকে মুক্তি দেয় মেথি। সেই সঙ্গে হজমের যাবতীয় সমস্যা ও কোষ্ঠকাঠিন্যে ওষুধের মতো কাজ করে মেথি।

৬. কিডনির কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি :-

কিডনির কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে মেথি ভীষণভাবে কার্যকরী। ”Phytotheraphy Research”-এ প্রকাশিত একটি গবেষণা থেকে জানা যায় ক্যালসিয়াম অক্সালেট জাতীয় কিডনির পাথর প্রতিরোধ করতে মেথিই যথেষ্ট। মেথি খেলে কিডনিতে উল্লেখযোগ্যভাবে কম ক্যালসিফিকেশন তৈরি হয়। মেথি ভাজা, সকালে খালি পেটে মেথি ভেজানো জল কিংবা মেথি দিয়ে তৈরি চা পান করলে কিডনি পরিষ্কার থাকে পাশাপাশি কিডনির কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

৭. লিভারকে সুস্থ রাখে :-

২০০৭ সালে প্রকাশিত “জীববিজ্ঞান ও বিষবিদ্যাবিষয়ক” গবেষণায় এস কাভিয়ারসন বলেছেন, মেথি অ্যালকোহলযুক্ত ক্ষতির বিরুদ্ধে লিভারকে রক্ষা করতে সহায়তা করে। দীর্ঘদিন অ্যালকোহলে আসক্ত মানুষদের চর্বিযুক্ত লিভার ও ফাইব্রোসিস থাকে যা কোলাজেন সংশ্লেষণের দ্বারা নির্মূল করা যেতে পারে। গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে, মেথি লিভারে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এনজাইমগুলির ক্রিয়াকলাপ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

৮. বাতের ব্যথা উপশম :-

কোনও জ্বালা-যন্ত্রণা কমাতে মেথি কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। এর মধ্যে রয়েছে উচ্চমাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। গাঁটের ব্যথায় কষ্ট পেলে প্রতিদিন নিয়ম করে উষ্ণ গরম জলে মেথি বীজ ভিজিয়ে খেতে পারেন। অথবা, সারা রাত ভিজিয়ে রাখা মেথির জল সকালে খালি পেটে খেলেও অনেক উপকার পাবেন।

৯. মাতৃদুগ্ধের পরিমাণ বাড়ায় :-

মেথিতে উপস্থিত থাকা ডায়োসজেনিন নামক পদার্থটি মাতৃদুগ্ধের পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে। সদ্য মা হওয়া নারীর জন্য মেথির চা কিংবা সারারাত ভেজানো মেথির জল সকালে খালিপেটে খাওয়া উপকারী।

১০. মাসিকের ব্যথা দূর করে :-

প্রতিটি মেয়েকে প্রতিমাসে পিরিয়ড বা মাসিকের সম্মুখীন হতে হয়। এই সময় অনেকের ক্ষেত্রে যন্ত্রণা ও ব্যথা সহ্যাতীত হয়ে থাকে। গবেষণায় জানা গিয়েছে মেথি ব্যথানাশকের ভূমিকা পালন করে। পিরিয়ড চলাকালীন মেথির গুঁড়ো, মেথির চা কিংবা মেথি ভেজানো জল দিনে দু’বার খেলে নারীদের পিরিয়ডের ব্যাথ্যা কমে যায়।

১১. ত্বকের যত্নে মেথির উপকারিতা :-

ত্বকের পরিচর্যাতেও মেথির জুড়ি মেলা ভার। মেথির বীজে রয়েছে এন্টি ব্যাকটেরিয়াল পদার্থ যা ত্বকের গভীরে গিয়ে ত্বককে সতেজ রাখে। এছাড়াও ব্রণের দাগ নির্মূল করতে মেথির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। মেথির বীজে আছে ত্বকের মৃত কোষ তুলে দেবার ক্ষমতা। যা ত্বকের বার্ধক্য কমিয়ে ত্বককে সতেজ ও উজ্জ্বল দেখায়।

Read More : রসুনের উপকারিতা কি কি । রসুন খাওয়ার সঠিক নিয়ম

১২.পুরুষের যৌনক্ষমতা বাড়াতে মেথির ভূমিকা :-

মেথিতে থাকা ‘সাপোনিস’ বা ‘ডাইওসজেনিন’ নামক যৌগ পুরুষের যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে অসামান্য ভূমিকা পালন করতে পারে। রোজ নিয়ম করে মেথি খেলে পুরুষের পৌরুষ বা যৌন ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। উল্লিখিত যৌগ আসলে টেস্টোস্টেরণ হরমোনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে ;যা কামশক্তির মূল চালিকাশক্তি।

চুলের জন্য মেথির উপকারিতা :-

মেথিতে থাকা ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, এবং লিথিসিন নামক পদার্থ অকালে চুল পড়া এবং টাক পড়ে যাওয়ার সমস্যা থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও খুশকি কমাতে মেথির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। মেথিতে রয়েছে ভিটামিন ই ও প্রাকৃতিক জেলোটিন যা চুলের জেল্লা, চুলের দৈর্ঘ্য ও চুলের স্বাস্থ্য বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। দুই টেবিল চামচ মেথি গরম জলে ফুটিয়ে নিয়ে ঠান্ডা করে সেই জলে চুল ভিজিয়ে রাখতে হবে। আধ ঘন্টা পরে ধুয়ে নিলেই কেল্লাফতে। এছাড়াও আমলকীর গুঁড়োর সঙ্গে মেথির গুঁড়ো মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে রেখে দিন। চুলের গোড়ায় সপ্তাহে এক দুই দিন মেখে ২০ মিনিট কাল রাখুন। এরপর ধুয়ে নিলেই দেখবেন চুলের অকালপক্কতা ম্যাজিকের মতো কমতে শুরু করেছে।

সকালে খালি পেটে মেথির জল খাওয়ার উপকারিতা :-

শরীরকে সম্পূর্ণ সুস্থ ও চনমনে রাখতে মেথির দানা জুড়ি মেলা ভার। মেথিতে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও মিনারেল সহ গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা শরীরকে অনেক জটিল রোগ থেকে মুক্তি দেয়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে মেথির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। একগ্লাস বিশুদ্ধ জলে ১ চামচ মেথি সারারাত ভিজিয়ে রাখুন সকালে খালি পেটে সেই জল টুকু পান করুন এতে মিলবে উপকার। কারণ মেথির মধ্যে দ্রবণীয় ফাইবার থাকে যা আপনার কোলেস্টেরল কমাতে অনেকটাই সাহায্য করবে। এছাড়া গ্যাস্ট্রিক কোষ্ঠকাঠিন্যসহ আরো অনেক সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

মেথির অপকারিতা :-

১. মেথিতে থাকা কৌমারিন নামক পদার্থ রক্তকে পাতলা করে । যাদের রক্তাল্পতা রয়েছে বা রক্ত পাতলা তাদের ক্ষেত্রে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে মেথি ব্যবহার করতে হবে।
২. সন্তানসম্ভবা নারীদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত মেথি গর্ভপাতের কারণ হতে পারে।
৩. যাদের মাত্রাতিরিক্ত সুগারের সমস্যা রয়েছে , তারা অবশ্যই ডাক্তারবাবুর পরামর্শ অনুযায়ী মেথি সেবন করুন । কেন না মেথি রক্তের সুগার কমায়, ফলে অন্যান্য ওষুধ সেবন করে থাকলে সুগারের মাত্রা প্রয়োজনের চেয়েও নীচে নেমে যেতে পারে।
৪. অনেকের মেথিতে এলার্জি থাকতে পারে। গা গুলানো , বমি ভাব থাকলে একটু সমঝে নিয়ে মেথি সেবন করলে ঝুঁকি এড়ানো যায়।

মেথির উপকারিতা ও অপকারিতা নিয়ে আমাদের লেখাটি কেমন লাগলো তা আমাদেরটা কমেন্ট বক্সে জানাও। ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করো। এই ধরনের লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের  ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলের সাথে যুক্ত থাকো।

The post মেথির উপকারিতা ও অপকারিতা । Fenugreek (Methi) benefits & side effects appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/benefits-side-effects-of-fenugreek/feed/ 0
ক্যালসিয়ামের অভাবে ভুগছেন না তো ? ৬টি লক্ষণ দেখে ক্যালসিয়ামের অভাব আছে কি না জেনে নিন https://preronajibon.com/calcium-density-problems/ https://preronajibon.com/calcium-density-problems/#respond Sat, 22 Jan 2022 11:48:16 +0000 https://preronajibon.com/?p=2366 3 Minute Readহাড়ের গঠনে ক্যালসিয়াম নামক খনিজ উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এটি হার্ট এবং শরীরের অন্যান্য পেশীগুলোর কার্যকারিতা ঠিক রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

The post ক্যালসিয়ামের অভাবে ভুগছেন না তো ? ৬টি লক্ষণ দেখে ক্যালসিয়ামের অভাব আছে কি না জেনে নিন appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
3 Minute Read

হাড়ের গঠনে ক্যালসিয়াম নামক খনিজ উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এটি হার্ট এবং শরীরের অন্যান্য পেশীগুলোর কার্যকারিতা ঠিক রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এটির অভাবে হাড়ক্ষয় বা অস্টিওপোরাসিস রোগ হতে পারে। আমাদের শরীরের শতকরা ৯০ ভাগ ক্যালসিয়াম দাঁত ও হাড়ে জমা থাকে। যদি ক্যালসিয়াম কমে যায় তবে দাঁত ও হাড় ব্যথা করতে পারে। এমনকি শিশুদের ক্ষেত্রে শারীরিক বৃদ্ধি ব্যহত হয়। তাই স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হচ্ছে কিনা সেটি নির্ণয় করা জরুরি।বেশকিছু মেডিক্যাল গ্রাউন্ড থেকে নেওয়া তথ্য অনুসারে ৬টি লক্ষণ থেকে বোঝা যায় শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব রয়েছে কিনা।

তাহলে চলুন দেখে নেই সেই ৬টি লক্ষণ যা দেখে বোঝা যাবে শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি রয়েছে :-

১. পেশীতে নানা সমস্যা :-

অনেকসময় দেখা যায় শরীরের পেশী অংশে খিঁচুনি কিংবা ব্যথা অনুভূত হয়। বিশেষ করে শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি যাদের তারাই পেশি ব্যথা, ক্র্যাম্প এবং খিঁচুনি অনুভব করে থাকেন। নড়াচড়া করার সময় উরু ও বাহুতে ব্যথা ছাড়াও হাত, পা ও মুখের চারপাশে একরকম আড়ষ্টতা অনুভূত হতে পারে। এ রকম সমস্যা হলে ক্যালসিয়ামের অভাব বোঝা যায়। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ক্যালসিয়াম গ্রহন করার ব্যবস্থা করা দরকার।

২. ক্লান্তিবোধ :-

বিশেষ করে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হলে অতিরিক্ত ক্লান্তি বোধ ও অলসতা আসতে পারে । একই কারণে অস্বস্তি বোধ কিংবা অনিদ্রাও দেখা দিতে পারে। সামান্য মাথাব্যথা, মাথা চক্করের মত সমস্যা দেখা দিতে পারে। একই সঙ্গে মনোযোগের অভাব, ভুলে যাওয়া, বিভ্রান্তি প্রভৃতি সমস্যা দেখা দিতে পারে।

৩. অস্টিওপেনিয়া এবং অস্টিওপরোসিস :-

অস্টিওপেনিয়া এমন একটি অবস্থা যেখানে হাড়ের ঘনত্ব কম হয়, যার ফলে হাড় স্বাভাবিকের তুলনায় দুর্বল হয়। অস্টিওপেনিয়া 
অস্টিওপরোসিসের সম্ভবনা বৃদ্ধি করে এবং হাড় ভাঙ্গার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। সামান্য কোনো কারণে বা কারণ ছাড়াই হাড় ভেঙে গেলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে বুঝতে হবে ক্যালসিয়ামের অভাব রয়েছে । এমতাবস্থায় ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে পদক্ষেপ নির্ধারণ করতে হবে ।

৪. ভঙ্গুর নখ :-

হাড় ক্যালসিয়াম ভালোভাবে সঞ্চয় করে। আর যখন শরীরে ক্যালসিয়ামের সামগ্রিক মাত্রা কম থাকে, তখন শরীর হাড় থেকে ক্যালসিয়াম শুষে নেয়। এ কারণে যেমন হাড় ভঙ্গুর এবং আঘাত প্রবণ হয়ে ওঠে তেমনি নখও খুব সহজেই ভেঙে যায় । কাজেই নখের দৃঢ়তা কমে গেলে বা ক্ষণভঙ্গুর অবস্থা হলে বুঝে নিতে হবে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি রয়েছে।

৫. দাতেঁর সমস্যা :-

মানুষের শরীরে ক্যালসিয়ামের মাত্রা কমে গেলে তা দাঁতের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। দাঁতের ক্ষয়, সহজ ভঙ্গুরতা, মাড়ি খিটখিটে এবং দাঁতের বন্ধন দুর্বল হয়ে যাবার ফলে দাঁত ব্যথা হতে পারে। ক্যালসিয়ামের অভাব বোঝার এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ ।

৬. হতাশা ও বিষণ্ণতা :-

আধুনিক গবেষণায় দেখা গেছে যে, ক্যালসিয়ামের অভাবের থেকে হতাশা বিষণ্ণতা, মেজাজ খারাপ হওয়ার মতো সমস্যাগুলি সৃষ্টি হতে পারে। কাজেই কোন কারণ ছাড়াই হতাশা ও বিষণ্ণতা ক্যালসিয়ামের অভাব বোঝার জন্য একটি সিগনাল হতে পারে ।

জেনে রাখো : হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ কী ? উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণের উপায়

ক্যালসিয়ামের ঘাটতি কী কী কারণে হতে পারে :-

অল্প বয়সে সাধারণত ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা যায় না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় ৪০ বছর বয়সের পর থেকে ক্যালসিয়াম ঘাটতির একাধিক উপসর্গ প্রকাশ পায়। প্রশ্ন হল কেন এই ঘাটতি ? মেডিক্যাল সাইন্স অনুসারে ক্যালসিয়ামের ঘাটতির কিছু সহজ তথ্য এখানে তুলে ধরা হল ।


১. খাবারে ক্যালসিয়ামের অভাব :-

কেউ যদি দীর্ঘ সময় ধরে ক্যালসিয়াম না গ্রহণ করেন সেক্ষেত্রে তাঁর শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। এমন কি শিশু বয়সে সঠিক মাত্রায় ক্যালসিয়াম গ্রহণ না করলেও তা পরবর্তী সময়ে অভাবজনিত সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

২. ওষুধের প্রভাব :-

বর্তমানে অনেক ওষুধ রয়েছে যেগুলি শরীরে ক্যালসিয়ামের পরিমান কমিয়ে দেয়। আবার দেখা যায় সেইসব ওষুধের সঙ্গে সঠিকমাত্রায় ক্যালসিয়ামের ক্ষতি পূরণের জন্য সাপ্লিমেন্টারি বা উপযুক্ত খাবার না গ্রহণ করার জন্য ক্যালসিয়ামের অভাব থেকেই যায় ।

৩. শারীরিক বিভিন্ন কারণ :-

ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবার গ্রহণ না করলে শরীরে ক্যালসিয়ামের মাত্রা যেমন কমে যায়; তেমনি অনেকের শরীরে ক্যালসিয়াম সঞ্চিত বা সংরক্ষিত হতে পারে না। কখনো কখনো খাবার থেকে ক্যালসিয়াম আহরিত করতে না পারার কারণেও ক্যালসিয়ামের অভাব হতে থাকে।

৪. হরমোনাল সমস্যা :-

বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে হরমোনের একাধিক তারতম্যের কারণে শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব দেখা দিতে পারে। এজন্য নারীদের উচিত পুরুষদের থেকে তুলনামূলক বেশি মাত্রায় ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া। এমনকি, মধ্যবয়সের পর থেকেই নারীদের ক্যালসিয়াম তুলনামূলক বেশি খাওয়া উচিত। বিশেষ করে নারীদের মেনোপোজ শুরু হওয়ার আগেই। কারণ মেনোপোজ হরমোনের ক্ষরণ কম হওয়ার কারণে মহিলাদের হাড় দ্রুত ক্ষয় হতে শুরু করে।

ক্যালসিয়ামের অভাবে কী কী ঝুঁকি থাকে :-

মানুষের শরীর নানা জটিল উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত । আবার প্রত্যেকটি মানুষের মধ্যে ওই জটিলতারও বৈচিত্র রয়েছে । তাই ক্যালসিয়ামের অভাবে নানান সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে । মোটামুটি ভাবে বলা যায় ক্লান্ত বোধ করা, বন্ধ্যাত্ব, মৃগীরোগ, নিদ্রাহীনতা, মাড়ির রোগ, স্কিনের শুষ্কতা, ছানি পড়া, বুকে ব্যাথা, হাত অবশ হওয়া, খিদে না পাওয়া, উচ্চ রক্তচাপ ও হাড়ের নানা সমস্যার ঝুঁকি থাকে ।

ক্যালসিয়ামের অভাব দূর করতে উপযুক্ত খাবার :-

শরীরে ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণের জন্য বিভিন্ন খাবার খাওয়া প্রয়োজন। দুধ, দই, পনির, কাঁচা বাদাম, সয়াবিন, আখরোট, সামুদ্রিক মাছ, কাঁটাযুক্ত ছোট মাছ, কালো ও সবুজ কচুশাক, শজনেপাতা, পুদিনাপাতা, সরিষাশাক, কুমড়ার বীজ, সূর্যমুখীর বীজ, চিংড়ি শুঁটকি, ডুমুর ইত্যাদি হলো উচ্চ ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার। শুকনো এপ্রিকট, খেজুর, বাদামেও বেশ ভালো পরিমাণেই ক্যালসিয়াম মেলে৷ এই খাবারগুলি নিয়ম করে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকেরাখলে শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব।তবে সতর্কতার বিষয় হল অতিরিক্ত পরিমাণে গ্রহণ করলে উল্টো প্রতিক্রিয়া হতে পারে। তাই সর্বদা পুষ্টিকর কিন্তু পরিমিত খাবার গ্রহণ করা উচিত।

আশা করি বন্ধুরা আজকের আর্টিকেলটি থেকে কিছুটা হলেও উপকার পাওয়া গেছে। লেখাটি কেমন লাগলো তা আমাদের কমেন্টে জানান। ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন। এই ধরনের লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলের সাথে যুক্ত থাকুন।

The post ক্যালসিয়ামের অভাবে ভুগছেন না তো ? ৬টি লক্ষণ দেখে ক্যালসিয়ামের অভাব আছে কি না জেনে নিন appeared first on প্রেরণাজীবন.

]]>
https://preronajibon.com/calcium-density-problems/feed/ 0