<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>bengali health tips Archives - প্রেরণাজীবন</title>
	<atom:link href="https://preronajibon.com/tag/bengali-health-tips/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://preronajibon.com/tag/bengali-health-tips/</link>
	<description>PreronaJibon</description>
	<lastBuildDate>Tue, 23 May 2023 04:48:33 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2018/12/cropped-Favicn-32x32.png</url>
	<title>bengali health tips Archives - প্রেরণাজীবন</title>
	<link>https://preronajibon.com/tag/bengali-health-tips/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>Chia Seeds in Bengali। চিয়া বীজ। উপকারিতা ও খাওয়ার পদ্ধতি</title>
		<link>https://preronajibon.com/benefits-of-chia-seeds/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/benefits-of-chia-seeds/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 23 May 2023 04:48:31 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শরীর ও স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[bengali health tips]]></category>
		<category><![CDATA[Chia Seeds in Bengali]]></category>
		<category><![CDATA[চিয়া বীজ খাওয়ার নিয়ম]]></category>
		<category><![CDATA[চিয়া বীজের উপকারিতা]]></category>
		<category><![CDATA[চিয়া বীজের ফাইবারের প্রাধান্য]]></category>
		<category><![CDATA[চিয়া বীজের স্বাস্থ্যকর ব্যবহার]]></category>
		<category><![CDATA[চিয়া বীজের স্বাস্থ্যসম্মত রেসিপি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=2784</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 3</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>চিয়া বীজ (Chia Seeds) সাম্প্রতিক বছরগুলিতে একটি জনপ্রিয় সুপারফুড হয়ে উঠেছে, তাদের অসংখ্য স্বাস্থ্য উপকারিতা এবং রান্নায় বহুমুখীতার জন্য। ইতিহাস</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/benefits-of-chia-seeds/">Chia Seeds in Bengali। চিয়া বীজ। উপকারিতা ও খাওয়ার পদ্ধতি</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 3</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p id="tw-target-text"><strong>চিয়া বীজ (Chia Seeds)</strong> সাম্প্রতিক বছরগুলিতে একটি জনপ্রিয় সুপারফুড হয়ে উঠেছে, তাদের অসংখ্য স্বাস্থ্য উপকারিতা এবং রান্নায় বহুমুখীতার জন্য। ইতিহাস খুঁজলে দেখা যায় এটি মেক্সিকো এবং গুয়াতেমালার স্থানীয়, চিয়া বীজ অ্যাজটেক এবং মায়ান জনগোষ্ঠীর খাদ্যের একটি প্রধান উপাদান ছিল, যারা বিশ্বাস করত যে এই বীজ তাদের শক্তি এবং সহনশীলতা প্রদান করে। বর্তমানে, চিয়া বীজকে <strong>প্রোটিন</strong>, <strong>ফাইবার </strong>এবং <strong>ওমেগা -3</strong> ফ্যাটি অ্যাসিডের একটি অন্যতম উৎস হিসাবে ব্যবহার করা হয়। আজকের এই লেখাটির মাধ্যমে আমরা চিয়া বীজের স্বাস্থ্য উপকারিতা এবং সেগুলিকে আপনার ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করার উপায়গুলি নিয়ে আলোচনা করবো। Chia seeds in Bengali = চিয়া বীজ। </p>



<h3 class="wp-block-heading has-vivid-red-color has-text-color"><strong>চিয়া বীজের উৎস : </strong></h3>



<p>চিয়া বীজ পাওয়া যায় সালভিয়া হিস্পানিকা নামক একপ্রকার গাছের থেকে, এটি জেরোফাইট প্রজাতির বা মরুভূমির গাছ এবং এটি পুদিনা বা মিন্ট পরিবারের সদস্য। সালভিয়া হিস্পানিকা মেক্সিকো এবং গুয়াতেমালার স্থানীয় একটি উদ্ভিদ, তবে এটি দক্ষিণ আমেরিকা এবং অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হয়।</p>



<h3 class="wp-block-heading has-text-align-center has-vivid-red-color has-text-color"><span style="text-decoration: underline;"><strong>চিয়া বীজের উপকারিতা</strong></span></h3>



<h3 class="wp-block-heading has-vivid-red-color has-text-color"><strong>১.</strong> <strong>পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ :</strong></h3>



<p>চিয়া বীজ <strong>ফাইবার</strong>, <strong>প্রোটিন</strong>, <strong>ক্যালসিয়াম</strong>, <strong>ফসফরাস </strong>এবং <strong>ম্যাগনেসিয়াম </strong>সহ অনেক প্রয়োজনীয় পুষ্টির একটি ভাল উৎস। এগুলি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ, যা আমাদের শরীরের দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণের চাহিদা মেটাতে সাহায্য করে এবং রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।</p>



<h3 class="wp-block-heading has-vivid-red-color has-text-color"><strong>২. হার্টকে সুস্থ রাখে : </strong></h3>



<p>চিয়া বীজে অধিকতর ওমেগা-3 ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে যা হৃদয় স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। চিয়া বীজের ব্যবহারহৃদয় রোগ এবং উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে। চিয়া বীজে থাকা ওমেগা-3 ফ্যাটি অ্যাসিড কোলেস্টরল লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।</p>



<h3 class="wp-block-heading has-vivid-red-color has-text-color"><strong>৩. ওজন কমাতে সাহায্য করে : </strong></h3>



<p>চিয়া বীজের বহুমুখী গুনের একটি হলো ওজন কমাতে সাহায্য। চিয়া বীজে <strong><a href="https://en.wikipedia.org/wiki/Mucilage" target="_blank" rel="noreferrer noopener nofollow">Mucilage</a></strong> নামক এক বিশেষ ধরনের ফাইবার রয়েছে যা পাকস্থলীতে খাদ্যকে বেশি সময় ধরে রাখতে সাহায্য করে ফলে এক মানুষের অত্যাধিক খাদ্যের চাহিদা নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং ফলস্বরূপ ওজন কমাতে সাহায্য করে।</p>



<h3 class="wp-block-heading has-vivid-red-color has-text-color"><strong>৪. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য : </strong></h3>



<p>একজন ডায়াবেটিক রুগীকে নিজের রোজকার খাবারের প্রতি খুবই সতর্ক থাকতে হয় কারন এর সরাসরি প্রভাব তাদের ব্লাড সুগার লেভেলে দেখা যায়। ডায়াবেটিক রুগীরা একটি ব্যালান্স ডায়েটের জন্য চিয়া বীজের ব্যবহার করতে পারেন। চিয়া বীজ <strong>Anti-Inflamatory</strong> প্রকৃতির হওয়ায় এটি রক্তে অত্যাধিক গ্লুকোজের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।</p>



<p class="has-text-align-center">Read More : <a href="https://preronajibon.com/benefits-of-cucumber/">শশা খাওয়ার উপকারিতা । Benefits of Cucumber</a></p>



<h3 class="wp-block-heading has-vivid-red-color has-text-color"><strong>৫. পাচনতন্ত্রকে সুস্থ রাখে : </strong></h3>



<p>সুস্থ পাচনতন্ত্র স্বাস্থ্যকর জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চিয়া বীজে পর্যাপ্ত পরিমানে ফাইবার থাকে যা আমাদের আমাদের পাচনতন্ত্রকে পরিষ্কার রাখে যা আমাদের বিভিন্ন প্রকার রোগ ব্যাধি থেকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করে।</p>



<figure class="wp-block-image aligncenter size-large is-resized"><img fetchpriority="high" decoding="async" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2023/05/Chia-Seeds-414x1024.webp" alt="" class="wp-image-2795" width="311" height="768" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2023/05/Chia-Seeds-414x1024.webp 414w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2023/05/Chia-Seeds-121x300.webp 121w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2023/05/Chia-Seeds-768x1897.webp 768w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2023/05/Chia-Seeds-622x1536.webp 622w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2023/05/Chia-Seeds.webp 816w" sizes="(max-width: 311px) 100vw, 311px" /></figure>



<h3 class="wp-block-heading has-vivid-red-color has-text-color"><strong>চিয়া বীজ খাবার বিভিন্ন পদ্ধতি :</strong></h3>



<h4 class="wp-block-heading"><strong>চিয়া পুডিং :</strong></h4>



<p>চিয়া বীজ খাবার একটি অন্যতম জনপ্রিয় পদ্ধতি হল চিয়া পুডিং। আপনার পছন্দমত দুধের সাথে চিয়া বীজকে ভালোভাবে মিশিয়ে কিছুটা সময়ের জন্য ফ্রিজে রেখে দিন এবং দেখুন কম সুন্দর ঘন পুডিং তৌরি হয়। এরপর এর সাথে আপনি পছন্দ মতন কাটা ফল বা সিরাপ যুক্ত করে খেতে পারেন। চিয়া পুডিং একটি সন্তোষজনক প্রাতঃরাশ বা জলখাবার বিকল্প প্রদান করে যা ফাইবার, স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ।</p>



<figure class="wp-block-image aligncenter size-full"><img decoding="async" width="633" height="358" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2023/05/Read-Full-Article-www.preronajibon.com_.webp" alt="Chia Seeds in Bengali" class="wp-image-2798" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2023/05/Read-Full-Article-www.preronajibon.com_.webp 633w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2023/05/Read-Full-Article-www.preronajibon.com_-300x170.webp 300w" sizes="(max-width: 633px) 100vw, 633px" /></figure>



<h4 class="wp-block-heading has-vivid-red-color has-text-color"><strong>চিয়া স্মুদি :</strong></h4>



<p>চিয়া বীজ যোগ করে আপনার স্মুদির পুষ্টির মান বাড়ান। ব্লেন্ড করার আগে আপনার পছন্দের স্মুদিতে এক চামচ চিয়া বীজ ছড়িয়ে দিন। চিয়া বীজ জল শোষণ করে করে একটি জিলির আকার ধারণ করে যা স্মুদিকে ঘন এবং ফাইলিং বানাতে সাহায্য করে। আপনার স্বাস্থকর স্মুদির উপকার আরও কয়েক গুন্ বাড়িয়ে তোলে চিয়া বীজে থাকা উপকারী ফাইবার। একটি রিফ্রেশিং এবং পুষ্টি-সমৃদ্ধ স্মুদি তৈরি করতে ফল, শাকসবজি এবং আপনার পছন্দের দুধ বা দই ব্যবহার করে বিভিন্ন স্বাদের সংমিশ্রণ নিয়ে পরীক্ষা করুন।</p>



<figure class="wp-block-image aligncenter size-full"><img decoding="async" width="633" height="358" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2023/05/Chia-Smoothie.webp" alt="" class="wp-image-2799" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2023/05/Chia-Smoothie.webp 633w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2023/05/Chia-Smoothie-300x170.webp 300w" sizes="(max-width: 633px) 100vw, 633px" /></figure>



<p>ওপরে উল্লেখ করা পদ্ধতি দুটি চিয়া বীজ খাওয়ার দুটি জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত পদ্ধতি হলেও এছাড়াও বিভিন্ন ভাবে চিয়া বীজ খাওয়া হয়ে থাকে। আপনারা আপনাদের পছন্দ মতন অন্যান্য পদ্ধতি গুলি ট্রাই করে দেখতেই পারেন।</p>



<p>Chia Seeds in Bengali এই লেখাটি আপনাদের কেমন লাগলো তা আমাদের কমেন্টে অবশ্যি জানান। এই ধরনের লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের <a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজটিতে</a> যুক্ত থাকুন।</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/benefits-of-chia-seeds/">Chia Seeds in Bengali। চিয়া বীজ। উপকারিতা ও খাওয়ার পদ্ধতি</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/benefits-of-chia-seeds/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আন্তজার্তিক যোগ দিবস কবে ? যোগ কি ? যোগাসনের উপকারিতা</title>
		<link>https://preronajibon.com/benefits-of-yoga/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/benefits-of-yoga/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Jun 2022 18:23:54 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শরীর ও স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[bengali health tips]]></category>
		<category><![CDATA[International Yoga Day 2022]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তজার্তিক যোগ দিবস]]></category>
		<category><![CDATA[প্রেরণাজীবন]]></category>
		<category><![CDATA[যোগ দিবস]]></category>
		<category><![CDATA[যোগাসনের উপকারিতা]]></category>
		<category><![CDATA[যোগাসনের নিয়ম]]></category>
		<category><![CDATA[যোগাসনের সময়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=2514</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 3</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>&#8220;Through practice comes Yoga, through Yoga comes knowledge, through knowledge love, and through love bliss.&#8220;- Swami Vivekananda ২১শে জুন আন্তর্জাতিক</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/benefits-of-yoga/">আন্তজার্তিক যোগ দিবস কবে ? যোগ কি ? যোগাসনের উপকারিতা</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 3</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p class="has-text-align-center">&#8220;<strong>Through practice comes Yoga, through Yoga comes knowledge, through knowledge love, and through love bliss.</strong>&#8220;- Swami Vivekananda</p>



<p>২১শে জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। সারা বিশ্বেই মহা সমারহে পালিত হয় এই বিশেষ দিন। এই দিনটিকে যোগ দিবস বা বিশ্ব যোগ দিবস বলা হয়। ২০১৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রসংঘে ভাষণ দেওয়ার সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২১ জুন তারিখটিকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস বলে ঘোষণা করার প্রস্তাব দেন। সেই বছরই ১১ ডিসেম্বর রাষ্ট্রসংঘ রাষ্ট্রসংঘ সাধারণ পরিষদ ২১ জুন তারিখটিকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস বলে ঘোষণা করেন। এছাড়া ২১ শে জুন এই দিনটি পালন করার একটি বিশেষ কারণ হ’ল এই তারিখটিতে উত্তর গোলার্ধের দীর্ঘতম দিন হিসেবেও পালন করা হয়। তাই এই বিশেষ দিনের তাৎপর্য রয়েছে। যোগাসনের উপকারিতা ।</p>



<p class="has-text-align-center"><mark><strong>আন্তজার্তিক যোগ দিবস থিম :- ২০২২-এর থিমটি হল &#8220;Yoga For Humanity&#8221;</strong></mark></p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">যোগের তাৎপর্য :-</span></strong></h3>



<p>যোগ শব্দটি সংস্কৃত থেকে এসেছে। যার অর্থ হল &#8216;যোগ করা&#8217;,&#8221;নিয়ন্ত্রণ করা&#8221;, &#8220;যুক্ত করা&#8221; বা &#8220;ঐক্যবদ্ধ করা&#8221;। &#8220;যোগ&#8221; শব্দটির আক্ষরিক অর্থ তাই &#8220;যুক্ত করা&#8221;। যোগ-ব্যায়াম হল দেহ এবং চেতনার মিলন।<br>প্রতিদিনের জীবনে ভারসাম্যপূর্ণ জীবনযাপন বজায় রাখতে সাহায্য করে। শক্তিশালী শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের অন্যতম সহজ কৌশল হল যোগ। মন, শরীর এবং আত্মার সর্বোৎকৃষ্ট সাফল্যের পরিপূর্ণ উপায় হিসাবে ভারতের ঋষিমুনিরা হাজার হাজার বছর আগে এই যোগ উদ্ভাবন করেছেন। তার উল্লেখও পাওয়া যায় ঋক বেদের মতো প্রাচীন পৌরাণিক বইগুলিতে। ভারতে আজও এই প্রথা প্রচলিত আছে। যোগের সারকথা হলো কিছু শারীরিক ব্যায়াম(আসন), সাধারণ বিশ্রামের পদ্ধতি, সাত্ত্বিক আহার, যথার্থ শ্বাস-প্রশ্বাস প্রণালী এবং ইতিবাচক ভাবনার মাধ্যমে যেকোনো মানুষ তার সত্তাকে প্রকৃত উৎকর্ষ পৌঁছে নিয়ে যেতে পারে যেখানে তার মন এবং শরীর দীর্ঘস্থায়ী সুস্বাস্থ্যের জন্য একাকার হয়ে যায়।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">যোগের লক্ষ্য :-</span></strong></h3>



<p>&#8221; যে নিজের মনের ওপর বিজয় প্রাপ্ত করে তিনি পুরো পৃথিবী জয় করতে পারেন।&#8221;<br>যোগের লক্ষ্য হল আত্মপোলব্ধি যার মাধ্যমে সব ধরনের কষ্টভোগকে পরাস্ত করা যায়। যোগ হল অদম্য ইচ্ছার চাষ। যোগচর্চা আত্মনিয়ন্ত্রন, আত্মবিশ্বাস এবং স্বপ্রভুত্ব বাড়ায়। স্বাধীন বিচার ক্ষমতা বাড়ায়।</p>



<figure class="wp-block-image aligncenter size-full is-resized"><img loading="lazy" decoding="async" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2022/06/Yoga-Bangla.jpg" alt="যোগাসনের উপকারিতা" class="wp-image-2515" width="600" height="600" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2022/06/Yoga-Bangla.jpg 800w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2022/06/Yoga-Bangla-300x300.jpg 300w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2022/06/Yoga-Bangla-150x150.jpg 150w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2022/06/Yoga-Bangla-768x768.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 600px) 100vw, 600px" /></figure>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">যোগাসনের উপকারিতা || যোগ ব্যায়ামের উপকারিতা :-</span></strong></h3>



<p class="has-text-align-center">&#8220;শ্বাস যদি অস্থির হয় তবে মনও অস্থি থাকে, কিন্তু যখন শ্বাস-প্রশ্বাস শান্ত থাকে তখন মনও শান্ত থাকে।&#8221;- প্রাচীনযোগের নীতি</p>



<p>১.<strong> শারীরিক ও মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখে:-</strong><br>মানুষের শক্তির উৎস দুটি। এই দৈহিক শক্তি, দুই মানসিক শক্তি। এই দৈহিক ও মানসিক শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে যোগাসন।</p>



<p><strong>২. মানসিক চাপ কমায় :-</strong> নিয়মিত যোগাসন করলে মানসিক চাপ ও ক্লান্তি ভাব নিয়ন্ত্রণে আসে।</p>



<p>৩. <strong>রক্ত সঞ্চালন সঠিকভাবে বজায় রাখে :-</strong> যোগাসনের সাহায্যে শরীরে অক্সিজেন ও প্রয়োজনীয় পুষ্টি সঠিকভাবে প্রবেশ করে। তাই রক্ত সঞ্চালন সঠিকভাবে বজায় রাখা যায়। এর ফলে সমস্ত অঙ্গগুলি ঠিক করে কাজ করে ও ত্বকে ঔজ্জ্বল্য আসে।</p>



<p>৪. <strong>দৈহিক শক্তি প্রদান :-</strong> যথার্থ শ্বাস-প্রশ্বাস প্রক্রিয়ার ফলে পুরো শরীরে অক্সিজেন পৌঁছায় এবং আপনার শরীরের প্রতিটি কোষে জীবনী শক্তির দ্বারা সিঞ্চিত হয় এবং আপনার সর্বকর্মে প্রাণবন্ততা নিয়ে আসে।</p>



<p>৫. <strong>শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানির সমস্যা কমাতে সাহায্য করে :-</strong>  হাঁপানির টান বা শ্বাসকষ্টের সমস্যা থাকলে যোগাসন করার অভ্যাস করুন। এতে ফুসফুসের কার্যকারিতা ধীরে ধীরে সঠিক ছন্দে আসে ও আরাম পাওয়া যায়।</p>



<p>৬. <strong>অতিরিক্ত চর্বি কমাতে :-</strong> পেটের অতিরিক্ত চর্বি কমাতে যোগাসন অত্যন্ত কার্যকরী পন্থা।</p>



<p>৭.<strong>হজমের সমস্যা :-</strong> গ্যাস হজমের সমস্যায় ভোগেন অনেকই । আর তার জন্যই প্রয়োজন যোগাসন । নিয়মিত যোগাসনের অভ্যাস (পবনমুক্তাসন) গ্যাস, অম্বল ,হজমের সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা কমিয়ে খিদে বাড়াতে সাহায্য করবে।</p>



<p class="has-text-align-center has-black-color has-text-color"><strong>Read More : <a href="https://preronajibon.com/8-ways-not-to-be-depressed/">বাড়িতে অবসাদ মুক্ত থাকতে করণীয় ৮ টি বিষয়</a></strong></p>



<p>৮.<strong>পিঠের ব্যাথা কমায় :- </strong>যোগাসন পিঠের ব্যথা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিন ৩০মিনিট পিঠ সোজা করে পদ্মাসন করলে খুব শীঘ্রই পিঠের ব্যথার উপশম হয়।</p>



<p>৯. <strong>দ্রুত বার্ধক্য কমায় :- </strong>যোগাসনের মাধ্যমে শরীরে জমে থাকা টক্সিন বেড়িয়ে যায়, যার ফলে বার্ধক্য<br>শরীরে চাপ ফেলতে পারে না।</p>



<p>১০. <strong>একাগ্রতা বাড়ায় :-</strong> শরীর মন ও আত্মার একত্রকরণের মাধ্যমে যোগাসন কোনো একটি বিষয়ের প্রতি একাগ্রতা আনতে সহায়তা করে।</p>



<p>১১.<strong>মাসিকের ব্যাথা কমায় :-</strong> মেয়েদের পিরিয়ডের সময় ব্যথা নিরাময় করতে সাহায্য করে, নারীদের ডিম্বাশয় ভালো থাকে। ফলে প্রজননক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। এছাড়াও মেনোপজ হওয়ার পর এসব জটিলতা দেখা যায় সেগুলো থেকে মুক্তি দেয়।</p>



<p>১২. <strong>পজিটিভিটি দান করে :-</strong><br>প্রতিদিন যোগ ব্যায়াম অনুশীলন করার ফলে স্নায়ুগুলি সজাগ হয় ও শক্তিপ্রদানকারী হরমোন উৎপন্ন হয়। এর নেতিবাচক মনোভাব, বিষণ্নতা দূর হয়ে জীবনের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিশক্তি তৈরি হয়।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">সতর্কতা :-</span></strong></h3>



<p>যোগাসনের সময় ঢিলে ঢালা পোশাক পরা উচিত যাতে যোগাসন আরামদায়ক হয়। এরকম পোশাকে আপনি যোগ ব্যায়ামের যেকোনো ভঙ্গি করতে পারবেন সহজেই। বয়সসীমা নির্বিশেষে যেকোনো বয়সের নারী–পুরুষ যোগাসন করতে পারেন। তবে একা একা অনুশীলন না করে কোনো দক্ষ প্রশিক্ষকের সহায়তা নেওয়া ভালো। শরীরের ওপর অতিরিক্ত জোর দিয়ে অথবা শরীরে ব্যথা নিয়ে যোগাসন করা ঠিক নয়, প্রয়োজনে এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। নিয়ম মেনে গর্ভাবস্থায় যোগব্যায়াম অনুশীলন খুবই উপকারী। তবে অনুশীলনের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">যোগাসন করার সঠিক সময় :-</span></strong></h3>



<p>বিশেষজ্ঞদের মতে, যে সময়ে ব্যায়াম করলে নিজের মন ভাল লাগবে, সে সময়ে করলেই সবচেয়ে ভাল কাজ হয়। সকালে ব্যায়াম করলে দিনটা ভাল ভাবে শুরু হয়। তবে সদগুরু জাগ্গি বাসুদেব বলেন,যোগ সকাল-সন্ধ্যায় অভ্যাস করার জন্য নয়। যোগ হল বিশেষ এক ভাবে বাঁচা। নিজেকে যোগ হয়ে উঠতে হয়। যদি সেটা সকাল-বিকেলের যোগ হয়, তবে বাকি সময়টা জটিলতায় জড়িয়ে থাকা &#8211; সেটা যোগ নয়, শুধুই যোগের অভ্যাস।</p>



<p>যোগাসনের উপকারিতা লেখাটি কেমন লাগলো তা আমাদের কমেন্টে জানাও। ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করো। এই ধরনের লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের&nbsp;<a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজটি&nbsp;</a>ফল করো। </p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/benefits-of-yoga/">আন্তজার্তিক যোগ দিবস কবে ? যোগ কি ? যোগাসনের উপকারিতা</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/benefits-of-yoga/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শশা খাওয়ার উপকারিতা । Benefits of Cucumber</title>
		<link>https://preronajibon.com/benefits-of-cucumber/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/benefits-of-cucumber/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 16 May 2022 16:31:59 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শরীর ও স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[Benefits of cucumber]]></category>
		<category><![CDATA[bengali health tips]]></category>
		<category><![CDATA[health tips bengali]]></category>
		<category><![CDATA[শশা খাওয়ার উপকারিতা]]></category>
		<category><![CDATA[শশার জুসের উপকারিতা]]></category>
		<category><![CDATA[শসা খাওয়ার নিয়ম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=2496</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> &#60; 1</span> <span class="rt-label rt-postfix"></span></span>শশা খাওয়ার উপকারিতা আমাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকার খুবই পরিচিত একটি নাম হলো শশা। যদিও শশাকে আমাদেও মধ্যে অধিকাংশ লোকেই একটি</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/benefits-of-cucumber/">শশা খাওয়ার উপকারিতা । Benefits of Cucumber</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> &lt; 1</span> <span class="rt-label rt-postfix"></span></span>
<h2 class="has-text-align-center wp-block-heading"><strong><span style="text-decoration: underline;"><span style="background-color:#ffe02c" class="tadv-background-color"><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">শশা খাওয়ার উপকারিতা</span></span></span></strong></h2>



<p>আমাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকার খুবই পরিচিত একটি নাম হলো শশা। যদিও শশাকে আমাদেও মধ্যে অধিকাংশ লোকেই একটি সবজি হিসেবে জানি কিন্তু বাস্তবে এটি একটি ফল, আর অধিকাংশ ফলের মতই শশাতেও রয়েছে বিভিন্ন পুষ্টিকর দিক। মূলত গ্রীষ্মকালীন সবজি হলেও বর্তমানে বাজারে সারাবছরই শশা পাওয়া যায়। আজকের আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করবো শশা খাওয়ার বিভিন্ন উপকারী দিক। এস জেনে নেই শশা খাওয়ার উপকারিতা ।</p>



<h4 class="wp-block-heading"><span style="text-decoration: underline;"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">১. শরীরে জলের চাহিদা মেটায় :</span></strong> </span></h4>



<p>শশায় প্রায় ৯৫% জল। শশা নিয়মিত খেলে তা আমাদের শরীরে প্রয়োজনীয় জলের ঘাটতি মেটাতে সাহায্য করে।</p>



<h4 class="wp-block-heading"><span style="text-decoration: underline;"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">২. ওজন কমাতে সাহায্য করে :</span></strong> </span></h4>



<p>যেহেতু শশায় খুবই কম পরিমান ক্যালোরি থাকে তাই এই ফলটি ওজন কমাতে কার্যকর।</p>



<h4 class="wp-block-heading"><span style="text-decoration: underline;"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৩. ডায়বেটিসে উপকারী :</span></strong> </span></h4>



<p>বিভিন্ন পরীক্ষায় দেখাগেছে যে শশা ব্লাড সুগার লেভেল কন্ট্রোল করতে এবং এর থেকে হওয়া বিভিন্ন সমস্যা প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে.</p>



<h4 class="wp-block-heading"><span style="text-decoration: underline;"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৪. ভিটামিন ও মিনারেলের চাহিদা মেটে :</span></strong> </span></h4>



<p>শশায় থাকে Vitamin K, Vitamin C, Potassium, Magnesium, Manganese যা আমাদের দেহের দৈনন্দিন প্রয়োজনের অনেকটাই পূরণ করতে সক্ষম।</p>



<h4 class="wp-block-heading"><span style="text-decoration: underline;"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৫. এন্টিঅক্সিডেন্ট :</span></strong> </span></h4>



<p>শশায় পর্যাপ্ত পরিমানে এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা আমাদের দেহের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সহায়ক।</p>



<h4 class="wp-block-heading"><span style="text-decoration: underline;"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৬. হজমে সহায়তা :</span></strong> </span></h4>



<p>শশা একটি আঁশ বা ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার যা নিয়মিত খেলে আমাদের দেহের ফাইবারের চাহিদা মেটায় , হজমে সহায়তা করে এবং কোষ্টকাঠিন্য দূর করে।</p>



<h4 class="wp-block-heading"><span style="text-decoration: underline;"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৭. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে :</span></strong></span></h4>



<p>ফাইবার ও মিনারেল সমৃদ্ধ খাঁর হওয়ায় শশা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কার্জর ভূমিকা পালন করে।</p>



<p>শশা খাওয়ার উপকারিতা লেখাটি কম লাগলো তা আমাদের কমেন্টে জানাও। ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করো। এই ধরনের লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের <a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজটি </a>ফল করো।</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/benefits-of-cucumber/">শশা খাওয়ার উপকারিতা । Benefits of Cucumber</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/benefits-of-cucumber/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>খেজুরের উপকারিতা ও অপকারিতা । Health Benefits of Dates</title>
		<link>https://preronajibon.com/health-benefits-of-dates/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/health-benefits-of-dates/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 03 Apr 2022 16:28:06 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শরীর ও স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[Benefits of dates]]></category>
		<category><![CDATA[bengali health tips]]></category>
		<category><![CDATA[খেজুরের উপকারিতা]]></category>
		<category><![CDATA[খেজুরের উপকারিতা ও অপকারিতা]]></category>
		<category><![CDATA[খেজুরের গুড়ের উপকারিতা]]></category>
		<category><![CDATA[খেজুরের রসের উপকারিতা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=2440</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 5</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>বিভিন্ন ফলের গুনাগুন সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি । প্রচলিত ফলের মধ্যে বিশেষ গুণ সম্পন্ন ফল হচ্ছে খেজুর। কম বেশি সকলেই</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/health-benefits-of-dates/">খেজুরের উপকারিতা ও অপকারিতা । Health Benefits of Dates</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 5</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p>বিভিন্ন ফলের গুনাগুন সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি । প্রচলিত ফলের মধ্যে বিশেষ গুণ সম্পন্ন ফল হচ্ছে খেজুর। কম বেশি সকলেই খেজুর খেতে ভালোবাসেন। সুস্বাদু এই ফলের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরণের উপকারী উপাদান । আশ্চর্যজনকভাবে এর উপকারী উপাদানের জন্য প্রাচীনকাল থেকেই এর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। আসুন তাহলে কথা না বাড়িয়ে জেনে নিই খেজুরের উপকারিতা :- </p>



<h2 class="has-text-align-center wp-block-heading"><strong><span style="text-decoration: underline;"><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">খেজুরের ১০টি উপকারিতা :-</span></span></strong></h2>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">১। কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে :- </span></strong></h3>



<p>খেজুরে থাকা নানান কার্যকরী উপাদান ও ফাইবার কোষ্টকাঠিন্য দূর করে । যদি প্রতিদিন চার-পাঁচটি করে খেজুর নিয়ম করে খান, তাহলে অপনার কোষ্টকাঠিন্য তিন সপ্তাহের মধ্যেই অনেকটা কমে যাবে ।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">২। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় :-</span></strong></h3>



<p>খেজুরে থাকে ডায়াটারি ফাইবার । এই ফাইবার নানা ধরণের রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাছাড়া নিয়মিত খেজুর খেতে পারলে LDL জাতীয় খারাপ কোলেস্টোরল মাত্রা দ্রুত হারে কমতে থাকব । খেজুরে থাকা প্রচুর মাত্রায় প্রাকৃতির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রোগ-ব্যাধিকে দূরে সরিয়ে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়ায় ও স্থায়িত্ব দান করে ।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৩। ক্যান্সার প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় :-</span></strong></h3>



<p>ক্যান্সার এক ভয়ংকর ব্যাধি আমরা সকলেই জানি । কিন্তু গবেষণায় জানা যায় প্রাকৃতিক ভাবেই এই মারণ ব্যাধির হাত থেকে বাঁচার জন্য প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব । তার অন্যতম উপায় হল বিশেষ কিছু খাবার গ্রহণ । খেজুর সেই তালিকায় অন্যতম । নিয়মিত খেজুর খেলে ক্যানসারের বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলা যায় ।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৪। রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ করে :-</span></strong></h3>



<p>রক্তশূন্যতা বা রক্তাল্পতা দূর করতে খেজুরের জুড়ি মেলা ভার । এই শুকনো ফলটিতে থাকে প্রচুর পরিমাণ আয়রন । আর রক্তের হিমোগ্লোবিন এর প্রধান উপাদান হল আয়রন। খেজুরে থাকা আয়রন রক্তের হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি করে রক্তাল্পতা দূর করে ।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৫। শরীরে শক্তির যোগান দেয় :- </span></strong></h3>



<p>পরিশ্রমী মানুষের শরীরে শক্তির প্রয়োজন । খেজুরে থাকা কার্বহাইড্রেড , প্রোটিন, আয়রন, ক্যালসিয়াম , ফসফরাস ও নানারকম ভিটামিন একদিকে যেমন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় , অন্যদিকে শক্তির যোগান দিয়ে দুর্বলতাকে দূর করে একটা ফ্রেশ আমেজ নিয়ে আসে।</p>



<p class="has-text-align-center"><strong>Read More : <a href="https://preronajibon.com/benefits-of-garlic/">রসুনের উপকারিতা কি কি</a></strong></p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৬। দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে :-</span></strong></h3>



<p>চোখের রেটিনার সঠিক গঠনের জন্য ভিটামিন এ এর পাশাপাশি লিউটিন সহ আরো কিছু কার্যকর উপাদান প্রয়োজন। যেগুলি আপনি অতি সহজেই খেজুরের মধ্যে মজুত পেয়ে যাবেন। রাতকানা রোগ সহ উন্নত দৃষ্টিশক্তি ধরে রাখতে অবশ্যই খেজুরের উপর আস্থা রাখতে পারেন ।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৭। হাড় সুস্থ ও মজবুত রাখে :-</span></strong></h3>



<p>খেজুরে থাকে অনেকগুলি কার্যকরী উপাদান । হাড় সুস্থ ও মজবুত রাখতে ও খেজুরের উপকারিতা অসামান্য । এতে ভিটামিন, প্রোটিন, ক্যালসিয়ামও প্রচুর পরিমাণে সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ও ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। এই সকল মিনারেল বা খনিজ পদার্থ হাড়ের সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে । তাই আট থেকে আশি সকলেরই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় খেজুর রাখা প্রয়োজন।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৮। স্নায়ুতন্ত্রের কর্মক্ষমতা বাড়ায় :-</span></strong></h3>



<p>আমাদের স্নায়ুতন্ত্র প্রতিনিয়ত ক্রিয়াশীল থাকে । সংবেদন বহন ও উত্তেজনায় সাড়া দেওয়ার কাজটি করে স্নায়ুতন্ত্র । এই স্নায়ুতন্ত্র গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় মিনারেল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যাবে খেজুরের মধ্যে । নিয়মিত খেজুর খেলে অলস ভাব যেমন দূর হবে , তেমনি চনমনে এক যৌবনী শক্তিলাভ করা যাবে ।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৯। উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে :-</span></strong></h3>



<p>খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম । যা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে । তাই যাদের হাই প্রেসারের সমস্যা আছে প্রতিদিন ৩-৫ টি করে খেজুর খেলে যতেষ্ট উপকার পেয়ে যাবেন।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">১০। ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ায় :-</span></strong></h3>



<p>খেজুরে থাকা এন্টিঅক্সিডেন্ট, ক্যালসিয়াম, আয়রন , ভিটামিন সমূহ মানুষের ত্বককে বুড়িয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। উজ্জ্বল টানটান স্কিনের অধিকারী হতে চাইলে রোজ সকালে তিন, চারটি খেজুর খান । খেজুরের অসাধারণ গুনের জন্য আপনি নিশ্চই খেজুরের ভক্ত হয়ে উঠবেন।</p>



<h2 class="wp-block-heading"><strong><span style="text-decoration: underline;">খেজুরের অপকারিতা বা সাবধানতা :-</span></strong></h2>



<p>খেজুর খাবার আগে কয়েকটি বিষয়ে সতর্ক থাকা উচিত। শরীরে পটাশিয়াম বেশি থাকলে , কিংবা হাই ব্লাড সুগার থাকলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খেজুর খাবেন । পেটের অসুখ বা ডায়রিয়া থাকলে খেজুর এড়িয়ে যান।</p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter size-full"><img loading="lazy" decoding="async" width="800" height="445" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2022/04/Rules-of-eating-dates.jpg" alt="খেজুরের উপকারিতা" class="wp-image-2442" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2022/04/Rules-of-eating-dates.jpg 800w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2022/04/Rules-of-eating-dates-300x167.jpg 300w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2022/04/Rules-of-eating-dates-768x427.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 800px) 100vw, 800px" /></figure></div>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">খেজুর খাবার নিয়ম :-</span></strong></h3>



<p><strong>১। রাতে জলে ভিজিয়ে রেখে সকালে ৪/৫ টি খেজুর খান ।<br>২। রাতে শোবার আগে একগ্লাস দুধের সঙ্গে খেজুর খেলে রক্ত বৃদ্ধি পায় ও রক্তাল্পতা দূর হয়।<br>৩। খাবার পরে ফলাহার হিসেবে ৪/৫টা খেজুর খেতে পারেন।<br>৪। টিফিন হিসেবে খেজুর রাখুন । একটা দুটো করে কয়েকবারে খাবেন ।<br>৫। ওজন কমাতে হলে ভাত খাবার ১৫ মিনিট আগে ৪/৫টা খেজুর খেয়ে নিন ।<br>৬। এছাড়া যে কোনো সময় খেজুর খেতে পারেন। তবে মনে রাখতে হবে একদিন অতি ভোজন নয়। নিয়মিত, অল্প করে খান এতে বেশি উপকার পাবেন।<br>৭। বাজারজাত খেজুরে ফাঙ্গাস ব্যাকটেরিয়া বা নোংরা থাকতে পারে। তাই চেষ্টা করুন ভালো জলে ধুয়ে নিতে।</strong></p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">খেজুর কীভাবে কিনবেন / কীভাবে বাছাই করবেন ভালো খেজুর :-</span></strong></h3>



<p>আমাদের দেশে শুকনো ভালো খেজুর প্রায় উৎপন্ন হয় না বললেই হয় । তাই নির্ভর করতে হয় বাইরের আমদানি করা খেজুরের উপর । তাই আসুন এবার আমরা জেনে নেই খেজুর কেনার ব্যাপারে কোন কোন দিকে নজর রাখতে হবে:-</p>



<p><strong>i) খোলা খেজুর কিনবেন না । মশা মাছি সহ নানা ছত্রাক এতে রোগ জীবাণু ছড়িয়ে থাকে।<br>ii) প্যাকেটজাত খেজুর কেনার সময় প্যাকেটের গায়ে লেখা দেখবেন যেন যতটা সম্ভব কারেন্ট আমদানি করা হয়।<br>iii) প্যাকেটের গায়ে কোনো ছেঁড়া ফাটা আছে কিনা ভালো করে দেখুন ।<br>iv) অনেকদিনের প্যাকেট দোকানদার গছিয়ে দিতে চাইছে কি না বুঝে নিন । ট্রান্সফারেন্ট প্লাস্টিক বা জারের ভেতরের খেজুরের কোয়ালিটি দেখে নিন ।<br>v) অনেক প্রজাতির খেজুর আছে । পছন্দের খেজুর কিনুন । কিন্তু খেজুর ফ্রেশ আছে কি না দেখুন। সাদা ফাঙ্গাস, কিংবা পোকা ধরে নি এটা নিশ্চিত করুন ।<br>vi) ফ্রেশ খেজুর কিনুন আর ঘরে বা ফ্রিজে সংরক্ষিত রাখুন । বেশিদিন খোলা প্যাকেটে ফেলে রাখবেন না।</strong></p>



<p class="has-text-align-center"><strong>Read More : <a href="https://preronajibon.com/benefits-of-dargon-fruit/">ড্রাগন ফল কী ? ড্রাগন ফলের উপকারিতা</a></strong></p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">খেজুরের রসের উপকারিতা :-</span></strong></h3>



<p>একটা ধাঁধা খুব প্রচলিত ছিল &#8221; বাড়িতে আছে কাঠের গাই/ বছর বছর দুধ খাই। &#8221; এর উত্তর হল খেজুর গাছের রস। দুধের মত সাদা না হলেও কিন্তু উপকারের দিক থেকে দুধের সঙ্গে তুলনা হতেই পারে। শহরাঞ্চলে প্রায় দুষ্প্রাপ্য হতে চলা খেজুরের রস যদিও গ্রাম বাংলার এখনো পাওয়া যায় । আসুন এবার জেনে নিই খেজুরের রসের উপকারিতাগুলি :-</p>



<p><strong>১। ডাবের জলের মতোই খেজুর গাছের রস এনার্জি ড্রিংকস হিসেবে কাজ করে। খেজুর রসে শর্করা বা ফ্রুক্টোজ ও গ্লুকোজ থাকে প্রায় ১৪-২১%। এই শর্করার সঙ্গে প্রচুর খনিজ লবণ ও মিনারেল থাকে। তাই বলা যায় যেকোন কৃত্রিম এনার্জি ড্রিংকস এর চাইতে বেশি ভালো ও স্বাস্থ্যকর। এক গ্লাস খেজুরের রস পান করলে নিমিষেই এনার্জি পাওয়া যায় সেইসঙ্গে ফ্রেশ একটা আমেজ অনুভূত হয়।<br>২। খেজুরের মতোই এনিমিয়া বা রক্তাল্পতা দূর করার মত আয়রন সহ বেশ কিছু মিনারেল খেজুর রসে পাওয়া যায়।<br>৩। খেজুরের রসে সোডিয়াম ও পটাশিয়াম থাকে বলে পেশির দৃঢ়তা বৃদ্ধি করে।<br>৪। খেজুরের রসে থাকা ম্যাগনেসিয়াম ক্লান্তি বা অবসন্ন ভাব দূর করে।<br>৫। খেজুরের রসে থাকা ফাইবার কোষ্টকাঠিন্য দূর করে।<br>৬। বাড়তি মেদ ঝরিয়ে ওজন কমাতে সাহায্য করে ।<br>৭। উৎসেচকের ক্ষরণ সঠিক মাত্রায় করে হজমে সাহায্য করে।<br>৮। খেজুরের রস ক্ষুধামন্দা দূর করে।</strong></p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#371bab" class="tadv-color">খেজুরের রস কখন , কতটা খাবেন , কখন খাবেন না :-</span></strong></h3>



<p><strong>১। খেজুরের রস খুব সকাল বা ভোরবেলায় খাওয়া ভালো।<br>২। বেলা বাড়তে থাকলে এতে ফারমেন্টেশন বা গাঁজন প্রক্রিয়া হতে থাকে। এতে রসের স্বাদ নষ্ট হয় এবং অম্লতা বাড়ে। দিনের আলোতে গাঁজন বেশি হয়। তাই দিনের বেলা খেজুরের রস এড়িয়ে যাওয়াই ভালো ।<br>৩। একজন সুস্থ সবল মানুষ এক বা দুই গ্লাস রস খেতে পারেন । অভ্যাস না থাকলে হঠাৎ বেশি খেতে যাবেন না ।<br>৪। ব্লাড সুগার থাকলে খেজুরের রস এড়িয়ে যাওয়াই ভালো । এছাড়া ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খেতে পারেন।<br>৫। ভালো করে জেনে নিন রস ভালভাবে শুকিয়ে ছিল কিনা । বাদুড় জাতীয় প্রাণী এতে নানা রোগ ছড়াতে পারে ।<br>৬। খুব ঠান্ডা ক্ষতি করতে পারে তাই চেষ্টা করুন হালকা গরম করে খেজুরের রস খাওয়া যেতে পারে।</strong></p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="text-decoration: underline;">খেজুরের গুড়ের উপকারিতা :-</span></strong></h3>



<p>বাঙালির পিঠে পায়েস , মুড়ি বা রুটির সঙ্গে খেজুরের গুড়ের সম্পর্ক অনেকটা বন্ধুর মত। শীত আসার সঙ্গে সঙ্গেই বাঙালি উৎসুক হয়ে থাকে খেজুরের গুড়ের জন্য। নলেন গুড়ের সন্দেশ কিংবা খেজুর গুড়ের মিষ্টি আমাদের খুব প্রিয়। গবেষকরা গুড়ের উপকারিতা সম্পর্কে অনেক কিছুই বলেছেন সত্য । কিন্তু খেজুরের গুড় সম্পর্কে একটু স্পেশাল কিছু উপকারিতার কথা বলেছেন । আসুন তাহলে কথা না বাড়িয়ে জেনে নিই খেজুরের গুড়ের উপকারিতাগুলি :-</p>



<p><strong>১। শরীরে আয়রনের ঘাটতি পূরণ করে রক্তাল্পতা দূর করে খেজুরের গুড়।<br>২। খেজুরের গুড়ে থাকা ফাইবার কোষ্টকাঠিন্য দূর করে ।<br>৩। ‌পিএমএস সমস্যা বা প্রিমেনস্ট্রুয়াল সিনড্রোম এ অনেক মহিলারা ভোগেন। প্রতিদিন নিয়ম করে অল্প পরিমাণ গুড় খেলে শরীরে হরমোনের সমতা বজায় থাকে ও এই সমস্যার থেকে দূরে থাকা যায়।<br>৪। উৎসেচকের ক্রিয়া নিয়ন্ত্রন করে হজমের শক্তি বাড়িয়ে দেয়।<br>৫। খেজুরের গুড় সর্দি, কাশি, ভাইরাল ফিবারের হাত থেকে রক্ষা করে ও শরীর গরম ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে ।<br>৬। হাড়ের সমস্যা , গাঁটে ব্যাথা ইত্যাদি সমস্যা থেকে আরাম দেয় খেজুর গুড়।<br>৭। বাড়তি মেদ ঝরিয়ে ওজন কমাতে সাহায্য করে খেজুরের গুড়।<br>৮। শরীরের টক্সিক উপাদান বাইরে বের করে শরীরকে সুস্থ সবল ফুরফুরে রাখতে খেজুর গুড় কার্যকরী ।</strong></p>



<p>আশা করি বন্ধুরা খেজুরের উপকারিতা নিয়ে আজকের আর্টিকেল থেকে খেজুর, খেজুরের রস ও খেজুরের গুড়ের উপিকারিতা সম্পর্কে জানলাম । আমাদের সঙ্গে থেকে <a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজ</a> লাইক করে পড়তে থাকুন এরকম আরো অনেক আর্টিকেল । পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/health-benefits-of-dates/">খেজুরের উপকারিতা ও অপকারিতা । Health Benefits of Dates</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/health-benefits-of-dates/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ক্যালসিয়ামের অভাবে ভুগছেন না তো ? ৬টি লক্ষণ দেখে ক্যালসিয়ামের অভাব আছে কি না জেনে নিন</title>
		<link>https://preronajibon.com/calcium-density-problems/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/calcium-density-problems/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 22 Jan 2022 11:48:16 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শরীর ও স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[bengali health tips]]></category>
		<category><![CDATA[calcium deficiency symptoms]]></category>
		<category><![CDATA[health tips bengali]]></category>
		<category><![CDATA[Hypocalcemia কি]]></category>
		<category><![CDATA[preronajibon]]></category>
		<category><![CDATA[ক্যালসিয়ামের অভাব]]></category>
		<category><![CDATA[ক্যালসিয়ামের অভাব কেন হয়]]></category>
		<category><![CDATA[ক্যালসিয়ামের অভাব হলে লক্ষণ]]></category>
		<category><![CDATA[ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণের উপায়]]></category>
		<category><![CDATA[প্রেরণাজীবন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=2366</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 3</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>হাড়ের গঠনে ক্যালসিয়াম নামক খনিজ উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এটি হার্ট এবং শরীরের অন্যান্য পেশীগুলোর কার্যকারিতা ঠিক রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/calcium-density-problems/">ক্যালসিয়ামের অভাবে ভুগছেন না তো ? ৬টি লক্ষণ দেখে ক্যালসিয়ামের অভাব আছে কি না জেনে নিন</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 3</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p>হাড়ের গঠনে ক্যালসিয়াম নামক খনিজ উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এটি হার্ট এবং শরীরের অন্যান্য পেশীগুলোর কার্যকারিতা ঠিক রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এটির অভাবে হাড়ক্ষয় বা অস্টিওপোরাসিস রোগ হতে পারে। আমাদের শরীরের শতকরা ৯০ ভাগ ক্যালসিয়াম দাঁত ও হাড়ে জমা থাকে। যদি ক্যালসিয়াম কমে যায় তবে দাঁত ও হাড় ব্যথা করতে পারে। এমনকি শিশুদের ক্ষেত্রে শারীরিক বৃদ্ধি ব্যহত হয়। তাই স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হচ্ছে কিনা সেটি নির্ণয় করা জরুরি।বেশকিছু মেডিক্যাল গ্রাউন্ড থেকে নেওয়া তথ্য অনুসারে ৬টি লক্ষণ থেকে বোঝা যায় শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব রয়েছে কিনা।</p>



<p>তাহলে চলুন দেখে নেই সেই ৬টি লক্ষণ যা দেখে বোঝা যাবে শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি রয়েছে :-</p>



<h2 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">১. পেশীতে</span></strong> <strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">নানা সমস্যা :-</span></strong></h2>



<p>অনেকসময় দেখা যায় শরীরের পেশী অংশে খিঁচুনি কিংবা ব্যথা অনুভূত হয়। বিশেষ করে শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি যাদের তারাই পেশি ব্যথা, ক্র্যাম্প এবং খিঁচুনি অনুভব করে থাকেন। নড়াচড়া করার সময় উরু ও বাহুতে ব্যথা ছাড়াও হাত, পা ও মুখের চারপাশে একরকম আড়ষ্টতা অনুভূত হতে পারে। এ রকম সমস্যা হলে ক্যালসিয়ামের অভাব বোঝা যায়। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ক্যালসিয়াম গ্রহন করার ব্যবস্থা করা দরকার।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">২. ক্লান্তিবোধ :-</span></strong></h3>



<p>বিশেষ করে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হলে অতিরিক্ত ক্লান্তি বোধ ও অলসতা আসতে পারে । একই কারণে অস্বস্তি বোধ কিংবা অনিদ্রাও দেখা দিতে পারে। সামান্য মাথাব্যথা, মাথা চক্করের মত সমস্যা দেখা দিতে পারে। একই সঙ্গে মনোযোগের অভাব, ভুলে যাওয়া, বিভ্রান্তি প্রভৃতি সমস্যা দেখা দিতে পারে।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৩. অস্টিওপেনিয়া এবং অস্টিওপরোসিস :- </span></strong></h3>



<p>অস্টিওপেনিয়া এমন একটি অবস্থা যেখানে হাড়ের ঘনত্ব কম হয়, যার ফলে হাড় স্বাভাবিকের তুলনায় দুর্বল হয়। অস্টিওপেনিয়া&nbsp;<br>অস্টিওপরোসিসের সম্ভবনা&nbsp;বৃদ্ধি করে এবং&nbsp;হাড় ভাঙ্গার&nbsp;ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। সামান্য কোনো কারণে বা কারণ ছাড়াই হাড় ভেঙে গেলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে বুঝতে হবে ক্যালসিয়ামের অভাব রয়েছে । এমতাবস্থায় ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে পদক্ষেপ নির্ধারণ করতে হবে ।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৪. ভঙ্গুর নখ :-</span></strong></h3>



<p>হাড় ক্যালসিয়াম ভালোভাবে সঞ্চয় করে। আর যখন শরীরে ক্যালসিয়ামের সামগ্রিক মাত্রা কম থাকে, তখন শরীর হাড় থেকে ক্যালসিয়াম শুষে নেয়। এ কারণে যেমন হাড় ভঙ্গুর এবং আঘাত প্রবণ হয়ে ওঠে তেমনি নখও খুব সহজেই ভেঙে যায় । কাজেই নখের দৃঢ়তা কমে গেলে বা ক্ষণভঙ্গুর অবস্থা হলে বুঝে নিতে হবে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি রয়েছে।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৫. দাতেঁর সমস্যা :-</span></strong></h3>



<p>মানুষের শরীরে ক্যালসিয়ামের মাত্রা কমে গেলে তা দাঁতের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। দাঁতের ক্ষয়, সহজ ভঙ্গুরতা, মাড়ি খিটখিটে এবং দাঁতের বন্ধন দুর্বল হয়ে যাবার ফলে দাঁত ব্যথা হতে পারে। ক্যালসিয়ামের অভাব বোঝার এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ ।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৬. হতাশা ও বিষণ্ণতা :- </span></strong></h3>



<p>আধুনিক গবেষণায় দেখা গেছে যে, ক্যালসিয়ামের অভাবের থেকে হতাশা বিষণ্ণতা, মেজাজ খারাপ হওয়ার মতো সমস্যাগুলি সৃষ্টি হতে পারে। কাজেই কোন কারণ ছাড়াই হতাশা ও বিষণ্ণতা ক্যালসিয়ামের অভাব বোঝার জন্য একটি সিগনাল হতে পারে ।</p>



<p class="has-text-align-center"><strong>জেনে রাখো : <a href="https://preronajibon.com/high-blood-pressure/">হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ কী ? উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণের উপায়</a></strong></p>



<h2 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#9b51e0" class="tadv-color"><span style="text-decoration: underline;">ক্যালসিয়ামের ঘাটতি কী কী কারণে হতে পারে :-</span></span></strong></h2>



<p>অল্প বয়সে সাধারণত ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা যায় না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় ৪০ বছর বয়সের পর থেকে ক্যালসিয়াম ঘাটতির একাধিক উপসর্গ প্রকাশ পায়। প্রশ্ন হল কেন এই ঘাটতি ? মেডিক্যাল সাইন্স অনুসারে ক্যালসিয়ামের ঘাটতির কিছু সহজ তথ্য এখানে তুলে ধরা হল ।</p>



<h4 class="wp-block-heading"><br><strong>১. খাবারে ক্যালসিয়ামের অভাব :- </strong></h4>



<p>কেউ যদি দীর্ঘ সময় ধরে ক্যালসিয়াম না গ্রহণ করেন সেক্ষেত্রে তাঁর শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। এমন কি শিশু বয়সে সঠিক মাত্রায় ক্যালসিয়াম গ্রহণ না করলেও তা পরবর্তী সময়ে অভাবজনিত সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।</p>



<h4 class="wp-block-heading"><strong>২. ওষুধের প্রভাব :- </strong></h4>



<p>বর্তমানে অনেক ওষুধ রয়েছে যেগুলি শরীরে ক্যালসিয়ামের পরিমান কমিয়ে দেয়। আবার দেখা যায় সেইসব ওষুধের সঙ্গে সঠিকমাত্রায় ক্যালসিয়ামের ক্ষতি পূরণের জন্য সাপ্লিমেন্টারি বা উপযুক্ত খাবার না গ্রহণ করার জন্য ক্যালসিয়ামের অভাব থেকেই যায় ।</p>



<h4 class="wp-block-heading"><strong>৩. শারীরিক বিভিন্ন কারণ :-</strong></h4>



<p> ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবার গ্রহণ না করলে শরীরে ক্যালসিয়ামের মাত্রা যেমন কমে যায়; তেমনি অনেকের শরীরে ক্যালসিয়াম সঞ্চিত বা সংরক্ষিত হতে পারে না। কখনো কখনো খাবার থেকে ক্যালসিয়াম আহরিত করতে না পারার কারণেও ক্যালসিয়ামের অভাব হতে থাকে।</p>



<h4 class="wp-block-heading"><strong>৪. হরমোনাল সমস্যা :- </strong></h4>



<p>বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে হরমোনের একাধিক তারতম্যের কারণে শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব দেখা দিতে পারে। এজন্য নারীদের উচিত পুরুষদের থেকে তুলনামূলক বেশি মাত্রায় ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া। এমনকি, মধ্যবয়সের পর থেকেই নারীদের ক্যালসিয়াম তুলনামূলক বেশি খাওয়া উচিত। বিশেষ করে নারীদের মেনোপোজ শুরু হওয়ার আগেই। কারণ মেনোপোজ হরমোনের ক্ষরণ কম হওয়ার কারণে মহিলাদের হাড় দ্রুত ক্ষয় হতে শুরু করে।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">ক্যালসিয়ামের অভাবে কী কী ঝুঁকি থাকে :-</span></strong></h3>



<p>মানুষের শরীর নানা জটিল উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত । আবার প্রত্যেকটি মানুষের মধ্যে ওই জটিলতারও বৈচিত্র রয়েছে । তাই ক্যালসিয়ামের অভাবে নানান সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে । মোটামুটি ভাবে বলা যায় ক্লান্ত বোধ করা, বন্ধ্যাত্ব, মৃগীরোগ, নিদ্রাহীনতা, মাড়ির রোগ, স্কিনের শুষ্কতা, ছানি পড়া, বুকে ব্যাথা, হাত অবশ হওয়া, খিদে না পাওয়া, উচ্চ রক্তচাপ ও হাড়ের নানা সমস্যার ঝুঁকি থাকে ।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">ক্যালসিয়ামের অভাব দূর করতে উপযুক্ত খাবার :-</span></strong></h3>



<p>শরীরে ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণের জন্য বিভিন্ন খাবার খাওয়া প্রয়োজন। দুধ, দই, পনির, কাঁচা বাদাম, সয়াবিন, আখরোট, সামুদ্রিক মাছ, কাঁটাযুক্ত ছোট মাছ, কালো ও সবুজ কচুশাক, শজনেপাতা, পুদিনাপাতা, সরিষাশাক, কুমড়ার বীজ, সূর্যমুখীর বীজ, চিংড়ি শুঁটকি, ডুমুর ইত্যাদি হলো উচ্চ ক্যালসিয়ামযুক্ত&nbsp;খাবার। শুকনো এপ্রিকট, খেজুর, বাদামেও বেশ ভালো পরিমাণেই ক্যালসিয়াম মেলে৷ এই খাবারগুলি নিয়ম করে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকেরাখলে শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব।তবে সতর্কতার বিষয় হল অতিরিক্ত পরিমাণে গ্রহণ করলে উল্টো প্রতিক্রিয়া হতে পারে। তাই সর্বদা পুষ্টিকর কিন্তু পরিমিত খাবার গ্রহণ করা উচিত।</p>



<p>আশা করি বন্ধুরা আজকের আর্টিকেলটি থেকে কিছুটা হলেও উপকার পাওয়া গেছে। লেখাটি কেমন লাগলো তা আমাদের কমেন্টে জানান। ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন। এই ধরনের লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের&nbsp;<a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজ</a>&nbsp;ও&nbsp;<a href="https://www.youtube.com/channel/UCAKFB41Z5wBB1qMV67Gdziw">ইউটিউব চ্যানেলের</a>&nbsp;সাথে যুক্ত থাকুন।</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/calcium-density-problems/">ক্যালসিয়ামের অভাবে ভুগছেন না তো ? ৬টি লক্ষণ দেখে ক্যালসিয়ামের অভাব আছে কি না জেনে নিন</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/calcium-density-problems/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পুষ্টিগুণে ভরপুর ৬টি বীজ খাওয়ার উপকারিতা । Benefits of Edible Seeds</title>
		<link>https://preronajibon.com/benefits-of-edible-seeds/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/benefits-of-edible-seeds/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 11 Dec 2021 18:57:15 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শরীর ও স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[Benefits of seeds]]></category>
		<category><![CDATA[bengali health tips]]></category>
		<category><![CDATA[health tips bengali]]></category>
		<category><![CDATA[বীজ খাওয়ার উপকারিতা]]></category>
		<category><![CDATA[মৌরি খাওয়ার উপকারিতা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=2340</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 3</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>শরীরকে ফিট ও সুস্থ রাখতে সঠিকমাত্রায় খাওয়াদাওয়া করাটা ভীষণ জরুরী। পুষ্টিবিদদের মতে খাবারের তালিকায় পুষ্টিগুণ বাড়াতে পারে নানা প্রকার বীজ।</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/benefits-of-edible-seeds/">পুষ্টিগুণে ভরপুর ৬টি বীজ খাওয়ার উপকারিতা । Benefits of Edible Seeds</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 3</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p>শরীরকে ফিট ও সুস্থ রাখতে সঠিকমাত্রায় খাওয়াদাওয়া করাটা ভীষণ জরুরী। পুষ্টিবিদদের মতে খাবারের তালিকায় পুষ্টিগুণ বাড়াতে পারে নানা প্রকার বীজ। এমন অনেক বীজ রয়েছে, যা নানা ভাবে খাবারের সঙ্গে যোগ করা যায়। এগুলি আমরা সাধারণত উপেক্ষা করে থাকি। অথচ এতে খাবারের স্বাদ যেমন বাড়বে তেমনি পাওয়া যাবে শারীরিক উপকারিতাও। যেমন:- ফ্ল্যাক্স বা তিসি, শিয়া,পাম্মকিন বা কুমড়োর বীজ,সেসমি বা তিল,ফেনেল বা মৌরি,সানফ্লাওয়ার বা সূর্যমুখী বীজ। চলুন কথা না বাড়িয়ে জেনে নেওয়া পুষ্টিগুণে ভরপুর ৬টি বীজের উপকারিতা সম্পর্কে।</p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter size-full"><img loading="lazy" decoding="async" width="500" height="500" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/12/Fennel-Seeds.jpg" alt="" class="wp-image-2342" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/12/Fennel-Seeds.jpg 500w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/12/Fennel-Seeds-300x300.jpg 300w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/12/Fennel-Seeds-150x150.jpg 150w" sizes="auto, (max-width: 500px) 100vw, 500px" /></figure></div>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">ফ্ল্যাক্স সিডস :- </span></strong></h3>



<p>ফ্ল্যাক্স সিডস বা তিসি বীজ অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট, প্রোটিন, ফাইবার,ক্যালশিয়াম ও ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে ভরপুর। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হার্ট ভাল রাখে। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে তারা ফ্ল্যাক্স সিডস গ্রহণ করতে পারেন। কারণ এতে উপস্থিত ফাইবার পাচন শক্তি ও মেটাবলিজমকে উন্নত করে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়াও ফ্ল্যাক্স সিডে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড চোখ ও মস্তিষ্ককে সুস্থ ও তরতাজা রাখে এবং ট্রাইগ্লিসারাইডস কমাতে সাহায্য করে। শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিসি বীজের ভূমিকাও অনেক। ফ্ল্যাক্স সিড বা তিসি বীজ গুঁড়ো করেও খাওয়া যেতে পারে আবার ভেজে নিয়েও খাওয়া যেতে পারে। তিসির তৈরী তেল বাজারে পাওয়া যায় সেটা ভোজ্য তেল হিসাবেও খাওয়া যেতে পারে।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">চিয়া সিড :- </span></strong></h3>



<p>পুষ্টিগুনে ভরপুর চিয়া সিডকে বলা হয় সুপার ফুড। এতে প্রচুর পরিমানে শর্করা, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, কোয়েরসেটিন (Quercetin) কেম্পফেরল (Kaempferol) ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড(Chlorogenic acid) এবং ক্যাফিক অ্যাসিড(Caffeic acid) নামক অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট আয়রন,পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং ফাইবার। যা স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ উপকারী। চিয়া সিড শক্তি এবং কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে। রক্তে শর্করার পরিমাণ কমাতে বিশেষ কার্যকর এই বীজ। চিয়া সিড হৃদরোগের আশঙ্কা কমায়, পাশাপাশি হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় বিশেষ উপকারী এই বীজ। কোনও ক্রনিক ইনফ্ল্যামেশন থাকলে, সেটিও কমাতে সাহায্য করে চিয়া বীজ। এটি টকদই এর ওপর ছড়িয়ে, বা স্যালাড এর ওপর ছড়িয়ে খাওয়া যেতে পারে। এছাড়া আপনি চাইলে এটি শরবত হিসেবেও খেতে পারেন।</p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter size-full"><img loading="lazy" decoding="async" width="500" height="500" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/12/Pumpkin-Seeds.jpg" alt="" class="wp-image-2343" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/12/Pumpkin-Seeds.jpg 500w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/12/Pumpkin-Seeds-300x300.jpg 300w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/12/Pumpkin-Seeds-150x150.jpg 150w" sizes="auto, (max-width: 500px) 100vw, 500px" /></figure></div>



<h3 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading"><strong>পাম্মকিন বা কুমড়োর বীজ :- </strong></h3>



<p>এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, প্রোটিন, জিংক, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, কপার, ফসফরাসের মতো একাধিক উপাদান। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে পাম্পকিন সিড। পাম্মকিন বা কুমড়োর বীজ পুরুষের প্রোস্টেটের সমস্যা প্রতিরোধ করে প্রোস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। কুমড়োর বীজে রয়েছে সেরোটোনিন নামের রাসায়নিক উপাদান যা স্নায়ুতন্ত্রের চাপ কমিয়ে অনিদ্রার সমস্যা কাটাতে সাহায্য করে।<br>এছাড়াও কুমড়োর বীজে আছে ট্রিপ্টোফ্যাননামের অ্যামাইনো অ্যাসিড যা দেহে সেরোটনিন নামক হরমোন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এক বাটি ফল কেটে তার মধ্যেও ছড়িয়ে দিতে পারেন রোস্টেড পাম্পকিন সিড। ওটস কিংবা কর্নফ্লেক্সর সঙ্গেও ভালো লাগে এই বীজ।<br>এছাড়া শরবতের উপরে ছড়িয়ে খেতে পারেন পাম্পকিন সিড।</p>



<h3 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading"><strong>সেসমি বা তিল :-</strong></h3>



<p> সাদা তিলে থাকে ক্যালশিয়াম ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট জাতীয় উপাদান। লিভারকে যে কোনও রকম ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে সক্ষম তিল। সাদা তিল পাঁচন ক্রিয়াকে মজবুত রাখে। এছাড়া দাঁত ও হাড়ের দেখভাল করতেও তিলের জুড়ি মেলা ভার। তিলের বীজ রোস্ট করে স্যালাডের সঙ্গে খেতে পারেন। এ ছাড়াও তিলের তেল একই রকম ভাবে স্বাস্থ্যরক্ষায় সহায়ক। কিন্তু সে ক্ষেত্রে তিল তেল কয়েক ফোঁটাই যথেষ্ট।</p>



<h3 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading"><strong>ফেনেল বা মৌরি :- </strong></h3>



<p>মৌরিতে রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম, কপার, জ়িঙ্ক, সেলেনিয়াম, ক্যালশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ়, পটাশিয়াম ,ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, ভিটামিন-সি এবং ভিটামিন-কে । মৌরি নিউরোলজিক্যাল ডিজ়িজ় বা স্নায়ুরোগ সারাতে, সংক্রমণ কমাতেও বিশেষ ভাবে সহায়ক। রক্ত পরিশোধনের পাশাপাশি, মৌরি রক্তে শর্করা এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে আনতে সাহায্য করে। এছাড়াও মৌরি হৃৎস্পন্দন নিয়ন্ত্রণে রাখে, স্ট্রেস কমায় এবং রোগজনিত নানারকম শারীরিক অস্বস্তি দূর করতেও সাহায্য করে। মহিলাদের জন্য মৌরি খাওয়া বিশেষভাবে উপকারী। বন্ধ্যাত্বের মত জটিল সমস্যা দূর করারও চাবিকাঠি রয়েছে মৌরির হাতে। মৌরি পেট ঠান্ডা রাখে এবং নানারকম পেটের সমস্যা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। মুখের দুর্গন্ধ দূর করতেও মৌরি বিশেষ ভূমিকা পালন করে।</p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter size-full"><img loading="lazy" decoding="async" width="500" height="500" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/12/Sunflower-Seeds.jpg" alt="" class="wp-image-2344" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/12/Sunflower-Seeds.jpg 500w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/12/Sunflower-Seeds-300x300.jpg 300w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/12/Sunflower-Seeds-150x150.jpg 150w" sizes="auto, (max-width: 500px) 100vw, 500px" /></figure></div>



<h3 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading"><strong>সানফ্লাওয়ার সিড বা সূর্যমুখী বীজ :- </strong></h3>



<p>সানফ্লাওয়ার সিড পরিচিত সূর্যমুখীর বীজ নামেও। সূর্যমুখী বীজে থাকে প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন বি ওয়ান এবং ই, ম্যাগনেশিয়াম, সেলেনিয়াম ও কপার। সূর্যমুখী ফুলের বীজে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন ই আছে যা আমাদের ত্বককে সুস্থ রাখে এবং সেল ড্যামেজের হাত খেকে ত্বককে বাঁচায়। কিছু ধরনের ক্যানসার প্রতিরোধ করতেও সক্ষম এই বীজ। এ ছাড়াও হাড়ের ক্ষয় রোধ করতে, রক্তে শর্করার পরিমাণ কমিয়ে সমতা আনতে সাহায্য করে। সূর্যমুখী বীজে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি থাকায় সূর্যমুখী ফুলের বীজ কার্ডিওভ্যাসকুলার রোগ অর্থাৎ হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক প্রভৃতি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। সানফ্লাওয়ার সিড স্ন্যাক্স,স্যালাড হিসেবে খাওয়া যেতে পারে।</p>



<p>বীজ খাওয়ার উপকারিতা নিয়ে আমাদের লেখাটি কেমন লাগলো তা আমাদের কমেন্টে জানাও। ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করো। এই ধরনের লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের <a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজ</a> ও <a href="https://www.youtube.com/channel/UCAKFB41Z5wBB1qMV67Gdziw">ইউটিউব চ্যানেলের</a> সাথে যুক্ত থাকুন।</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/benefits-of-edible-seeds/">পুষ্টিগুণে ভরপুর ৬টি বীজ খাওয়ার উপকারিতা । Benefits of Edible Seeds</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/benefits-of-edible-seeds/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সকালে উঠে খালি পেটে এই ছয়টি খাবারে মিলবে উপকারিতা</title>
		<link>https://preronajibon.com/6-healthy-breakfast/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/6-healthy-breakfast/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 02 Dec 2021 18:17:37 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শরীর ও স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[bengali health tips]]></category>
		<category><![CDATA[Healthy Breakfast Options]]></category>
		<category><![CDATA[খালি পেটে কি খাবো]]></category>
		<category><![CDATA[পুষ্টিকর খাবার]]></category>
		<category><![CDATA[সকালে কি খাবো]]></category>
		<category><![CDATA[সকালের উপকারি খাবার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=2333</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 2</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>সকালের ৬ টি উপকারি খাবার আমরা অনেকেই জানি না সকালে ঘুম থেকে উঠে আমাদের কোন খাবারগুলো খাওয়া উচিত। ফলে সকাল</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/6-healthy-breakfast/">সকালে উঠে খালি পেটে এই ছয়টি খাবারে মিলবে উপকারিতা</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 2</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p class="has-text-align-center has-medium-font-size"><strong>সকালের ৬ টি উপকারি খাবার</strong></p>



<p>আমরা অনেকেই জানি না সকালে ঘুম থেকে উঠে আমাদের কোন খাবারগুলো খাওয়া উচিত। ফলে সকাল সকাল ভারী খাবার খেয়ে আমরা আমাদের পেটের বারোটা বাজিয়ে ফেলি। পুষ্টিবিদদের মতে সকাল শুরুর জন্য সঠিক খাবার পছন্দ করা গুরুত্বপূর্ণ। সকালে ঘুম থেকে হালকা কোনো খাবার খেয়ে তার দু ঘণ্টা পরে ভারী খাবার খাওয়া উচিত। তাহলে আসুন আজ জেনে নেওয়া যাক সকালে খালি পেটে কোন খাবারগুলো খেলে বেশি উপকার পাওয়া যাবে &#8211;</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">১. সকালে খালি পেটে মধু :-</span></strong></h3>



<p> মধুতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। মধুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে খনিজ, ভিটামিন ও এনজাইম, যা শরীরকে বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা করে। নিয়মিত মধু খেলে সর্দি-কাশির সমস্যাও কমে। সকালে ঘুম থেকে উঠে হালকা গরম জলে দুই চামচ মধু মিশিয়ে খেলে অনেক উপকার পাওয়া যাবে। এতে ওজন যেমন কমবে তেমনি শরীর থেকে টক্সিক উপাদান গুলোও বেড়িয়ে যাবে।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">২. কিসমিস :- </span></strong></h3>



<p>কিসমিস শরীরে আয়রনের ঘাটতি দূর করার পাশাপাশি রক্তে লাল কণিকার পরিমাণ বাড়ায়। কিসমিসে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন, আয়রন, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফাইবার। যা বিভিন্ন রোগ থেকে আমাদের মুক্তি দেয়। শুকনো কিসমিস খাওয়ার পরিবর্তে সবচেয়ে সবচেয়ে ভালো উপায় সারারাত কিসমিস জলে ভিজিয়ে রেখে পরেরদিন সকালে সেটা খাওয়া। ভিজিয়ে রাখা কিসমিস খেলে উপকার বেশি পাওয়া যাবে।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৩. খেজুর :- </span></strong></h3>



<p>খেজুরে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন, খনিজ, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়াম। খেজুরে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়। ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে খেজুর খেতে পারেন অথবা সারারাত ধরে জলে খেজুর ভিজিয়ে রাখুন। পর দিন সকালে খেজুর ভেজানো জল পান করতে পারেন। খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে, যা কোষ্ঠকাঠিণ্য দূর করে। খেজুর হজমশক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে থাকে। ডায়রিয়া বা পেট খারাপ এই ধরণের কোনো সমস্যা থাকে না।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৪. মেথি :- </span></strong></h3>



<p>যারা ডায়াবেটিস বা পরিপাক সম্পর্কিত সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য মেথি খুবই উপকারী। সকালে উঠে খালি পেটে মেথি ভেজানো জল পান করতে পারেন। কারণ মেথির মধ্যে দ্রবণীয় ফাইবার থাকে, যা আপনার কোলেস্টেরল কমাতে অনেকটাই সাহায্য করবে । সকালে খালি পেটে মেথির দানা খেলে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ থাকে। এছাড়াও ত্বক ও চুলের জন্যও মেথি ভীষণ উপকারী।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৫. আমলকী :- </span></strong></h3>



<p>আমলকি এমন একটি ফল যাতে সবচেয়ে বেশি ভিটামিন সি আছে। যা স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ উপকারী। আমলকিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে দূষণমুক্ত করে, মেদও কমায়। আমলকি ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়ায়। রোজ সকালে খালি পেটে আমলকির রস খেলে চুল, ত্বক সবই ভালো থাকবে। পাশাপাশি হৃদযন্ত্র ও লিভারও সুস্থ থাকবে।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৬. কাঠবাদাম :- </span></strong></h3>



<p>অনেকেই বাদাম খেয়ে থাকেন। তবে সকালে খালি পেটে কাঠবাদাম খেলে সারবে নানা রোগ। কাঠবাদামে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের কর্মক্ষমতাও বেড়ে যায় এটি ভিজিয়ে রাখলে। কাঠমাদাম ভিজিয়ে রাখলে এর থেকে লাইপেস নামক একটি উপাদান নির্গত হয়। যেটি মেটাবলিজম বা হজম ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে শরীরে মেদ বৃদ্ধি পায় না। এছাড়া সারারাত ভিজিয়ে রাখা কাঠবাদাম সকালে খেলে হৃদরোগ, ডায়াবেটিসের মতো কঠিন রোগ সারবে।</p>



<p>সকালের ৬ টি উপকারি খাবার নিয়ে আমাদের লেখাটি কেমন লাগলো তা আমাদের কমেন্টে জানান। ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন । এই ধরনের লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের <a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজ</a> ও <a href="https://www.youtube.com/channel/UCAKFB41Z5wBB1qMV67Gdziw">ইউটিউব চ্যানেলের</a> সাথে যুক্ত থাকুন।</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/6-healthy-breakfast/">সকালে উঠে খালি পেটে এই ছয়টি খাবারে মিলবে উপকারিতা</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/6-healthy-breakfast/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রসুনের উপকারিতা কি কি । রসুন খাওয়ার সঠিক নিয়ম । Benefits of Garlic</title>
		<link>https://preronajibon.com/benefits-of-garlic/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/benefits-of-garlic/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 13 Nov 2021 14:48:54 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শরীর ও স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[bengali health tips]]></category>
		<category><![CDATA[health tips bangla]]></category>
		<category><![CDATA[কাঁচা রসুনের উপকারিতা]]></category>
		<category><![CDATA[রসুন খাওয়ার উপকারিতা]]></category>
		<category><![CDATA[রসুন খাওয়ার নিয়ম]]></category>
		<category><![CDATA[রসুনের উপকারিতা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=2307</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 6</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>রসুন আমাদের দৈনন্দিন খাবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। প্রতিদিনের রান্নায় কোনো না কোনো খাবারে রসুনের ব্যবহার থাকেই। কিন্তু রসুন শুধু রান্নার</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/benefits-of-garlic/">রসুনের উপকারিতা কি কি । রসুন খাওয়ার সঠিক নিয়ম । Benefits of Garlic</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 6</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p>রসুন আমাদের দৈনন্দিন খাবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। প্রতিদিনের রান্নায় কোনো না কোনো খাবারে রসুনের ব্যবহার থাকেই। কিন্তু রসুন শুধু রান্নার স্বাদই বাড়ায় না,পাশাপাশি বিভিন্ন রোগের দাওয়াই হিসেবেও কাজ করে। এই রসুনে রয়েছে থিয়ামিন, রিবোফ্লাবিন, নায়াসিন,প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড, ফোলেট ও সেলেনিয়াম। সেলেনিয়াম ক্যানসার প্রতিরোধে দারুণ কাজ করে। চোখ ভাল রাখা থেকে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ— নিয়মিত রসুন খেলে শরীরের বহু উপকার হয়।</p>



<p>খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ শতকে চিন ও ভারতে রক্ত পাতলা রাখার জন্য এর প্রচলন ছিল। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক হিপোক্রেটিস একে ব্যবহার করেছিলেন সারভাইকাল ক্যান্সারের চিকিৎসায়৷ লুই পাস্তুর এর অ্যান্টিফাংগাল ও অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল গুণের খবর জানান৷ সময়ের সঙ্গে আরও উপকারের কথা জানা গেছে৷ আধুনিক বিজ্ঞানীরা জানালেন হৃদরোগ প্রতিরোধে এর ভূমিকার কথা। ইউনিভার্সিটি অফ কানেটিকাটের স্কুল অফ মেডিসিন–এর কার্ডিওভাসকুলার রিসার্চ টিমের বিজ্ঞানীদের দাবি, কাঁচা রসুন খেলে হার্ট অনেক বেশি সুস্থ থাকে। রক্তচাপ বশে রাখতেও তার ভূমিকা আছে।</p>



<h2 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">কাঁচা রসুনের উপকারিতা :-</span></strong></h2>



<p>একটি গবেষণাধর্মী সংস্থার জার্নাল অফ এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড ফুড কেমিস্ট্রিতে প্রকাশিত প্রবন্ধে কাঁচা ও শুকনো রসুনের কার্যকরী ভূমিকা বিচার করেছেন বিজ্ঞানীরা। গবেষণাগারে বড় হওয়া দুটি দলের ইঁদুরের মধ্যে এক দলকে বেশ কিছু দিন ধরে খাওয়ানো হয় টাটকা কাঁচা রসুন, আরেক দলকে শুকনো রসুন। এরপর তাদের মধ্যে হালকা হার্ট অ্যাটাক সৃষ্টি করিয়ে তাঁরা দেখেন কোন গ্রুপের ইঁদুর কীভাবে সামলাচ্ছে এর ধাক্কা। হার্ট অ্যাটাকের ফলে অক্সিজেনের অভাবে হার্টের পেশির যে ক্ষতি হয়েছে, দু–দল ইঁদুরই তা সামলেছে প্রায় একই রকম দক্ষতায়। তবে যাঁরা কাঁচা রসুন খেয়েছিল, এই বিপর্যয়ের পরও তাদের হার্টের মূল ধমনি দিয়ে রক্ত সঞ্চালন বেশি ভালোভাবে হয়েছে ও হার্টের মধ্যে এমন কিছু পরিবর্তন ঘটেছিল যাতে চট করে রোগের ধকল সামলে উঠেছে তারা। হিউম্যান ট্রায়াল না হলেও মোটামুটি নিশ্চিত করে বলা যায়, কাঁচা রসুনের যত উপকার, রান্না করার পর সেই গুন ততটা রক্ষিত হয় না ।</p>



<p>রসুনের অসামান্য ভেষজ গুনের কথা ইতিহাসে পাওয়া যায়। ভেষজ গুণের জন্য কাঁচা রসুন বেশি উপকারী। অ্যালিসিন নামক সালফারযুক্ত জৈব যৌগ রসুন এর প্রধান সক্রিয় উপাদান । অ্যালিসিন রসুনের গন্ধ ও বিখ্যাত ভেষজ গুণ দুইয়ের প্রধান কারণ। অ্যালিসিন দেহে কোলেস্টেরল তৈরির উৎসেচক এইচএমজিকোএ রিডাক্টেজ কে বাধা দেয় বলে জানা গিয়েছে। রসুনকে কাটলে অ্যালিনেজ নামে একটি উৎসেচক অ্যালিইন থেকে অ্যালিসিন তৈরি করে। অ্যালিসিন খুবই স্বল্পস্থায়ী। রান্না করলে বা অ্যাসিডের প্রভাবে অ্যালিনেজও নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। তাই রসুন কাটা বা বাটার পর সঙ্গে সঙ্গে খেয়ে না নিলে সে আস্তে আস্তে উবে যায়। কাঁচা রসুনে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টের মাত্রাও বেশি থাকে। পুষ্টিবিদদের মতে,পূর্ণবয়স্কদের ক্ষেত্রে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে দুই কোয়া কাঁচা রসুন খেলে রক্ত সঞ্চালনক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, যার দরুণ রক্ত বাধাগ্রস্ত হয়ে যেসব রোগের সৃষ্টি করে, তা আর হতে পারে না। যৌবন ধরে রাখার ক্ষেত্রে তাই কাঁচা রসুন অতুলনীয়।</p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter size-full"><img loading="lazy" decoding="async" width="500" height="500" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/11/Benefits-of-Raw-Garlic.jpg" alt="রসুনের উপকারিতা" class="wp-image-2309" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/11/Benefits-of-Raw-Garlic.jpg 500w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/11/Benefits-of-Raw-Garlic-300x300.jpg 300w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/11/Benefits-of-Raw-Garlic-150x150.jpg 150w" sizes="auto, (max-width: 500px) 100vw, 500px" /></figure></div>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">সেক্সে রসুনের উপকারিতা :-</span></strong></h3>



<p>জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হল শরীরী সম্পর্ক । এই যৌনস্বাস্থ্য ঠিক রাখতে বা যৌবন ধরে রাখতে রসুনের সেবন করা জরুরি। পুরুষের যৌন অক্ষমতার ক্ষেত্রে রসুন খুব ভালো ফল দিয়ে থাকে। রসুনকে &#8216;গরীবের পেনিসিলিন&#8217; বলা হয়। কারণ এটি অ্যান্টিসেপ্টিক হিসাবে কাজ করে আর এটি অতি সহজলভ্য সবজি যা আমারা প্রায় প্রতিনিয়ত খাদ্য হিসাবে গ্রহন করে থকি। আপনার যৌন ইচ্ছা ফিরে আনার ক্ষেত্রে এর ব্যবহার খুবই কার্যকরী। কোন রোগের কারণে বা দুর্ঘটনায় আপনার যৌন ইচ্ছা কমে গেলে এটি আপনাকে তা পুনরায় ফিরে পেতে সাহায্য করবে বলেই বিশ্বাস ।</p>



<p>পুরুষরা যদি কোনও ধরণের যৌন সমস্যায় পড়েন তবে রসুন সেবন করা উচিত। এটি যৌন দুর্বলতা দূর করবে। রসুনকে একটি উত্তেজক মশলা হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এটি যৌন ইচ্ছা এবং স্ট্যামিনা বাড়ায়। আপনি যদি যৌন মিলনের সময় উত্তেজনা, শক্তির অভাব বোধ করে থাকেন তবে আপনার ডায়েটে নিয়মিত রসুন অন্তর্ভুক্ত করুন। রসুন খেলে যৌনাঙ্গে সঠিক রক্ত ​​সঞ্চালন হয়। এটি প্রজনন অঙ্গগুলির স্বাস্থ্যও বজায় রাখে ।</p>



<p>এছাড়া যদি কোন ব্যক্তির যৌন ইচ্ছা খুব বেশি হয় বা তা মাত্রাতিরিক্ত হয় যার অত্যধিক প্রয়োগ তার নার্ভাস সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে এরকম ক্ষেত্রে ও রসুন বেশ কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারে ।</p>



<p>রসুন নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি রিপোর্টে বোঝা যায় রসুন যৌন সক্ষমতা তৈরিতে কত বেশি কার্যকরী। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, প্রতি মিলিলিটার শুক্রাণুতে ২০ মিলিয়নের কম স্পার্ম থাকলে যেকোনো পুরুষ অনুর্বর হতে পারেন। বাজে খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান, অ্যালকোহল, অনিয়ন্ত্রিত জীবন, ব্যায়ামে অনীহা প্রভৃতি কারণে দিন দিন অনুর্বরতা বাড়ছে। এক্ষেত্রে বিশেষ সহায়ক মসলা রসুন। কেননা সুস্থ Semen (বীর্য) তৈরিতে রসুনের জুড়ি মেলা ভার। Semen ঘন ও বেশি পরিমাণ উৎপাদনের জন্য নিয়মিত রসুন খাওয়া উচিত।</p>



<p class="has-text-align-center"><strong>জেনে নিন : <a href="https://preronajibon.com/benefits-of-dargon-fruit/">ড্রাগন ফল কী ? ড্রাগন ফলের উপকারিতা</a></strong></p>



<h3 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading"><strong>রসুন কখন কীভাবে খাবেন ?</strong></h3>



<ul class="wp-block-list"><li>প্রতিদিন নিয়ম করে কয়েক কোয়া কাঁচা রসুন খেলে শরীরের যৌবন দীর্ঘস্থায়ী হয়।</li><li>সকালে খালি পেটে ১-২ কোয়া কাঁচা রসুন চিবিয়ে খেতে পারেন, এতে অবশ্য কিছুটা খেতে অস্বস্তি হলেও কাঁচা চিবিয়ে খেলে ভালো ফল পাওয়া যায়।</li><li>যারা পড়ন্ত যৌবনে চলে গিয়েছেন, তারা প্রতিদিন দু&#8217;কোয়া রসুন খাঁটি গাওয়া ঘি-এ ভেজে মাখন মাখিয়ে খেতে পারেন। তবে খাওয়ার শেষে একটু গরম জল বা দুধ খাওয়া উচিত। এতে ভালো ফল পাবেন।</li><li>যৌবন রক্ষার জন্য রসুন অন্যভাবেও খাওয়া যায়। কাঁচা আমলকির রস ২ বা ১ চামচ নিয়ে তার সঙ্গে এক বা দুই কোয়া রসুন বাটা খাওয়া যায়। এতে স্ত্রী-পুরুষ উভয়ের যৌবন দীর্ঘস্থায়ী হয়।</li></ul>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">ব্রণে রসুনের উপকারিতা :-</span></strong></h3>



<p>মূলত বয়ঃসন্ধিকালীন একটি সমস্যা। তবে বিভিন্ন বয়সে নারী ও পুরুষদের ব্রণের সমস্যা দেখা যেতে পারে। রসুনে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট,অ্যান্টিফাঙ্গাল ,এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমাটরি উপাদান। ব্রণের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া দূর করে এসব উপাদান। এছাড়াও রসুনে থাকা ভিটামিন বি৬,সি,সিলিয়াম,কপার ও জিঙ্ক ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে। এর জন্য কাঁচা রসুনের একটা কোয়া চিবিয়ে খেতে পারলে ভালো।</p>



<div class="wp-block-image"><figure class="aligncenter size-full"><img loading="lazy" decoding="async" width="500" height="500" src="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/11/Garlic-Benefits-Skin.jpg" alt="" class="wp-image-2310" srcset="https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/11/Garlic-Benefits-Skin.jpg 500w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/11/Garlic-Benefits-Skin-300x300.jpg 300w, https://preronajibon.com/wp-content/uploads/2021/11/Garlic-Benefits-Skin-150x150.jpg 150w" sizes="auto, (max-width: 500px) 100vw, 500px" /></figure></div>



<p class="has-medium-font-size"><strong>সর্তকতা:-</strong></p>



<p>কিন্তু হাইপার-সেন্সিটিভ স্কিনের জন্য এটা খুবই ভয়ংকর সাইড-ইফেক্ট এর কারণ হতে পারে। রসুনে আছে অ্যালিসিন (Allicin) যা অসাবধানতার কারণেই ত্বকে সরাসরি লাগালে চামড়া পুড়ে ফোস্কা পড়ে যেতে পারে। আসলে একেক জনের স্কিনের ভাব একেক রকম। কারো স্কিন খুব সহনশীল, কোনোরকম এক্সপেরিমেন্ট করলেও বিশেষ কিছু ক্ষতি হয় না । আবার কারো স্কিন আবার খুবই সেনসিটিভ। একটু উনিশ-বিশ হলেই ব্রণ উঠে এবং দাগ বসে যায়। খুব বেশি সেনসিটিভ স্কিনে তাই কোন এক্সপেরিমেন্ট না করাই ভালো। খুব বেশি সমস্যা দেখা দিলে স্কিন বিশেষজ্ঞের কাছে পরামর্শ নিতে হবে।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">চুলের জন্য রসুনের উপকারিতা :- </span></strong></h3>



<p>শরীরে পুষ্টি জোগানোর পাশাপাশি রসুন ত্বকের জন্যও বেশ উপকারী। রসুন যেমন চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, তেমনই অতিরিক্ত চুল পড়াও নিয়ন্ত্রণ করে । <br>বিশেষজ্ঞদের মতে চুলের যত্নেও রসুনে রয়েছে কার্যকরী গুণ। রসুনে থাকা জিঙ্ক এবং কপার মাথার তালুর রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে খুশকির সমস্যাও দূর করতে সহায়তা করে। চুল পড়া প্রতিরোধে রসুন অনেকটা ম্যাজিকের মতো কাজ করে। এটি শুধু চুল পড়াই প্রতিরোধ করে না; সেইসঙ্গে মাথার ত্বকের ইনফেকশন ও খুশকি দূর করতেও সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, বিশেষজ্ঞদের মতে রসুন নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে। তাদের মতে, তেলের মতো করে চুলে ও মাথার ত্বকে রসুনের রস লাগালে অনেক দ্রুত নতুন চুল গজায়। রসুনের রসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ এলিসিন যা রক্তে হিমোগ্লোবিন সঞ্চালন বাড়িয়ে দিয়ে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। তবে সেনসিটিভ স্কিনের ক্ষেত্রে এটার ব্যবহার না করাই ভালো। সেক্ষেত্রে হেয়ার স্পেশালিস্ট কিংবা স্কিন স্পেশালিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">রসুনের আচার :- </span></strong></h3>



<p>রসুন আয়ুর্বেদে রজনা নামে পরিচিত। রসুন পেটের সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়। বিভিন্ন রকমের আচারের মধ্যে রসুনের আচার অন্যতম। রসুনের আচার শুধু স্বাদের জন্য নয়, স্বাস্থের জন্যেও বেশ উপকারি। রসুন আমাদের শরীরে প্রাকৃতিক আ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে। কাঁচা রসুন শরীরের জন্য বেশি উপকারী ,তবে অনেকেই কাঁচা রসুন খেতে পারেন না। এজন্য চাইলেই কিন্তু আপনারা আস্ত রসুনের আচার তৈরি করে খেতে পারেন। রসুন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ভাইরাল এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ।</p>



<p class="has-text-align-center"><strong>জেনে নিন : <a href="https://preronajibon.com/benefits-of-honey/">মধু খাওয়ার উপকারিতা</a></strong></p>



<h3 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading"><strong>রসুন খাওয়ার নিয়ম :-</strong></h3>



<p>১. সকালে খালি পেটে রসুন কাঁচা খেতে পারেন যা সবচেয়ে বেশি উপকারী।</p>



<p>২. সেদ্ধ করেও রসুন খেতে পারেন। এটিও উপকারী।</p>



<p>৩.আপনি জলে ভিজিয়ে রেখে রসুনের জল খেতে পারেন এটিও পরীক্ষিত পদ্ধতি।</p>



<p>৪.রসুনের ২-৩টি কোয়া কুচিয়ে নিন। তার সঙ্গে এক টেবিলচামচ মধু মিশিয়ে নিন। প্রতিদিন এই মিশ্রণ খেলে শরীর ফিট ও এনার্জিতে ভরপুর থাকবে।</p>



<p>৫.সকালে খালি পেটে খেতে হবে এমন নয়। বিকেল-দুপুর বা রাতে খেতে পারেন। তবে খালি পেটে খেলে উপকার বেশি পাওয়া যাবে।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">রসুন বেশি খেলে কী হয় ?</span></strong></h3>



<p>রসুন খাওয়ার যেমন অনেক উপকারিতা রয়েছে তেমনি অতিরিক্ত রসুন খেলে হতে পারে ক্ষতি। গবেষকরা বলেন, অতিরিক্ত রসুন খেলে তাতে থাকা ‘অ্যালিসিন’ উপাদান লিভারে বিষক্রিয়া তৈরি করতে পারে। রসুনে সালফার থাকার কারণে পেটে গ্যাস তৈরি হয় এবং এটি থেকে ডায়রিয়া পর্যন্ত হতে পারে। বেশী পরিমাণে খেলে বমিভাব, বুক জ্বালাপোড়া ও পেটে ব্যাথা ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিতে পারে।</p>



<h3 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading"><strong>সকালে খালি</strong> <strong>পেটে খেলে কী হয় ?</strong></h3>



<p>সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এক কোয়া রসুন ঠান্ডা লাগার প্রকোপ কমাতে সাহায্য করে। রসুনে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রক্ত পরিশুদ্ধ রাখতে সাহায্য করে। পুষ্টিবিদদের মতে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে দুই কোয়া রসুন খেলে রক্ত সঞ্চালনক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। রসুনে থাকা সালফার রক্তনালিতে নাইট্রিক অক্সাইড উৎপন্ন করে। এতে তাদের স্থিতিস্থাপকতা বেড়ে রক্তচাপ কমে। একইভাবে রক্তে উপস্থিত শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে রসুন।</p>



<h3 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading"><strong>রসুন কি রোজ খাওয়া উচিত ?</strong></h3>



<p>রসুনের মধ্যে রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। শরীর ভাল রাখা ছাড়াও বিশেষ কিছু রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে রসুনের জুড়ি মেলা ভার। রসুনের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটিরিয়াল এবং অ্যান্টি প্যারাসাইটিক গুণাগুণ। সর্দিকাশি,উচ্চরক্তচাপ,কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত রসুন খেলে তা অনেকটাই কমবে বলে আশা রাখা যায়।</p>



<h3 class="has-vivid-red-color has-text-color wp-block-heading"><strong>রসুন কতটুকু খেলে উপকার পাবেন ?</strong></h3>



<p><br>রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধিতে রসুন ভীষণ কার্যকরী উপাদান। শরীরে টক্সিন বেড় করতে এবং রক্ত পরিষ্কার রাখার কাজ করে রসুন। প্রতিদিন দুই থেকে তিন কোয়া রসুন খেতে পারেন যা উচ্চরক্তচাপ কমানো থেকে থেকে শুরু করে অনেক শারীরিক সমস্যা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে। কথায় বলে অতিরিক্ত কিছুই ভাল নয়। তাই প্রতিদিন দুই থেকে তিন কোয়ার বেশি না খাওয়াই ভালো।</p>



<p>রসুনের উপকারিতা নিয়ে আমাদের লেখাটি কেমন লাগলো তা আমাদের কমেন্ট বক্সে জানাও। ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করো। এই ধরনের লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের <a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজে</a> ও <a href="https://www.youtube.com/channel/UCAKFB41Z5wBB1qMV67Gdziw">ইউটিউব চ্যানেলের</a> সাথে যুক্ত থাকো।</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/benefits-of-garlic/">রসুনের উপকারিতা কি কি । রসুন খাওয়ার সঠিক নিয়ম । Benefits of Garlic</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/benefits-of-garlic/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মাইগ্রেন কী ? আপনি মাইগ্রেনের সমস্যায় ভুগছেন না তো ? জেনে নিন মাইগ্রেনের ব্যথা দূর করার ঘরোয়া কিছু উপায়</title>
		<link>https://preronajibon.com/what-is-migraine/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/what-is-migraine/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 30 Oct 2020 11:09:39 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শরীর ও স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[bengali health tips]]></category>
		<category><![CDATA[health tips bangla]]></category>
		<category><![CDATA[Migraine]]></category>
		<category><![CDATA[ঘরোয়া কিছু উপায়]]></category>
		<category><![CDATA[মাইগ্রেন কী]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=1802</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 4</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>&#8220;আধ-কপালি &#8221; কিংবা &#8216;আধ-কপাল ব্যথা&#8217; কথাটি শুনেছেন ? গ্রামদেশে শব্দটি পরিচিত হলেও ডাক্তারি ভাষায় এর নামটি হল মাইগ্রেন। সাধারণভাবে মাথাব্যথা</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/what-is-migraine/">মাইগ্রেন কী ? আপনি মাইগ্রেনের সমস্যায় ভুগছেন না তো ? জেনে নিন মাইগ্রেনের ব্যথা দূর করার ঘরোয়া কিছু উপায়</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 4</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p>&#8220;আধ-কপালি &#8221; কিংবা &#8216;আধ-কপাল ব্যথা&#8217; কথাটি শুনেছেন ? গ্রামদেশে শব্দটি পরিচিত হলেও ডাক্তারি ভাষায় এর নামটি হল মাইগ্রেন। সাধারণভাবে মাথাব্যথা অনেক প্রকার হতে পারে । তারমধ্যে একপ্রকার হল মাইগ্রেন । এই সমস্যাটি কিন্তু বেশি দিন আগে ধরা পরে নি । আনুমানিক ২০ বছর ধরে মাইগ্রেন বিষয়টি চিকিৎসকদের নজরে আসে। পরিসংখ্যানে দেখা যায় গ্রমের মানুষের থেকে শহরের মানুষের মধ্যে এই মাইগ্রেনের প্রকোপ অনেক বেশি । বিশেষ করে জনবহুল, ধুলোবালিযুক্ত ও দূষিত পরিবেশে এই মাইগ্রেনের প্রকোপ একটু বেশি লক্ষ্য করা যায়। চিকিৎসা বিজ্ঞানে মাইগ্রেনের সর্বসম্মতভাবে নিশ্চিত ব্যখ্যা এখনো দেওয়া যায় নি । তবে মূল যে বিষয়টি তারা স্বীকার করেন তা হল , মাইগ্রেন একধরণে নিউরোভাস্কুলার ডিজঅর্ডার এবং এই ধারণার কারণ এই সমস্যা মস্তিষ্কে সৃষ্টি হয় এবং তারপর ধীর ধীরে রক্তশিরায় ছড়িয়ে যায়।</p>



<h2 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">&#8220;মাইগ্রেন &#8221; শব্দটির উৎসঃ-</span></strong></h2>



<p>&#8220;মাইগ্রেন &#8221; শব্দটির উৎস হল গ্রিক শব্দ &#8216;হেমিক্রানিয়া&#8217; । যার অর্থ &#8220;মাথার একদিকে ব্যথা&#8221; ( হেমি-=অর্ধেক&#8221;, ক্রানিয়ন= &#8220;খুলি&#8221;) । &#8212; এই হেমিক্রানিয়া থেকেই মাইগ্রেন (Migraine) কথাটির সৃষ্টি হয়।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">মাইগ্রেন কাদের হয় :- </span></strong></h3>



<p>গবেষণায় দেখা গেছে ১০ বছর থেকে ৪৫ বছরের মানুষের মধ্যেই সাধারণভাবে মাইগ্রেন এর সমস্যা হয়ে থাকে । পরিসংখ্যানে দেখা গেছে পুরুষ মানুষের থেকে নারীদের মধ্যে মাইগ্রেনের সমস্যা বেশি দেখা যায় । আর গ্রাম বা জনবিরল এলাকার মানুষের থেকে শহর বা জনবহুল এলাকার মানুষের মধ্যে মাইগ্রেনের সমস্যা বেশি হয় ।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">মাইগ্রেনের কারণ :-</span></strong></h3>



<p>চিকিৎসা বিজ্ঞান আজও মাইগ্রেনের সঠিক কারণ আবিষ্কার করতেই পারে নি । কিন্তু উপসর্গভিত্তিক গবেষণা থেকে এর কারণ সম্পর্কে কিছু কিছু সাধারণ বিষয় উঠে এসেছে । সেগুলি হলঃ-</p>



<p><br><strong>১। অতিরিক্ত চিন্তা<br>২। কোলাহল<br>৩। তীব্র আলো<br>৪। উচ্চ শব্দ<br>৫। ধুলোবালি বা ধোঁয়া<br>৬। প্রচণ্ড ঠাণ্ডা বা প্রচণ্ড গরম<br>৭। ঘুম না হওয়া<br>৮। কিছু ওষুধের সাইড ইফেক্ট<br>৯। কিছু কিছু খাবার ( নীচে তালিকা দেওয়া আছে)<br>১০। আরাম বিরামহীন জার্নি ইত্যাদি ।</strong></p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">যে খাবারগুলি মাইগ্রেনের ব্যথাকে বাড়িয়ে দেয় :-</span></strong></h3>



<p>কোনো কোনো খাবার মাইগ্রেনের ব্যথাকে বাড়িয়ে দেয় বলে অনেক ডাক্তার অভিমত প্রকাশ করেছেন। সেগুলি যেমনঃ- পনির, চকোলেট, নানা মাদকদ্রব্য, ঠাণ্ডা পানীয় ইত্যাদি।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">যে পরিবেশ মাইগ্রেনের ব্যথাকে বাড়িয়ে দেয় :-</span></strong> </h3>



<p>প্রচন্ড গরম বা প্রচণ্ড ঠাণ্ডা , কিংবা ভ্যাপসা জলীয় বাষ্পে ভরা পরিবেশ শীতকালের ঠান্ডা বাতাস বা কুয়াশা ইত্যাদি মাইগ্রেনের রোগীর মাথাব্যথার প্রকোপ বাড়িয়ে দিতে পারে। এছারাও ভীরের কোলাহল, শব্দ , তীব্র আলো মাইগ্রেন রুগীর পক্ষে ক্ষতির কারন হয়ে থাকে । উত্তেজনাপূর্ণ খবর , বা হৃদয়ে আঘাত থেকেও মাইগ্রেনের সৃষ্টি হয়ে থাকে বলে ডাক্তারদের অনুমান।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">মাইগ্রেনের লক্ষণ :-</span></strong></h3>



<p>মাইগ্রেনের লক্ষণকে আমরা দুটি ভাগে ভাগ করতে পারি। যথা-<br>পূর্ব লক্ষণ ও পরবর্তী লক্ষণ ।</p>



<p><strong>পূর্ব লক্ষণঃ-</strong></p>



<p>মাইগ্রেন শুরু হবার আগে কিছু কিছু লক্ষণ দেখা যায় বটে । তবে বেশিরভাগ মানুষ সেগুলি বুঝে উঠতেই পারেন না । বিভিন্ন মানুষের মধ্যে বিভিন্ন পূর্ব লক্ষণ দেখা যায় । সেগুলি যেমন &#8211; </p>



<p><strong>১। ঝিমুনি<br>২। বমি বমি ভাব<br>৩। উৎসাহহীনতা<br>৪। খিটখিটে মেজাজ<br>৫। হাই ওঠা<br>৬। ক্ষুধামন্দা<br>৭। অতিরিক্ত পিপাসা ইত্যাদি ।</strong></p>



<p><strong>মাইগ্রেনের পরবর্তী লক্ষণ :-</strong> </p>



<p>মাইগ্রেনের পরবর্তী লক্ষন বলতে বোঝায় মাইগ্রেন শুরু হলে যে লক্ষণগুলি দেখা যায় । সেগুলি ব্যক্তিভেদে আলাদা হলেও , কমন যেটি সেটি হল মাথাব্যথা। পূর্ব লক্ষণগুলির সঙ্গে এছাড়া যে লক্ষ্মণগুলি লক্ষ করা যায় সেগুলি হল : </p>



<p> <strong>১। কপালের অর্ধেক দিক ব্যথা<br>২। মাইগ্রেনের ব্যথা চোখের পেছনে কিংবা ঘাড়ে, কখনো মাথার পেছনে – হতে পারে।<br>৩। অর্ধেক মাথায় ব্যথা<br>৪। বমি বমি ভাব অথবা বমি হওয়া<br>৫। বেশি আলো বা বেশি শব্দ অসহ্য লাগা<br>৬। কথা বলতে অসুবিধা<br>৭। ক্লান্তি ও অবসন্নতা<br>৮। ক্ষুধা মন্দা<br>৯। অতিরিক্ত ঘাম ইত্যাদি ।</strong></p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">মাইগ্রেনের প্রকারভেদ :-</span></strong></h3>



<p>মাইগ্রেন সাধারণভাবে তিন প্রকার হয়। যথা- ক্লাসিক মাইগ্রেন , কমন মাইগ্রেন ও অ্যাটিপিক্যাল মাইগ্রেন। ক্লাসিক মাইগ্রেন হল পূর্ব থেকেই আন্দাজ করা যায় এমন মাইগ্রেন।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">মাইগ্রেন প্রতিরোধে কিছু ঘরোয়া টিপস :-</span></strong></h3>



<p>১. তাজা আঙুরের রস( জল না মিশিয়ে) খেলে মাইগ্রেনের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷<br>২.একটা ভেজা গামছা বা তোয়ালে ৪-৫ মিনিট ফ্রিজে রেখে তারপর ওই ঠান্ডা গামছকে মাথায় ও চোখের উপর কিছুক্ষণ রাখলে ব্যথা থেকে আরাম পাওয়া যেতে পারে।<br>৩. চন্দনকাঠের গুঁড়ো ও অল্প জল মিশিয়ে একটি পেস্ট বানান আর পেস্টটি কপালে মেখে নিন৷ এতে মাইগ্রেনের ব্যথা থেকে আরাম পাওয়া যায়।<br>৪. কোনো অন্ধকার নির্জন ঘরে চোখ বুঁজে শুয়ে থাকলে প্রতিনিয়ত মাথা ব্যথা থেকে অনেকটাই আরাম মিলবে।<br>৫. মাথা ম্যাসাজ করালেও মাইগ্রেনের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷<br>৬. লেবুর রস আর লবন দিয়ে তৈরি শরবৎ খেলে মাইগ্রেনের ব্যথা দ্রুত কমে যায় বলে অনেকেরই অভিজ্ঞতা রয়েছে ।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><br><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">যোগ ব্যায়ামের মাধ্যমে মাইগ্রেনের ব্যথা কমান :-</span></strong></h3>



<p>অনেকেই যোগ ব্যায়ামের মাধ্যমে মাইগ্রেন এর সমস্যা থেকে দূরে থাকেন । তাঁরা বিশ্বাস করেন যোগ ব্যায়ামের ফলে মাইগ্রেইনের আক্রমণের হার যেমন কমায় তেমনি এর যন্ত্রণা ও কমিয়ে আরাম দিতে পারে। এটা প্রমাণিত সত্য যে যোগের মাধ্যমে টেনশন বা মানসিক চাপ কমানো যায়। তাই বলা হয় যোগের মাধ্যমে মাইগ্রেনের সমস্যাও দূরে রাখা সম্ভব । অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের ধারণা অনুসারে বলা যায় মাইগ্রেনের জন্যে কিছু নির্দিষ্ট যোগাসনের নাম , যেমন &#8212; চক্রাসন, অর্ধ-চক্রাসন , অর্ধ-মৎসেন্দ্রাসন ইত্যাদি। এছাড়াও সাতক্রিয়া, কপালভাতি এবং কিছু প্রাণায়ামের প্রক্রিয়া রয়েছে । নিয়মিত ধ্যান করার মাধ্যমেও মাইগ্রেনকে দূরে রাখা সম্ভব।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">প্রচলিত চিকিৎসা :- </span></strong></h3>



<p>১.আপনার মাইগ্রেনের সমস্যা তৈরি হলে অনুমান করে মাথাব্যথার ট্যাবলেট না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন ।<br>২. যে সব খাবার (উপরে বর্ণিত হয়েছে) মাইগ্রেনের ব্যথা বাড়িয়ে দেয় সেসব খাবার এড়িয়ে চলুন।<br>৩. মহিলাদের জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি খাবার ফলে মাইগ্রেনের ব্যথা হয়ে থাকলে, সেই বড়ি খাওয়া বন্ধ করে দেখুন মাইগ্রেনের এর সমস্যা কমছে কিনা। পারলে বিকল্প পদ্ধতি আশ্রয় নিতে পারেন ।<br>৪. ধোঁয়া বা ধুলাবালি বা প্রচন্ড গরম বা শীতের বাতাসের মাঝে বের হতে হলে তবে মাস্ক বা রুমাল ব্যবহার করার অভ্যাস তৈরি করুন ।<br>৫. সর্বোপরি বলতেই হয় যে কোনো রোগের বা সমস্যার জন্য যেমন তাদের কারণটি বের করে সেগুলি থেকে দূরে থাকা বুদ্ধিমানের কাজ । তেমনি উপরে বর্ণিত মাইগ্রেনের কারণগুলো থেকে যতটা সম্ভব দূরে থাকার চেষ্টা করুন ।</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">ডাক্তারের পরামর্শে চিকিৎসা:-</span></strong></h3>



<p>সাধারণভাবে ডাক্তারেরা যেসব অসুধগুলি মাইগ্রেনের জন্য দিয়ে থাকেন সেগুলি নীচে দেওয়া হল । মনে রাখবেন এগুলি কীভাবে কতটা পরিমানে খাবেন তা অবশ্যই আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে খাবেন।</p>



<p>১. ট্যাবলেট অ্যাসপিরিন (600&#8211;900mg) যা জলে দ্রবণীয় কিংবা প্যারাসিটামল ট্যাবলেট (পরিমাণমত)<br>২.খুব বমি হলে বমি বন্ধ করার জন্য ওষুধ, যেমন- Metoclopromide(মেটোক্লোপ্রোমাইড) বাজারে যা মোটিলন, নিউট্রামিড ইত্যাদি নামে পরিচিত অথবা প্রোক্লোরপিরাজিন ((prochlorperazine)) বাজারে যা স্টিমিটিল, ভারগন বা প্রম্যাট নামে পাওয়া যায়- এসব চিকিৎসকেরা দিয়ে থাকেন ।<br>৩. সর্বোপরি মনে রাখবেন আপনার অভিজ্ঞতাকে যেন ডাক্তারের সুপরামর্শ শুনে তারপর প্রয়োগ করবেন । আর জানবেন দেশ কাল বয়স ওজন অনুযায়ী ওষুধ আলাদা আলাদা হয়ে থাকে ।</p>



<p>আশা করি বন্ধুরা আজকের বিষয়টি কিছুটা হলেও জীবনে কাজে লাগবে । এরকম আরো নানা আর্টিক্যাল পড়তে আমাদের <a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজ</a> এ লাইক করে সঙ্গে থাকুন । ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন । আপনাদের সঙ্গে প্রেরণাজীবন সবসময় থাকবে ।</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/what-is-migraine/">মাইগ্রেন কী ? আপনি মাইগ্রেনের সমস্যায় ভুগছেন না তো ? জেনে নিন মাইগ্রেনের ব্যথা দূর করার ঘরোয়া কিছু উপায়</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/what-is-migraine/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ইম্পোস্টার সিনড্রোম কী ? আপনি এই সমস্যায় ভুগছেন না তো ?</title>
		<link>https://preronajibon.com/imposter-syndrome-solutions/</link>
					<comments>https://preronajibon.com/imposter-syndrome-solutions/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[PreronaJibon]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 12 Oct 2020 18:12:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[শরীর ও স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[bengali health tips]]></category>
		<category><![CDATA[health tips bengali]]></category>
		<category><![CDATA[Imposter Syndrome Bengali]]></category>
		<category><![CDATA[ইম্পোস্টার সিনড্রোম]]></category>
		<category><![CDATA[মানসিক স্বাস্থ্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://preronajibon.com/?p=1744</guid>

					<description><![CDATA[<p><span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 4</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>ইম্পোস্টার সিনড্রোম কী ? আপনি এই সমস্যায় ভুগছেন না তো ? আপনি কি আপনার পাওয়া সব অর্জনগুলোকে সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখছেন</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/imposter-syndrome-solutions/">ইম্পোস্টার সিনড্রোম কী ? আপনি এই সমস্যায় ভুগছেন না তো ?</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<span class="span-reading-time rt-reading-time" style="display: block;"><span class="rt-label rt-prefix"></span> <span class="rt-time"> 4</span> <span class="rt-label rt-postfix">Minute Read</span></span>
<p class="has-text-align-center has-medium-font-size"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">ইম্পোস্টার সিনড্রোম কী ? আপনি এই সমস্যায় ভুগছেন না তো ?</span></strong></p>



<p>আপনি কি আপনার পাওয়া সব অর্জনগুলোকে সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখছেন এবং নিজেকে ঐ সব অর্জনের জন্য অযোগ্য বলে মনে করছেন ? আপনার অর্জনের পেছনে আপনার পরিশ্রম , আপনার মেধাকে বড় করে না দেখে আপনি কি সর্বদা ভাগ্যেরই জয়গান গাইতে থাকেন, আর এই কারণেই নিজেকে একজন প্রতারক বা ছলনাকারী বলে মনে হয় আপনার ? আপনার কি সর্বদা মনে হয় কেউ আপনার মুখোশ টা খুলে দেবে , আপনার আসল পরিচয় টা সকলের সামনে বের করে আনবে ? যদি সর্বদা এই অনুভূতিগুলি আপনাকে ঘিরে রাখে, তাহলে আশঙ্কা রয়েছে আপনি ইম্পোস্টার সিনড্রোম এর মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন।</p>



<h2 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">ইম্পোস্টার সিনড্রোম কী ?</span></strong></h2>



<p><strong>ইম্পোস্টার</strong> (<strong>Imposter</strong>) মানে হল <strong>ছদ্মবেশী, ভন্ড ও প্রতারক</strong>। আর <strong>সিনড্রোম</strong> (<strong>Syndrome</strong>) মানে হল লক্ষণ। অর্থাৎ ইম্পোস্টার সিনড্রোম হল এমন এক ধরণের মানসিক অবস্থা যেখানে মানুষ তার নিজের অর্জন , সাফল্য, যোগ্যতা ও খ্যাতিকে সন্দেহের চোখে দেখে এবং নিজেকে অযোগ্য বলে মনে করে। এবং তার মনে হতে থাকে নিছকই ভাগ্যগুনে সে এখানে অবস্থান করছে। এবং সে যে যোগ্য নয় এই বিষয়টি সকলের সামনে ক্রমশ প্রকাশ পেয়ে যাচ্ছে বা যাবে। এই মানসিক অবস্থার নাম <strong>ইম্পোস্টার সিনড্রোম</strong>।</p>



<p>১৯৭৮ সালে <strong>Dr. Pauline R. Clance</strong> এবং <strong>Dr. Suzanne A. Imes</strong> তাঁদের প্রবন্ধে <strong>(The Impostor Phenomenon in High Achieving Women: Dynamics and Therapeutic Intervention)</strong></p>



<p><strong>ইম্পোস্টার সিনড্রোম</strong> নিয়ে সর্বপ্রথম আলোচনা করেন। তাঁরা বলেন, অনেক সাফল্য পাওয়া নারীদের মধ্যে এটি দেখা যায়। তাঁরা মূলত সেসব নারীদের নিয়েই গবেষণা করেন।</p>



<p>পরে অবশ্য, বিভিন্ন রিসার্চ থেকে জানা যায় যে, শুধুমাত্র নারী না, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে এই ইম্পোস্টার সিনড্রোমের মধ্যে দিয়ে যায়।</p>



<p>&#8220;দ্য সিক্রেট থটস অব সাক্সেসফুল উইমেন&#8217; বইয়ের লেখক ভ্যালেরি ইয়াং একজন ইম্পোস্টার সিনড্রোম বিশেষজ্ঞ। ইম্পোস্টার সিনড্রোমে আক্রান্ত ব্যক্তিদের আচরণে কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য তিনি খুঁজে পেয়েছেন:</p>



<p><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">১.পারফেকশনিস্ট : (The Perfectionist)</span></strong></p>



<p>পারফেকশনিস্ট মানুষজন তাদের কাজেকর্মে সবকিছুতেই নিঁখুত হতে চেষ্টা করেন। ৯৯% শতাংশ সফল হলেও তারা নিজেকে ব্যর্থ মনে করেন। এবং নিজেদের দোষারোপ করে তাদের কর্মদক্ষতা সম্পর্কে সন্দিহান প্রকাশ করতে থাকেন। কারণ ১০০% পারফেকশন না থাকলে সেই সাফল্যকে তারা সাফল্য হিসেবে মানতে চান না।</p>



<p><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">২.সহজাত প্রতিভাবান(The Natural Genius ) :</span></strong></p>



<p>কিছু মানুষ আছে যারা জন্ম থেকেই প্রতিভাবান। এমন ন্যাচারালি জিনিয়াস মানুষজনের মধ্যে মাঝে মাঝে একটা ধারণা জন্মায় যে, কোনো কাজ তারা একবারের চেষ্টাতেই পারবেন। কোনো কাজে তাদের বেশি পরিশ্রম দিতে হবে না। কিন্তু কোনো কাজে তারা যদি সেটা করতে না পারেন বা অন্য কথায়, যদি তারা কোনও কিছু আয়ত্ত করতে দীর্ঘ সময় নেয় তবে তারা লজ্জা বোধ করেন । তাহলে তাদের মধ্যে ইম্পোস্টার সিনড্রোম দেখা দেয়।</p>



<p><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৩. সুপারম্যান বা সুপারওম্যান: ( The Superman/Superwoman)</span></strong></p>



<p>এই টাইপের ব্যক্তিরা নিজেদেরকে জীবনের সকল ক্ষেত্রেই সফল দেখতে বদ্ধপরিকর। আশেপাশের মানুষদের থেকে তারা সর্বদা একধাপ বেশি পরিশ্রম করতে চান শুধু এ কারণে যে তাদেরকে প্রমাণ করতেই হবে, তারা অযোগ্য নন। একজন ইম্পোস্টার নই আমি- শুধু এ ধারণাটি প্রতীয়মান করার জন্য তারা সবসময় নিজেদের উপর চাপ তৈরি করতে থাকেন।</p>



<p><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৪. The Soloist: (একাকী মননের ব্যক্তি)</span></strong></p>



<p>&#8220;আমার কারো সাহায্যের দরকার নেই আমি সব নিজেই করতে পারবো।&#8221;এই ধরণের স্বাধীনচিন্তা থাকা ভালো। পরনির্ভর না হয়ে নিজের প্রতি দায়িত্ব নেওয়া। কিন্তু যদি কেউ সর্বদা অন্যের সাহায্যকে প্রত্যাখ্যান করে সর্বদা একলা চলো নীতিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ থাকেন এইভেবে যে, কারো কাছে সাহায্য চাইলে তাকে অন্যেরা প্রতারক বা ব্যর্থ মনে করতে পারে। এই ভয়ে সে নিজেকে সাহায্য চাওয়া থেকে বঞ্চিত রাখেন তবে বিষয়টি ইম্পোস্টার সিনড্রোম এর ইঙ্গিত দেয়।</p>



<p><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">৫.বিশেষজ্ঞ (The Expert) :</span></strong></p>



<p>বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিরা যেকোনো কাজে হাত দেওয়ার আগে সে সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করে থাকেন। আর তারা মনে করেন একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে তাদের সকল তথ্য ও জ্ঞান অর্জন করতেই হবে। কর্মক্ষেত্রে বা কোনো মিটিং চলাকালীন তারা কোনো রকম প্রশ্ন করেন না। কারণ তাদের ভেতর ভয় কাজ করে, তারা ভাবে যদি ঐ প্রশ্ন তাকে অন্যদের সামনে অপ্রস্তুত অবস্থায় ফেলে দেয় বা সবাই তাকে বোকা মনে করেন</p>



<p>গবেষণায় জানা যায় ৭০শতাংশ মানুষ কোনো না কোনো সময় ইম্পোস্টার সিনড্রোম এ ভোগেন। বিভিন্ন ক্ষেত্রে বা নানান পেশার মানুষ যেমন মায়া অ্যাঞ্জেলো, মিশেল ওবামা ,অস্কার জয়ী অভিনেতা টম হাংকস<br>বা পেনেলোপ এই বিখ্যাত মানুষগুলোও এই ইম্পোস্টার সিনড্রোম এ ভুগেছেন।</p>



<p>মায়া অ্যাঞ্জেলো, পুরষ্কার প্রাপ্ত লেখক একবার তার ১১ তম বই প্রকাশের পরে বলেছিলেন যে প্রতিবার তিনি অন্য একটি লেখার জন্য নিজেকে ভাববেন: &#8220;আহ-ওহ, তারা এখন উপলব্ধি করবে। আমি প্রত্যেকের উপর একটি খেলা চালিয়েছি ।&#8221;</p>



<p>টম হাংকস এক রেডিও সাক্ষাতকারে বলেছেন-<br>&#8220;আমি কী করেছি সেটা বিষয় নয়। বিষয়টা হলো কিভাবে এখানে এলাম। যখন মনে হয় আসলে আমি একজন প্রতারক এবং এটিই সব কিছু নিয়ে যায় আমার কাছ থেকে।&#8221;</p>



<h3 class="wp-block-heading"><strong><span style="color:#cf2e2e" class="tadv-color">ইম্পোস্টার সিনড্রোম কাটিয়ে ওঠার কয়েকটি উপায় :</span></strong></h3>



<p>১. নিজের প্রতি সহানুভূতিশীল হন। আপনি একা নন। আপনার অনুভুতিগুলো প্রিয়জনদের সাথে শেয়ার করুন। আমাদের মধ্যে অনেকেই এই সমস্যার সম্মুখীন।</p>



<p>২.নিজের কাজকে নিজে স্বীকৃতি দিন। তাহলে নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস বাড়বে।</p>



<p>৩.নিজের অর্জন ও যোগ্যতার একটি তালিকা তৈরি করুন। ভাগ্যই আপনার সব অর্জনের মূলে কিন্তু যখন কাগজে আপনার অর্জন গুলি লিখবেন তখন মনে হবে এ চিন্তা হাস্যকর।</p>



<p>৪.যারা পারফেকশনিস্ট তাদের একটা ভালো দিক হল যে, তারা কোনো কাজ অতি যত্ন সহকারে করতে চান এবং নিখুঁত করে তুলতে নিয়মিত পরিশ্রম করেন । কিন্তু তাদের মনে রাখতে হবে যে , এই কাজের জন্য একেবারে যন্ত্রের মতো অমানবিক ভাবে খাটলে চলবে না । রুটিনের বাঁধা ধরা নিয়মের বাইরে একটু রিলাক্স ভাবে কাজ করবে হবে । আর কাজে কোনো ভুল হলে নিজেকে ক্ষমা করতে হবে ।</p>



<p>৫. সাফল্যের সঙ্গে ব্যর্থতাকেও মেনে নিতে শিখুন । কারণ সাফল্যের সিঁড়িই হল ব্যর্থতা ।</p>



<p>৬. নিজেকে নিজে মূল্যায়ণের আগে অন্যের ফিডব্যাক গ্রহণ করুন । কারণ অন্যের চোখে দেখা নিজেকে বেশি বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় ।</p>



<p>৭. সকলেই আলাদা আলাদা ক্ষমতা সম্পন্ন । তাই অন্যের সঙ্গে তুলনা না করে নিজের পূর্বের কাজের সঙ্গে বর্তমান কাজের দক্ষতার তুলনা করুন ।</p>



<p>সর্বশেষে একটি কথা মনে রাখবেন , আপনার জীবনের একটি মহান উদ্যেশ্য রয়েছে । আপনার জীবনে আপনিই সেরা । আর আপনি নিজেকে যতটা ভাবেন , তার চেয়েও বেশি ক্ষমতা আপনার আছে । নিজেকে আপনি যতটুকু স্মার্ট মনে করেন , তার চেয়ে অনেক বেশি স্মার্ট আপনি । আর যতটুকু কৃতিত্ব নিজেকে দিয়ে থাকেন তার চেয়ে অনেকগুন বেশি কৃতিত্ব ধারণের অধিকার আপনার রয়েছে । তাই এই কথাগুলো আপনি নিজেকে বারবার স্মরণ করিয়ে দিতে ভুলবেন না । মনে রাখবেন আপনার চেয়ে আপন কেউ নেই আপনার , যে আপনাকে উজ্জীবিত করে তুলতে পারে।</p>



<p>আশা করি ইম্পোস্টের সিনড্রোম নিয়ে আমাদের লেখাটি আপনাদের ভালো লাগবে। ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করো। এই ধরনের লেখার নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের <a href="https://www.facebook.com/preronajibon/">ফেসবুক পেজটিতে</a> যুক্ত থাকো।</p>
<p>The post <a href="https://preronajibon.com/imposter-syndrome-solutions/">ইম্পোস্টার সিনড্রোম কী ? আপনি এই সমস্যায় ভুগছেন না তো ?</a> appeared first on <a href="https://preronajibon.com">প্রেরণাজীবন</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://preronajibon.com/imposter-syndrome-solutions/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>

<!--
Performance optimized by W3 Total Cache. Learn more: https://www.boldgrid.com/w3-total-cache/?utm_source=w3tc&utm_medium=footer_comment&utm_campaign=free_plugin

Page Caching using Disk: Enhanced 
Lazy Loading (feed)
Minified using Disk

Served from: preronajibon.com @ 2026-04-09 13:04:53 by W3 Total Cache
-->